আওয়ামী লীগ ধর্মনিরপেক্ষতায় বিশ্বাসী। এটা তারা শুধু স্বীকারই করে না বরং দাবী করে, ঘোষণা করে বার বার। তাই তাদের উচিত ছিল ধর্মীয় বিষয় নিয়ে রাজনীতি না করা, ধর্মীয় বিষয় নিয়ে বেশী মাথা না ঘামানো, যততত্র ধর্মের চর্চা বিশেষ করে রাজনীতি বা রাষ্ট্রীয় কোন অনুষ্ঠানে না করা।
কিন্তু আমরা দেখি, হিন্দু লীগ, ওলামা লীগ, শোকরানা নামাজ, বিমান বন্দরের মত সাধারণ ব্যবহার্য বিষয়কে ধর্ম প্রচারকদের নামে নাম করণ আরো কত কি!
ইদানীং দেখছি তারা ফতোয়াবাজিতে পিছনে থাকতে চায় না। তাই তাদের উচিত ফতোয়া লীগ বা জাতীয় মুফতী লীগ গঠন করা। তাদের কাজ হবে, আওয়ামী বিরোধী ইসলামী দলগুলোর বক্তব্যগুলোকে ইসলাম বিরোধী বলে ফতোয়া দেয়া। প্রয়োজনে এ ফতোয়ার প্রচারে কুশ-পুত্তলিকা দাহ করা, মিছিল মিটিং করা। যদিও এগুলো মুফতী সাহেবদের কাজ বলে জনগণ জানে না। ফতোয়ার কিতাবেও নেই।
এমনিভাবে আওয়ামী লীগ ইসলামী সংস্কৃতি বিরোধী কোন কাজ করলে মুফতী লীগ সেটাকে ইসলামী কাজ বলে ফতোয়া দেবে। বলবে, বিলকুল হক হ্যায়।
আপনারা আমার এ প্রস্তাব সমর্থন করলে হ্যাঁ বলুন। আর যদি প্রস্তাবটি সমর্থন না করেন তাহলে বলুন, এ মহান কর্মটি কারা সম্পাদন করিবে?
এক বক্তা নিজামী সম্পর্কে বলেছেন, ইসলামের দাওয়াতে নবী মুহাম্মাদ যে রকম কুটসা ও অভিযোগের শিকার হয়েছিলেন, নিজামীও তাই হচ্ছেন।
এ কথাটা টা নাকি নবীর সাথে তুলনা হয়েছে। সব তুলনাই কি খারাপ?
এ ধরনের তুলনা কুরআন ও নবীর হাদীসে অসংখ রয়েছে।
আজকের কয়েকটি দৈনিকে খবরে দেখলাম, আইন প্রতিমন্ত্রী বলেছেন: ‘কোটি বছর পর আল্লাহ আমাদের বিচার করতে পারলে আমরা যুদ্ধপরাধীদের ক্ষেত্রে পারব না কেন?’
প্রতিমন্ত্রীর এ বক্তব্যে তারা আওয়ামী লীগকে আল্লাহর সাথে তুলনা করলেন কিনা?
তার বক্তব্যটি ‘আল্লাহর সাথে তুলনা করা বলে কেন গণ্য হবে না?’ এ বিষয় আমরা মুফতী লীগের কাছে ফতোয়া চাইতে পারি।
এ জন্য একটি মুফতী লীগ বা একটি ফতোয়া লীগের খুবই দরকার।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


