আমার প্রিয় পোস্ট
- পাহাড়ি নিপীড়িত জনগোষ্ঠির আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার এবং স্বায়ত্তশাসন দাবীর প্রশ্নে শাসকশ্রেণীর বিভিন্ন অংশের রঙ বে রঙের জোড়াতালি তত্ত্বের বিপরীতে একটি বিশ্লেষণ। - মনজুরুল হক
- লাক্স এর চামড়া ব্যবসা , দর্শকের দেহ কামনা আর ব্লগে ধর্ষকামী ভূতের আছর - ১ম পর্ব - রাগ ইমন
- সমূদ্র বক্ষে তেল/গ্যাস অনুসন্ধান প্রক্রিয়ার ব্যয় সম্পর্কে প্রচলিত ধারণার কে স্বচ্ছ করার প্রয়াস। - ভিন্ন চিন্তা
- সভ্য বিশ্বের নতুন ডাম্পিং গ্রেভইয়ার্ড-চট্টগ্রামের ভাটিয়ারি > জাহাজভাঙ্গার ভাগাড়ে মানুষ আর প্রকৃতির নিদারুন বিপর্যয়!! - মনজুরুল হক
- সাগর বক্ষে গ্যাস ব্লক ইজারার উদ্দেশ্য গ্যাস সংকট মোকাবেল না রফতানি? - ভিন্ন চিন্তা
- বাংলাদেশে তেল/গ্যাস অনুসন্দ্ধানের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস এবং গ্যাস সংকটের প্রেক্ষিত। - মনোয়ার আহমদ
- বিদেশিদের কাছে বঙ্গোপসাগরে ব্লক ইজারার প্রতিবাদকারীদের উপর পুলিশি নির্যাতনের চিত্র - অণৃণ্য
- পার্বত্য চট্টগ্রাম পাকিস্থানে অন্তর্ভুক্ত হলো যেভাবে : ইতিহাসের পথ ধরে একটি বিশ্লেষণের চেষ্টা - পড়ুয়া_পড়ুয়া
- টিপাইবাঁধ নিয়ে বাদ-প্রতিবাদ ও ভারত রাষ্ট্রের চরিত্র বিচার - ৫/শেষ পর্ব - আবু নাঈম
- হাইব্রীড বীজ নিয়ে আশঙ্কা সত্যি হলো এবার 'সত্যিরা' ভয়াবহ আতঙ্ক ছড়াচ্ছে ! - মনজুরুল হক
- বাংলাদেশের জনশক্তি ও আন্তর্জাতিক শ্রম অধিকার আইন - ফকির ইলিয়াস
- শিল্পী এস এম সুলতান ও ভিনসেন্ট ভ্যান গঘঃ জীবন কারিগর - নাস্তিকের ধর্মকথা
- সমাজতন্ত্রে মুক্তির উপায়/ প্রতি শ্রদ্ধেয় দিন মজুর - বিহংগ
- নতুন আমল পার করছি পুরনো শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে - ৪ - অনিশ্চিত
- পুঁজিবাদের থাবা,সমাজতন্ত্রের বাঁধা আর ভাষা দিবসে পুতুলের ধাঁধাঁ! - পুতুল
- নতুন আমল পার করছি পুরনো শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে - ১ - অনিশ্চিত
- দিনমজুরের পোস্ট ধরে সন্ধ্যাপ্রদীপের পোস্ট ,সেখানেই আমার উপলব্ধি,উপলক্ষ সমাজতন্ত্রে মুক্তির উপায়। - বিহংগ
- বিশ্ব মানবতার মুক্তির জন্য সমাজতন্ত্রই একমাত্র পথ ?? - সন্ধ্যাপ্রদীপ
- মাল্টি ন্যাশনাল কোম্পানিগুলোর মাল্টি ডাইমেনশনাল প্রফিট ও আমাদের হতভাগা দেশের লাভ (একটি সহজ-সরল হিসাব) - বহুরূপী মহাজন
- ছাত্ররাজনীতি বা লেজুরবৃত্তির রাজনীতি বন্ধ করিলে কি হইবে??? - অেমাঘ অনল
- টপরেটেড পোস্ট লেখার বুদ্ধি পাইছি-- গ্রামীণ আর সব মোবাইল কোম্পনীগো গালি দিমু - কেএসআমীন
গ্যাস ব্লক ইজারা: এবার সাগর লুটের লাগলো ধুম
২৯ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১০:৫২
"শেখ হাসিনা বলেন, ২০০১ সালের লতিফুর রহমানের তত্ত্বাবধায়ক সরকার যখন ছিল তখন তার দাওয়াতে আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে তিনি এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে জিল্লুর রহমান সেখানে যান। অন্যদিকে খালেদা জিয়া ও মান্নায় ভূইয়া আসেন। সেখানে তারা পান সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টারকে। কার্টার, লতিফুর রহমান ও দুই দলের প্রধান ব্যাক্তিরা সেখানে নির্বাচিত সরকার কি কি করবে এসব বিষয়ে আলোচনা করেন। আলোচিত সব বিষয় থেকে শেখ হাসিনা একটি বিষয়ে বলেন, সেটি হলো প্রাকৃতিক গ্যাস। সেখানে বলা হলো প্রাকৃতিক গ্যাস রপ্তানি প্রয়োজন, তাই রপ্তানী করতে হবে। উত্তরে শেখ হাসিনা নাকি বলেছিলেন যে গ্যাস বাংলাদেশের মানুষের সম্পদ। এটা তাদের বিষয়, যদি প্রয়োজন হয় তাহলে গ্যাস রপ্তানি করা হবে। আর খালেদা জিয়া নাকি বলেছিলেন গ্যাস মাটির নীচে রেখে লাভ কি, গ্যাস বিক্রি করে দিলে টাকা পাওয়া যাবে। খালেদার এই কথাকে উদ্ধৃত করে তিনি বলেছিলেন যে, ২০০১ সালে খালেদা জিয়া বিদেশি কোম্পানিগুলোর কাছে মুচলেকা দিয়ে ক্ষমতায় এসেছিলেন। শেখ হাসিনার এই বক্তব্য রেকর্ড করা আছে।---- আমরা যদি দেখি ফুলবাড়ির কয়লার বিষয়ে কোন অপতৎপরতা চলছে, সমুদ্রের গ্যাস শতকরা ৮০ ভাগ রপ্তানির ফাইল তার কাছে গেছে কিন্তু সেটা তিনি বাতিল করছেন না এবং সরকার সেটা পাস করার অপতৎপরতা চালাচ্ছে, তাহলে শেখ হাসিনার বক্তব্য অনুযায়ী আমাদেরকে বলতে হবে যে শেখ হাসিনার সরকার কি তাহলে মুচলেকা দিয়ে ক্ষমতায় এসেছে!-----"
কথাগুলো বলেছিলেন অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ ১০ জুলাই ২০০৯ তারিখে "সাপ্তাহিক" নামের একটা সাপ্তাহিক পত্রিকা আয়োজিত গোল টেবিল বৈঠকে। এখন, ২৪ আগষ্ট শেখ হাসিনার সরকার যখন আনুষ্ঠানিকভাবে গ্যাস রপ্তানির বিধান রেখেই কনোকো ফিলিপস ও টাল্লোর কাছে সাগরের ৩টি গ্যাস ব্লক ইজারা দেয়ার সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিয়েছে, আনু স্যার কিংবা আর কেউ যদি মুচলেকার বিষয়ে নি:সন্দেহ হয়ে যান, তাদের নিশ্চয়ই দোষ দেয়া যাবে না! আমরা মনে করি, ক্ষমতায় আসার জন্য আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জামাত, জাতীয় পার্টি ইত্যাদি বুর্জোয়া রাজনৈতিক দলগুলোর সাম্রাজ্যবাদীদের কাছে মুচলেকা দেয়া এমন কোন কাঠিন বা ব্যাতিক্রমী বিষয় নয়- অস্বাভাবিকও নয়। তবে মুচলেকা না দিয়েও এরা জাতীয় সম্পদ বিদেশী বহুজাতিক কোম্পানীর হাতে তুলে দিতে পারে- কারণ এটাই তাদের শ্রেণী স্বার্থ ও শ্রেণীগত উন্নয়ন দর্শন, যে কারণে পূর্ববর্তী সরকারগুলোর মত বর্তমান সরকারও জনগণের মতামতের তোয়াক্কা না করে ধারাবাহিকভাবে সাম্রাজ্যবাদীদের স্বার্থ রক্ষা করে চলেছে। গ্যাস ও জ্বালানী সংকটের সময়ে ৮০% রপ্তানীর বিধান রেখে গভীর সমুদ্রের ৩টি ব্লক ২টি বহুজাতিক কোম্পানীর কাছে ইজারা দেয়ার ঘটনাটি সেই ধারাবাহিকতারই অংশ।
ইজারা কার্যক্রম:
গভীর সমুদ্রের গ্যাস ক্ষেত্রগুলোকে ইজারা দেয়ার কার্যক্রম শুরু হয় বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে। তখন দেশের সমুদ্র এলাকাকে মোট ২৮ টি ক্ষেত্রে (৮টি অগভীর ও ২০টি গভীর) ভাগ করে নতুন উৎপাদন অংশীদারি চুক্তির মডেল ও খসড়া দরপত্র উপদেষ্টা পরিষদে তড়িঘড়ি করে অনুমোদন করিয়ে ২০০৮ এর ২৮ ফেব্রুয়ারী আন্তর্জাতিক দরপত্র আহবান করা হয়। এই দরপত্রে যু্ক্তরাষ্ট্রভিত্তিক কনোকো ফিলিপস, অষ্ট্রেলিয়ার স্যান্টোস, চীনের সিনোক, আয়ার ল্যান্ড ভিত্তিক টাল্লো বাংলাদেশ এবং কোরীয় ন্যাশনাল অয়েল কর্পোরেশন সহ সাতটি কোম্পানী ১৫টি ক্ষেত্র অনুসন্ধানের প্রস্তাব দেয়। একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি এসব কোম্পানির দরপত্র যাচাই বাছাই করে একই বছরের জুলাই মাসে দুটি কোম্পানিকে নয়টি ক্ষেত্রের জন্য যোগ্য ঘোষণা করে। কোম্পানী দুটির মধ্যে কনোকো ফিলিপস গভীর সমুদ্রের ১০, ১১, ১২, ১৫, ১৬, ১৭, ২০ ও ২১ -এই আটটি ক্ষেত্রের জন্য এবং টাল্লো বাংলাদেশ অগভীর সমুদ্রের ৫ নম্বর ক্ষেত্রের জন্য যোগ্য বিবেচিত হয়। জনগণের আন্দোলন ও প্রতিবাদ-প্রতিরোধের মুখে তখন তত্ত্বাবধায়ক সরকার এগুলো ইজারা দেয়ার সাহস না করলেও জনগণের নির্বাচিত সরকার ক্ষমতায় এসেই এগুলো রিভিউ করার জন্য অর্থনীতি সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটিতে পাঠায় এবং অবশেষে ২৪ আগষ্ট আনুষ্ঠানিকভাবে গভীর সমুদ্রের ১০ ও ১১ ব্লক নম্বর কনোকো ফিলিপসকে এবং অগভীর সমুদ্রের ৫ নম্বর ক্ষেত্র টাল্লো বাংলাদেশের হাতে তুলে দেয়ার জন্য বিদ্যুৎ, জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়কে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী মণ্ত্রণালয় মন্ত্রিসভা কমিটির সিদ্ধান্তের চিঠি পাওয়ার পর পেট্রোবাংলাকে চুক্তি স্বাক্ষরের নির্দেশ দিবে। এই নির্দেশ পেয়ে পেট্রোবাংলা কোম্পানি দুটিকে চিঠি দিয়ে চুক্তি স্বাক্ষর করতে বলবে।
মডেল পিএসসি ২০০৮ এর কিছু দিক:
১) আর্টিক্যাল ১৪.৩ অনুসারে কোম্পানীটি বছরে পুরো উত্তোলিত গ্যাসের সর্বোচ্চ ৫৫% পর্যন্ত গ্যাসকে কষ্ট রিকভারী গ্যাস হিসেবে ঘোষণা করতে পারবে। বাকি ৪৫% গ্যাস হলো প্রফিট গ্যাস যা আবার কোম্পানী এবং পেট্রবাংলার মাঝে সুনির্দিষ্ট চুক্তি অনুযায়ী দুই ভাগে বিভক্ত হবে। আমরা জানিনা আলোচ্য তিনটি ব্লকের ক্ষেত্রে কনোকো ফিলিপস ও টাল্লোর সাথে ঠিক কি অনুপাতে এই ভাগাভাগিটি নির্দিষ্ট করা হচ্ছে। যাই হোক, আর্টিক্যাল ১৪.৪ অনুসারে কষ্ট রিকভারির খাত গুলো হলো:
ক) পরিচালন ব্যয় বা অপারেটিং কষ্ট
খ) ক্যাপিটাল এক্সপেনডিচার বা খনি উন্নয়নের জন্য কোম্পানীটিকে যে সময়, শ্রম ও পুঁজি বিনোয়োগ করতে হয়েছে তার খরচ;
গ) অনুসন্ধান বা এক্সপ্লোরেশনের জন্য যাবতীয় খরচ;
২) আর্টিক্যাল ১৫.৪ অনুসারে কন্ট্রাক্টর কোম্পানী পুরো প্রতিবছর সর্বোচ্চ গ্যাস রিজার্ভের ৭.৫ শতাংশ করে উত্তোলন করতে পারবে। তবে বিশেষ নোট দিয়ে বলা হয়েছে, অফসোর বা সমুদ্রবক্ষের গ্যাস ক্ষেত্রের ক্ষেত্রে ৭.৫% কথাটির সাথে অথবা হিসেবে "পেট্রবাংলার সাথে চুক্তি সাপেক্ষে এর চেয়ে আরও বেশী পরিমাণ " বাক্যাংশটি যুক্তকরতে বলা হয়েছে।
৩) আর্টিক্যাল ১৫.৫.১ এ নিম্নোক্ত তিন ধরনের গ্যাসকে এলএনজি হিসেবে রপ্তানী করার বিধান রাখা হয়েছে:
ক) কন্ট্রাক্টরের কষ্ট রিকভারী গ্যাস
খ) কন্ট্রাক্টরের প্রফিট বা লাভের গ্যাস
গ) পেট্রোবাংলার লাভের গ্যাস
এখানে, এলএনজি হিসেবে গ্যাস রপ্তানীর জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণের জন্য পেট্রবাংলার সাথে পৃথক চুক্তির প্রয়োজনীয়তার কথা বলা হয়েছে।
৪) আর্টিক্যাল ১৫.৫.৪ অনুসারে, পুরো উৎপাদিত ও বাজারজাতকরণের উপযুক্ত গ্যাসের ২০% এর বেশী পেট্রোবাংলা তার প্রফিট ন্যাচারাল গ্যাস বা লাভের গ্যাস হিসেবে দাবী করতে পারবে না। তবে এলএনজি রপ্তানী শুরুর ১১ বছরের শুরু থেকে পেট্রোবাংলার অনুরোধে এর পরিমাণ বাড়িয়ে ৩০% করা যেতে পারে।
৫) আর্টিক্যাল ১৫.৭ অনুসারে গভীর সমুদ্রের গ্যাসের দাম পেট্রোবাংলা আন্তর্জাতিক দরের সমান দরে বিদেশী কোম্পানীর কাছ থেকে ক্রয় করবে । এক্ষেত্রে মানদন্ড হিসেবে এশিয়ান পেট্রোলিয়াম প্রাইস ইনডেক্স(এপিপিআই) এর কোটেশনে ব্যবহ্রত হাই সালফার ফুয়েল অয়েল ১৮০ সিএসটি(এইচএসএফও) এর দামকে মানদন্ড ধরে এবং একে থার্মাল এনার্জি ইকুইভেলেন্ট বা বিটিইউ তে রুপান্তরিত করে গ্যাসের দাম এমএসসিএফ/ডলার হিসেবে হিসাব করতে হবে। আগের পিএসসিতে সমুদ্র-বক্ষের গ্যাসের ক্ষেত্রে এইচএসএফও এর ৯৩% দরে কেনার কথা ছিল। আগে প্রতি টিসিএফ গ্যাসের সর্বোচ্চ মূল্যের সীমা ছিল ১৪০ ডলার আর এই নতুন পিএসসিতে তা বাড়িয়ে করা হয়েছে ১৮০ ডলার।
৬) আর্টিক্যাল ১৯.১ অনুসারে গ্যাস অনুসন্ধান ও উত্তোলনকারী কোম্পানীটি নিম্নোক্ত যন্ত্রপাতি শুল্কমুক্তভাবে আমদানী করতে পারবে:
ক) স্থায়ী ভাবে আমদানীকৃত যন্ত্রপাতির ক্ষেত্রে;
খ) ড্রিলিং, লগিং, সিমেন্টিং, টিউবিং ইত্যাদি কাজে ব্যবহারের জন্য আমদানীকৃত সকল দ্রব্য ও যন্ত্রপাতির ক্ষেত্রে;
গ) কনসিউমেবল বা ব্যাবহারের পর আর সারভিসে লাগে না এরকম যন্ত্রপাতি ও স্পেয়ারের ক্ষেত্রে;
ঘ) খনি-সংশ্লিষ্ট কাজে ব্যাবহ্রত জিপ এবং পিক-আপ এর ক্ষেত্রে;
৭) চুক্তির কোথাও কোন দুর্ঘটনা ঘটে গ্যাস সম্পদ, পরিবেশ ও জান-মালের ক্ষতি হলে তার জন্য সুনির্নিষ্টভাবে ঠিক কি অনুপাতে ক্ষতিপূরণ বা জরিমানা দিতে হবে সে বিষয়ে কোন কথা নেই।
এই পয়েন্টগুলো থেকে পরিস্কারভাবে দেখা যাচ্ছে:
-> কনোকো ফিলিপস কিংবা টাল্লোর মত কোম্পানীগুলো উত্তোলিত গ্যাসের অন্তত ৮০% গ্যাসের মালিকানা ভোগ করবে এবং যার পুরোটাই এলএনজি করে বিদেশে রপ্তানী করতে পারবে।
-> পেট্রোবাংলাকে যদি তার প্রাপ্য ২০% এর বেশী গ্যাস এদের কাছ থেকে ক্রয় করতে হয় তাহলে আন্তর্জাতিক বাজার মূল্যে সেই গ্যাস কিনতে হবে। আগের পিএসসিতে এর পরিমাণ ছিল বিভিন্ন ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক বাজার মূল্যের চেয়ে কিছুটা কম-৭৫% থেকে ৯৩%।
-> কোম্পানীগুলো বাংলাদেশের প্রয়োজন নয় বরং তাদের মুনাফার হিসেবটি মাথায় রেখে খুব অল্প সময়ের মধ্যেই আবিষ্কৃত খনির গ্যাস উত্তোলন করেনি:শেষিত করে ফেলতে পারবে। ফলে পরবর্তীতে প্রয়োজনের সময় আমাদের দেশীয় শিল্পে ব্যাবহারের জন্য গ্যাস পাওয়া যাবে না।
-> কষ্ট রিকভারী গ্যাসের নামে প্রতিবছর উৎপাদিত গ্যাসের একটা বড় অংশ এরা আত্মসাৎ করবে।
-> যন্ত্রপাতি আমদানীর নামে সরকার প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ ভ্যাট, ট্যাক্স, কাষ্টমস ডিউটি থেকে বঞ্চিত হবে।
-> নাইকো কিংবা অক্সিডেন্টালের ঘটনো দুর্ঘটনার পরও শাসক শ্রেণী ক্ষতিপূরণের কোন সুনির্দিষ্ট ব্যবস্থা ছাড়াই গ্যাস উত্তোলনের আয়োজন করে জাতীয় সম্পদ ও পরিবেশ-প্রতিবেশকে হুমকির মুখে ফেলে দিয়েছে।
সরকারী সাফাইয়ের জবাব:
এই ধরণের গণবিরোধী চুক্তির মাধ্যমে জাতীয় সম্পদ বিদেশী কোম্পানীর হাতে তুলে দেয়ার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে স্বাভাবিকভাবেই প্রতিবাদ প্রতিরোধ হবে। এবং তা হচ্ছেও- যদিও আওয়ামী লীগের চিরশত্রু বিএনপি-জামাত চক্রের মুখে সংগত কারণেই এ বিষয়ে কোন কথা বার্তা শোনা যাচ্ছে না। তেল-গ্যাস-বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটি সহ বিভিন্ন বামপন্থী দলের প্রতিবাদ-আন্দোলনের মুখে আনুষ্ঠানিকভাবে সরকারের কোন বক্তব্য না পাওয়া গেলেও মিডিয়ায় জ্বালানী মন্ত্রণালয় ও পেট্রোবাংলার নামে এই চুক্তির পক্ষে যে বক্তব্য হাজির করা হচ্ছে তা মূলত এরকম:
সমুদ্রবক্ষের তেল-গ্যাসক্ষেত্রগুলোর জন্য প্রণীত পিএসসিতে রপ্তানির বিধানকে ভুলভাবে ব্যাখ্যা করা হচ্ছে। পিএসসি অনুযায়ী দেশের যে কোন ক্ষেত্রে প্রাপ্ত গ্যাস প্রথমে কেনার দাবিদার সরকার তথা পেট্রোবাংলা। যদি এমন হয়, এত বড় আকারের একটি গ্যাস ক্ষেত্র আবিস্কৃত হলো, সেখান থেকে বছরে এক ট্রিলিয়ন ঘনফুট (টিসিএফ) গ্যাস তুলতে হবে, অথচ এই পরিমাণ গ্যাসের পুরোটাই হয়তো দেশে ব্যবহারের সুযোগ থাকবে না, তখন সংশ্লিষ্ট কোম্পানীর কি হবে? এ অবস্থা থাকলে কেউ বিনিয়োগ করতে আসবে কেন? তাছাড়া এর আগে বিদেশী কোম্পানীর সাথে যে সব পিএসসি হয়েছে তাতেও এরকম বিধান রাখা হয়েছে। আর এবারের পিএসসিতে দেশের স্বার্থ বেশী রক্ষিত হয়েছে বলেই বেশী সুবিধা করতে পারবে না বুঝে অনেক বিদেশী কোম্পানী ডকুমেন্ট কিনেও দরপত্রে অংশ নেয়নি।
আমরা এখানে একে একে বিষয়গুলোর জবাব দেয়ার চেষ্টা করবো।
রপ্তানীর বিধান বিষয়ক: রপ্তানীর বিষয়ে প্রতিবাদকারীরা নয় বরং সরকার বা মিডিয়াগুলোই জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে। যেমন: চুক্তিতে কোথাও লেখা নেই দেশের যে কোন ক্ষেত্রে প্রাপ্ত গ্যাসের প্রথম দাবীদার পেট্রোবাংলা। তারপরও এটা যদি সত্যি বলে ধরেও নেই তখন যে প্রশ্নটি আসে তা হল- বুঝলাম পেট্রোবাংলা প্রথম দাবীদার কিন্তু এই তথাকথিত প্রথম দাবীদার আবিস্কৃত গ্যাসের কত শতাংশ দাবী করতে পারবে? উত্তর মাত্র ২০ শতাংশ। ধরা যাক, ১০ টিসিএফ গ্যাস আবিষ্কৃত হলো। চুক্তি অনুসারে পেট্রোবাংলা সর্বোচ্চ ২ টিসিএফ এর মালিকানা দাবী করতে পারবে। বাকি ৮ টিসিএফ বিদেশী কোম্পানীর। বিদেশী কোম্পানীটি চাইবে বছরে যত বেশী সম্ভব গ্যাস উত্তোলন করে তাকে মুনাফায় পরিণত করতে। এক বছরে সর্বোচ্চ উত্তোলনসীমা অন্যান্য অন-শোর গ্যাসের ক্ষেত্রে ৭.৫% রাখা হলেও সমুদ্রের ব্লকগুলোর ক্ষেত্রে সেরকম কোন সীমা রাখা হয়নি। ফলে কোম্পানীটি চাইলে দ্রুত সমস্ত গ্যাস তুলে ফেলতে পারবে। ধরা যাক, কোম্পানী দেখল প্রতিবছর ২ টিসিএফ করে তুললে তার লাভ বেশী হয়- ফলে সে তাই তুলবে। এখন বাংলাদেশের অবদমিত/অবিকশিত শিল্পখাত কি এ বিপুল পরিমাণ গ্যাস হজম করতে পারবে? পারবে না। তাই স্বাভাবিকভাবেই তখন সে গ্যাস এলএনজিতে রুপান্তরিত করে বিদেশে রপ্তানী করা হবে। পরে যখন বাংলাদেশের শিল্পখাতের বিকাশে প্রচুর গ্যাসের দরকার হবে তখন আর গ্যাস পাওয়া যাবে না কারণ আমাদের গ্যাস ততদিনে তরল গ্যাস হিসেবে বিদেশী কোন শিল্পের জ্বালানী হিসেবে ব্যবহ্রত হয়ে গিয়েছে।
কিন্তু যদি চুক্তিটি এমন হতো যে কোম্পানীটি চাইলেই যে কোন পরিমাণ গ্যাস উত্তোলন করতে পারবে না, তাকে বাংলাদেশের বর্তমান চাহিদা ও প্রয়োজন অনুযায়ী গ্যাস উত্তোলন করতে হবে এবং সেই সাথে বড় পুকুরিয়া কয়লা খনির উত্তোলিত কয়লা ব্যবহারের জন্য যেমন বিদ্যূৎ কেন্দ্র নির্মাণের বাধ্যবাধকতা রাখা হয়েছিল তেমনি গ্যাসের ক্ষেত্রেও বিদ্যুৎ কেন্দ্র, সার সহ বিভিন্ন গ্যাসভিত্তিক কারখানা তৈরীর বাধ্যবাধকতা রাখা হতো তাহলে কিন্তু তড়িঘড়ি করে এই অনবায়নযোগ্য জ্বালানীটিকে বিদেশে রপ্তানী করে নি:শেষ করার প্রয়োজন হতো না। এই শর্তে কোন কোম্পানী বিনিয়োগ করতে আসবে না? না আসুক। পেট্রোবাংলাই এক্ষেত্রে দেশী-বিদেশী উৎস থেকে ঋণ,শেয়ার, বন্ড ইত্যাদির মাধ্যমে পুঁজি সংগ্রহ করে ঐসব কোম্পানীর বদলে নিজেই বিভিন্ন সাব-কন্ট্রাক্টর নিয়োগ দিয়ে গ্যাস অনুসন্ধান ও উত্তোলনের কাজটি ভালোভাবেই করতে পারবে। বড় বড় কোম্পানীগুলো কিন্ত এইভাবেই পুঁজি সংগ্রহ করে এবং বিভিন্ন সাব-কন্ট্রাক্টরের মাধ্যমে কাজ করায়।
আগের পিএসসির বিধান: আগের পিএসসিতে রপ্তানীর বিধান রাখা হয়েছে বলেই এই পিএসসিতে রপ্তানীর সুযোগ রাখা জায়েজ হয়ে যায় না। মডেল পিএসসি ১৯৯৭ এর আর্টিক্যাল ১৪ তে ৮০ শতাংশ গ্যাস রপ্তানীর সুযোগ রাখাটি তখনও যেমনি গণবিরোধী ছিল এখনকার পিএসসিতে একই বিধান রাখায় এখনকার পিএসসিও তেমনি গণবিরোধী। তাছাড়া সেসময় সারাদেশের বিভিন্ন শ্রেণীর মানুষের প্রতিরোধের মুখে তৎকালীন সরকার সেই ধারা বাতিল করতে বাধ্য হয়। সেই বাতিল করার প্রক্রিয়ায় ২০০১ সালে দুটি জ্বালানিবিষয়ক সংসদীয় কমিটি করা হয়। একটা হলো গ্যাস রপ্তানি, আরেকটা হলো সর্বোত্তম ব্যবহার সম্পর্কিত। এই দুটি কমিটির রিপোর্টে বলা হয় বাংলাদেশে এ পর্যন্ত যত পিএসসি করা কয় তার দ্বারা বাংলাদেশ যতটুকু লাভবান হয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তার চেয়ে অনেকগুণ বেশী। কাজেই এখনকার পিএসসি তৈরীর ক্ষেত্রে বরং উচিত ছিল আগের পিএসসির বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ উঠেছে সেগুলোর সংশোধন করে জনগণের মতামতের ভিত্তিতে তার অনুমোদন নেয়া।
দেশের স্বার্থ বেশী রক্ষিত হয়েছে: অনেক কোম্পানী দরপত্রের ডকুমেন্ট কিনেও শেষ পর্যন্ত দরপত্রে অংশ না নেয়ার ঘটনাটিকে নতুন পিএসসিতে দেশের স্বার্থ বেশী রক্ষিত হয়েছে বলে প্রমাণ হিসেবে হাজির করার চেষ্টাটি চরম হাস্যকর। বাস্তবে আগের পিএসসিতে গণবিরোধী যত উপাদান ছিল তার সবগুলোই এই পিএসসিতে আছে। শুধু তাই না, উপরি হিসেবে আরও কিছু বিষয় আছে যেমন: আগের চেয়ে বেশী দরে বিদেশী কোম্পানীর কাছ থেকে নিজের দেশের গ্যাস কেনার ব্যবস্থা, সর্বোচ্চ ক্রয়মূল্যের সীমা ১৪০ ডলার থেকে ১৮০ ডলারে উন্নীত করা ইত্যাদি। তাহলে বিদেশী অনেক কোম্পানী কেন শেষ পর্যন্ত দরপত্রে অংশ নেয়নি? এর উত্তর হলো ভারত ও মায়ানমারের সাথে বাংলাদেশের সমুদ্র সীমা সংক্রান্ত বিরোধ। ভারত ও মায়ানমার বাংলাদেশের ঘোষিত ব্লকগুলোর ব্যাপারে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আপত্তি জানানোর ফলেই এদের সাথে সংশ্লিষ্ট অনেক দেশের কোম্পানী এই দরপত্রে অংশ নেয়া থেকে বিরত থাকে।
গ্যাসের জন্য হাহাকার বনাম গ্যাস রপ্তানীর যুক্তি:
সারাদেশে এখন গ্যাসের জন্য হাহাকার। গ্যাস নাই। বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যাচ্ছে না। কলকারখানা বন্ধ। কাজেই বলা হচ্ছে, যেভাবেই হোক জ্বালানী সমস্যার সমাধান কর। উন্মুক্ত পদ্ধতিতে হলেও কয়লা উত্তোলন করো, ৮০ ভাগ রপ্তানীর বিধান রেখে হলেও সাগর ইজারা দিয়ে দাও। কি অদ্ভুত যুক্তি- একদিকে বিদ্যুৎ সংকটের দোহাই দিয়ে গ্যাস উত্তোলনের কথা বলা হচ্ছে আবার সেই গ্যাস উত্তোলন করে তার প্রায় পুরোটাই তরলীকরণ করে বিদেশে রপ্তানীর ব্যবস্থা করা হচ্ছে! এর আগে ১৯৯৭-৯৮ সালের দিকে বাংলাদেশের উপর প্রবল চাপ সৃষ্টি করা হয়েছিল গ্যাস রপ্তানীর জন্য। সে সময়কালে দুটি আন্তর্জাতিক কোম্পানী বাংলাদেশে মোট তিনটি নতুন গ্যাস ক্ষেত্র (সাংগু, বিবিয়ানা, মৌলভি বাজার) আবিস্কার করার ফলে মোট উত্তোলনযোগ্য গ্যাসের পরিমাণ ৩.৬৫ ট্রিলিয়ন ঘনফুট (টিসিএফ) বৃদ্ধি পায়। আবিস্কৃত এই গ্যাসটুকু ন্যূনতম সময়ের মধ্যে রপ্তানি করে দ্রুত মুনাফা লাভের উদ্দেশ্যে ওই আন্তর্জাতিক কোম্পানিগুলো এবং তাদের এদেশীয় দালালেরা বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে ব্যাপক প্রচারণা চালায়। তখন যদি শাসক শ্রেণী ২০ বছরের চুক্তিতে ৩ টিসিএফ গ্যাস রপ্তানির সিদ্ধান্ত দিয়ে দিতে পারতো তাহলে বর্তমানে দেশে কি ভয়ংকর অবস্থা হতো তা অনুমান করাও কষ্টকর। এবার সেই একই চক্র সমুদ্র বক্ষের গ্যাস রপ্তানির চুক্তি প্রায় গুছিয়ে এনেছে। অথচ বর্তমান সংকটকে আমলে নিয়ে আমাদের এখন ভবিষ্যতের হিসেবটাও করে রাখা দরকার। আনু মুহাম্মদ আগামী ৫০ বছরের একটা হিসেব দিয়েছেন। জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার যদি ৩% হয়, তাহলে আমাদের প্রায় ৪০ টিসিএফ গ্যাস লাগবে, যদি ৬% ধরা হয় তাহলে আরও ১০০ টিসিএফ লাগবে এবং যদি ৭% প্রবৃদ্ধি হয় তাহলে লাগবে ১৫০ টিসিএফ গ্যাস লাগবে। এখন আমাদের আছে ১০ টিসিএফ এরও কম। কয়লা যদি ধরা হয় তাহলে জামালগঞ্জ সহ আছে ৪০ টিসিএফ এর সমপরিমাণ। এখন সমুদ্র থেকে কি আমরা ১০০ টিসিএফ পরিমাণ গ্যাস পাব? মায়ানমার তাদের তিনটি ব্লক থেকে ৭ টিসিএফ পাওয়ার ঘোষনা দিয়েছে। আমাদের ব্লকগুলো থেকে আমরা কতটুকু পাব সে বিষয়ে আমরা এখনও নিশ্চিত নই। তাহলে এরকম একটা পরিস্থিতিতে কোন যুক্তিতে শাসক শ্রেণী গ্যাস রপ্তানি করতে চাচ্ছে?
লুটেরা উন্নয়ন দর্শন:
এই যে সাগর লুটের আয়োজন সম্পন্ন করে এনেছে শাসক শ্রেণী, সাগরের গ্যাস ইজারার নামে আসলে দেশের ভবিষ্যৎ, জাতীয় সম্পদ ও জ্বালানী নিরাপত্তাকেই ইজারা দিতে চাচ্ছে তার পেছনে ম.তামিম বা তৌফিক এলাহি চৌধুরীদের কারসাজি থাকলেও মূল কিন্তু আরো গোড়ায়, বুর্জোয়া শাসকদের উন্নয়ন দর্শনেই তা নিহিত। যে উন্নয়ন দর্শনে বাজার উদারীকরণ, বেসরকারীকরণ, প্রবৃদ্ধি, বিদেশী বিনিয়োগ ইত্যাদির দোহাই পেড়ে জনগণের স্বার্থকে জবাই করে গুটিকয়েকের জন্য সোনার ডিম সংগ্রহ করা হয়, সে উন্নয়ন দর্শনের যুক্তিতে গ্যাস রপ্তানীর সিদ্ধান্তটা খুবই স্বাভাবিক একটা ব্যাপার। আরে বাবা, গ্যাস যদি রপ্তানির সুযোগ না দাও তাহলে কি বিদেশী বিনিয়োগ আসবে? আর বিদেশী বিনিয়োগ যদি না আসে, যদি বহুজাতিক দক্ষতা নিয়োজিত না হয়, তাহলে কি আমরা কোনদিনও আমাদের গ্যাস উত্তোলন করতে পারবো, এখন তো তাও ২০% পাচ্ছি, তখন তো সাগরের নীচে পচবে সে গ্যাস! --- এই উন্নয়ন দর্শনটাই ভ্রান্ত, এই উন্নয়ন দর্শন লুটপাটের বাস্তবতা তৈরী করে, এটাকে চ্যালেঞ্জ করা দরকার। বলা দরকার, পুঁজির অভাবের কথা বলে শাসক শ্রেণী বহুজাতিককে ডেকে আনছে কিন্তু বাস্তবে তো জনগণের টাকা থেকেই সেই বহুজাতিকের বাড়তি পুঁজির যোগান দিচ্ছে। বছরে মাত্র ২০০/৩০০ কোটি টাকার অভাবে যেখানে বাপেক্স অত্যন্ত্ দক্ষ ও সক্ষম একটি জাতীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করতে পারছে না সেখানে ডেকে আনা বহুজাতিক কোম্পানীগুলোকে ভর্তুকি দিতে হচ্ছে হাজার হাজার কোটি টাকা- বিদেশী কোম্পানীর কাছ থেকে গ্যাস কেনা হয় ২৫০ টাকা করে আর বাপেক্স থেকে সেটা কেনা হয় মাত্র ১০ টাকা করে! আর দক্ষতার কথা? বহুজাতিক কোম্পানীগুলো নিজেদের অভিজ্ঞ ও পর্যাপ্ত যন্ত্রপাতির মালিক বলে দাবি করলেও বাস্তবে তারাও যন্ত্রপাতি ও টেকনিশিয়ানদের ভাড়া করে এনে কাজ করায়। সেই কাজটুকুও যে তারা ঠিক ঠাক করতে পারে না তার নজির বহুজাতিক অক্সিডেন্টাল আর নাইকো মিলে মাগুরছড়া আর টেংরাটিলার প্রায় ৫০০ টিসিএফ গ্যাস (আন্তর্জাতিক বাজারে যার দর এখন প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকার মতো)নষ্ট করার মাধ্যমেই দিয়েছে। কই বাপেক্স তো এরকম কিছু ঘটায় নি!
এই রকম একটা বাস্তবতায় বর্তমান সময়ে আমাদের নিম্নোক্ত দাবীগুলো অযৌক্তিক বা অসম্ভব নয় বলেই আমরা মনে করি-
১) কনোকো ফিলিপস এবং টাল্লোকে গ্যাস ব্লক ইজারা দেয়ার সিদ্ধান্ত বাতিল করতে হবে।
২) গ্যাস/কয়লা ইত্যাদি রপ্তানী নিষিদ্ধ ঘোষণা করতে হবে।
৩) মডেল পিএসসি ২০০৮ বাতিল সহ ইতোপূর্বে সম্পাদিত সকল গণবিরোধী পিএসসি চু্ক্তি বাতিল করতে হবে।
৪) বাপেক্স সহ সকল দেশীয় প্রতিষ্ঠানকে আরও দক্ষ ও শক্তিশালী করার দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে যেন স্থল ভাগের মতো গভীর সমুদ্রেও দেশীয় কোম্পানীগুলো নিজেরাই তেল-গ্যাস অনুসন্ধান ও উত্তোলন কার্য চালাতে পারে। মধ্যবর্তী সময়টুকুতে একটি বা দুটি ব্লক থেকে কাজ চালানোর মতো গ্যাস উত্তোলনের জন্য বাপেক্সের কর্তৃত্ত্বাধীনে দেশী-বিদেশী কন্ট্রাক্টর ও যন্ত্রপাতি ভাড়া করা যেতে পারে।
আসুন তেল-গ্যাস-বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির নেতৃত্বে বিবিয়ানা কিংবা ফুলবাড়ির মতো এবারও জাতীয় সম্পদ লুটপাট প্রতিহত করি, শ্লোগান তুলি : তেল-গ্যাস-বন্দর/ইজারা দেয়া চলবে না, আমার দেশের তেল-গ্যাস/আমার দেশেই রাখব।
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
চিরসবুজ-মানব বলেছেন:
দেশ ও জাতির স্বার্থে লেখাটিকে খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করি। তাই সামু কর্তৃপক্ষের কাছে দাবী এই পোষ্ট কে ষ্টিকি করা হৌক!
লুকার বলেছেন:
গনতান্ত্রিক/ অগনতান্ত্রিক- সব সরকারই দেশের সম্পদ বিক্রির চেষ্টা চালায়, ঘটনা কী? ব্যক্তিগত লোভে, ভয়ে, নিরুপায় হয়ে, না ব্ল্যাক মেইলিং এর শিকার হয়ে? আমেরিকার শকুন দৃষ্টি সব দেশের সম্পদের ওপরেই বা পড়ে কেন? কার্টার সাহেব তাহলে শেষমেশ হায়েনা কোম্পানীগুলোর দালালী করতে এসেছিলেন?
ষড়ৈশ্বর্য মুহম্মদ বলেছেন:
ভাই! ভালো লিখছেন।
দণ্ডিত পুরুষ বলেছেন:
আরও একটি দুর্দান্ত দিনমজুরীয় পোস্ট। অনেক তথ্য সমৃদ্ধ লেখা এবং সেইসাথে সময়োপযোগীও বটে।স্টিকি করার দাবি জানাচ্ছি।
বল বীর বলেছেন:
গত ৭ মাসে আ.লী সরকার যত গুলো গুরুত্বপূর্ণ্য সিদ্ধান্ত নিয়েছে তার প্রায় সব গুলি জাতীয় স্বার্থ বিরুদ্ধী। মূলত ১/১১ অনেক পরিকল্পনার করে সৃষ্টি করা হয়েছে অথবা বিএনপি সরকারের ভিতরে লুকিয়ে থাকা বিদেশী ভাঁড়েরা সাহায্য করেছে।
আমি অবাক হইতাম না যদি ১/১১ পরে আবার বিএনপি ক্ষমতায় আসতো!! কারন তখন লেনা দেনার দর কষাকষি ছলতে ছিলো। যদি বিএনপি হাসিনার থেকে বেশী দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিতো তাহলে বিএনপি-ই ক্ষমতায় আসতো! যা এখন আ.লীগের প্রতিদানের ৭ মাসে পরিস্কার বুঝা যায়।
তবে আ.লীগ হাজার চেতনারপন্দি দিয়ে নিজেদের রক্ষা করতে পারবে না দেশের স্বার্থ বিরুদ্ধী চুক্তি বা সিদ্ধান্ত নিয়ে। আ.লীগ নিজেদের কবর নিজেরা খুড়ে নিতেছে। অন্তত বাঙালী জাতির ইতিহাস তাই বলে।
তখন ডিজিটাল চাকর বাকর হবে এই দেশের মানুষ নিয়ন্ত্রনকর্তা হয় দিল্লীর না হয় ওয়াশিংটনে থাকবে অথবা দুইয়ের ভাগা ভাগির বরগাতে ও চলতে পারে।
এমন সুন্দর পোষ্টের জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ।
পোষ্ট টি স্টিকি করা হোক।
অ্যামাটার বলেছেন:
@যারা মন্তব্য করছেন, প্রত্যেককে অনুরোধ করব লেখাটা স্টিকি করতে কর্তৃপক্ষকে তাগিদ দিতে, যতক্ষন স্টিকি না হয়।
অ্যামাটার বলেছেন:
'দিনমজুর'-এর লেখায় নতুন করে মন্তব্যে বলার কিছু আসলে নাই, যাদের চাপে সরকার নতি স্বীকার করছে, বুঝছি না, সেই সব মহল বেশি ক্ষমতাবান কি-না। ড.তৌফিক ইলাহী-কে নিয়ে এর আগেও প্রশ্ন উঠেছিল, দিনে দিনে উনার ভূমিকা আরও সন্দেহজনক হচ্ছে।অধ্যাপক আনু মোহাম্মদের মত কিছু দেশপ্রেমিক লোক এখনও আছে বলেই হয়ত বিভিন্ন লোলুপ দৃষ্টিসম্পন্নদের হাত থেকে এখনও আমাদের সীমিত কিছু সম্পদ টিকে আছে।
নিকো৮১২৩ বলেছেন:
লেখাটা স্টিকি করা হোক। কল্লোল দা দুর্দান্ত.........
লেখক বলেছেন: নিকো, তোমাকে ধন্যবাদ। তবে দিনমজুর তিন জনের যৌথ ব্লগ। কাজেই একজনরে ধন্যবাদ না দিয়া দিনমজুররে ধন্যবাদ দেয়াই উচিত হবে।
দিনমজুর বলেছেন:
আপডেট:আগামী বুধবার সকাল ১১ টায় পেট্রবাংলা ঘেরাও এর কর্মসূচী ঘোষণা করেছে তেল-গ্যাস-বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটি। আপনাদেরকে অংশ নেয়ার আমণ্ত্রণ জানাচ্ছি।
বিগব্যাং বলেছেন:
টাল্লো কিঃটাল্লো নামে যে আইরিশ কম্পানি, সেটার বাংলাদেশ অংশের প্রধান মালিক এক্স আর্মি অফিসার কাজী শাহেদ আহমেদ।
টাল্লোর ৭ বা ১০ শতাংশের মালিক সে।
একটি প্রাইভেট বিশ্যবিদ্যালয় ও একটি অধুনালুপ্ত জাতীয় দৈনিকের (আজকের কাগজ) ছত্রছায়ায় তিনি আওয়ামীপন্থি বুদ্ধিজীবীদের প্রায় আক্ষরিক অর্থেই চাষাবাদ করেন / পালেন।
বৈদ্যুতিক খাম্বা, চিংড়ী ঘের থেকে শুরু করে তাঁর অসংখ্য জানা অজানা বৈধ-অবৈধ ব্যবসা আছে।
বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মোদাচ্ছের আলী তার পোষা লোক।
লেখক বলেছেন: তথ্যাট শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
বিগব্যাং বলেছেন:
আমার দেশের তেল-গ্যাস
আমার দেহের রক্ত
এই রক্ত কম্পানিদের
লুটে নিতে দেব না।।
আমার মাটি আমার মা
নাইজেরিয়া হবে না।।
দালালদের চিনে নিন
এই মাটিতে কবর দিন।।
পাইপলাইনে দালাল যাবে
গ্যাস যাবে না।।
আ.লীগ = বি.এন্পি
এই জোট = ঐ জোট
এই অমানুষ কুত্তার বাচ্চা টেকার গোলাম গুলারে যে কি করতে মন চায় সেইটা ভাষায় প্রকাশ করার উপায় নাই
কার্ল মার্কস বলেছেন:
অতি অবশ্যই ইসটিকি করা হউক।আহা একাজ যদি বাপেক্স পাইতো...
দ্রুত ছোট কাগজ আকারে বাইর করেন, পুরা দেশে ছড়াইয়া দেন, দেশের বিভিন্ন জায়গায় প্রতিবাদ সমাবেশ পাঠ চক্র কইরা জনগণরে সচেতন করতে হইবো।
আমরা আছি...
দূরন্ত বলেছেন:
দাবীগুলো জোর গলায় সমর্থন করলাম: ১) কনোকো ফিলিপস এবং টাল্লোকে গ্যাস ব্লক ইজারা দেয়ার সিদ্ধান্ত বাতিল করতে হবে।
২) গ্যাস/কয়লা ইত্যাদি রপ্তানী নিষিদ্ধ ঘোষণা করতে হবে।
৩) মডেল পিএসসি ২০০৮ বাতিল সহ ইতোপূর্বে সম্পাদিত সকল গণবিরোধী পিএসসি চু্ক্তি বাতিল করতে হবে।
৪) বাপেক্স সহ সকল দেশীয় প্রতিষ্ঠানকে আরও দক্ষ ও শক্তিশালী করার দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে যেন স্থল ভাগের মতো গভীর সমুদ্রেও দেশীয়
পোস্টটাকে স্টিকি করার অনুরোধ রইলো।
বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত বলেছেন:
জাগো বাহে কোনঠে সবাই..........আলীগ-বিন্পি বুজিনা, দেশের স্বার্থে সবাই সোচ্চার হোন| সবাই এই পোষ্ট ষ্টিকি করার আবেদন করে প্রথম পাতায় পোষ্ট দিন|
দিন মজুরদের হাজার সালাম|
একলব্যের পুনর্জন্ম বলেছেন:
এই পোস্ট টা খুব দরকারি ছিলো - অনেক খুঁজেও তথ্যগুলো একত্রে পাচ্ছিলাম না । ধন্যবাদ ।"আমার ব্লগ" এ ব্লগার খারেজি এই লেখাটা কপি করে দিয়েছেন (আপনার নাম সহ) - উনি এখানে ব্যান বলে আপনার পারমিশন নিতে পারেন নিজে - তাই জানিয়ে দিতে বলছিলেন ।
-------------------------------------------------------------
পোস্ট টি স্টিকি করার দাবি জানাচ্ছি ।
প্রাকৃত বলেছেন:
কী ব্যাপার এখনো পোস্টটা স্টিকি করা হয়নি? সামুর মডুরা কি ঘুমিয়ে নাকি?পোস্টটি স্টিকি করা হোক!
ভাই পড়তে পড়তে বেশ কিছুটা আবেগী হয়ে পড়লাম। এই দুটো দলের জন্যে একজন আরেকজনরে লগি-বৈঠা দিয়ে পিটিয়ে মারে। আবার স্বতস্ফূর্তভাবে ভোট দিয়ে গণতন্ত্রের ডঙ্কা বাজায়। তারাই কিনা নিজের স্বার্থে আমাদের মাথায় কাঁঠাল ভেঙে খায়। আমরা দেখেও দেখিনা শুধুমাত্র অন্ধভক্তির কারনে।
নে বাবারা।নে রে মাই। ক্ষমতায় এসেছিস যখন বসে থাকবি কেন? লুটেপুটে খা। আমরা আছি না? তোরা বারবার আসবি। যতদিন না এদেশটাকে চুষে-চিবরে কঙ্কাল না বের করছিস!
বিডি আইডল বলেছেন:
এইসব বিষয়ে নিয়ে আমাদের বিবেক বা সচেতনতা কখনই জাগ্রত হবে না...
বন্ধনহীন বলেছেন:
কাজের পোস্ট। আমিও মনে করি এ পোস্টটি ষ্টিকি করা দরকার।
অবাক হচ্ছি, অনেককে এ পোস্টে দেখা যাচ্ছে না।
আমাদের (বাঙ্গালির) দলপ্রেম প্রশ্নাতীত! জয় বাংলা!
সৈয়দ সাইফুল আলম শোভন বলেছেন:
@ মডারেটর স্টিকি করার আবেদন। বুধ আসছি আমার এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সম্পদ রক্ষার দাবির আন্দোলনে।
মনুমনু বলেছেন:
হাসিনা আপনার দেশ কোনটি।?দুর এ জাতীয় কথা বলে লাভ পাব না।
মনে হয় কিছু একটা করা লাগব।
মানবিক স্টিকি পোস্ট আছে , কিন্ত , সাথে এটিও গ্লু কইরা দেন।
পুথম আলাল(দালাল) নিজেগো বদলাইয়া আমাগো গোয়ায় ঢুকসে
তেলগ্যাস কোম্পানীগুলোর শক্তি আমাদের কল্পনার চেয়েও অনেক বেশী। তার নজীর আমরা অতীতে ইউনোকলকে দিয়ে দেখেছি। এরা বাংলাদেশের মতো দেশের সরকারগুলোকে পকেটে পুরে রাখতে সিদ্ধহস্ত। আমি কদিন আগে একটা লেখায় বলিভিয়ার উদাহরন দিয়েছিলাম। বলিভিয়ার সরকার প্রধান ইভো মোরালেসের দৃঢ়তার কারনে বহুজাতিক কোম্পানীগুলো ওদের খনিজ লিথিয়ামের উপর থেকে হাত গুটিয়ে নিয়েছে। আমাদের হাসিনা খালেদার কি সেই নৈতিক জোর আছে? আমি বিশ্বাস করি না আছে। তাই আশার কোন পথও দেখি না।
ফুলবাড়ীর মতো আন্দোলনের কথা বলা হচ্ছে, কিন্তু ফুলবাড়ীর প্রেক্ষাপট ছিল ভিন্ন। ফুলবাড়ীতে মানুষ সরাসরি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছিল, উন্মুক্ত খনন পদ্ধতিতে মানুষের ভিটেবাড়ী পর্যন্ত নিকেশ হয়ে যাচ্ছিল। তাই মানুষ রূখে দাড়িয়েছিল। কিন্তু তেল গ্যাস ইস্যুটা সেরকম নয়। আর সমুদ্রের তলদেশে খনন করে বিদেশীরা আমাদের ৮০ভাগ গ্যাস নিয়ে যাবে, সেটা খুব বেশী মানুষ ভাববে বলে মনে হয় না।
গ্যাস রপ্তানী বাংলাদেশের জন্য কত লাভজনক হতো সেটা খালেদার জ্বালানী উপদেষ্টা মাহমুদুর রহমান বিবিসির একটা সংলাপে সাফাই গাইতে গিয়ে অনুষ্ঠানের একেবারে শেষভাগে পিএসসি নিয়ে জঘন্য মিথ্যা বলেছিল এখনো মনে আছে আমার। তার বিপরীত বক্তা আনু মুহাম্মদের বক্তব্য শেষ হবার পর মাহমুদুর বলেছিল পিএসসি অনুযায়ী বাংলাদেশ ৭০ভাগ গ্যাসের মালিক আর বহুজাতিক কোম্পানী ৩০ ভাগের। তড়িঘড়ি অনুষ্ঠান শেষ হয়ে যাওয়ায় এর প্রতিবাদে আনু মুহাম্মদের বক্তব্য প্রচার করা যায়নি। আমি পরে মাহমুদুর রহমানকে মেইলে ভন্ডামির কারন জানতে চাইলে, সে জবাব দিয়েছিল, রাজনীতির কারনে অনেক কিছু বলতে হয়!! হায়রে ভন্ড, হায় রাজনীতি!!
বাপেক্স নামের একটা জলজ্যান্ত বাংলাদেশী কোম্পানীকে বসিয়ে দেয়া হয়েছে বিদেশী কোম্পানীগুলোকে প্রমোট করার জন্য। সেকথা কেউ বলে না কেন? বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় গ্যাস ক্ষেত্রগুলো কি বাংলাদেশী কোম্পানী করেছে নাকি বহুজাতিক কোম্পানীর হাতে হয়েছে? বিবিয়ানার মত গ্যাসক্ষেত্র বাপেক্সকে দেয়া যেত না? তিতাস গ্যাসক্ষেত্র কাদের হাত দিয়ে উন্নয়ন হয়েছে? যারা তিতাস পারলো তারা বিবিয়ানা পারলো না কেন, তাদের বিবিয়ানা দেয়া হলো না কেন? ইউনোকোলকে দেয়া হয়েছিল কাদের স্বার্থে? এরকম অনেক অনেক উত্তরবিহীন প্রশ্ন উঠতেই থাকে। ধুর...... ভাল্লাগে না লিখতে আর।
বাংলাদেশের নেতৃত্বে যদিও সেই জোর দেখি না, তবু আমরা সাধারন মানুষ প্রতিবাদের কন্ঠে জেগে থাকি যতক্ষন পারি।
লেখক বলেছেন: নীড় সন্ধান, আপনার গুরুত্বপূর্ণ মতামতের জন্য ধন্যবাদ। আপনার তোলা প্রশ্নটা খুবই জরুরী- "বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় গ্যাস ক্ষেত্রগুলো কি বাংলাদেশী কোম্পানী করেছে নাকি বহুজাতিক কোম্পানীর হাতে হয়েছে?" সেই সাথে আরেকটা প্রশ্ন তোলা যেতে পারে - বাংলাদেশের যত গ্যাস উত্তোলন করা হয়েছে তার ৫৪ ভাগ হয়েছে বহুজাতিক কয়েকটি কোম্পানী দিয়ে আর ৪৬ ভাগ হয়েছে দেশীয় কোম্পানীর মাধ্যমে, কিন্তু যতগুলো বড় দুর্ঘটনা হয়েছে তার কত ভাগ বহুজাতিক কোম্পানীগুলো করেছে আর কত ভাগ দেশীয় কোম্পানী করেছে?
লেখাটা স্টিকি করা হোক।
লেখাটা স্টিকি করা হোক।
হাসিনা,খালেদা কে মাটির চুলা বানাইতে দেওয়া উচিত,এর পর তারা ২ জনেই লাকরি কেটে নিয়ে এসে ঐ টা শুকিয়ে তাদের বানানো মাটির চুলায় ১০/১৫ জনের জন্য ৩বেলা রান্না করুক।
সব মন্ত্রীগুলারে কয়লা খনিতে কামলা খাটানো হোক,ওদের বুঝতে হবে বাংলাদেশের তেল/গ্যাস/কয়লার মুল্য কতখানি!!!
দেশের মানুষ এখন ও গ্যাস পায় না ,আর বর্বর জানোয়ার গুলা দেশের সব কিছু বেঁচে নিজের পেট ভরছে।
পিটায়া সব গুলা রাজনিতীবিদ গুলার হাড্ডি ভাংতে পারলে একটু ভালো লাগতো।
যে ভাবেই হোক দেশের সম্পদ রক্ষা করতেই হবে।
সবাই কে সচেতন হতে হবে।
বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত বলেছেন:
রাত ১২ টা, ঘুমাতে যাবো| দিনমজুর ভাই দরকার হলে রি-পোষ্ট করেন|
বাকী সব বন্ধুরা, প্রথম পাতায় ১ লাইনের পোষ্ট দিন, "দিন মজুরের পোষ্ট ষ্টিকি চাই..........."
আমি সারা দিনে ২ টা পোষ্টি দিয়েছি ষ্টিকি করার জন্য|
সবাইকে ধন্যবাদ|
হাজার সালাম দেশ প্রেমিক "দিনমজুর ও তার সাথীদের......."
ছু-মন্তর বলেছেন:
বিরুদ্ধতার চাবুক ওঠাও হাতে,তোমার স্বদেশ লুট হয়ে যায় প্রতিদিন প্রতিরাতে।।
স্টিকি করা হোক। ধন্যবাদ দিনমজুর।
এম নাঈম খুশবু বলেছেন:
লিংকটা ফেসবুকে শেয়ার করলাম।
লেখক বলেছেন: শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
রেটিং বলেছেন:
হক কথা
বাঙ্গাল বলেছেন:
লিংকটা ফেসবুকে শেয়ার করলাম।সেই সাথে স্টিকী করার দাবি রাখি।@লেখকঃ লেখায় তামিম স্যারের নামটা যুক্ত করার দাবি জানাই। সাগরলুটের মাস্টার প্ল্যানটা তো উনারি করা। জাতির উচিত মীরজাফরদের চেনা।তামিম স্যারের জ ন্য আমার নিজের ডিপার্ট্মেন্টের পরিচয় দিতে লজ্জা হয়।
লেখক বলেছেন: @বাঙ্গাল, ধন্যবাদ।
তামিম এর কথা সামান্য পরিমাণে কিন্তু লেখায় এসেছে---
"এই যে সাগর লুটের আয়োজন সম্পন্ন করে এনেছে শাসক শ্রেণী, সাগরের গ্যাস ইজারার নামে আসলে দেশের ভবিষ্যৎ, জাতীয় সম্পদ ও জ্বালানী নিরাপত্তাকেই ইজারা দিতে চাচ্ছে তার পেছনে ম.তামিম বা তৌফিক এলাহি চৌধুরীদের কারসাজি থাকলেও মূল কিন্তু আরো গোড়ায়, বুর্জোয়া শাসকদের উন্নয়ন দর্শনেই তা নিহিত। "
তবে আপনার সাথে একমত, তামিম বা তৌফিক ইলাহীরা কিভাবে এই মাষ্টার প্লানগুলো করে এবং কিভাবে সেগুলো বাস্তবায়ন করার ব্যাবস্থা করে তার অনুসন্ধানও করা দরকার।
মাঈনুদ্দীন বলেছেন:
সুশীল সমাজের লোকজনের মুখে এখন কথা নাই কেন? স্টিকি করা হোক। ধন্যবাদ দিনমজুর।
ক-খ-গ বলেছেন:
স্যালুট দিনমজুর!
আহছানউল্লাহ বলেছেন:
++++পোস্টটি স্টিকি করার জন্য সামু কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ জানাচ্ছি...
ভাঙ্গন বলেছেন:
স্টিকির দাবী!
জনৈক আরাফাত বলেছেন:
স্টিকি করা হোক
ওরাকল বলেছেন:
৮০% রপ্তানীর বিধান রেখে গভীর সমুদ্রের ৩টি ব্লক ২টি বহুজাতিক কোম্পানীর কাছে ইজারা দেয়ার ঘটনাটি সেই ধারাবাহিকতারই অংশ--- ভাই প্রখমেই পোস্টের জন্য ধন্যবাদ। ৮০% রপ্তানীর বিধান টা তখনই কার্যকর হবে যদি বাংলাদেশ উত্তলিত গ্যাস কিনতে অপারগ হয়। মানে প্রথমে বাংলাদেশকে কেনার অফার দেওয়া হবে ..বাংলাদেশ না কিনলে তবেই রপ্তানী করা যাবে ।
লেখক বলেছেন: ভাই, সরকারী ভাষ্যও এরকম যে ৮০% রপ্তানীর বিধানটা তখনই কার্যকর হবে যদি বাংলাদেশ উত্তোলিত গ্যাস কিনতে অপারগ হয়। এর উত্তর কিন্তু মূল লেখায় দিয়েছি। আমাদের বক্তব্য হলো যেহেতু গ্যাস উত্তোলণের কোন সর্বচ্চ কোন সীমা বেধে দেয়া নাই সেহেতু কোম্পানী তার মুনাফা সর্বচ্চ করার জন্য বাংলাদেশের ব্যাবহারের ক্ষমতা আছে না নাই সে বিবেচনা না করেই ম্যাক্সিমাম গ্যাস দ্রুত উত্তোলন করতে চাইবে। যেমনটি করেছে কেয়ার্ন ১৬ নম্বার ব্লক থেকে। সেখানে ভূয়া হিসেব দেখিয়ে বলেছে ১ টিসিএফ এর বেশী গ্যাস আছে। ফলে কস্ট রিকভারী গ্যাস হিসেবে সে এত দ্রুত গ্যাস তুল নিয়েছে যে ৫০০ বিলিয়ন গ্যাস অর্থাৎ তার দাবী করা গ্যাসের অর্ধেক তোলার পরই সেখান থেকে আর গ্যাস তোলা যাচ্ছে না। কনোকো ফিলিপস বা টাল্লোও একই কাজ না করার কোন কারণ নাই।
ধরা যাক, ১০ টিসিএফ গ্যাস আবিষ্কৃত হলো। চুক্তি অনুসারে পেট্রোবাংলা সর্বোচ্চ ২০% বা ২ টিসিএফ এর মালিকানা দাবী করতে পারবে। বাকি ৮ টিসিএফ বিদেশী কোম্পানীর। বিদেশী কোম্পানীটি চাইবে বছরে যত বেশী সম্ভব গ্যাস উত্তোলন করে তাকে মুনাফায় পরিণত করতে। এক বছরে সর্বোচ্চ উত্তোলনসীমা অন্যান্য অন-শোর গ্যাসের ক্ষেত্রে ৭.৫% রাখা হলেও সমুদ্রের ব্লকগুলোর ক্ষেত্রে সেরকম কোন সীমা রাখা হয়নি। ফলে কোম্পানীটি চাইলে দ্রুত সমস্ত গ্যাস তুলে ফেলতে পারবে। ধরা যাক, কোম্পানী দেখল প্রতিবছর ২ টিসিএফ করে তুললে তার লাভ বেশী হয়- ফলে সে তাই তুলবে। এখন বাংলাদেশের অবদমিত/অবিকশিত শিল্পখাত কি এ বিপুল পরিমাণ গ্যাস হজম করতে পারবে? পারবে না। তাই স্বাভাবিকভাবেই তখন সে গ্যাস এলএনজিতে রুপান্তরিত করে বিদেশে রপ্তানী করা হবে। পরে যখন বাংলাদেশের শিল্পখাতের বিকাশে প্রচুর গ্যাসের দরকার হবে তখন আর গ্যাস পাওয়া যাবে না কারণ আমাদের গ্যাস ততদিনে তরল গ্যাস হিসেবে বিদেশী কোন শিল্পের জ্বালানী হিসেবে ব্যবহ্রত হয়ে গিয়েছে।
আশা করি এবার বুঝা গেছে কেন ৮০% রপ্তানীর বিধানটা কার্যকর না হওয়ার কোন কারণ নেই।
অন্যরকম বলেছেন:
আমাদের ভবিষ্যত জ্বালানী সুরক্ষার জন্য প্রয়োজন গ্যাস ক্রয়। এবং এ ক্রয়ের জন্য দরকার সুনির্দিষ্ট নীতিমালা, কোথা থেকে তুলনামূলকভাবে কম মূল্যে সহজে গ্যাস ক্রয় করা যাবে। এ ক্ষেত্রে উপযুক্ত স্থান হতে পারে মিয়ানমার এবং ভারত সেখান থেকে যে পাইপলাইন ব্যবহার করে গ্যাস আমদানী করার প্রয়াস চালাচ্ছে সে স্থাপনা। কারণ অচিরেই বৈশ্বিক জ্বালানী সংকটের কারণে গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধি হতে পারে যার ফলে অদূর ভবিষ্যতে আমাদের পক্ষে গ্যাস আমদানী করা নাও যেতে পারে। সেই গুরুত্বপূর্ণ মুহুর্তে আমাদের জন্য আশীর্বাদ হতে পারে মাটি ও সমুদ্রে রক্ষিত রিজার্ভড গ্যাস। আবার রিজার্ভড গ্যাসের ক্ষেত্রে এটাও খেয়াল রাখতে হবে যাতে পাশ্ববর্তী কেউ এই সম্পদ আহোরন করতে না পারে।
এসমস্ত দিক বিবেচনা না করে শাসকসমূহ ধারাবাহিকভাবে গ্যাস রপ্তানীর যে ষড়যন্ত্রের রাজনীতি শুরু করেছে তা প্রতিরোধ করার একমাত্র শক্তি এই জনগণ এবং জনসচেতনতার মাধ্যমেই এটার প্রতিরোধ করা উচিৎ!
এর প্রয়াস হিসেবে আপনার এই ব্লগকে অশেষ ধন্যবাদ এবং মডারেটরদেরকে এটাকে স্টিকি করার আহবান জানাই!
কালপুরুষ বলেছেন:
চমৎকার পোস্ট। স্টিকি করার দাবী রইলো। প্রিয়তে রেখে দিলাম।
হাসান মাহবুব বলেছেন:
স্টিকি হোক।
ব্যতিক্রমী বলেছেন:
গলা ভেঙে ফেললেও মনে হয় স্টিকি হবে না।মডারেটরদের যদি দেশপ্রেম থেকেই থাকে তাহলে আশাকরি স্টিকি করে প্রমাণ দেবে।
পোস্ট স্টিকি করা হউক।
সুদানের দারফুরে যে সমস্যা সেটাও এই পশ্চিমা বিশ্বেরই তৈরী করা বলে শোনা যায়। কারণ সেই এলাকায় বিশাল একটা তেলক্ষেত্র আছে। তাদের শ্যেন দৃষ্টি এখন সেই দিকে।
বাংলাদেশও বিশ্বরাজনীতির এই কুটচালের বাইরে না।
ফারজান কাদের বলেছেন:
পোস্টটি স্টিকি করা হোক!
প্রণব আচার্য্য বলেছেন:
স্টিকি করা হোক
এইসব কমুনিসট মারকা পুস্ট স্টিকার মাইরা লাভ নাই...
যে জাই বলুইক, বাইসটবটা অইলো বাপেক্সের একনো এক বেলুন গেষ সাগর থিকা তুলনের খেমতা অয় নাই। বাপেক্স অইলো ইনেফিসিয়েন্ট।
বিনদুমাটরো দ্যাশপেরেম ওগো মাইদ্যে নাইকা।
সেলফ ডেভেলুপমেনের কুনো ছিনতা নাইকা।
বিদেশিরাই বনদুরাই একন আশা-বড়সা।
ওগো হোগার তলে তাইকা তাইকা যডি বাপেক্সের কুনো অফিষাড়ে গিয়ান বাড়ে...এইডাই যা লাভ....বাংলাদেশি ইউমেন রিচোরস ডেপেলপমেনট।
হুনার মন্দ বলেছেন:
ডেভেলপমেন্ট, সভ্যতা এইগুলান আপেক্ষিক শব্দ। এইগুলার মধ্যেও ক্ষমতা সম্পর্ক কাজ করে। যেমনটা করে---"উপজাতি" শব্দের মইধ্যে। কোন জাতি যেমন "উপ" যুক্ত হতে পারে না...তেমনেই কোনটা যে "ডেভেলপড্" এইটাতো পশ্চিমা বিশ্বই ঠিক কইরা দ্যায়। পশ্চিমা বিশ্ব তো শুধু ক্ষমতার আগ্রাসন চালায় নাই...জ্ঞানের আগ্রাসনও চালাইছে। তাতে কি হইছে..তাই বইলা প্রতিবাদ করুম না!!? অবশ্যই করুম। মরণের আগে অন্তত একটা চিৎকার হইলেও দেওন উচিত।
চাচামিঞা বলেছেন:
স্টিকি করা হোক
নকীবুল বারী বলেছেন:
প্রিয় দিনমজুর ভাই, আপনার কোন পোষ্টেই উল্লেখযোগ্য কমেন্ট করার মতো জ্ঞান আমার নেই।তবে অসাধাণ একটা ইস্যু তুলে ধরবার জন্য অনেক ধন্যবাদ।
আর এই পোষ্টটা স্টিকি করা হোক........
তিনি একটা মজার কথা বলেছেন:
এগুলা সরকারের কানে নেবে কে ??আর, কানে নিলেই ভা লাভটা কী?? সরকার ত কথা শুনবে না।
আমি আতংকিত।
পোস্টটা স্টিকি করা হোক।
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন:
পোস্টটা স্টিকি করা হোক।
আহমেদ রাকিব বলেছেন:
স্টিকি করা হোক।
এখনই সময় বলেছেন:
ষ্টিকি না করার দাবী জানাচ্ছি।
কারন এটা দেশের কথা বলে দেশের মানুষের স্বর্থের কথা বলে, দেশকে বাচানোর কথা বলে।
পোষ্টটাকে ষ্টিকি না করা হোক।
প্রবাসী মন বলেছেন:
এই সব রাজনীতিবিদদের ধরে বঙ্গপোসাগরে চালান করে দেওয়া উচিৎ। তথ্যভুল লেখাটির জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
সিটিজি৪বিডি বলেছেন:
তেল-গ্যাস-বন্দর/ইজারা দেয়া চলবে না, আমার দেশের তেল-গ্যাস/আমার দেশেই রাখব। একমত.................................
লোকমান_ বলেছেন:
খুব গুরুত্বপূর্ণ পোস্ট,এটাকে স্টিকি করা হোক।
লোকমান_ বলেছেন:
ক্যামেরাম্যান বলেছেন: আসলেই কি আমাদের বা খোদ সরকারের কিছু করার আছে ? কেন জানি মনে হয় বড্ড অসহায় আমরা। কয়েকদিন আগে বিবিসি'র একটা রেডিও প্রোগ্রামের প্রিভিউ শুনছিলাম। আফ্রিকা সম্পর্কে বলা হচ্ছিলো - আফ্রিকা ইজ নট পুওর, বাট পুওরলি ম্যানেজড। আর আমার মতে এই পুওরলি ম্যানেজ এর কারণ পশ্চিমা বিশ্ব। এইসব আন্ডার ডেভেলপ বা ডেভেলপিং দেশগুলি যদি ডেভেলপড হয়ে যায় তাহলে পশ্চিমা বিশ্বকে পুছবে কে বা কারা। সিয়েরা লিয়নে নাকি একহাত মাটি খূড়লে হীরা পাওয়া যায়। আমেরিকা বা বৃটিশ সৈন্যরা সেখানে শান্তি রক্ষার নামে গেছে এই হীরা আর অন্যান্য সম্পদ লুট করতে। আর বাংলাদেশ সেনাবাহিনী গেছে সেখানে মূলতঃ এই চৌর্যবৃত্তিকে আড়াল করার জন্য। আর সেটা তারা করেছে বলেই জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী হিসেবে তাদের এতো সুনাম।সুদানের দারফুরে যে সমস্যা সেটাও এই পশ্চিমা বিশ্বেরই তৈরী করা বলে শোনা যায়। কারণ সেই এলাকায় বিশাল একটা তেলক্ষেত্র আছে। তাদের শ্যেন দৃষ্টি এখন সেই দিকে।
বাংলাদেশও বিশ্বরাজনীতির এই কুটচালের বাইরে না।
আলঝেইমার ক্রিস্টোসান বলেছেন:
প্রিয়তে, পরে পড়ব।
ওরাকল বলেছেন:
লেখক বলেছেন: ধরা যাক, ১০ টিসিএফ গ্যাস আবিষ্কৃত হলো। চুক্তি অনুসারে পেট্রোবাংলা সর্বোচ্চ ২০% বা ২ টিসিএফ এর মালিকানা দাবী করতে পারবে। বাকি ৮ টিসিএফ বিদেশী কোম্পানীর।
--> ১০ টিসিএফ মানে আপনি তিতাসের মত ১ টা গ্যাস ক্ষেত্রের কথা বলছেন
বিদেশী কোম্পানীটি চাইবে বছরে যত বেশী সম্ভব গ্যাস উত্তোলন করে তাকে মুনাফায় পরিণত করতে। এক বছরে সর্বোচ্চ উত্তোলনসীমা অন্যান্য অন-শোর গ্যাসের ক্ষেত্রে ৭.৫% রাখা হলেও সমুদ্রের ব্লকগুলোর ক্ষেত্রে সেরকম কোন সীমা রাখা হয়নি। ফলে কোম্পানীটি চাইলে দ্রুত সমস্ত গ্যাস তুলে ফেলতে পারবে। ধরা যাক, কোম্পানী দেখল প্রতিবছর ২ টিসিএফ করে তুললে তার লাভ বেশী হয়- ফলে সে তাই তুলবে। এখন বাংলাদেশের অবদমিত/অবিকশিত শিল্পখাত কি এ বিপুল পরিমাণ গ্যাস হজম করতে পারবে? পারবে না।
--> তিতাস থেকে এই পর্যন্ত ৪ টিসিএফ গ্যাস তুলতে ১৬ টি কূপ খনন করতে হয়েছে । ১৯৬৫ থেকে শুরু হয়ে এখন ও চলছে আর ও বাকি আছে ৬ টিসিএফ । ১ টি কূপ খনন করতে ২-২,৫ বছর সময় লাগে। সুতরাং যত তারাতারোই তুলতে চাক ...ওদের অনেক কাজ করতে হবে।
তাই স্বাভাবিকভাবেই তখন সে গ্যাস এলএনজিতে রুপান্তরিত করে বিদেশে রপ্তানী করা হবে। পরে যখন বাংলাদেশের শিল্পখাতের বিকাশে প্রচুর গ্যাসের দরকার হবে তখন আর গ্যাস পাওয়া যাবে না কারণ আমাদের গ্যাস ততদিনে তরল গ্যাস হিসেবে বিদেশী কোন শিল্পের জ্বালানী হিসেবে ব্যবহ্রত হয়ে গিয়েছে।
---> এলএনজি বুঝতে পরছেন তো মানে বোতলজাত গ্যাস। রফতানি করতে হলে আগে তাদের এলএনজি প্লান্ট বানাতে হবে যা তৈরীর আনুমানিক সময় ৩-৫ বছর। আর এলএনজি কোন শিল্পের জ্বালানী হিসেবে ব্যাবহৃত হয় না কারন কস্ট এফেকটিভ নয়।
পাইপ লাইনের মাধ্যমে রফতানি যতটা ভয়ংকর এলএনজি ততটা নয় । মাঝারি মানের ১ টা প্লান্ট বছরে যে পরিমান বোতল উতপাদন করে তা বাংলাদেশ নিজেই কনজিউম করতে পারবে যদি আর পাইপ নাইনে গহস্থালি কাজে গ্যাস সংযোগ না দেয়।
আশা করি এবার বুঝা গেছে কেন ৮০% রপ্তানীর বিধানটা কার্যকর না হওয়ার কোন কারণ নেই।
---> আবার ধরেন আবিস্কৃত মজুদ ৪ টিসিএফ এর কম তাহলে এলএনজি প্লান্ট বানন লাভ-জনক নয় .... পেট্রবাংলা বুঝেশুনেই শর্ত দিয়েছে .....যত সহজ ভাবছেন তত সহজ নয়। তার পরেও আমাদের চোখ-কান খোলা রাখতে হবে ।
মন্তব্যের উত্তর দএবার জন্য অনেক ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ আলোচনা করার জন্য।
তবে সমস্যা হলো আপনি উদাহরণের ১০ টিসিএফকে আক্ষরিক অর্থে নিয়েছেন। ধরা যাক, নির্দিষ্ট পরিমাণ গ্যাস আবিস্কার হলো, পরিমাণে ধরেন ৪/৫ টিসিএফ(কাছাকাছি এলাকার ৩ টি ব্লক থেকে মায়ানমার ৭ টিসিএফ আবিস্কার করেছে) তখন যেটা করা হবে তা হলো মজুদ বাড়িয়ে দেখানো হবে যেমন সাংগুর ক্ষেত্রে কেয়ার্ন দেখিয়েছে। (১ টিসিএফ গ্যাসের কথা আসলে কেয়ার্ন বাড়িয়ে বলেছে দ্রুত গ্যাস তোলার জন্য। এখন ৫০০ বিসিএফ তোলার পরই গ্যাস প্রায় শেষ) কারণ প্রধান বিবেচনা হবে কত দ্রুত গ্যাস তুলে বিদেশে রপ্তানী করে ফেলা যায়। আমাদের এখন অভাব হলো ২৫০ মিলিয়ন কিউবিক ফিট। সুতরাং সেক্ষেত্রেও গ্যাস তোলার হারের সাথে তাল মেলাতে পারবেনা এখানকার অবদমিত শিল্প। আর যদি তাল মেলাতে পারেও, তাহলেও সেক্ষেত্রে পেট্রবাংলাকে কমপক্ষে ৬ মাস আগে থেকে নোটিশ দিতে হবে। আবার সাম্প্রতিক সময়ে কেয়ার্নের উদাহরণ থেকে আমরা কি দেখছি? গ্যাসের প্রথম দাবীদার পেট্রবাংলার চাহিদা থাকা সত্ত্বেও লাভজনক না হওয়ার কথা বলে কেয়ার্ন পেট্রবাংলার বদলে তৃতীয় পক্ষের কাছে গ্যাস বিক্রি করবে।
তাই গ্যাসের পরিমাণ কম মনে হলে কিংবা অর্থনৈতিক ভাবে লাভজনক মনে না হলে এখন কেয়ার্ন যেমন পেট্রবাংলাকে বাদ দিয়ে তৃতীয় পক্ষের কাছে সরাসরি গ্যাস বিক্রির অনুমোদন পেয়ে গেছে সেরকম এরাও তখন দাবী করবে এবং পেয়েও যাবে।
আর এলএনজি বা বোতল জাত গ্যাস উৎপাদনের কাজটি সময় ও খরচ সাপেক্ষ তো বটেই কিন্তু সে কাজটি যে কনকো বা টাল্লোকেই করতে হবে ব্যাপারটি তা নয়। মডেল পিএসসি অনুযায়ী পৃথক চুক্তির মাধ্যমে তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমেও কাজটি করা যাবে।
আর "পেট্রবাংলা বুঝেশুনেই শর্ত দিয়েছে .....যত সহজ ভাবছেন তত সহজ নয়" বলে যে মন্তব্য আপনি করেছেন তার সাথে একমত হতে পারছিনা। কেন পারছি না নীচের অংশটুকু পড়ুন, নিউ এজের আজকের সংখ্যা থেকে নেয়া, বাংলায় সার সংক্ষেপ করে একটু গোছ-গাছ করা হয়েছে:
কেয়ার্নের চাপের কাছে সরকারের নতি স্বীকার
বাংলাদেশে এই প্রথম কোন বহুজাতিক কোম্পানীকে পিএসসি চুক্তি ভংগ করে তৃতীয় পক্ষের কাছে গ্যাস বিক্রির অনুমতি দেয়া হচ্ছে। কেয়ার্নের বিদেশে গ্যাস রপ্তানীর অনুমোদন ছিল না। কোম্পানীট ২০০৮ সালে মগনামায় গ্যাস পাওয়ার সম্ভাবনা আবিস্কার করার পর মগনামা এবং হাতিয়া স্ট্রাকচারের গ্যাস অনুসন্ধান কার্যক্রম স্থগিত করে দেয়। তাদের বক্তব্য হলো পিএসসি চুক্তি অনুযায়ী যদি পেট্রবাংলার কাছে তাদের অংশের গ্যাস বিক্রি করতে হয় তাহলে চু্ক্তি অনুযায়ী যে দাম তারা পাবে তাতে তাদের পোষাবেনা। কাজেই তাদের আবদার হলো হয় তাদের বিদেশে গ্যাস রপ্তানী করতে দেয়া হোক অথবা পেট্রবাংলার বাইরে তৃতীয় কোন পক্ষের কাছে বেশী দামে গ্যাস বিক্রির অনুমোদন দেয়া হোক। সে সময় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে কেয়ার্নকে এর অনুমোদন দেয়ার পায়তারা হয়েছিল কিন্তু প্রতিবাদের মুখে তত্ত্বাবধায়ক সরকার সাহস করে নি কিন্তু এখন জনগণের ভোটে নির্বাচিত আওয়ামীলিগ সরকার অনুমোদন দিয়ে দিয়েছে। কনকো ফিলিপস ও টাল্লোকে রপ্তানীর অনুমোদন দেয়ার বিতর্কে সরকার নিজেই বলছে উত্তোলিত গ্যাসের ব্যাপারে পেট্রবাংলার অধিকার আগে, পেট্রবাংলা যদি কিনতে না পারে বা কিনতে না চায় সে ক্ষেত্রে তা তৃতীয় পক্ষের কাছে বিক্রির প্রশ্ন আসছে অথচ কেয়ার্নের ক্ষেত্রে সরকার সরাসরি তৃতীয় পক্ষের কাছে গ্যাস বিক্রির অনুমোদন দিয়ে দিল সরকার।
এ সিদ্ধান্তটা সরকার এমন এক সময় দিল যখন সারা দেশে মোট ২৫০ মিলিয়ন কিউবিক ফিট গ্যাসের ঘাটতি। তিতাস গ্যাস কোম্পানী ঘোড়াশাল কারখানায় গ্যাস সর্বরাহ বন্ধের ঘোষণা দিয়ে দিয়েছে যার প্রতিবাদে ঘোড়াশালের শ্রমিকরা আন্দোলনে নেমেছে। অথচ কেয়ার্নের পক্ষ নিয়ে পেট্রবাংলার চেয়ারম্যান মুক্তাদির আহমেদ নিউ এজ পত্রিকার কাছে বলেছে-" আমরা যদি রাজি না হতাম তাহলে কের্য়ানকে দুইবছর অলস বসে থাকতে হতো আর ফলে কোম্পানীটি দেশ ছেড়ে চলে যেত আর আমরাও কোন গ্যাস পেতাম না"। মুক্তাদিরের এই বক্তব্যের বিপরীতে পেট্রবাংলারই এক কর্মকর্তা বলেছেন:
"কেয়ার্ন দাবী করছে তারা ইতিমধ্যেই মগনামায় ২০০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করছে। তাহলে এটা কি বিশ্বাস্য যে ২০০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করার পর সে এত সহজে সেই গ্যাস উত্তোলন না করেই দেশ থেকে চলে যাবে?"
তিনি আরো বলেছেন: "কেয়ার্ন পেট্রবাংলার কাছে সাংগু গ্যাস ক্ষেত্রের গ্যাস প্রতি ইউনিট ৩ ডলার করে বিক্রি করছে। আর পেট্রবাংলার কাছ থেকে দেশীয় কোম্পানীগুলো কিনছে প্রতি ইউনিট ২ ডলার করে। অন্যদিকে কাফকো এক সময় বাখরাবাদের কাছ থেকে ১২ ডলার করেও গ্যাস কিনেছে। KEPZ এবং CEPZ এর চেয়েও বেশী দামে গ্যাস কিনতে রাজী আছে। দামা-দামির ব্যাপারে কোন দেশীয় কোম্পানীই KAFCO, KEPZ, CEPZ এর প্রতিযোগীতা করে গ্যাস কিনতে পারবে না"
এ বিষয়ে অধ্যাপক নূরুল ইসলাম বলেছেন:" এটা মোটেও ভাল লক্ষণ নয়। এরপর থেকে অন্যান্য কোম্পানীগুলোও একই রকম আবদার করবে। চট্টগ্রামে চলছে তীব্র বিদ্যূৎ সংকট। এ সংকট মোকাবেলার জন্য সরকারকে আলটেমেটলি KAFCO, KEPZ, CEPZ এর প্রতিযোগীতা করেই গ্যাস কিনতে হবে। সেক্ষেত্রে এখন পেট্রবাংলা চুক্তি অনুসারে যে গ্যাস ২.৯ ডলার করে কিনতে পারতো তা তাকে কিনতে হবে প্রতি ইউনিট কমপক্ষে ৭ ডলার করে।"
আরিফ থেকে আনা বলেছেন:
আঠা মারা হোক
প্রজন্ম একুশ বলেছেন:
উলালা উলালা। বহুত কওনের পর স্টিকি হইছে। ধন্যবাদ মডুস। প্লিজ বি রেসপন্সিভ অলওয়েজ।
ভাবনাহীন আমি বলেছেন:
প্রজন্ম একুশে ভাই মডুদের জন্য খানাপিনার আয়োজন করার দরকার বহুত কষ্ট হয়ছে................
মনুমনু বলেছেন:
পাইপ লাইনের মাধ্যমে রফতানি যতটা ভয়ংকর এলএনজি ততটা নয় । মাঝারি মানের ১ টা প্লান্ট বছরে যে পরিমান বোতল উতপাদন করে তা বাংলাদেশ নিজেই কনজিউম করতে পারবে যদি আর পাইপ নাইনে গহস্থালি কাজে গ্যাস সংযোগ না দেয়। আমর মনের কথা
ব্যতিক্রমী বলেছেন:
একাত্তরে যেমন কিছু কুলাঙ্গার পাকিস্তানিদের দালালি করেছে। এখনো সেই কুলাঙ্গারেরই বংশধররা একই কাজ করছে। না হলে এই পোস্টে মাইনাস দেয় কোন কুলাঙ্গার।
চিটি (হামিদা রহমান) বলেছেন:
ষ্টিকি করার জন্য কর্তৃপক্ষকে। ধন্যবাদ
আলাউদ্দীন বলেছেন:
পোস্ট স্টিকি করা হউক।
দি ফ্লাইং ডাচম্যান বলেছেন:
ষ্টিকি করার জন্য কর্তৃপক্ষকে। ধন্যবাদ
অপটিমাস প্রাইম বলেছেন:
ওরে পোষ্ট স্টিকি হইছে রে । মরডারেটোরগো প্রাণখুইলা অভিন্দন জানাই।
মনুমনু বলেছেন:
চিটি (হামিদা আখতার) বলেছেন: ষ্টিকি করার জন্য কর্তৃপক্ষকে। ধন্যবাদ
জানপরী বলেছেন:
অপটিমাস প্রাইম বলেছেন: ওরে পোষ্ট স্টিকি হইছে রে । মরডারেটোরগো প্রাণখুইলা অভিন্দন জানাই।
জেরী বলেছেন:
মডারেটদের টনক তাহলে এতক্ষণে নড়েছে
অমাবশ্যার চাঁদ বলেছেন:
ষ্টিকি করায় কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ
তমিজ উদ্দীন লোদী বলেছেন:
সষময়োপযোগী দুর্দান্ত একটি পোষ্ট।প্রিয়তে রেখে দিলাম।
নুভান বলেছেন:
তামিম মামায় যেই চাপাবাজ, হের ক্লাস করতে গিয়া টের পাইছি।
শওকত হোসেন মাসুম বলেছেন:
প্রয়োজনীয পোস্ট।
তাজা কলম বলেছেন:
বহুজাতিক কোম্পানীর নাগপাশ কোন সরকারই ছিড়তে পারবে বলে মনে হয় না। পোস্টটির জন্য +
Click This Link
চিরসবুজ-মানব বলেছেন:
ষ্টিকি করার জন্য কর্তৃপক্ষকে। ধন্যবাদ।
আপসোস। বাংলাদেশকে কারা ধ্বংস করছে? এ সরকার প্রথম থেকে এ পর্যন্ত কতো অঘটনের জন্ম দিলো, কিংবা কে জানে আরো কতো ভাবে দেশকে পিছিয়ে দেবে। আমরা বোধহয় আরো একটি নেপালের দেখা পাবো।
কিছুই করার নেই আমাদে দেখে যাওয়া ছাড়া। তথাকথিত ৭১ এর পক্ষের শক্তি দাবী করা ব্যাক্তিদের দখলে এ দেশ। যারা মনে করে এ দেশটা কেবল তাদেরই। অন্য কারো হতে পারে না।
বাংলাদেশের মিডিয়ার প্রতি কোনো শ্রদ্ধা নেই আমার। ওদের দেশপ্রেম আটকে আছে বিদেশীদের রুপি আর ডলারের জালে।
আমরা আদৌ স্বাধীন কিনা সেটা নিয়ে যথেষ্ঠ সন্দেহে থাকি ইদানিং।
আসুন তেল-গ্যাস-বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির নেতৃত্বে বিবিয়ানা কিংবা ফুলবাড়ির মতো এবারও জাতীয় সম্পদ লুটপাট প্রতিহত করি, শ্লোগান তুলি : তেল-গ্যাস-বন্দর/ইজারা দেয়া চলবে না, আমার দেশের তেল-গ্যাস/আমার দেশেই রাখব
ফাহিম আহমদ বলেছেন:
দারুন লেখা, ধন্যবাদ, +++
বাঙ্গাল বলেছেন:
আমিও স্টিকীর দাবিতে একটা ফ্লাডিং পোষ্ট লিখতেছিলাম। এর মধ্যেই দেখি কাজ হইয়া গেছে। দেরীতে হইলেও স্টিকী করার জন্য ধন্যবাদ জানাই মডুরামকে।
মানবী বলেছেন:
"১) আর্টিক্যাল ১৪.৩ অনুসারে কোম্পানীটি বছরে পুরো উত্তোলিত গ্যাসের সর্বোচ্চ ৫৫% পর্যন্ত গ্যাসকে কষ্ট রিকভারী গ্যাস হিসেবে ঘোষণা করতে পারবে। বাকি ৪৫% গ্যাস হলো প্রফিট গ্যাস যা আবার কোম্পানী এবং পেট্রবাংলার মাঝে সুনির্দিষ্ট চুক্তি অনুযায়ী দুই ভাগে বিভক্ত হবে। "- মাত্র ৫৫% রিকভারী কস্ট!! ৯৫% রিকভারী কস্ট হিসেবে দিলেই পারতো আর ৫% আমাদের পক্ষ থেকে উপহার!!!
"এই ধরণের গণবিরোধী চুক্তির মাধ্যমে জাতীয় সম্পদ বিদেশী কোম্পানীর হাতে তুলে দেয়ার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে স্বাভাবিকভাবেই প্রতিবাদ প্রতিরোধ হবে। এবং তা হচ্ছেও- যদিও আওয়ামী লীগের চিরশত্রু বিএনপি-জামাত চক্রের মুখে সংগত কারণেই এ বিষয়ে কোন কথা বার্তা শোনা যাচ্ছে না। "
-এসব বিষয়ে এরা কেউ কারো শত্রু পক্ষ নয়, সকলেই সকলের মিত্রপক্ষ, শুধু দেশের সাধারন মানুষ, দেশের স্বার্থ এদের প্রতিপক্ষ। আর সেকারনেই দেশের সীমান্ত আজ অরক্ষিত, টিপাইমুখ বাঁধের মতো একটি মরনফাঁদের কাজ এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে আমাদের (?)বন্ধু রাষ্ট্র এবং আজ সমুদ্র লুটেরাদের এমন আগ্রাসন।
জনসচেনতামূলক তথ্যবহুল গুরুত্বপূর্ণ চমৎকার পোস্টটির জন্য লেখককে আন্তরিক ধন্যবাদ।
"আসুন তেল-গ্যাস-বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির নেতৃত্বে বিবিয়ানা কিংবা ফুলবাড়ির মতো এবারও জাতীয় সম্পদ লুটপাট প্রতিহত করি, শ্লোগান তুলি : তেল-গ্যাস-বন্দর/ইজারা দেয়া চলবে না, আমার দেশের তেল-গ্যাস/আমার দেশেই রাখব।"
-শ্লোগান তুলে সমর্থন জানালাম।
মোঃ আমিন বলেছেন:
তথ্য বহুল সময়উপযোগী পোস্ট ।++
মোহাম্মদ লোমান বলেছেন:
সবার আগে দেশ।। সষময়োপযোগী, দেশপ্রেমী পোস্টের জন্য লেখকদের প্রতি আন্তরীক মোবারকবাদ। এবং পোস্টটি স্টিকি করার জন্য কতৃপক্ষকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।
আন্ধার রাত বলেছেন:
দেশ পরিচালকদের দেশপ্রেম না থাকলে এটাই স্বাভাবিক। টিপাই সমস্যা, গ্যাস দান ---------এই দেশের পরিনতি একমাত্র আল্লাহই বলতে পারেন...
আহমদ ময়েজ বলেছেন:
যুদ্ধটা যেন আওয়ামী লীগ ও বিএনপি'র তথাকথিত বিরুদ্ধবাদীতায় পর্যবসিত না হয়। দেশ তথা জনগণের কল্যাণই যেন মৌলিক বিষয় হয়।
কে পক্ষে ছিল আর কে বিরুদ্ধে ছিল আলোচনায় গেলে, জনগণ দুভাগ হয়ে যাবে।
আমরা তো এও জানি ক্ষমতায় গিয়ে দেশ বিকিয়ে দেয়ার ক্ষেত্রে কোনো দলই পিছিয়ে নেই। সব দল বললাম এ জন্য যে, জোটবদ্ধ দলের ভেতর সব দলই মুচলেকা দেয়ায় জড়িত। অতএব রাজনীতিকের ক্ষমতালোভ ও বাণিজ্যের বিরুদ্ধে জোরালো অবস্থান নেয়া উচিৎ।
একটি তথ্যবহুল লেখার জন্য ধন্যবাদ।
দিনমজুর বলেছেন:
যাদের সম্মিলিত দাবিতে সামহোয়ার কর্তৃপক্ষ লেখাটিকে স্টিকি করেছে তাদের সবাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
দিনমজুর বলেছেন:
PSC WITH FOREIGN OIL COMPANIESLeft-leaning groups plan
agitation programmes
Staff Correspondent
A left-leaning civic group on Saturday protested the government’s decision of awarding three gas blocks to two international oil companies for exploration and extraction of hydrocarbon in the Bay of Bengal keeping an option for gas export.
‘We will go for aggressive actions in future if the government does not scrap the deals with the foreign companies, hurting national interests,’ Sheikh Muhammad Shaheedullah, convener of the National Committee to Protect Oil, Gas, Mineral Resources, Power and Port, said at a press conference at the central office of the Communist Party of Bangladesh.
The programmes may include staging siege and hartals, if the government does not refrain from leasing the three offshore gas blocks to the foreign oil companies, Shaheedullah added.
The committee announced that it would lay siege to the headquarters of state-run Petrobangla, which deals with management of the country’s oil and gas exploration, on September 2.
The committee will organise demonstrations at the administrative headquarters across the country on the day asking the government to revise the present Production Sharing Contacts with the international oil companies that offered 80 per cent export of the gas in liquefied form.
The Awami League-led ruling alliance on August 24 approved awarding of two off-shore gas blocks 10 and 11 to US oil company Conoco Phillips and off-shore block no 5 to Irish firm Tullow in Bangladesh‘s territorial waters in the Bay of Bengal.
The left groups have long been opposing the idea of gas export options under the Production Sharing Contract, the model of which was drafted by the past military-backed government in 2008 in the face of severe fuel crisis.
Bangladesh currently has a proven gas reserve of around 7 trillion cubic feet and is now desperately looking for new gas reserves.
The country‘s industrial production and power generation have seriously been hit by gas crisis in recent months due to a shortage of around 250 million cubic feet per day with current production of 1,950mmcfd.
Left leaders Mujahidul Islam Selim, Bimal Biswas, academics MM Akash, Noor Mohammad, politicians Azizur Rahman, Saiful Huq, Bazlur Rashid Firoj, Mushrefa Mishu and Zonayed Saki attended the press conference.
সূত্র: নিউ এজ
http://www.newagebd.com/2009/aug/30/nat.html
সুনাগরিক বলেছেন:
হাসিনা এখন বলবে গ্যাস রপ্তানীর সিদ্ধান্ত বিএনপির সৃষ্টি। তারা শুধু ফলো করতেছে। যেমনটা বলতেছে টিপাইমুখ নিয়া।
বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত বলেছেন:
ঘুম থেকে উঠেই দেখি পোষ্ট ষ্টিকি হয়েছে| উফ, খুব ভাল লাগছে|সব দেশ প্রেমিক এক হও! দল মত নির্বিশেষে আসুন তেল/গ্যাস রক্ষা করি| আমরা চাল-গম-কচু-গেচু ফলাতে পারবো কিন্তু আগুনের অভাবে সিদ্ব করে খেতে পারবো না|
জাগো বাহে কোনঠে সবাই........।
আলাউদ্দীন বলেছেন:
সামুর ব্লগাররা চুপ করেন।এটা শেখ হাসিনা সরকারের কোন দোষ না।কারণ তারা শুধু জাতির জনকের স্বপ্ন বাস্তবায়ন করছেন মাত্র।তবে আমার মতে জাতির জনক আজ বেচেঁ থাকলে তিনিও হয়ত শেখ হাসিনার এই স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে দিতেননা।
কাজেই মহামান্য হাসিনা আপা দয়াকরে জাতির জনকের মনের বাসনাটা একটু বুঝতে চেষ্টা করেন।আপনার চারপাশের চামচাগুলোর চামচামিতে দেশকে ভুলে যাবেননা।
যুগান্তকারী বলেছেন:
তথ্যবহুল লেখার জন্য প্লাস।সেইসাথে প্রিয়তে নিলাম।
*পাগলা জগাই* বলেছেন:
একটা দাঁতাল শুয়োরের এই আর্টিকেলটা পছন্দ হয় নাই, সেই শুয়োরটারে সাহস কৈরা নিজের নাম কৈয়া যাইতে কৈ।
শারমিন সুলতানা লিলি বলেছেন:
ভাল লেগেছে
মিলটন বলেছেন:
মাঝে মাঝে মনে হয় কি দেশে নাগরিক আমি? খুব কষ্ট হয় যখন দেখি আমাদেরই ভোটে নির্বাচিত সরকার আর কিছু তৈলাক্ত দালাল দেশটাকে বেচে খাচ্ছে। তাদের বুকের মাঝে কি এতটুকুও দেশপ্রেম নাই? নিজের দেহ থেকে অঙ্গ কেটে দিতে তাদের কি এতটুকুও বাঁধে না? দেশের স্বার্থ না দেখে কিভাবে তারা বিদেশীদের স্বার্থ চরিতার্থ করে? এই সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে একের পর এক অঘটন ঘটিয়ে যাচ্ছে, আর তাদের সহায়তা করছে হলুদ মিডিয়া। তারা জনগনকে অন্যদিকে ডাইভার্ট করে রাখছে কোন চাঞ্চল্যকর ঘটনার খবর ছাপিয়ে।আমার বিশ্বাস, এদেশে আপামর খেটে খাওয়া জনগনের বুকে যে দেশপ্রেম আছে সেগুলো একত্রিত হলে এইসব কুচক্রীকারীর দল ভেসে যাবে। আমাদের জয় হবেই।
এমন সময়োপগোগী একটা পোষ্ট দেবার জন্য লেখককে ছোট্ট ধন্যবাদ দিলে সেটা ছোট হয়ে যাবে। কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ ষ্টিকি করার জন্য।
ডিজিটালভূত বলেছেন:
অনেক ধন্যবাদ, সত্য কথনের জন্য। আসলে কারা যে দেশ প্রেমিক তা বলতে পারি না। যারা নিজেদের-কে দেশের সবকিছু বলে দাবী করে তারা সামান্য স্বার্থে দেশ বিক্রি করে দিতে পারে। দেশের মানুষকে ধরে শত্রুর হাতে তুলে দিতে পারে। ধিক শত ধিক।
হাসান বিপুল বলেছেন:
ফেসবুকে শেয়ার করলাম। অভিনন্দন রাতমজুর।
লেখক বলেছেন: "দিন"-কে "রাত" করতে চান কেন ভাই?
*পাগলা জগাই* বলেছেন:
রাতমজুর না দিনমজুর? @হাসান বিপুল
প্রিয়সখা বলেছেন:
জাতীয় সম্পদ লুটপাটের প্রতিবাদ করি। এমন তথ্যমূলক লেখার জন্য ভালবাসা, নিখাত এবং আন্তরিক ভালবাসা থাকলো।
নতুন রাজা বলেছেন:
পোস্টটি ষ্টিকি হওয়ায় মোডারেটরদের ধন্যবাদ...
এস বাসার বলেছেন:
যাক, অবশেষে পোষ্টটি ষ্টিকি হলো। কমপক্ষে ৪/৫ জনের পোষ্টে ষ্টিকি করার আহবান জানিয়েছিলাম মডুদেরকে। মডুদের ধইন্যা।বাংলাদেশ এ পর্যন্ত যতগুলি আন্তর্জাতিক চুক্তি করেছে তার প্রায় সবগুলিতেই দেশের স্বার্থ বিকিয়ে দিয়েছে মন্ত্রী নামধারী শুয়ুরের বাচ্চারা। হয়তো সামান্য একটা গাড়ী বা বিদেশে গোপন একাউন্টে কিছু(!!!) টাকা বা তোষামোদী বা চামচামী করে।
কখনো সচিব/উপদেষ্টা ইত্যাদি পদধারী কুত্তার বাচ্চাদের ব্যত্তিস্বার্থে দেশের স্বার্থ বিকিয়ে দিয়েছে, আর আমাদেরকে উল্টাপাল্টা বুঝিয়েছে।
বর্তমানে ও একই ঘটনা ঘটছে, জানিনা কিভাবে এদের প্রতিহত করবো, তবে জন সমর্থন গড়ে তোলার জন্যে আমাদেরকেই কাজ করতে হবে।
কতটুকু সফল হবো জানিনা, তবে একদিন না একদিন আমরাই জিতবো।
লেখক কে ধন্যবাদ দিয়ে ছোট করবোনা....... ভালো থাকুন।
মো:সাজুইসলাম বলেছেন:
ছি বাংলাদেশী এখনও বুঝবানা । খালেদা আর হাসিনা এছাড়া আগে দেখেই না। আজ নয় কাইল বুঝবি পাছা থাবরাইয়া চিক্খাইর পারবি।
দ্রুত আওয়াজ দিয়েন। অপেক্ষায় রইলাম।
লেখক বলেছেন: দেরী হয়ে গেল একটু। কোন পত্রিকা নামটা জানা যাবে?
যদি পুরো বক্তব্য হুবহু প্রকাশ করেন তাহলে স্বাগতম।
জাহিদ মজুমদার বলেছেন:
অবশেষে স্টিকি করা হলো পোস্টটি, সে জন্য ধন্যবাদ। একটা বিষয়, আওয়ামী লীগ ও বিএনপি যখন যে দল বিরোধী দলে থাকে তখনই তারা এইসবের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়। ওদেরকে যদি পারমানেন্টলি বিরোধী দলে রাখা যায় তাইলে মনে হয় দেশটা ঠিক থাকবে।
যে দেশে প্রেসিডেন্ট থেকে পিয়ন সবাই দূর্নীতিবাজ সে দেশে বোধহয় কিছু আশা করা ঠিক হবে না। তবুও আমি আশাবাদী।
আমাদের কোথাও কোনকিছু ধরে দাড়ানোর জায়গা নেই।
লেখক বলেছেন: বাম পন্থী দলগুলো কিন্তু যার যার সামর্থ্য অনুযায়ী প্রতিবাদ করছে। আর খুব ভালো একটা রাজনৈতিক প্লাটফর্ম হলো তেল-গ্যাস-বিদ্যূৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটি। ২ তারিখ সকাল এগারোটায় পেট্রবাংলা ঘেরাও কর্মসূচী আছে তাদের।
সেতূ বলেছেন:
পোস্টটি ষ্টিকি হওয়ায় মোডারেটরদের ধন্যবাদ...
অরণ্য আশরাফ বলেছেন:
পড়ে নিজেকে দায় মুক্ত করলাম।
অরণ্য আশরাফ বলেছেন:
অনেক অনেক ভাল লেগেছে।
২) গ্যাস/কয়লা ইত্যাদি রপ্তানী নিষিদ্ধ ঘোষণা করতে হবে।
৩) মডেল পিএসসি ২০০৮ বাতিল সহ ইতোপূর্বে সম্পাদিত সকল গণবিরোধী পিএসসি চু্ক্তি বাতিল করতে হবে।
৪) বাপেক্স সহ সকল দেশীয় প্রতিষ্ঠানকে আরও দক্ষ ও শক্তিশালী করার দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে যেন স্থল ভাগের মতো গভীর সমুদ্রেও দেশীয় কোম্পানীগুলো নিজেরাই তেল-গ্যাস অনুসন্ধান ও উত্তোলন কার্য চালাতে পারে। মধ্যবর্তী সময়টুকুতে একটি বা দুটি ব্লক থেকে কাজ চালানোর মতো গ্যাস উত্তোলনের জন্য বাপেক্সের কর্তৃত্ত্বাধীনে দেশী-বিদেশী কন্ট্রাক্টর ও যন্ত্রপাতি ভাড়া করা যেতে পারে।
তেল-গ্যাস-বন্দর/ইজারা দেয়া চলবে না,
আমার দেশের তেল-গ্যাস/আমার দেশেই রাখব।
ভাদাইম্যা পোলা বলেছেন:
শেষ পর্যন্ত পোস্টটা তাইলে স্টিকি হইল। আচ্ছা সরকাররে এই পোস্ট দেখানোর কোন ব্যবস্থা করা যায় না?
চিরসবুজ-মানব বলেছেন:
দিনমজুর ভাইয়ের লেখায় শুরু হয়েছে খিস্তি খেউর। কথায় ও যুক্তিতে না পেরে মডারেশন বিহীন আমারব্লগে ডাঃ আইজুদ্দিন নামক এক হাসিনা ও আমেরিকার দালাল দূর্বল এবং বিদেশের কাছে আত্নসমর্পণ মানসিকাত সম্পন্ন ব্লগার দিনমজুর ভাইকে এক হাত নিয়েছে। আপত্তিকর গালিগালাজও করেছে। আমি এর তীব্র নিন্দা জানাই। http://www.amarblog.com/doctor/81661
ভেনিজুয়েলা কিভাবে পারল তা আলীগ ও আমেরিকান দালাল ডাঃ আইজুদ্দিন মানবে না। তার কথা হইল আলীগ তথা হাসিনা যে সিদ্ধান্ত নিব যা বাংলাদেশের সিংহভাগ জনগণ সমর্থন দিবে না সেটাকেই উনি চাপার জোরে গালাগালি করে জায়েয করার চেষ্টা করবেন। যেহেতু হাসিনা ক্ষমতায় আসার আগে রিচার্ড বাউচারের কাছে মূচলেকা দিয়েছে। তাই আমেরিকাবাসী ডাঃ আইজুদ্দিন অন্ধের মতন এটাকে সমর্থন দিয়েছে।
আমরা ইচ্ছা করলেই স্রেফ মজুরি ভিত্তিতে আমাদের গ্যাস উত্তোলন করতে পারি বিদেশী কোম্পানীদের মাধ্যমে। এ ক্ষেত্রে আমাদের দেশপ্রেমই যথেষ্ঠ। আমাদেরই জিনিস আবার আমাদের কাছে চড়া মূল্যে মার্কিন ডলারে কিনতে হবে সে কেমন কথা? যথাযথ টেন্ডার কল করলে প্রতিযোগীতার মাধ্যমে টল্লো ও কেয়ার্ন এর চেয়েও আরো কম মূল্যে সাগরের গ্যাস উঠানো যাবে। আর বাংলাদেশের জনগণ এবং প্রাইভেট সেক্টর সবাই ফকির নয় যে সাগরে গ্যাস উত্তোলন করতে পারবে না। ষ্টক এক্সচেঞ্জে শেয়ার ব্যাবস্থা খুললে প্রচুর দেশী বিনিয়োগ পাওয়া যাবে। এর জন্য দরকার দেশপ্রেমিক সরকারের দেশপ্রেমিক কার্যক্রম। আমাদের দরকার প্রযূক্তি। ২০০৭-০৮ সালে ইরান বলেছিল যে তারা আমাদের কে মূল ভূখন্ড এবং সাগর হতে তেল-গ্যাস উত্তোলনে সাহায্য করবে কিন্তু আমেরিকার ভয়ে ইরান কে কোনদিনও এটা করতে দেওয়া হবে না। যে দেশে ডঃ আইজুর মতন কিছু দালাল থাকে তো সে দেশে হাসিনার মতই বিদেশীদের দালাল প্রধানমন্ত্রী হয় কিন্তু হুগো শ্যাভোজের মত স্বাধীনচেতা আত্ন সম্মানবোধ সম্পন্ন নেতার দেশ চালানোর সুযোগ হয় না। আজকে বাংলাদেশে দরকার হুগো শ্যাভোজের মতন শক্তিশালী সাহসী নেতা। নতুবা চির জীবন আমাদের কে সাম্রাজ্যবাদীদের দাস হয়ে থাকতে হবে।
লেখক বলেছেন: লিংকটা শেয়ার করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। ব্যাপক মজা পাইছি আইজুদ্দিন সাহেবের গালা-গালি গুলো পড়ে। বোঝা গেল আমাদের লেখাটা পড়ে উনি ভীষণ কষ্ট পেয়েছেন, একেবারে জায়গা মত লেগেছে তার!
কয়েকজন দেখলাম তার মতামতের জবাবও দিয়েছে বেশ ভাল।
প্রশ্নোত্তর বলেছেন:
দিনমজুর, আপনার অনবদ্য বিশ্লেষণের জন্য ধন্যবাদ। সবগুলো দাবীর প্রতি সমর্থন জানাচ্ছি।
মনজুরুল হক বলেছেন:
অনেক দেরি হলো পোস্টে আসতে। পিসি ডিসঅর্ডার ছিল। সহমত কথাটা বলা বাহুল্য। ২ তারিখে হয়ত দেখা হয়ে যেতে পারে।
তবে এই ক্যাম্পেইনে মু.ই.সেলিমের উপস্থিতি শংকা জাগায়। আকরাম স্যার কেন যে ওদের ডাকে বুঝিনা!
শেষ পর্যন্ত কী হবে জানিনা, কিন্তু প্রতিবাদ অব্যহত থাকুক। মশাল জ্বলতে থাকুক। সেই আঁচে আর কিছু না হলেও তেতে ওঠা যাবে অন্তত।
কার্ল মার্কস বলেছেন:
দিনমজুর যদি অনুমতি দেন তাহলে আপনার এই লেখাকে লিফলেট আকারে চট্টগ্রামে ছাড়ার ব্যবস্থা করি। দ্রুত আওয়াজ দিয়েন।
লেখক বলেছেন: এতো খুবই ভালো কথা। পুরো বক্তব্য হুবহু রেখে যদি লিফলেট ছাড়েন, তাহলে আপত্তি করার প্রশ্নই আসে না।
যদি লিফলেট ছাড়েন তাহলে খবর দিয়েন আর সেই সাথে দুই একটা কপিও ।
আরিফুর রহমান বলেছেন:
স্টিকি করার জন্য ধন্যবাদ।
এস,আহমেদ বলেছেন:
"বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত বলেছেন: ঘুম থেকে উঠেই দেখি পোষ্ট ষ্টিকি হয়েছে| উফ, খুব ভাল লাগছে|সব দেশ প্রেমিক এক হও! দল মত নির্বিশেষে আসুন তেল/গ্যাস রক্ষা করি| আমরা চাল-গম-কচু-গেচু ফলাতে পারবো কিন্তু আগুনের অভাবে সিদ্ব করে খেতে পারবো না|"
স্টিকি করনের জন্য মডারেটগো থ্যান্কু।
প্রিয়তে+++++++++
কার্ল মার্কস বলেছেন:
ধন্যবাদ, হুবহু হবে এমনকি সামু+আপনার নিক সহ উল্লেখ থাকবে।
একরামুল হক শামীম বলেছেন:
পোস্টটির জন্য ধন্যবাদ।
মনোয়ার আহমদ বলেছেন:
আমি পেশায় ভুতাত্বিক এবং ১৯৮০ থেকে ১৯৯৫, প্রায় ১৫ বৎসর বাংলাদেশের তেল/গ্যাস অনুসন্দ্ধানের সাথে সম্পৃক্ত থাকার অভিজ্ঞতা আমার আছে। আমি জিয়া, এরশাদ এবং খালেদার শাসন আমলের সাক্ষী এবং সময়কার কয়েকটি গ্যাসক্ষেত্র আবিস্কারের সাথে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ভাবে জড়িত থাকার সৌভাগ্য আমার হয়েছে। এ সময় কালে পেট্রোবাংলার অনুসন্দ্ধান বিভাগ, মূলত সোভিয়েত প্রযুক্তি সহযোগিতায় দেশীয় লোকবলে ঐ আবিস্কারগুলো সম্ভব করে। পেট্রোবাংলার অর্জিত কর্মকুশলতাকে ধ্বংসের একটি প্রক্রিয়াও একই সময়ে পশ্চিমাদের বাতাস পেতে থাকে এবং এরশাদ আমলে বাপেক্স সৃস্টির মাধ্যমে তা পরিনতি লাভ করে।একদিকে একথা তারস্বরে বলে বেড়ানো হয় যে,তেল/গ্যাস অনুসন্দ্ধান কার্যক্রমকে জোরদার করার নিমিত্তে বাপেক্স সৃস্টি করা হয়েছে,অথচ এর কার্যক্রম পরিচালনার জন্য কানাকড়িও বরাদ্দে অনীহা প্রকাশ করা হয়েছে।এ অবস্থার বিশ বছরেও কোন পরিবর্তন আনার প্রচেষ্টা আমরা দেখিনি।
মনে রাখা প্রয়োজন এটা সেই সময়কাল যখন সোভিয়েত রাজ্য বিভক্ত হয়েছে এবং ক্রমাগত সভ্যতা শুয়োরের বাচ্চাদের অধিকারে চলে গেছে
আর দেশে একটি কুলাংগার উচ্ছিষ্টভোগী তথাকথিত রাজনীতিবিদ গোষ্ঠির আবির্ভাব হয়েছে যারা বিদেশী প্রভুদের নজর কাড়ার জন্য রাজনৈতিক বেশ্যাবৃত্তিকে মোক্ষ জ্ঞানে দেশকে উপাচার বিবেচনায় মোটেও কুন্ঠিত নয়।এ ব্যাপারে আপনি আপনার মধ্যবিত্ত আদর্শবাদের মাদকতায় এ প্রত্যয় ব্যাক্ত করতে পারেন যে দেশে একটি দেশপ্রেমিক সরকার ক্ষমতায় এসেছে, কিন্তু আলোচ্য ইজারা ব্যাবস্থা আপনার 'আওয়ামী জাহেলিয়াতকে' উলংগ করে ছাড়বে।
এই ব্যাবস্থাপত্রের হিসাব নিকাশে যাওয়ার প্রয়োজন থাকেনা, যখন শুধু মাত্র ৫৫% রিকভারী কস্টের ব্যাবস্থার দিকে তাকানো যায়।পেট্রোবাংলা আর মন্ণ্রনালয়কে টু পাইস দিলেই খরচ আর খরচ!(কোর্ট ফি তিন টাকা, মোট ফি তিন টাকা,তিন তিন ছয় ছয় বারো,আমার তিন আর উকিল বাবুর তিন মোট হোলো আঠারো।
আমি আবারো লিখবো আশা রাখছি এবং চেষ্টা কোরবো পৃথক পোষ্টে আমাদের দেশের সম্পদ লুন্ঠেনের ইতিবৃত্ত তুলে আনার।
লেখক বলেছেন: আপনার মতামতের জন্য ধন্যবাদ। আপনার অভিজ্ঞতা ঋদ্ধ লেখা থেকে জাতীয় সম্পদ লুটের ইতিবৃত্ত আরো বিশদ ভাবে জানার অপেক্ষায় রইলাম।
শফিউল আলম ইমন বলেছেন:
অসাধারণ পোষ্ট। কি বলবো বুঝতে পারছি না। এ ধরণের খবর পড়লে আমার মাথা ব্যাথা হয় খুব। কিছু ভালো লাগে না। দেশের পলিটিশিয়ানরা এতো স্বার্থপর কেন? প্রভু কবে ওদের মানুষ করবে!!পোষ্টে সহমত।
লেখক বলেছেন: বেশ করেছেন। একটা ধন্যবাদ আপনার প্রাপ্য।
প্রশ্নোত্তর বলেছেন:
এ প্রসঙ্গে মনোয়ার আহমদ আপনার তথ্যভিত্তিক লেখা আশা করছি।
লেখক বলেছেন: আপনার ব্যাতিক্রম ধর্মী মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ
রাজর্ষী বলেছেন:
ধন্যবাদ দিনমজুর। মনোয়ার আহমেদ প্লিজ লিখেন। গ্যাস বিক্রি করা যাবেনা কোন যুক্তিতেই। এটাই শেষ কথা।
রাহি বলেছেন:
আধুনিক বিশ্ব শিল্প নির্ভর। তাই আমাদের মতো উন্নয়নশীল দেশের শিল্পায়নের মাধ্যমেই এগুতে হবে। শিল্পায়নের জন্য প্রথম এবং প্রধান শর্ত হচ্ছে জ্বালানি/এনার্জি। এক্সপার্ট'দের মতে বাংলাদেশে আবিস্কৃত গ্যাস দিয়ে বিশ থেকে পচিঁশ বছর দেশের চাহিদা মেটানো সম্ভব। তার মানে পচিঁশ বছর পর আমাদেরকে বিকল্প জ্বালানি খুঁজতে হবে। যদিও আমাদের দেশে সাইন্স মন্ত্রনালয় আছে কিন্তু আমার মনে হয় না এরা একশত- পচিঁশ বছরেও বিকল্প জ্বালানি আবিস্কার করতে পারবে! তাই বাধ্য হয়ে আমদানি করতে হবে। আর জ্বলানি আমদানি করে বাংলাদেশে শিল্পায়ন প্রায় অসম্ভব। কছুদিন আগেও আমি নিউজ-এ দেখেছি বাংলাদেশের কিছু মাঝারি ও বৃহৎ শিল্প-কারখানা গ্যাসের অভাবে বন্ধ ছিল। এর মধ্যে জিয়া সার কারখানাও ছিল। তাই তরগরি করে গ্যাস উওোলনের নামে দূর্ণিতি না করে, দেশীয় চাহিদা মিঠিয়ে ভবিষ্যত শিল্পায়নের জন্য মজুদ রাখাটাই উওম।
তোমোদাচি বলেছেন:
দিনমজুর অন্য সবার সাথে সহমত।
সুবিদ্ বলেছেন:
আমি অনেকদিন কাজ করেছি পেট্রোবাংলার বিভিন্ন কোম্পানীর সাথে......এতে দেখেছি, সবচেয়ে জনবল নিয়ে সর্বদা খুঁড়িয়ে চলছে BAPEX.......BGFCL/SGFL-এর কোন রিগ নাই......বাপেক্স তার রিগ ভাড়া দেয় প্রোজেক্টগুলোতে........সেই রিগও প্রায় ২০+ বছরের পুরোনো......পাঁচ/ছয়বার রিটেন্ডার হয়েছে রিগ কিনতে গিয়ে......যে রিগ ১২০কোটি টাকায় কেনা যেত, তা এখন এক চায়নিজ কোম্পানী থেকে জোড়াতালি মার্কা আনা হচ্ছে......আরো ভয়ংকর হলো দেশে পেট্রোলিয়াম ইঞ্জিনিয়ারের অভাব......গ্র্যাজুয়েশন লেভেলে বাংলাদেশে এই সাবজেক্ট নাই......
এসব নিয়ে ভাবলে মাথাটা আর ঠিক থাকেনা......ধন্যবাদ লেখককে বিষয়টা সামনে আনার জন্য......
লেখক বলেছেন: আপনার অভিজ্ঞতা গুলো আমাদের সাথে শেয়ার করুন প্লিজ।
মামুনুর রহমান খাঁন বলেছেন:
অনেকদিন পর আপনার লেখা পড়লাম। চমৎকার লিখেছেন।লুটপাট এ আর নতুন কি। সারা জীবন তাই তো দেখে আসছি।
শুধু আফসোস করি আর ভাবি, এদেশে এমন সরকার কবে আসবে যারা সত্যিকরের জনগেনর সরকার হবে, জনগনের জন্য, দেশের জন্য কাজ করবে? এমন সরকার আদৌ আসবে কি? জানিনা
আপনাকে + এবং সোজা শোকেসে
ময়ুখ বলেছেন:
যে কোন মুল্যে আওয়ামী লীগ সরকারের এই অপতৎপরতা বন্ধ করতে হবে।এবং চুপচাপ ঘরে বসে থাকলে হবে না।আসুন তেল-গ্যাস-বিদ্যুত-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির ডাকে সাড়া দিয়ে এসব দেশবিরোধী চক্রান্ত বনধ করি।
ওরাকল বলেছেন:
লেখক বলেছেন: "তবে সমস্যা হলো আপনি উদাহরণের ১০ টিসিএফকে আক্ষরিক অর্থে নিয়েছেন। ধরা যাক, নির্দিষ্ট পরিমাণ গ্যাস আবিস্কার হলো, পরিমাণে ধরেন ৪/৫ টিসিএফ(কাছাকাছি এলাকার ৩ টি ব্লক থেকে মায়ানমার ৭ টিসিএফ আবিস্কার করেছে) তখন যেটা করা হবে তা হলো মজুদ বাড়িয়ে দেখানো হবে যেমন সাংগুর ক্ষেত্রে কেয়ার্ন দেখিয়েছে।"--> উত্তর দেবার জন্য আবার ও ধন্যবাদ। আমি ঠিক আক্ষরিক ভাবে ১০ টিসিএফ এর কথা বলতে চাইনি। আমি শুধু বড়-মাঝড়ি ও ছোট সাইজের গ্যাস মজুদের কথা বোঝানোর জন্য আপনার দেওয়া উদাহরনটাই ব্যবহার করেছি। মজুদ বাড়িয়ে দেখানোর সমস্যাটা তো চুক্তির সাথে সম্পর্কিত নয় বরং তা মনিটরিং এযেন্সির সমস্যা। ঐখান থেকে দালাল গুলোকে অপসারন করতে হবে।
"গ্যাসের প্রথম দাবীদার পেট্রবাংলার চাহিদা থাকা সত্ত্বেও লাভজনক না হওয়ার কথা বলে কেয়ার্ন পেট্রবাংলার বদলে তৃতীয় পক্ষের কাছে গ্যাস বিক্রি করবে।"
--> সেই তৃতীয় পক্ষটা কিন্তু বাংলাদেশেরই কোন সংস্থা বা কম্পানি । গ্যাস ডিসট্রিবিউশন পম্পানিগুলো ২৪ ঘন্টা নিরবিচ্ছিন্ন ভাবে গ্যাস দিতে পারছে না .. হয় গ্যাস নাই না হয় ডিসট্রিবিউশন লাইন নাই। সুতরাং তারা যদি বেশী দামে গ্যাস দেশে বিক্রি করতে পারে তা হলে সরকারই বেশী পরিমান রাজস্ব পাবে।
আর বিদেশী কম্পানি গুলো কিন্তু হয় দেশী গ্যাস কম্পানির ডিসট্রিবিউশন লাইন ব্যবহার করবে না হ্য় নিজস্ব ডিসট্রিবিউশন লাইন বানাবে । ওরা যেটাই করুক সোকার পরিবহন/ জমি ব্যবহার বাবদ রাজস্ব পাবে।
"আর এলএনজি বা বোতল জাত গ্যাস উৎপাদনের কাজটি সময় ও খরচ সাপেক্ষ তো বটেই কিন্তু সে কাজটি যে কনকো বা টাল্লোকেই করতে হবে ব্যাপারটি তা নয়। মডেল পিএসসি অনুযায়ী পৃথক চুক্তির মাধ্যমে তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমেও কাজটি করা যাবে।"
--> সেক্ষেত্রে সরকার/ দেশী কোন কম্পানি এলএনজি প্লান্ট বানাতে পারে এবং তা দেশেই ব্যবহার করতে পারে। ইউরোপ আমেরিকার উন্নত দেশগুলোতেও পাইপ লাইনে বাসা-বাড়িতে গ্যাস দেওয়া হয় না। বাসা-বাড়িতে আমরা যে পরিমান গ্যাস অপচয় করি তা আর কী বলব।
তিনি আরো বলেছেন: "কেয়ার্ন পেট্রবাংলার কাছে সাংগু গ্যাস ক্ষেত্রের গ্যাস প্রতি ইউনিট ৩ ডলার করে বিক্রি করছে। আর পেট্রবাংলার কাছ থেকে দেশীয় কোম্পানীগুলো কিনছে প্রতি ইউনিট ২ ডলার করে। অন্যদিকে কাফকো এক সময় বাখরাবাদের কাছ থেকে ১২ ডলার করেও গ্যাস কিনেছে। KEPZ এবং CEPZ এর চেয়েও বেশী দামে গ্যাস কিনতে রাজী আছে। দামা-দামির ব্যাপারে কোন দেশীয় কোম্পানীই KAFCO, KEPZ, CEPZ এর প্রতিযোগীতা করে গ্যাস কিনতে পারবে না"
--> এই যে ১ ডলার ভর্তুকি দিলো সরকার এটা কার টাকা আপনার-আমার টাকা। এর অতি সামান্য অংশই কৃষক সার আর আমরা বিদ্যুত হিসেবে পেয়েছি। বাকিটা শিল্পমালিকদের পকেটে।
"এ বিষয়ে অধ্যাপক নূরুল ইসলাম বলেছেন:" এটা মোটেও ভাল লক্ষণ নয়। এরপর থেকে অন্যান্য কোম্পানীগুলোও একই রকম আবদার করবে। চট্টগ্রামে চলছে তীব্র বিদ্যূৎ সংকট। এ সংকট মোকাবেলার জন্য সরকারকে আলটেমেটলি KAFCO, KEPZ, CEPZ এর প্রতিযোগীতা করেই গ্যাস কিনতে হবে। সেক্ষেত্রে এখন পেট্রবাংলা চুক্তি অনুসারে যে গ্যাস ২.৯ ডলার করে কিনতে পারতো তা তাকে কিনতে হবে প্রতি ইউনিট কমপক্ষে ৭ ডলার করে।"
--> সম্পদটা আমাদের বলেই কী তা প্রায় ফ্রি হিসাবে ভোগ করা উচিত ? বাংলাদেশের ১৫% মানুষ বিদ্যুত পায় যার ১০ ভাগই শহরে বাস করা আপনার-আমার মত তুলনামূলক সুবোধাভোগি মানুষ তা হলে কেন আপনি দেশীয় সম্পদ কম দামে ভোগ করবেন?
লেখক বলেছেন: --> উত্তর দেবার জন্য আবার ও ধন্যবাদ। আমি ঠিক আক্ষরিক ভাবে ১০ টিসিএফ এর কথা বলতে চাইনি। আমি শুধু
বড়-মাঝড়ি ও ছোট সাইজের গ্যাস মজুদের কথা বোঝানোর জন্য আপনার দেওয়া উদাহরনটাই ব্যবহার করেছি। মজুদ বাড়িয়ে দেখানোর সমস্যাটা তো চুক্তির সাথে সম্পর্কিত নয় বরং তা মনিটরিং এযেন্সির সমস্যা। ঐখান থেকে দালাল গুলোকে অপসারন করতে হবে।
>>> মনিটরিং এ সমস্যা আছে। সেবিষয়ে নজর দেয়া দরকার তাও ঠিক আছে । কিন্তু সমস্যা তো চু্ক্তিরও, নইলে কেন আমাদের গ্যাসের মাত্র ২০ ভাগ আমরা পাব? দেশে সংকট থাকা সত্ত্বেও গ্যাস রপ্তানীর সুযোগ কেন রাখা হবে?
--> সেই তৃতীয় পক্ষটা কিন্তু বাংলাদেশেরই কোন সংস্থা বা কম্পানি । গ্যাস ডিসট্রিবিউশন পম্পানিগুলো ২৪ ঘন্টা নিরবিচ্ছিন্ন ভাবে গ্যাস দিতে পারছে না .. হয় গ্যাস নাই না হয় ডিসট্রিবিউশন লাইন নাই। সুতরাং তারা যদি বেশী দামে গ্যাস দেশে বিক্রি করতে পারে তা হলে সরকারই বেশী পরিমান রাজস্ব পাবে।
আর বিদেশী কম্পানি গুলো কিন্তু হয় দেশী গ্যাস কম্পানির ডিসট্রিবিউশন লাইন ব্যবহার করবে না হ্য় নিজস্ব ডিসট্রিবিউশন লাইন বানাবে । ওরা যেটাই করুক সোকার পরিবহন/ জমি ব্যবহার বাবদ রাজস্ব পাবে।
>>> তৃতীয় পক্ষটা বাংলাদেশের কম্পানী হলেও কিন্ত দামটা তখন আর ২/৩ ডলার থাকছে না, দেশের গ্যাস তখন দেশীয় কম্পানী(সরকারী/বেসরকারী)কে আন্তর্জাতিক মূল্যে কিনতে হবে। সেক্ষেত্রে সেটাতো গ্যাস আমদানী-ই হয়ে গেল তাই না?
আর ডিসট্রিবিউশনের দক্ষতা বা ইফিশিয়ান্সি কি বাংলাদেশের এখনকার মূল সমস্যা? ডিস্ট্রিবিউশানের সমতা নাই সেটা একটা সমস্যা। কিন্তু বেশিদামে বিদেশী কম্পানীর কাছ থেকে গ্যাস কিনলে সে বৈষম্য কি কমবে?
আবার বেশী দামে দেশীয় সরকারী/বেসরকারী কোম্পানীর কাছে গ্যাস বিক্রি করে বিদেশী কোম্পানীকে হাজার হাজার কোটি টাকার মুনাফা করার ব্যাবস্থা করে সেই মুনাফার একটা সামান্য ভাগ রাজস্ব হিসেবে পাওয়ার যে তত্ত্ব আপনি দিলেন, তা কমিশন ভোগী মানসিকতার লক্ষণ নজির নয় কি? ভাই যে লাভটা পুরোটাই আমরা পেতাম সেটার সামান্য একটা অংশ এখন রাজম্বের মাধ্যমে পাওয়ার স্বপ্ন দেখাকে আমরা আর কি বলতে পারি?
--> সেক্ষেত্রে সরকার/ দেশী কোন কম্পানি এলএনজি প্লান্ট বানাতে পারে এবং তা দেশেই ব্যবহার করতে পারে। ইউরোপ আমেরিকার উন্নত দেশগুলোতেও পাইপ লাইনে বাসা-বাড়িতে গ্যাস দেওয়া হয় না। বাসা-বাড়িতে আমরা যে পরিমান গ্যাস অপচয় করি তা আর কী বলব।
>>> পাইপ লাইনে গ্যাস পাওয়ার সুযোগ থাকলে কেউ পাগল না হলে এলএনজি ব্যাবহার করবে না কারণ এলএনজির দাম প্রায় ক্রুড ওয়েলের সমান হয়ে যায়। আমাদের দেশে পাইপ লাইনে বাসা-বাড়ি ও কলকারখানায় গ্যাস সরবরাহের সুযোগ থাকা সত্ত্বেও (যেহেতু আমদানী করতে হচ্ছে না) ইউরোপ-আমেরিকার উন্নত দেশগুলো এলএনজি ব্যবহার করে বলেই(কারণ তাদেরকে এলএনজি রুপে গ্যাস আমদানী করতে হয়) কি আমরা এলএনজি ব্যবহার করব নাকি?
--> এই যে ১ ডলার ভর্তুকি দিলো সরকার এটা কার টাকা আপনার-আমার টাকা। এর অতি সামান্য অংশই কৃষক সার আর আমরা বিদ্যুত হিসেবে পেয়েছি। বাকিটা শিল্পমালিকদের পকেটে।
>>> ১ ডলার দেশীয় শিল্পে ভর্তুকি দিলে আপনার লাগছে আর বিদেশী কম্পানীর কাছ থেকে যখন আন্তর্জাতিক দামে গ্যাস কিনতে হলে যে তার চেয়ে কয়েকগুণ বেশী টাকা বিদেশী কম্পানীকে দিতে হচ্ছে সেটা কি চোখে পড়ে না?
--> সম্পদটা আমাদের বলেই কী তা প্রায় ফ্রি হিসাবে ভোগ করা উচিত ? বাংলাদেশের ১৫% মানুষ বিদ্যুত পায় যার ১০ ভাগই শহরে বাস করা আপনার-আমার মত তুলনামূলক সুবোধাভোগি মানুষ তা হলে কেন আপনি দেশীয় সম্পদ কম দামে ভোগ করবেন?
>> আমাদের সম্পদ আমরা ফ্রি ভোগ করব না তো কি বিদেশীদের কাছ থেকে বেশী দামে কিনে ভোগ করব? বাংলাদেশের ১৫% মানুষ বিদ্যুত পায় বলেই তো দেশের গ্যাস দেশে রেখে আরও বেশী বিদ্যুত উতপাদন করার ব্যবস্থা করা দরকার যেন দেশের ৮৫% মানুষ বিদ্যূত সুবিধা পায়। সমতা আনার জন্য এটাই তো উপায় নাকি সমতার জন্য এখন এমন ব্যাবস্থা করার দরকার যেন যেসব বাড়িঘর আর কলকারখানায় গ্যাস-বিদ্যূত সরবারহের ব্যবস্থা আছে সেগুলোতেও যেন আর সরবরাহের মত গ্যাস বিদ্যূত না থাকে? আর বিদ্যুত কেবল বাসা বাড়িতে ব্যবহ্রত হয় না, শহর-গ্রামের সব মানুষের জন্য প্রয়োজনীয় পণ্য উতপাদন কারী কারখানাতেও বিদ্যূত ব্যাবহুত হয় এবং তার পরিমাণটাই বেশী।
কেন দেশী কোম্পানীকে এসব কাজ দেয়া যাচ্ছেনা বা দেশী কোম্পানীর এই কাজ করতে অসুবিধা হিসেবে সরকার কি কি পয়েন্ট তুলে ধরছে এটা নিয়ে একটা আলাদা আলোচনা হওয়া উচিত
এ নিয়ে মনোয়ার আহমেদের বিস্তারিত একটি লেখাও আমরা শীগগিরই পাবো বলে আশা করছি
আশিক হাসান বলেছেন:
পোস্ট প্রিয়তে রাখলাম , কিন্ত লাভ কতটুকু হবে আসলে বাস্তবিক ভাবে সেই বিষয়ে আমি সন্দিহান।নদীর দুকুলই যখন ভাংগে তখন আর আশ্রয় কোথায় ।
আল্লাহ রাখা বলেছেন:
মাইনাস............... একটা ফালতু আবালিয় পোস্ট ...... মডারেটরদের নির্বুদ্ধিতায় আমি হতাশ, কয়েকজন ব্লগার বললো..... আর স্টিকি হয়ে গেল, অনেকে আছে সংবাদ পড়ার মত করে সামু পড়ে যায়,যদিও তারা ব্লগার না , জাস্ট ভিজিটর।লেখককে বলছি, আমি খালেদা জিয়ার সেই কথাটার সাথে একমত।
সমুদ্রের তলায় যে গ্যাস আছে তা আমরা আজীবন চেস্টা করলেও উঠাতে পরবো না, আর বাইরের দেশ যদি চায় তো আমরা সবাই যদি কাপড় চোপড় খুলেও নাচি লাভ নাই, বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হয়েছিল জিয়াকে,কেউ কিছু করতে পারছে,এগুলা কি শুধু দেশীয় শক্তিই করেছে ,বাইরের হাত না থাকলে কিছুতেই সম্ভব না। আর আমাদের দেশে যেখানে মেঘনায় একটা লঞ্চ ডুবলেই আমরা উঠাতে পারি না, সেখানে সমুদ্রের তল থেকে গ্যাস উঠাব তাই না,
এসব বাল ছাল না লিখলে কি হয় না।
এ জাতিয় পোস্ট স্টিকি হয় আর আখতারের পোস্ট টা সরে যায় আফসোস, সাইডে যে আখতারের পোস্ট আছে তা আমরা যারা ব্লগার আছি তারাই দেখবো বাট ভিজিটরদের চোখেও পরবেনা।
আবালের সংখ্যা দিনকে দিন বেরে যাচ্ছে.....
লেখক বলেছেন: আপনার এই সুচিন্তিত, সুলিখিত ও সুশ্রাব্য মন্তব্যটির জন্য অভিনন্দন।
ফয়েজ ০৮ বলেছেন:
যে কোন মুল্যে আওয়ামী লীগ সরকারের এই অপতৎপরতা বন্ধ করতে হবে।এবং চুপচাপ ঘরে বসে থাকলে হবে না।আসুন তেল-গ্যাস-বিদ্যুত-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির ডাকে সাড়া দিয়ে এসব দেশবিরোধী চক্রান্ত বনধ করি।
ওরাকল বলেছেন:
লেখক বলেছেন:"আবার বেশী দামে দেশীয় সরকারী/বেসরকারী কোম্পানীর কাছে গ্যাস বিক্রি করে বিদেশী কোম্পানীকে হাজার হাজার কোটি টাকার মুনাফা করার ব্যাবস্থা করে সেই মুনাফার একটা সামান্য ভাগ রাজস্ব হিসেবে পাওয়ার যে তত্ত্ব আপনি দিলেন, তা কমিশন ভোগী মানসিকতার লক্ষণ নজির নয় কি? ভাই যে লাভটা পুরোটাই আমরা পেতাম সেটার সামান্য একটা অংশ এখন রাজম্বের মাধ্যমে পাওয়ার স্বপ্ন দেখাকে আমরা আর কি বলতে পারি?""
--->> হুম কিন্তু যে লাভটা পুরোটাই আমরা পেতাম সেটা তো আমরা মানে সাধারন জনগোষ্ঠি পাইনা ঐটা যায় দেশী-বিদেশী ব্যবসয়িদের পকেটে । ৩-৪ বছর আগে ও গার্মেন্ছ মালিকরা যা বলছে এখন ও তাই বলছে অথচ ৩ সিফটের ১,৫ টাই এখন ডিজেল চালিত জেনারেটরে চলে। ওরা যে পরিমান বিদ্যুত/গ্যাস ব্যভার করে তার ৫০% এর ও বিল সরকার পায় না।
"পাইপ লাইনে গ্যাস পাওয়ার সুযোগ থাকলে কেউ পাগল না হলে এলএনজি ব্যাবহার করবে না কারণ এলএনজির দাম প্রায় ক্রুড ওয়েলের সমান হয়ে যায়। আমাদের দেশে পাইপ লাইনে বাসা-বাড়ি ও কলকারখানায় গ্যাস সরবরাহের সুযোগ থাকা সত্ত্বেও (যেহেতু আমদানী করতে হচ্ছে না) ইউরোপ-আমেরিকার উন্নত দেশগুলো এলএনজি ব্যবহার করে বলেই(কারণ তাদেরকে এলএনজি রুপে গ্যাস আমদানী করতে হয়) কি আমরা এলএনজি ব্যবহার করব নাকি?"
--->> রাশিয়া, আমেরিকা, কানাডা দুনিয়ার প্রথম ৩ গ্যাস রিজার্ভের মালিক ....তারা ও আমাদের মত সাহেবি স্টাইলে বাসা-বাড়িতে গ্যাস পাইপ লাইনে সরকারি ভাবে দেয় না ।
আর ৫৮০ টাকার বোতল ৮০০-১০০০ টাকায় বিক্রি করছে বাংলসদেশীরা ...বিদেশীরা না
আমাদের সম্পদ আমরা ফ্রি ভোগ করব না তো কি বিদেশীদের কাছ থেকে বেশী দামে কিনে ভোগ করব?
--->> সে জন্যই আমদের এই অবস্থা । মধ্যপ্রাচ্চে পেট্রল-ডিজেলের দাম কত জানেন ? ওরা তো তেলের উপর ভাসতাছে তবু ও কম দামে নাগরীকদের দেয় না।
বাংলাদেশের ১৫% মানুষ বিদ্যুত পায় বলেই তো দেশের গ্যাস দেশে রেখে আরও বেশী বিদ্যুত উতপাদন করার ব্যবস্থা করা দরকার যেন দেশের ৮৫% মানুষ বিদ্যূত সুবিধা পায়।
-->> হুম উত্পাদন করতে লাগে ৩,৫০ টাকা পাবলিক কেনে ২,১৫ টাকায় । দেশ বিদেশীরা না আমরা নিজেরাই লুট করতাছি
সমতা আনার জন্য এটাই তো উপায় নাকি সমতার জন্য এখন এমন ব্যাবস্থা করার দরকার যেন যেসব বাড়িঘর আর কলকারখানায় গ্যাস-বিদ্যূত সরবারহের ব্যবস্থা আছে সেগুলোতেও যেন আর সরবরাহের মত গ্যাস বিদ্যূত না থাকে?
--->> অবস্যই সমতা দরকার তাই বলে ৩ টাকার মাল ২ টাকায় গনহারে বিলি করা সম্ভব না। বিশেষ করে শহর গুলোতে।
"আর বিদ্যুত কেবল বাসা বাড়িতে ব্যবহ্রত হয় না, শহর-গ্রামের সব মানুষের জন্য প্রয়োজনীয় পণ্য উতপাদন কারী কারখানাতেও বিদ্যূত ব্যাবহুত হয় এবং তার পরিমাণটাই বেশী।"
----->> যা খরচ করে তার ৭৫% এর বিল ও ঠিক ভাবে আদায় কারা সম্ভব হয় না। ঠেলা যা যায় তা আপনার-আমার মত সাধারন পাবলিকের উপর দিয়া।
সবাই আমরা দেশ প্রেমিক দেশের ভাল চাই .........কিন্তু ৩'৫ টাকার মাল ২ টাকায় পাইতে চাই , ৫-৮ ডলারের গ্যাস ২ ডলারে পাইতে চাই। এই আমাদের দেশপ্রেমের নমুনা।
বিপিসি, বাপেস্ক, পেট্রবাংলা আজ টাকার অভাবে ধুকছে কারন টা কী কেউ জানেন ....আমাদের এই *কমে পাওয়ার* খয়েশ মেটাইতে গিয়া এগুলার একবারে পথে বসার যোগার
লেখক বলেছেন: বিষয়গুলো নিয়ে আপনার পরবর্তী মন্তব্যের শেষে আলোচনা করার চেষ্টা করেছি।
জইন বলেছেন:
সহমত @হাসান শাহরিয়ার ভাই.....ধন্যবাদ এ মন্তব্যটার জন্য। লেখক মনে হয় গভীরভাবে চিন্তা করতে পারেন নি,যদিও আমি পোস্ট টা পুরো পরি নি কারন রূচি হয় নি,
হুজুগে বাঙালী একটু গুজুগে মাতুক,কি আর করা,(গুজুক = গু + হুজুক)
@ আল্লাহ রাখা ভাই --- ব্লগেতো এত বেশিদিন হয় নাই,তাই হয়তো জানেন না, ফাউল একটা বিষয়ে একবার স্টিকির হুজুগ উঠলেই ব্যাস সামু স্টিকি করবেই,আর এখানে মডারেটরদের দোষ নাই।
ইনক্রেডিবল বলেছেন:
আমরা তো ভোট পছন্দ করি। গণভোট আয়োজন করা হোক। জনগনের তেল,গ্যাস জনগন বেচবে কিনা। দরকার হলে গ্যাস বেইচাই ভোটের খরচ উঠানো হোক। একদিন ভোটের জন্য গোটাদেশ ছুটি দিয়া দিক। ফলাফল পছন্দ না হইলে আবার ভোট। বেস্ট অব থ্রি।অফটপিক: গ্যাস কি পচনশীল দ্রব্য? মাটির নীচে থাকলে পচে যায়?
ওরাকল বলেছেন:
লেখক বলেছেন : আবার বেশী দামে দেশীয় সরকারী/বেসরকারী কোম্পানীর কাছে গ্যাস বিক্রি করে বিদেশী কোম্পানীকে হাজার হাজার কোটি টাকার মুনাফা করার ব্যাবস্থা করে সেই মুনাফার একটা সামান্য ভাগ রাজস্ব হিসেবে পাওয়ার যে তত্ত্ব আপনি দিলেন, তা কমিশন ভোগী মানসিকতার লক্ষণ নজির নয় কি? ভাই যে লাভটা পুরোটাই আমরা পেতাম সেটার সামান্য একটা অংশ এখন রাজম্বের মাধ্যমে পাওয়ার স্বপ্ন দেখাকে আমরা আর কি বলতে পারি?আবার বেশী দামে দেশীয় সরকারী/বেসরকারী কোম্পানীর কাছে গ্যাস বিক্রি করে বিদেশী কোম্পানীকে হাজার হাজার কোটি টাকার মুনাফা করার ব্যাবস্থা করে সেই মুনাফার একটা সামান্য ভাগ রাজস্ব হিসেবে পাওয়ার যে তত্ত্ব আপনি দিলেন, তা কমিশন ভোগী মানসিকতার লক্ষণ নজির নয় কি? ভাই যে লাভটা পুরোটাই আমরা পেতাম সেটার সামান্য একটা অংশ এখন রাজম্বের মাধ্যমে পাওয়ার স্বপ্ন দেখাকে আমরা আর কি বলতে পারি?--> বিদেশী কম্পানি যদি দেশী কম্পানির কাছে গ্যাস বেচে হাজার হাজার কোটি টাকার মুনাফা করতে পারে
তবে আমাদের এই দেশী কম্পানিগুল কম দামি গ্যাস ব্যবহার করে গত ৩৮ বছরে কত লক্ষ কোটি টাকা মুনাফা করছে ? তার কয় টাকা সরকার টেস্ক হিসাবে পাইছে?
উত্তর : আন্ডা সরকার আন্ডা পাইছে । তাইলে সমস্যাটা কী ? কিছু না পাওয়ার চাইতে অল্প কিছু পাওয়া ও কী ভাল নয়?
আপনার এই যুক্তিটা যে মাঠে মারা গেছে সাটা নিশ্বই বুঝতে পরছেন।
লেখক বলেছেন: হাসান শাহারিয়ার ,আপনার একাধিক মন্তব্য এসে গেছে। মন্তব্যগুলোর ব্যাপারে আমাদের মতামত আলাদা আলাদা ভাবে না দিয়ে (কারণ মনে হয় আলোচনা একটু ছড়িয়ে গেছে) আপনার মন্তব্যগুলো পড়ে মনে হয়েছে দুএকটা বিষয় একটু পরিস্কার করা দরকার এবং এ প্রসংগে আপনার অবস্থান পরিস্কার জানা দরকার।
সরকারী কোন প্রতিষ্ঠান যখন অন্যকোন সরকারী প্রতিষ্ঠানকে ভর্তুকী দেয়, তখন টাকাটা এক পাবলিক প্রতিষ্ঠান থেকে অন্য পাবলিক প্রতিষ্ঠানে যায়। ফলে জনগণের টাকা/সম্পদ জনগণের কাছেই থাকে। আমরা কখনই বেসরকারী শিল্পে ভর্তুকীর পক্ষে নই কেননা সেক্ষেত্রে পাবলিকের টাকা প্রাইভেট পকেটস্থ হচ্ছে। আবার সরকার যখন বিদেশী বিনিয়োগ আকৃষ্ট করার নামে বিদেশী কোম্পানীকে ভর্তুকী মুল্যে গ্যাস দেয়, ট্যাক্স মৌকুফ করে দেয় সেটা আরো বেশী ভয়ংকর- দেশীয় প্রাইভেটকে ভর্তুকী দেয়াটা পুকুর চুরি হলে বিদেশী কোম্পানীকে ভর্তুকী দেয়াটা সাগর চুরি।
সুতরাং ৩.৫০ পয়সার মাল পাবলিক/পাবলিক কো্ম্পানী ২.১৫ পয়সায় কিনলে সেটা কোন অর্থেই লুটপাট নয়। ৩.৫০ পয়সার মাল বিদেশী কোম্পানীর( কিংবা দেশীয় বেসরকারী) কাছ থেকে পাবলিকের টাকায় ১০গুণ বেশী দিয়ে কেনাটাই লুটপাট। যে খনিজ সম্পদের ১০০% এরই মালিক জনগণ তার ৮০% বিদেশী কোম্পনীর হাতে তুলে দেয়াটাই লুটপাট।
আপনার মূল বক্তব্য টা আসলে কি? দেশের সম্পদ দেশে রাখার কথা বলে কেবল শহরের ধনী মানুষদের ভোগে তা ব্যায় করা কিংবা জনগণের টাকায় গার্মেন্টস বা অন্য কোন বেসরকারী প্রতিষ্ঠানকে ভর্তুকী দেয়া ইত্যাদির বিরোধীতা করা যদি আপনার মূল বক্তব্য হয় তাহলে আপনার সাথে আমাদের কোন বিরোধ নেই।
কিন্তু দেশের সম্পদ দেশীয় বুর্জোয়াদের দ্বারা লুটপাট হচ্ছে বলে এখন বাইরের সাম্প্রাজ্যবাদীদের হাতে সেটা তুলে দিতে হবে কিংবা তুলে দেয়ার মধ্যে আপনি কোন সমস্যা দেখেন না(গ্যাস রপ্তানী কিংবা বিদেশী কোম্পানীকে দিয়ে গ্যাস উত্তোলনের কথা বলে ৮০ ভাগ গ্যাস তাদের মালিকানায় দিয়ে দেয়া ইত্যাদি প্রশ্নে পিএসসি চুক্তি বাতিল করার ক্ষেত্রে আপনার আপত্তি দেখে আমাদের তা-ই মনে হচ্ছে)- এটাই যদি আপনার অবস্থান হয়ে থাকে তাহলে আমরা সর্বোত ভাবে আপনার মতামতের বিরোধীতা করছি।
আপনার অবস্থানটা কন্ট্রাডিকটরি মনে হচ্ছে কারণ একদিকে আপনি জনগণের সম্পদের অসম বিলিবন্টনের যেমন শহরের মানুষ কিংবা গার্মেন্টস এর মালিকদেরকে ভর্তুকী মুল্যে বিদ্যুত বা গ্যাস সরবরাহের প্রশ্নে আপনার অসন্তোষ জ্ঞাপন করছেন আর অন্যদিকে সেই জনগণেরই সম্পদ বিদেশী কোম্পনীর লুটপাটের জন্য উন্মোক্ত করে দেয়ার যে পিএসসি চু্ক্তি সেটা বাতিল করার ব্যাপারে, গ্যাসের মালিকানার ৮০% বিদেশী কোম্পনীর হাতে তুলে দেয়ার বিরোধীতার ব্যাপারে কিংবা গ্যাস রপ্তানীর বিপক্ষে সুস্পষ্ট কোন কথা বলছে না বরং এগুলো বাতিল না করে সংস্কার/মনিটরিং ইত্যাদির কথা বলছেন- এই চুক্তিগুলোর মুলেই তো সমস্যা, চু্ক্তির প্রকৃয়ায় সমস্যা, সম্পদের মালিকানার ভাগাভাগিতে সমস্যা, কি সংশোধন আর মনিটরিং আপনি করবেন আর তার মাধ্যমে কি অর্জন করবেন?
আপনার উদ্দেশ্যটা আসলে কি?
আমরা জনগণের টাকায় বেসরকারী পুজিপতিদের ভর্তুকী দেয়ার যেমন বিরোধীতা করি তেমনি জনগণের সম্পদ বিদেশী কোম্পানীর হাতে তুলে দেয়ারও বিরোধীতা করি- এই দুটো বিষয়ের বিরোধীতা একই সংগ্রামের অংশ, যার একটি কে বাদ দিয়ে আরেকটি অর্থহীন।
ইব্রাহীমলিজা বলেছেন:
আশিক হাসান বলেছেন: পোস্ট প্রিয়তে রাখলাম , কিন্ত লাভ কতটুকু হবে আসলে বাস্তবিক ভাবে সেই বিষয়ে আমি সন্দিহান।নদীর দুকুলই যখন ভাংগে তখন আর আশ্রয় কোথায়???
পড়ুয়া_পড়ুয়া বলেছেন:
আমি হাসান শাহরিয়ারের কথার কোনো খেই খুঁজে পাচ্ছি না । একটা যুক্তিকে খন্ডন করতে গিয়ে তিনি অপ্রাসঙ্গিকভাবে অন্য কথা বলছেন অথবা প্রকারান্তরে কুযুক্তি করছেন । দূঃখজনকভাবে অগণতান্ত্রিক অবস্থান নেয়াতে ওনার এই দশা । অগণতান্ত্রিক ও অযৌক্তিক অবস্থান থেকে সৃষ্ট আচরণ কুযুক্তির অবতারনার পথ প্রশস্ত করে আর কুযুক্তির ধুম্রজাল অযৌক্তিকতার অবস্থানকে টিকিয়ে রাখে ।@আল্লাহ রাখা ও জইন, আপনাদের মত দালালদের জন্য এই পোস্ট না ।আর আল্লাহ রাখা, আপনি যে তামিম ও তৌফিক এলাহী গোত্রীয় বিশাল একটা 'বাল' , আমরা আবালরা সেটা বুঝতে পারলাম ।
পড়ুয়া_পড়ুয়া বলেছেন:
হাসান শাহরিয়ার লেখকের বক্তব্য -"আবার বেশী দামে দেশীয় সরকারী/বেসরকারী কোম্পানীর কাছে গ্যাস বিক্রি করে বিদেশী কোম্পানীকে হাজার হাজার কোটি টাকার মুনাফা করার ব্যাবস্থা করে সেই মুনাফার একটা সামান্য ভাগ রাজস্ব হিসেবে পাওয়ার যে তত্ত্ব আপনি দিলেন, তা কমিশন ভোগী মানসিকতার লক্ষণ নজির নয় কি? ভাই যে লাভটা পুরোটাই আমরা পেতাম সেটার সামান্য একটা অংশ এখন রাজম্বের মাধ্যমে পাওয়ার স্বপ্ন দেখাকে আমরা আর কি বলতে পারি?""
খন্ডন করতে গিয়ে বললেন -
"হুম কিন্তু যে লাভটা পুরোটাই আমরা পেতাম সেটা তো আমরা মানে সাধারন জনগোষ্ঠি পাইনা ঐটা যায় দেশী-বিদেশী ব্যবসয়িদের পকেটে । ৩-৪ বছর আগে ও গার্মেন্ছ মালিকরা যা বলছে এখন ও তাই বলছে অথচ ৩ সিফটের ১,৫ টাই এখন ডিজেল চালিত জেনারেটরে চলে। ওরা যে পরিমান বিদ্যুত/গ্যাস ব্যভার করে তার ৫০% এর ও বিল সরকার পায় না।"
হাসান শাহরিয়ার , এইটা কেমনতরো যুক্তি করলেন ? একটা পয়েন্টে যুক্তি করতে না পেরে অন্য প্রসঙ্গ আনলেন কেন ? নিজের কমিশনভোগী মানসিকতারে কথার মারপ্যাচে ঢাকা দেওয়ার জন্য ? যে লাভের পুরোটাই জনগনের পাওয়ার কথা , তা দেশী-বিদেশী ব্যবসায়ীদের পকেটে যাচ্ছে বলে যাওয়ার রাস্তা কি আরো প্রশস্ত করে দিতে চান ?
ওরাকল বলেছেন:
পড়ুয়া_পড়ুয়া বলেছেন: আমি হাসান শাহরিয়ারের কথার কোনো খেই খুঁজে পাচ্ছি না । একটা যুক্তিকে খন্ডন করতে গিয়ে তিনি অপ্রাসঙ্গিকভাবে অন্য কথা বলছেন অথবা প্রকারান্তরে কুযুক্তি করছেন । দূঃখজনকভাবে অগণতান্ত্রিক অবস্থান নেয়াতে ওনার এই দশা । অগণতান্ত্রিক ও অযৌক্তিক অবস্থান থেকে সৃষ্ট আচরণ কুযুক্তির অবতারনার পথ প্রশস্ত করে আর কুযুক্তির ধুম্রজাল অযৌক্তিকতার অবস্থানকে টিকিয়ে রাখে ।----->> বিদেশীরা করলে চুরি আর দেশীরা করলে কিছু না তাই না। বস্তুত পক্ষে আমরা সবাই চোর ....কেউ বড় কেউ ছোট ......আমলা সরকার রা দেশ বেচে আর আমরা নিজেদের আত্না বেচি।
পড়ুয়া_পড়ুয়া কোনটা কূযুক্তি তা দেখান এবং যিক্ত দিয়ে প্রমান করেন। ঢালও মন্তব্য করে লাভ নাই
মেজরিটির দলে যোগদান টাই গণতান্ত্রিক আচরন নয়। আমি শুধু পোস্টের বিভিন্ন দিক নিয়া আমার নিজস্ব চিন্তাটাই শেয়ার পরেছি। পোস্টের মূল উদ্দেশ্য ও লেখকের চিন্তা -চেতনার সাথে আমার কোন দ্বিমত নাই । কিছু কিছু ক্ষেত্রে প্রনত্ত যুক্তিজুলো দূর্বলতাটাই আমি শোধরানোর চেষ্টা করেছি মাত্র। আর মতের ভিন্নটা তো থাকতেই পারে না কী ?
পড়ুয়া_পড়ুয়া বলেছেন:
হাসান শাহারিয়ারের বিরক্তিকর কমেন্টগুলোর যে টোন আমি ধরতে পারলাম সেটা হলো , তিনি কইছেন - "দেশ বিদেশীরা না আমরা নিজেরাই লুট করতাছি ।"কাজেই নিজেরা যখন লুট করতেছি, বিদেশী কোম্পানী লুট করলে কী আর প্রবলেম ??
দারুন !! দালাল তো আর গাছে জন্মায় না ।
ওরাকল বলেছেন:
@ পড়ুয়া_পড়ুয়া: ৩-৪ বছর আগে গার্মেন্সের নুন্যতম মযুরি ছিল ৮০০-১২০০ টাকা বিদ্যয়তের ইউনোট ১,৫-১,৯০ আর এখন নুন্যতম মযুরি ছিল ১২০০-১৫০০ টাকা বিদ্যয়তের ইউনোট ২,১৫-২,৫০ । আর জেনারেটরে উতপাদিত বিদ্যয়তের ইউনোট পড়ে প্রয় ৪,৫-৬ টাকা
----> তাইলে বলেন ৩-৪ বছর আগে গ্যাস ও বিদ্যুতে দেওয়া ভর্তুকি কার পকেটে গেছে ? মালিকের না শ্রমিকের ?
গ্যাসের সাথে বিদ্যুতের কী সম্পর্ক তা যোদি আপনে না বুঝতে পারেন তাইলে আমার কী দোষ ? বাংলাদএশের ৫৫-৬০% বিদ্যুত গ্যাসে উত্পাদিত হয় ।
ম্যাগাজিনের নাম.মাসিক ব্যতিক্রম।
আপনার নাম কি দিন মজুর ই দিব নাকি অন্যকিছু,,,,,,,,,,
দ্রুত জানাবেন..........অপেক্ষায় রইলাম।
আর হ্যাঁ নামটা দিলেই ভাল হয়। হুবহু প্রকাশ করা হবে।
লেখক বলেছেন: দিনমজুরই দেন
ওরাকল বলেছেন:
পড়ুয়া_পড়ুয়া বলেছেন: হাসান শাহারিয়ারের বিরক্তিকর কমেন্টগুলোর যে টোন আমি ধরতে পারলাম সেটা হলো , তিনি কইছেন - "দেশ বিদেশীরা না আমরা নিজেরাই লুট করতাছি ।"কাজেই নিজেরা যখন লুট করতেছি, বিদেশী কোম্পানী লুট করলে কী আর প্রবলেম ??
দারুন !! দালাল তো আর গাছে জন্মায় না।
--->> আপনে ত তাই বোঝবেন রতনে রতন চেনে দালালে দালাল।
(এ ভাবে বলতে চাই নি কিন্তু আপনি বাদ্ধ করলেন)
আগে নিজেরা ঠিক হই .. চুরি ও ঘুস বন্ধ করি তবে বিদেশীদের স্বাদ্ধ কী আমাদের ঠকায় ।
নিজেরা চুরি করবো আর সরকারকে সাধু হতে হলবো এটা দু-কিখ নীতি হয়ে গেলনা ?
সায়েমুজজ্জামান বলেছেন:
কবি বলেছেন, কুত্তা আসে কুত্তা যায় কুত্তা যায় আসে,রাধার লাশ দেখে এলাম পাট ক্ষেতের পাশে।।
বাংলাদেশকেও আমার কোন হিন্দু মেয়ে রাধার মতো মনে হয়। রাধাকে ধর্ষণ করেই কুত্তাগুলো ক্ষান্ত হয়নি। তার লাশ ভক্ষণের জন্য আসা যাওয়ার মধ্যে থাকে। বিদেশী কোম্পানী কুত্তাগুলো দেশের গ্যাসক্ষেত্রকে এখন রাধার মতো পেয়ে বসেছে।
আসুন লাঠি হাতে রুখে দাড়াই,
কুত্তা তাড়াই।কুত্তা তাড়াই।।
পড়ুয়া_পড়ুয়া বলেছেন:
ভিন্ন চিন্তার ব্লগে সাগরের গ্যাস ক্ষেত্র ইজারা বাতিল কর। তৌফিক এলাহীকে অপসারণ কর। ইজারা বাতিলের প্রসঙ্গে হাসান শাহারিয়ার যে মন্তব্যটি করেছিলেন তা এখানে তুলে দিলাম । দিনমজুরের ব্লগে আলোচনা শুরুর আগে তার স্টান্ড কী ছিল সেটা বুঝতে তাহলে সুবিধা হবে ।
২৫ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৫:১৯
comment by: হাসান শাহারিয়ার বলেছেন: বাসদ -- বাংলাদেশ সুবিধাবাদি দলকে ঔ গ্যাস ক্ষেত্রগুলো ইজারা দেওয়া হোক
সারা দেশ জ্বালানী সংকটে কাহিল ... তৈরী হওয়া কল-কারখানা চালু করা যাচ্ছে না আর উনি ইজারা বাতিলের দাবি করছেন।
চুক্তিতে কোন শর্ত পছন্দ না হলে সেটা বদলানোর জন্য আন্দলোন করা যেতে পারে কিন্তু চুক্তি বাতিলের জন্য আন্দলোন কার স্বার্থে ?
লেখক বলেছেন: @পড়ুয়া_পড়ুয়া, অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে ভিন্ন চিন্তার লিংক এবং হাসান শাহারিয়ারের কমেন্ট টি শেয়ার করার জন্য।এবং সেই সাথে হাসান শাহারিয়ারের বক্তব্যের জবাব দেয়ার জন্যও। হাসান শাহারিয়ারের অবস্থানটি বেশ ইন্টারেস্টিং। ১৮৬ নং মন্তব্যের নীচে কিছু কথা বলার চেষ্টা করেছি। পড়ে দেখেন।
ওরাকল বলেছেন:
জ্বি আমি আবার ও বলছি চুক্তিতে কোন শর্ত পছন্দ না হলে সেটা বদলানোর জন্য আন্দলোন করা যেতে পারে কিন্তু চুক্তি বাতিল করে কী লাভ ?কারন আমাদের নিজেদের সেই সামর্থ নাই যে নিজেরা তুলবো । আপাতত বিদেশী কম্পানির সাথে চুক্তিই করতে হবে। তা হলে বাতিল করে কী লাভ ? ণতুন কারো সাথে চুক্তি করতে অরো ১-২ বছর লাগবে । অথচ আমদের জরুরি ভিত্তিতে গ্যাস প্রয়োজন।
নিজেদের সামর্থ অর্যনে ৩-৮ বছর প্রযোজন ....আমরা কী তা হলে অপেক্ষা করবো ?
লেখক বলেছেন: এই চুক্তিগুলোর মুলেই তো সমস্যা, চু্ক্তির প্রকৃয়ায় সমস্যা, সম্পদের মালিকানার ভাগাভাগিতে সমস্যা, কি সংশোধন আর মনিটরিং আপনি করবেন আর তার মাধ্যমে কি অর্জন করবেন?
সামর্থ্যের কথা যদি বলেন তাহলে বলবো সামর্থ্য কারোই থাকে না সেটা অর্জন করতে হয়। এভাবে চুক্তি করে গেলে কখনই সেই সামর্থ অর্জন হবে না। বিদেশী কোম্পানীর সাথে চু্ক্তি করতেই হবে কেন? বিদেশী কোম্পানী যদি সাব-কন্ট্রাকটর আর যন্ত্রপাতি ভাড়া করে কাজ করাতে পারে বাপেক্স কেন পারবে না? এর জন্য বাপেক্সকে যদি ডেভেলপ করতে হয় তাহলে সেটা করতে যদি ৩-৮ বছর ও সময় লাগে তাহলে সেটাই করতে হবে। নিজেদের দেশ বিদেশী কোম্পনীর হাতে তুলে দিয়ে যদি তার ৮০ ভাগই আন্তর্জাতিক মুল্যে কিনতে হয় তাহলে জ্বালানী আমদানী করতে সমস্যা কোথায়
ওরাকল বলেছেন:
@ পড়ুয়া_পড়ুয়া : মানুষকে দালাল আর রাজাকার বলাটা আজ-কাল খুব সহজ হয়ে গেছে তাই না ? নিজের মত ও দর্শনের সাথে না মিললেই অন্যকে দালাল আর রাজাকার বলে আক্ষা দেওয়া কোন বিরত্বের কাজ না ।ভিন্ন মত হজম করার অভ্যাস করুন না হলে মুখে গনতন্ত্র গনতন্ত্র করে আকাশ-বাতাস কাপানোর কোন মানে হয় না।
চিরসবুজ-মানব বলেছেন:
বিদেশী কোম্পানী কে সঠিক উত্তোলন খরচ এবং মজুরী(প্রতি ঘনফুট) ভিত্তিতে নিয়োগ দেওয়া যেতে পারে। রপ্তানী, আন্তর্জাতিক বাজার দর এবং মূল্য নির্ধারণ স্রেফ বাংলাদেশের সরকার তার দেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থা এবং জনগণের মতামত নিয়ে করবে। কোনমতেই বিদেশী কোম্পানী নয়। দিনমজুর ভাইয়ের দেওয়া তথ্যে দেখা যাচ্ছে বাংলাদেশের ১৫% মানুষ বিদ্যুৎ সুবিধা পায়। আর এই ১৫% এরই বর্তমান চাহিদা ৫৫০০ মেগাওয়াট। সেক্ষেত্রে পুরো বাংলাদেশের চাহিদা ২৫-৩০ হাজার মে.ওয়াট। তার উপর দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে শিল্পায়নের কোন বিকল্প নেই। বড় শিল্প হলে তো কথাই নেই মাঝারী ও ছোট শিল্পের জন্যও পর্যাপ্ত নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ প্রয়োজন। তো সেখানে গ্যাস ও কয়লার পর্যাপ্ত সরবারাহ না থাকলে কিভাবে দেশ বিদ্যুতে স্বয়ং সম্পূর্ণ হবে? দীর্ঘকাল ধরেই ভারত বাংলাদেশের গ্যাসের উপর লেলুপ দৃষ্টি দিয়ে রেখেছে। এই সকল টাল্লো ও কেয়ার্নদের লক্ষ্য হল বেশী অর্থ পেয়ে ভারতে গ্যাস বিক্রি। তাই এই সকল অসম এবং দেশের স্বার্থ বিরোধী চুক্তি না হয় তার জন্য আমাদের কে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। যার যার অবস্থান হতে যতদূর সম্ভব সেভাবে অবদান রাখতে হবে। বন্ধু, আত্নীয়-স্বজন এবং প্রতিবেশীদের সাথেও এ বিষয়ে নিয়মিত আলোচনা করতে হবে। আশা করি এতে করে সরকারের কাছেও জনগণের এই সচেতনতা ও ক্ষোভ পৌছে যাবে। স্রেফ তখনই সরকার গণরোষের টের পাবে নতুবা আমরা যদি গা ছাড়া ভাব দেখাই তাহলে এই দেশের স্বার্থ বিরোধী চুক্তি সরকার করবেই করবে। তখন আমাদের অসহায়ের মত চেয়ে থাকা ছাড়া আর কিছুই করার থাকবে না।
আফসার নিজাম বলেছেন:
আসসালাম।বিদেশী কোম্পাটিতো ওঁত পেতে থাকবে।
আমাদের উচিৎ সেই ওঁত পাতার মুহূর্ত যেনো তারা না পায়
কিন্তু হায়!
আমরা পারি না আমাদের সম্পদকে রক্ষা করতে।
আমাদেরকেউ রক্ষা করতে।
মা'আসসালাম।
এস আই সাঈদ বলেছেন:
ছু-মন্তর বলেছেন: বিরুদ্ধতার চাবুক ওঠাও হাতে,তোমার স্বদেশ লুট হয়ে যায় প্রতিদিন প্রতিরাতে।।
প্রিয়তে নিলাম।
ধন্যবাদ দিনমজুর।
সুমন্ত বলেছেন:
প্রথম কথা দেশের উন্নয়নের জন্য, বিনিযোগর জন্য এখন এনার্জি দরকার এর কোন িবকল্প নাই। অার এর জন্য জ্বালািন িহসাবে গ্যাস/কয়লা/নিউিক্লয়ার শক্তি/বায়ু একটা কিছু লাগবে। গোল টেবিলে গরম বক্তৃতা দিয়ে এক মে.ও. বিদ্যুত উৎপাদন হবে না ।
লেখক বলেছেন: বিদেশে গ্যাস রপ্তানী করে দিলেও কিন্তু বিদ্যুৎ উৎপাদন হবে না!
শুধু সরকারের প্রতি অনুরোদ দেশের প্রতি দেশের মানুষের প্রতি অবিচার করবেন না
রাফাত সাদাত বলেছেন:
আমরা কবে চালাক হব? নিজেরা নিজেদের পায়ে আর কতকাল কুড়াল মারব? প্রিয়তে রাখলাম সময় করে পুরোটা পরব। অবশ্যই প্লাস।
অদ্বিতীয়া সিমু বলেছেন:
দারুন......
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন:
এই মন্তব্যটি মুছে ফেলা হয়েছে, মন্তব্য করার সময় ব্লগ ব্যবহারের শর্তাবলীর দিকে খেয়াল রাখুন । শর্তাবলী
লেখক বলেছেন: দিনমজুরের বক্তব্যের জন্য ১৮৬ এবং ১৯৭ নং কমেন্টের প্রত্যুত্তরে দেয়া বক্তব্য দেখুন।
আর হাসান শাহরিয়ারের বক্তব্য শুধু লেখককেই "ট্যাকল" করতে হবে এমন তো কোন কথা নেই। পড়ুয়া_পড়ুয়া, আপনি সহ সকলে তর্ক-বিতর্কে অংশ নিলেই বোধহয় আরো ভাল হয়, তাই না।
চিরসবুজ-মানব বলেছেন:
ঢাবির অর্থনীতির অধ্যাপক জনাব আবু আহমেদ জ্বালানি নিরাপত্তা বিষয়ে লেখা দেন। লেখাটি এখানে তুলে ধরলাম............জ্বালানী নিরাপত্তাঃ সরকারি উদ্যোগে হলে এত দিন কয়লা উঠে যেত
বাংলাদেশের আরেক দুর্ভাগ্য হলো যে সব ক্ষেত্রে সরকারি মালিকানায় এবং সরকারি উদ্যোগে ব্যবসা করা বা কমপক্ষে না-লাভ, না-লোকসানের ভিত্তিতে অর্থনৈতিক কার্যক্রম চালানোর কথা ছিল, সেগুলো বেসরকারি, বিশেষ করে বিদেশি বেসরকারি খাতের কাছে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বা ছাড়ার জন্য অতি উৎসাহ দেখানো হচ্ছে। বিশ্বে প্রায় সর্বত্রই তেল-গ্যাস-কয়লা-লৌহের মতো সম্পদগুলোর ওপর একচ্ছত্র সরকারি মালিকানা ও নিয়ন্ত্রণ রাখা হয়। কিন্তু বাংলাদেশে গ্যাসক্ষেত্রগুলোকে বিদেশি কোম্পানিগুলোর কাছে সম্পূর্ণ তাদের মালিকানায় ইজারা দেওয়া হয়েছে।
দেশীয় কোম্পানি যে বাপেক্স ২০০৪ পর্যন্ত মোট গ্যাস চাহিদার ৬০ শতাংশ সরবরাহ করত, আজকে সেই হিস্যা নেমে এসেছে ৪০ শতাংশ এবং সেই অনুপাতে বিদেশি কোম্পানি সেভরন, কেয়ার্ন এনার্জি, তাল্লো, নাইকোর হিস্যা বেড়েছে, আর সেই হিস্যা শুধু বেড়েই চলবে। ইতিমধ্যে কথিত জয়েন্ট ভেঞ্চারের নামে যে কয়েকটি ব্লক আজও বাপেক্সের জন্য নির্দিষ্ট করা আছে, সেগুলোকেও বিদেশিদের কাছে লিজ দেওয়ার ভাবনা-চিন্তা চলছে। বাপেক্সকে শক্তিশালী করার কথা আগের সরকারের কাছেও শুনেছি, বর্তমান সরকারের কাছেও শুনছি। কিন্তু বাস্তবে যা ঘটছে, তা ওইসব শোনার সম্পূর্ণ বিপরীত। বাপেক্স থেকে গ্যাস কেনা হয় ইউনিটপ্রতি ২৫ টাকা করে, যেখানে বিদেশি কোম্পানিগুলো থেকে সেই একই গ্যাসকে কেনা হয় ২৫০ টাকা করে। বাপেক্স ট্যাক্স দেয়, বিদেশি কোম্পানিগুলো ট্যাক্স দেয় না। বাপেক্স পে-মেন্ট পায় দেশীয় টাকায়, বিদেশি কোম্পানিগুলো পে-মেন্ট পায় ডলার-ইউরোতে।
বাপেক্সের পাওনা অর্থ বাকি রাখা হয়, বিদেশিদের পাওনা অর্থ বাকি রাখলে সুদ গুনতে হয়। বাপেক্সের সঙ্গে কোনো বিরোধ হলে পেট্রোবাংলা তথা সরকার জেতে, বিদেশিদের সঙ্গে বিরোধ হলে বিদেশে গিয়ে মামলা মোকাবিলা করতে গিয়ে শুধু হারে। বাপেক্সের লোকেরা সরকারি বেতনে বেতন-ভাতা পায়, আর বিদেশি কোম্পানিগুলোর লোকেরা আন্তর্জাতিক স্কেলে বেতন-ভাতা পায় যা আবার চুক্তির কস্ট-রিকোভারির অধীনে শেষ পর্যন্ত পেট্রোবাংলা তথা সরকারকেই বহন করতে হয়। বাপেক্সের জন্য যন্ত্রপাতি কেনার অর্থের সংস্থান হয় না, কিন্তু বিদেশি কোম্পানিগুলোর জন্য তাদের অন্যত্র অকেজো বা অব্যবহৃত যন্ত্রপাতি কেনার অনুমতি সহজে মিলে, যার ব্যয়ও আবার সেই পেট্রোবাংলাকেই বহন করতে হয়।
বাপেক্সের জন্য ক্যাপিটাল ব্যয় করতে হলে প্ল্যানিং কমিশনে ধরনা দিতে হয় আর বিদেশি কোম্পানিগুলোর ক্যাপিটাল ব্যায়কে কথিত জয়েন্ট ম্যানেজমেন্ট কমিটি বা জেমসি অনুমোদন দিলেই হলো। বাপেক্সকে চালু করে এখন রা তোলা হচ্ছে যে একে শক্তিশালী করা হবে। তবে কথাটা বলা হচ্ছে-হবে, হচ্ছে না। যে বাপেক্স মাত্র অর্ধযুগ আগেই আমাদের গ্যাস চাহিদার ৭৫ শতাংশ মেটাত, সেই বাপেক্সের আয় আজকে কেন ৩০-৪০ শতাংশে নেমে এল, এ প্রশ্ন কি প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর কোনো দিন জানতে চেষ্টা করেছে? যাঁদের খনিজ ও জ্বালানি দপ্তরের দায়িত্ব দেওয়া হয়, তাঁরা কিন্তু বাপেক্স শক্তিশালী করার পক্ষে এবং সরকারি উদ্যোগে ও বিনিয়োগে গ্যাস আবিষ্কার-আহরণ করতে মোটেই উৎসাহী নয়। ফলে সরকারের একটা অংশ যতই বলুক না কেন, বাপেক্সকে শক্তিশালী করে স্থানীয় মূল্যে গ্যাস সরবরাহ বাড়ানো হবে, বাস্তব অবস্থা হলো সম্পূর্ণ ভিন্ন।
জ্বালানি ও খনিজ দপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা সরকারকে বোঝাতে থাকবেন যে বাপেক্সের উদ্যোগে তথা সরকারি মালিকানায় গ্যাস উত্তোলন করার অর্থ তাদের নেই। এটাও একটা অতি বড় মিথ্যা কথা। অর্থই যদি না থাকবে তাহলে পেট্রোবাংলা কী করে দশ গুণ বেশি মূল্য দিয়ে বিদেশিদের থেকে গ্যাস কিনছে? আসলে বাপেক্সের ব্যাপারটা যখন আসে তখন অর্থের অভাবের ব্যাপারটা সামনে চলে আসে, আর বিদেশি কোম্পানিগুলোকে পে করার কথা যখন আসে, তখন বলা হয় চুক্তি অনুযায়ী তো ওই অর্থ দিতেই হবে। বিদেশিরা আমাদের কয়েক শ কোটি টাকার গ্যাস পুড়িয়ে ফেলেছে, সে ক্ষেত্রে এসব দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী-উপদেষ্টারা আজতক একটা ডলারও আদায় করতে পারেননি, উল্টো বিদেশিরা হুমকি দিচ্ছে, গ্যাসের মূল্য বাড়াও, না হলে গ্যাস দেব না! আর আমাদের আমলা-মন্ত্রীরা ওদের পক্ষে যুক্তি খাড়া করে ওইসব প্রস্তাবকে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর পর্যন্ত পাঠাতে সাহস পায়।
বাংলাদেশে গ্যাস-কয়লা-বালু ইত্যাকার সম্পদকে লুট করার দিকে বিদেশিদের নজর পড়েছে। তারা তাদের বিনিয়োগ উত্তোলন প্রস্তাব নিয়ে মন্ত্রণালয় থেকে মন্ত্রণালয় পর্যন্ত ছুটে চলছে। তাদের সঙ্গে কথা বলতে আমাদের মন্ত্রী-উপদেষ্টাদের সময়ের অভাব হয় না। শুধু সময়ের অভাব হয় দেশীয় লোকদের সঙ্গে কথা বলতে, যাঁরা এসব সম্পদকে রক্ষা করতে বক্তব্য দিচ্ছেন। ইদানীং খবরের কাগজে দেখলাম অস্ট্রেলিয়ার এক কোম্পানিকে কক্সবাজারের সমুদ্রসৈকতের বালুর খনিজ পদার্থ আবিষ্কার ও আহরণের জন্য লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে। ওই কোম্পানি এখন লাখ লাখ টন বালু পরীক্ষা করার জন্য দেশের বাইরে নিয়ে যেতে চাচ্ছে। তাদের যখন এখানকার দু-চারজন লোক বললেন, বালু পরীক্ষা করতে হয় তো আমাদের দেশে পরীক্ষাগার স্থাপন করে তাতে করো। তখন তারা বলল, তোমাদের দেশে ওইসব পরীক্ষাগার স্থাপন করা যাবে না।
বালু এই দেশের, বালুর পরীক্ষণ তো এই দেশেরই হওয়ার কথা। কিন্তু অবস্থা যা দাঁড়াচ্ছে, তাতে দেখা যাবে কক্সবাজারের বালু আর সমুদ্রসৈকতের থাকছে না, অতি সামান্য অর্থের বিনিময়ে আমাদের কিছু লোক বিলিয়ন ডলারের খনিজসম্পদ সমৃদ্ধ বালুকে বিদেশিদের হাতে তুলে দিচ্ছে। এসব ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীর সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। আপনি বা আপনার দপ্তর যদি সতর্ক না হয়, তাহলে যে পথে গ্যাস গেছে, সেই পথে বালু-কয়লাও যাবে। বাংলাদেশের নিজের সম্পদই বহু গুণ বেশি মূল্যে বিদেশি মুদ্রায় তাদের থেকে কিনতে হবে।
ফুলবাড়িয়ার কয়লাপ্রাপ্তি ও উত্তোলন নিয়ে সমস্যা কী? সমস্যাটা হলো এ ক্ষেত্রেও বিদেশিদের ইজারা দেওয়া বা তাদের মাধ্যমে কয়লা তুলে তাদের থেকে কয়লা কেনার একটা ষড়যন্ত্রমূলক প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে জাতিকে যেতে বাধ্য করা হয়েছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, এখন আপনিই বলুন, এ দেশের কয়লা খনির মালিকানা, কথিত সীমিত আকারে কয়লা রপ্তানির অনুমোদন এসব আপনি বিদেশিদের দেবেন কি না। কয়লা নীতিটা নিয়ে আপনিও মাথা ঘামাননি। অনেক পরিশ্রম করে বুয়েটের সাবেক উপাচার্য ড· পাটোয়ারীর নেতৃত্বে একটা কমিটি আমাদের কয়লানীতিকে গ্রহণ করার জন্য সরকারের কাছে পেশ করেছে। এখন ওই নীতিতে কারা হাত দিচ্ছে বা শুধু বিদেশিদের স্বার্থ রক্ষা করার জন্য সেই নমুনা রিপোর্ট কারা আবার বিদেশ থেকে কিছু লোককে নিমন্ত্রণ করে এনে ওই কয়লানীতিতে পরিবর্তন আনতে চাচ্ছে? আপনার সরকার কয়লার ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উপাদন করতে চায়, সেটা আমরাও চাই। তবে সেই কয়লা কি শুধু বিদেশি কোম্পানির মাধ্যমে তুলতে হবে? সরকারি উদ্যোগে কয়লা তোলার সিদ্ধান্ত হলে ফুলবাড়ির কয়লা এত দিনে উঠে যেত। উত্তোলন পদ্ধতি নিয়েও এত বিতর্ক হতো না।
Click This Link
**************
যদি বর্তমান মহাজোট সরকার গ্যাস-কয়লার ব্যাপারে দেশের স্বার্থে কোন কিছু করত তো এ ব্যাপারে জ্বালানি নীতির সিদ্ধান্ত আজ থেকে ৫/৬ মাস আগে দেওয়া কঠিন ছিল না। কিন্তু ক্ষমতায় আসার আগে বিদেশীদের কাছে মূচলেকা দিয়েছে বলেই অসম শর্তে এখন বিদেশী কোম্পানীদের সাথে চুক্তি করতে যাচ্ছে।
লেখক বলেছেন: লেখাটি শেয়ার করার জন্য কৃতজ্ঞতা।
মগ্নতা বলেছেন:
shohomot.
বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত বলেছেন:
বিচার মানি, তয় তেল-গ্যাস আমাগো সম্পদ|এই সরকার, আগের সরকার, চুক্তি লেখক কিছু আমলার প্রতি যদি কারো কোন প্রেম থাকে তবে সেটা নিজের বাসার বেড রুমে নিয়া যান|
দয়া করে তেল-গ্যাস চুরিকে যায়েজ করার জন্য কাই-কুই জাতীয় কোন যুক্তি দাড় করানোর চেষ্টা করবেন না|
ওয়ালাইকুম আসসালম, রাস্তা মাপেন.......!!!
( লেখককে: অনেকে আপনাকে ল্যা; মারার তালে আছে, মুগুড়টা হাতের কাছে রাইখেন, না পারলে ডাক দিয়েন, আমার কাছে আরো মোটা সাইজের আছে....)
বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত বলেছেন:
@অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: লেখকরে ট্যাকল করতে দেন........
=========================
তেল গ্যাস রক্ষার দায়টা কি লেখকের একার....??
কয়েকশো ব্লগার গত তিন দিন যাবৎ তেল-গ্যাস চুরির বিরুদ্বে সোচ্চার|
দেশ প্রেমিক সবার কাজ লেখককে সাপোর্ট দেয়া, আপনিও সাইড লাইনে থেকে তামাশা না দেখে লেখককে সাহায্য করুন|
লেখক বলেছেন: ভালো বলেছেন। ধন্যবাদ।
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন:
বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত। আপনে এই ব্যাপারে যে মহা একখান বয়ান দিলেন তাতে আমি মুগ্ধ। ঈমানে কই তেল-গ্যাস ব্লক নিয়া আমি কিছু বুঝি না, আমি একজন গ্রাহক মাত্র। সরকাররে এই বাবদ মাসে মাসে অর্থ দিই। যেই বিষয়টা নিয়া বিতর্ক উঠছে তার কারণগুলা দিনমজুর বক্তব্য দিতেছেন। আমি পড়তেছি, আপনে পড়তেছেন। আমি বুঝার চেষ্টা করতেছি ব্যাপারটা। আপনে ফালাইতেছেন না বুইঝাই আমার মনে হইলো। লেখকরে সাপোর্ট দেয়া মানে কি লাঠি সোটা নিয়া, যাতে তার বক্তব্যে কোনো ভুল থাকলে সেইটা নিয়া উপাত্ত ভিত্তিক আলোচনা কেউ না করতে পারে। কারণটা কি, লেখক আম্লীগ সরকাররে গাইল পারতেছে সেই আনন্দ। পাগলের মতো বকাবাজি করেন ক্যান। এই বিষয়ে তো মিয়া আমার ধারণা আপনে আমার থিকা কম জানেন (আমি তো কিচ্ছ্যু জানি না)। এইবার আসেন কিছু লিংক দিই। এইগুলা পড়েন। পইড়া এর ভূল ভ্রান্তিগুলা বলেন। একটা ইস্যু নিয়া যখন বিতর্ক উঠে, সেইটারে জনবিরোধী এবং দেশবিরোধী বইলা চেচামেচি হয়, তখন নিশ্চয়ই তার এইপাশের এবং ওইপাশের দুই পাশের বক্তব্যই আমাদের জানা উচিত। বায়াসড কিংবা একপাক্ষিক (যেহেতু আম্লীগের বিরুদ্ধে) ফালাফালিতে তো দৈন্যই প্রকাশ পায়। কথা হইলো আইজু প্রতিটায় তত্ত্ব ও তথ্য ভিত্তিক উপাত্ত সহকারে যুক্তি দিছে, যুক্তি খন্ডাইছে। পড়েন তারপর ভাবেন। হুদা ফালাইয়েন না কিঙবা ফালায়েন না
এই পোস্টের বিপরীতে আইজুর প্রতিক্রিয়া পোস্ট
খারেজির জবাব
আইজুর জবাব ১
আইজুর জবাব ২
আইজুর জবাব ৩
আইজুর জবাব ৪
লেখক বলেছেন: প্রথমে ভেবেছিলাম ডাক্তার আইজুদ্দিন নামক জনৈক ব্লগারের অসংলগ্ন এবং আবোল তাবল কথা এবং গালিগালাজে সমৃদ্ধ লেখাটির কোন জবাব দেব না, কারণ মনে হয়ছিল যে এই ধরণের ব্যাক্তির এ ধরনের যু্ক্তিতে কেউ কনভিন্স হবে না। কিন্তু দেখা গেল অমি রহমান পিয়ালদের মত কেউ কেউ বেশ কনভিন্সড, এতই কনভিন্সড যে তিনি আমাদের মূল লেখায় আইজুদ্দিন সাহেবের সেই লেখাগুলোর লিংক দিযে তার জবাব দাবী করছেন। শুধু মাত্র এই পরিপ্রেক্ষিতেই পাঠকের কাছে আইজুদ্দিন সাহেবের মূল লেখাটির বক্তব্যগুলো সম্পর্কে আমাদের অবস্থান পরিস্কার করার জন্য এই মন্তব্যগুলো করছি(মূল লেখাটির বক্তব্যটুকু পড়তে গিয়ে যে অভিজ্ঞতা হয়েছে তাতে বাকিগুলো পড়ার রুচী ও ধৈর্য্য পাচ্ছি না, প্রয়োজনও বোধ করছি না):
আইজুদ্দিন: চমতকার কথা, পল্টনের ময়দানে হাততালি পাওনের জন্য এ ধরনের কথা বলা উচিত, বাট একটা প্রবন্ধে এ ধরনের কথা কোন প্রকার তথ্য উপাত্ত ছাড়া বলা, কেম্নে কি? বাংলাদেশের বর্তমান অর্থ বছরের বাজেট ঘাটতি কত আর কি পরিমান সাহাযা্য বাইরে থেকে আসে কেউ কি বলবেন আমারে? আমার হিসাবে বাজেটের ঘাটতি প্রায় ৩৩ শতাংস আর সেটা বিদেশী সাহায্য তুন আসে। পদ্মা সেতু বানানোর বেশীর ভাগ পুজি আসতাসে বিদেশী সাহায্যের মাধ্যমে, সেখানের বাংলাদেশ সরকারের বা জনগনের পুজির আধিক্য কোনখানে বললে ভালা লাগে। আর্গুমেনটের দ্বিতিয়াংশে বলা হইসে, ৩০০ কোটি টাকার অভাবে বাপেক্স নাকি কাম করতে পারতেসেন না, এ এমাউনট টা কি লেখকের কল্পনা প্রসুত নাকি? ৩০০ কোটি টাকা কেন ৩০০০ কোটি টাকা ঢাইলাও বাপেক্সকে কনকো ফিলিপসের সমান করা যাবেনা, এসব সরকারী প্রতিষ্ঠানের গত ৩৮ বছরের সাফল্যের পরিসংখ্যান কি, একমাত্র সীমাহীন দুর্নিতী ছাড়া আর কি দিসে,। বাপেক্স নিজের সম্পদ নিজে চালাইতে পারেনা, ইস্টার্ন রিফাইনরি মত সম্পদ বাপেক্স ডেভেলপ করতে পারেনাই গত ৩৮ বছরে। টিম টিম করে জলছে, কিন্তু এ শোধনাগার দেশের চাহিদা মিটাইয়া বিদেশে রপ্তানি করতে পারত, আর সে বাপেক্স চালাইবো নতুন গ্যাস আবিষ্কার। ব্রেশ ব্রেশ বলতে মন চায়।
দিনমজুর: ২০০/৩০০ কোটি টাকার তথ্যটা দিনমজুরর কল্পনা প্রসূত নয়, অধ্যাপক আনু মুহম্মদের দেয়া। সাপ্তাহিক আয়োজিত গোলটেবিল বৈঠকে এবং তেল-গ্যাস-বিদ্যুত-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির বুলেটিন উভয় জায়গাতেই তথ্যটা আছে। বাপেক্স কেন গেত ৩৮ বছরেও কোন কিছু করতে পারে নাই বলে আপনি মনে করেন, সেটা কি দেশীয় লোকজনের অন্তর্গত দূর্বলতা নাকি আওয়ামী-বিএনপি-জামাত-জাতীয়পার্টি-সিভিল-মিলিটারি বুর্জোয়া সরকারগুলোর স্বেচ্ছা এবং বিদেশীপ্রভুদের চাপ প্রসূত অবহেলা?
কমিউনিষ্ট বা সমাজতন্ত্রীদের কথা বাদ দিলাম, দেখেন ঢাবির অর্থনীতির বুর্জোয়া মতাদর্শধারী অধ্যাপক আবু আহমেদ এ বিষয়ে কি বলেন:
“দেশীয় কোম্পানি যে বাপেক্স ২০০৪ পর্যন্ত মোট গ্যাস চাহিদার ৬০ শতাংশ সরবরাহ করত, আজকে সেই হিস্যা নেমে এসেছে ৪০ শতাংশ এবং সেই অনুপাতে বিদেশি কোম্পানি সেভরন, কেয়ার্ন এনার্জি, তাল্লো, নাইকোর হিস্যা বেড়েছে, আর সেই হিস্যা শুধু বেড়েই চলবে। ইতিমধ্যে কথিত জয়েন্ট ভেঞ্চারের নামে যে কয়েকটি ব্লক আজও বাপেক্সের জন্য নির্দিষ্ট করা আছে, সেগুলোকেও বিদেশিদের কাছে লিজ দেওয়ার ভাবনা-চিন্তা চলছে। বাপেক্সকে শক্তিশালী করার কথা আগের সরকারের কাছেও শুনেছি, বর্তমান সরকারের কাছেও শুনছি। কিন্তু বাস্তবে যা ঘটছে, তা ওইসব শোনার সম্পূর্ণ বিপরীত। বাপেক্স থেকে গ্যাস কেনা হয় ইউনিটপ্রতি ২৫ টাকা করে, যেখানে বিদেশি কোম্পানিগুলো থেকে সেই একই গ্যাসকে কেনা হয় ২৫০ টাকা করে। বাপেক্স ট্যাক্স দেয়, বিদেশি কোম্পানিগুলো ট্যাক্স দেয় না। বাপেক্স পে-মেন্ট পায় দেশীয় টাকায়, বিদেশি কোম্পানিগুলো পে-মেন্ট পায় ডলার-ইউরোতে।
বাপেক্সের পাওনা অর্থ বাকি রাখা হয়, বিদেশিদের পাওনা অর্থ বাকি রাখলে সুদ গুনতে হয়। বাপেক্সের সঙ্গে কোনো বিরোধ হলে পেট্রোবাংলা তথা সরকার জেতে, বিদেশিদের সঙ্গে বিরোধ হলে বিদেশে গিয়ে মামলা মোকাবিলা করতে গিয়ে শুধু হারে। বাপেক্সের লোকেরা সরকারি বেতনে বেতন-ভাতা পায়, আর বিদেশি কোম্পানিগুলোর লোকেরা আন্তর্জাতিক স্কেলে বেতন-ভাতা পায় যা আবার চুক্তির কস্ট-রিকোভারির অধীনে শেষ পর্যন্ত পেট্রোবাংলা তথা সরকারকেই বহন করতে হয়। বাপেক্সের জন্য যন্ত্রপাতি কেনার অর্থের সংস্থান হয় না, কিন্তু বিদেশি কোম্পানিগুলোর জন্য তাদের অন্যত্র অকেজো বা অব্যবহৃত যন্ত্রপাতি কেনার অনুমতি সহজে মিলে, যার ব্যয়ও আবার সেই পেট্রোবাংলাকেই বহন করতে হয়।
বাপেক্সের জন্য ক্যাপিটাল ব্যয় করতে হলে প্ল্যানিং কমিশনে ধরনা দিতে হয় আর বিদেশি কোম্পানিগুলোর ক্যাপিটাল ব্যায়কে কথিত জয়েন্ট ম্যানেজমেন্ট কমিটি বা জেমসি অনুমোদন দিলেই হলো। বাপেক্সকে চালু করে এখন রা তোলা হচ্ছে যে একে শক্তিশালী করা হবে। তবে কথাটা বলা হচ্ছে-হবে, হচ্ছে না। যে বাপেক্স মাত্র অর্ধযুগ আগেই আমাদের গ্যাস চাহিদার ৭৫ শতাংশ মেটাত, সেই বাপেক্সের আয় আজকে কেন ৩০-৪০ শতাংশে নেমে এল, এ প্রশ্ন কি প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর কোনো দিন জানতে চেষ্টা করেছে? যাঁদের খনিজ ও জ্বালানি দপ্তরের দায়িত্ব দেওয়া হয়, তাঁরা কিন্তু বাপেক্স শক্তিশালী করার পক্ষে এবং সরকারি উদ্যোগে ও বিনিয়োগে গ্যাস আবিষ্কার-আহরণ করতে মোটেই উৎসাহী নয়। ফলে সরকারের একটা অংশ যতই বলুক না কেন, বাপেক্সকে শক্তিশালী করে স্থানীয় মূল্যে গ্যাস সরবরাহ বাড়ানো হবে, বাস্তব অবস্থা হলো সম্পূর্ণ ভিন্ন।”
আর পুজির অভাব সম্পর্কে উনি কি বলছেন শুনুন:
“জ্বালানি ও খনিজ দপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা সরকারকে বোঝাতে থাকবেন যে বাপেক্সের উদ্যোগে তথা সরকারি মালিকানায় গ্যাস উত্তোলন করার অর্থ তাদের নেই। এটাও একটা অতি বড় মিথ্যা কথা। অর্থই যদি না থাকবে তাহলে পেট্রোবাংলা কী করে দশ গুণ বেশি মূল্য দিয়ে বিদেশিদের থেকে গ্যাস কিনছে? আসলে বাপেক্সের ব্যাপারটা যখন আসে তখন অর্থের অভাবের ব্যাপারটা সামনে চলে আসে, আর বিদেশি কোম্পানিগুলোকে পে করার কথা যখন আসে, তখন বলা হয় চুক্তি অনুযায়ী তো ওই অর্থ দিতেই হবে। বিদেশিরা আমাদের কয়েক শ কোটি টাকার গ্যাস পুড়িয়ে ফেলেছে, সে ক্ষেত্রে এসব দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী-উপদেষ্টারা আজতক একটা ডলারও আদায় করতে পারেননি, উল্টো বিদেশিরা হুমকি দিচ্ছে, গ্যাসের মূল্য বাড়াও, না হলে গ্যাস দেব না!”
সূত্র: প্রথম আলো, ১৪ জুলাই, ২০০৯
Click This Link
আইজুদ্দিন:আরেকটি আবাল চোদ আর্গুমেনট, সরকার গ্যাস কিনেনা, কিনে আধা সরকারী স্বায়ত্ব প্রতিষ্টান। তো এক প্রতিষ্টান যখন কম দামে গ্যাস কিনে সে সুবিধা কে পায়, তিতাস গ্যাস যদি বাপেক্স তুন গ্যাস উতপাদন মুল্যের কম দামে কিনেতাইলে লস তো বাপেক্সের লাভ কার, আপনার আমার মতো গ্রাহকের, যারা একটা দেশলাইয়ের জন্য গ্যাসের চুলা জালাইয়া রাখি। আর সরকার এ টাকা পায় কই? বাজেটে ঘাটতি কি আর সাধে দেখা দেই, এ হইলে অন্কের খেলা। সরকার লোন কইরা আপনাগো কম দামে গ্যাস খাওয়ায় আর সেটারে একচুয়াল দাম ভাইবা আমগো দিন মজুররা ব্রেক ডেনস দেয়।
দিনমজুর: বাপেক্সের কাছ থেকে তিতাস কম দামে গ্যাস পেলে লাভ শুধু আপনার আমার মত গ্রাহকদের নয়, তিতাস গ্যাসের একটা বড় অংশই কিন্তু সার-বিদ্যুত সহ বিভিন্ন কলকারখানায় ব্যাবহ্রত হয়, সরকারী বেসরকারী উভয় ধরনের। এ প্রসংগে বোধ হয় একটা বিষয় পরিস্কার করা দরকার। আপনার মত আরও দুয়েক জনকে দেখলাম এধরনের আর্গুমেন্ট করতে।
সরকারী কোন প্রতিষ্ঠান যখন অন্যকোন সরকারী প্রতিষ্ঠানকে ভর্তুকী দেয়, তখন টাকাটা এক পাবলিক প্রতিষ্ঠান থেকে অন্য পাবলিক প্রতিষ্ঠানে যায়। ফলে জনগণের টাকা/সম্পদ জনগণের কাছেই থাকে। আমরা কখনই বেসরকারী শিল্পে ভর্তুকীর পক্ষে নই কেননা সেক্ষেত্রে পাবলিকের টাকা প্রাইভেট পকেটস্থ হচ্ছে। আবার সরকার যখন বিদেশী বিনিয়োগ আকৃষ্ট করার নামে বিদেশী কোম্পানীকে ভর্তুকী মুল্যে গ্যাস দেয়, ট্যাক্স মৌকুফ করে দেয় সেটা আরো বেশী ভয়ংকর- দেশীয় প্রাইভেটকে ভর্তুকী দেয়াটা পুকুর চুরি হলে বিদেশী কোম্পানীকে ভর্তুকী দেয়াটা সাগর চুরি।
আইজুদ্দিন: এখানে তো মনে হয় দেশের স্বার্থ বজায় রাখসে সরকার। ১৯৯৭ সনে গ্যাসের দাম ছিল ১৪০ ডলার,ইনফ্লেশন ৪% ছিল এভারেজে মার্কিন ডলারের, তা হইলোও দশ বছরে গ্যাসের দাম হওন উচিত ছিল ১৯৬ ডলার, সো সরকার দেখা যায় সেইভ করসে ১৬ ডলার, আর যেখানে তেল আর গ্যাসের দাম গত ১০ বছরে ১০০ শতাংস বাড়সে, সেখানে তো এ দাম লজিকেল মনে হয়।
দিনমজুর: অদ্ভুত যু্ক্তি!! দেশের গ্যাস কেন বিদেশী কোম্পানীর কাছ থেকে আন্তর্জাতিক মুল্যে (তাও আবার মুদ্রাস্ফীতি এডজাস্ট করে) কিনতে হবে? আপনার মাথা কি সুস্থ আছে? ধরে নিচ্ছি এখনও মগজ পচে নাই, তাই একটা রুপক টাইপের উদাহরণ দিয়ে ব্যাপারটা পরিস্কার করার চেষ্টা করছি।ধরেন আপনে আপনার বাড়ির পুকুরে মাছ চাষ করছেন। মাছ বড় হইল। কিন্তু আপনে মাছ ধরতে জানেন না, আপনি কি করবেন? পুকুরটা কোন একটা এজেন্সিকে ইজারা দিয়া তাদের কাছ থেকে পরে আপনার প্রয়োজনীয় মাছ আন্তর্জাতিক দরে কিনবেন নাকি নিজেরা ভাই বেরাদর সহ মাছ শিকারটা শিখে নিবেন এবং মধ্যবর্তী সময়ে যদি খুব দরকার হয় তখন নিজেরা কোন একজন শিকারী লোক কে ভাড়া করে মজুরীর বিনিময়ে তাকে দিয়ে মাছ উঠিয়ে নেবেন? মাছ, পুকুর ইত্যাদি বিষয় কে আক্ষরিক অর্থে না নিয়ে আমাদের যু্ক্তির জায়গা বোঝার চেষ্টা করুন, আখেরে ফজিলত পাবেন।
আইজুদ্দিন: আমরা বিদেশী কোম্পানী তুন তেল গ্যাস পরিশোদিত কিনতে পারব, মাগার তাগো আমগো দেশের জ্বালানী সেকটরে কোন কাম করতে দিমোনা। হেরা চাইনিজ কোম্পানী না, হেরা আমগো দেশ ব্রীজ বানাইবো, হেরা আমগো শ্রমিক গোন বিদেশে চাকরী দিবো, মাগার আমগো দেশে তারা ব্রাত্য। এখন অফ শোরে যে ব্লক গুলান লিজ দেওন হইসে, সেগুলানে কি গ্যাস পাওন গেসে? না পাওন যায় নাই, তবে পাওনের সম্ভবনা আছে, রিস্ক আছে, আর রিস্ক শেয়ার করলে হোগায় ব্যথা কম লাগে। বাপেক্সের মতো তিনটা অরগনাইজেশন দিয়া এ কুপ সবগুলান ডেভেলপ করা যাবেনা, আর সব কুপ যে গেস পাওন যাইবো তা কে জানে। সেখানে রিস্ক শেয়ার করলে কি লাভ না লস? পাবলিক বলেন? আপনে রিস্কি ভেনচারে যখন হাত দিবেন তখন কিছু ছাড় দিতে হয়, আপনে যখন আভ্যন্তরীন বাজার নিশ্চিত করতে পারতেসন না, তখন আপনারে অলটারনেটিভ মার্কেট রাখতে হবে, এগুলান অর্থনীতির সহজ হিসাব। রাজনীতি দিয়া এ দেশের অর্থনীতির বারোটা বাজানো হইসে, এবার বন্ধ করেন?
দিনমজুর: বিদেশী কোম্পানীর কাছ থেকে পরিশোধিত তেল গ্যাস আন্তর্জাতিক মু্ল্যে কেনা এক কথা আর নিজের দেশের গ্যাসের ৮০ ভাগ মালিকানা বিদেশী কোম্পানীর হাতে তুলে দিয়ে সেটা আবার আন্তর্জাতিক মুল্যে কেনা আরেক কথা। প্রথমটা প্রয়োজন হলে যে কোন ক্রেতাই করতে বাধ্য কিন্তু দ্বিতীয়টা করবে কেবল একটা গাধা।
আর আপনার কেন মনে হচ্ছে বাপেক্সকে দিযে কূপগুলো ডেভলপ করা যাবে না? বাপেক্সকে ডেভলাপ করলে পেট্রনাসের মতো বাপেক্সও এ কাজ না পারার কোন কথা নয়।
আর মাঝখানের সময়টুকুতে বহুজাতিক কোম্পনীগুলো যেমন সবাকন্ট্রাক্ট দিয়ে কাজ করায়, বাপেক্স নিজেও তো সেই কাজটি করাতে পারে তাই না? রিস্ক শেয়ারের নামে শুধু শুধু কেন ৮০ ভাগ গ্যাস বিদেশী কোম্পানীর হাতে তুলে দিতে হবে?
আইজুদ্দিন: কেন? আমরা যদি আমগো শ্রমিকগো বিদেশে পাটাইতে পারি তাইলে জ্বালানী না কেন? কবে দেশে কল কারখানা হবে, গ্যাস লাগবো কিংবা কয়লা সে জন্য আমরা বইসা থাকুম। দুইটা এক সাথে কেন চলবনা, কয়লা বেচুম সে টাকা দিয়া কারখানা দিমু, এম্পলয়মেনট হইবো, আরো ভোক্তা, আরো জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন , তারপর কয়লার লোকাল ডিমানড হইলো আর কয়লা রপ্তানী হইবোনা, মাগার রপ্তানী এখন বন্ধ করলে, আর কারখানা হওন লাগবোনা, আর জীবন যাত্রার মানোন্নয়ন সেটা হবেনা। আসলে দিনমজুরগো রাজনীতির জন্য দরকার একটি নিম্ন বিত্ত সমাজ। দেশ জাতি উন্নতি করলে তো আর সর্বহারা থাকবোনা, সর্বহারার বিপ্লবও হবেনা।
দিনমজুর: পাগল নাকি? শ্রমিকদের কে বিদেশে পাঠানো আর গ্যাস রপ্তানী করা কি এক নাকি? আর শ্রমিকদেরকে দেশে কেন কর্ম সংস্থান করা যাবে না? কেন দেশের বাইরে গিয়ে অমানবিক পরিবেশে তাকে কাজ করে মরতে হবে? আপানাদের বুর্জোয়া সরকার কয়টা কারখানা বানিয়েছে যেটা দিয়ে নিম্নবিত্তের জীবনযাত্রার মানোয়ন্নয় হয়েছে? কয়লা-গ্যাস বেচে কারখানা দিবেন, সে কারখানা চালাইবেন কি দিয়া- হাওয়া দিয়া নাকি? নাকি আন্তর্জাতিক দামে মুদ্রাস্ফীতি অ্যাডজাস্ট কইরা ন্যায্য মুল্যে সেই রপ্তানী করা গ্যাস আবার কিনবেন?
সবচেয়ে বড় কথা কয়লা/গ্যাস বেচে/রপ্তানী করে কয় টাকা পাবেন আপনি যে কারখানা বানিয়ে জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন করবেন? লাভ তো করবে বিদেশী কোম্পানী কারণ ৮০ ভাগ মালিকানা তাদের!!!
ফালতু কোথাকার!!!
আইজুদ্দিন: কেন গনবিরোধী তার কোন কথা নাই পুরা আর্টিকেলে?
দিনমজুর: সাতখন্ড রামায়ণ পড়ে সীতা কার বাপ এর মতো প্রশ্ন। ৮০ ভাগ মালিকানা দিয়ে বিদেশে রপ্তানীর সুযোগ করে দেয় যে চুক্তি সেটা কেন গণবিরোধী সেটা আর পরিস্কার করে বলার কি আছে?
আইজুদ্দিন:বাপেক্স গত ৩৮ বছরে কি বাল ফালাইসে কেউ বলবেন আমারে?
দিনমজুর: দেশীয় কোম্পনীগুলা বর্তমানে দেশের মোট উতপাদিত গ্যাসের ৪৬% সরবরাহ করে বুঝলেন। প্রসংগ ক্রমে একটা ইন্টারেস্টিং তথ্য সামুর ভিন্ন চিন্তা ব্রগার দিয়েছেন:
“টাল্লো' নামে একটি আই ও সি ব্লক ১৫ তে কাজ করছে।এদের দ্বি মাত্রিক সার্ভে করে দিয়েছে দেশি কোম্পানী বাপেক্স্ ।এ ক' মাস আগে এর ১ ম কূপ ও খনন করে দিযেছে বাপেক্স। সকল কাজ সম্পন্ন করেচে দেশি কোম্পানী বাপেক্সর । অথচ দেশ কে টাল্লো কাছ থেকে গ্যাস কিনতে হবে আন্র্তজাতিক বাজার মূল্যে”
কোন টাল্লো চিনতে পারছেন তো!
আইজুদ্দিন: আচ্ছা এ স্লোগান হইলে কেমন হয়,
আমাদের শ্রমিকদের বিদেশে যেতে দেয়া চলবে না, আমার দেশের শ্রমিক আমার দেশেই রাখব। আই গেস তাইলে দেশের সর্বোচ্চ ফরেন রেমিটেনস বন্ধ হইয়া যাইবো।
দিনমজুর: ঠেস দিয়ে বললেও একটি কথা অন্তত ভালো বলেছেন ভাই। আসলেই আমরা তাই মনে করি। আমাদের শ্রমিকদের কেন বিদেশে গিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করতে হবে? দেশে তাদের জন্য কর্মসংস্থান কেন করা হবে না?
আইজুদ্দিন: দেশ জাতি উন্নতি করলে তো আর সর্বহারা থাকবোনা, সর্বহারার বিপ্লবও হবেনা। দিনমজুরগো রাজনীতির জন্য দরকার একটি নিম্ন বিত্ত সমাজ।
দিনমজুর: অভিযোগতো করলেন কিন্তু দেখান তো দিনমজুরদের রাজনীতির জন্য কখন কোথায় কয়জন নিম্নবিত্তের সৃষ্টি হয়েছে? অন্য সবকিছু বাদ দিলাম-আদমজীর মত কলকারখানা বন্ধ করে নিম্ন বিত্তদের বিদেশে রপ্তানীকরে, তাদের পশুর মত জীবন যাপনে বাধ্য করে পায়ের উপর পা তুলে রেমিটেন্স ভোগ করার বাসনা থেকেই বোঝা যায় আসলে নিম্নবিত্ত সৃষ্টি করা কাদের দরকার!
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন:
এই মন্তব্যটি মুছে ফেলা হয়েছে, মন্তব্য করার সময় ব্লগ ব্যবহারের শর্তাবলীর দিকে খেয়াল রাখুন । শর্তাবলী
বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত বলেছেন:
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন:আপনে এই এই বিষয়ে তো মিয়া আমার ধারণা আপনে আমার থিকা কম জানেন (আমি তো কিচ্ছ্যু জানি না)।
=====================
ঈমানে কই, আমি আপনার চাইতে কমই বুজি| তয় চুরি যে হইতাছে এইটা আমি সহ পুরা দেশের মানুষ বুজলেও আপনে কেন বুজতে চাইতাছেন না সেইটা আমি বুজি না|
আপনার মত, আমিও সাধারন গ্রাহক তয় পেশাগত কারনে ইন্জিনিরারী; একটু আধটু পরছিলাম আর কিউবা-ভেনিজুয়েলা কেমনে পশ্চিমাগো বাদ দিয়াই তেল-গ্যাস সামলায় মোটামুটি একটু ধারনা রাখি|
আইজু-খারেজী ও কয়েক হাজার ব্যরিষ্টার চেষ্টা কইরা আমারে কি বুজাইবো......???
তেল-গ্যাসের ইজারা দিলে দেশ ও জাতির অনেক উপকার হইবো, এইটা বুজাইবো.......!!
আর এই খানে সরকারী দল, বিরোধী দলের গালাগালিতে খুশির কিছু নাই| তেল-গ্যাস না হইলে চুন্নী খালেদার পুলাগো রান্না বন্ধ থাকবো না, আর হাসিনা চুন্নীরতো আণ্ডা-বাচ্চা সবই বৈদেশে, তেল -গ্যাস হেগো লাগবো না| বেইচা দিয়া নগদ কামানোর তালে আছে সবাই|
আর পার্সোনালি নিয়েন না সবকিছু, আপনার দলরে না হোক, আপনারে কইলাম ভালাপাই.......
( অমি, আমি দেশের ব্যাপারে একটু বেশীই ইমোশনাল, আপনে জানেন সুতরা; সব কিছু পার্সোনালি না নিলে খুশি হমু)
এই মন্তব্যটি মুছে ফেলা হয়েছে, মন্তব্য করার সময় ব্লগ ব্যবহারের শর্তাবলীর দিকে খেয়াল রাখুন । শর্তাবলী
২১৩ নং মন্তব্যের জবাবে বলছি আপনে ছাগলের কয় নাম্বার বাচ্চা হিসাবে এখানে লাফাইতাছেন?
পড়ুয়া_পড়ুয়া ও তত নং বাচ্চা হিসাবে লাফাইতাছে। ব্লগে যে কেউ যে কোন মন্তব্যে যুক্তি খন্ডনের অধিকার আছে। লেখকের আলাদা করে কোন বক্তব্য থাকলে সে ওটাও দিবে।
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন:
হেহেহে, হাশেম দেওয়ান সেই প্রশ্নের উত্তর দিতারি যদি আপনে একটা যুক্তিসঙ্গত বক্তব্য এইখানে রাখতারেন। হুনেন মিয়া দুই নম্বর নিক, চৌদ্দ নম্বর নিক আমরা এই সামুতে জন্ম দিছি। এইডি ছাড়েন, ভালা হইয়া যান। ওইডার লিগা পয়সা লাগে না। আমি কিসের দালাল এইডা সবাই জানে যখন তখন নতুন কইরা আর না তুলি। আসেন আপনে কার দালালী ূদাইতেছেন সেইটা পরিষ্কার হই
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন:
বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত : এই ট্যাগিংটা ছাড়েন। আমি কোন দল করি বইলা আপনার মনে হয়? এইটা তো ছাগুচীফের বয়ান আর ইদানিং লাল টুপি ওয়ালারা দিতেছে, আপনার মুখে তো আশা করি না। আর কেউ না বুঝুক, আপনারে বুঝাই। ঠান্ডা মাথায় বোঝার চেষ্টা করেন। জনাব দিন মজুর একটা পোস্ট দিছে। এখন এইটার বিষয়ে দুইজন ব্লগার (যারা সামুতে ব্যান, কমেন্টও ব্যান) একজায়গায় বিতর্ক করতেছেন। এখন দিনমজুর ওইখানে রেজিস্টার্ড কিন্তু কমেন্ট করতেছেন না।১. এখন এই বিতর্কটা তার দৃষ্টিগোচরে আনাটা কি আমার অপরাধ? হইলে বলেন। আমি বিদায় হই।
২. যেহেতু উনার বক্তব্য নিয়াই বিতর্ক, তাইলে আরেকজন কেনো তার ঘাড়ে রাইখা বন্দুক চালাইবো। সেইক্ষেত্রে ইনডেপথ নলেজ না নিয়া কেনো উনি এমন একটা বিতর্ক শুরু করবেন? এই বিষয়টা ক্লিয়ার হওয়া কি আমার অপরাধ? হইলে বলেন সেটা।
৩. যুক্তির দৌর্বল্য থাকলে কে কি করতারে এইটা সাড়ে তিনবছরের উপর ব্লগিং জীবনে বহুত দেখছি, নতুন কইরা দেখার কিছু নাই। আমি শুধু নিশ্চিত হইতে চাইতেছি এইখানে আসলে ফায়দাটা কার হইতেছে, সেটার বেটার বিকল্প কি? আপনি যেমন ভেনিজুয়েলার কথা কইলেন তারা আসলেই কেমনে করতাছে আর তা করতে আমাদের কি করতে হবে? আমেরিকার এগেইনস্টে সেক্ষেত্রে আমরা কাদের মিত্র মানবো? এইবার বলেন আমার সমস্যা কোথায়?
আমি দেশের দালালী করতেছি। শুধু এখানে না, সবখানেই।
ট্যাগিং এ তো ভাই আপনিও কম যান না। যারে খুশী তারে ছাগলের ৩ নং বাচ্চা বলে ফেলেন।
২১৮ নং এর জবাবে বলতেছি খারেজি সামুতে ব্যান জানা নাই এবং আইজুর সামুতে আরো দুইটা নিক একটিভ আছে। কিন্তু সেই দিন আর নাই আইজুর (খারেজিরে বলতেছিনা ) যে ইচ্ছে মতো দল নিয়া ঝাপাইয়া পড়বো সামুতে। তাই মনে হয় নিজ দুর্গতেই তলোয়ার নিয়া খাড়াইয়াছে যুদ্ধ করার জন্য আর শত্রুরে আহবান করতেছে আয় কাল্লা দিয়া যা।
আমার ব্লগের বিজ্ঞাপনটা ভালো হয়েছে।
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন:
এই মন্তব্যটি মুছে ফেলা হয়েছে, মন্তব্য করার সময় ব্লগ ব্যবহারের শর্তাবলীর দিকে খেয়াল রাখুন । শর্তাবলী
বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত বলেছেন:
@অমি:সারা জীবনে আমি কোন দলরেই ভোট দেই নাই| ব্লগে শুধু লীগরে বাঁশ দিয়া লেখার কারনে আমি এখন ছাগু,জামাত, শিবির, রাজাকার ( বি.এন.পি বলে না কেউ)| তো আমার লেখার ষ্টাইলের কারনে আমাকে ট্যাগি; করা হয়েছে, খুব একটা দু:খও নাই|
আমি আপনাকে ট্যাগি; করতে চাইনি, মনে মনে যাই ভেবেছি, আমার কথায় যদি কষ্ট পেয়ে থাকেন তাহলে দু:খিত| প্লিজ, একসেপ্ট মাই এ্যপলজি|
সুস্হ বিতর্কের আপনার চেষ্টাকে আমি সমর্থন করি, তারপরও বলবো "দিন মজুরের" এই পোষ্টটাকে আমি হৃদয় দিয়ে সমর্থন করছি কোন বিতর্ক ছাড়াই|
ঠিক একই ভাবে সমর্থন করবো যুদ্বাপরাধিদের বিচার সহ দেশের স্বার্থে যে কোন লেখা যদি আপনি কখনো লিখেন|
ধন্যবাদ|
আপনে অতীতে যখনই কোন ব্লগে জায়গায় চিপায় পড়েছেন ম্যাৎকার সহ নিজেরে প্রমাণ করতে "ঈমানে কইতাছি" অনেকবার ব্যবহার করেছেন।
না আপনে দেশের জন্য দালালী করতেছেন সেইটা আমি সহ অনেকেই বিশ্বাস করেনা। আইজুরা এইখানে শুধু মুততে আসেনা মুত চাটতেও আসে। গত এক সপ্তাহে আইজু সামুতে তিনবার পা দেওয়ার স্বাক্ষর রেখে গেছে।
যায় হোক কথায় কথায় খিস্তি খেওর দেন। কার কাছ থেকে শিখেছেন? নিশ্চয় পারিবারিক শিক্ষা না?
তথ্যবহুল চমৎকার লেখার জন্য দিনমজুর ভাই কে অনেক ধন্যবাদ। এ বিষয়ে নিয়মিত আপডেট দিয়ে লেখার বিনীত অনুরোধ রইল!
ভালো থাকুন...............।
++++++++++++++++++++++++++++
ইউনুস খান বলেছেন:
চমৎকার পোস্টের জন্য দিনমুজুরকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।পোস্ট টি বেশ কয়েকদিন ধরেই পর্যবেক্ষণ করছিলাম, কয়েকজনের আচরণে কষ্ট পেলাম।
আপনার দেয়া তথ্যের একটা জায়গায় খটকা লাগলো, তাই আবারও নিশ্চিত হয়ে নিতে চাচ্ছি
আপনি বলছেন যে মোট উত্তোলিত গ্যাসের ৮০% বিদেশী কোম্পানী রপ্তানী করতে পারবে, বাকী ২০% পেট্রোবাংলা দাবী করতে পারবে তবে সেটাও পেট্রোবাংলাকে আন্তর্জাতিক বাজারদরে কিনতে হবে -- এটা কি সত্যি!!!!!!!!!!
তাহলে বাংলাদেশের লাভটা কোথায়???
তাহলে তো আন্তর্জাতিক বাজারদরে বিদেশ থেকে গ্যাস কেনাই ভালো!! নাকি শুধুই লজিস্টিক/পাইপলাইনের ঝামেলা এড়ানোর জন্য এ আয়োজন
এই অংশ পড়ে তো আমার মনে হচ্ছে যে ব্যাপারটা এমন, আমার পুকুরভর্তি মাছ ... জেলেদের বললাম প্রতিদিন ১০০টা মাছ ধরে ৮০ টা নিয়ে যাও, বাকী ২০টা বাজারের দরে আমার কাছে বিক্রী করে যাও!! -- এও কি সম্ভব!!!!!!
লেখক বলেছেন: @জ্বিনের বাদশা,
ঠিকই বলেছেন, খটকা লাগার মতই বিষয়। ব্যাপারটা আপানার মাছের উদাহরণের মতই। নি:সন্দেহ যেন হতে পারেন সে জন্য আর্টিক্যাল ১৫.৭ এর প্রায় পুরোটাই তুলে দিলাম। খেয়াল করেন প্রথমে পয়েন্ট a তে গ্যাসের দাম অফ-শোর/অন-শোর নির্বিশেষে HSFO গ্যাসের ৭৫% এর কথা বলা হলেও পয়েন্ট d তে দেখেন অন-শোর(পশ্চিম জোন) এবং টাইপ A ও B এর অফশোর গ্যাসের ক্ষেত্রে দাম আরও ২৫% বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে। কি চমতকার, তাই না?
15.7 The financial terms to be included in the purchase and sale agreement referred to in
Article 15.6 shall be as follows:
(i) The price for Natural Gas shall be calculated as follows:
(a) subject to Article 15.7 (ii), for onshore gas, the price shall be seventy-five
percent (75%) of the Marker Price as defined in Article 15.7(i)(b) converted
into Dollars per mscf on the basis of thermal energy equivalents (BTU);
(b) the Marker Price shall be calculated for each Calendar Quarter based on
the arithmetic average of Asian Petroleum Price Index (“APPI”) quotations
of High Sulphur Fuel Oil 180 CST ("HSFO"), FOB, Singapore only for such
days as such quotations are published for the six months ending on the
last day of the second (2nd) month preceding the start of the quarter for
Model PSC-2008 41
which the calculation of the Marker Price is to be made; Such fuel oil price
will have a floor of seventy Dollars ($70) per metric ton and a ceiling of
one hundred and eighty Dollars ($180) per metric ton;
(c) in the event that the trading of HSFO in the area covered by APPI ceases
or HSFO prices cease to be quoted by APPI ceases to be published, the
Parties shall meet and agree as soon as possible upon a suitable
alternative. Until such time as a new basis of pricing is agreed, the last
available Marker Price shall continue to be used;
(d) for the western zone (Onshore) gas price shall be twenty-five percent
(25%) higher than for the other onshore gas price calculated as per 15.7 (i)
(a);
or
for offshore gas from Type–A blocks situated north of 20 degree north
latitude, the price shall be twenty-five percent (25%) higher than for the
onshore gas price calculated as per (a) above;
or
for offshore gas from Type–B blocks situated south of 20 degree north
latitude, the price shall be one hundred percent (100%) of the Marker
Price as defined in Article 15.7(i)(b);
(e) Petrobangla shall receive a discount of minimum one percent (1.%) on the
price of gas calculated as per Article 15.7 (i)(a) and 15.7 (i)(d) on the
Natural Gas sold by Contractor to Petrobangla at the Measurement Point.
(ii) Should the Marker Price for any Calendar Quarter, calculated as in Article
15.7(i)(d) above fall below a floor price of seventy Dollars ($70) per metric ton of
HSFO or rise above a ceiling price of one hundred and eighty Dollar ($180) per
metric ton of HSFO, the Marker Price for that quarter shall be fixed at the floor
price or ceiling price respectively.
লেখক বলেছেন: একটা বিষয় আরেকটু পরিস্কার করা দরকার। আপনি আমার লেখা থেকে গ্যাস ভাগাভাগির বিষয়টা এরকম ভাবে বুঝেছেন যে ৮০% বিদেশী কোম্পানী নিয়ে যাবে আর বাকি ২০% ও পেট্রবাংলাকে সেই কোম্পানীর কাছ থেকে আন্তর্জাতিক বাজার মূল্যে কিনতে হবে। আসলে আমরা বলেছি:
"পেট্রোবাংলাকে যদি তার প্রাপ্য ২০% এর বেশী গ্যাস এদের কাছ থেকে ক্রয় করতে হয় তাহলে আন্তর্জাতিক বাজার মূল্যে সেই গ্যাস কিনতে হবে। আগের পিএসসিতে এর পরিমাণ ছিল বিভিন্ন ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক বাজার মূল্যের চেয়ে কিছুটা কম-৭৫% থেকে ৯৩%।"
অর্থাৎ পেট্রবাংলা ২০% গ্যাস প্রফিট গ্যাস হিসেবে সরাসরি বিদেশী কোম্পানীটির কাছ থেকে পাবে অর্থাৎ তাকে তা কিনতে হবে না। কিন্তু যদি ২০% অধিক গ্যাস তার দরকার হয় অর্থাৎ বাকি ৮০% গ্যাসের পুরোটা বা কিছু অংশ সে চায় তাহলে তাকে আন্তর্জাতিক দামে বিদেশী কোম্পানীর কাছ থেকে কিনতে হবে। অর্থাৎ আপনার উদাহরণের ২০ টা মাছ সরাসরি পেলেও বাকি ৮০ টা মাছ যদি সে পেতে চায় তাহলে আন্তর্জাতিক কোম্পানীর কাছ থেকে আন্তর্জাতিক দরে কিনতে হবে।
ওরাকল বলেছেন:
@ দিনমজুর : এই পোস্টে আমার কলেন্টগুলো অনেকেরই হয়তো ভাল লাগে নি । দিনমজুর নিজে ও আমার অবস্থান সম্পর্কে ব্যাখ্যা দাবি করেছে। আমি আমার অবস্থান সম্পর্কে আলাদা পোস্ট করে আপনাদের সাথে শেয়ার করব।
ভিন্ন চিন্তা বলেছেন:
নীড় সন্ধান@বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় গ্যাস ক্ষেত্রগুলো কি বাংলাদেশী কোম্পানী করেছে নাকি বহুজাতিক কোম্পানীর হাতে হয়েছে? বিবিয়ানার মত গ্যাসক্ষেত্র বাপেক্সকে দেয়া যেত না?দিনমুজুর@বাংলাদেশের যত গ্যাস উত্তোলন করা হয়েছে তার ৫৪ ভাগ হয়েছে বহুজাতিক কয়েকটি কোম্পানী দিয়ে আর ৪৬ ভাগ হয়েছে দেশীয় কোম্পানীর মাধ্যমে।
********************************************
দেশি বিদেশী কোম্পানীর এই অনুপাত টি বর্তমান দৈনিক / বাৎসরিক চলমান অনুপাত।২০০৭ সালের আগেও বিবিয়ানাগ্যাস ক্ষেত্র থেকে চেভরণ উৎপাদন শুরুর আগে দৈনিক উৎপাদর উৎপাদন চিত্র বিপরীত ছিল।
তার আগ পর্যন্ত গ্যাসের মোট উৎপাদনের/ ব্যবহারের মিটতো সিংহ ভাগ দেশি কোম্পানীর মাধ্যমে।
*********************************************
উৎপাদন হার বিদেশী কোম্পানীর কেন কিভাবে বেশি এর একটা ঘটনা বলি।
তিন বছর আগে কথা। বাপেক্সের ফেঞ্চুগ্যাস ক্ষেত্র একটি নতুন কূপ খনন করে অধিক উৎপাদনের প্রস্তাব করে বাপেক্সের কর্মরতরা। এ ধরণের একটি কূপ খননের মূল যন্ত্র পাতি ও লোকবল বাপেক্সে বিদ্যমান। এতে বাপেক্সের সর্বমোট ৬ মাস সময় ও ৫০/৬০ কোটি টাকা প্রয়োজন ছিল।
প্রস্তাবটি তৎকালিন সরকারের উচ্চ মহলে গৃহিত হয় নি এবং বাপেক্সের তৎকালিন এম ডি নিজেও রাজি হন নি। কি কারণ। ?!!!!!!!!!!!!
কারণ টা খুব অদ্ভুদ।
সরকার ধারণা করছিল তৎকালিন মোট গ্যাসের চাহিদা ও সরবরাহ মধ্যে যে ব্যবধান ছিল , তা মিটে যাবে শেভরণ মালিকানাধীণ বিবিয়ানা গ্যাস ক্ষেত্র থেকে গ্যাস উৎপাদস শুরু হলে। উল্রেখ,কেয়ার্ণ পরিচালিত সাগু গ্যাস ক্ষেত্রে রহস্যজনক উৎপাদন প্রায় বন্ধ হবার কথা সরকার ভাবে নি।
যদি বাপেক্স তার ফেঞ্চুগঞ্জ গ্যাস ক্ষেত্র থেকে উৎপাদন শুরু করে তবে সরকার বাধ্য হবে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে দেশী প্রতিষ্ঠান বাপেক্সের নিকট থেকে গ্যাস ক্রয় করতে। তাহলে বিবিয়ানা গ্যাস ক্ষেত্রের উৎপাদিত গ্যাস নিয়ে শেভরণ বেকাদায় পরে যাবে। শেভরণ কে হয়তো তখন উৎপাদস হ্রাস করে দিতে হবে।
সুতরাং , শেভরনের স্বার্থ রক্ষার সবচেয়ে সহজতম উপায়, দেশীয় প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগ গ্রহণের সম্ভাবণা কে অকুরে বিনষ্ট করে দেয়া।
লেখক বলেছেন: তথ্যগুলোর জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। শেভরণের স্বার্থ রক্ষার জন্য তিন বছর আগে বাপেক্সকে ফেঞ্চুগঞ্জের নতুন কূপ খননের অনুমতি না দেয়ার যে উদাহরণ টা আপনি দিলেন সেটা খুবই গুরুত্ব পূর্ণ শাসক শ্রেণীর চরিত্র বোঝার ক্ষেত্রে।
পত্র-পত্রিকায় এই সব নিয়ে কোন খবর প্রকাশ হয় না বরং দক্ষতা নাই, যোগ্যতা নাই, গ্যাস সংকট, বিদেশী কোম্পানী ছাড়া এখন উপায় কি ইত্যাদি কথাবার্তা প্রচার করে করে এমন একটা অবস্থা সৃষ্টি করা হয়েছে যে আমাদের অনেকের কাছেই এখন এই খবরটা অবিশ্বাস্য মনে হবে যে দেশীয় কোম্পানীগুলো দেশের মোট চাহিদার ৭৫% মেটাতো!
যেন পরিকল্পিত ভাবে একটা জাতিগত হীন্যমনতা তৈরী করা হয়েছে যে আমরা পারবো, আমরা পারিনা, কোন লাভ নেই ইত্যাদি।
আপনারা যারা এই ফিল্ডে প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা লাভ করেছেন তারা যদি তাদের অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে শুরু করেন তাহলে বোধ হয় এই হীন্যমনতা কাটার পথ প্রশস্ত হবে।
ভিন্ন চিন্তা বলেছেন:
প্রিয়স্রোত@ আপনি হয়তো জানেন না যে 'টাল্লো' কে সাগর বক্ষের একটি ব্লক দেওয়া হচ্ছে সেই 'টাল্লো'র স্থল ভাগের দ্বিমাত্রিক সার্ভে বাপেক্স করে করে দিয়েছে থাডৃ পার্টি হিসাবে।শুধু তাই না টাল্লু ভাঙ্গুরা গ্যাস ক্ষেত্রের সর্ব শেষ কূপ টি খনন করে থার্ড হিসাবে বাপেক্স খনন করে দিয়েছে।
শেভরণ বলুন টার্ল বলুন কেউ নিজে উৎপাদন নিয়ন্ত্রণ ব্যতিত কোন কাজ করে না। দ্বি মাত্রিক অনুসন্ধাণ আর কূপ খনন থার্ড পার্টি হায়ার মাধ্যমে করেই সকলে করে।
কেন আমরা যেখানে আমাদের বর্তমানে সীমাবদ্দতা রয়েছে সেখানে থার্ড পার্টি র সহয়োগিতা নিতে পারি না?
হাসানুজ্জামান তালুকদার শিমুল বলেছেন:
Valo laglo
পড়ুয়া_পড়ুয়া বলেছেন:
পিয়ালের সাথে অর্থহীন তর্ক করে এই পোস্টের মর্যাদা ও গুরুত্ব নষ্ট করতে চাই না । বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত, হাশেম দেওয়ান, ফারহান দাউদ - আপনাদের অনেক ধন্যবাদ পিয়ালকে জবাব দেবার জন্য । আমারও সন্দেহ হয় , আওয়ামী লীগ সরকার না থাকলে আজকে তেল-গ্যাস রক্ষার বিষয়ে পিয়ালের অন্য সুর শোনা যেত কিনা ! যাই হোক, আমাদের যৌক্তিক অবস্থানই আমার ভরসা । আগামী কাল সকাল ১১ টায় মুক্তাঙ্গন থেকে কাওরানবাজারে পেট্রোবাংলা অফিস ঘেরাও এর কর্মসূচী দিয়েছেন তেল- গ্যাস রক্ষা কমিটি । ব্লগ আলোচনার পাশাপাশি এ বিষয়ে আমাদের কী কী করা যেতে পারে -সেটাই এখন আমাদের প্রধান ভাবনার বিষয় হতে পারে । আর ভিন্ন চিন্তাকে বলছি , আপনারা যারা এই ফিল্ডে প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা লাভ করেছেন তারা যদি তাদের অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে শুরু করেন তাহলে বোধ হয় অনেক কুতর্কের অবসান হবে ।
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন:
এই মন্তব্যটি মুছে ফেলা হয়েছে, মন্তব্য করার সময় ব্লগ ব্যবহারের শর্তাবলীর দিকে খেয়াল রাখুন । শর্তাবলী
ইমতিয়াজ জামিল বলেছেন:
খুবই ইনফরমেটিভ লেখা।প্রিয়তে রেখে দিলাম। বিদেশীদের সাহায্য নিতে হবে কোন সন্দেহ নাই।কারন আমাদের এক্সপার্টিস নাই। তবে আমাদের সরকার যাদি আমাদের দেশের সার্থ না দেখে কারো কারো ব্যাক্তিগত সার্থ সিদ্ধি করে তাহলে কি বা বলার আছে।আমরাই নির্বাচিত করেছি।ওটাই আপসোস।
++++
সালাহউদ্দীন আহমদ বলেছেন:
প্রাসঙ্গিক একটা তথ্য যোগ করি। ২৮টি ব্লকের মধ্যে ভারত ১০টী এবং মায়ানমার ৯টি ব্লকের দাবী করেছে তাদের নিজেদের বলে। সুতরাং বাংলাদেশের হাতে আছে মাত্র ৯টি ব্লক। এ কারণেই তত্বাবধায়ক সরকার প্রথমে ২৮টি পরে ৯টি ব্লকের টেন্ডার আহ্বান করেছিলো।ঐ ১৯টি ব্লকের মালিকানা বর্তমানে বাংলাদেশের পাওয়া খুবই কঠিন। এজন্য জাতিসংঘের দ্বরস্থ হতে হবে। তবে সেক্ষেত্রে শক্তিশালী লবির অধিকারী ভারতের সাথে বাংলাদেশ পারবে কিনা সেটাই প্রশ্ন।
অ্যামাটার বলেছেন:
আশ্বর্য হতে হয়...@অমি পিয়াল দাঃ কাল থেকে এই পোষ্টে ঢুকিনি, কিন্তু সত্যিই অবাক হচ্ছি আপনার মন্তব্যগুলো পড়ে!
যে কোনও মূল্যে সোনার ডিপ পাড়া হাঁসটাকে খতম করা হালাল প্রমাণের জন্য একেবারে উঠে পড়ে লেগেছেন! আর প্রমাণাদি হিসেবে হাজির করেছেন আইজু-খারেজি'র একগাদা বস্তাপঁচা বাহাস।
কথা কাটাকাটি কিংবা তর্কের খেলায় যাব না, আপনার কাছে এটা হয়ত টেলিভিশনের স্কুল বিতর্ক প্রতিযোগিতা হতে পারে, কিন্তু পনের কোটি মানুষের কাছে এটা তাদের অধিকার ও বঞ্চনার প্রশ্ন, এই ইস্যুর সাথে জড়িয়ে আছে কোটি মানুষের ভাগ্য। না হয় তালগাছটা আপনারই!
তবে আশার কথা হচ্ছে, এই গো-মূর্খ বাঙ্গালীরা এখন অনেক সচেতন। নিজেদের অধিকার ও স্বার্থ রক্ষায় সক্ষম। মনে আছে নিশ্চয়, ফুলবাড়ি ট্রাজেডি'র কথা? তখনও এই আনু মোহাম্মদ, এই তেল-গ্যাস জাতীয় সম্পদ রক্ষা কমিটিই হয়েছিল ত্রাণ কর্তা।
অতীতে বাংলাদেশকে ব্যার্থ/অকার্যকর প্রমাণের বহু চেষ্টাই তো হয়েছে, কিন্তু বরাবরই শত্রুর মুখে ছাই দিয়ে আমরা প্রমাণ করেছি, বাংলাদেশ রাইট ট্রাকে-ই আছে। এখন লুটেরারা স্ট্রাটেজি পাল্টেছে দেখছি। ভাল!
এবারের শ্লোগানটা হওয়া উচিৎ, "জান দেব/তবু সম্পদ দেব না"। আদতেও তাই, আমার সম্পদ কাউকেই খেতে দেব না।
চিরসবুজ-মানব বলেছেন:
স্পষ্টতই পিয়াল সাহেব ডাঃ আইজুর কাধে বন্দুক রেখে গুলি করতে চান। কারণ আইজুর বক্তব্যই পিয়ালের বক্তব্য। নিজের সৎ সাহস নেই তাই উনি ডাঃ আইজুর কুরুচি পূর্ণ ভাষা সম্বলিত দালালী মনোভাবের যুক্তি সম্পন্ন কথা নিয়ে আসছেন।
নিবিড় অভ্র বলেছেন:
হুমমম......
ধরেন বিদেশী কোম্পানী 'ক' ১০০ একক গ্যাস উত্তোলন করলো ... আপনার দেয়া হিসাব অনুসারে এর মধ্যে ৫৫ একক তারা রিকভারী কস্ট হিসাবে নেবে ... সেই হিসাবে কিন্তু বাকী ৪৫ ইউনিট বাংলাদেশ সরকারের মালিকানায় বিক্রী হবার কথা
আবার অন্য জায়গায় বলছেন ৮০ একক তারা বিদেশে রপ্তানী করতে পারবে ... বাকী ২০ একক পেট্রোবাংলা আন্তর্জাতিক বাজারদরে কিনতে পারবে
তাইলে তো দেখা যাচ্ছে ৫৫ একক না, বরং ১০০ একক পুরোটাই তারা নিজেদের করে নিয়ে যাচ্ছে রিকভারী কস্ট হিসাবে
আসলে মূল সিনারিওটা কি?
মানে ১০০ একক গ্যাস উত্তোলিত হলে তার বন্টনটা কেমন হবে একটু বুঝায়ে বলেন
আরেকটা প্রশ্ন:
আপনি লিখলেন যে আগের পিএসসির সর্বোচ্চ মূল্য ১৪০ ডলারকে এবার ১৮০ ডলারে উঠানো হয়েছে ... এখানে আগের পিএসসি কি ১৯৯৭ সালের পিএসসি? মানে ১৯৯৭ সালে ১৪০ ডলার নির্ধারিত ছিলো?
আর এই যে মূল্য ১৮০/১৪০ ডলার, এটা কতটুকু গ্যাসের দাম, এক সিএফটি?
লেখক বলেছেন:
নারে ভাই যন্ত্রণার কিছু নাই। প্রশ্নগুলো করে ভালই করেছেন। দেখি উত্তর দেবার চেষ্টা করি।
১) ভাগাভাগি: “ক” কম্পানী ৫৫% গ্যাস কষ্ট রিকভারী গ্যাস হিসেবে নিয়ে যাওয়ার পর বাকি যে ৪৫% থাকে তা হলো প্রফিট গ্যাস। এই প্রফিট গ্যাস নির্দিষ্ট চুক্তি অনুসারে বাংলাদেশ এবং “ক” কম্পানীর মাঝে ভাগাভাগি হবে। মজার ব্যাপার হলো মডেল পিএসসি তে এই ভাগাভাগি ঠিক কি অনুপাতে হবে অর্থাত ৪৫% প্রফিট গ্যাস ঠিক কি অনুপাতে বাংলাদেশ ও “ক” কোম্পানীর মধ্যে বন্টন হবে সে বিষয়টি ব্লাংক বা ফাকা রাখা হয়েছে। বলা হয়েছে, নির্দিষ্ট কোম্পানীর সাথে নির্দিষ্ট চুক্তি অনুসারে সেই অনুপাতটি ঠিক করা হবে।
ধরা যাক সে অনুপাত সমান সমান অর্থাত ৫০-৫০ সেক্ষেত্রে প্রফিট গ্যাস থেকে বাংলাদেশ পাবে ২২.৫ % এবং “ক” কম্পানীট পাবে ২২.৫%। সব মিলে “ক” কম্পানিটি পাবে ৫৫+২২.৫=৭৭.৫%।
কনোকো ফিলিপস বা টাল্লোর ক্ষেত্রে সরকার যে চু্ক্তি করতে যাচ্ছে তা যেহেতু গোপন রেখেছে সেহেতু আমাদের পক্ষে একেবারে নির্দিষ্ট করে বলা সম্ভব নয় এই ৪৫% গ্যাস বাংলাদেশ ও টাল্লো বা কনোকো ফিলিপস এর মাঝে কি অনুপাতে ভাগাভাগি হবে। যদি সমান সমান বা ৫০-৫০ হয তাহলে বাংলাদেশ পাবে ২২.৫% এবং কনোকো ফিলিপ্স/টাল্লো পাবে ২২.৫% + ৫৫%=৭৭.৫%। কিন্ত যদি টাল্লো/কনোকো ফিলিপস ও বাংলাদেশের অনুপাত ৬০:৪০ হয় সেক্ষেত্রে ৪৫% এর মধ্যে বাংলাদেশ পাবে ১৮% এবং টাল্লো/কনোকো ফিলিপ্স পাবে ২৭ ভাগ অর্থাত মোট ৫৫+২৭=৮২ ভাগ।
কিন্ত যেহেতু আগের সমস্ত চুক্তির বেলায় এ পরিমাণটি যেহেতু মোটের উপর ৮০% ছিল সেহেতু ড: নূরুল ইসলাম সহ অন্যান্য বিশেষজ্ঞরা এর পরিমাণকে ৮০% ই বলছেন।
২) দামের হিসেব: এই ১৮০ ডলার হলো ১ মেট্রিকটন HSFO এর সর্বোচ্চ দাম।
কিন্তু গ্যাসের দাম তো হিসেব করতে হয় MSCF বা প্রতি হাজার স্ট্যান্ডার্ড কিউবিক ফিট হিসেবে। তাহলে গ্যাসের দাম কিভাবে পাব?
যেটা করতে হবে সেটা হলো ১ মেট্রিকটন HSFO এর হিটিং ভ্যালু কত MSCF গ্যাসের হিটিং ভ্যালুর সমতুল্য সেটা বের করতে হবে। তাহলে আমরা পেয়ে যাব প্রতি MSCF গ্যাসের দাম কত।
১ MSCF= ১০০০ কিউবিক ফিট= ১০০০*১০০০ BTU( British thermal Unit) যেহেতু ১ কিউবিক ফিট গ্যাস=১০০০ BTU
সুতরাং ১ MSCF = ১০ লক্ষ বা ১ মিলিয়ন বা ১ MMBTU হিটিং ভ্যালু
আবার ১ মেট্রিকটন HSFO এর হিটিং ভ্যালু = ৪০ MMBTU= ৪০ MSCF গ্যাসের হিটিং ভ্যালু
এখন, ১ মেট্রিক টন HSFO বা ৪০ MSCF গ্যাসের দাম = ১৮০ ডলার
সুতরাং ১ MSCF বা ১০০০ ঘন ফুট গ্যাসের দাম= ১৮০/৪০=৪.৫ ডলার=৪.৫*৭০=৩১৫ টাকা
আগের ১৯৯৭ এর পিএসসি তে যখন সিলিং বা সীমা ১৪০ ডলার করে ছিল তখন এর দাম পড়তো=১৪০/৪০=৩.৫ ডলার বা ২৪৫ টাকা করে।
অথচ দেশীয় কো্ম্পানীর কাছ থেকে আমরা এই ১ MSCF গ্যাস পাই ২৫ টাকা দরে।
লেখক বলেছেন: ও হ্যা, ঠিকই ধরেছেন ,আগের পিএসসি মানে হলো ১৯৯৭ এর পিএসসি।
ও.জামান বলেছেন:
চমত্কার ও সময় উপযোগী একটি পোস্ট। আশা করব সামুর মডরেটরগণ আরো কিছুদিন এটাকে স্টিকি করে রাখবেন। বাস্তব সত্য হচ্ছে মিডিয়া এই গুরুত্বপূর্ণ সংবাদকে ব্ল্যাক আউট করছে। তাই আপনার তথ্যবহুল বিশ্লেষণ আমাদের অনেক কিছু জানার সুযোগ করে দিল। আম্লীগ-বিএমপি-জামাতের কিছু ভাড়াটে ইলেক্ট্রনিক গুণ্ডা আছে, এই সুন্দর দেশপ্রেমী লিখাতেও তাদের অশ্লীল উপিস্থতি লক্ষ্য করছি। এইসব সারমেয় সন্তানদের বোঝার কথা নয় যে, 'এই লিখাটা আম্লিগের বিরুদ্ধে বা বিএমপির পক্ষে নয়, দেশদ্রোহীদের বিরুদ্ধে (তা সে হাসিনা খালেদা যেই হোক না কেন), আর দেশের পক্ষে'।
মাসিক ব্যতিক্রম থিকা আওয়াজ দিলাম।
লেখক বলেছেন: দিনমজুর মূলত তিন জন ব্যাক্তির যৌথ চিন্তার প্রকাশ। যৌথ চিন্তা হলেও কোন লেখায় হয়তো একজনের অংশ গ্রহণ বেশি থাকে তখন হয়তো তিনিই সেটা মুসাবিদা করেন, আরেকটি হয়তো অন্য জন- এরকম ভাবেই চলে। সে জন্য দিনমজুর নামটার কথাই বলেছিলাম।
দিনমজুর নামটা দৃষ্টকটু লাগার কারণটা ঠিক বুঝলাম না।
যাই হোক, যদি আপনার কাছে দৃষ্টি কটু লাগেই, এবং যদি নাম দরকারই হয়, তাহলে আপনার একটা ইমেইল এড্রেস দেন, সেখানে যৌথ চিন্তার তিনজন এবং তার মধ্য থেকে মুসাবিদা কারীর নাম পাঠিয়ে দেব। আপনার যেভাবে সুবিধা হয়, প্রকাশ কইরেন।
বিবর্তনবাদী বলেছেন:
জেনে ভাল হল।
দিনমজুরভাই আপনাকে ধন্যবাদ বিষয়টা সামনে আনার জন্য। আমরা কেন কে আওয়ামীলীগ , কে বি এন পি এইসব বাদ দিয়ে দেশের জন্য ভাবতে পারিনা, আজো বুঝলামনা।
বাপ যখন কথা বলে তখন চুপ করে শুনি সেইটা নিয়া আপনের চিন্তা করা লাগবেনা।
কিন্তু মাদারচুৎ দালালরা যখন কথা বলে তখন তাদের থাপরাইতে ইচ্ছে করে। আরেকবার আমার নাম নিলে অযু করে আসবি শালা দালাল।
চুক্তি অনুযায়ী অপারেটিংয়ে ৫৫%, বাকী ৪৫% কে ৬০-৪০ শেয়ারে ভাগ করে মূল পরিমাণের ২৭% -- মোট ৮২% বিদেশী কোম্পানী নেবে (এই অবস্থা জেনে হাসবো না কাঁদবো বুঝতে পারতেছিনা)
এখন প্রশ্ন হলো, বাংলাদেশের শেয়ারে যে ১৮% বাকী আছে সেটা আবার পেট্রোবাংলাকে আন্তর্জাতিক বাজারদরে কিনতে হবে কেন? সেটাতো বাংলাদেশ সরকারের সরবরাহকারী সংস্থার বিনামূল্যেই পাওয়া উচিত, তাইনা?
এই জায়গাটা ক্লিয়ার করেন দয়া করে।
লেখক বলেছেন: বাংলাদেশের শেয়ারে যে ১৮% বা ২০% বা ২২% পড়বে তা বাংলাদেশ প্রফিট গ্যাস হিসেবে পাবে। সুতরাং এর জন্য তাকে কোন অর্থ ব্যায় করতে হবে না- ১০০ ভাগ গ্যাস থেকে কেবল এই টুকুই তো বাংলাদেশের পাওয়া।
লেখক বলেছেন: বিদেশী কোম্পনীর শেয়ার হিসেবে মোট গ্যাসের যে ৮০% বা ৮২% বা ৭৮% পাবে তার পুরোটাই সে বিদেশে রপ্তানী করতে পারবে।
পেট্রবাংলা যদি কিনতে চায় তবে তাকে আন্তর্জাতিক দামের যে সূত্র এবং সিলিং দেয়া আছে সেটা হিসেব করে তাকে কিনতে ডলারে মূল্য পরিশোধ করতে হবে।
মডেল পিএসসি ২০০৮ এর আর্টিক্যাল ১৭.৫ অনুসারে এর হিসেবটা এরকম(আর্টিক্যালটা ২২৫ নম্বর কমেন্টের জবাবে দেয়া হয়েছে, দেখে নিন):
# অনশোর বা স্থলভাগের গ্যাসের ক্ষেত্রে এই দাম হবে আন্তর্জাতিক দরের ৭৫%।
#অফশোর বা সমুদ্রবক্ষের গ্যাসের ক্ষেত্রগুলাকে ৩ টি আলাদা ভাগে ভাগ করে দামের হিসেব করা হয়েছে-
১) ওয়েস্টার্ন জোনের গ্যাসের ক্ষেত্রে ক্রয়মূল্য হবে= আন্তর্জাতিক
দরের ৭৫%+ আন্তর্জাতিক দরের ৭৫% এর ২৫%
= ৭৫%+১৮.৭৫% = ৯৩.৭৫%
২) টাইপ A বা অগভীর সমুদ্রের গ্যাসের দাম = আন্তর্জাতিক দরের ৭৫%+ আন্তর্জাতিক দরের ৭৫% এর ২৫%
= ৭৫%+১৮.৭৫%= ৯৩.৭৫%
৩) টাইপ B বা গভীল সমুদ্রের গ্যাসের দাম= আন্তর্জাতিক দরের ১০০%
তবে যদি কখনও HFSO cst 180 তেলের মূল্য প্রতি মেট্রিকটনে ১৮০ ডলারের বেশী হয়ে যায়(সিলিং) কিংবা ৭০ ডলারের কম হয়ে( ফ্লোর) যায় তখন সেই ক্ষেত্রে সেই বাড়তি বা কম মূল্যটুকু ধরা হবে না, HFSO এর দাম যথাক্রমে ১৮০ ডলার বা ৭০ ডলার করে হিসেব করতে হবে।
আমাদের আলোচ্য-
#টাল্লোকে দেয়া ৫ নম্বর ব্লকটি টাইপ এ বা অগভীর সমুদ্রের হওয়ায় এর থেকে বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক দরের ৯৩.৭৫% হারে কিনতে হবে।
# কনকো ফিলপসকে দেয়া ১০ ও ১১ নম্বর ব্লক দুটি টাইপ বি বা গভীর সমুদ্রের হওয়ার কনোকো ফিলিপসের কাছ থেকে বাংলাদেশ কে গ্যাস কিনতে হলে আন্তর্জাতিক দরের ১০০% দরেই কিনতে হবে।
আপনার লেখাটা অনেক বড় এবং আকর্ষণীয়..তাই অনেকে নাম জিসাজ্ঞা করবে।
জি..........ই-মেইল এড্রেসটা :
দ্রুত..........
ভিন্ন চিন্তা বলেছেন:
ইমতিয়াজ জামিল বলেছেন: খুবই ইনফরমেটিভ লেখা।প্রিয়তে রেখে দিলাম।বিদেশীদের সাহায্য নিতে হবে কোন সন্দেহ নাই।কারন আমাদের এক্সপার্টিস নাই। তবে আমাদের সরকার যাদি আমাদের দেশের সার্থ না দেখে কারো কারো ব্যাক্তিগত সার্থ সিদ্ধি করে তাহলে কি বা বলার আছে।আমরাই নির্বাচিত করেছি।ওটাই আপসোস।
++++
***********************************************
আমাদের এক্সপার্ট নেই এ কথা সাথে এক মত হতে পারলাম না।
১। যে টাল্লো কে এবার একটি ব্লক দেওয়া হচ্ছে সেই টাল্লো তার ভূ ভাগের ব্লক-৯ এর দ্বি মাত্রিক অনুসন্ধান কারী হিসাবে তারা স্বল্পমূল্যে বাপেক্সকে হায়ার করে।
২। তাদের ৪ নং কূপ টিও বাপেক্স ২০০৯ সালে তাদের জীর্ণ ভাঙ্গা রীগ দিযে সস্তায় খনন করে দিযেছে।
৩। ভু ভাগে শুধু মাত্র সেই সব ব্রক ইজারায় আই ও সি আগ্রহী হয়েছে , যে গুলো দ্বি মাত্রিক উপাত্ত এ দেশী জিওলজিস্ট রা ৭০ ও ৮০ দশকে তাদের শ্রমে ঘামে প্রস্তুত করে রেখেছে।
৪। শেভরনের এদেশের প্রফাইল খুললে দেখা যাবে এদেশে তাদের যে কর্মকান্ড তা এ দেশী দের দ্বারা সিংহ ভাগ পরিচালিত।
৫।আই ও সি গুলো কেউই নিজ লোকবল ও টেকনলজিতে গ্যাস সেক্টরের প্রারম্ভিক কাজগুলো করে না। সার্ভে থেকে কূপ খনন কিংবা প্রোসেস প্লাট ইনস্টলিশন সবই হয় সবা-কন্ট্রাক্ট বা থাডৃ পার্টি সার্ভিসের মাধ্যমে। তারা নিজ লোকবলে নিযমিত অপারেশন চালায়।অটোমেশণের যুগে সেটা খুবই মামুলি ব্যাপার।
সুতরাং যেখানে আমাদের জ্ঞান বা অভিজ্ঞতার সীমাবদ্ধতা রযেছে সেখানে আমরা থার্ড পার্টি সাপোর্ট নিতে পারি কিংবা বিদেশী দক্ষ জনমক্তি নিযোগ করতে পারি। সারা বিশ্বে জ্বালানি ক্ষেত্রে বর্তমান বহু বাংলাদেশি কর্মরত আছে। তাদের যোগ্য সম্মাণের সাথে দেশে আহ্ববান করতে পারি।
লেখক বলেছেন: সেখানে আমাদের মতামত রাখা হলো।
ওরাকল বলেছেন:
@জ্বিনের বাদশা : নাকি ব্যাপারটা এমন যে বিদেশী কোম্পানী তার শেয়ারে যে ৮২ ইউনিট পড়েছে, সেটার সর্বোচ্চ ৮০% রপ্তানী করতে পারবে, এবং বাকীটা পেট্রোবাংলা চাইলে কিনবে আন্তর্জাতিক বাজারের দামবাজারের দামের ৭৫% মূল্যে
বাংলাদএশের প্রাপ্য টার জন্য কোন মূল্য দিতে হবে না।
লেখক বলেছেন: বাজারের দামের ৭৫% দরের যে কথাটি বললেন সেটা স্থলভাগের বা অনশোর গ্যাস ব্লকের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। অফশোর বা সমুদ্র বক্ষের গ্যাস ব্লক গুলোর ক্ষেত্রে ক্রয় মুল্যের হিসেবটা অন্যরকম।
মডেল পিএসসি ২০০৮ এর আর্টিক্যাল ১৭.৫ অনুসারে এর হিসেবটা এরকম(আর্টিক্যালটা ২২৫ নম্বর কমেন্টের জবাবে দেয়া হয়েছে, দেখে নিন, আপনি কি আর্টিক্যলটি না পড়েই ৭৫% কথা বলে বসেছেন নাকি এটা ইচ্ছাকৃত ভুল!):
# অনশোর বা স্থলভাগের গ্যাসের ক্ষেত্রে এই দাম হবে আন্তর্জাতিক দরের ৭৫%।
#অফশোর বা সমুদ্রবক্ষের গ্যাসের ক্ষেত্রগুলাকে ৩ টি আলাদা ভাগে ভাগ করে দামের হিসেব করা হয়েছে-
১) ওয়েস্টার্ন জোনের গ্যাসের ক্ষেত্রে ক্রয়মূল্য হবে= আন্তর্জাতিক
দরের ৭৫%+ আন্তর্জাতিক দরের ৭৫% এর ২৫%
= ৭৫%+১৮.৭৫% = ৯৩.৭৫%
২) টাইপ A বা অগভীর সমুদ্রের গ্যাসের দাম = আন্তর্জাতিক দরের ৭৫%+ আন্তর্জাতিক দরের ৭৫% এর ২৫%
= ৭৫%+১৮.৭৫%= ৯৩.৭৫%
৩) টাইপ B বা গভীল সমুদ্রের গ্যাসের দাম= আন্তর্জাতিক দরের ১০০%
তবে যদি কখনও HFSO cst 180 তেলের মূল্য প্রতি মেট্রিকটনে ১৮০ ডলারের বেশী হয়ে যায়(সিলিং) কিংবা ৭০ ডলারের কম হয়ে( ফ্লোর) যায় তখন সেই ক্ষেত্রে সেই বাড়তি বা কম মূল্যটুকু ধরা হবে না, HFSO এর দাম যথাক্রমে ১৮০ ডলার বা ৭০ ডলার করে হিসেব করতে হবে।
আমাদের আলোচ্য-
#টাল্লোকে দেয়া ৫ নম্বর ব্লকটি টাইপ এ বা অগভীর সমুদ্রের হওয়ায় এর থেকে বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক দরের ৯৩.৭৫% হারে কিনতে হবে।
# কনকো ফিলপসকে দেয়া ১০ ও ১১ নম্বর ব্লক দুটি টাইপ বি বা গভীর সমুদ্রের হওয়ার কনোকো ফিলিপসের কাছ থেকে বাংলাদেশ কে গ্যাস কিনতে হলে আন্তর্জাতিক দরের ১০০% দরেই কিনতে হবে।
Click This Link
@হাসান শাহরিয়ার
ওরাকল বলেছেন:
ফ্রেম ওয়ার্কে দাম নির্নের ফর্মূলা/উপায় দেওয়া আছে। সে হিসাবে ১ ইউনিটের মূল্য ৪'৫ ডলার হবে। ইজারা দেওয়া ৩ ব্লকের খেত্রে সর্বোচ্চ মূল্য ৭৫%
লেখক বলেছেন: ৩ টি ব্লকেরই মুল্যের জন্য ৭৫% নয়(৭৫% স্থলভাগের গ্যাসের ক্ষেত্রে) বরং টাল্লোর ব্লকটির জন্য ৯৩.৭৫% এবং কনোকো ফিলিপস এর ২টি ব্লকের ক্ষেত্রে ১০০% হিসেব নিতে হবে। বিস্তারিত হিসেব উপরের ২৫১ নং কমেন্টের উত্তরে দিয়েছি।
আর যেভাবে ১ ইউনিট বা ১ MSCF বা ১০০০ ঘনফুট গ্যাসের দাম ৪/৫ ডলার বা ২৮০/৩৫০ টাকা বললেন মনে হলো দামটা তেমন বেশি নয়? দেশীয় কোম্পনীর কাছ থেকে স্থলভাগের গ্যাস সাধারণত ২৫ টাকায় গ্যাস পাওয়া যায়। দেশীয় মালিকানায় দেশীয় কোম্পানীর মাধ্যমে বা তত্ত্বাবধানে তুললে এর থেকে কিছু বেশী বা কাছা কাছি দামেই কিন্তু সেটা পাওয়া যাবে।
ওরাকল বলেছেন:
এই পোস্টের প্রথম দিকে আমার কিছূ কমেন্ট রয়েছে যা অনেকের হয়ত ভাল না ও লাগতে পারে। আমার মতামত লিখেছি নিম্নক্ত পোস্টে ..... দিনমজুর ও অন্য পাঠকদের মতামত আশা করছি Click This Link
লেখক বলেছেন: আপনার পোষ্টে আমাদের মতামত দেয়া হয়েছে। পড়ে দেখেন।
দিনমজুর বলেছেন:
জাতীয় কমিটির পেট্রবাংলার অফিস ঘেরাও কর্মসূচীর মিছিলে জাতীয় কমিটির সদস্য সচিব অধ্যাপক আনু মোহাম্মদ, গণতান্ত্রিক বাম মোর্চার সমন্বয়ক ও বাসদ নেতা বজলুর রশীদ ফিরোজ, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টির সাধারণ সম্পাদক মোশরেফা মিশু সহ বাসদ, কমিউনিষ্ট পার্টি, বিপ্লবি ওয়ার্কস পার্টি, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট, ছাত্র ইউনিয়ন, ছাত্র ফেডারেশন সহ বাম রাজনৈতিক কর্মীসহ আন্দোলনকারী শতাধিক ছাত্রজনতাকে নির্মমভাবে লাঠিচার্জ করে আহত করার মাধ্যমে বর্তমান মহাজোট সরকারের চরম স্বৈরতান্ত্রিক ফ্যাসিবাদী চেহারা উন্মোচিত হয়েছে।
মানবী বলেছেন:
ব্লগে দেখে ভালো লাগলো, আশাকরি মিছিলে অংশগ্রহনকারী সকল ব্লগাররা নিরাপদ আছেন।মিছিলট ভুল ইস্যুতে হলে সরকার এমন হামলা না করে সত্যটি জনগনের সামনে তুলে ধরত পারতো।
পার্টি টার্টি বুঝিনা। একদল মানুষ দেশের স্বার্থরক্ষায় শান্তিপূর্ণ মিছিলে গেলেন, হাতে লগি বৈঠা বা গোলাবারুদ নিয়েতো জাননি...তাঁদের উপর এধরনের বর্বরোচিত হামলা প্রমান করে গণতন্ত্রের স্বপ্নে বিভোর আমরা এই বোকা মানুষরা ভোট দিয়ে একদল স্বৈরশাসককে ক্ষমতায় এনেছি।
আপনারা ভালো থাকুন।
লেখক বলেছেন: আপনার আন্তরিক উৎকন্ঠার জন্য কৃতজ্ঞতা।
দিনমজুর বলেছেন:
বিদ্যুৎ, জ্বালানি এবং খনিজ সম্পদ বিষয়ক মন্ত্রানালয়ের অধীনস্থ একটি রাষ্ট্র মালিকানাধিন কোম্পানীতে কর্মরত ব্লগার ভিন্ন চিন্তার একটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ ও তথ্যবহুল পোষ্ট:সাগর বক্ষে গ্যাস ব্লক ইজারার উদ্দেশ্য গ্যাস সংকট মোকাবেল না রফতানি?
Click This Link
অন্তু বলেছেন:
ধন্যবাদ। পড়ে খুব অস্থির লাগলো। কি হবে আমাদের!সবথেকে দুঃখজনক হলো মন্তব্যের জায়গায় ব্যক্তিগত চুলাচুলি আর নিজেকে জাহির করার সস্তা চেষ্টা। যেকোন লেখার শেষেই এই ধরনের সস্তা কাদা ছুড়াছুড়ি দেখে এতো ফালতু লাগে!
মূল বিষয়বস্তু থেকে দূরে সরে গিয়ে এই ধরনের আলোচনা এতো বিরক্তিকর। যেকোন বিষয় নিয়ে ঐক্যমত্যে না এসে কামড়া-কামড়ি করা মনে হয় আমাদের জাতীয় চরিত্র। ব্লগেও নিস্তার নাই।
রাগ ইমন বলেছেন:
আন্তর্জাতিক এনার্জি কোম্পানিগুলো গত কয়েক দশকে সারা পৃথিবী দখল করে নিজেদের মুনাফা করার ইতরামি করে যাচ্ছে । আগে এরা বিভিন্ন দেশের রাজনৈতিক দল গুলোর নিচে অবস্থান করতো । কিন্তু দল বদলের সাথে সাথে তাদের ব্যবসা, মুনাফা ইত্যাদিতে কিছু ঝামেলা লাগার পরে এরা এই ব্যাপারে উদ্যোগ নেয়। কোম্পানি গুলো বিভিন্ন পর্যায়ের মার্জারের মাধ্যমে এক একটা দানব হয়ে ওঠে । সোজা কথা , তারা আর কোন দেশের সরকার দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হবে না । বরং , সরকারকেই নিয়ন্ত্রন করবে। তারই ধারাবাহিকতায় এখন পর্যন্ত যত চুক্তি সম্পাদিত হয়েছে , তা হয়েছে ক্ষমতা , টাকা আর শক্তির ভারসাম্য অনুসারে।বড় বড় কিংবা তথাকথিত " হ্যাডম ওয়ালা" সরকার বা দেশগুলো তাদের ক্ষমতা অনুযায়ী নিজেদের জন্য লাভজনক চুক্তি করেছে ।
বাকি দুর্বল, ছোট কিংবা অসচেতন বোকা রাষ্ট্র গুলোর সব কয়টাতেই যা হয়েছে তা হলো আন্তর্জাতিক কোম্পানি গুলো টাকা নিয়ে ঐ দেশের কিছু পরিবার বা ক্ষমতাশালী দলকে ঘুষ দিয়ে হাত করে নিয়েছে । ব্যাস , তারপর বছরের পর বছর খালি শুষে নাও, লুটে নাও আর মুনাফা করো ।
ইরাক যুদ্ধ , আফঘানিস্তানের যুদ্ধ এর মত ট্রিলিওন ডলারের যুদ্ধ যেখানে সংঘটিত হচ্ছে স্রেফ তেল , গ্যাস ও এ সবের পাইপ লাইনের জন্য সেখানে বাংলাদেশের সরকারকে ( যারা আবার ঘুষ খেয়ে মা, বউ , দেশ বেচে দেওয়াতে চাম্পিয়ন) বা রাজনৈতিক দল, রাজনীতিবিদেরা টাকা খেয়ে দেশের উপর ও নিচের সম্পদ লুটেরাদের হাতে এক রকম গিফট করে দিবেন না বা দিচ্ছেন না -- এইটা বিশ্বাস করা কি এতই কঠিন?
আমরা এত তাড়াতাড়ি "কাফকো" ভুলে গেলাম?
আওয়ামী লীগকে নিয়ে স্বপ্নে বিভোর গদ গদ হওয়ার কোনই মানে নাই । কোন রকম দুর্নীতিতেই আওয়ামী লীগ পিছায় নাই । বরং আমাদের দেশপ্রেম আর বি এন পি , জামাত বিরোধীতার লাভের গুড় খাওয়া এই দলটা বার বার আমাদের সাথে বিশ্বাসঘাতকতাই করে যাচ্ছে ।
আগের বার চেষ্টা করেছিলো দেশের স্বার্থ সামান্য রক্ষা করে গ্যাস ব্লক দেওয়ার , আর তাতেই কান ধরে ক্ষমতা থেকে টেনে নামিয়ে দিয়েছে টিউস ডে গ্রুপ ।
যুদ্ধ করে হয়ত পারবো না , বন্ধ হবে না , তবে যথেষ্ট চাপের মুখে ফেললে অন্তত এই সব চুক্তির ক্ষতির পরিমানটা কমানো তো যায় !
ব্লগার এবং দেশের জনগণ ঠিক পথেই আছে ।
প্রতিটা চুক্তির প্রথম শর্তই হওয়া উচিত বাংলাদেশে কারখানা হইতে হবে, দেশী ইঞ্জিনিয়ারদের কাজ শিখাতে হবে, প্রযুক্তি বাংলাদেশকে দিতে হবে , তেল গ্যাস তুলে বাংলাদেশেই রিফাইন করার ব্যবস্থা করতে হবে -- মাজায় জোর থাকলে এই রকম অনেক কিছুই আদায় করে নেওয়া যায়।
আমরা আদায় না করলে ঐ বেনিয়ারা দেবে কেন?
রাগ ইমন বলেছেন:
খুব কষ্ট করে নাদানদের পুরো ব্যাপারটা বুঝিয়ে লেখার জন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ । বহু চুক্তি হয়ত আমাদের অগোচরেই হয়ে যায় । কেউ কেউ কষ্ট না করলে আমরা জানতেও পারি না , কিছু করতেও পারি না।
আপনাকে / আপনাদেরকে সংগ্রামী সালাম।
রাস্তা ঘাটে আন্দোলন করা ছাড়া আমাদের তো আর কিছু করার ও থাকে না , আন্দোলন সফল হোক।
আজকাল একটা কথা খুব বেশি মনে হয় , ফ্রেঞ্চ কিংবা রাশিয়ান বিপ্লবের মত রাজনীতির মাথা গুলোকে কেটে সাফ না করলে মনে হয় না আমরা মুক্তি পাব।
লেখক বলেছেন: আপনার চমতকার মতামতের জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
শুভ৭৭ বলেছেন:
অনেক দিন পর ব্লগে এলাম। এই পোষ্টটি পড়ে ভাল লাগল।
দুখী মিয়া বলেছেন:
ভাল লিখেছেন দাদা।+++++
দিনমজুর বলেছেন:
জাতীয় কমিটির পেট্রবাংলা ঘেরাও কর্মসূচীর মিছিলে সুপরিকল্পিত পুলিশী হামলার প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার বিকাল ৪ টায় মুক্তাঙ্গনে সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিলের ডাক দিয়েছে তেল-গ্যাস-বিদ্যূৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটি। Click This Link
সবার প্রতি মনোয়ার আহমেদ ভাইয়ের লেখাটি পড়ার অনুরোধ রইলো।
আশাকরি বাংলাদেশের তেল গ্যাসের ইতিহাস জানতে পারবেন।
ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: লিংকটি এখানে দেয়ার জন্য ধন্যবাদ।
"মিজানুর রহমান" বলেছেন:
আমিও আপনার সাথে একমত, তেল-গ্যাস-বন্দর/ইজারা দেয়া চলবে না, আমার দেশের তেল-গ্যাস/আমার দেশেই রাখব।
আলাউদ্দীন বলেছেন:
গতকালের সরকারি পুলিশ বাহিনীর নির্মমতা দেখে অবাক হয়নি।উৎসুক হয়ে ভেবেছি পাকিস্তানি শোষকেরা এভাবেই কি তৎকালিন মুক্তিকামী সংগ্রামী জনতাকে পিটিয়েছিল! কিন্তু পরক্ষনেই মনে প্রশ্ন জাগে তখনতো আমরা পরাধীন একটা জাতি ছিলাম।আমার ভাষা, কৃষ্টি-কালচার, সামাজিকতা সবকিছুই ঐ হায়েনাদের থেকে আলাদা ছিল।আজ আমরা একই ভাষাভাষি, আমাদের কৃষ্টি-কালচার একই।
১. তাহলে আজ কেন এই বর্বরতা?
২. গনতন্ত্রের নামে এ কোন তন্ত্র দেখছি আমরা?
৩. আমাদের সাংবাদিক ভাইয়েরা কোথাই?
ফেরা বলেছেন:
কষ্ট লাগে যখন ভাবি এ কোন দেশে বাস করি আমরা........
এহসান হাবীব বলেছেন:
ভালো লাগলো। প্রিয়তে নিলাম। +
সরোয়ার হোসেন বলেছেন:
দেশের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট তথ্যবহুল লেখাটির জন্য দিনমজুরকে ধন্যবাদ। বিশেষ করে সমুদ্রবেক্ষের তিনটি ব্লগ ইজারা প্রদানের জন্য অনুষ্ঠিত চুক্তির মাধ্যমে দেশের স্বার্থবিরোধী যে ধারাগুলোর তিনি চুলচেরা বিশ্লেষণের পাশাপাশি ক্ষমতাকেন্দ্রীক রাজনৈতিক দলগুলোর শ্রেণী চরিত্রেরও একটা চমৎকার বর্ণনা দিয়েছেন। আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জামায়াত, জাতীয় পার্টি যে নীতিগত দিক থেকে একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য আর ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য এরা সুধু তেল-গ্যাস জাতীয় সম্পদ কেন গোটা দেশকেই বিক্রি করে দিতে পারে। ইতিমধ্যে তার আলামতও শুরু হয়ে গেছে। আমরা জানি দেশের সাধারণ মানুষ কোনভাবেই সরকারের এই গণ ও দেশবিরোধী ভূমিকাকে সমর্থন করে না। ব্লগের পাতায় এভাবে তথ্যবহুল একটি নিবন্ধ প্রকাশ করে দিনমজুর সাধারণ মানুষকে বিষয়টি সম্পর্কে আরো সমৃদ্ধ করার জন্য বাহবা পাবেন। তার থেকে বড় কথা হল আমি কেন এই চুক্তিকে অগণতান্ত্রিক, দেশবিরোধী বলব এবং কেন এর বিরুদ্ধে আমার অবস্থান হবে তারও একটা যুক্তপূর্ন উপস্থাপনা লেখাটির মধ্যে রয়েছে। এখানেই একজন লেখকের সফলতা। দিনমজুরের সাফল্যমন্ডিত শ্রম এগিয়ে যাক! ধন্যবাদ দিনমজুর! আমি আপনার পাশে আছি।
সাজিদস্টার বলেছেন:
ধন্যবাদ দিনমজুরকে । কিন্তু আপনার জন্য মায়া হয় যে আপনিও অযথা কষ্ট করছেন ভাই ।
কথাটা বলতে বাধ্য হচ্ছি এ কারণে যে টিপাইমুখ, বিডিআর মিউনিটি, পার্বত্য অঞ্চল থেকে সেনা প্রত্যাহার ইত্যাদি বিষয়ে ব্যাপক জনমত তৈরী হয়েছিল, সামুতে স্টিকি পোষ্ট হয়েছিল, রেজাল্ট? আমরা সত্যিই দারুন অসহায় ও দূর্ভাগা, আমাদের এই প্রচেষ্টাগুলো এই জন্যই চালানো হয় যে হয়তো জনগনের স্বপ্ন বা ইচ্ছা মূল্যায়িত হবে, আমার দেশের একজন হতদরিদ্য চাষাও দেশের এক মুষ্ঠি মাটিকে নিজের জীবনের চাইতেও বেশী মূল্যায়ন করে থাকে, শোষক শ্রেনীর কাছে সে স্বপ্ন পরাজিত হয়, চোখ মুছে সেই চাষা । এটাই নিদারূন সত্য। তারপরও আমরা স্বপ্ন দেখি, দেখি আমার দেশের ইঞ্চি ইঞ্চি মাটিকে বুকে আগলে রাখার ...
এস বাসার বলেছেন:
@সাজিদস্টার এর সাথে একমত। আসলে শুয়ুরের বাচ্চা রাজনীতীবিদ আর আমলাদের কানে আমাদের চিৎকার গুলো কোনদিন ও পৌছাবেনা। আজকে খালেদা আনু মোহাম্মদের পাশে কিন্তু ক্ষমতায় গেলেই সব পাল্টে যাবে। তখন হয়তো হাসিনা আরেক আনুকে স্বান্তনা দিবে।এটাই আমাদের নিয়তি।
হা...হা...হা... বলেছেন:
এতো কিছু বুঝিনা। আমার একটাই দুঃখ। দেশে যদি এতো গ্যাস থাকা সত্যেও আমার মা কি সারা জীবন কাঠের চুলায় রান্না করেই জীবন টা শেষ করবে? গ্যাসের চুলা কি দেখে যেতে পারবে না।
আহমদ ময়েজ বলেছেন:
মুচলেকায় দেখলাম কেবল কমিউনিস্ট বা বাম দলের নাম ছাড়া সব দলকেই নিয়ে এসেছেন। এর কৌশলগত কারণটি আগে পরিস্কার করুন। আমরা দেখছি এরা সবাই ক্ষমতার জন্য সবকিছু করছে।
দেশের মৌলিক বিষয় নিয়ে কথা বলছেন, কোথাও ফাঁক রেখে কথা বললে সমস্ত সত্যই অসত্যে পরিণত হবে।
আহমদ ময়েজ বলেছেন:
তবুও বিষয়টি স্টিকি করা হোক -
স্টিকি করা হোক
স্টিকি করা হোক
স্টিকি করা হোক
স্টিকি করা হোক
স্টিকি করা হোক
স্টিকি করা হোক
স্টিকি করা হোক
স্টিকি করা হোক
স্টিকি করা হোক
স্টিকি করা হোক
স্টিকি করা হোক
স্টিকি করা হোক
স্টিকি করা হোক
স্টিকি করা হোক
জাহিদ আহমেদ বলেছেন:
আর কতকাল বাংলার মানুষ কাদবে?
ধ্রুবতোষ বলেছেন:
এমন একটি তথ্যবহুল লেখার জন্য লেখককে অসংখ্য ধন্যবাদ।ফেসবুক স্টাট্যাস এ লিংকটি পোস্ট করলাম।
মরমি বলেছেন:
আমি মন্তব্যটি যখন লিখছি তখন তেল গ্যাস রক্ষার আন্দোলনকারীদের সরকার লাঠি পেটা করেছ। লেখাটিকে ডকুমেন্ট হিসেবে সংরক্ষনের ব্যবস্থা করা হোক। লেখককে অনেক ধন্যবাদ।
মরমি বলেছেন:
আমি মন্তব্যটি যখন লিখছি তখন তেল গ্যাস রক্ষার আন্দোলনকারীদের সরকার লাঠি পেটা করেছে। লেখাটিকে ডকুমেন্ট হিসেবে সংরক্ষনের ব্যবস্থা করা হোক। লেখককে অনেক ধন্যবাদ।
দিনমজুর বলেছেন:
জাতীয় কমিটির কর্মসূচী:# ৪ থেকে ৯ তারিখ সারা দেশে জেলায় জেলায় বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ। ঢাকায় বিকাল ৪ টায় খিলগা তালতলায় সমাবেশ ও মিছিল।
# ১০ তারিখ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ঘেরাও এবং দাবী না মানা হলে পরবর্তীতে হরতাল অবরোধের কর্মসূচী ঘোষণা।
লুথা বলেছেন:
পোস্টটি ১৬০ জনের ভাল লেগেছে, ৫ জনের ভাল লাগেনি
আমি মডু'দের কাছে এই ৫ জন মাইনাস দাতার নাম জানতে চাই...
ব্রুটাস বলেছেন:
বিএনপি বা জামাতের সমর্থকরা কী মনে করে এখানে কমেন্ট করছেন? আপনারা তো আনু মুহাম্মদকে গুলি করেছিলেন!
শাফি উদ্দীন বলেছেন:
রাজনীতিবিদরা কি অন্ধ? চুক্তি জাতির বৃহত্বর স্বার্থে বাতিল করা হোক।
আলাউদ্দীন বলেছেন:
হায় এতকিছুর পরও কি আমাদের ঘুম ভাঙ্গবেনা।ধরণীর কাছে একটাই আমার আবেদন হয় এ যালিমদের শোষন থেকে আমাদের মুক্তি দাও
নয়তোবা প্রচন্ড ঝড়ের প্রকম্পনে আমাদের মিলিয়ে দাও।
ইমরাজ বলেছেন:
+++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++
কিউরিয়াস বলেছেন:
আপনার যুক্তি এবং বিশ্লেষণগুলো যথেষ্ট গ্রহণযোগ্য মনে হয়েছে। ধন্যবাদ।আরেকটা অনুরোধ, যারা মনে করছেন যে এই বিদেশী বিনিয়োগটা দেশের জন্যই প্রয়োজন, তাদেরএকটা বড় যুক্তি হচ্ছে যে দেশীয় প্রতিষ্ঠানগুলো গ্যাস-উত্তোলন কাজে কম-বেশী ব্যর্থ। তাই আপনার কাছে অনুরোধ,
দেশীয় প্রতিষ্ঠান গুলোর কতটুকু সাফল্য, এ ব্যাপারে আরেকটু বিস্তারিত লিখুন। এবং আরো ভালো হয় এই বিস্তারিত হিসাবগুলোকে কনডেন্স করে ছোট্ট, কিন্তু মনে রাখার মত উপাত্তে নিয়ে আসুন, যেমন--পেট্রোবাংলা আমাদের প্রতি ঘনফুট গ্যাস দিয়েছে "ক" পয়সায়, আর বিদেশী কোম্পানীটা দিয়েছে "খ" পয়সায়।
জানি যে এই ধরণের উপাত্ত বের করা সময়সাপেক্ষ, এবং যেটা বের হয় সেটা হয়ত ৮০% সঠিক, পুরো একশ ভাগ না। কিন্তু সহজে মানুষকে বোঝানোর জন্য এই ধরনের উপাত্তের কোন জুড়ি নেই!
লেখক বলেছেন:
পেট্রোবাংলা/ বাপেক্সকে নিয়ে আরেকটি লেখা আমরা তৈরি করছি- যার মূল জায়গাটি হলো: বাপেক্সের ইনক্যাপাবিলিটি নিয়ে প্রচারণার জবাব দেয়া (আইজুদ্দিনের কমেন্ট দ্রষ্টব্য: ৩৮ বছরে বাপেক্স কোন বালটা ফলাইছে?- দেখাতে চাই যে বাপেক্স অনেক বালই ফলাইছে!)
আপনার পরামর্শের জন্য ধন্যবাদ।
নিঃসঙ্গ কাকতাড়ুয়া বলেছেন:
আমাদের দেশের সকল নেতা নেত্রীর দেশ প্রেম ??????????????ও ব্যক্তি প্রেমের নিদর্শন আমরা সবসময়ই দেখছি--------------------কিন্তু আমাদের কি কিছুই করণীয় নেই?
বোরিংবয় বলেছেন:
পকেট গরম করার সহজ সুযোগ এত সহজেই ছেড়ে দিবে কি?
বোরিংবয় বলেছেন:
৫ জন শত্রু কে কিভাবে চিনবো?
মিতামারিয়া বলেছেন:
ধন্যবাদ দিনমজুর
হরিণ বলেছেন:
হক কথা, হাছা কথা। +++++++++++++ কোটি ধন্যবাদ
সবিশেষ কৃতজ্ঞতা পোস্টটির জন্য।
স্যাল্যুট টু দিনমজুরস!
আর এহেন ইজারার বিপক্ষে সবার সাথে একাত্মতা।
সাইফ মিরাজ বলেছেন:
এখন বুঝি কেন আনু স্যার কে পুলিশ এমন করে মারল। শাসক গোষ্টির নতুন চাল দেখছি... মেরে তারপর অন্যের উপর দোষ চাপানো, সান্তনা দেয়া। বিডি আর ঘটনার ক্ষেত্রেও একই থিওরি ব্যবহার করেছে।
অগ্রজ বলেছেন:
এখন হাসানুল হক ইনু , রাশেদ খান রা কি করছে ? এর আগে তো খুব গলাবাজি করত। পার্লামন্টের বাইরে কত কথা বলা যায়..। আসলে বাম রাম সবাই ভন্ড। স্বার্থের গোলাম । এমনি ভাবে সিপিবি ক্ষমতায় গেলে একই কান্ড হবে। কারণ মানুষ নিজের মধ্যে থেকে দুর্নীতি আগে দূর করতে হবে।
লেখক বলেছেন:
বৃহস্পতিবারে জাতীয় কমিটির প্রোগ্রামে কিন্তু মেনন গিয়ে হাজির হয়েছিল (ওয়ার্কার্স পার্টিরে সাথে নিয়ে)- তারে দেখে সবাই উশখুস করছিল কিন্তু সরাসরি কিছু বলা হচ্ছিল না - কারণ আনুষ্ঠানকিভাবে এখনও ওয়ার্কার্স পার্টি জাতীয় কমিটিতে আছে। তারপরে যখন মিছিল শুরু হয়- তখন হঠাৎ করেই একজন শ্লোগান ধরে : "জোট সরকারের দালালেরা- হুশিয়ার সাবধান"- মেনন সাহেব সুরসুর করে মিছিল থেকে বের হয়ে অন্যদিকে হাটা দেয়!......
অ রণ্য বলেছেন:
কিচ্ছু হবেনা, ফলে দেকাঘাবে এইসব পশুরাই জয়ী। নতুবা বার বার একি ঘটনার পুনাবৃত্তি ঘটে কি করে? এদের কি জনসমক্ষে দাঁড় করিয়ে গুলি মেরে ফেলা যায়না?
অ রণ্য বলেছেন:
কিচ্ছু হবেনা, ফলে দেকাঘাবে এইসব পশুরাই জয়ী। নতুবা বার বার একি ঘটনার পুনাবৃত্তি ঘটে কি করে? এদের কি জনসমক্ষে দাঁড় করিয়ে গুলি করে মেরে ফেলা যায়না?
দিনমজুর বলেছেন:
আমরা নাইল্যাকাডার পরবর্তী সংখ্যাটি শুধু এই ইস্যুটি নিয়েই বের করতে চাই। ছোটখাট এই সংখ্যাটির ব্যাপারে আপনাদের পরামর্শ চাই।
নিউজনেট :: উন্নয়ন-অর্থনীতি বিষয়ক অনলাইন বলেছেন:
দালাল আর বিশ্বাসঘাতক চক্রে বাংলাদেশ!
দিনমজুর বলেছেন:
ডাক্তার আইজুদ্দিন অগাষ্ট ৩০, ২০০৯ ৮:৩২ অপরাহ্ন
@দিনমজুর,
উদ্ধৃতি:
শুধু মাত্র এই পরিপ্রেক্ষিতেই পাঠকের কাছে আইজুদ্দিন সাহেবের মূল লেখাটির বক্তব্যগুলো সম্পর্কে আমাদের অবস্থান পরিস্কার করার জন্য এই মন্তব্যগুলো করছি(মূল লেখাটির বক্তব্যটুকু পড়তে গিয়ে যে অভিজ্ঞতা হয়েছে তাতে বাকিগুলো পড়ার রুচী ও ধৈর্য্য পাচ্ছি না, প্রয়োজনও বোধ করছি না):
==>> আমার একজন বিশিষ্ট ব্লগারের নাম মনে পইড়া গেলো, উনি উনার কথা বলবেন, অন্যদের কথা শুনতে উনার রচির অভাব বা পেসেনসের অভাব, নতুন কিছু না, এটা আমাদের জাতিগত ধারা
উদ্ধৃতি:
২০০/৩০০ কোটি টাকার তথ্যটা দিনমজুরর কল্পনা প্রসূত নয়, অধ্যাপক আনু মুহম্মদের দেয়া। সাপ্তাহিক আয়োজিত গোলটেবিল বৈঠকে এবং তেল-গ্যাস-বিদ্যুত-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির বুলেটিন উভয় জায়গাতেই তথ্যটা আছে।
==>> এটা বেশ মজার হইসে একজন মেঠো বক্তিমায় একটা বক্তব্য দিলো, সেটা আপনার সুত্র। তেল-গ্যাস-বিদ্যুত-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির বুলেটিনর উপর বেইস কইরা আপনি পোষ্ট লিখসেন, সেটা তথ্য সুত্র আবারও একই। ছাগুরামের লেখার সুত্র সবসময় তার আগের লেখা ছিল, আপনারো কি একই অবস্হা
উদ্ধৃতি:
সরকারী কোন প্রতিষ্ঠান যখন অন্যকোন সরকারী প্রতিষ্ঠানকে ভর্তুকী দেয়, তখন টাকাটা এক পাবলিক প্রতিষ্ঠান থেকে অন্য পাবলিক প্রতিষ্ঠানে যায়। ফলে জনগণের টাকা/সম্পদ জনগণের কাছেই থাকে। আমরা কখনই বেসরকারী শিল্পে ভর্তুকীর পক্ষে নই কেননা সেক্ষেত্রে পাবলিকের টাকা প্রাইভেট পকেটস্থ হচ্ছে। আবার সরকার যখন বিদেশী বিনিয়োগ আকৃষ্ট করার নামে বিদেশী কোম্পানীকে ভর্তুকী মুল্যে গ্যাস দেয়, ট্যাক্স মৌকুফ করে দেয় সেটা আরো বেশী ভয়ংকর- দেশীয় প্রাইভেটকে ভর্তুকী দেয়াটা পুকুর চুরি হলে বিদেশী কোম্পানীকে ভর্তুকী দেয়াটা সাগর চুরি।
==>>অর্থনীতির নতুন সুত্র আবিষ্কারের জন্য আপনাকে অভিনন্দন। তার মানে কি, টিসিবি এক টন চিনি ৫০০০ টাকায় কিনা ১,০০০ টাকায় বেচতেসে, সো টিসিবিরে ভর্তুকি দিলাম ৪০০০ টাকা, মাগার ইনিশিয়ালল টাকাটা কই থেইকা আসলো? আখ উতপাদন ৫,০০০ টাকা কই থেইকা আসল। বিদেশ তুন সার আমদানী করতে লাগলো ৫০০ টাকা আর বেচলাম ১০০ টাকায়, আমদানীকারক দেশরে কোন খান তুন টাকা দিলাম
লেখক বলেছেন: দিনমজুর ৫:৩১ অপরাহ্ন এর জবাব:
@ডাক্তার আইজুদ্দিন,
উদ্ধৃতি:
আমার একজন বিশিষ্ট ব্লগারের নাম মনে পইড়া গেলো, উনি উনার কথা বলবেন, অন্যদের কথা শুনতে উনার রচির অভাব বা পেসেনসের অভাব, নতুন কিছু না, এটা আমাদের জাতিগত ধারা
=>> আমাদেরো কিছু বিশিষ্টজনের কথা মনে পইড়া যায়- যারা যেকোন কিছুতেই জাতিরে তুইলা গালি দিতে খুব পছন্দ করেন। যেনবা- তিনি নিজে সেই জাতির বাইরে…..
ছফা না কে জানি এই জাতীয় উন্নাসিক বিশিষ্ট জনদের উদ্দেশ্যে দারুন একটা দাওয়াই এর কথা বলেছিলেন- পাছায় লাথি দিয়ে বাইর করে সেইখানে পাঠাইয়া দেওয়া যেইখানে আর জাতিগত সমস্যা (ধারা) নাই।
(আপনে মনে হয় বাইরেই আছেন!)
.....................
দেখুন- আপনি যদি যুক্তি তর্ক করতে চান- তো আসুন। আমাদের ভুলগুলো ধরানোর জন্য যুক্তিরেই হাতিয়ার করুন এবং কাউন্টার যুক্তি ব্যবহার করুন- এককথায় কোন আবস্থানরে আবালচোদ বা ইত্যাদি,.. এসব না বলে – জাতিগত ধারা না ধরে আলোচনা করুন। আর, সেটা যদি না ভালো লাগে- বস্তাপচা ডায়লোগ- আর খিস্তি খেউড়ই আপনার খুব পছন্দ হয় তবে সেটাই চালান- সময় পেলে না হয় ঐ লাইনেই আপনার সাথে আলোচনা চালানো যাবে…..
উদ্ধৃতি:
এটা বেশ মজার হইসে একজন মেঠো বক্তিমায় একটা বক্তব্য দিলো, সেটা আপনার সুত্র। তেল-গ্যাস-বিদ্যুত-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির বুলেটিনর উপর বেইস কইরা আপনি পোষ্ট লিখসেন, সেটা তথ্য সুত্র আবারও একই। ছাগুরামের লেখার সুত্র সবসময় তার আগের লেখা ছিল, আপনারো কি একই অবস্হা
==>> জাতীয় কমিটির বুলেটিনের উপর বেইস করে পোস্ট লিখেছি সেটা কোথায় পেলেন? মূল বক্তব্য তো মডেল পিএসসি নিয়ে- মডেল পিএসসি পড়েই- সেটা অনুবাদ করেই এবং তার বিভিন্ন ধারা-উপধারাগুলো নিয়েই তো পোস্ট তৈরি করেছি। তার সাথে এডিশনাল তথ্য সংগ্রহ করেছি দৈনিক পত্রপত্রিকা থেকে- অর্থনীতিবিদ আনু মুহম্মদ- আবু আহমেদ- জ্বালানি বিশেষজ্ঞ নুরুল ইসলাম প্রমুখের বিভিন্ন আলোচনা থেকে।
আনু মুহম্মদ শুধু একজন একটিভিস্ট নন- তিনি দেশের প্রথম সারির অর্থনীতিবিদও, ওনার যে হিসাব তিনি দিয়েছেন- সেটাও কাউকে রিফুট করতে দেখা যায়নি। ফলে- আনু মুহম্মদের আলোচনাকে তথ্যসূত্র হিসাবে ব্যবহারে কি সমস্যা সেটা দয়া করে বুঝিয়ে বলবেন।
আরো তথ্যসূত্র চাইলে- আপনি বাপেক্স- পেট্রোবাংলার ওয়েবসাইটেও ঘুরতে পারেন- তাহলেই বুঝতে পারবেন। আনুমানিক ২০০/৩০০ কোটি টাকার যে হিসাবটা দেয়া হয়েছিল- সেটার মূল খরচটা হচ্ছে একটা রিগ মেশিন কেনা বাবদ। অলরেডি দশবছর ধরে একনেকে কয়েকদফা পাশ হওয়ার পরে অবশেষে মাস দুয়েক আগে সেটার পারচেজ অর্ডার গিয়েছে (২০০৩ সালে মাত্র ৮১ কোটি টাকায় কেনা যেত- যেটা এবার ২০০ কোটি টাকার উপরে দাম দিয়ে কেনা হচছে।)- দেশে আসবে ২০১১ সালে। এর বাইরে খরচ হচ্ছে ল্যাব ফ্যাসিলিটিজ বাড়ানো- ২-ডি, ৩-ডি, সিসমিক সার্ভে করার জন্য বেশ কিছু ছোট ছোট টুলস কেনা এবং সার্ভে করার মত ক্যাপাবল টিম/পার্টি বাড়ানো (বর্তমানে এট এ টাইম দুটো টিম বেরুতে পারে)। এসব এমন কিছু না।
উদ্ধৃতি:
অর্থনীতির নতুন সুত্র আবিষ্কারের জন্য আপনাকে অভিনন্দন।
==>> আপনার অভিনন্দন পেয়ে খুব খুশি হতে পারছি না, কারণ এই সাধারণ অর্থনৈতিক হিসাব- যোগবিয়োগরে নতুন আবিষ্কার বলার মধ্য দিয়ে এই বিষয়ে আপনার জানাবুঝার ঘাটতিই শুধু প্রকাশ পায়না- আপনার নিজের আগের কথার সাথে বৈপরীত্য দেখা যায়!!
আপনার উদাহরণটা দিয়েই বুঝাই:
৫০০০ টাকায় চিনি আমদানি করা মানে ৫০০০ টাকা বিদেশের হাতেই তুলে দেয়া- কোন সন্দেহ নেই। সেটা টিসিবি করুক আর প্রাইভেট কোম্পানি করুক- ৫০০০ টাকা বিদেশেই যাচ্ছে। এখন দেশের চাহিদা থাকলে এবং আমাদের ঘাটতি থাকলে- ৫০০০ টাকা বাইরে পাঠাতে হবে বৈকি। এখন সরকার যদি ভর্তুকি দেয়- নিজে আমদানি করে এবং বন্টন করে- আপনার কথা মত ৪০০০ টাকা ভর্তুকি দেয়, তবে সেটার কারণে জনগন মানে আম জনতা অনেক কমদামে চিনি কিনতে পারে। ফলে দেখুন- ভর্তুকিটা কার হাতে যাচ্ছে? জনগণের হাতে নাকি বিদেশির হাতে?
প্রাইভেট কোম্পানি যদি ৫০০০ টাকায় চিনি নিয়ে আসে এবং লাভে বিক্রয় করে- জনগণকে সে চিনি কিনতে হবে চড়া দামে- কিন্তু এক্ষেত্রে সরকারি ভর্তুকি না পেয়েও কি বলবেন- বিদেশিরা কম টাকা পেল বা ভর্টুকির টাকাটা বিদেশীরা পেল না?
আমরা সরকারী প্রতিষ্ঠান টিসিবির কথা যখন বলি- তখন অন্য প্রতিষ্ঠানের কথা বলি- মানে বিএডিসির কথাও বলি এবং সরাসরি কৃষিতে ভর্তুকি দেয়া- কৃষি উৎপাদন বাড়ানোর কথা- ফসল ন্যায্য মূল্যে সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে কেনার কথা বলি এবং এভাবে উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে স্বয়ংসম্পূর্ন হওয়ার কথাও বলি। ফলে- টিসিবিকে ভর্তুকি দেয়ার সাথে সাথে উদ্দেশ্যও থাকবে- যাতে আমদানির উপর নির্ভরশীলতা কাটে।
এবারে আবার মূল আলোচনাটিতে আসি। আমরা বলছিলাম: "সরকারী কোন প্রতিষ্ঠান যখন অন্যকোন সরকারী প্রতিষ্ঠানকে ভর্তুকী দেয়, তখন টাকাটা এক পাবলিক প্রতিষ্ঠান থেকে অন্য পাবলিক প্রতিষ্ঠানে যায়। ফলে জনগণের টাকা/সম্পদ জনগণের কাছেই থাকে। আমরা কখনই বেসরকারী শিল্পে ভর্তুকীর পক্ষে নই কেননা সেক্ষেত্রে পাবলিকের টাকা প্রাইভেট পকেটস্থ হচ্ছে। আবার সরকার যখন বিদেশী বিনিয়োগ আকৃষ্ট করার নামে বিদেশী কোম্পানীকে ভর্তুকী মুল্যে গ্যাস দেয়, ট্যাক্স মৌকুফ করে দেয় সেটা আরো বেশী ভয়ংকর- দেশীয় প্রাইভেটকে ভর্তুকী দেয়াটা পুকুর চুরি হলে বিদেশী কোম্পানীকে ভর্তুকী দেয়াটা সাগর চুরি।"
সরকারের টাকা মানে জনগণেরই টাকা- সরকারের কাজ জনগণের কাছ থেকে বিভিন্ন ট্যাক্সের মাধ্যমে যে রাজস্ব আয় করে সেটা জনগণের জন্যই এলোকেট করা। এই এলিকেশনের জন্য প্রতিবছর বাজেট করা হয়। এখন সরকারের বিভিন্ন পাবলিক প্রতিষ্ঠান বা পাবলিক খাতগুলো সরাসরি সরকারী তহবিলে চলে মানে জনগণের টাকাতেই চলে- এবং মূলত এগুলো জনগণের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা দেখার নিমিত্তে নিয়োজিত। যদি কোন পাবলিক খাতে বরাদ্দ দেয়- সেটা শিক্ষা হোক- স্বাস্থ হোক- সেটা বিএডিসি-টিসিবি-বাপেক্স-পেট্রোবাংলাই হোক- তখন সেগুলো যেহেতু ব্যক্তির মুনাফার উদ্দেশ্যে চালিত প্রতিষ্ঠান নয় – বরং জনগণের সেবাদানের লক্ষে চালিত প্রতিষ্ঠান এবং সেগুলোতে মুনাফা হলে- সেটা রাষ্ট্রীয় কোষাগারকেই স্ফীত করে- সেহেতু সেগুলোতে রাষ্ট্রীয় তথা জনগণের অর্থ জনগণের কাছেই ফিরে আসে- ক্যাশ মানি সার্ভিস হিসাবে বা রাষ্ট্রীয় শক্তিশালী হওয়ার মধ্য দিয়ে জনগণকে আরো বেশী সার্ভিস দেয়ার আয়োজনের মধ্য দিয়ে। আবারো বলছি- আমরা রাষ্ট্রের আয়- রাজস্ব আয়- রাষ্ট্রীয় কোষাগারের অর্থ মানে মনে করি- সেটা জনগণেরই অর্থ। যেহেতু এটা জনগণেরই অর্থ- সেহেতু এটা খরচের ক্ষেত্রে খরচের অভিমুখটাও হওয়া দরকার জনগণ। পাবলিক খাতে বরাদ্দ- পাবলিকের জন্য ভর্তুকি এসবের মধ্য দিয়েই এটা নিশ্চিত হয়।
উল্টোদিকে সরকার যদি- তার রাজস্ব আয়- যেটা মূলত জনগণেরই অর্থ- সেটা প্রাইভেট খাতে- বিদেশীদের নানাভাবে ভর্তুকি হিসাবে দেয়া হয়- তখন সেটা হয়- জনগণের অর্থে কিছু মানুষের আরো পেট মোটা করার সুযোগ করে দেয়া। যেহেতু প্রাইভেট খাত গুলো মুনাফার লক্ষে পরিচালিত- সেটা কেবলমাত্র মালিকের মুনাফা তৈরিতে ব্যবহৃত হয়- সেহেতু সেটার ফলাফল জনগণ পায় না।
একটা জিনিস ভালই বলেছেন- সেটা হলো ৫০০০ টাকার চিনি আমদানি করলে দেশের ৫০০০ টাকা বাইরে চলে যাচ্ছে (সেইটা সরকার ৪০০০ টাকা ভর্তুকি দিয়ে জনগণকে ১০০০ টাকায় দেক আর ভর্তুকি ছাড়াই লাভে ৬০০০/৭০০০ টাকায় জনগণের কাছে বিক্রি করা হোক না কেন)। এই ৫০০০ টাকা যাতে বাইরে না চলে যায়- সেজন্য করণীয় কি? করণীয় একটাই- আমাদের নিজেদের উৎপাদন বাড়ানো। গ্যাসের ক্ষেত্রেও তাই। আমাদের পেট্রোবাংলা- আমাদের বাপেক্স যদি উৎপাদন করে, তবে আমাদের গ্যাস আমরাই ব্যবহার করতে পারবো- আমাদের নিজেদের ইচ্ছামত দামে জনগণকে দিলেও কোন সমস্যা নেই। কিন্তু যদি এই গ্যাসক্ষেত্রগুলো ৮০% এর বিনিময়ে ওদের হাতে তুলে দেই- তবে ৮০% এর মালিকানা আমরা হারালাম এবং সেই ৮০% কেনার জন্য আমাদের আমাদের টাকা বিদেশীদের হাতে তুলে দিলাম। আর, জনগণকে কমমূল্যে দিতে গেলে- সরকারকে গুনতেও হবে কাড়ি কাড়ি ভর্তুকি। মূল ক্ষতি তো- ভর্তুকির আগেই- আমদানির সময়ই আমাদের কাড়ি কাড়ি টাকা যখন ওদের হাতে তুলে দিচ্ছি তখনই।
আশা করি বোঝাতে পারছি।
ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন:
@দিনমজুর,
বাপেক্সের ওয়েবসাইটের প্রথম পাতার ডানদিকেই পাবেন এই রিগটি কিনতে কি পরিমাণ টালবাহানা করা হয়েছে!!
পুরো প্যারাটা তুলে দিচ্ছি:
Operational Capability Strengthening (Rig procurement) Project:
With a view to enhance the operational capability of BAPEX in oil and gas exploration, procurement of a 5000(+)meter AC-AC type deep drilling rig under Operational Capability Strengthening Project was approved by ECNEC on 8 June 2003. The estimated cost of the project was Tk. 815.80 under government financing.
The procurement process faced continuous difficulty. The first invitation found the lowest bidder to be 31% higher than the estimated price. The retender resulted in a lowest offer 90% higher than the estimated cost. At that point, considering the price hike of oil, steel materials as well as increasing price of rig and rig rental, the project cost was revised to Tk. 1420 million with the revised DPP targeting completion by June 2008.
The third and fourth tender was also unsuccessful. However, a fifth tender floated in March 2008 attracted 6 bids of which 2 were evaluated as eligible. The lowest eligible bid has been ratified by the BAPEX Board. A contract agreement has been signed between BAPEX and Sichuan Honghua Petroleum Equipment Co., Ltd. on 20th of January, 2009 for supply of AC-AC Type Land Drilling Rig & Rig Accessories on turnkey basis in Bangladesh. During the execution of this agreement Sichuan Honghua Petroleum Equipment Co., Ltd will supply one set 2000 HP.AC-AC Type Land Drilling Rig & Rig Accessories on turnkey basis and will also perform one well drilling operation in selected site of BAPEX which is expected to be completed by June 2011. The RDPP of Tk. 23625.00 has been approved by ECNEC on 24 November 2008.
লিংক: http://www.bapex.com.bd/more-2.html
দিনমজুর বলেছেন:
পোস্টটিতে আর কমেন্ট লেখা যাচ্ছিল বিধায়- উপর থেকে গোটা ৩০ এর মত ছোট ছোট কমেন্ট (স্টিকি করা হোক, ++++, ভালো লেগেছে, প্রিয়তে নিলাম.. প্রভৃতি) মুছে দিলাম- যাতে আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা আসতে পারে এবং আমরাও কিছু কথা বলতে পারি........
দিনমজুর বলেছেন:
বাপেক্স যে সাবকন্ট্রাক্টর হিসাবে বিদেশী কোম্পানির কামলা খাটে সেটা বাপেক্সের ওয়েবসাইটেই পাওয়া যাবে। http://www.bapex.com.bd/geophysicaldivn.html এই লিংকে দেখুন। টাল্লোর কি কি কাজ করে দিয়েছে সেটার তালিকাটা কপি করছি:
Contractual Jobs
#Well cellar survey on Lalmai structure for Tullow Bangladesh Ltd., 2004
#Well cellar survey on Bangora structure for Tullow Bangladesh Ltd., 2003
#Control Point Establishment on Chandpur prospect for Tullow Bangladesh Ltd., 2003
গোয়েবলস বলেছেন:
অনেক কিছু জানলাম_++++++
*পাগলা জগাই* বলেছেন:
ডাক্তার আইজুদ্দিনের ধারণাটা কি? তার মত উল্টা-পাল্টা বকলেই সেগুলো যুক্তি হয়ে গেল! দিননমজুরকে ধন্যবাদ ধৈর্য ধরে আইজুদ্দিন সাহেবের বাজে কথাগুলোর জবাব দেয়ার জন্য।
আমি পৃথিবী রচে যায় বলেছেন:
বেশি বেশি গাছ লাগান যেন ভবিষ্যতে জ্বালানীর অভাব না হয় । ধন্যবাদ ভালো পোষ্টের জন্য। +
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...



























তথ্যবহুল চমৎকার লেখার জন্য দিনমজুর ভাই কে অনেক ধন্যবাদ। এ বিষয়ে নিয়মিত আপডেট দিয়ে লেখার বিনীত অনুরোধ রইল!
+++++++++++++++++++++