আমার প্রিয় পোস্ট

সিরিয়াস পোস্টঃ বৈদেশিক বিনিয়োগ সম্পর্কিত চাপাবাজি

১৮ ই নভেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:৩৫

শেয়ার করুন:                   Facebook

চাপা ১: বৈদেশিক বিনিয়োগের ফলে রপ্তানী বাড়ে, আমদানী কমে এবং এর মাধ্যমে বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্য রক্ষা হয়।

খন্ডন: প্রকৃতপক্ষে বৈদেশিক বিনিয়োগ কোন একটি দূর্বল অর্থনীতির দেশের বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্যকে আরও বেশি সংকটাপন্ন করে তোলে। কিভাবে ? আমদানী করা যন্ত্রাংশ, কাঁচামাল, নকশা, প্রকৌশল-জ্ঞান ইত্যাদির খরচ উত্পাদী পণ্যের রপ্তানীর ফলে প্রাপ্ত আয়ের চেয়ে বেশি দেখানো হয়। ফলে একদিকে আমদানি খরচ বাবদ বিপুল পরিমান বৈদেশিক মুদ্রা সরাসরি বিদেশে পাচার করা হয় অন্যদিকে লোকসান দেখানোর মাধ্যমে বাঁচা যায় ট্যাক্সের হাত থেকেও।
বহুজাতিক কোম্পানিগুলো উত্পাদিত পণ্যটিকে অন্যকোন দেশে অবস্থিত তাদেরই কোন শাখা/সহযোগি কোম্পানির কাছে বিক্রি করে। আর এই আন্তঃকোম্পানি লেনদেনের মাধ্যমে রপ্তানী পণ্যের মূল্য তুলনামূলকভাবে কম দেখানো হয়, ফলে সংশ্লিষ্ট দেশটি বৈদেশিক মুদ্রা এবং ট্যাক্স বাবদ বিপুল আয় থেকে বঞ্চিত হয়। এই পদ্ধতিটি করপোরেট দুনিয়ায় 'ত্রিভুজ বাণিজ্য' হিসেবে ব্যাপক পরিচিত। কম মূল্যেও এই রপ্তানিটি করা হয় এমন এলাকায় যেখানে ট্যাক্সের হার কম বা একেবারে নেই, যেমন সিঙ্গাপুর বা বারমুডা। তারপর সেই ট্যাক্সস্বর্গ থেকে পণ্যটিকে প্রকৃত বাজারমূল্যে তার চুড়ান্ত গন্তব্যে রপ্তানি করা হয়।
আন্তঃকোম্পানি লেনদেনের ক্ষেত্রে ত্রিভুজ বাণিজ্য করা হয় পণ্য উত্পাদনের জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি আমদানির বেলায়ও। তবে এ ক্ষেত্রে পণ্যের অব-মূল্যায়নের পরিবর্তে করা অতি-মূল্যায়ন। উদ্দেশ্য কিন্তু একই- ট্যাক্স ফাঁকি। এভাবে বিনিয়োগ যত বাড়তে থাকে তার সাথে বাড়তে থাকে পাচার হওয়া বৈদেশিক মুদ্রার পরিমাণ। ২০০৫ সালের মে মাসে ভেনিজুয়ালার সরকার নব্বই দশকের পর থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত বৈদেশিক কোম্পানিগুলোর ১০০ কোটি ডলারেরও বেশি ট্যাক্স-ফাঁকির এক হিসাব প্রকাশ করে। রাশিয়ার পুরো তেল এবং গ্যাস সেকটরটিকেই হজম করে ফেলেছে বিদেশী বিনিয়োগকারী এবং তাদের স্থানীয় দালাল চক্র। এরকম দুটি চক্রের হোতা প্লাটোন লেবেডেফ ও মিখাইল খদরকভস্কি কে ২৯ বিলিয়ন ডলার ট্যাক্স ফাঁকির অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করা হয়।

চাপা ২: বৈদেশিক বিনিয়োগ একটি দেশের রপ্তানী খাতকে অধিকতর প্রতিযোগিতামূলক করে তোলে এবং স্থানীয় বাজারেরও বিকাশ ঘটায়।

খন্ডন: প্রকৃতচিত্র হলো বিনিয়োগকারীরা স্বল্পমূল্যে লোভনীয় খনিজ সম্পদ কেনে এবং অতি অল্প মূল্য সংযোজনের মাধ্যমে বা কোন মূল্য সংযোজন ছাড়াই বিদেশে রপ্তানী করে। এভাবে কোন মূল্যসংযোজন ছাড়াই মূল্যবান প্রাকৃতিক সম্পদ বিদেশে পাচার করার মধ্যেই রপ্তানী খাতে প্রতিযোগিতামূলক হওয়ার সকল মহিমা নিহিত!
আর স্থানীয় বাজার সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে দেখা যায় বিভিন্ন সেবাখাত যেমন: টেলিকমিউনিকেশন ইত্যাদি পুঁজিঘন খাতের ব্যাপক বিকাশের মাধ্যমে বিপুল পরিমান বৈদেশিক মুদ্রা স্রেফ সামান্য ট্যাক্সের বিনিময়ে বিনিয়োগকারি বহুজাতিক কোম্পানিটি তুলে নিয়ে যায়। আর পানি, বিদ্যুত, যাতায়াত ও পরিবহন ইত্যাদি খাতে মাত্রাতিরিক্ত ভাড়া আদায় করার ফলে স্থানীয় বাজারের সংকোচন ঘটে যার ফলাফল স্বরূপ একদিকে যেমন লোকবল ছাটাই করা হয় অন্যদিকে তেমনি এই সেবাগুলো ক্রমশঃ দরিদ্র ও নিম্ন আয়ের মানুষের নাগালের বাইরেও চলে যায়। বলিভিয়ায় নব্বই দশকের মাঝামাঝি সময়ে প্রাকৃতিক গ্যাস ও তেল খাতের বেসরকারিকরণ এইসব খাতে বৈদেশিক বিনিয়োগের ফলাফল স্বরূপ বিনিয়োগকারি বিপুল পরিমাণ মুনাফা লুটে নিলেও স্থানীয় অর্থনীতিতে এর প্রতিক্রিয়া হয় ভয়ংকর। গ্যাস ও পেট্রলিয়াম-জাত পণ্যেও প্লান্টগুলোতে হাজার হাজার শ্রমিক চাকুরিচ্যুত হয়। অন্যদিকে স্থানীয় নিম্ন আয়ের ভোক্তাদের আওতার বাইরে চলে যায় এসব পণ্য।

চাপা ৩: বৈদেশিক বিনিয়োগের ফলে ব্যাপক কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হয়, শ্রমিকের মজুরী বাড়ে এবং জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন হয়।

খন্ডনঃ যে কোন বিনিয়োগের ফলে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হওয়ার বিষয়টি অনেকগুলো সূচকের উপর নির্ভরশীল: বিনিয়োগের ধরণটি কি শ্রমঘন না পুঁজিঘন, সংশ্লিষ্ট খাতটিতে বিদেশী বিনিয়োগের ফলে দেশীয় শিল্প-প্রতিষ্ঠানগুলো এর সাথে প্রতিযোগিতায় টিকবে কি না, যদি না টেকে তবে সে ক্ষেত্রে কর্মসংস্থান হারানো শ্রমিকের তুলনামূলক সংখ্যা ইত্যাদি।
সাধারণভাবে উন্নত পুঁজিবাদী দেশে শ্রমিকের উচ্চ মজুরীর প্রতিক্রিয়া স্বরূপ তৈরী হওয়া পুঁজিঘন প্রযুক্তি ও যন্ত্রপাতি ও চালনার জন্য তুলনায় অনেক কম শ্রমিকের প্রয়োজন হয়। ফলে বিনিয়োগের সার্বিক প্রতিক্রিয়া হয়ে দাঁড়ায় ঋণাত্মক।
আর মজুরিরি উচ্চহারের ব্যাপারে বলা যায় তৃতীয় বিশ্বের অনুন্নত একটি দেশের অনুন্নত একটি কাঠামো থাকা সত্বেও সেসব দেশে বৈদেশিক বিনিয়োগ আসার গুটিকয়েক কারণের মাঝে একটি হলো সস্তা-শ্রম। যে বিনিয়োগকারী সস্তা শ্রমের জন্য সাত-সমুদ্দর পাড়ি দিয়ে অন্য একটি দেশে আসে সেই বিনিয়োগকারীর বিনিয়োগের সুফল হিসেবে মজুরীর উচ্চারকে উপস্থাপন করা স্রেফ হাস্যকর। এ প্রসঙ্গে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের সিঙ্গুরে টাটার প্রস্তাবিত মোটর গাড়ি কারখানায় যে বিশেস পদ্ধতিতে গাড়ি তৈরী করা হবে সেই 'ম্যানটেক' পদ্ধতির কথা উল্লেখ করা যেতে পারে। পেন্টাগণের পৃষ্ঠপোষকতায় ১৯৭৮ সালে সালে 'ম্যানটেক' নামক প্রকল্পে উদ্ভাবিত পদ্ধতিতে বাড়তি মুনাফার উদ্দেশ্য কী, তা টাটাদের সিঙ্গুর মোটরগাড়ি প্রকল্পের পটভূমিতে একটু দেখে নেয়া যেতে পারে।
টাটার প্রস্তাবিত মোটর গাড়ি কারখানার মূল কারখানাটি হবে স্রেফ একটি যন্ত্রাংশ জোড়া দেয়ার কারখানা। কোন যন্ত্রাংশই টাটা কর্তৃপক্ষ উত্পাদন করবে না। সেগুলো উত্পাদন করবে বিভিন্ন ছোট ছোট ভেন্ডর কোম্পানী। প্রচলিত শিল্প আইন অনুসারে সব যন্ত্রাংশ যদি টাটার মূল কারখানায় তৈরী হয় তবে এর সঙ্গে জড়িত সব শ্রমিককেই (যার সংখ্যা সরকারি হিসাবে ১১ হাজার হওয়ার কথা) মোটর গাড়ি শিল্পের প্রচলিত মজুরি দিতে হতো এবং অন্য সংগঠিত ক্ষেত্রের মত তাদেরও কিছু কিছু অধিকারও সুরক্ষিত থাকতো। ম্যানটেক ব্যবস্থায় সেদেশের সরকারের বক্তব্য ঠিক হলে ৮০০ জন হবেন মোটর গাড়ি শিল্পের শ্রমিক, বাকি প্রায় ১০০০০ জন হবেন অসংগঠিত ক্ষেত্রের শ্রমিক যাদের মজুরি, কাজের সময়, চাকুরির নিরাপত্তা বলতে কিছুই থাকবে না। লেদ মেশিনে যে শ্রমিক কাজ করবেন, পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান অবস্থা অনুযায়ী তাঁর দৈনিক মজুরি হবে ৮০ থেকে ১০০ টাকা। মটর গাড়ি শিল্পের মজুরি ব্যবস্থা অনুযায়ী দু থেকে আড়াই গুন পাওয়ার কথা। শুধু ভারতের টাটা কেন, বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান বিদেশী বিনিয়োগকারী বহুজাতিক মোবাইল কোম্পানিগুলোও ঠিক এই পদ্ধতিতে শ্রম শোষণ করে বিপুল মুনাফা কামিয়ে নিচ্ছে।
বিদেশী বিনিয়োগের ফলে সৃষ্ট কর্মসংস্থান বিষয়ে জাতিসংঘ একটি গবেষণা চালায়। রিপোর্টটির কিছু অংশ এ প্রসঙ্গে উল্লেখ করা যেতে পারে:
"বিদেশী ফার্ম সমযোগ্যতার শ্রমিককে স্থানীয় ফার্মেরও চেয়ে বেশী মজুরী দিতে পারে। এফডিআই যেহেতু দক্ষ শ্রমিক নিয়োগ করে সেহেতু এর ফলে দরিদ্র অদক্ষ শ্রমিকের কোন উপকার হয় না বরং দক্ষ/অদক্ষ শ্রমিকের শ্রম-পার্থক্য বেড়ে যায়............।"
প্রতিবেদনটিতে আরো বলা হয়েছে:
"বৈদেশিক ফার্ম স্থানীয় ফার্মের চেয়ে বড় হয় এবং ফলে এটা ধরে নেয়া স্বাভাবিক যে নতুন নতুন ক্ষেত্রে বৈদেশিক বিনিয়োগ স্থানীয় বিনিয়োগের চেয়ে অধিক কর্মসংস্থান করবে। কিন্তু বৈদেশিক বিনিয়োগ ছুটতে থাকে স্থানীয় শিল্পগুলোর একীভবন ও আত্মীকরণের পেছনে। ফলে কর্মসংস্থান বাড়বেই একথা বলা যায় না। যদি বিদেশী কোম্পানীগুলো অধিকতর পুঁজিঘন হয় তবে শিল্পখাতে কর্মসংস্থান কমে যাবে(যদিও কিছু শ্রমিকের আয় বাড়তে পারে!)। যদি সেই কোম্পানী স্থানীয় কোম্পানীর সাথে প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হয় তবে অর্থনীতির অন্যান্য খাতেও কর্মসংস্থান কমে যাবে.............।"

চাপা ৪: বৈদেশিক বিনিয়োগের ফলে গ্রহীতা দেশটি প্রযুক্তিগত ভাবে উন্নত হতে পারে। বৈদেশিক বিনিয়োগ না হলে একটি অনুন্নত দেশের পক্ষে যা অসম্ভব।

খন্ডনঃ বাস্তবে "প্রযুক্তি স্থানান্তরের" মানে হলো পুঁজিঘন জটিল যন্ত্রপাতির স্রেফ ব্যবহারের কলাকৌশল রপ্তানী। আর কোন একটি প্রযুক্তি গুটিকয়েক শ্রমিক স্রেফ ব্যবহার করা শিখলেই সে দেশ প্রযুক্তিতে উন্নত হয় না। এর প্রয়োজন দেশটির বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে নিজস্ব গবেষণাকে শক্তিশালী করা। বহুজাতিক কোম্পানী কেবল তার মুনাফার জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি রপ্তানী করে, সেসব যন্ত্রপাতি চালনা ও মেরামতের জন্য বিদেশী পরামর্শ নিয়োগ করে কিন্তু কখনই তার গবেষণাগারটিকে স্থানীয় পর্যায়ে সম্প্রসারিত করে না। যে কারণে গ্রহীতা দেশটি সেই প্রযুক্তির জন্য বিভিন্নভাবে বিনিয়োগকারী কোম্পানী এবং তার দেশের উপর আরো বেশী নির্ভরশীল হয়ে পড়তে থাকে। ফলে, বিনিয়োগের ফলে প্রযুক্তি স্থানান্তর বলতে যা ঘটে তা হলো বিনিয়োগকারী কোম্পানীর সহযোগী যন্ত্র উত্পাদনকারী কোম্পানীর আরেকটি নতুন বাজার সৃষ্টি হয়।
আবার অনুন্নত অবকাঠামো থাকা সত্বেও যে কয়টি কারণে বৈদেশিক বিনিয়োগ একটি অনুন্নত দেশে আসে তার একটি কারণ ইতিপূর্বে বলা হয়েছে- শ্রমের নিম্ন মূল্য। আরেকটি বড় কারণ হলো বিশ্বজুড়ে ক্রমশ গড়ে উঠা পরিবেশ সচেতনতা। বিনিয়োগকারী কোম্পানী যখন নিজ দেশে ক্রমাগত পরিবেশের হুমকি স্বরূপ প্রযুক্তিটি ব্যবহারে বাঁধা পেতে থাকে এবং ফলত: কারখানার বর্জশোধনে উত্পাদন ব্যয় ক্রমাগত বাড়তে থাকে তখন সেই কোম্পানীটি বৈদেশিক বিনিয়োগের মহান কর্মটি সম্পন্ন করে।

এসকল কারণে যতদিন যাচ্ছে ততই বৈদেশিক বিনিয়োগ নিয়ে বিশ্বব্যাংক, আই.এম.এফ., বহুজাতিক কোম্পানী ও তাদের স্থানীয় দালালদের করা চাপাবাজি জনগণের কাছে পরিস্কার হয়ে আসছে। তৃতীয় বিশ্বের দেশে দেশে জনগণ বৈদেশিক বিনিয়োগের নামে প্রাকৃতিক সম্পদ লুন্ঠন, সস্তা-শ্রম শোষণ, আর জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশের ক্ষতি সাধনের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলছে। বিশেষত ল্যাটিন আমেরিকার দেশগুলোতে একের পর যে গণজাগরণ ঘটে চলেছে তার অন্যতম অনুঘটক হলো বিনিয়োগের নামে এই সম্পদ লুন্ঠনের বিরুদ্ধে জনগণের পুঞ্জীভুত ক্ষোভ। যেহেতু জনগণ উপলব্ধি করছে যে এই বিনিয়োগের নামে সম্পদ লুন্ঠন অনুমোদনের সিদ্ধান্তটি একান্তই রাজনৈতিক এবং এর সাথে রাষ্ট্রক্ষমতার সম্পর্কটি যুক্ত, তাই সেই গণ আন্দোলন গুলো স্বাভাবিকভাবে চালিত হচ্ছে চুড়ান্ত অর্থে রাষ্ট্র-ক্ষমতা দখল এবং তার মাধ্যমে একটি সামাজিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ে তোলা যার মূলনীতি মুনাফার বদলে হবে সাম্য ও ন্যায়।

 

 

  • ২৯ টি মন্তব্য
  • ৭০২ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ১৮ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১. ১৮ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:০৭
comment by: ফাহমিদুল হক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনার বিশ্লেষণী পোস্টের জন্য। সহমত। ৫
২. ১৮ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:৫২
comment by: জুবুথুবু বলেছেন: সহমত। আরো লেখা আসুক সামনে।
৩. ১৯ শে নভেম্বর, ২০০৭ ভোর ৫:৫৯
comment by: সূর্য বলেছেন: ভাল লিখেছেন। তবে চাঁপা নয়, চাপা লিখুন।
৪. ১৯ শে নভেম্বর, ২০০৭ ভোর ৬:৩৭
comment by: নরাধম বলেছেন: আরে, আরে, এরকম লেখাই ত চাই। প্রেম-ভালবাসার কচকচানির মধ্যে এরকম গঠনমুলক লেখা দেখলে ভাল লাগে। ৫.......
৫. ২০ শে নভেম্বর, ২০০৭ সকাল ৭:৪৫
comment by: পাখী বলেছেন: আরে, আরে, এরকম লেখাই ত চাই। প্রেম-ভালবাসার কচকচানির মধ্যে এরকম গঠনমুলক লেখা দেখলে ভাল লাগে। ৫.......
৬. ২০ শে নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১:০১
comment by: জুবেরী বলেছেন: আসল বিপদের জায়গা গুলো ধরে এই ধরনের লেখালেখি জন্য সব সময় পাশে পাবেন ।
৭. ২১ শে নভেম্বর, ২০০৭ সকাল ১১:১৯
comment by: মুকুল বলেছেন: ধন্যবাদ। গুরুত্বপূর্ণ পোস্ট। এ ধরনের বিশ্লেষণধর্মী লেখা আরো চাই।
*****
৮. ২১ শে নভেম্বর, ২০০৭ সকাল ১১:২৩
comment by: নাদান বলেছেন: সহমত।
৯. ২১ শে নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১:১৮
comment by: অজানা অচেনা বলেছেন: একদম সহমত। তবে এই নিঠুর বাস্তবতা কবে আমাদের পেটমোটা অর্থনীতিবিদগণ জানবেন, কিংবা বলতে পারি মানবেন, সেইটাই প্রশ্ন।
তেনারা তো দিনের বেলা ডায়ালোগ আর সভা সেমিনারে দেশের "কান"টা কোন "চিলে" নিয়েছে আর সেই "চিল"টা ধরতে কি কি করা লাগবে, তা নিয়ে ধুয়া তুলেন, আর রাতের বেলা বিদেশী বিনিয়োগকারীদের সাথে ডিনার আর পার্টি সারেন। আপনাদের মতো "দিনমজুর"রা না থাকলে আসল কথাটা জানা হতো না। অনেক ধন্যবাদ। ৫।
১০. ২৩ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১২:০৪
comment by: দিনমজুর বলেছেন: এই পোস্টটি প্রকাশের আগে এটিকে ৩ ভাগে তিনটি পোস্ট দিয়েছিলামঃ ১, ২, ৩। ঐ পোস্ট তিনটি মুছে দিচ্ছি। এবং পোস্টের মন্তব্যগুলো নীচে দিচ্ছি।
১১. ২৩ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১২:০৬
comment by: দিনমজুর বলেছেন: বৈদেশিক বিনিয়োগ সম্পর্কিত চাপাবাজি-১ এর মন্তব্যঃ
নীলকন্ঠ_৭৯ বলেছেন :
২০০৭-১১-১৭ ২২:৫৯:৪৪
জিনিস ভালো.....লেখাডা প্‌ইড়া দোজাহানের কামিয়িবী হাসিল করা গেলো.....
জুবুথুবু বলেছেন :
২০০৭-১১-১৮ ২৩:৩৫:১৬
ভালো বিশ্লেষন। তবে পোস্ট আরেকটু ছোট করে দিলে অনেকে পড়তে পারবে।
মোসতফা মনির সৌরভ বলেছেন :
২০০৭-১১-১৯ ০৩:০৬:৫১
স্বাগতম ব্লগের ভুবনে,৫।
১২. ২৩ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১২:১৩
comment by: দিনমজুর বলেছেন: বৈদেশিক বিনিয়োগ সম্পর্কিত চাপাবাজি-২ এর মন্তব্যঃ

উন্মনা রহমান বলেছেন :
২০০৭-১১-১৮ ১২:১৪:২৬
হুম্!
তারিক হাসান খান নিপু বলেছেন :
২০০৭-১১-১৮ ১২:১৯:০৯
জ্ঞানগর্ভ বক্তব্য ;
আমাদের এসব জানার এবং বোঝার দরকার আছে ।
(৫)
১৩. ২৩ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১২:১৮
comment by: দিনমজুর বলেছেন: বৈদেশিক বিনিয়োগ সম্পর্কিত চাপাবাজি-৩ এর মন্তব্যঃ



এ এক অন্য আই বলেছেন :
২০০৭-১১-১৮ ১৪:২০:০৭
বৈদেশিক বিনিয়োগের নামে প্রাকৃতিক সম্পদ লুন্ঠন কে ঠেকাবে? পাটকল বন্ধ করা চুড়ান্ত।এভাবে দেশটা বিক্রি করাই আমাদের জন্য লাভজনক!
ভাল পোষ্ট- ৫।
কিন্তু ফলাফল - ০।
এদেশ যেভাবে চলছে তাতে ইরাক বা আফগান হতে কিছু দেরি হবে হযত।
১৪. ০১ লা ডিসেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৫৫
comment by: মিরাজ বলেছেন: আপনার পোষ্টের বেশ কিছু অংশের সাথে দ্বিমত আছে। আপনি প্রথমেই ধরে নিচ্ছেন বিদেশী বিনিয়োগকারীরা অসত উদ্দেশ্যেই একটি অপেক্ষাকৃত দূর্বল অর্থনীতির দেশে আসছে। প্রথমেই এরকম একটি প্রি-কনসিভড আইডিয়া নিয়ে যুক্তি তর্ক শুরু করা কিন্তু যুক্তিকেই অনেক দূর্বল করে দেয়।

অনেকগুলি ইস্যুকে একত্রে তুলে এনেছেন, তাই বিস্তারিতভাবে আপলাপ করতে অনেক সময়ের প্রয়োজন। তাই আমি একটি একটি করে আপনার সাথে আলোচনায় ইচ্ছুক। একটি ইস্যু শেষ হলে পরবর্তী ইস্যুতে যাবো।

আপনি বলেছেন "প্রকৃতপক্ষে বৈদেশিক বিনিয়োগ কোন একটি দূর্বল অর্থনীতির দেশের বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্যকে আরও বেশি সংকটাপন্ন করে তোলে। কিভাবে ? আমদানী করা যন্ত্রাংশ, কাঁচামাল, নকশা, প্রকৌশল-জ্ঞান ইত্যাদির খরচ উত্পাদী পণ্যের রপ্তানীর ফলে প্রাপ্ত আয়ের চেয়ে বেশি দেখানো হয়। ফলে একদিকে আমদানি খরচ বাবদ বিপুল পরিমান বৈদেশিক মুদ্রা সরাসরি বিদেশে পাচার করা হয় অন্যদিকে লোকসান দেখানোর মাধ্যমে বাঁচা যায় ট্যাক্সের হাত থেকেও।"

আপনার বক্তব্যটি খাটে নিম্নমানের বৈদেশিক বিনিয়োগের ক্ষেত্রে যেটিকে আমি বিনিয়োগ না বলে বৈদেশিক ধান্দাবাজী বলতেই স্বচ্ছন্দ বোধ করি। কিন্তু একটি মাঝারি মানের বৈদেশিক বিনিয়োগের ক্ষেত্রও প্রতিস্ঠানটি কিছু বিজনেস এথিকস মানে। তারা লোকসান দেখিয়ে বৈদেশিক ষ্টক মার্কেটে তাদের শেয়ারের ভরাডুবি কখনোই দেখাতে চাইবেনা। আর জেনে রাখুন বিদেশে ষ্টক মার্কেটে প্রতিটি নিবন্ধিত কোম্পানীই তাদের লাভ লোকসানের পুরো অংশ শেয়ারে বিনিয়োগকারীদের জন্য উন্মুক্ত করতে বাধ্য। ফুলবাড়ী বিপর্যয়ের পর এশিয়া এনার্জীর শেয়ার বিপর্যয় থেকে পরিস্থিতি কিছুটা আচ করা যায়।

আর একটা বৈদেশিক বিনিয়োগের মুলধন আসে সেই বিনিয়োগকারীর পকেট (রূপকার্থে) থেকে, ফলে এর সাথে দেশীয় রিজার্ভ থেকে বৈদেশিক মুদ্রা পাচারের ব্যাপারটি সম্পর্কিত নয়। বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশী বৈদেশিক বিনিয়োগ হয়েছে এনার্জি সেক্টরে । ঢালাও কথা না বলে এই বিনিয়োগের ক্ষেত্রে যে যন্ত্রাংশ, নকশা বা প্রকৌশল জ্ঞান ব্যবহার করা হয়েছে তা কোন ক্ষেত্রে বৈদেশিক মুদ্রার স্থিতিশীলতায় (বা আপনার কথায় পাচারে) নেগেটিভ ভূমিকা রেখেছে তার একটু বাস্তব প্রমাণ দিবেন কি?

এরপরে আছে টেলিকমিউনিকেশন এবং গার্মেন্টস সেক্টর। কয়েক লক্ষ নারী পুরুষ এর কর্মসংস্থান এর কথা বাদ দিলাম, কোন ক্ষেত্রে বৈদেশিক মুদ্রা পাচার এর ঘটনা ঘটেছে তার একটু দালিলিক প্রমাণ দিলে আলোচনায় সুবিধা হতো।

আপনি এই বিষয়টিকে খোলাসা করলে তারপরের ব্যাপারগুলিতে আসছি।

তবে একটা কথা শুরুতেই প্লিজ ধরে নেবেননা যে আমি সকল প্রকার বৈদেশিক বিনিয়োগের পক্ষে । নিরপেক্ষ অবস্থান থেকে আলোচনা শুরু করলে ভাল লাগবে।
১৫. ০২ রা ডিসেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:০৭
comment by: মিরাজ বলেছেন: @দিনমজুর
আপনি আলোচনা করতে চেয়েছিলেন। পিছুটান কেন ভাই?
আপনার জবাবের অপক্ষায় থাকলাম। আলোচনা করতে না চাইলে সেটাও জানান দিয়েন।
১৬. ০৩ রা ডিসেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:০১
comment by: দিনমজুর বলেছেন: @মিরাজ
সরি, একটু ব্যস্ত ছিলাম ক'দিন- আপনার মন্তব্য দুটিও চোখে পড়েনি। সংক্ষেপে বলছি, বিস্তারিত পরে বলবো (নতুন পোস্টও দিতে পারি- আমাদের দেশের বিদেশী বিনিয়োগ সম্পর্কিত)।

বিদেশী বিনিয়োগ, মোটা দাগে বললে বলা যায়, একটা দেশে দুধরণের খাতে হতে পারে- সেবা খাত ও শিল্প খাত। সেবা খাত হচ্ছে সেটা যেটা সরাসরি ও শুধুমাত্র দেশের জনগণ ভোক্তা- যেমন শিক্ষা খাত, চিকিত্সা খাত, টেলি যোগাযোগ, বিদ্যুত খাত- এমনকি দেশের সার চাহিদা মেটানোর জন্য কোন বিদেশী কোম্পানী বিনিয়োগ করলো, ও উত্পাদিত সার শুধুমাত্র দেশের অভ্যন্তরে জনগণ ব্যবহার করলে সেটাকে সেবাখাতই বলতে হবে। সেবা খাত সরাসরি সরকারের হাতে থাকা উচিত, কেননা তা নাহলে- সকল মানুষের জন্য অতি আবশ্যক চাহিদাগুলো যথাযথভাবে পৌঁছায় না। উপরন্তু, সরকার তার জনগণের জন্য এ সেবাগুলো নিশ্চিত করবে এ কারণে যে এতে ইনডাইরেক্ট আউটপুট অনেকগুন অর্থাত, সরকার যতবেশি মানুষকে যত শিক্ষিত করতে পারবে বা যতবেশি মানুষকে বিদ্যুত সুবিধা দিতে পারবে বা কৃষিপ্রধান বাংলাদেশের যত কৃষককে সময়মত সার দিতে পারবে- প্রকারান্তে দেশই লাভবান হবে।

এক নম্বর পয়েন্টটি বাংলাদেশের জন্য উদাহরণ দিয়ে আলোচনা করতে পারছি না। কেননা, বাংলাদেশের বেশিরভাগ বিনিয়োগই শিল্পখাতে না। এই বিনিয়োগ দেশে কোন কিছু উত্পাদন করে বাইরে রপ্তানি করে না।
তবে, টাকা পাচারের ঘটনাটি সেবাখাতে বিদেশী বিনিয়োগ হলে বেশী ঘটে। টেলিক্ষেত্রে এই বিষয়টি আমার "মোবাইলের একটি কল মানে......." শীর্ষক পোস্টে ও প্রিয় পোস্টে রাখা কেএসআমীনের "টপরেটেড পোস্ট লেখার বুদ্ধি পাইছি, গ্রামীন ফোন ও আর সব মোবাইল কোম্পানিগো গালি দিমু" শীর্ষক পোস্টের মন্তব্যে পাবেন।
এনার্জি সেক্টরে এই বিদেশী বিনিয়োগের প্রভাব ভবিষ্যতে বলার আশা রাখি।

১নং পয়েন্টের একটি উদাহরণ আলোচ্য পোস্টেই দেয়া হয়েছে- ভেনিজুয়েলার উদাহরণ। সামনে আরো দিবার আশা রাখছি।
১৭. ০৩ রা ডিসেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:৫৯
comment by: মাদারি বলেছেন: @মিরাজ
এনার্জি সেক্টরে বিদেশী বিনিয়োগে আমরার ক্ষেতি কোইবার মতন না।
আমাগো পাকিতিক গ্যাস তুইলা দেওন হোইসে যে বিদেশী কোম্পানিগো হাতে- যে চুক্তি দিয়া - হাস্যকররকম চুক্তি- আমাগো গ্যাস তুলোনের মজুরি হেরা লোইব গ্যাসে ৭৯%, আর হেরা যে গ্যাস তুলবো হেইডা আমাগো কিনতে হোইব আন্তরজাতিক দামে- ডলারে। বুজেন ঠ্যালা! কাফকো কেলেংকারির কতা হগ্গোলেই জানে। দুই দুইডা গ্যাসক্ষেত্র পড়াইয়া ফ্যালাইলো- ক্ষেতিপুরোন পাইসি?
হেগো বিজনেস এথিকস আবার কিডা- বিজনেস এথিকস হোইল হেগো মুনাফা মানে লাভ। হেরা আইসে ব্যবসা কোরতে- লাভ করোনের লাইগা যা করোন দরকার তাই করবো- করসেও তাই- সরকাররে ঘুষ দিয়া হোইক- আর আন্তরজাতিক চাপ তৈরি কোইরা হোউক- ব্যবসায় লাভ করোনের লাইগা যা করোন দরকার হেরা তাই করবো। হেগো আবার বিজনেস এথিকস কিডা?
আপ্নে- মজুর ভাইজানের বাকি পুশট গুলান পড়েন- তাইলে বুজবেন। ওগুলানে হেগো ব্যবসার নানা কীর্তি কলাপের খবর পাইবেন। বিজনেস এথিকসের নজিরো পাইবেন।
১৮. ০৩ রা ডিসেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:১২
comment by: অেমাঘ অনল বলেছেন: স্যার,
ছাত্র রাজনীতি লইয়া আপনার সহিত আমার একখানা বিতর্ক হইতেছিল। আপনি তাহাতে পিছুটান দিয়াছিলেন। কেন?
১৯. ০৩ রা ডিসেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:১৯
comment by: মিরাজ বলেছেন: @ অমোঘ অনল

আপনার সাথে ছাত্র রাজনীতি নিয়া বিতর্কে পিছুটান দেবার কোন কারন নেই।

আপনি বললেন ২য় পোষ্টের কথা, কিন্তু ছাত্র রাজনীতি নিয়ে আপনার কোন ২য় পোষ্টইতো খুজে পেলামনা। আর ১ম পোষ্টের ব্যাপারে আমি আমার অবস্থান এরমধ্যেই ব্যাখ্যা করেছি।

শুধু তর্কের খাতিরে তর্ক চালিয়ে যাওয়াটা সমীচিন মনে করি নাই।
২০. ০৩ রা ডিসেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:২২
comment by: মিরাজ বলেছেন: @ মাদারি
আপনি এনার্জি সেক্টরের যে কথা বলছেন, সেটার জন্য বিদেশী বিনিয়োগকে দায়ী না করে আমাদের রাজনীতিকদের টাকার অতিলোভের ফলে করা অসম চুক্তিকে দায়ী করা উচিত।

একই রকমের বিদেশী বিনিয়োগ স্বচ্ছ চুক্তির মাধ্যমে করে দেশের উন্নয়নে অনেক ভূমিকা রাখতে পারতো।
২১. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১:৫৪
comment by: মাদারি বলেছেন: @মিরাজ
অবস্যোই সোরকার সবচাইতে ব্যাশি দায়ি- কুনু সন্দেহ নাই। আপ্নের মুল কুচ্চেন সিল- এনার্জি স্যাকটোরে/ টেলি স্যাকটোরে/ গারমেনস স্যাকটোরে ট্যাহা পাচার হয় নিহি? দায়ি যেই ব্যাডাই হোউক- এনার্জি স্যাকটরে আমরার লস হোইসে- বিদেশি বিনিয়োগ হওনের পর- এইডা অহন কি সিকার কইরবেন? আর, আপ্নে বিজনেস এথিকসের কতা কোইসিলেন- অহন বুজেন কি তাগো এথিকস? 'আমাদের রাজনীতিকদের টাকার অতিলোভের ফলে করা অসম চুক্তি' করোন তাগো এথিকসের মইদ্যে পড়ে- কেননা তাগো মূল এথিকস হইতাসে মুনাফা করা। মুনাফার লাইগ্যা হেরা এমপি- মনতিরি-প্রদানমনতিরি-প্রদানমনতিরির পোলা হগ্গোলরে কিনবার পারে(মনতিরিরে গাড়ি দেওন তো কিসুই না), কুনু দ্যাশের সোরকার পরযোন্ত পাল্টায় ফ্যালতে পারে- কুনু দ্যাশরে দখল কোরবার পারে।
আরেকডা কতা- লাতিন আম্রিকার দ্যাশগুলানের সরকারগুলানের মতন ঐ বিদেশি বিনয়োগ দূর কোরবার না পারলে কুনু উপায় নাই।
২২. ২৯ শে জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ২:৫৯
comment by: দিনমজুর বলেছেন:
মিরাজ,
আপনার বাকি আলোচনার অপেক্ষায় আছি।
২৩. ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৮:৩২
comment by: পড়ে_পাওয়া বলেছেন: ত্রিভুজ বাণিজ্য সার্চ করলাম

triangular trade দেখলাম অন্য জিনিস । আসল পরিভাষাটা কি?
২৪. ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৮:৪৯
comment by: কিরিটি রায় বলেছেন: মাদারি বলেছেন: @মিরাজ
এনার্জি সেক্টরে বিদেশী বিনিয়োগে আমরার ক্ষেতি কোইবার মতন না।
আমাগো পাকিতিক গ্যাস তুইলা দেওন হোইসে যে বিদেশী কোম্পানিগো হাতে- যে চুক্তি দিয়া - হাস্যকররকম চুক্তি- আমাগো গ্যাস তুলোনের মজুরি হেরা লোইব গ্যাসে ৭৯%, আর হেরা যে গ্যাস তুলবো হেইডা আমাগো কিনতে হোইব আন্তরজাতিক দামে- ডলারে। বুজেন ঠ্যালা! কাফকো কেলেংকারির কতা হগ্গোলেই জানে। দুই দুইডা গ্যাসক্ষেত্র পড়াইয়া ফ্যালাইলো- ক্ষেতিপুরোন পাইসি?
হেগো বিজনেস এথিকস আবার কিডা- বিজনেস এথিকস হোইল হেগো মুনাফা মানে লাভ। হেরা আইসে ব্যবসা কোরতে- লাভ করোনের লাইগা যা করোন দরকার তাই করবো- করসেও তাই- সরকাররে ঘুষ দিয়া হোইক- আর আন্তরজাতিক চাপ তৈরি কোইরা হোউক- ব্যবসায় লাভ করোনের লাইগা যা করোন দরকার হেরা তাই করবো। হেগো আবার বিজনেস এথিকস কিডা?
আপ্নে- মজুর ভাইজানের বাকি পুশট গুলান পড়েন- তাইলে বুজবেন। ওগুলানে হেগো ব্যবসার নানা কীর্তি কলাপের খবর পাইবেন। বিজনেস এথিকসের নজিরো পাইবেন।
২৫. ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৮:১০
comment by: বিষাক্ত মানুষ বলেছেন: ভাল লাগলো । +
২৬. ১০ ই মার্চ, ২০০৮ সকাল ৯:১২
comment by: কৌশিক বলেছেন: নিজেকে গর্ধভ ছাড়া আর কিছুই মনে হচ্ছে না। আপনার লেখাগুলো না পড়ে পেরেছি কিভাবে।
২৭. ১০ ই মার্চ, ২০০৮ সকাল ৯:১৭
comment by: কৌশিক বলেছেন: আপনি বলেছেন, "আমদানী করা যন্ত্রাংশ, কাঁচামাল, নকশা, প্রকৌশল-জ্ঞান ইত্যাদির খরচ উৎপাদীত পণ্যের রপ্তানীর ফলে প্রাপ্ত আয়ের চেয়ে বেশি দেখানো হয়" - এটা কোন অভিজ্ঞতা থেকে বলছেন? এমন কি জেনারেল সিনারিও? আমার জানামতে এমন অনেক সেক্টর রয়েছে যেখানে রপ্তানীর আয় বেশী দেখানো হয়।
২৩ শে মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৩:৪২

লেখক বলেছেন: বিদেশী বিনিয়োগকারী কোম্পানি একাজটি করে- ট্যাক্স কমানোর উদ্দেশ্যে। উদাহরণ হিসাবে বলা যেতে পারে- আমাদের দেশের পাওয়ার সেক্টরের কথা- কাফকোর কথা বললে আরো পরিস্কার হবে, সেখানকার চুক্তিতে স্পষ্টই ছিল, তাদের প্রোফিট মার্জিনে না পৌঁছা পর্যন্ত ট্যাক্স দিতে হবে না। এখন অবকাঠামোগত যে বিনিয়োগ- সেটি অনেক খানি নির্দিষ্ট (এখানেও বাড়িয়ে দেখানোর উদাহরণ আছে!!), এর পরে যে ব্যয় তারা দেখায় সেটি হলো- আমদানী কৃত যন্ত্রাংশ, কনসালটেন্সি প্রভৃতি। এবং এটা খুবই পরিষ্কার যে, কাফকোর বছরের পর বছর লসে থাকাটা কৃত্রিম!!

একই ভাবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই বিদেশী বিনিয়োগকারীদের সাথে যে চুক্তি করা হয়- সেখানে দুটি ফেসে ট্যাক্সের রেট দুই রকম থাকে- একটি ফেস হলো প্রোফিট মার্জিনের পৌঁছানোর আগে, এবং আরেকটি পরে- অবশ্যই এসব ক্ষেত্রে, প্রথম ফেসে ট্যাক্স রেট খুব নগণ্য থাকে। সুতরাং বিদেশী বিনিয়োগকারী কোম্পানীগুলো নানাভাবে এই ফেসটি পার না হওয়া প্রমাণ করার জন্য ঐ কাজটি করে।

২৮. ২৩ শে মার্চ, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:১৯
comment by: দিনমজুর বলেছেন:
@পড়ে_পাওয়া,
Capitalist addresses TRAIANGULAR TRADE differently by the terms “Intra-farm Trade” etc. U can also learn about this by searching “manipulating Transfer prices”…..
U can read some pages of the book:
Taxing Multinationals: Transfer Pricing and Corporate Income Taxation (specially PAGE:308) by Lorraine Eden

 



 


নাইল্যাকাডা ১ম বর্ষ, ২য় সংখ্যার প্রাপ্তিস্থানঃ
আজিজ সুপার মার্কেট
১। বইপত্র/ ২। জনান্তিক/ ৩। শ্রাবণ/ ৪। প্রথমা (একুশে)/ ৫। তক্ষশীলা/ ৬। লিটল...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই

সর্বমোট হিট

 ২৭৯৭৫