(একে ৪৭!)
সর্দারজী ভোলা সিং আলাভোলা মানুষ । তারে পিঁয়াজু আনতে কইলে সে জুজিৎসু ক্লাবে চইলা যায় । জুতা কিনতে কইলে সে ফিতা নিয়া আসে । একদিন বাড়িত আইসা দেখে তার দজ্জাল বউ চিরকুট রাইখা গেছে গা "আমি গেললাম গা "। ভোলা কয় 'বাঁচলাম!'
যাউকগা একদিন ভোলা তার গাড়ি "ভোলা মোবাইল" নিয়া যাইতেছে টুক টুক কইরা এমন সময়ে দেখে পিছে নীল রঙের ফ্ল্যাশার, ৯০ ডেসিবলের প্যাঁওওও....ঠোলা থুক্কু মামা'স আর কামিং! লুকিং ফর দুশমনস!
ভোলা কাল বিলম্ব না কইরা পেডাল চাপছে মেঝের সাথে । ভোলা মোবাইল ছুটছে সচলায়তনের গতিতে । লেকিন ভোলা হইলো ভোলা! সেকি প্রফেশনাল ঠোলাগো লগে পাল্লা দিতে পারে । এক কানা গলির চিপায় ভোলার গাড়ি হান্দায়া দিলো অভিজ্ঞ মামু ।
ভোলা সামনে যাওনের জায়গা না পাইয়া চুপচাপ গাড়ি বন কইরা বইসা রইছে । যা থাকে কপালে ।
ফুলিশম্যান, ঠোলা সিং [আইসা উঁকি দিছে ভোলার জানালায় । 'আরি ভোলা! (ভোলা আর ঠোলা আবার বাচপান কালের ইয়ার, যারে কয় লেংগুটিয়া ফেরেন্ডো) । আমি তো কেবল সাইরেন, আর লাইট টেস্ট করতেছিলাম । তুই গাড়ি নিয়া লৌড় পাড়লি ক্যান? তোর মনে পাপ আছে । ইদানিং কী আকাম করছস?'
'কিস্যু করি নাই ঠোলা । শুধু আমার বউ ভাইগা গেছে ।'
'কনগ্রাচুলেশান্স! বদনসিবের বউ লটকায়া থাকে । তা তুই গাড়ি লৌড় পাড়লি ক্যান সেইটা ক ।'
'বউ পালাইছে এক ঠোলা থুক্কু ফুলিশের সাথে । আমি তোর সাইরেন শুইনা, ফ্ল্যাশ বাতি দেইখা ভাবছি, সারছে! আমার বউরে তো ঠোলা মিয়া এইবার ফিরত দিতে আইতেছে । ভোলা আপন জান বাঁচা!"
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ সকাল ৯:২৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


