আমার প্রিয় পোস্ট

কম্পিউটার বিশারদ পেশায়, নেশায় যুক্তিবাদী

বিবর্তনবাদ ও ধর্ম

১০ ই জুলাই, ২০০৭ সকাল ৯:৩৪

শেয়ার করুন:                   Facebook

ডারউইনের বিখ্যাত বিবর্তনবাদের সাথে কোনও ধর্ম কি খাপ খায়? বিবর্তনবাদ অনুসারে, মানুষ এবং সব প্রজাতি ধীরে ধীরে প্রাকৃতিক নির্বাচনের মাধ্যমে পৃথিবীতে এসেছে। এই অবস্থান পৃথিবীর সকল ধর্মে বর্ণিত সৃষ্টি প্রক্রিয়ার থেকে আলাদা। গরিলা থেকে মানুষের সৃষ্টি - এটা কোনও ধর্মই মেনে নিতে প্রস্তুত নয়।
আসলে বিজ্ঞান আর ধর্ম কিছুতেই একসাথে মিশে যেতে পারে না। বিজ্ঞানের মতে ধর্ম প্রাকৃতিক নির্বাচনের ফলে সৃষ্ট মানব চরিত্রের একটি বৈশিষ্ট্য মাত্র।
জীববিজ্ঞানীদের মধ্যে বিবর্তনবাদ নিয়ে ঐক্যমত্য হলেও সাধারণ মানুষ এখনও তা মেনে নেয়না। আমেরিকাতেই শতকরা ৯০ ভাগ মানুষ বিবর্তনবাদে বিশ্বাস করেনা, অথচ, একই দেশে অধিকাংশ এলিট বিজ্ঞানীরা তা মানেন। অনেক দেশে ধর্মের অজুহাতে বিবর্তনবাদ পড়ানোই হ্য়না।
আজকে বিজ্ঞানের জগতে যারা বিজ্ঞানে অগ্রগণ্য তারাই দুনি্য়াকে শাসন করছে। জীববিজ্ঞানের প্রয়োগে রোগব্যাধি দূর হয়। কিন্তু আমরা কতকাল জীববিজ্ঞানের এই অমূল্য শাখা বিবর্তনবাদকে অস্বীকার করে চলব?
বিবর্তনবাদ নিয়ে বিশদ জানার জন্য এই সাইটে দেখুন - সুন্দর বাংলায় লেখা বই - পিডিএফ আকারে প্রকাশিত।[wjsK=http://www.mukto-mona.com/Articles/bonna/book/index.htm]

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): বিজ্ঞান ;
সর্বশেষ এডিট : ১০ ই জুলাই, ২০০৭ বিকাল ৫:১৩

 

  • ৩৫ টি মন্তব্য
  • ২২০২ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ৪ জনের ভাল লেগেছে, ১ জনের ভাল লাগেনি
১. ১০ ই জুলাই, ২০০৭ সকাল ৯:৪৮
comment by: উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: মামা গুরুরে নিয়া কিছু কইবা না! গুরু জ্ঞানি মানুষ। মানুষ যে বান্দর থিকাই হইছে এর সবচেয়ে বড় প্রমাণ হইতাছে ঢাকা শহরের লুকাল আর একুশে বাসের ঝুলাঝুলি। এইটা খেয়াল লইছো?
২. ১০ ই জুলাই, ২০০৭ সকাল ৯:৫০
comment by: দিগন্ত বলেছেন: তা আর বলতে - তবে আমি ঢাকা শহরে একবারি গেছি, তখন হরতাল চলছিল। কলকাতায় দেখে বুঝতে পারি।
৩. ১০ ই জুলাই, ২০০৭ সকাল ১০:০১
comment by: এস্কিমো বলেছেন: আজকে বিজ্ঞানের জগতে যারা বিজ্ঞানে অগ্রগণ্য তারাই দুনি্য়াকে শাসন করছে। জীববিজ্ঞানের প্রয়োগে রোগব্যাধি দূর হয়। কিন্তু আমরা কতকাল জীববিজ্ঞানের এই অমূল্য শাখা বিবর্তনবাদকে অস্বীকার করে চলব?

- যে অজুহাতে স্কুলে ধর্ম পড়ানো হয় না - ঠিক একই অজুহাতে বিবর্তন বাদ পড়ানো বাদ দেওয়া উচিত।

বিবর্তন বাদ কি বিজ্ঞান?
যেখানে এক পৃষ্ঠা বিবর্তনবাদ সম্পর্কে লিখতে নয় বার বলতে হয় "সম্ভবত" সেটাকে বিজ্ঞান বলার জন্যে একটু গায়ের জোর আর আর্ট কালচার ব্যবহার করা হয়।

একটা দাঁত দেখে একজন আর্টিস্ট একজন মানুষের ছবি একে তার জন্ম কয়েক লক্ষ বছরের একটা গল্প তৈরী করে। কয়েকদিন পর সেটা বাতিল হয়। এই বিষয়গুলো উচ্চতর পর্যায়ে পড়ানোটই ভাল নয় কি? যেখানে একজন ছাত্র "থিওরী" আর "ল" এর পার্থক্য বুঝবে। নিম্নশ্রেনীতে পড়ানোর মাধ্যমে ছাত্রদের মধ্যে একটা বিশ্বাস তৈরী করা হয় - যা ধর্মকে প্রতিস্থাপন করা ছাড়া কোন বিজ্ঞানমনষ্কতা তৈরী করে কি?
৪. ১০ ই জুলাই, ২০০৭ সকাল ১০:০৪
comment by: কেমিকেল আলী বলেছেন: মুখফোড়ের ছবি কি লাগি?
৫. ১০ ই জুলাই, ২০০৭ সকাল ১০:০৬
comment by: দিগন্ত বলেছেন: কয়েকদিন পর সেটা বাতিল হয়। - তা কদিন পর বিবর্তনবাদ বাতিল হয়ে সৃষ্টিকর্তার সৃষ্টির কথা পড়ানো হবে বলুন তো? আর এই গত ১৫০ বছর ধরে তা বিজ্ঞানরা কেন বের করতে পারলেন না? তারা কি গাধা না ষড়যন্ত্রকারী?
যেখানে একজন ছাত্র "থিওরী" আর "ল" এর পার্থক্য বুঝবে। - মহাকর্ষ "থিওরী"র ক্ষেত্রেও কি আপনার একই মত?
৬. ১০ ই জুলাই, ২০০৭ সকাল ১০:১৩
comment by: এস্কিমো বলেছেন: দিগন্ত - আপনার কথাগুলো ঠিক মতো বুঝতে পাড়লাম না।

যাই হোক। আপনি বোধ হয় নাস্তিকতার সুবিধার্থে বিবর্তনবাদকে ব্যবহার করতে যাচ্ছেন। সেটাও কিন্তু এক ধরনের বিশ্বাস। প্রথমত আপনাকে বিশ্বাস করতে হবে সৃস্টিকর্তা নেই - তারপর্ বিবর্তনবাদ দিয়ে সেই শূন্যতাটা পুরন করতে হবে।

মহাকর্ষ থিয়োরী কোনটা - সেটাতো গনিতের মাধ্যমের প্রমান করা যায় - ঠিক না?
৭. ১০ ই জুলাই, ২০০৭ সকাল ১০:২০
comment by: দিগন্ত বলেছেন: প্রথমত আপনাকে বিশ্বাস করতে হবে সৃস্টিকর্তা নেই - তারপর্ বিবর্তনবাদ দিয়ে সেই শূন্যতাটা পুরন করতে হবে। - বিপরীত বলছেন। বিবর্তনবাদ বলে সৃষ্টি স্বাভাবিকভাবে হয়, যেভাবে পাথর ওপর থেকে নিচে পড়ে। পাথর নিচে পড়ার জন্য যেমন সৃষ্টিকর্তা লাগেনা - এটাও তাই।
মহাকর্ষ থিয়োরী কোনটা - সেটাতো গনিতের মাধ্যমের প্রমান করা যায় - যায়না। প্রথমে ধরে নিতে হ্য় যেকোনো বস্তু অন্যেকে আকর্ষণ করে। তার সাহায্যে ব্যাখ্যা দেওয়া হ্য় সবকিছুর।
আপনি বরং বিশদ জানার জন্য আমার দেওয়া সাইটে দেখুন।
৮. ১০ ই জুলাই, ২০০৭ সকাল ১০:২২
comment by: মুহম্মদ জুবায়ের বলেছেন: ধর্ম এবং বিজ্ঞান মিলমিশ খায় না, এটাই তো যুগ যুগ ধরে চলে আসছে।
৯. ১০ ই জুলাই, ২০০৭ সকাল ১০:২৭
comment by: দিগন্ত বলেছেন: আপনি বোধ হয় নাস্তিকতার সুবিধার্থে বিবর্তনবাদকে ব্যবহার করতে যাচ্ছেন। - না, আমি বিজ্ঞানকে প্রায়োরিটি দেবার প্রয়োজনীয়তার কথা বলছি।
১০. ১০ ই জুলাই, ২০০৭ সকাল ১০:৩০
comment by: উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: এস্কিমো হান্ড্রেড পার্সেন্ট ফাউল কথার জন্য আমার মাথাটাই বিলা হয়ে গেল!

আপনি তাহলে তেমন কিছু সম্পর্কে অবগত নন। আপনাকে একটা বইষয় বলি কোয়ান্টাম মেকানিক্স। তা এখানে দুইটা তত্ব আছে সাধারন বাংলায় কনা তত্ব আর তরঙ্গ তত্ব। তা আরথার ব্রেইজার নামের একজন তার বইতে আগে লেইখা রাখছেন একটা ম্যাক্র ওয়ার্ল্ডে আরেকটা মাইক্রো ওয়ার্ল্ডে খাটে। এইটা কেমুন কথা? ফিজিক্স তো সার্বজনীন। তাইলে আপনার কথা অনুসারে কোয়ান্টাম মেকানিক্স বাদ দেই।

আরেকটা কথা বলি ইথার নাম বোধ হয় জানেন। এককালে এইটা নিয়া বহুত মঘামঘা জিনিস প্রমানিত হইছে। কিন্তি ইথার এখন অচল, এইটা বলতে কিছু নাই। আলো তত্ব জানতে হইলে এখনও ইথার লাগে। আইসো ইথার বাদ দেই।

ফিজিক্স তো গেলো, জ্যেতির্বিজ্ঞান তো আরো ফাউল আইজ এক কথা তো কাইল এক কথা। আসেন এইটাও বাদ দেই।

বস আমার টো মন চায় আপনারেই..........
১১. ১০ ই জুলাই, ২০০৭ সকাল ১০:৩২
comment by: এস্কিমো বলেছেন: @জুবায়ের ভাই - এটা ঠিক না, ধর্মধারী রক্ষনশীলরা বিজ্ঞানের না শুধু যে কোন ধরনের নতুন ধারনার বিরোধী। ধর্মের সাথে বিজ্ঞানের (!) ধাক্কাধাক্কিটা শুধু সৃষ্টির তত্ত্ব নিয়ে।

@দিগন্ত - তাইলে তো হলোই - যতদিন বিজ্ঞানের একটা কনক্রিট বেসের উপর বিবর্তন বাদ না দাড়াচ্ছে ততদিন এটাকে গবেষনাগানেই রাখা হোক - মানুষ বানরের উত্তরপুরুষ এই ধারনাটা প্রচার করা কি খুবই জরুরী?
১২. ১০ ই জুলাই, ২০০৭ সকাল ১০:৩২
comment by: উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: আরে e=mc2 তো প্রথমে ইমপেরিয়াল ল হিসাবে চালাইছিলো পরে তো ফ্রিডম্যান আইসা প্রমাণ করলো। এস্কিমো নাইন টেনের বিজ্ঞান বইতে এখনও অনেক কিছু আছে, শুধু দরকার একটু পইড়া দেখার!


মাইন্ড লইয়েন না!
১৩. ১০ ই জুলাই, ২০০৭ সকাল ১০:৩৬
comment by: দিগন্ত বলেছেন: যতদিন বিজ্ঞানের একটা কনক্রিট বেসের উপর বিবর্তন বাদ না দাড়াচ্ছে - কনক্রিট বেসের ওপর দাড়ানোটা কি? সব বিজ্ঞানীরা যা নিয়ে একমত, তাকে আমি কিকরে বলি কনক্রিট বেসের ওপর নেই?
মানুষ বানরের উত্তরপুরুষ এই ধারনাটা প্রচার করা কি খুবই জরুরী? - নিশ্চ্য়! পৃথিবী গোল সেটা মানুষ কয়েকশ বছর ধরে অস্বীকার করেছে - কি লাভ হয়েছে?
১৪. ১০ ই জুলাই, ২০০৭ সকাল ১০:৪১
comment by: এস্কিমো বলেছেন: @উদাসী স্বপ্ন - আপনে জনাব এবাবে আমার উপর রেগে যাবেন কেন? যদি আপনার মনে হয় আমি ১০০% ফাউল কথা বলেছি তা হলে কথা এখানেই থামাই!

আবার দেখি আমার কথাগুলো। আমার আর্গুমেন্টের কোথাও কি বিবর্তনবাদকে ফেলে দেবার কথা বলেছি? না।


আমার কমেন্টটা ছিল -
যে অজুহাতে স্কুলে ধর্ম পড়ানো হয় না - ঠিক একই অজুহাতে বিবর্তন বাদ পড়ানো বাদ দেওয়া উচিত।

কেন ? সেটা বললাম।
এখন এটা শুনে যদি কেহ রেগেমেগে আমার রগ কাটতে আসে তা হলে তো আমার কথাই ঠিক হলো - বিবর্তন বাদ কোন বিজ্ঞান না, কারন বিজ্ঞান সবসময় বিতর্কের জন্যে উন্মুক্ত থাকে।

আপনার উল্লেখিত সব বিষয়গুলেই কিন্তু উচ্চতর শ্রেনীতে পড়ানো হয় - সেটার জন্যে কোন আর্টিস ঢেকে কাল্পনিক ছবি এঁকে বাচ্চাদের মাথার ভিতরে ঢুকানো হয় না। সুতরাং সেগুলোর সাথে বিবর্তন বাদ কি এক পাল্লায় মাপা যাবে?
১৫. ১০ ই জুলাই, ২০০৭ সকাল ১০:৪৩
comment by: এস্কিমো বলেছেন: অনেক রাত হলো ..সবাইকে শুভরাত্রি...
১৬. ১০ ই জুলাই, ২০০৭ সকাল ১০:৪৮
comment by: দিগন্ত বলেছেন: কারন বিজ্ঞান সবসময় বিতর্কের জন্যে উন্মুক্ত থাকে। - বিবর্তনবাদ, এমনকি মহাকর্ষও বিতর্কের জন্যে উন্মুক্ত। আপনি প্রমাণ গুলো পড়ে বিতর্ক করুন।
আর্টিস ঢেকে কাল্পনিক ছবি এঁকে - এখন বিবর্তনবাদ আর সে পর্যায়ে নেই। জেনেটিক্স হল সব প্রমাণের উত্স। আপনি নিশ্চয় জানেন যে মানুষ আর পশুর সংকর ভ্রূণ তৈরী হয়েছে। শিম্পাঞ্জীর সাথে মানুষের ৯৯% জিন মেলে। বলুন তো এরা একি জিনিস থেকে তৈরী নাহলে কিকরে এটা সম্ভব?
১৭. ১০ ই জুলাই, ২০০৭ সকাল ১০:৫০
comment by: উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: বস আপনি এখনও বুঝেন নাই উচ্চতর ফিজিক্স কি? আর বিবর্টন বাদ একটা ধারনা। এইটা মানুষকে বুঝতে শিখায় কিভাবে লজিক্যাল চিন্তা করতে হয়। আপনি বিবর্তনবাদ বাদ দিতে বইলা অচল দের খাতায় নাম লেখাচ্ছেন। উচ্চতর ফিজিক্স কিন্তু অনেকটা আকাঝোকা করে অনুমান করতে শিখায় লজিক্যালি। ইলেক্ট্রিক্যাল ইন্জিনিয়ারিংএর একটা সাবজেক্ট আছে পুরাটাই আকিবুকি আর কল্পনা শক্তি। এগুলো আবার কয়েকটা ল আছে যা আজ বাদে কাল অচল হয়ে যাবে। আর বিবর্তন বাদ এখনও টো নিজেকে গড়ছে।

তবে হ্যা ধর্মীয় শিক্ষা যেমন দরকার তেমন এসবও দরকার। তবে নিজের বাসা আর মসজিদ হচ্ছে ধর্ম শিক্ষার উতকৃষ্ট জায়গা!
১৮. ১০ ই জুলাই, ২০০৭ সকাল ১০:৫২
comment by: উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: সাবজেক্টটা হচ্ছে ইলেক্ট্রম্যাগনেটিক ফিল্ড!
১৯. ১০ ই জুলাই, ২০০৭ সকাল ১১:১১
comment by: দিগন্ত বলেছেন: এইটা মানুষকে বুঝতে শিখায় কিভাবে লজিক্যাল চিন্তা করতে হয়। - মোটেও না, এটা সেখায় কিভাবে সরল প্রাণী থেকে জটিল প্রাণী সৃষ্টি হতে পারে। আর উচ্চতর ফিজিক্সের একটা ল র জায়গায় আরেকটা এলে সেটাকি আগেরটাকে পুরো উড়িয়ে দেয়? যদি বিবর্তনবাদের পরবর্তী কোনো ল আসেও সেটাও কি হটাত্ করে সৃষ্টিকর্তাকে নিয়ে আসবে ব্যাখ্যা দেবার জন্য?
২০. ১০ ই জুলাই, ২০০৭ সকাল ১১:৩১
comment by: উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: কেন ইথারের অস্তিত্ব তো পুরাটাই নেগলেক্ট করা হয়!

আর বিবর্তন বাদ এখনও কনষ্ট্রাকটিভ পর্যায়ে কারন এখন শুধুমাত্র ডিএনএ ম্যাপিং করে কোষ বা ভ্রূণ তৈরী করা সম্ভব হয়নাই। তা যতদিন না প্রাকটিক্যাল কোনো প্রমাণ না পাওয়া যায় ততদিন আপনি বিবর্তন বাদ কংক্রিট প্রূফ হিসেবে দেখাতে পারেননা। অবশ্য এটা ঠিক যে পুরোনো গুলো অচল না। তবে অনেক পুরোনো অলরেডী অচল হয়ে গেছে। শুধুমাত্র জানার জন্য এবং বিজ্ঞানের প্রকৃতি বুঝানোর জন্য এগুলো দরকার।


আর সৃষ্টিকর্তা এবং বিজ্ঞান কেউ কারো ধার ধারে না।
২১. ১০ ই জুলাই, ২০০৭ দুপুর ১২:০৬
comment by: দিগন্ত বলেছেন: তা যতদিন না প্রাকটিক্যাল কোনো প্রমাণ না পাওয়া যায় - এক প্রজাতি থেকে আরেক প্রজাতি কিভাবে তৈরী হয় তা প্রাকটিক্যালি অনেকবার দেখানো হয়েছে। আপনি চাইলে উইকির পেজ দেখতে পারেন।
২২. ১০ ই জুলাই, ২০০৭ দুপুর ১২:১০
comment by: উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: লিংক খান মারেন তো বস!
২৩. ১০ ই জুলাই, ২০০৭ দুপুর ১২:১৩
comment by: মদন বলেছেন: ধর্মের বড় ভিত্তি হলো বিশ্বাস আর বিজ্ঞানের বড় ভিত্তি হলো যুক্তি প্রমান।
২৪. ১০ ই জুলাই, ২০০৭ দুপুর ১২:১৫
comment by: দূরের তারা বলেছেন: "আসলে বিজ্ঞান আর ধর্ম কিছুতেই একসাথে মিশে যেতে পারে না"

আপনার এ কথার সাথে আমি একমত নই। বিজ্ঞানের অনেক আবিস্কার মানুষকে সৃষ্টি কর্তার প্রতি বিশ্বাসে সাহায্য করেছে। হ্যা কিছুটা ব্যাতিক্রম তো আছেই। যেমন, ঘুমের মধ্যে স্বপ্নে দেখা। এখানে বিশ্বাস করে না যে স্বপ্ন সত্য হতে পারে।
২৫. ১০ ই জুলাই, ২০০৭ দুপুর ১২:১৭
comment by: দিগন্ত বলেছেন: http://en.wikipedia.org/wiki/Speciation
Please see the portion of artificial speciation where new species of Bees are 'created'. You can also take a look at my blog for generic Q&As on Evolution:
Click This Link জানিনা আসবে কিনা -
২৬. ১০ ই জুলাই, ২০০৭ দুপুর ১২:১৮
comment by: উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: আগে পইড়া লই পরে কমেন্ট!

যৌবনে তো আর কম পড়লাম (আছাড় না কিন্তু) না!
২৭. ১০ ই জুলাই, ২০০৭ দুপুর ১২:১৯
comment by: দিগন্ত বলেছেন: বিজ্ঞানের অনেক আবিস্কার মানুষকে সৃষ্টি কর্তার প্রতি বিশ্বাসে সাহায্য করেছে। - যেমন?
ধর্মের বড় ভিত্তি হলো বিশ্বাস আর বিজ্ঞানের বড় ভিত্তি হলো যুক্তি প্রমান। - একমত।
২৮. ১০ ই জুলাই, ২০০৭ দুপুর ১২:৪৪
comment by: মেজভাবী বলেছেন: বিবর্তন নিয়ে আমার একটা পোস্ট ছিল। অধ্যাপক দ্বিজেন শর্মার একটা প্রবন্ধ। এটা পাওয়া যাবে এখানে

আর বন্যা আহমেদের বইটা সবারই পড়া উচিত বাছা। এবারের বইমেলা থেকে কিনেছি। খুবই ভাল লেখা।
২৯. ১০ ই জুলাই, ২০০৭ দুপুর ১:২৯
comment by: আহরিমান বলেছেন: ধর্মের বড় ভিত্তি হলো বিশ্বাস আর বিজ্ঞানের বড় ভিত্তি হলো যুক্তি প্রমান। - ধর্মের একটা বড় ভিত্তি ছিল প্রকৃতির কাছে মানুষের অসহায়তা, বিজ্ঞান অনেকটাই তা কেড়ে নিচ্ছে।
৩০. ১০ ই জুলাই, ২০০৭ দুপুর ২:০৫
comment by: দিগন্ত বলেছেন: বিজ্ঞান অনেকটাই তা কেড়ে নিচ্ছে।
- পুরোটাই কেড়ে নিয়েছে কিন্তু সবাই সেটা বুঝতে সময় নিচ্ছে।
৩১. ১০ ই জুলাই, ২০০৭ দুপুর ২:২২
comment by: উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: মেজ ভাবী তুমি আইছো? তুমি আমারে বুঝায়া দিলা না দেইখাই আমি কিছু কইতে পারতাছি না। আমারে বুঝায়া দাও!
৩২. ১০ ই জুলাই, ২০০৭ বিকাল ৪:৪১
comment by: দিগন্ত বলেছেন: আপনি বরং ডারউইনের এই ছবিটা রাখেন, স্বপ্ন দেখতে কাজে দেবে।
৩৩. ১০ ই জুলাই, ২০০৭ বিকাল ৪:৪৯
comment by: উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: এই ছবির সাথে আর মেজ ভাবীর মধ্যে কি কোনো তফাত চোখে পরে না দিগন্ত? ছিঃ তুমি এত খারাপ?
৩৪. ১০ ই জুলাই, ২০০৭ বিকাল ৪:৫৭
comment by: দিগন্ত বলেছেন: কি আর করা - সবই তো বানরের বংশধর।
৩৫. ১১ ই জুলাই, ২০০৭ সকাল ৯:২৪
comment by: দিগন্ত বলেছেন: যাক এই তর্ক শেষ, এবার বিজ্ঞান নিয়ে আরো কিছু লিখি।

 

 


পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ