আমার প্রিয় পোস্ট

উরাধুরা আউল ফাউল

০৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:৪৯

শেয়ারঃ
0 0 0

নেক আগে যখন প্রথম উপন্যাস পড়তে শুরু করি তখন টানা পড়ে যেতাম, জানতাম না কিভাবে পড়তে হয়। প্রথমে তো কেউই জানে না। পড়তে পড়তে পড়া শিখেছি। তো সেই লেখাগুলো অনেক মনে আছে। মনে আছে কারন ওগুলো পরে আর পড়া হয়নি। ফলে ওগুলোর কনফিউশনগুলো টাটকা আছে। আসলে মনে আছে কথাটা আরেকটা বাজে কথা। স্মৃতি এখন খুবই বিব্রতকর রকমের খারাপ। আর তাই হয়তো আজকাল শুধুই পুরানো দিনের কথা বলি। মনে রাখার জন্য সব, নিজেই যেন ভুলে না যাই। আরেকটা হলো ঘোড়া দেখে খোঁড়া হওয়া রোগ। যেখানে প্রশ্ন করলে উত্তর পাওয়া যাবে না বোঝা যায় সেখানে গিয়ে সবাই প্রশ্ন তো ভুলেই যাবে। এবং ইত্যাদি ইত্যাদি....
একটা কাহিনী মনে আছে সবচে ভালো, একটা ছোট মেয়ে তার বাবা মারা গেছে, মা এসেছে তাকে দাদাবাড়ি থেকে নিয়ে যেতে। মেয়েটা মায়ের সাথে যেতে খুব একটা খুশি না। এরপর সে বড় হলো। মাঝে সে বোর্ডিং স্কুলে ছিলো কিনা ঠিক মনে পড়ছে না।
তো মা তাকে বিয়ে দিলো যার সাথে সে খুব নামকরা এক নেশাবাজ। একদিন নেশাবাজ লোকটা মারা গেল যেভাবে তার মারা যাওয়ার কথা ছিলো সেভাবেই। ডাক্তার এসে দেখে গেলো। কিছুদিন পরে ডাক্তারের সাথে মেয়েটার বিয়ে হলো। ডাক্তারও মেয়েটার দাদাদের মত বাঙালি। মেয়েটার মা এবং তার প্রথম স্বামী অবাঙালি ছিলো।
সমস্যা হলো গল্পের কোথাও নেশাখোরটার বিষয়ে তেমন ভালো কোনো কথা লেখা নেই- মানে আমার তখনকার পড়ার ক্ষমতা অনুযায়ী আরকি। মনে হয় সে সুন্দর এটুকু আছে, তো নায়িকাও সুন্দর। কিন্তু কেন যেন তার মারা যাওয়াটা, মেয়েটার ডাক্তারকে বিয়ে করাটা ভালো লাগে না। আমি লেখাটা একাধিক বার পড়েছিলাম। কিন্তু বুঝতে পারি নাই। আর পরে পড়া হয়নি - মানে ভালো করে পড়তে শেখার। লেখক মনে নাই, নাম মনে নাই, উপন্যাস না বড় গল্প, নাকি গল্প তাও নিশ্চিত না। তখন নেশাখোরটার প্রতি হালকা মায়ামত হওয়ার কারনে বরং অপরাধবোধও ছিলো - এমনি নবীন/কাঁচা পাঠক তখন। কোন মোটা ঢাউস ভারতীয় পত্রিকায় লেখাটা ছিলো।

আরেকটা গল্প ছিলো বীনা আর আলুকাবালিওয়ালার কথা, পড়তেই পারিনি, এত মানুষ একটা গল্পের মধ্যে - খেই পেতাম না। আর কে যে কি বলছে তাও ক্লিয়ার হয় নাই। এটাও আবার পড়তে পারলে একটু ধৈর্য্য পরীক্ষা করে দেখতাম। বীনার বেনীর কি একটা কথা ছিলো সেখানে।
আরেকটা উপন্যাস নায়কের নাম শানু। অদ্ভুত নায়ক। কিছুই সে করে না। তবু তাকে নায়ক লাগে। এই কাহিনীতেও মেলা মানুষ। তবে সমস্যাগুলো বোঝা যায়, শানুর মনে হয় চাকরি ছিলো না, আরো অনেকের ওখানে চাকরি ছিলো না। টাকা-পয়সার সমস্যা। এইসব ইত্যাদি ইত্যাদি।
লেখাগুলো আবার পড়তে পারলে এসব আর মনে করে রাখা লাগতো না, নিশ্চিন্ত মনে সব ভুলে যাওয়া যেত। এত অল্প স্মৃতি দিয়ে আবার কিভাবেই বা খুঁজি। একটা ভয় হয় মনে - হয়তো পরে আবারো এইসব গল্প, বড় গল্প, উপন্যাস পড়েছি কিন্তু টের পাইনি যে দ্বিতীয় বারের মত এগুলো পড়ছি।

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): হুমমমমমমমমমমম ;
প্রকাশ করা হয়েছে: অতীতগদ্যডায়েরী  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই জানুয়ারি, ২০১২ রাত ১০:৩৫ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

০৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:০৩

লেখক বলেছেন: :(

২. ০৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:০৩
শাওন৩৫০৪ বলেছেন: এ থেইকা আমরা কি জানতে পার্লাম?
এত আইলসা মানুষ দেখিনাই, একটু খোঁজ করলে কি হয়, বৈগুলান? বুঝিনা....এখন নামগুলা জানতে আঁকুপাকু করতাছে ....
০৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:০৫

লেখক বলেছেন: কিভাবে খোঁজ করবো? :(

৩. ০৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:০৮
ত্রেয়া বলেছেন: ছোটবেলায় আমাদের বাড়িতে নয়ম করে একটা ইন্ডিয়ান বাংলা ম্যগাজিন রাখা হতো।নামটা ঠিক মনে পরছে না কিন্তু ওটা ওসময়ে খুব নামকরা সম্ভ্রান্ত ধরনের কিছু ছিলো।
ওখানে এমন দু একটা ধারাবাহিক ছিলো আমি খুব পড়তে চেষ্টা করতাম।কিন্তু অনেক চরিত্রের কারণে খেই রাখতে পারতাম না।আমারও মাঝে মাঝেই সেই গল্প বা উপন্যাসের কথা মনে পরে।মাঝে মাঝেই দু একটা চরিত্র খুব মনে পরে।আবার পড়তে ইচ্ছে করে।
আপনার লেখায় আবার মনে পরে গেলো।
০৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:১৬

লেখক বলেছেন: হ্যা ঠিক ধরেছেন ব্যাপারটা ওরকমই :)

অনেক অনেক ধন্যবাদ

৪. ০৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:০৯
মমমম১২ বলেছেন: হুমম তোমার বেশীর ভাগ প্রিয় বই ই তোমার পুরাটা পড়া না,অথবা পুরাটা পড়লেও কিছুই বোঝ নাই :P
০৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:১৯

লেখক বলেছেন: হ কইছে X( কিছুই না বুঝলে এটুক কইলাম কেমনে, আমার এগুলো মনে আছে কেনো?
হুমমম X(

৫. ০৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:১১
ভাবের অভাব বলেছেন: ছোটতে নিজের চাচাতো বোনদের অনেক মোটা মোটা বই দেখতে দেখতাম। দেখাদেখি আমারও শখ জাগতো বই পড়ার। মাঝে মধ্যে ছোট চাচার বুক সেলফ থেকে কোন বই বের করে চুপ চুপ করে পড়তাম এবং না বুঝেই, পরে যেন বন্ধুদের বলতে পারি অমক বইটা আমি পড়েছি। একদিনের ঘটনা তখন বোধয় ক্লাস থ্রি কি ফোরে পড়ি। চাচার সেলফ থেকে সম্ভবত "লেডি চ্যাটার্লিজ লাভার" বের করে পড়তে যেয়ে ধরা পড়ে যায়। তারপরে কি হয়েছিলো মনে পড়েনা ;)
০৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:২৩

লেখক বলেছেন: হা হা হা হা কাহিনীতে মিল আছে, বইটই না পড়লে এমন উৎপাত করে বেড়াতাম যে মনে হয় সবাই দেখেও না দেখার ভান করতো। কিন্তু তাই বলে বড়দের কোন গল্পের মানে জানতে চাওয়ার সাহস হয় নাই। মানা তো করবেই, অন্য কোনো বইও আসবে না :( তারচে নিজে নিজেই যতদূর আগানো যায় :)

০৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:২৬

লেখক বলেছেন: হায় :(

৭. ০৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:২০
শাওন৩৫০৪ বলেছেন: পাঠকের মৃত্যু , নেম একটা ছোটো গল্ল টঐপ ছিলোনা...?
০৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:২৯

লেখক বলেছেন: গল্পটা পড়া ছিলো না, এখন জানলাম - সেই ভয়টাই বলেছি - হয়তো ওগুলো আমি পরেও পড়েছি কিন্তু টেরও পাইনি ওগুলো সেই বইই :(

৮. ০৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:২২
শামীম আরা বীথি বলেছেন: বইগুলো জোগাড় করে আবার পড়েন এবং আমাদের সাথে শেয়ার করেন:)
০৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৩৩

লেখক বলেছেন: যোগাড় করাটাই সমস্যা :( কোনো নাম টাম কিছু মনে নাই :( কেমনে যে খুজে পাই :(
খুঁজে পেলে অবশ্যই শেয়ার করবো :)
অনেক অনেক ধন্যবাদ :)

৯. ০৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৩৬
পারভেজ বলেছেন: কতো বই ই তো পড়লাম। মনে থাকে খুব কমই! :|
০৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৩৭

লেখক বলেছেন: আজকাল কিছুই মনে থাকে না, তবে এগুলো একেবারে প্রথম দিকে পড়া, আর খটকা থেকে যাওয়া - তাই হয়তো মনে আছে এতটুকু :)

১০. ০৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৯
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন: পার্থিব'র শুরুতে চয়ন নামের এক মৃগীরোগীর চরিত্রের কথা বলেছিলো। আমার খুব ভালো লেগেছিলো চরিত্রটাকে, আমি ভেবেছিলাম সে'ই বুঝি নায়ক হবে। একটা গরীব, নিজেকে নিয়ে সবসময় বিব্রত একজন মানুষই ভালোমন্দ মিশিয়ে নিজের দূর্বলতা অতিক্রম করে নায়ক হয়ে উঠবে। কিন্তু লেখক সেই চরিত্রটাকে বাড়তে না দিয়ে আরো আরো নতুন চরিত্র এনে ফেললেন। আমার খুব খারাপ লেগেছিলো, এবং কোনো এক অদ্ভুত কারণে আমি সেটা ভুলতে পারি নাই।

শানু'র কথা শুনে সেটা মনে পড়লো আজ! স্মৃতি খুবই বেহিসেবী জিনিশ।
০৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৪৭

লেখক বলেছেন: স্মৃতি আসলেই অদ্ভুত, শানুর অংশ আসলেই অত বেশি ছিলো না, কিন্তু আমি খুঁজে খুঁজে ওর কথাটুকু পড়তাম পাতা উল্টে উল্টে এটা ভালো মনে আছে।
হ্যা এরকম অনেক ব্যাপার হয়, পড়ার সময় অনেক সময় কোনো কোনো চরিত্রের প্রতি না হক টান এসে যায়, আর মনে হয় সেই কেনো প্রধান না। তাকে প্রধান চরিত্র করে তার আশে পাশে গল্প বাড়াতে ইচ্ছা করে। এরকম প্রায়ই হয়। :)

১১. ০৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:২৪
রথে চেপে এলাম বলেছেন: কত কিছুই তো পড়ি... মনে থাকে না :(
০৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৫১

লেখক বলেছেন: থাকে না থাকে না কিছুই মনে থাকে না :( মনে থাকলে সমস্যা আছে কিছু :( পড়ার পর মাথাটা অনেক সময় যাবৎ এমন ভার হয়ে থাকে যে কিছুই আর ভাবা যায় না :( :) মজারও লাগে অনেক এটা হলে :) মনে হয় অনেক কিছু যেনো বদলে গেলো :)

০৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৮

লেখক বলেছেন: :|| :|| কি হইছে? কি সমস্যা? ঘটনা কি? :|| :|| বিস্তারিত বলা হউক :(

১৩. ০৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৪
হ্যামেলিন এর বাঁশিওয়ালা বলেছেন: আমি শুধু "আমার বই" (বাংলা পাঠ্য বই) গুলো পড়তে পড়তেই বড় হয়েছি। আমার মনে আছে শুধু সেসব স্মৃতি।

যেমন-"বুদ্ধিমতী" নামে একটা গল্প ছিল, যেখানে মেয়েটা গাছ থেকে আম পড়ার পরে লেখককে সেগুলো ফুঁ দিয়ে জুড়িয়ে খেতে বলেছিল কারণ আমগুলো বালির মধ্যে পড়েছিল। তারপর সে বাটখারার অভাবে পুকুরে গুড় ওজন করেছিল। মেয়েটির বুদ্ধি দেখে অনেক অনুপ্রেরণা পেয়েছি। ছোটবেলার গল্পগুলো আমাকে খুব টানে।

আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
০৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:৪৭

লেখক বলেছেন: অনেক দিন পর গল্পটার কথা মনে পড়লো, অনেক ধন্যবাদ আপনাকে, বাংলা আমার বইয়ের এটা অন্যতম আকর্ষনীয় গল্প ছিল, সেই সময়কার অনুভূতি মনে পড়লো, অনেক অনেক ধন্যবাদ আপনাকে, অনেক ভালো লাগলো। হ্যা ছোটবেলায় পড়া গল্পগুলো হয়তো সবসময়ই বিশেষ কিছু থেকে যাবে।

ভালো থাকুন সবসময় :)

১৪. ০৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:০৩
রুবাইয়াত ইসলাম সাদাত বলেছেন: এই পোস্ট টা পড়তে পড়তে মনে পড়লো "কাবুলিওয়ালা"র কথা। মিনি আর কাবুলিওয়ালা। সেই ছোটবেলাতে পড়া। কী জানি কী বুঝেছিলাম তখন। তবে তখন থেকে কাবুলিওয়ালা নামটা শুনলেই কেমন একটা বিষাদ এসে ভর করে।


টাইটেলটা অমন কেন?
০৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:২৪

লেখক বলেছেন: সিরিয়াস লেখা না, কেউ যেনো ভুলে না ভেবে বসে বেজায় সিরিয়াস বিষয়, তাই। এমনিই লিখলাম। যে স্মৃতিটাও ঠিকঠাকমত নেই সেই স্মৃতিচারণ।

হুমমম এই লাইন ভালো লাগছে কি জানি কি বুঝেছিলাম... বিষাদ এসে ..

ওরকমই বিভিন্ন অনুভূতি সব...

আবার পড়তে পারলে বুঝতে পারতাম হয়তো কিছু... কিন্তু খুঁজবো কিভাবে বুঝতে পারছি না :(

১৫. ০৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০২
নির্ঝর নৈঃশব্দ্য বলেছেন: আপনারও দেখি আমার মতো অবস্থা কিংবা আমারও আপনার মতো। কিচ্ছু মনে থাকে না:(
০৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১০

লেখক বলেছেন: হুমমম জাতীয় সমস্যা হয়ে যাচ্ছে মনে হয় :( সবাইই বলে তার কিছু মনে থাকে না :|| :||

১৬. ০৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০৭
ঊশৃংখল ঝড়কন্যা বলেছেন: আপু, তোমার লেখার একটা বৈশিষ্ট হলো, লেখাটা খুব গোছানো। উপস্থাপন গুছানো হলে পড়ার ফ্লো-টা সুন্দর হয়। লেখাটা ভাল লাগলো! পড়ার পর প্রথমদিককার উপন্যাসের ক্রাশগুলা সামনে এসে গেল... ধ্রুব কি কৃষ্ণকান্ত, শুভ্র কি ফেলুদা অথবা আরো ছোট থাকতে কিশোর গোয়েন্দা! অনেককিছু মনে করিয়ে দিলে! এজন্য ধন্যবাদ!

খুব ভাল থেকো আপু!
০৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১৭

লেখক বলেছেন: :D :D :D মনটা ভালো হয়ে গেলো, লেখটা গোছানো? আরেকটু খুশি হয়ে নেই দাড়াও :D :D :D :D হঠাৎ করেই ঝটপট লিখছি :`> :`>
আমার পড়ার শুরুটায় শিশুতোষ লেখার অনুপাত কম ছিলো ---- লাকিলি অথবা আনলাকিলি

অনেক অনেক শুভেচ্ছা :) :) :)

১৭. ০৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২১
পাপতাড়ুয়া বলেছেন: ভাইয়ার বই গুলো চুরি করে পড়তাম ছোট বেলায়।মনে হত,ভাইয়া দেখলেই মাইর দেবে।

কোন রকম পাতা উল্টিয়ে শেষ করে কেটে পড়তাম।ফল,বইয়ের কথা বইয়ে রয়ে যেত।

একদিন ধরা খেলাম।ভাইয়া হেসে অনেক গুলো বই দিলো।মনে হলো,ইস!!আরো আগে ধরা খেলাম না ক্যান!!
০৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩৪

লেখক বলেছেন: আহারে সেই দমবন্ধ করে লুকিয়ে হুড়মুড়িয়ে পড়ে ফেলার দিন গুলো। :) :)
কি দারুন সব সময় :)
বইগুলো পাওয়ার সব লাগলো অপচয় :)
আহা
কাহিনী্তে কিছু মিল আছে :D :D

এই বিষয়টা কি লিখবেন? পড়তে মনে হয় ভালোই লাগবে :)
শুভেচ্ছা।

১৮. ০৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২৪
ঊশৃংখল ঝড়কন্যা বলেছেন: তোমার মহাখুশি দেখে আমার নিজের-ই মন মহা ভাল হয়ে গেল!
০৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩৭

লেখক বলেছেন: :D :D :D :D :D :D

কি সুন্দর কান্ড

:D :D 8-| :) :) :D :D

০৯ ই নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:০১

লেখক বলেছেন: জীবনানন্দ আবার শুরু করতে গিয়ে বিপদে পড়েছি, আর কাফকার ডায়েরি - মাহমুদ উল আলমের অনুবাদ। পড়া টা উপভোগ করছি না। অন্য কিছু পড়তে চাই।

২০. ০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:৩২
হু-কেয়ারস বলেছেন: পার্থিব, আমার জীবনের প্রথম পড়া উপন্যাস। পড়া না......মানে পড়ার চেষ্টা করা উপন্যাস।তো যখন ৬০-৭০ পেইজ পড়ার পর ও কোনো খেই পাচ্ছিলাম না (অনেক অনেক চরিএের কারনে) তখন বাধ্য হয়েই বাদ দেই। কিন্তু পূব পশ্চিম পড়ার সময় মনে হয় প্রেমে পড়ে যাই তাই আর থামতে পারছিলাম না। তখন মনে হয়েছিল আমি ও উপন্যাস পড়তে পারি।

চিনতে পারেন নাকি আমাকে? আজকেই ছাড়া পেলাম। ধন্যবাদ আপনাকে আপনার সহযোগীতার জন্য।
০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:৩০

লেখক বলেছেন: :D :D চিনছি কিনা মানে, গিয়ে দেখেন আপনার ব্লগে আজ সকালেও কমেন্ট করেছি।
মুক্ত দেখে ভালো লাগছে। এখন যে পোস্টে কমেন্ট করতে ইচ্ছা করবে সেখানে গিয়ে কমেন্ট করতে পারবেন। খুশি লাগলো। :) :) হ্যাপি ব্লগিং :)

পার্থিব আমারও পড়া হয়নাই, বইটা তো আনএভেইলেবল ছিলো না। কেনো পড়া হয় নাই মনে পড়ছে না। পূর্ব-পশ্চিম!! পিকলু-তুতুল, অতনু-অলি, আর প্রথম দিকের সব গুলো চরিত্র - না পড়তে চাইলেও পড়া হয়ে যায়। এটাও আমার সব পড়া হয় নাই। দেশ পত্রিকায় তখন ধারাবাহিক ভাবে গর্ভধারিনী আর পূর্ব-পশ্চিম বের হতো তখন পড়তাম, অবশ্যই তখন খুব বয়স্ক ছিলাম না। তাই স্মৃতির মাঝে সব খাপছাড়া রয়ে গেছে। পরে আর পড়া হয় নাই। ইচ্ছা হয় নাই। প্রথম পড়ার ঐদিন গুলো অনেক দামী।

 

মোট সময় লেগেছে ১.২২২৯ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
Alone with our madness and favorite flower
We see that there really is nothing left to write about.
Or rather, it is...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ