আমি কোন দল করিনা । কারও আদর্শ আকড়ে ধরে পরেও থাকি না । আমি শুধু বুঝি কোনটা ভাল আর কোনটা মন্দ । আমি হরতাল সমর্থন করিনা । কারণ এমনিতেই ছুটির ফাঁদে বহির্বিশ্বের সাথে ব্যবসা যেনতেন । এর মধ্যে হরতাল বাজায় দেশের বারটা । তাই সারাজীবন হরতাল থেকে দূরেই থেকেছি । কিন্তু প্রথমবারের মত কাল মার্কিন কোম্পানি কনোকোফিলিপসের সঙ্গে সরকারের চুক্তির প্রতিবাদে তেল-গ্যাস, খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুত্-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির ডাকা অর্ধদিবস হরতালে আমি সমর্থন দিয়েছি । কেন দিয়েছি ? হা হা হা...কেন দেব না ? বিদেশী একটা কোম্পানী আমাদের সম্পদ লুট করে নিয়ে যাবে আর আমরা তা সহ্য করে যাব ? না , কখনই না
হ্যা কালকের হরতাল ছিল বাঁচা মরার লড়াই । তথাকথিত দেশপ্রেমিক (সরকার) দের সাথে টোকাইদের লড়াই । আর টোকাইরা কিন্তু নিজেদের অধিকার কখনই ছাড়ে না । টোকাইদের সম্পদ রক্ষার লড়াই ।
আমি টোকাই । হ্যা আমি একজন টোকাই । আমি তথাকথিত দেশপ্রেমিক না । কিন্তু জন্মসূত্রে আমি এই মায়ের সন্তান । আর উত্তরাধিকার সূত্রে আমার মায়ের সম্পদের উপর আমার ভাগ আছে । দেখি আমার মায়ের সম্পদ আমার থেকে কে কেড়ে নিতে আসে ।
টোকাইদের উপর আওয়ামী ফ্যাসিবাদী তথাকথিত দেশপ্রেমিক সরকারের লেলিয়ে দেয়া পুলিশের নির্যাতন ।
দেশের সম্পদ রক্ষাকারীদের উপর সম্পদ ভক্ষণকারীদের নির্যাতন
এরা কোন রাজনৈতিক দলের কর্মী না । এরা তথাকথিত দেশপ্রেমিক না । এরা টোকাই । কিন্তু এদের দেশের প্রতি ভালবাসা আছে । দেশের সম্পদ রক্ষার জন্যই এরা আজ রাস্তায় নেমেছে । তথাকথিত রাজনৈতিক নেতাদের মত নিজের বাড়িঘর রক্ষার জন্য নয়
সরকার বলে এই হরতালকারীরা নাকি দেশদ্রোহী । দেশের সম্পদ বিদেশীদের হাতে তুলে দেয়ার প্রতিবাদ যদি দেশদ্রোহীতা হয় । তাহলে ঘর , জমি , নিজেদের স্বার্থের জন্য হরতাল দেয়া বিএনপি, আওয়ামী লীগ ও তথাকথিত রাজনৈতিক দলগুলো কি ???
আমাদের সম্পদ আমাদের আগামী দিনের উন্নতির পাথেয় । আগামী প্রজন্মের কাছে একটা সুন্দর বাংলাদেশ রেখে যেতে চাইলে এই সম্পদ আমাদেরই দরকার । না হলে আগামী প্রজন্ম কিন্তু আমাদের ক্ষমা করবে না ।
সবগুলো ছবি ফেছবুক থেকে নেওয়া ।
লেখাটি একই সাথে আমার ব্যাক্তিগত ব্লগ স্বপ্নব্লগ এ প্রকাশিত
সর্বশেষ এডিট : ০৪ ঠা জুলাই, ২০১১ বিকাল ৪:৫৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।





