পরী এবং বিশটি বছর
২৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৫৫
![]()
আড়ং এর সামনে থেকে পরী কে পিক্ করে আকাশ। গাড়ী চলছে। ‘কি গান শুনবে পরী?’ আকাশ শুধায়। ‘কখনো ইচ্ছে হয়। আছে ওটা?’ পরীর জবাব। ‘আছে। সিডি change করতে হবে। সিডির ব্যাগটা বের কর। 3rd CD, 1st track’ আকাশ বলে। বাজছে দু’জনেরই খুব পছন্দের গানটা। আকাশের ডান হাতটা steering wheel এ আর বাম হাতটা আলগোছে পরীর কোলে রাখা। দু’টো হাত দিয়ে আলতো স্পর্শে আকাশের হাতটা ধরে আছে পরী। গাড়ী গাবতলী, সাভার, নবীনগর হয়ে ধামরাই। বড় রাস্তা ছেড়ে হাতের বামে সরু একটা পথ ধরে আকাশ। এঁকেবেঁকে কিছুদূর গিয়ে মেঠোপথ। খানিক সামনে একটা বাঁক পেরিয়েই ছোট্ট একটা সবুজ মাঠ। মাঠের এপাশটায় ঝোপঝাড়, জঙ্গল। নাম না জানা অনেক গাছে ছেয়ে আছে। তারপর ছোট্ট মাঠ টা পেরিয়ে একটা সরু নদী। ‘কি নাম এই নদীটার?’ পরীর প্রশ্ন। ‘হবে কিছু একটা’ জবাব দেয় আকাশ। নদীর ওপাশটায় খোলা প্রান্তর। তারপর কিছু ফসলী জমি পার হয়ে দূরে গ্রামের রেখা। ছোট্ট মাঠের এক কোনায় গাড়ী রেখে গাছের ছায়ায় সবুজ নরম ঘাসে বসে দু’জন পাশাপাশি। দু’জনেরই দৃষ্টি মাঝে মাঝে পাশের সঙ্গীকে ছুঁয়ে হারিয়ে যাচ্ছে দূরে। কথা হারিয়ে গেছে দু’জনেরই। হারাবে না? বিশটি বছর অপেক্ষার পর প্রথম দেখা...।
হাসিতে ফেটে পড়ে দু’জনেই। Messenger এর chat window তে কল্পনার জাল বুনছিলো দু’জন এতোক্ষণ। কি অবাক ব্যপার... কল্পনাও বাস্তবের এত কাছাকাছি হয়! পরীর সাথে আকাশের পরিচয় একটা chat room এ। শুরূতে একটা মোহ, অদ্ভুত এক আকর্ষণ। ভুল পরিচয়ে দু’টো মানুষ দিনের পর দিন পথ চলে কল্পনায় হাত ধরাধরি করে। এক সময় অস্থির হয়ে ওঠে আকাশ। মিথ্যের ভয়াল কালো সাপটা ওকে আস্তে আস্তে আষ্টেপৃষ্ঠে বেঁধে শ্বাস রোধ করছে যেনো। এক বিষন্ন দিনে পরীকে নিজের সব সত্যি জানায় আকাশ। ভীষণ আহত হয় পরী। তবে সত্যের আলোয় উদ্ভাসিত হয় আকাশ। অনেক দিনের চেপে থাকা এক কষ্টের পাথর গড়িয়ে নেমে যায় ওর মন থেকে। তারপর প্রচন্ড কষ্টে দম বন্ধ করা এক দীর্ঘ নীরবতা। আকাশের মনে হতে থাকে তার পৃথিবী থেকে অনেক প্রিয় কি যেনো একটা হারিয়ে গেছে। Mail এ ক্ষমা চায় আকাশ। ধীরে ধীরে আবারো যোগাযোগ স্থাপিত হয় দু’জনের।
শুধুই net এ কথা। কল্পনার ভেলায় ভেসে ভেসে কোথায় হারিয়ে যায় দু’জন। কত কথা হয়। বেশীরভাগই ভালোলাগা আর কল্পনার কথা। প্রতিদিনই কথা হওয়া চাই। পরীর dial up connection টা মাঝে মাঝে বিগড়ে গেলে কি যে কষ্ট দু’জনের। জানাবার ও উপায় নেই। দু’টো আবেগী মন ছটফট করে শুধু। অনেক কিছু চায় আকাশ। পরী কে দেখতে চায়, ওর কন্ঠ শুনতে চায়, দেখা করতে চায়। কোন কিছুতেই সম্মতি নেই পরীর। তার কথা... এভাবেই ভালো আছি আমরা। কেনো এত জটিলতা বাড়াতে চাও জীবনে? তুমি বিবাহিত। আমারো একসময় নিজের একটা সংসার হবে। তখন সবকিছু সামলানো মুশকিল হবে। আর তাছাড়া, যত পাবে, চাওয়া ততোই বাড়বে। আকাশ বলে... ছোট্ট একটা জীবন আমাদের। না পাওয়ার অতৃপ্তি নিয়ে চলে যাবে কেনো? যতটুকু পাও, দু’হাত পেতে নাও।
আকাশের কথায় ভালো লাগার ছোঁয়া থাকতো। ভালোবাসার কথাটা বলা হয়ে ওঠেনি কখনো। একদিন পরী বলে ‘ভালোবাসি’। ‘আমিও ভালোবাসি তা জানো কি?’ আকাশ বলে। ‘ভালোবাসি’ বলতে পারার পর সবার জীবনটাই বোধহয় অন্যরকম হয়ে যায়। আকাশ আর পরীর ও তেমনটাই হয়। কত আবেগ আর আকুলতা এসে ভর করে।
আকাশের ছোট্ট সংসারটাকেও অনেক ভালোবাসে পরী। ছবি দেখে বলে সত্যিকার সুখী পরিবার তোমার। তোমরা সবাই এত সুন্দর কেনো? আকাশের স্ত্রীকে ও ডাকে ‘আপুনি’। মাঝে মাঝে বলে... আপুনির কথা ভাবলে নিজেকে খুব অপরাধী মনে হয় আমার। আকাশ বোঝায়... তোমার আপুনিকেও অনেক ভালোবাসি আমি। তোমার কারণে তাকে তো আর কম ভালোবাসছি না, আর আমার সংসারের প্রতি উদাসীনও হচ্ছি না। আকাশের এই মনোভাবটাকে শ্রদ্ধা করে পরী। বলে... কখনো যেনো তেমন ক’রো না। তাহলে নিজেকে ক্ষমা করতে পারবো না আমি। এক রাতে এক আবেগী মুহুর্তে নিজের ছবি দেখায় পরী। আকাশের মনে হয়... এই মুখটাই যেনো এতোদিন কল্পনা করেছি আমি। মনে হয় যেনো কত দিনের পরিচিত। দু’জনেরই মনে হয় এই বুঝি স্বপ্নের রাজকন্যা, রাজপুত্র। যে আকাশ অদেখা কাউকে প্রাণ ভরে ভালোবাসার দ্বিধার দোলাচলে ছিলো, সে যেনো নতুন করে মন উজাড় করা ভালোবাসায় হারিয়ে যায়।
আকাশের এক জন্মদিনের দু’দিন আগে বিগড়ালো পরীর dial up connection। Café থেকে mail করে জানায় পরী। দু’জনেরই ভীষণ মন খারাপ। জন্মদিনটা যেনো ম্লান আর বিবর্ণ মনে হয় আকাশের। দুপুরে পরী café থেকে online হয়। শুভেচ্ছা জানায়। বলে ‘কি উপহার চাও?’ আকাশ বলে ‘যা চাই তা দিতে পারবে না। তাই চাইবো না’। ‘ফোন নাম্বার?’ পরী শুধায়। ‘নাহ্। শুধু আজকের জন্য যেকোন একটা ফোন থেকে একবার কথা বল’ বলে আকাশ। আকাশের নাম্বার নেয় পরী। বলে... ‘কথা দিতে পারছি না’। অপেক্ষা করে আকাশ। এক সময় আসে সেই প্রতীক্ষীত মুহুর্ত। বিকেল গড়িয়ে তখন সন্ধ্যা হবো হবো করছে। অন্য সব জন্মদিনের চেয়ে ওই জন্মদিনটা আকাশের কাছে বিশেষ আর অন্যরকম হয়ে ওঠে। সেটাই শেষ কথা নয়। এখন প্রতিদিনই কথা হওয়া চাই।
তারপর আর পিছনে ফিরে তাকায়নি ওরা। ভালোবাসার পথ ধরে শুধুই এগিয়ে চলা। পরীর ও না বলা কথাগুলো বলেছে আকাশকে। সত্যের আলোয় জীবনটাকে অনেক সুন্দর আর আলোকিত দেখে ওরা। শ্রদ্ধা করে একে অন্যের জীবন আর অবস্থান টাকে। ২০২৫ এর কোনো একসময় দেখা করবে ওরা। তখন দু’জনেরই বয়স মধ্যের ওপারে। দু’জনেরই জীবন হয়তো অনেক চড়াই উতরাই পেরিয়ে স্থির হবে খানিকটা। আজীবন এমনি ক’রে ভালোবেসে যাওয়ার যে স্বপ্ন ওরা দেখে তা কি বেঁচে থাকবে তখনো? দেখা কি হবে ওদের ঠিক কল্পনার মত করে? জানে না ওরা। তবে বিশ্বাস করে। আপনারা দোয়া করবেন ওদের দু’টো পরিবারের জন্য আর দোয়া করবেন ওদের জন্য... ওদের লালিত স্বপ্নটা যেনো সত্যি হয়। স্বপ্নভঙ্গ যে বড় কষ্টের।
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
শাওন বলেছেন:
আমি গেছি । আমি পুরা গেছি । ফেভারিট করলাম , + দিলাম । আরো কিছু থাকলে তাও করতাম । খুবই ভালো লাগলো লেখাটি । আপনার লেখার হাত জটিল । শুভকামনা ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। আপনার জন্যও শুভকামনা।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: মানুষের জীবন বড় অদ্ভুত। কখন জীবনটা কিভাবে বদলে যায় আমরা ক’জন তার খবর রাখি? নিয়তি সব সময় ই আমাদের নিয়ে যায় অজানা গন্তব্যে।
অপ্সরা বলেছেন:
শাওন বলেছেন: আমি গেছি । আমি পুরা গেছি । ফেভারিট করলাম , + দিলাম । আরো কিছু থাকলে তাও করতাম । খুবই ভালো লাগলো লেখাটি । আপনার লেখার হাত জটিল । শুভকামনা । আমিও গেছি।পুরা গেছি। আমিও ফেভারিট করে দিলাম। +++
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
রাশেদ বলেছেন:
ভাল্লাগছে। আপনাকে সালাম ভাইডি।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই।
রাশেদ বলেছেন:
আবার পড়লাম।
লেখক বলেছেন: আচ্ছা। চলবে......
নিবিড় বলেছেন:
অপ্সরা বলেছেন: শাওন বলেছেন: আমি গেছি । আমি পুরা গেছি । ফেভারিট করলাম , + দিলাম । আরো কিছু থাকলে তাও করতাম । খুবই ভালো লাগলো লেখাটি । আপনার লেখার হাত জটিল । শুভকামনা । আমিও গেছি।পুরা গেছি। আমিও ফেভারিট করে দিলাম। +++
লেখক বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ।
লিপিকার বলেছেন:
অসাধারণ লিখেছেন..........এমন আরও লেখা চাই.....চমৎকার!
লেখক বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ।
অপ্সরা বলেছেন:
নিবিড় বলেছেন: অপ্সরা বলেছেন: শাওন বলেছেন: আমি গেছি । আমি পুরা গেছি । ফেভারিট করলাম , + দিলাম । আরো কিছু থাকলে তাও করতাম । খুবই ভালো লাগলো লেখাটি । আপনার লেখার হাত জটিল । শুভকামনা । আমিও গেছি।পুরা গেছি। আমিও ফেভারিট করে দিলাম। +++
হাহাহাহা নিবিড়!!!!
পারভেজ বলেছেন:
নিবিড় বলেছেন: অপ্সরা বলেছেন: শাওন বলেছেন: আমি গেছি । আমি পুরা গেছি । ফেভারিট করলাম , + দিলাম । আরো কিছু থাকলে তাও করতাম । খুবই ভালো লাগলো লেখাটি । আপনার লেখার হাত জটিল । শুভকামনা।
হিমালয়৭৭৭ বলেছেন:
style ta asolei khub valo legese.....
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
মেঘাচ্ছন্ন বলেছেন:
ভালো লাগলো খুব..........।স্বাগতম.....আপনাকে, আমাদের এই ব্লগ পরিবারে ।
হাত খুলে লিখে যান..........
ভালো থাকুন ।
শুভেচ্ছা রইলো ।
লেখক বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ উৎসাহিত করার জন্য। ভালো থাকুন।
নিলা বলেছেন:
লেখার স্টাইল সুন্দর।কাহিনীর কথা বললে বলতে হয়, আমার ভালো লাগে নি।
ভালোবাসার কমতি....মানে দুজন মানুষকে ভালোবাসা ভাগ করে দেয়া এই জিনিসটা আমার পছন্দ না।
একজনকে (বউকে) সব ভালোবাসা উজাড় করে দেয়াই উচিত।
যাইহোক, আমার অপিনিওন আর আপনার গল্প যে এক হতে হবে এমন কোন কথা নেই।
ভালো লাগা রেখে গেলাম
লেখক বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ। মানুষের ভালোবাসার ক্ষমতা আসীম। আরো অবাক করা ব্যপার হলো... একই সাথে একজন মানুষ অনেক কে ভালোবাসতে পারে। শুধু তাতে থাকে নানা রকমফের। আপনার পারিপার্শ্বিকের দিকে তাকালেই উদাহরণ পাবেন আশা করি। ভালো থাকুন।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। চেষ্টা করবো চালিয়ে যাওয়ার।
কঁাকন বলেছেন:
অসাধারন ভালো থাকুন
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। আপনিও ভালো থাকুন।
রাশেদ বলেছেন:
ভাইডি, এইরকম আরো কিচু দেন।
লেখক বলেছেন: একই গল্পের শাখাগুলো দেখুন এখানে...
Click This Link
লেখক বলেছেন: হা হা হা হা হা...। আপনেই যখন আকাশ... আপনার কীর্তি গুলা জানান আমাকে। আমি গল্প লিখি আর পোস্ট করি...
লেখক বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ।
মুনিয়া বলেছেন:
কঠিন কাহিনী।
প্রীটি সোনিয়া বলেছেন:
দারুন কাহিনী....সত্যি মন ছুঁয়ে গেল.....তাদের জন্য দোয়া রইল....যেনো তাদের আশা পুরণ হয়।প্রিয়তে রাখলাম...ভাল থাকবেন।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে শুভকামনার জন্য। দোয়া করবেন। সামনে ওদের কঠিন সময়।
এই আমি মীরা বলেছেন:
লোকটা বিবাহিত জানার আগ পর্যন্ত লেখা ভালো লাগছিলো। একজন বিবাহিত মানুষ কেন এরকম করবে? আর আপনি পুরুষ দেখে হয়তো বুঝতে পারছেন না, মেয়েরা কখনোই এটা মেনে নেবে না। স্বামীর প্রেমিকাকে ''আপুনি'? তবে অবাস্তব ঘটনা হলেও, আপনার লেখা ভালো লেগেছে।
ধূসর মেঘমালা বলেছেন:
ধন্যবাদ মীরা। একটু ভুল বুঝেছেন। আকাশের স্ত্রী পরীর কথা জানে না আর পরী আকাশের স্ত্রী কে আপুনি ডাকে। আকাশের মতোই আকাশের পরিবারটাকেও ভালোবাসে পরী। এখানেই পরীর উদারতা।
নীল আলো বলেছেন:
আপনার লেখা অনেক ভাল লাগলো.........কিন্তু বিষয়টা মানতে পারছিনা... আকাশ-পরী শুধু শুধু বাস্তবতাকে ঠকাচ্ছে...
ভাল থাকুন।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
জীবনের চেয়ে বড় বাস্তবতা আর কিছু আছে কি? সীমাহীন ছোট ছোট ঘটনা নিয়েই তো মানুষের জীবন। আর আশ্চর্য হলেও সত্যি, জীবনের কোন ঘটনাই উপেক্ষা করার নয়। সেই দৃষ্টিভঙ্গী থেকে... আকাশ আর পরী যদি নিজেদের ভালোবাসা অস্বীকার করে, সেটাই কি বাস্তবতাকে ঠকানো নয়...?
আপনিও ভালো থাকুন।
রানা চৌধুরী বলেছেন:
আজ এতদিন পর লিখাটা পড়ে মনটা খুব খারাপ হয়ে গেল। মানুষের জীবনে কেন এমন ঘটনা ঘটে?কেন বিয়ের আগে আকাশের সাথে পরীর দেখা হল না? মনটা আমার ভীষণ খারাপ হয়ে গেল। ভীষণ......
কল্পপরী বলেছেন:
মন খারাপ করেন না ভাইয়া , বিয়ের আগে আকাশের সাথে দেখা হয়নি সেটা ভালোই হয়েছে ...... আকাশের প্রথম আর শেষ ভালোবাসা ছিল তার বঊ... পরী কেবল রংধনু হয়ে এসেছিল ...সে রংধনু মিলিয়ে গিয়েছে আকাশেরই বুকে ...
অন্যসকাল বলেছেন:
অনেক সুন্দর লাগলো লেখাটা। কাছে আসার গল্পে এটা পাঠাতেন!
শায়েরী বলেছেন:
ভালোবাসার কমতি
বাঘ মামা বলেছেন:
২০ বছর???????????????????????????????কিভাবে পারলেন? কলিজা বলে কিছু আছে নাকি আপনাদের?
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...



















