somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বিনিয়োগ-২

২৭ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৫:০৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

এবারে কিছু উপাত্তের দিকে দৃষ্টি দেয়া যাকঃ

*স্থানীয় বনাম বিদেশী বিনিয়োগের অনুপাতঃ
১৯৮১-৯১=> ৮৮% & ১২%
১৯৯১-২০০১=> ৪২.৫% & ৫৭.৫%

*২০০৩-০৪ এ বিদেশী বিনিয়োগের খাত ওয়ারী ভাগঃ
সেবা=৬১.৪৬%
টেক্সটাইল=১৫.৬৮%
কেমিক্যাল=৬.৮৮%
এগ্রো বেসড=৬.৪৯%
খাদ্য=৩.২৯%
লেদার এণ্ড রাবার=২.৮০%
প্রিন্টিং এণ্ড পাবলিকেশন= ১.৬৪%
প্রকৌশল=১.৪৯%

*বছর ওয়ারি বিদেশী বিনিয়োগঃ (মিলিয়ন ইউএসডি)
২০০৩-০৪=৪৫৮
২০০২-০৩=৩৬৮
২০০১-০২=৩০২

*১৯৯৬-২০০৬ পর্যন্ত বিদেশী বিনিয়োগ=৪৪৫৭ মিলিয়ন ইউএসডি
*এসময়কালে মুনাফা, আয়, লভ্যাংশ ও ঋণ পরিশোধ বাবদ নিজ নিজ দেশে প্রত্যাবাসন করেছে=৩৬২২ মিলিয়ন ইউএসডি

*২০০১-২০০৫ পর্যন্ত বিনিয়োগ=২১৮৫ মিলিয়ন ইউএসডি
*এসময়কালে প্রত্যাবাসন=২৭৪৪ মিলিয়ন ইউএসডি

আবারো "অর্থনীতির সহজ পাঠঃ বিষয়- বিদেশী বিনিয়োগ"( Click This Link) শীর্ষক পোস্টের আলোচনায় যাই। সেখানে জানিয়েছিলাম- কর্পোরেশনগুলো পুঁজি নিয়ে অন্য দেশে যায় প্রধানত মুনাফার উদ্দেশ্যে। নিজদেশে যখন মুনাফা হারের সংকটে পড়ে- তখন পুঁজির বাইরে বের হওয়ার আবশ্যকীয়তা তৈরী হয়। আর, তাই শুরুর দিকে তাদের বিনিয়োগটি অর্থের পরিমাণের দিকে যতই আকর্ষণীয় মনে হোক না কেন- একটা সময়ে এসে তাদের সেই বিনিয়োগের পরিমাণ আর একই থাকে না। সে সময়ে তাদের রিটার্ণের পরিমাণটি হয় অনেক বড়- যেটি অর্থনীতিতে নেগেটিভ ইফেক্টই তৈরী করে।

একইভাবে আমাদের দেশেও যেসব কর্পোরেশন বিদেশী বিনিয়োগের ডালি নিয়ে ছুটে আসছে বা এসেছে, বুঝতে হবে তারা এখানে ব্যবসা করতেই এসেছে, মুনাফাই তাদের উদ্দেশ্য। সেকারণে দেখা যায়, ২০০১-২০০৫ এ এসে বিদেশী বিনিয়োগের চেয়ে বিনিয়োগকারীদের প্রতাবাসনকৃত অর্থের পরিমাণ বেশী।

(চলবে)
সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:৫৭
৭টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পানি: জীবনের উৎস, আল্লাহর রহমতের অবিরাম ধারা এবং সৃষ্টিতত্ত্বের বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ

লিখেছেন নতুন নকিব, ০১ লা এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৩:৩০

পানি: জীবনের উৎস, আল্লাহর রহমতের অবিরাম ধারা এবং সৃষ্টিতত্ত্বের বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ

ছবি, অন্তর্জাল থেকে নেওয়া।

পানি এই একটি শব্দে লুকিয়ে আছে সৃষ্টির রহস্য, জীবনের ধারা এবং মহান আল্লাহ তাআলার অফুরন্ত... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের গ্রামের গল্প

লিখেছেন রাজীব নুর, ০১ লা এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৪:২৪



একসময় আমাদের গ্রামটা খাটি গ্রাম ছিলো।
একদম আসল গ্রাম। খাল-বিল ছিলো, প্রায় সব বাড়িতেই পুকুর ছিলো, গোয়াল ঘর ছিলো, পুরো বাড়ির চারপাশ জুড়ে অনেক গাছপালা ছিলো। বারো মাস... ...বাকিটুকু পড়ুন

রাসূলের (সা.) একমাত্র অনুসরনীয় আহলে বাইত তাঁর চাচা হযরত আব্বাস ইবনে আব্দুল মোত্তালিব (রা.)

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ০১ লা এপ্রিল, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৩




সূরাঃ ৩৩ আহযাব, ৩২ নং ও ৩৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩২। হে নবী পত্নিগণ! তোমরা অন্য নারীদের মত নও। যদি তোমরা আল্লাহকে ভয় কর তবে পর পুরুষের সহিত কোমল... ...বাকিটুকু পড়ুন

মোরগের ডাক , বিজ্ঞানের পাঠ এবং গাধার প্রতি আমাদের অবিচার

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০২ রা এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১:৫৫


গ্রামে বেড়ে ওঠা মানেই একটা অসাধারন শৈশব। আমাদের সেই শৈশবের একটা বড় অংশ জুড়ে ছিল মক্তবের মৌলভি সাহেবদের গল্প। তারা বলতেন, ভোররাতে মোরগ ডাকে কারণ সে ফেরেশতা দেখতে পায়।... ...বাকিটুকু পড়ুন

বঙ্গ ও বেঙ্গলীর শিকড় কী মুছে গেছে? নাকি পুণ্ড্রনগর সভ্যতার মত হারিয়ে গেছে ??

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ০২ রা এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ৯:০৮


বঙ্গ ও বেঙ্গলীর শিকড় কী মুছে গেছে নাকি পুণ্ড্রনগর সভ্যতার মত হারিয়ে গেছে ?? সামু ব্লগের এই ক্রান্তিকালে বিষয়টি নিয়ে একটু আলোচনা/পর্যালোচনা করে কিছু সময় কাঠানো যাক... ...বাকিটুকু পড়ুন

×