আমার প্রিয় পোস্ট

কম্পিউটার বিশারদ পেশায়, নেশায় যুক্তিবাদী

বাংলাদেশে দূতাবাসে ভারতীয় কম্যান্ডো?

৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:৫৩

শেয়ারঃ
0 0 0

আমি বেড়াতে যাওয়ার কারণে বেশ ক'দিন ব্লগে আসতে পারিনি। আজকে এসে দেখি একটা টপিকে অনেকগুলো ব্লগ পোস্ট এসেছে। সেই পরিপ্রেক্ষিতেই আমার লেখা।

মূল খবরটা হল, ভারতীয় কোনো একটি সংবাদপত্রে খবর এসেছে যে ভারত থেকে ৫০ জনের একটি কম্যান্ডো ফোর্স বাংলাদেশে ভারতীয় দূতাবাসে পাঠানো হবে। এর পরে বাংলাদেশে একটি নিউস চ্যানেল ও সংবাদপত্র এই বিষয়টি জনসমক্ষে এনেছেন বাংলাদেশের জন্য হুমকি হিসাবে। এই পরিপ্রেক্ষিতে আমি কিছু প্রশ্নের ও অভিযোগের উত্তর দিই।

কেন বাংলাদেশে পাঠানো হচ্ছে কম্যান্ডো?
এমনিতে দূতাবাসের নিরাপত্তার দায়িত্ব রিসিভিং দেশের, কিন্তু হাইকমিশনের কর্মীদের বক্তব্যের ওপর ভিত্তি করে সেন্ডিং দেশ তাদের নিরাপত্তার জন্য কর্মী পাঠাতে পারে। ঢাকার ভারতীয় দূতাবাস ইতিপূর্বে বেশ কিছু থ্রেট লেটার পেয়েছে [৫], কিছুদিন আগে লস্কর-ই-তৈবার ভারতীয় দূতাবাস আক্রমণের একটি পরিকল্পনার কথা বাংলাদেশের গোয়েন্দা সূত্রে [১] জানা গেছে। এর পরেই নিরাপত্তা জোরদার করার জন্য এই পদক্ষেপ।

অন্যান্য দেশেও কি এরকম উদাহরণ আছে?
ইসলামাবাদে ভারতীয় হাইকমিশনের প্রহরায় ১৬ জন কম্যান্ডোকে পাঠানো হয়েছে [২]। পাকিস্তানও একইভাবে দিল্লীতে তাদের এলিট বাহিনীর কিছু নিরাপত্তাকর্মীকে পাঠানোর কথা ভাবছে বলে সংবাদে প্রকাশ[৩]। কাঠমান্ডুতে ভারতীয় দূতাবাসে গত পাঁচ বছর যাবত নিরাপত্তাকর্মীরা আছেন। কাবুলে ভারতীয় দূতাবাস প্রহরায় থাকেন ইন্দো-তিবেতান ফোর্সের লোকজন - অর্থাৎ ভারতে মূলত তিব্বতীদের নিয়ে গড়া একটি বাহিনীর সৈন্যরা।

হাইকমিশন সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক আইন কি কোনটি?
বিদেশে হাইকমিশন আন্তর্জাতিক ডিপ্লোম্যাটিক মিশনের অংশ। আন্তর্জাতিকভাবে যে কোনো দেশের ডিপ্লোম্যাটিক মিশন পরিচালিত হয় ১৯৬১ সালের জেনেভা কনভেনশন অন ডিপ্লোম্যাটিক রিলেশনশ [৪] দ্বারা। ভারত ও বাংলাদেশ উভয়েই এই চুক্তি মেনে চলে।

এই আইন বিদেশে কম্যান্ডো পাঠানো সংক্রান্ত বিষয়ে কি বলে?
আর্টিকেল ৭ অনুসারে সেন্ডিং দেশ (এক্ষেত্রে ভারত) দূতাবাসের কর্মী নির্বাচনের ক্ষেত্রে স্বাধীন। তবে কোনো নিরাপত্তা কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে আগে থেকে রিসিভিং দেশ প্রয়োজন বোধ করলে তাদের নামগুলো নিতে পারে ও তাদের অনুমতির দরকার পড়তে পারে। (In the case of military, naval or air attachés, the receiving State may require their names to be submitted beforehand, for its approval.) আর্টিকেল ১১ (২) অনুসারে রিসিভিং দেশটি রেসিপ্রোকাল ও নন-ডিসক্রিমিনেটরি বেসিসে সেই অনুরোধ নাও রাখতে পারে। (The receiving State may equally, within similar bounds and on a non-discriminatory basis, refuse to accept officials of a particular category.)

আমার কাছে এর মানে দাঁড়ায় এই যে বাংলাদেশ ইচ্ছা করলে ভারতীয় কম্যান্ডোদের ফেরত যেতে বলতেই পারে কিন্তু সেটা non-discriminatory basis হতে হবে, অর্থাৎ বাংলাদেশে তাদের নিজ-নিজ হাইকমিশনে অবস্থান অন্যান্য দেশের কম্যান্ডোদেরও একই ব্যবহার করতে হবে।

বাংলাদেশের কোন মন্ত্রণালয়কে এ বিষয়ে অবহিত করতে হয়?
বাংলাদেশে ভারতীয় দূতাবাসের কর্মীরা সকলেই ভিসা নিয়ে বাংলাদেশে যান, সুতরাং বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রকের জানা উচিত কে কে বাংলাদেশে আসছেন। আর্টিকেল ১০(১)(এ) একই কথা বলে। তবে এদের মধ্যে কে কে নিরাপত্তাকর্মী তা বাংলাদেশ জানতে না চাইলে ভারত জানাতে বাধ্য নয় (আর্টিকেল ৭)। সুতরাং বাংলাদেশের কোনো মন্ত্রণালয়ের জানার কথা নয় পঞ্চাশজন কম্যান্ডো না কেরাণী পাঠানো হচ্ছে।

ভারতীয় দূতাবাসের বাইরে ট্র্যাফিক নিয়ন্ত্রণে ভারতীয় নিরাপত্তারক্ষীরা সমস্যার সৃষ্টি করছেন। এটা কি আইনত সম্ভব?
বাংলাদেশে ভারতীয় দূতাবাসের চত্বর(“premises of the mission”) কতটা তার ওপর নির্ভর করছে। সাধারণভাবে ঘেরা জায়গার বাইরের রাস্তা-ঘাট চত্বরের বাইরে রাখা হয়। সুতরাং, বাইরের ট্র্যাফিক নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব বাংলাদেশের পুলিশের হওয়া উচিত। চত্বরের মধ্যে আর্টিকেল ২২ অনুসারে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব সীমিত, অথচ চত্বরের বাইরের রক্ষার দায়িত্ব সম্পূর্ণভাবে বাংলাদেশের (আর্টিকেল ২২(২) ও ৪৫(এ) )। দিল্লীতে মার্কিন দূতাবাসের সামনের রাস্তার ট্র্যাফিক কন্ট্রোল করে দিল্লী পুলিশই। তারাও স্থানীয় বাসিন্দাদের যথেষ্ট হয়রানির কারণ। বাংলাদেশের সংবাদ অনুসারে ভারতীয় দূতাবাসের জন্যও বাংলাদেশের তরফেই প্রচুর নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে [৫] - আর নিরাপত্তার ব্যবস্থা মানেই সাধারণ মানুষের হয়রানি।

সূত্র -
১) Click This Link
২) http://www.zeenews.com/news569020.html
৩) Click This Link
৪) Click This Link
৫) Click This Link

 

প্রকাশ করা হয়েছে: রাজনীতি  বিভাগে । বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:০৮
জ্বীন বলেছেন:
ভাল লিখেছেন ।+
৩. ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:১৬
তাহের বলেছেন: বিদেশে হাইকমিশন আন্তর্জাতিক ডিপ্লোম্যাটিক মিশনের অংশ
Click This Link
৪. ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:২২
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: সম্পূরক পোস্ট :
রাজনীতির রান্নাঘরে নতুন একটা ইস্যু রান্না হচ্ছে যা নিয়ে প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া ইতিমধ্যে হৈ চৈ শুরু করে দিয়েছে। বলা হচ্ছে ভারত তার দূতাবাস রক্ষার্থে নিজস্ব কমান্ডো বাহিনী আনছে। দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব নিয়ে অতি দেশপ্রেমী একটা গুষ্টি আশংকা করছে প্রতিবেশী দেশের ৫০ কমান্ডো আগমনের ফলে আমাদের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব হুমকির মূখে পরবে।

এ ধরনের প্রচারনা সাধারণ মানুষের মনে ইতিমধ্যে জন্ম নেয়া এন্টি-ভারত সেন্টিমেন্ট কিছুটা ঝালাই করতে সক্ষম হলেও এর স্থায়িত্ব কতটা দীর্ঘ হবে এ নিয়ে সন্দেহের অবকাশ আছে। প্রথমত, দূতাবাস একটা দেশের নিজস্ব সম্পত্তি এবং এ রক্ষার দায়িত্ব শুধু হোষ্ট দেশেরই নয়, বরং যার সম্পত্তি তার নিজেরও। কিছুদিন আগে বাংলাদেশের মাটিতে পাকিস্তানী একটা চক্রকে বন্দী করা হয়েছে ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাস উড়িয়ে দেয়ার ষড়যন্ত্রের অভিযোগে। একথা সরকারী ভাবেই স্বীকার করা হয়, ঢাকাস্থ ভারতীয় দূতাবাসের কার্য্যালয়গুলোতে সন্ত্রাষী হামলার হুমকি আসছে প্রতিনিয়ত।

একদিকে এ হুমকি দিচ্ছে দেশী-বিদেশী মৌলবাদী দলগুলো, পাশাপাশি এতে অংশ নিচ্ছে ভারতের বিভিন্ন বিছিন্নতাবাদী দল এবং গুষ্টি। বহু বছর ধরেই ভারত অভিযোগ করে আসছে বাংলাদেশের মাটিতে সে দেশের বিচ্ছিন্নতাবাদীদের পাকিস্তানী সহায়তায় ট্রেনিং দেয়া হচ্ছে। বাংলাদেশের সরকারগুলো বরাবরই এ ধরনের অভিযোগ অস্বীকার করে আসছিল।

কিন্তূ ভারতবান্ধব বর্তমান ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ আসামের বিচ্ছিন্নতাবাদী দল উলফার মূল নেত্রীত্বকে বাংলাদেশে গ্রেফতার পূর্বক ভারতীয়দের হাতে তুলে দিয়ে এটাই প্রমান করেছে এতদিন এ সম্পর্কে বাংলাদেশ যা বলে আসছিল তা ছিল নিছক মিথ্যা।

উলফা নেতা রাজখোয়া এবং পরেশ বড়ুয়া সহ অনেকেই বছরের পর বছর ধরে বাংলাদেশে বাস করছিল এবং ৪ দলীয় জোট সরকারের অনেক নেতা-নেত্রীর প্রত্যক্ষ মদদে এ দেশে ব্যবসা বানিজ্য করে আসামের সসস্ত্র সন্ত্রাষে মদদ যোগাচ্ছিল। চট্টগ্রামে আটক ১০ ট্রাক অস্ত্র এবং এর শেষ গন্তব্যস্থল নিয়ে পর্য্যালোচনা করলে একটা জিনিষ পরিস্কার হবে আমাদের রাজনৈতিক নেত্রীবৃন্দের অনেকেই সড়াসাড়ি ভারত বিরোধী সন্ত্রাষী তৎপরতার সাথে জড়িত।

এমন একটা রাজনৈতিক বাস্তবতার প্রেক্ষপটে ভারত কেন আমাদের সরকার এবং এর আইন-শৃংখলা বাহিনীকে বিশ্বাষ করে তার দূতাবাসের নিরাপত্তা নিয়ে নিশ্চিত হবে তার কোন কারণ দেখছিনা। ভারতীয়রা এতটা বোকা নয় যে আওয়ামী লীগের চীরস্থায়ী ক্ষমতায় বিশ্বাষ করবে, সংগত কারণেই তারা সূযোগ নিচ্ছে বাংলাদেশের রাজনৈতিক বাস্তবতার।

৫০ কমান্ডো আগমনের সত্যতা নিয়ে হৈ চৈ করার আগে আমাদের রাজনৈতিক দলগুলির উচিৎ হবে ভারত সর্ম্পকে তাদের অবস্থান পরিস্কার করা। এন্টি-ভারত প্রপাগান্ডা আমাদের রাজনৈতিক সাংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ, এ নিয়ে ভারত যে খুব একটা উদ্বিগ্ন তা মনে হয়না, কিন্তূ সরকারী মদদে রাজখোয়া এবং পরেশ বড়ুয়াদের মত ওয়ান্টেড সন্ত্রাষীদের যখন জামাই আদরে ১০ট্রাক অস্ত্র দিয়ে আপ্যায়ন করা হয় ভারতের চিন্তিত হওয়ার যথেষ্ট কারণ আছে।

যে কোন দেশ হলেও তাই করত। ভারতের সাথে খোচাখুচিকে যারা আওয়ামী-বিএনপির খোচাখুচির সমপর্য্যায়ে দেখতে ভালবাসেন তাদের জন্যে দুঃসংবাদ হচ্ছে, ভারত আর আগের ভারত নেই। প্রতিবেশী এই দেশটার আষ্টেপৃষ্টে আমাদের ভাগ্যচাকা বাধা পরে আছে, আগুন নিয়ে খেলতে গেলে নিজদেরই পুড়ে মরার সম্ভাবনা থাকবে বেশী। অন্যদিকে ভারত যদি সত্যি সত্যি বাংলাদেশে তার দূতাবাস নিরাপত্তার জন্যে কমান্ডো নিয়ে আসে তা হবে আমাদের নিরাপত্তা ব্যবস্থার প্রতি মারাত্মক চপোটাঘাত এবং আর্ন্তজাতিক পর্য্যায়ে এর গ্রহনযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে বাধ্য।
বিদেশী ৫০ কমান্ডো আগমনের ফলে আমাদের স্বাধীনতা হুমকির সন্মখিন হবে এই ভাংগা রেকর্ড না বাজিয়ে আমাদের উচিৎ হবে যেসব বাস্তবতার কারণে কমান্ডো বাহিনীর আগমন ঘটতে পারে তা নিয়ে মাথা ঘামানো। একটা জিনিষ ভূলে গেলে চলবেনা বিশ্ব আমাদের চোখে চোখে রাখছে, ভারত সহ যেকোন দূতাবাসে অপ্রীতিকর কিছু ঘটে গেলে তা আমাদের জন্যে ভয়াবহ ফলাফল বয়ে আনতে বাধ্য।

http://watchdog.amarblog.com//posts/95236/
৫. ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৬
জ্বীন বলেছেন: @ অমি রহমান পিয়াল , লেখা টা আবার পড়ুন ।

ব্লগার দিগন্ত লিখেছেন,

"ভারতীয় দূতাবাসের বাইরে ট্র্যাফিক নিয়ন্ত্রণে ভারতীয় নিরাপত্তারক্ষীরা সমস্যার সৃষ্টি করছেন। এটা কি আইনত সম্ভব?."

পড়ুন । ব্লগার দিগন্ত ভালই লিখেছেন ।


ভারত যাই করুক আইন মেনে করুক । হাইকমিশন সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক আইন মেনে করুক । নাকি জোর করে করবে ?
৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৮

লেখক বলেছেন: আইনত সম্ভব না। সেটাই লিখেছি।

৬. ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:৪৪
জ্বীন বলেছেন: @ অমি রহমান পিয়াল বলেছেন,
"বিশ্ব আমাদের চোখে চোখে রাখছে, ভারত সহ যেকোন দূতাবাসে অপ্রীতিকর কিছু ঘটে গেলে তা আমাদের জন্যে ভয়াবহ ফলাফল বয়ে আনতে বাধ্য।"

এইসব সাজানো নাটক । যে শক্তি ইরাক, লেবাবন, আফগানিস্তান, ফিলিস্তিনে মানবিক বিপযয় ঘটিয়েছে । তারা চাইলে এমনিতেই আমাদের জন্যে ভয়াবহ ফলাফল বয়ে আনতে বাধ্য । আমাদের কিছু করতে হবে না ।
আর ভারত এখন সেই শক্তির রিজিউন্যাল রিপ্রেজেনটেটিভ ।
৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৩০

লেখক বলেছেন: হ্যাঁ, এখন আপনি বলেন মুম্বাই হামলাও সাজানো আর সারা পৃথিবী নাটকেই চলে।

৭. ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:২১
সুবিদ্ বলেছেন: সরকারের স্পষ্ট বক্তব্যের অভাবই এসব ক্ষেত্রে confusion বাড়িয়ে দিচ্ছে.......
৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৫৫

লেখক বলেছেন: আর সংবাদপত্রের হলুদ সাংবাদিকতা?

৮. ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:৪৪
তেতোমুখ বলেছেন: আমার কখনো মনে হয়নি ভারত আমাদের জন্য একটি বন্ধুপ্রতিম রাস্ট্র; বরঞ্চ উল্টোটাই বারবার মনে হয়েছে । আজো সীমান্তে আমাদের নিরীহ বাংলাদেশী ভাইকে বিএসএফের গুলিতে প্রান হারাতে হয়। আমাদের নদীগুলো নাব্যতা হারিয়ে মরুকরণ প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে চলেছে। তবে আমি ব্যক্তিগত ভাবে মনে করি, প্রতিবেশী দেশগুলোর সাথে আমাদের সদ্ভাব বজায় রাখা উচিত এবং সন্ত্রাসবাদকে উসকে দেয় এমন কিছু করা থেকে বিরত থাকা উচিত। বরঞ্চ যে সকল সমস্যা আছে তা' কূটনৈতিক বুদ্ধিমত্তার সাথে সমাধান করা।
৯. ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৩২
কোর আই সেভেন বলেছেন: এবার যদি গেল গেল রব বন্ধ হয়!!! ++++
১০. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ৯:৩৭
জ্বীন বলেছেন: মুম্বাই হামলাও সাজানো কিনা জানিনা ।

বলুন তো এতে লাভ হলো কার??

যদি ইহুদিদের দিয়ে হোয়াইট হউসে হামলা করানো যায় বা প্রচার করা যায়,
তাতে কার লাভ হবে ?
৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:২৬

লেখক বলেছেন: সে তো অনেকে বলে পাকিস্তান ভাগ হওয়ায় ভারতের লাভ বেশী হয়েছে তার মানে ভারতই পাকিস্তান ভাঙার পেছনে ... কথাটা কতটা সত্যি?

আর ইহুদীরা অত বোকা না ...

১১. ৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:৪৩
অ্যামাটার বলেছেন: অফটপিক প্রশ্ন দিগন্ত দাঃ আগের পোষ্টে দেখলাম, বরফ পরার দেশে থাকেন, প্রবাসী, নিশ্চিৎ। তবে আটলান্টিকের কোন পাড়ে, এটা বুঝিনি। যা হোক, আপনি কি ইন্ডিয়ান সিভিল কিংবা মিলিটারি সার্ভিসে কর্মরত?

নিছক জানার কৌতুহল, আপত্তি উত্তর দেবার দরকার নাই।

ভাল থাকবেন।:)
০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:২৫

লেখক বলেছেন: আমি আমেরিকায় থাকি, প্রশান্ত মহাসাগরের পাড়ে ... তবে আমি ভারত-সরকারী কোনো প্রতিষ্টানে কাজ করি না।

১২. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৮:৩৭
দ্বিজু বলেছেন: ভেবে দেখার মতো বিষয়!

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯২৯৭ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ