somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ভোখেনব্লাট - ১

২২ শে অক্টোবর, ২০০৭ দুপুর ১২:৩২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

মঙ্গলবার, ১৬ অক্টোবর ২০০৭

উলমের বাসগুলোতে নতুন একটা ফিচার যোগ হয়েছে । এখানকার বাসগুলোতে আগে থেকেই সামনে ও পেছনে স্কৃনে দু'টো করে মোট চারটা এলসিডি স্কৃন লাগানো আছে । বাসেরই কোথাও একটা কম্পিউটার থেকে ওগুলোর ছবি আসে । প্রথম যখন এগুলো লাগানো হয় তখন বাদিকে স্কৃনে স্টপেজের নামগুলো আসতো । আর ডানদিকেরটাতে কোন না কোন বিজ্ঞাপন দেখাতো । সম্প্রতি এই বিজ্ঞাপনের সাথে যোগ হয়েছে নিউজ হেডলাইন দেখানো । জনপ্রিয় একটি জার্মান চ্যানেলের খবরের হেডলাইনগুলো দেখানো হয় সেখানে । আইডিয়া উদ্যোগ যেটাই বলি না কেন সেটা নিঃসন্দেহে চমকপ্রদ ।

আজ অফিস থেকে ফিরতে ফিরতে ওটার দিকে তাকিয়ে ছিলাম । ওখানে প্রথম হেডলাইনটা ছিলো জার্মান লেখক গুয়েন্টার গ্রাসের আশিতম জন্মদিন নিয়ে । গুয়েন্টার গ্রাসের লেখক জীবন নিয়ে নতুন করে বলার কিছু নেই । বিশ্বসাহিত্যের এক গুরুত্বপূর্ন স্তম্ভ তিনি । সাহিত্য ছাড়াও জার্মান বাম রাজনীতিতে তিনি যুক্ত । পঞ্চাশের দশকে তার বিখ্যাত উপন্যাস টিন ড্রাম প্রকাশের কিছুদিন পরেই প্রকাশ্য উইলি ব্রান্ডট্-এর এসপিডির (সোশাল ডেমোক্র্যাটদের) সমর্থনে কাজ করতে থাকেন । সেই থেকে গুন্টার গ্রাস জার্মান বাম রাজনীতির একজন ব্রান্ড এ্যাম্বেসেডর ।

শুভ জন্মদিন প্রিয় লেখক গুয়েন্টার গ্রাস ।

জার্মানীতে গত বছর প্রকাশিত হয়েছে গুয়েন্টার গ্রাসের আত্মজীবনি । অগাস্ট মাসে সেটা বের হয় । আমার তিন বছরের জার্মানবাসে হ্যারি পটারের পর এটারেই সবচেয়ে সাড়াজাগানো বই চিহ্নিত করবো । এই সাড়া জাগানোর আরেকটা কারনও ছিলো । বই প্রকাশের কিছুদিন আগে গ্রাস এক সাক্ষাতকারে তার জীবনের এক কালো অধ্যায়ের কথা স্বীকার করেন । তিনি এই স্বীকারোক্তিতে তাঁর আত্মজীবনিতে লিখেছেন বলে সাক্ষাতকারে জানান । সেখানে তিনি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ভাফেন এসএস (Waffen SS)এর ট্যাংকবাহিনীর গানার ছিলেন । গ্রাসের এই স্বীকারোক্তি জার্মানীসহ পুরো বিশ্বের মুক্তবুদ্ধির চিন্তাভাবনায় একটা ধাক্কার মতো ছিলো । গভীর দুঃখবোধে আমিও আক্রান্ত হই । বিশ্বাসের জায়গাগুলো নড়বড়ে হয়ে গেলে বাকি সবার যেমন হয় । দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর এধরনের স্বীকারক্তি বা হঠাৎ করে কারো পুরনো ইতিহাস প্রকাশ হয়ে পড়া একেবারে নতুন ঘটনা না । তবে গ্রাসের ব্যাপারটা ভিন্ন ছিলো । গুয়েন্টার গ্রাস এতোশত দার্শনিকের জন্ম দেয়া জার্মানীর “মোরাল অথরিটি বা মোরাল ইনস্টিটিউশন বলা হতো । এরকম একজন ব্যক্তির দীর্ঘ ষাট বছর নিজের এই কলঙ্কিত ইতিহাস লুকিয়ে বেড়ানোটা কেউই সহজভাবে মেনে নিতে পারেননি ।

সবার মধ্যেই কিছু অমিমাংসিত প্রশ্ন থাকে । এই প্রশ্নগুলোর উত্তর আমাদের সারাজীবনই বিক্ষিপ্ত করতে থাকে । আমার মনেও এরকম একটা অমিমাংসিত প্রশ্ন আছে । প্রশ্নটা হলো একজন ব্যক্তিমানসকে আমরা আসলে কিভাবে বিচার করবো ? ব্যক্তির পুরো জীবনটা এ্যাজ-এ-হোল নাকি তার জীবনের প্রতিটি অর্জন ব্যর্থতা আলাদা আলাদাভাবে বিচার্য্য ? এর একটা সহজ সমাধান আমরা করি । ভালো মন্দের একটা তুলনা করে সেটার ভিত্তিতে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলি একজন ব্যক্তি সম্পর্কে । সমাধানটার খুব শক্ত যৌক্তিক ভিত্তি নেই । কারন এই ধরনের দাড়িপাল্লা পদ্ধতিতে ওজনের কোন নির্দিষ্ট মানদন্ড নেই । সোজা কথায় ব্যক্তির এক একক খারাপ কাজ ইক্যুয়াল টু কত একক খারাপ কাজ এটা নির্ধারণ করার সর্বগ্রাহ্য কোন মানদন্ড নেই । একেকজন একেকভাবে বিষয়টা দেখবে । কেউ হয়তো আইনস্টাইনের সারাজীবনের বৈজ্ঞানিক অবদানকে তাঁর লেখা চারটি চিঠির থেকে বড় করে দেখবে । আবার কেউ হয়তো সে চারটি চিঠির জন্যই আইনস্টাইনকে তুলোধুনো করবে । গুয়েন্টার গ্রাসের স্বীকারোক্তিও আমাকে এই একই প্রশ্নের মুখোমুখি করেছিলো । গুয়েন্টার গ্রাসের সারাজীবনের ইন্টেলেকচুয়াল লিডারশিপ বড় নাকি তার কৈশোরত্তীর্ন বয়সের অপরাধ বড় ?

বুধবার, ১৭ অক্টোবর ২০০৭

আজকে বিডিনিউজ২৪-এ একটা ছোট হেডিঙে চোখ আটকালো । ভারত সরকারের প্রধানমন্ত্রি মহমোহন সিং বুশকে ভারত-আমেরিকা নিউক্লিয়ার ডিল বিষয়ে অভ্যন্তরীন চাপ সম্পর্কে অবহিত করেছেন । এই অভ্যন্তরিন চাপটা এসেছে মূলতঃ ক্ষমতাসীন কংগ্রেসের অংশিদার পশ্চিমবঙ্গ বাম ফ্রন্টের কাছ থেকে । নন্দিগ্রাম ইস্যুতে পশ্চিমবঙ্গ বাম সরকারের ভূমিকায় ঠিক স্বস্তি পাচ্ছিলাম না । এর মধ্যে এই ছোট্ট খবরটা একটু আরাম দিলো ।

আমাদের দেশেও একশ্রেনীর বিজ্ঞানী আমলা রাজনীতিকরা দেশে নিউক্লিয়ার পাওয়ারপ্লান্ট বসানোর তোড়জোড় শুরু করেছেন । দেশের ক্রমবর্ধমান জ্বালানী চাহিদা মেটানোর জন্য এটাই নাকি একমাত্র বুদ্ধি । এই নিউক্লিয়ার প্লান্ট বসানোর জন্য আনবিক শক্তি বিষয়ক আন্তর্জাতিক মোড়ল সংস্থার অনুমতিও পাওয়া গেছে । এবং এটার খরচের ৬০ ভাগ সরবরাহের জন্য দক্ষিন কোরিয়ার কাছ থেকে সম্মতিও নাকি পাওয়া গেছে । ২০১৫ সালের মধ্যে এই প্রজেক্ট কাজ শুরু করতে পারবে খবরে বলে জানলাম ।

এই ধরনের প্রজেক্টের নানা ধরনের সমস্যা রয়েছে । প্রথম সমস্যা স্বাস্থ্যগত । পৃথিবীতে এধরনের পাওয়ার প্লান্টের আশেপাশের এলাকায় অনেক ধরনের ব্যাখ্যাতিত (অথবা ব্যাখ্যাগুলো চেপে যাওয়া হয়) স্বাস্থ্যগত সমস্যা দেখা যায় । দ্বিতীয় সমস্যা পারমানবিক বর্জ্য নিস্কাশন । এধরনের বর্জ্য দীর্ঘকাল ধরে তেজস্ক্রিয়তা নির্গমন করে । এটার কোন দিকনির্দেশনা বিশেষজ্ঞমহল বা আমলামহল কারো কাছ থেকেই এখনো পর্যন্ত পাওয়া যায়নি । তৃতীয়ত, এধরনের নিউক্লিয়ার প্রজেক্টের অন্য সব ধরনের প্রজেক্টের মতোই একটা ওয়োর্স্ট পসিবল ডাউনসাইড পটেনশিয়াল থাকে । সোভিয়েত ইউনিয়নের (বর্তমান ইউক্রেন) চেরনোবিল দুর্ঘটনার মধ্য দিয়ে আমরা এরকম একটা ডাউনসাইড পটেনশিয়াল দেখেছি । এ ধরনের ঘটনা ঘটলে সেটার ক্ষয়ক্ষতি কতোটা মিনিমাইজ করা আমাদের পক্ষে সম্ভব হবে সেটার বিষয়ে নীতিনির্ধারক মহল কি চিন্তা করেছেন সেটা জানার আগ্রহ বোধ করি ।

জার্মানীর বামপন্থি গেরহার্ড শ্রোয়েডারের সরকার নিউক্লিয়ার পাওয়ারপ্লান্টের এসব নেতিবাচক দিক লক্ষ্য করে ২০২০ সালের মধ্যে জার্মানীর সকল নিউক্লিয়ার পাওয়ার জেনারেটর বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলো । ডানপন্থি আঙ্গেলা মারকেল সরকারও সেটা স্পস্ট ভাষায় বহাল রাখার সিদ্ধান্ত জারি রেখেছে । রাশিয়ান পাওয়ার সাপ্লায়ারদের খামখেয়ালির মধ্যে তাদের এ সিদ্ধান্ত বেশ সাহসিকতার । অল্টারনেটিভ এনার্জির প্রযুক্তির জোরই হয়তো তাদের এই সাহসের কারন ।

আমাদের দেশের এরকম সাহস নেই । দেশের অনেকটা অংশেই কোন বিদ্যুৎ নেই । যেসব জায়গায় আছে সেখানের জনগন লোডশেডিঙে অতিস্ঠ । প্রায়ই আন্দোলন-ফান্দোলন করে প্রান খোয়াতে হয় আমাদের । বুকে একগাদা স্বপ্ন নিয়ে বাস করি বলে আমাদের অভাগা দেশটা সবসময় শর্টকাট খোঁজে । শর্টকাট কোন পদ্ধিতিতে সব-পেয়েছির-দেশ বানিয়ে ফেলতে চাই আমরা । শর্টকাট পদ্ধতির পাওয়ার জেনারেশনের পরিকল্পনা ওপর কি বিপদ ডেকে আনছে কে জানে !

শুক্রবার, ১৯ অক্টোবর, ২০০৭

আমি আগে থাকতাম উলম নামে একটি ছোট্ট শহরে । উলমের পাশ দিয়ে ডোনাউ (ইংরেজী নাম দানিউব) নদী বয়ে গেছে । এই ডোনাউ নদীর একপাশে বাডেন ঊর্টেমবার্গ প্রদেশ, আরেকপাশে বায়ার্ন (ইংরেজী নাম ব্যাভারিয়া, তিন গোয়েন্দার বোরিস ও রোভার ভ্রাতৃদয়, ও ফুটবল টিম বায়ার্ন ম্যুনশেনের এলাকা এটা) প্রদেশ । নদী পেরোলেই বায়ার্নের যে শহরটা পড়ে সেটাতেই আমি থাকি এখন । শহরের নাম নয়-উলম (ইংরেজীতে নিউ উলম) । এই শহরেরও শেষ প্রান্তে এক আমেরিকান সৈন্যদের পরিত্যক্ত এক ব্যারাকে আমার বাস । বাসে করে পাশের শহরে যেতে ২২ মিনিট লাগে । কাজের জায়গা, ইউনিভার্সিটিতে যেতে দিনের একটা বড় সময় নষ্ট হয় যাতায়াতে ।

পুরো নয়-উলম শহরটাকে ঢেলে সাজানো হচ্ছে । দেখতে বেশ লাগে কিছু জায়গা । মধ্যযুগীয় শহর উলম থেকে নিজেকে আলাদা করে তুলে ধরার প্রতিযোগিতায় নেমেছে যেন এরা । ইউরোপের সবচেয়ে ধনী দেশের সবচেয়ে ধনী স্টেট বলে কথা । আর্থিক দিক দিয়ে ধনী হবার পাশাপাশি স্রষ্টাও এদের দুহাত ভরে সম্পদ দিয়েছেন । পাহাড় নদী লেক কোনটারই কমতি নেই এই প্রদেশে ।

তো, এদের এতো কিছু থাকা সত্ত্বেও গোটা জার্মানীতে এরা একটু আলাদা হিসেবে বিবেচিত । বায়েরিশদের (বায়ার্নের অধিবাসী) গোয়ার স্বভাবই এর জন্য দায়ি মনে হয় । হিটলারের সবচেয়ে শক্ত ঘাটি হিসেবে বায়র্নেরই এক শহর ন্যুর্নব্যর্গ (ইংরেজী উচ্চারন নুরেমবার্গ) বিখ্যাত ছিলো । এই বায়ার্নেরই এক ছোট্ট শহর নয়-উলমে আজকে এক বুস হালটেস্টেলেতে (ইংরেজী, বাস স্টপেজ) বড় করে দুইটি স্বস্তিকা আকা দেখলাম । নিও নাৎসিদের কাজ এগুলো । দেখার সাথেই বুঝলাম উলমের রাস্তা ঘাটে রাতে ঘোরা ফেরা করার অভ্যাস ত্যাগ করতে হবে । আমি জানি আক্রান্ত হলে পুলিশে খবর দিলে ওরা বিদ্যুৎ গতিতে ব্যবস্থা নেবে । নিওনাৎসিটাইপ কাজকর্ম এরা খুব কঠোরহাতে দমন করে । তবুও ঠিক ভরসা আসে না । নিজের স্বার্থেই গুটিসুটি মেরে থাকতে হবে এখন থেকে । স্বস্তিকাচিহ্ণ নিয়ে আগামী সপ্তায় কম্প্লেইন দেবো ঠিক করেছি । ওরা হয়তো এটা মুছে ফেলবে তারপর । কিন্তু এভাবে চিহ্ণ মুছে এদের দমন করা যাবে না । সাউথে আমরা ভালোই শান্তিতে থাকি । নর্থের অবস্থা ভালোই খারাপ । অনেক এলাকায় ফরেইনারদের জন্য নো গো (No Go) এলাকা । ব্যর্লিনে এই সেদিনও জার্মানীতে কনফারেন্সে আসা এক বাঙ্গালী পিএইচডি ছাত্র নিওনাৎসিদের হুঙ্কার শুনে এসেছেন । তাঁর ভাগ্য ভালো তিনি কোনরকম হামলার শিকার হননি । কিছুদিন আগে এই রেসিজম নিয়ে কে যেন একটা পোস্ট করেছিলেন । আমি বলেছিলাম এর থেকেও খারাপ ঘটনা ঘটে । সেগুলো নিয়ে আরেকদিন হবে । আজ এ পর্যন্তই । শোয়েনেস ভোখেনেন্ডে ।

টিকাঃ
১. ভোখেনব্লাট – ভোখেন মানে সপ্তাহ, ব্লাট মানে পৃষ্ঠা
২. ভাফেন এসএস, ইংরেজী আর্মড এসএস । নাৎসি বাহিনীর এলিট ফোর্স এটি । হিটলারের দেহরক্ষি বাহিনী, কনসেনট্রেশন ক্যাম্প পরিচালনা এবং নিয়মিত সেনাবাহিনীর সাপোর্টের জন্য এলিট কমান্ডো ফোর্সের সৈন্য এই ভাফেন এসএস থেকেই আসতো ।
৩. শোয়েনেস ভোখেনেন্ডে উইকেন্ডের জন্য শুভেচ্ছা ।
৪. আমার ইচ্ছা আছে প্রতি উইকএন্ডে এরকম একটা ভোখেনব্লাট দেবার । দেখা যাক কতদুর নিয়ম রক্ষা করে চলা যায় ।
৫. আমেরিকান সেনাবাহিনীর কাছে রক্ষিত গুয়েন্টার গ্রাসের ভাফেন এসএস প্রিজনার অফ ওয়ার রেকর্ড ।
৬. আলোচনাসহ সচলায়তন লিংক

(এ লেখাটি সচলায়তনে প্রকাশিত । ওখানে কিছু মূল্যবান আলোচনা পাবেন মন্তব্য হিসেবে । আগ্রহীরা পড়ে দেখতে পারেন ।)


সর্বশেষ এডিট : ২২ শে অক্টোবর, ২০০৭ দুপুর ১:৫৮
২২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

লিখেছেন মুনতাসির, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮




আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের গ্রামের গল্প!

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৩



আমাগো গ্রাম আপনারা সবাই চিনেন।
মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। শ্রীনগর থানা। খুবই প্রাচীন অঞ্চল। অবশ্য এখন গ্রাম বদলে গেছে! ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল হয়েছে, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমল, ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফিরে যাওয়া বলে কিছু নেই

লিখেছেন রানার ব্লগ, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:৫৫

আমি যে নদীর কথা ভাবি,
সে নদী জল নয় সময় বয়ে নিয়ে চলে।
এক পাড়ে মানুষের কোলাহল,
হাটের গুঞ্জন, ভাতের গন্ধ, সন্ধ্যার আহবান,
অন্য পাড়ে কেবল শূন্যতা,
যেন কেউ কোনোদিন সেখানে ছিলইনা।

তবু দু পাড়ই... ...বাকিটুকু পড়ুন

১০০০-তম পোস্টঃ কন্যা আপন সাজন সাজে রে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:২৪

আমাকে ও রাহমিনকে এনিমেট করলে কেমন দেখাবে? এই আইডিয়া থেকেই গানটা রিমিক্স করে এনিমেটেড ভিডিও সং বানিয়ে ইউটিউবে ছেড়েছি। ছোটবেলায় মেঝ খালার বিয়েতে এই গানটা শুনেছিলাম। সবাইকে গানটি দেখা ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

×