আমার প্রিয় পোস্ট

জিএম শস্যের ভালো মন্দ

১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১:১৫

শেয়ার করুন:                   Facebook

২০০৪ সালে মানব খাদ্য হিসাবে জিএম ভুট্টা বিটি-১১ এর যখন অনুমোদন দেয়া হয় তখন ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের ৬টি দেশ এর পক্ষে ছিল, ৫টি দেশ ছিল বিপক্ষে এবং একটি দেশ ভোট দানে বিরত থাকে। সারা বিশ্বের বেশ কিছু বিজ্ঞানী তখন এ অনুমোদনের বিরোধিতা করেছিলেন। তাঁদের মাঝে ড. মে-ওয়ান হো এবং প্রফেসর জো কমিনস এর নাম উল্লেখযোগ্য। তাঁরা বেসিলাস থুরিনজিনসিস ব্যাকটেরিয়ার স্ট্রেইন থেকে যে ক্রাই প্রোটিন তৈরি হয়, যাকে উত্স ব্যাকটেরিয়ার নামানুসারে বিটি-স্ট্রেইন বলা হয়, তা কৃষি শ্রমিকদের শরীরে এলার্জিক রিয়াকশন সৃষ্টিকারী এবং প্রাণীর শরীরে ইমিউনিজেনিক ও অপাচ্য (ক্রাই-১এবি শুকরের শরীরে ৯২% অপাচ্য) বলে বিভিন্ন বিজ্ঞান-বিষয়ক প্রকাশনায় গবেষণা প্রতিবেদন ছাপা হওয়ার পরও সেগুলোকে আমলে না নেয়ার কথা উল্লেখ করে বলেন, "বিটি-স্ট্রেইন বিষয়ক খবরগুলোকে যে 'নিয়ন্ত্রণ প্রকৃয়ায়' আমলে না নিয়ে অনুমোদন দিয়ে দেয়া হলো তাকে স্রেফ ভন্ডামি ছাড়া আর কিছু বলা যায় না"। আরো ভয়ঙ্কর ব্যাপার হলো, শস্যে যে বিটি জিন থাকে তা হলো সিনথেটিক বা হাইব্রিড কাঠামোর অথচ যে টক্সিনের টেস্ট করা হয় তা হলো প্রাকৃতিক যার সাথে শস্যের ভেতরে থাকা টক্সিনের অমিল থাকাটাই স্বাভাবিক।

জিএম পদ্ধতিতে কোন একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্যের জিনকে কোন এক প্রজাতির কোষে প্রবেশ করানোর জন্য ঐ জিনটি ছাড়াও আরো কয়েকটি উপাদানের প্রয়োজন হয়। একটি প্রমোটার বা প্রবর্ধক থাকে, যে মূলত জিন-সুইচ, যার কাজ হলো কোষকে বলা যে- ম্যাসেজ বহনকারী জিনটিতে যে ধরণের কোডিং সিকোয়েন্স আছে তা যেন কোষটি তৈরি করে। আরেকটি থাকে টার্মিনেটর, যার কাজ হলো জেনেটিক ম্যাসেজের শেষবিন্দু নির্দেশ করা। ম্যাসেজধারী জিনটি আবার বিভিন্ন ডি.এন.এ এর একটি যৌগিক রূপ হতে পারে যাকিনা কৃত্রিমভাবে ল্যাবরেটরিতে তৈরি করা হয়।

তো, ন্যূনতম এই তিনটি জিন নিয়ে যে জেনেটিক বস্তু তৈরি হয় তাকে আবার একটি জিন বাহকের সাথে গাটছাড়া বেঁধে দিয়ে আক্রমনাত্মক পদ্ধতিতে কোষটির মাঝে ঢোকানো হয়। এইভাবে বহিরাগত জিন ঢোকানোর ফল হলো জিনোমের সাথে এর এলোপাথারি অঙ্গীভবন যা পরবর্তিতে অ-অনুমানযোগ্য এলোমেলো প্রতিক্রিয়া তৈরি করতে পারে যার ফল হলো ঐ জিন বহনকারী শস্য, পশু ও মানুষের শরীরে বিভিন্ন অস্বাভাবিকতা।

এভাবে জেনেটিক্যালি মডিফাই করা কোন কোষের মাঝে যে ট্রান্সজেনিক লাইন (Transgenic line) থাকে তার স্থিতিশীলতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ কেননা যতক্ষণ কোষটির মাঝে এই Transgenic lineটি অবিকৃত থাকবে, ততক্ষণ কোষটি উদ্দিষ্ট বৈশিষ্ট্যের প্রোটিন তৈরি করবে (হতে পারে এটি কোন নির্দিষ্ট জীবাণু বা কীটপতঙ্গের প্রতিষেধক)। ঐ জিএম কোষটি থেকে পরবর্তিতে যে নতুন কোষগুলো প্রজননের মাধ্যমে তৈরি হয় তার Transgenic line যে মাতৃকোষের মতো হবে তার কোন নিশ্চয়তা এখন পর্যন্ত জিএম প্রযুক্তি দিতে পারেনি, কেননা বিভিন্ন উত্স হতে আসা বিভিন্ন ডি.এন.এ এর জয়েন্ট বা জোড়াগুলো থাকে খুবই দূর্বল, বিশেষ করে যখন কলি ফ্লাওয়ার মোজাইক ভাইরাস থেকে তৈরি CaMV 35S promoter ব্যবহার করা হয় (বর্তমানে এটাই সবচেয়ে বেশী ব্যবহৃত)। কেননা এটা সবারই জানা যে এই promoterটির বিভাজ্যকরণ ও পুনর্গঠনের প্রবণতা রয়েছে।

এতদিন এই ওপেন সিক্রেট কে সযত্নে এড়িয়ে গিয়ে শুধু মেনডেলিন রেশিওর মাধ্যমে জেনেটিক স্থায়িত্বের প্রমাণ দেওয়া হতো যা মোটেই স্থায়িত্বের প্রমাণ দেয়না। যে কারণে বিজ্ঞানী ও পরিবেশবাদী- যারা এখনও কর্পোরেট কোম্পানীর কাছে নিজেদের মস্তিস্ক বিক্রি করেননি, তাদের চাপে অবশেষে ২০০১ ইউরোপিয়ান ডিরেকটরিতে (২০০১/১৮/ইসি) Transgenic line এর স্থায়িত্বের প্রমাণের প্রয়োজনীয়তা অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে যদিও ২০০৩ সালের আগ পর্যন্ত সরকারি পর্যায়ে এর কোন গবেষণা হয়নি। ২০০৩ সালে ফ্রেঞ্চ সরকারের কয়েকজন বিজ্ঞানী মনসান্টোর Mon810 ভূট্টা, Round Up Ready সয়াবিন, GA21 ভূট্টা, বেয়ারের (আগেরAventis) T25 ভূট্টা এবং সিনজেনটার Bt 176 ভূট্টা এর বিষয়ে এক গবেষণায় দেখতে পান প্রত্যেক ক্ষেত্রেই গুলো পুনর্বিন্যস্ত হয়ে গিয়েছে। বেলজিয়ামের গবেষকগণ উল্লেখিত শস্যগুলো ছাড়াও Bt 11 ভূট্টার ক্ষেত্রেও পুনর্সজ্জিত দেখতে পান। এখানে উল্লেখ করা যেতে পারে, উভয় দেশের বিজ্ঞানীদের দেখতে পাওয়া পুনর্বিন্যাসের মাঝে আবার কমবেশি অমিল রয়েছে, যা এর অস্থিতিশীলতা ছাড়াও এর বিষমরূপতারও প্রমাণ।

উত্পাদনকারী কোম্পানি বৈশিষ্ট্যগুলো চিহ্নিত করে দেয়ার পর, যে জিএম প্রকরণের চরিত্র পাল্টিয়ে ফেলছে তার ক্ষেত্রে পাল্টানোর আগে সম্পন্ন করা কোন নিরাপত্তা পরীক্ষাই কার্যকর থাকছে না। ফলে জিএম শস্য আসলে একটা টাইমবোমার মত তবে পার্থক্য হলো একটায় টাইম সেট করা থাকে কখন সেটা ফাটবে এবং ব্যবহৃত বিস্ফোরকের পরিমাণ থেকে এর ধ্বংস ক্ষমতাও আন্দাজ করা যায়, কিন্তু জিএম শস্য তার নড়বড়ে Transgenic line নিয়ে কখন যে ভয়ংকর হয়ে উঠবে এবং খাদ্য শৃঙ্খলে ঢুকে মানুষ, পশু, গাছপালা সহ গোটা পরিবেশের উপর কি কি প্রতিক্রিয়া তৈরি করবে তার কোন মাপজোখ বা সীমা-পরিসীমা নেই। তাই আমদানী করা জিএম সয়াবিন আজকে আমাদের মধ্যে কোন প্রতিক্রিয়া তৈরি না করলেই যে ভবিষ্যতে করবে না কিংবা ইতোমধ্যেই যে ধীরগতির প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়ে যায়নি তার কোন নিশ্চয়তা নেই।

বাস্তবতা যখন এই, তখন বীজ ব্যবসায়ী বহুজাতিক কোম্পানীগুলো জিএম শস্য নিয়ে এই ভয়ঙ্কর অনিরাপদ ব্যবসার বিষয়টি আড়াল করার উদ্দেশ্যে খাদ্য সমস্যা সমাধানের কাঁদুনি গাইছে। এইরকম ভয়ঙ্কর একটি প্রযুক্তিকে বলা হচ্ছে আলোর দিশারি, বলা হচ্ছে বিজ্ঞানমনস্ক সকলেরই উচিত এর পক্ষ নেয়া। অথচ কোন একটি প্রযুক্তির স্বল্পমেয়াদি ফলাফল দেখে বিভ্রান্ত হয়ে দীর্ঘমেয়াদের কথা চিন্তা না করলে হিতে বিপরীতই ঘটে।

Transgenic line এর স্থিতিশীলতা, জিন প্রবাহের মাধ্যমে সর্বোচ্চ ২১ কিলোমিটার পর্যন্ত দূরত্বের প্রাকৃতিক প্রজাতি দূষিত হয়ে যাওয়া, কিংবা খাদ্য-শৃঙ্খলের উপর শস্যের সাম্ভাব্য প্রতিক্রিয়া অর্থাত দীর্ঘমেয়াদে জিএম খাদ্য কি ধরণের প্রতিক্রিয়া তৈরি করবে সে বিষয়ে শতভাগ নিশ্চিত না হয়ে আমাদের দেশে যেন বহুজাতিক কোম্পানিগুলো জিএম ব্যবসায় নামতে না পারে, সে বিষয়ে নজরদাড়ি করা এবং সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ সচেতন ভূমিকা রাখার দায়িত্ব আমাদের সরকারের, আমাদের একাডেমিশিয়ানদের, আমাদের।

 

 

  • ২৩ টি মন্তব্য
  • ৩৩৩ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ১৩ জনের ভাল লেগেছে, ১ জনের ভাল লাগেনি
১. ১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১:২২
comment by: নামিরা নাওয়ার বলেছেন: ভয় পেলাম @@@
২. ১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১:২৫
comment by: অনিশ্চিত বলেছেন: যারা মনে করে হাইব্রিড ও জিএম ফুড আসলে খাদ্যসমস্যার সমাধান হয়ে যাবে, সেই জ্ঞানপাপীদের উদ্দেশ্যে কিছু লিখেন।
৩. ১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১:৩২
comment by: িনরুেদ্দশ নীহািরকা বলেছেন: ৫
অনেক ধন্যবাদ।
৪. ১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১:৩২
comment by: মদনবাবু বলেছেন: হাইব্রিড রে কি আর ঠেকাবার উপায় আছে ? যে হারে শাআইখ সিরাজ হাইব্রিড এর প্রচারনা চালায় কৈ কারো রে তো তেমন প্রতিবাদ করতে দেখি না ।
৫. ১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:৫৫
comment by: নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন: @দিনমজুর
ধীরে ধীরে আপনার ভক্ত হয়ে উঠছি। আপনার প্রায় সব পোস্টের মত এটাও প্রিয় পোস্টে রাখলাম।
এ ব্লগের লোকজন এ ধরণের পোস্ট কম পড়ে, সবচেয়ে ভালো হয় আপনার লেখাগুলো জাতীয় দৈনিকে প্রকাশের ব্যবস্থা করলে।
৬. ১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:১৮
comment by: কানা বাবা বলেছেন: উন্নত বিশ্বে জেনেটিক্যালি মডিফায়েড ফুড নিয়ে সচেতনতা এতো বেশী যে এই ইস্যুতে গণভোটও হচ্ছে। জি.এম শস্য থেকে তৈরী পণ্যের গায়ে এর উত্স সম্পর্কে লিখে রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে; যাতে করে ভোক্তা অধিকার ক্ষুন্ন না হয়। অনেকটা "দেখিয়া শুনিয়া বুঝিয়া লউন" টাইপ আর কি! আর আমাদের দেশে? মালয়েশিয়ান যে সয়াবিন (নাকি পাম অয়েল?) আমরা খেয়ে যাচ্ছি দিনের পর দিন তার বেশীরভাগই জি.এম প্রোডাক্ট থেকে আসা।
কেবল ফলনের দিক দিয়ে দেখলে জি.এম শস্য আসলেই চাষীদের জন্য আশির্বাদস্বরূপ; সাধারন শস্যের তুলনায় ফলন কয়েকগুণ বেশী, প্রতিকূল পরিবেশে টিকে থাকার ক্ষমতা বেশী, বালাই দমন ব্যবস্থাপনার নামে অহেতুক খরচের বালাই নেই ইত্যাকার বহুবিধ সদগুণের ফিরিস্তি। কিন্তু ক্ষতি হচ্ছে প্রথমত পরিবেশের (যেহেতু এটা ইতোমধ্যেই প্রমাণিত) এবং দ্বিতীয়তঃ (বিতর্ক আছে) ভোক্তা জনসাধারনের। ফসলী জমি ঊর্বরতা হারাচ্ছে; ইকোসিস্টেম ইমব্যালান্সড হয়ে পড়ছে এবং এখনো অপ্রমাণিত কিন্তু সুস্পষ্ট এক পরিনতির দিকে ধেয়ে যাচ্ছি আমরা; ভোক্তারা। ধারনা করা হয় জি.এম ফুড মানবকোষের "অনকোজীন" (টিউমার ইনডিউসকারী জীন)কে স্টিমুলেট করতে সক্ষম; যা যথেষ্ট অ্যালার্মিং। অবশ্য আমাদের দেশের পার্সপেক্টিভে এগুলো কোনো "ব্যাপার না"...

বেশ অনেকদিন আগে পত্রিকায় দেখেছিলাম এক মজার(!) সংবাদ যেখানে বলা হয়েছিলো বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান এক এন.জি.ও কৃষকদের ভাগ্যোন্নয়নে অবদান রাখার জন্য ঋণ দেয়ার পাশাপাশি "উন্নত ফলনশীল" শস্যবীজ সরবরাহ করবে এবং ঋণ পাওয়ার একটি পূর্বশর্ত হচ্ছে ঐ সরবরাহকৃত "উন্নত ফলনশীল" বীজ দিয়ে চাষ করা। আপাতঃদৃষ্টিতে সন্দেশখানি মিষ্ট মনে হলেও আদতে ততোটা নয় কারন ঐ প্রকল্পে বীজের যোগানদার ছিলো সিনজেন্টা এবং ঐ শস্যবীজগুলো ছিলো জেনেটিক্যালি মডিফায়েড (অতএব বন্ধ্যা)। ঋণের ক্ষেত্রে সুদের হার ১১% না ৩৩% সেটা নিয়ে কিছু বলার নেই এবং বন্ধ্যা বীজ গছিয়ে দেয়ার উদ্দেশ্য নিয়েও নেই কনফিউশান; বেকুব কৃষকদের মাথা কাঁঠাল ভেঙে খাওয়ার জন্য চিরকালই আদর্শ; শুধু জানতে ইচ্ছে করে; যতনে তুলে রাখা একমুঠো নামগোত্রহীন বীজধান যেদেশে নিয়ে এসেছে "হরিধান"; সেখানে বন্ধ্যা বীজ চাষ করাতে বাধ্য করিয়ে কৃষকদের ঋণের দুষ্টচক্রে ফেলে কিভাবে "ভাগ্যোন্নয়নের" তকমা আঁটার সাহস পায় এইসব এন.জি.ও নামধারী বেনিয়া সংগঠন?


দিনমজুর, আপনি বলেছেন..."দীর্ঘমেয়াদে জিএম খাদ্য কি ধরণের প্রতিক্রিয়া তৈরি করবে সে বিষয়ে শতভাগ নিশ্চিত না হয়ে আমাদের দেশে যেন বহুজাতিক কোম্পানিগুলো জিএম ব্যবসায় নামতে না পারে, সে বিষয়ে নজরদাড়ি করা এবং সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ সচেতন ভূমিকা রাখার দায়িত্ব আমাদের সরকারের...";
বাস্তবতার পার্সপেক্টিভে কথাটা অলীক মনে হোলো; দুঃখিত।

এনিওয়ে, ৫।
৭. ১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:২১
comment by: অেমাঘ অনল বলেছেন: অনেক কিছু জানিলাম।

আরো কিছু তথ্য জানাইবেন কি, যেমন কোন কোন দেশে এই শস্যের উত্পাদন হইতেছে, তাহার প্রভাব ঐসকল দেশে কেমন, কোন কোন কর্পোরেট কোম্পানি এই প্রযুক্তির সহিত যুক্ত- প্রভৃতি।

ওহ, আপনাকে পোস্টের জন্য ধন্যবাদ।
৮. ১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:২৭
comment by: অেমাঘ অনল বলেছেন: কানা বাবার মন্তব্য হইতেও অনেককিছু জানিলাম।

কানা বাবা,
আপনাকেও ধন্যবাদ।
কেমন আছেন?
আমার প্রশ্নখানির পুরাপুরি উত্তর পাই নাই কিন্তু এখন পর্যন্ত। ৭খানা ভাষারীতির বিষয় সামান্য খোলাসা করিবেন কি?
৯. ১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:৩৬
comment by: মদনবাবু বলেছেন: আমাদের দেশে ব্র্যাক, এ সি আই এবং আরও কিছু কিছু প্রতিশ্ঠান জিএম শষ্যবীজ বাজারজাত করছে।
১০. ১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:৪৬
comment by: কানা বাবা বলেছেন: ভালো নাই ভাই; ব্যাপ্পক দৌড়ের উপর আছি...
আপনি ভালো তো?
সেই যে ডান্ডাপেটা কইরা আসলেন; আর তো পা রাখলেন না আমার ব্লগে ...
হাহ হাহ হাহ... ...

দরকার হইলে আপনারে তো কইছিলাম আমার ব্লগে গিয়া জানাইতে; আওয়াজ দ্যান নাই বইলা মনে করছি আপনে বুঝি জবাব পায়া গ্যাছেন অলরেডি...

ওক্কে, নো প্রবলেম, জানানো যাবে...তবে কয়েকদিন অপেক্ষা করতে হবে আপনাকে।
আগামী সপ্তাহ দু'য়েকে মনে হয়না পারবো।
সপ্তাহ দু'য়েক পরে হলে চলবে?
আমার ব্লগে জানালে খুশি হব।
ভালো থাকবেন।
@
অেমাঘ অনল

১১. ১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:৪৮
comment by: অেমাঘ অনল বলেছেন: মদনবাবু,
একটু বিস্তারিত বলিবেন কি? কোন কোন জিএম শস্য বাজারজাত করিতেছে, কিহারে আমাদের কৃষকেরা এশস্য কিনিতেছে, এসব শস্যের উত্পাদনকারী দেশ কে........??????
১২. ১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:৫৫
comment by: অেমাঘ অনল বলেছেন: @বাবা কানা
অপেক্ষায় থাকিলাম (অপেক্ষায় অপেক্ষায় জীবনটা........),
আপনার ব্লগে মাঝেমধ্যে যাই (লগ ইন খুব কম করি), আপনার তো নতুন পোস্ট দেখিনা, ২খানা দিয়াই উত্সাহ শেষ????
পরবর্তী কথাবার্তা আপনার নতুন পোস্টে হইবে.

(সরি, দিনমজুর, অপ্রাসঙ্গিক আলোচনার জন্য)
১৩. ১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৪:০৪
comment by: মদনবাবু বলেছেন: অেমাঘ অনল আপনি বেটার স্বনামখ্যাত শাইখ সিরাজ কে ধরেন। উনি বেশ কয়েকটা সিরিজ ফিচার করেছেন ।এমন কী আমাদের কৃষকদের কে চীনের উদাহরনও দেখাইছেন। আমি নিতান্তই মদন ছদন মানুষ।

তবে বছর দেরেক আগে এই জি,এম শস্যবীজ দেশের কৃষকদৈর একটা বড়সড় ছ্যাকা দিছিলো। ধান বুনার তিন মাস পর কৃষকরা চিটা ছারা আর কিছুই পান নাই । এই নিয়া একটু হট্টগোলও তখন হইছিলো ।
১৪. ১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৪:২১
comment by: কানা বাবা বলেছেন: নতুন পোস্ট? আবার?
...না বুইঝ্যা জোশের চোটে লেইখ্যা ফেলছিলাম ভুলেভালে... আর না ভাই!
সাবধান হয়া গেছি।
তাছাড়া কথায় আছে না "ভালো হোক, মন্দ হোক; দু'টি পোস্টই যথেষ্ট"... ... শুনেছেন নিশ্চয়ই।



(এইডাই আপনের ব্লগে আইজকার মতোন শ্যাষতম ফাউ প্যাঁচাল, দিনমজুর ভাই।
বেশী মাইন্ড খাইয়েন না; যদিও "মাইন্ড" জিনিশটা খাইদ্য হিসাবে জি.এম ফুডের চায়া বেটার বইলা গবেষণাগারে প্রমাণিত... ...)
১৫. ১৩ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৪২
comment by: মাদারি বলেছেন: বস, আপ্নের ল্যাখার আমি ভকতো।

এইডা ফাটাফাটি হোইসে।
১৬. ১৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৯:৫৩
comment by: মাদারি বলেছেন: কানা বাবার লগেও একমত।
সচেতোনতা হেগো ম্যালা।
বিটিশ পারলাম্যান্টের সাংসোদগো আপ্যায়নের লাইগ্যা এই জিএম ফুড পুরাপুরি নিষিদ্দ, আর অন্যদিকে- হেরাই কিন্তু, জিএম ফুডের অনুমোদন দ্যায়!!!!!!
১৭. ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৪:৪৮
comment by: নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন: অ্যাগ্রো-ফুয়েল, জিএম শস্য তথা হাইব্রিড শস্য সব কিছুই ওদের মানে সাম্রাজ্যবাদীদের ব্যবসার জন্য, মুনাফার জন্য।
আজ মুনাফা করাটা এমন হয়ে দাঁড়িয়েছে যে, মানবিকতা- বলে আর কোন কিছু ওদের কাছে থাকছে না। ছোট বেলায় শুনতাম, ব্যবসা করতে হলে নাকি ন্যায়-নীতির ধার ধরতে নেই, চালের সাথে পাথরের গুড়া মেশানোতে মুনাফাটাই মুখ্য, তা মানুষের খাদ্য হিসাবে পেটে গেলে কি কি ক্ষতি হতে পারে সেটা বিবেচ্য নয়।
আজও দেখি একই অবস্থা। গবেষণাগারে আজ জিএম শস্য নামের বিষ তৈরি হচ্ছে!!!!
১৮. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:৩৮
comment by: মদনবাবু বলেছেন: এ দেশের কৃষি ধ্বংসের জন্য জিএম বীজ দেয়ার প্র¯Íাব ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের
আলতাব হোসেন

বাংলাদেশের কৃষি ধ্বংসের জন্য ওয়ার্ল্ড ব্যাংক জেনেটিকালি মডিফায়েড (জিএম) বীজ দেয়ার চেষ্টা করছে। সম্প্রতি সরকারের কৃষি পুনর্বাসন কার্যক্রমে সহায়তা হিসেবে জিএম বীজ দেয়ার প্র¯Íাব করেছে ওয়ার্ল্ড ব্যাংক। বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, কৃষি খাতে বিদেশি প্রজনন ÿমতাহীন বীজ ব্যবহারের ফলে পরিবেশের ওপর বিরূপ প্রভাবসহ কীটনাশক ও রাসায়নিক সারের ব্যবহার বাড়বে। এর ফলে লাভবান হবে বহুজাতিক কম্পানিগুলো।




বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফসল বিজ্ঞান বিভাগের প্রফেসর ড. তাজুল ইসলাম জানান, জেনেটিকালি মডিফায়েড বীজ হলো জিন দ্বারা প্রক্রিয়াজাতকৃত এক ধরনের বিশেষ বীজ, যার একক মালিকানা উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান বা কম্পানির। এতে কৃষক বীজ উৎপাদন ও সংরÿণ করার ÿমতা হারিয়ে ফেলবে। জিএম বীজ থেকে উৎপাদিত শস্য স্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্য ঝুকির কারণে বিশ্বের পরিবেশ বিজ্ঞানীরা এ বীজ প্রবর্তনের বিরোধিতা করে আসছেন। সম্প্রতি আমেরিকার জাতীয় বিজ্ঞান একাডেমির এক রিপোর্টে বলা হয়েছে, জিএম বীজ অপ্রত্যাশিত এলার্জি ও বিষাক্ততা সৃষ্টির পাশাপাশি পরিবেশের জীববৈচিত্র্য ও মাটির অণুজীবের ব্যাপক ÿতি করে।




বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পরেশনের (বিএডিসি) বাংলাদেশে বছরে ৮ লাখ ৩০ হাজার ৩৭৬ টন বীজের চাহিদা রয়েছে। অথচ সরকার ও বেসরকারি কম্পানিগুলো এ চাহিদার মাত্র ১৩ ভাগ সরবরাহ করতে পারছে। বাংলাদেশ কৃষি ফোরামের আহŸায়ক কৃষিবিদ ড. জয়নাল আবেদীন বলেন, ওয়ার্ল্ড ব্যাংক বাংলাদেশে বীজের এ বিশাল মার্কেট বহুজাতিক কম্পানিকে পাইয়ে দেয়ার জন্য উঠেপড়ে লেগেছে।




জানুয়ারির শেষ দিকে সিডরে কৃষি সেক্টরের প্রকৃত ÿয়-ÿতির পরিমাণ নির্ধারণ করেই ওয়ার্ল্ড ব্যাংক এ খাতে প্রয়োজনীয় সহায়তার ঘোষণা দিয়েছে। সম্প্রতি ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের দÿিণ এশিয়া অঞ্চলের ভাইস প্রেসিডেন্ট প্রফুল সি প্যাটেল বাংলাদেশ সফর শেষে এ ঘোষণা দেন। দুর্গত এলাকায় কৃষি পুনর্বাসনের জন্য ওয়ার্ল্ড ব্যাংক একাধিক প্রকল্প হাতে নিয়েছে। এর মধ্যে কৃষি উৎপাদন বাড়ানোর বিষয়ে জোর দিচ্ছে। আর এ পুনর্বাসন প্রকল্পের মাধ্যমে বাংলাদেশে জিএম বীজ দেয়ার প্র¯Íাব করেছে ওয়ার্ল্ড ব্যাংক।




ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের একটি সূত্র জানায়, কৃষি বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন খাত। অর্থকরী এ কৃষি খাত থেকে মোট জিডিপির ২৩ ভাগ আসে। এছাড়া বিশ্বে দÿিণ এশিয়ায় কৃষি অর্থনীতির ২৬ বিলিয়ন ডলারের বিশাল বাজার রয়েছে, যা বিশ্ব অর্থনীতির চার ভাগেরও বেশি। তৃণমূল ও জাতীয় পর্যায়ে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন ও খাদ্য নিরাপত্তা অর্জনে কৃষি হলো একটি গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন খাত। সম্ভাবনাময় এ খাতে ওয়ার্ল্ড ব্যাংক বিনিয়োগ ও সংস্কারে আগ্রহী।




জিএম বীজ সম্পর্কে ওয়ার্ল্ড ব্যাংক সরকারকে বলছে, দেশের খাদ্য ঘাটতি মোকাবেলা ও উৎপাদন বাড়িয়ে দ্রব্যমূল্য কমিয়ে আনার জন্য হাইব্রিড ও জিএম বীজের কোনো বিকল্প নেই। ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের মতে, বর্তমানে দেশে একরপ্রতি তিন মেট্রিক টন শস্য উৎপাদিত হচ্ছে। জিএম বীজ ব্যবহারের মাধ্যমে এ উৎপাদন চার থেকে পাচ মেট্রিক টন করা সম্ভব।




আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা ইন্সটিটিউটের (ইরি) কাছে প্রায় ৮০ হাজার জাতের ধান সংগ্রহ করা আছে। তারা বিভিন্ন গবেষণা পরিচালনা করে বহুজাতিক কম্পানির সুবিধার জন্য। এর দ্বারা কৃষক কোনো সুফল পায় না। এসব ধান কৃষকের মধ্যে ছড়িয়ে দিয়ে লাভবান হচ্ছে বিদেশি বড় বড় কম্পানি। তারা আমাদের দেশি ধান বিলুপ্ত করে আমাদের কৃষি ব্যবস্থার ওপর পুরোপুরি আধিপত্য বি¯Íার করছে। কৃষি বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশ একটি কৃষিপ্রধান দেশ। জিএম শস্য পরিবেশ ও মাটির জন্য হুমকি স্বরূপ। এছাড়া এ ধরনের ধান বহুজাতিক কম্পানিগুলোর ওপর কৃষকদের নির্ভরশীল করে তুলবে। এশিয়ার বেশির ভাগ মানুষই ভাত খায়, তাই নিজেদের এ খাদ্যাভ্যাস, পেশা ও কৃষ্টিকে বাচিয়ে রাখতে উদ্যোগ নিতে হবে। বিশেষজ্ঞরা অভিযোগ করে বলেন, ইতিমধ্যে প্রায় ১৫ হাজার দেশি প্রজাতির ধান বিলুপ্ত হয়ে গেছে।




কৃষিপ্রধান বাংলাদেশের কৃষি নিয়ে ভাবছে ওয়ার্ল্ড ব্যাংক। কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তার নামে একটি চুক্তির ফাদে ফেলানোর চেষ্টা করছে ওয়ার্ল্ড ব্যাংক। অভিযোগ উঠেছে, এ ধরনের চুক্তিকে বৈধতা দিতে জৈব নিরাপদ কৃষি ও খাদ্য উৎপাদন নিশ্চিত করতে আইন তৈরি করছে সরকার। বিশেষজ্ঞরা অভিযোগ করছেন, সরকার দেশের ১৪ কোটি মানুষের খাদ্য নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনা না করে বহুজাতিক কম্পানির স্বার্থ বিবেচনা করে এ আইন প্রণয়ন করছে।




বিশেষজ্ঞরা আরো বলছেন, ওয়ার্ল্ড ব্যাংক কৃষি খাতকে সব সময় অবহেলার চোখে দেখে আসছে। এর আগে বাংলাদেশের সোনালি আশ পাটের উন্নয়নের কথা বলে পাটকে ধ্বংস করেছে। এবার তারা সামগ্রিক কৃষির পেছনে লেগেছে। ইনডিয়ায় ২০০৩ সালে বিটি কটন নামে জিএম তুলার জাত প্রবর্তন করে। এর ফলে লাখ লাখ কৃষক ÿতিগ্র¯Í হয় এবং বহু কৃষক আত্মহত্যার পথ বেছে নিতে বাধ্য হয়। এর আগে ১৯৯০-এর দশকে ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের নীতি অনুসরণ করার কারণে আফ্রিকান দেশগুলোর কৃষি খাত পুরোপুরি ধ্বংস হয়। ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের কৃষি নীতি অনুসরণের কারণে সংশিøষ্ট দেশে কৃষিতে রাসায়নিক সারের ব্যবহার ব্যাপক বেড়ে গিয়েছিল।




কৃষি উপদেষ্টা সি এস করিম বলেন, এ ÿেত্রে দাতাদের চাপিয়ে দেয়া নীতি, প্রযুক্তি ও অর্থ বাংলাদেশ নেবে না। তবে দেশের স্বার্থে প্রয়োজন মতো তাদের সহযোগিতা নেয়া হবে।


http://www.jaijaidin.com/details.php?nid=46476
১৯. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:৪৩
comment by: মদনবাবু বলেছেন:
অেমাঘ অনল বলেছেন: মদনবাবু,
একটু বিস্তারিত বলিবেন কি? কোন কোন জিএম শস্য বাজারজাত করিতেছে, কিহারে আমাদের কৃষকেরা এশস্য কিনিতেছে, এসব শস্যের উত্পাদনকারী দেশ কে........??????

আজকের যাযাদি তে একটা প্রবন্ধ আসচে । আপনার জন্য পোস্ট করে দিলাম।
২০. ২৯ শে জানুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৩:০৬
comment by: দিনমজুর বলেছেন:
মদনবাবু,

যাযাদির এই প্রবন্ধটি স্বতন্ত্র পোস্ট আকারে দিবেন?
২১. ৩০ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ৯:২১
comment by: মদনবাবু বলেছেন: ঠিক আছে দিনমজুর ভাই সময় করে দিচ্ছি ।
আপাতত আরও কিছু তথ্য উপাত্ত সংগ্রহের চেশ্টায় আছি ।
২২. ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৯:২৭
comment by: বিবর্তনবাদী বলেছেন: প্রিয় দিনমজুর, আপনার লেখা পড়ে মনে হচ্ছে কোন বিদেশী পত্রিকা থেকে অনুবাদ করেছেন। অনুগ্রহ করে তথ্যসূত্র দিবেন কি???
২৩. ১৭ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ২:২৭
comment by: ঘোর-কলিযুগ বলেছেন: দরকারি পোস্ট, আপনাকে ধন্যবাদ

 



 


নাইল্যাকাডা ১ম বর্ষ, ২য় সংখ্যার প্রাপ্তিস্থানঃ
আজিজ সুপার মার্কেট
১। বইপত্র/ ২। জনান্তিক/ ৩। শ্রাবণ/ ৪। প্রথমা (একুশে)/ ৫। তক্ষশীলা/ ৬। লিটল...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই

সর্বমোট হিট

 ২৭৯৬৯