অনুসন্ধান:
cannot see bangla? সাধারণ প্রশ্ন উত্তর বাংলা লেখা শিখুন আপনার সমস্যা জানান ব্লগ ব্যাবহারের শর্তাবলী
নাইল্যাকাডা ১ম বর্ষ, ২য় সংখ্যার প্রাপ্তিস্থানঃ
আজিজ সুপার মার্কেট
১। বইপত্র/ ২। জনান্তিক/ ৩। শ্রাবণ/ ৪। প্রথমা (একুশে)/ ৫। তক্ষশীলা/ ৬। লিটল...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই

আমার প্রিয় পোস্ট

ট্রানজিটের পয়লা মাশুল: তিতাস একটি খুন হয়ে যাওয়া নদীর নাম!

২৪ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১:১১ |

শেয়ারঃ
1383 24

নিজ চোখেই দেখে এলাম নদীর উপর দিয়ে অভিনব ডিজিটাল রাস্তা। এখন থেকে নদীর উপর ব্রিজ আর খালের উপর কালভার্ট নির্মাণের কোন দরকার নেই। পদ্মা সেতু’র আলাপ বাদ। কারণ সহজ বুদ্ধি পাওয়া গেছে- নদী কিংবা খালের উপর ইট, বালু, সিমেন্টের বস্তা ফেলে পানি চলাচলের জন্য নীচে কয়েকটা কংক্রীটের পাইপ বসিয়ে দিলেই হলো, কয়েকশো টনি লরি চলাচল শুরু করে দেয়া যায়। তাতে নদীর স্বাভাবিক পানি প্রবাহ বাধা পেলে, স্রোত থেমে গেলে, দুই পাশের পানির উচ্চতার তারতম্য হলে অথবা মৎস কিংবা নৌকা চলাচল বন্ধ হয়ে গেলে কিছু যায় আসে না বরং “বন্ধুত্ব” রক্ষা হয়। এই ভাবেই আশুগঞ্জ থেকে আখাউরা পর্যন্ত রাস্তার নির্মিত সেতু ও কালভার্টের নীচ দিয়ে বয়ে যাওয়া তিতাস নদী ও তার খালগুলোর উপর দিয়ে বাইপাস রাস্তা তৈরী করে আগ্রাসী প্রতিবেশী ভারতকে ট্রানজিট দিয়েছে বাংলাদেশ। অথচ নদীর বুকের উপর দিয়ে রাস্তা নির্মাণ করা হলে, যতই রাস্তার নীচ দিয়ে কংক্রীটের পাইপ বসানো হউক, নদী আর “একটি নদী” থাকেনা, “দুইটি খাল” হয়ে যায়, নদী মরে যায়, খাল মরে যায়। এমনিতেই আধমরা তিতাস এই রাস্তাগুলোর ফাসে তার খালগুলো সহ একেবারে খুন হয়ে গেছে। অদ্বৈত মল্লবর্মণের প্রিয় তিতাস এখন একটি খুন হয়ে যাওয়া নদীর নাম, ভারতকে ট্রানজিট দিতে গিয়ে বাংলাদেশের নতজানু শাসক শ্রেণী তাকে খুন করেছে। দুনিয়ার আর কোন দেশের শাসক শ্রেণী এই ভাবে নিজ দেশের নদী-খালের মাঝখান দিয়ে বাধ নির্মাণ করে আরেক দেশের মালামাল পরিবহনের ব্যাবস্থা করেছে বলে আমাদের জানা নাই,যেটা বাংলাদেশের নতজানু শাসক শ্রেণী ভারতের মালামাল পরিবহনের জন্য করেছে!

কড্ডা ব্রিজ এলাকায় নদী বুকে রাস্তা নির্মাণের ফলে দুই ভাগ করা তিতাস-ছবি:নিলয় দাশ

তিতাস হত্যার ইতিবৃত্ত
ভারতের ত্রিপুরার পালাটানায় ৭২৬ মেগাওয়াট ক্ষমতার একটি বিদ্যুৎ প্রকল্পের প্রয়োজনীয় ভারী যন্ত্রপাতি ৯৬টি ওভার ডাইমেন্সনাল কার্গো’র(ওডিসি) মাধ্যমে পরিবহনের জন্য ৩০ নভেম্বর ২০১০ এ ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। সমঝোতা অনুসারে অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন প্রটোকল, ১৯৭২ অনুসারে কোন ধরণের ট্রানজিট ফি ছাড়াই কনটেইনার ভারতের পশ্চিমবঙ্গের রায় মঙ্গল থেকে নদী পথে সাতক্ষীরা হয়ে আশুগঞ্জ নদী বন্দরে আসবে এবং তার পর আশুগঞ্জ থেকে সড়ক পথে আখাউরা স্থলবন্দর হয়ে ভারতের ত্রিপুরায় যাবে। কিন্তু আশুগঞ্জ বন্দর আর আশুগঞ্জ থেকে আখাউড়া সড়ক পথ ওডিসি পরিবহনের অনুপযুক্ত হওয়ায় বন্দর উন্নয়ণ, ৪৯ কিমি রাস্তা মেরামত ও ১৮ মিটার পর্যন্ত প্রশস্ত করার জন্য ভারত এককালীন ২৫.৫০ কোটি টাকা প্রদান করবে বলে ঠিক হয়।
সূত্র : Click This Link
কিন্তু শুধু রাস্তা মেরামত ও প্রশস্ত করলেই ৩২৫ টন ওজনের ওডিসি পরবহনে সক্ষম ১২০ ফুট দৈর্ঘ্যের বিশাল লরি চলাচল সম্ভব ছিল না ঐ পথে, কারণ এই রাস্তায় তিতাস নদী ও বিভিন্ন খালের উপর যেসব ব্রীজ ও কালভার্ট রয়েছে সেগুলো এত ভারী কার্গোর ভার বহনের সক্ষম নয়( সর্বোচ্চ ভারবহন ক্ষমতা ১৫ টন)। তাই রাস্তা মেরামত ও প্রশস্ত করণের পাশাপাশি ভারতের আসাম বেঙ্গল কেরিয়ার বা এবিসি ইন্ডিয়াকে দ্বায়িত্ব দেয়া হলো ব্রীজ ও কালভার্টগুলোর পাশ দিয়ে “বিকল্প রাস্তা” তৈরী করার। এবিসি তাদের বাংলাদেশী সাবকন্ট্রক্টর গালফ ওরিয়েন্ট সিওয়েজ এর মাধ্যমে ব্রীজ ও কালভার্টের নীচ দিয়ে বয়ে যাওয়া তিতাস নদী ও তার খালগুলোর মধ্য দিয়েই বালু ও সিমেন্টের বস্তা দিয়ে রাস্তা তৈরী করে। পানির প্রবাহ ঠিক রাখার জন্য রাস্তার নীচ দিয়ে কংক্রীটের পাইপ বসানো হয়। কংক্রীটের পাইপ গুলোর ব্যাস ৩ ফুট। কিন্তু নদী/খালের মধ্যে দিয়ে বানানো রাস্তার নীচে ৩ফুট ব্যাসের কয়েকটি কংক্রীটের পাইপ কখনও নদী/খালের স্বাভাবিক চ্যানেলের বিকল্প হতে পারেনা। এটা অনেকটা সুইয়ের ফুটো দিয়ে কম্বল গলানোর চেষ্টার মতো অসম্ভব একটা ব্যাপার। তাছাড়া পলি ও আবর্জনা জমে কংক্রীটের পাইপের মধ্যে দিয়ে যতটুকু পানি প্রবাহ সম্ভব ছিল তাও একসময় অসম্ভব হয়ে পড়ে। আমরা ঘাটুরা খাল, দক্ষিণ পইরতলা, রামরাইল, সুলতানপুর কিংবা কড্ডা সেতু/কালভার্টের মতো সবখানেই এই বাস্তবতাই প্রত্যক্ষ করেছি।

দক্ষিণ পইরতলায় তিতাসের একটি খালের উপর বাইপাস রাস্তা-ছবি নিলয় দাশ


পইরতলায় বাইপাস রাস্তার নীচের ভরাট হয়ে যাওয়া কংক্রীটের পাইপ-ছবি নিলয় দাশ

ফলে স্বাভাবিক সময়েই নদী/খালের মধ্যদিয়ে যাওয়া পথের দুই পাশে পানির উচ্চতার তারতম্য তৈরি হয়। আর বর্ষাকালে বাড়তি পানি প্রবাহ একপাশে আটকে থাকার কারণে আখাউড়া ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদরের বিভিন্ন স্থানের কৃষিজমিতে জলাবদ্ধতা তৈরি হয়, চাষাবাদেও ব্যাঘাত ঘটে। শুধু তাই না, গত আগস্টে ত্রিপুরার পাহাড় থেকে নেমে আসা ঢল ও বাড়তি বৃষ্টিপাতের পানি আখাউড়া স্থলবন্দর সড়কের আবদুল্লাহপুর ও নূরপুর জাজি সেতুর নিচের বিকল্প পথে আটকে যায়। এতে উপজেলার দক্ষিণ ইউনিয়নের আবদুল্লাহপুর, কালিকাপুর, বীরচন্দ্রপুর ও বঙ্গেরচর গ্রামের অনেক বাসিন্দা পানিবন্দী হয়ে পড়ে।
Click This Link
পানি চলাচলের রাস্তার কয়েকটি সরু কংক্রীট ফলে একদিকে রাস্তার একপাশে তৈরী হয় জলাবদ্ধতা ও অন্যপাশে পানি সংকট এবং অন্যদিকে রাস্তাগুলোও দ্রুত নষ্ট হয়ে যায় যে কারণে এমনকি দেশীয় ট্রাক পরিবহণ বন্ধ করে হলেও ১৫টন ভার বহনে সক্ষম এই সেতুগুলোর উপর দিয়ে ওডিসি সহ ভারী লরিও পরিবহন করা হয়েছে!
সূত্র: Click This Link
আর এই “বন্ধুত্বের ভার” বহন করতে গিয়ে দেখুন সেতুগুলোর কি অবস্থা হয়েছে:

রামরাইল ব্রীজের বেহাল দশা-ছবি নিলয় দাশ

ভাগ্যহীন “ভাগ্যলক্ষী”:
আখাউড়া পৌরসভা এলাকায় ঢোকার ঠিক আগে কড্ডা নামক স্থানে তিতাস নদীর উপর একটি সড়ক সেতু ও একটি রেল সেতু রয়েছে। এই দুইটি সেতুর ঠিক মাঝখান দিয়ে রাস্তা নির্মাণ করে তিতাস নদীকে দ্বিখন্ডি করা হয়েছে। রাস্তার নীচে পানি চলাচলের জন্য কতগুলো কংক্রীটের পাইপ বসানো হলেও এর দুই পাশের মধ্যে পানি প্রবাহ স্বাভাবিক হয়নি। গত বর্ষাকালে হঠাৎ ঢল এলে কংক্রীটের পাইপগুলো দিয়ে পানি দ্রুত রাস্তার একপাশ থেকে আরেক পাশে প্রবাহিত হতে না পারার কারণে দুইপাশের মধ্যে পানির উচ্চতার পার্থক্য হয়েছিল কয়েক ফুট। অর্থাৎ একপাশে জলাবদ্ধতা আর আরেকপাশে সেচের জলের অভাব। এই শুকনা মৌসুমে আমরা দেখেছি এমনিতেই আধমরা তিতাস নদী এইখানটায় রাস্তার একপাশে তুলনামূলক সজীব আর অপর পাশে ক্রমশ মরে যাচ্ছে। আমরা জানলাম, ভাটির অংশের জেলেরা মাছ তুলনামূলক কম পাচ্ছেন উজানের অংশের জেলেদের চেয়ে, কারণ মাছ আর যাই হোক কংক্রীটের অপেক্ষকৃত সরু পাইপ দিয়ে সহজে চলাচল করেনা। এমনকি উজানের অংশের জেলেরাও আগের মৌসুমের তুলনায় এই মৌসুমে মাছ কম পেয়েছেন- এক জেলে জানালেন, আগের মৌসুমে এই সময়ের মধ্যে তিনি ৩ লাখ টাকার মাছ আহরণ করলেও, এই মৌসুমে এখনও পর্যন্ত ৩০ হাজার টাকার মাছও পাননি। মাছের মতো নৌকারাও কংক্রীটের পাইপের ৩ফুট ব্যাসের মধ্যে দিয়ে চলাচল করতে পারেনা! ফলে একদিকে রাস্তার একপাশের জেলেরা যেমন মাছ মারতে মারতে অন্য পাশে যেতে পারে না তেমনি, নৌকায় করে বড় বাজার থেকে গঞ্জের ছোট ছোট বাজারে মালামাল পরিবহনের যে সুবিধা ছিল, সেটাও নদীর উপর দিয়ে নির্মিত এই রাস্তার কারণে সম্ভব হচ্ছে না। নৌকায় রাস্তার একপাশ পর্যন্ত মালামাল এনে তারপর রিকশা-ভ্যান-ট্রাক্টরে করে বাড়তি খরচ ও ঝক্কি সামলে মালামাল বাজারে পরিবহন করতে হচ্ছে। আমরা নিজ চোখেই দেখতে পাই এলাকার ‘ভাগ্যহীন’ মানুষগুলোর প্রতীক হিসেবে যেন রাস্তার একপাশে নোঙর করে রাখা আছে “ভাগ্যলক্ষী” নামের এই নৌকাটিকে, যে নৌকাটির নদীর মাছের মতই আর ঐ পাশে যাওয়ার কোন উপায় নেই!



কড্ডা ব্রীজের নীচে তিতাসের মধ্যদিয়ে বানানো রাস্তার একপাশে আটকে থাকা নৌকা "ভাগ্যলক্ষী"-ছবি নিলয় দাশ


ট্রানজিটের প্রকৃত মাশুলের নমুনা:
ট্রানজিট নিয়ে বাংলাদেশের শাসক শ্রেণী যতই খোয়াব দেখাক, যতই মাশুল কিংবা ফি’র নাটক করুক, ভারতের জন্য উপকারী হলেও ট্রানজিটের ফলে বাংলাদেশের পরিবেশ ও অর্থনীতি’কে যে ব্যাপক মাশুল গুণতে হবে, তার আগাম লক্ষণ দেখা গেল আশুগঞ্জ-আখাউড়া পথে ট্রানজিট দিতে গিয়ে নদী হত্যা, কৃষি জমি ধ্বংস, কৃষিকাজ, মৎস চাষ সহ গোটা এলাকার জনগণের জীবন ও পরিবেশ ধ্বংসের ঘটনার মধ্য দিয়ে। আমরা দেখলাম, ভারতের শাসক শ্রেণী এবং বিভিন্ন ভারতীয় ও বাংলাদেশী ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের স্বার্থ রক্ষার্থে দেশের জনজীবন ও পরিবেশের ক্ষতির নুন্যতম তোয়াক্কা করল না বাংলাদেশের শাসক শ্রেণী। আশুগঞ্জ বন্দর ভারী মালামাল পরিবহনের জন্য তৈরী নয়, রাস্তাঘাট-ব্রীজ-কালভার্ট ভারী যানবাহন পরিবহনে সক্ষম নয়, স্থল বন্দরেও প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নেই, ট্রানজিটের লাভ-ক্ষতির হিসেবে কষা হয় নি, পরিবেশগত সমীক্ষা হয়নি- তারপরও এখনই ভারতকে ট্রানজিট দিতে হবে। ভারতের স্বার্থ রক্ষায় অতি আগ্রহ এবং বিপরীতে বাংলাদেশের জনগণের স্বার্থের প্রতি অবহেলার এই উদাহরণ বাংলাদেশের শাসক শ্রেণীর জন্য নতুন নয়, ট্রানজিটের শুরুতেই তিতাস নদী হত্যার মধ্য দিয়ে তার নিদর্শন দেখা গেল, ট্রানজিট পুরোদমে চালু হলে যা আরো বেশি মাত্রায় দেখা যাবে- কৃষিজমি-নদী-খাল ধ্বংস করে ট্রানজিটের প্রয়োজনীয় রাস্তা-ঘাট নির্মাণ ও প্রশস্ত করা হবে, বাংলাদেশের নিজস্ব যানচলাচল বন্ধ রেখে ভারতীয় যান চলাচলের সুযোগ করে দেয়া হবে, বন্দরে আমাদের নিজস্ব মালামাল উঠানামা বন্ধ রেখে ভারতীয় মালামাল উঠানামার সুযোগ করে দেয়া হবে, ভর্তুকী মুল্যে ভারতীয় যানবাহনের জ্বালানি তেল সরবরাহ করা হবে, বাড়তি তেলের বাড়তি ভর্তুকীর দায় আবার জনগণের উপরে চাপানো হবে, বন্ধুত্বের নিদর্শন রাখতে ট্রানজিটের সড়ক ও রেলপথ সম্প্রসারণ ও রক্ষণাবেক্ষণে বাড়তি অর্থ খরচ করা হবে যখন দেশের জনগণের নিজস্ব চলাচল ও পরিবহনের প্রয়োজনীয় সড়ক ও রেলপথ উন্নয়ণ ও সম্প্রসারণের কোন খবর থাকে না।

 

সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০১১ সকাল ৭:৩০ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 


৪৪৫টি মন্তব্য

৪০১. ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১১:২৪

স্বপ্নচোর বলেছেন: আমারা র্মমাহত আর কি?
তিতাস নদী নিয়ে আমার লেখাটা পড়বেন।

৪০২. ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ ভোর ৫:২১

তন্না বলেছেন: :( ওগুলা দেখলেই মন খারাপ হয়ে যায়। :(

৪০৩. ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ সকাল ৭:৫৫

সাবিহা ফেরদৌসি বলেছেন: এসরকার জনগণের প্রতিনিধি !!!! ভাবতে অবাক লাগে দেশটা স্বার্রভৌম !!

৪০৪. ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ সকাল ৯:৩৪

আইনউদদীন বলেছেন: সবকিছু নষ্টদের দখলে যাবে :( X(

৪০৫. ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ সকাল ১০:১৪

মেহ্‌দী হাসান বলেছেন: I think Mir Zafar never thought that he was used by Lord Clive and British. Rather he might think that he was using British force to gain power. We know the rest of the history. He did not get the power as he expected, in reverse the whole country went under 200 hundreds years of colonization and misery. We have a very bad luck we have powerful people like Mir Zafar though out our history even in recent times. I am just afraid our current rulers had some bad handshake with foreign powers like Mir Zafar to get in power, so they now powerless to protect our national interest. I feel bad for our rulers, traitors are cursed and never had good fortune!

৪০৬. ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ সকাল ১০:৩৬

রঙ্গভরা বঙ্গদেশী বলেছেন: @ মাহবুব মাসুম, নিজের বেলায় আপনার বিবেক টনটন করুক তাতে কোন সমস্যা নেই। কিন্তু ভাঁড়তীয় দালাল ভাঁড়দের মতো, ভাঁড়তের বেলায় চুপ থাকবেন না.....

৪০৭. ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ সকাল ১০:৫৯

বাবুআনা বলেছেন: আমি যেতে পারবোনা তবে আল্লার কাছে প্রার্থনা রইলো উদ্দেশ্য সফল হউক। একই সাথে আমার ফেইজবুক আর টুইটারে শেয়ার করতে ভূললামনা।

৪০৮. ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ সকাল ১১:৩৫

মোয়ােজজম হোেসন বলেছেন: আমরা কি বাংলাদেশে আছি নাকি ভারতে নাকি বাংলাদেশ ভারত হয়ে গেল।কিছুই বুঝতেছিনা.

৪০৯. ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ দুপুর ১২:৩৭

শ্যামসাগর০০৭ বলেছেন: পোষ্টে খালি মন্তব্য করে হবেনা । আমরা রাজপথে আছি সবাই দলে দলে নাইম্যা পড়েন....................

৪১০. ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ দুপুর ১:০৪

জিয়াউর বলেছেন: তিতাস একটি খুন হোয়া নদীর নাম নয়, তিতাস একটি ট্রানজিট রাস্তার নাম।

৪১১. ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ দুপুর ১:১৪

মুক্তাদির মাহ্‌ফুজ জামী বলেছেন: কিছুই হয়ত করতে পারব না নিষ্ফল আস্ফালন ছাড়া...তবু ও আমি ভাল হবার স্বপ্ন দেখি...সুন্দর দিনের আশা করি...

৪১২. ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ দুপুর ২:৩৮

অনিরূদ্ধ বলেছেন:
ক্লাউনবয়৮৭ বলেছেন: চার শতাধিক(৩৯৪) গলা আস্তে আস্তে এভাবে তিতাসের মতই শুকিয়ে যাবে! সেখানেও তৈরি হবে আরেকটি করিডোর....
আফসোস বাঙালি! ব্লগ ফাটাইলাম; কিন্তু তিতাসের একটি বালু কণাও তাতে ভিজলোনা....


:( :(

৪১৩. ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ বিকাল ৩:০২

মিটুলঅনুসন্ধানি বলেছেন: আরো কতো এভাবে ভারতীয় আগ্রাসন সহ্য করে যাবে দেশ??? বন্ধুত্বের নামে আমরা যেনো দিনদিন ভারতীয় উপনিবেশ হয়ে যাচ্ছি...


এই উপনিবেশ ও লাঞ্চনা থেকে মুক্তি চাই।।।

৪১৪. ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ বিকাল ৩:২৪

rohanpur বলেছেন: পদ্মা,মহানন্দা,পাগলা ও পূণর্ভবা নদীর মতই খুন হয়ে যাওয়া তিতাস নদীকে উপহার দিল ধুধূবালু চর। এতে মরবে কৃষক। মরবে দেশবাসী। শুধু ট্রানজিটদাতারা বাদ দিয়ে-তাই না??????? আর অবশেষে মরণ বাঁধ ফারাক্কার মতই ভারত বাংলাদেশকে মূলা ঝুলিয়েই ট্রানজিটের উপহার দিল!!! এ মূলায় খুসি তো দয়ালু ট্রানজিট দাতা???????

৪১৫. ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ বিকাল ৩:৩৮

কামরুজ্জামান (নয়ন) বলেছেন: পোস্টটি স্টিকি করার জন্য সামু মোড দের প্রাণঢালা শুভেচ্ছা।
@দিনমজুর-আমাদের সংগ্রাম চলবেই চলবে।

৪১৬. ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ বিকাল ৩:৫৯

রবিন মিলফোর্ড বলেছেন: তিতাস বাঁচাও ............. দেশ বাঁচাও ।


পোস্টের জন্যে লেখককে অনেক ধন্যবাদ ।

৪১৭. ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ বিকাল ৫:২৬

বিদ্রোহপ্রজা বলেছেন: ki korben vi, amaderto sona nai, tai amra bedigore neta banaya disi, taito desher ai abosta.
sob kotha bad,
cholo abar gorje uthi.

৪১৮. ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ৮:৫২

শওকত বলেছেন: সরকারের কর্তাদের গালে গালে জুতা মেরে চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে না দিলে .. তারা আবার দেখে না!!!
আমরা তো "বাংলাদেশ ইন্ডিয়া (প্রা:) লিমিটেড"

৪১৯. ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ৯:১৭

পাথরসময় বলেছেন: চমৎকার ও অতিপ্রয়োজনীয় পোষ্টটির জন্য দিনমজুর কে শুভেচ্ছা।

৪২০. ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ৯:৪৪

শরীফ জাকের বলেছেন: এই লজ্জা কার ?বাঙ্গালি জাতি না বাংলাদেশিরা (কারন ভারতেও বাঙ্গালি আছে।জানিনা আমাদের জাতিয়তা কেন বাঙ্গালি করা হয়েছে।)শুধু কথাই বলে এই অপবাদ বোধহয় আর ঘুচানো গেলনা!!!

৪২১. ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১০:২২

মানিক মনোয়ার বলেছেন: এই লিংকটি পড়ুন

Click This Link

৪২২. ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১০:২২

মানিক মনোয়ার বলেছেন: এই লিংকটি পড়ুন

Click This Link

৪২৩. ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ৩:২৮

তামজীদ বলেছেন: পোস্টটি স্টিকি থাকবে ৩৫ দিন, ব্লগারদের এই ব্যাপার নিয়া জাবর কাটা, আর এ-ওকে দোষারোপ করা থাকবে আরো ১৫ দিন! আর ২৫ দিন থাকবে এই পোস্ট নিয়া রিপোস্ট আর হাপিত্যস...... ব্যাস ২ মাস পর এ নিয়া এই ব্যাপারে কে কোনো কথাও বলবে না! আমরা এখন হলাম ভাদাইম্মা জাতি এবং হুজুগে জাতি, কিন্তু বিপ্লবী জাতি না!

আমার এ কথা যদি ঠিক মনে না হয় গুগল বা ইয়াহুতে রিমাইন্ডার সেট করে রাখেন, ২ মাস পর আপনাকে মেইল করে এই মন্তব্যের কথা স্মরণ করায় দিবে!

৪২৪. ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০১১ ভোর ৬:৫১

শয়ন কুমার বলেছেন: যুদ্ধাপরাধীদের বাচানোর অপচেষ্টা এবং ইনডিয়ার জল ডাকাতিতে চুপচাপ থাকা এই দুটো কাজের মানে স্বাধীণ এই দেশের সাথে নিমকহারামি করা

৪২৫. ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০১১ সকাল ৮:৫৪

schumonn বলেছেন: ব্লগটি স্টিকি করা হউক!

৪২৬. ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০১১ সকাল ১১:১৭

শাহরিয়ার বলেছেন: প্রথমে ধন্যবাদ জানাই একুশে টেলিভিশনের রিপোর্টার মঞ্জুরুল আলম পান্নাকে। এমন একটি বিষয় তুলে গণমাধ্যমে তুলে আনার জন্য। আর এই পোস্টটি লেখার জন্য দিনমজুরকে অভিনন্দন।

৪২৭. ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০১১ সকাল ১১:৫১

অনিরূদ্ধ বলেছেন:

তামজীদ বলেছেন: পোস্টটি স্টিকি থাকবে ৩৫ দিন, ব্লগারদের এই ব্যাপার নিয়া জাবর কাটা, আর এ-ওকে দোষারোপ করা থাকবে আরো ১৫ দিন! আর ২৫ দিন থাকবে এই পোস্ট নিয়া রিপোস্ট আর হাপিত্যস...... ব্যাস ২ মাস পর এ নিয়া এই ব্যাপারে কে কোনো কথাও বলবে না! আমরা এখন হলাম ভাদাইম্মা জাতি এবং হুজুগে জাতি, কিন্তু বিপ্লবী জাতি না!

আমার এ কথা যদি ঠিক মনে না হয় গুগল বা ইয়াহুতে রিমাইন্ডার সেট করে রাখেন, ২ মাস পর আপনাকে মেইল করে এই মন্তব্যের কথা স্মরণ করায় দিবে!


ঠিক এই কথাটাই আমি বলতে চেয়েছিলাম...

৪২৮. ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০১১ দুপুর ২:২০

ঔপন্যাসিক জিল্লুর রহমান বলেছেন: দেশের মানুষকে আরো সোচ্চার হয়ে প্রতিবাদ জানানো উচিত। প্রয়োজনবোধে গঠনতান্ত্রিক আন্দোলন গড়ে তোলা উচিত। পোস্টটি স্টিকি করার জন্য কতৃপক্ষকে ধন্যবাদ।

৪২৯. ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০১১ দুপুর ২:৩৩

মুহাম্মদ মইনুল হুদা বলেছেন: ভারত ফারাক্কাতে বাধ দিয়েছে, টিপাইমুখীতে বাধ দেবার ষড়যন্ত্র করছে। আমরা কিছু করতে পারছিনা কারন সেগুলো ভারতের ভেতর। কিন্তু তাদের কত্তো বড় সাহস এখন আমাদের দেশের নদীর ভেতর বাধ দিচ্ছে!!! আর আমরা কিছুই করতে পারছি না।

৪৩০. ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০১১ বিকাল ৩:৪৩

সিপন জিকো বলেছেন: দোষ তো ভাই ভারতের না। দোষ আমার - আপনার। আমি যদি আপনাকে আমার ঘরে ঢুকতে না িদই তাহলে আপনী কি ঢুকতে পারবেন?

সুতরাং আমি যখন আপনাকে ঢুকতে দিিছ, তখন আপনার িছন্তা করার কিছু নাই, আমার ঘরের অন্য কোন সদস্য যদি এই ব্যাপারে কিছু বলে তাতে িকছু যায় আসে না। আর যদি বাড়াবাড়ি করে তাহলে সমস্যা নাই পিটিেয় হাত-পা ভােঙ্গ দেয়া হবে।

এখন আবার নতুন করে বিমান বন্দর নিয়ে কি হচ্ছে। জি এম কাদের েয বিেদশী কম্পানীকে বাদ দিেয় গেল। ফারুক এসে তাকে আবার ডেকে আনল।

মোদ্দা কথা মনে হয় যা তারা করতে চাইেছ, তা তারা করেই ছাড়বে। দেশ জাহান্নামে যাক তাতে কি।
আমার - আপনার কি কিছু করার আেছ?
আমরা মাত্র কয়েকজন ব্লগার, আপনারা যদি আন্দোলন ডাকেন আমি০ আসব। কিন্তু ভাই কথা হল আমাদের মধ্য কয়জন নদীতে েয বঁাধটা েদয়া হয়েছে সেটা ভাঙ্গতে যাব।
রাস্তায় দঁাড়িেয় বললে, ব্লগে িলখলে আরো কয়েকজন শুনবে এইতো, আর কিছুই হবে না।
৯০ এর পর মানুষ দেেশর স্বাের্থ কিছু করার সাহস হারিেয় ফেলেেছ।

৪৩১. ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০১১ বিকাল ৪:৩৮

সময়ের গল্প বলেছেন: আম্বালীগের এই প্যাদানি শুনার দিন শেষ হয়েছে। এরা রাজাকার, হাসিনা রাজাকার, আর কি করবি দাদা ধন পাওয়ার জন্য, তরুন প্রজস্মের ভোট নিয়ে আইছস, এইবার আমরাই তোরে খেদামু......
জয় বাংলা....
বাংলার জয়....
ভাদা, দাদার ধন চাকারদের ধর, জবাই কর....
আর না
এইবার আবার অস্ত্র ধর, স্বাধীনতার চল্লিশ বছর পূতিতে সকল ভাদাদের থেকে দেশ মুক্ত করতে হব।

৪৩২. ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০১১ বিকাল ৫:৫৫

ফারমার বলেছেন: বালচাল পোস্টিং!!!

লেখকের চোখ আছে, কিন্তু লেখকের ফাকড-আপ মগজ কাজ করে না।
ঐ সাময়িক রাস্তা দরকারে সাময়িকভাবে করা হয়েছে, ঠিক সময়ে তুলে নেয়া হবে।

ফাক ইউর পিগমী ব্রেইন, ইডিয়ট!!!!

৪৩৩. ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০১১ সন্ধ্যা ৬:০৯

সালমান খান২৩২৪ বলেছেন: very useful post. Thank you.


http://www.informationbd.com

৪৩৪. ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:২২

মাহমুদা দি বেষ্ট বলেছেন: দারুন...সাহসী লেখা ...

৪৩৫. ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:৪২

মফিজ বলেছেন: হায় তিতাস,হায় বাংলাদেশ

৪৩৬. ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:৪৬

বাঙ্গালী মামুন বলেছেন: সমস্যা নেই তো! ভারত বলেছে না বাংলাদেশের কোন ক্ষতি হবে না?

৪৩৭. ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ৯:০৯

স্বপ্ন দেখবো বলে বলেছেন: ধিক্কার জানাই এমন হিজড়া সরকারের

৪৩৮. ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ৯:১৮

সোমহেপি বলেছেন: এই বালের প্রতিবাদ কইরা মনে হয়না লাভ হইব।সব দোস ।আসলেই আমদের।আত্বমর্যাদাহীন জাতি থাকলে মনে হয় আমরাই আছি।

৪৩৯. ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ৯:৫৫

আবু ইউসূফ হেজাযী বলেছেন: সামহোয়ার ইন ব্লগ কর্তৃপক্ষ কে আন্তরিক ধন্যবাদ এই জন্য যে, যারা নিজের পকেটের পয়সা খরচ করে ব্লগে থাকে, তাদের কাছে হৃদয় ছোঁয়া একটি জাতিয় ইস্যুকে শেষ পর্যন্ত ষ্টিকি করেছে। ব্লগ কর্তৃপক্ষ কে প্রথমেই ধন্যবাদ তাদেরই কষ্টের কারনে আমরা ব্লগ লিখতে পারছি, পড়তে পারছি এবং মতামত শেয়ার করতে পারছি। সামহোয়ার কর্তৃপক্ষ কে একটি কথা বলতে পারি তা হল জাতিয় ঐক্যের জন্য তারা কাজ করতে পারে। আর এটা ছাড়া আমরা মাথা তুলে কোন দিন দাড়াঁতে পারব না। আমরা কিছু বিষয় ঠিক করি যা আমাদের উন্নয়ন কে তৱান্বিত করবে। অন্যথায় আমরা স্বাধীনতা হারাবো। স্বাধীনতা হারাবো এর অর্থ কেউ আমাদের দেশ দখল করবে না। তারা আমাদের কে তাদের প্রয়োজনে ব্যবহার করবে। আমরা ধ্বংশ হতে থাকব কিন্ত প্রতিবাদ করতে পারব না।

৪৪০. ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ৯:৫৫

আবু ইউসূফ হেজাযী বলেছেন: সামহোয়ার ইন ব্লগ কর্তৃপক্ষ কে আন্তরিক ধন্যবাদ এই জন্য যে, যারা নিজের পকেটের পয়সা খরচ করে ব্লগে থাকে, তাদের কাছে হৃদয় ছোঁয়া একটি জাতিয় ইস্যুকে শেষ পর্যন্ত ষ্টিকি করেছে। ব্লগ কর্তৃপক্ষ কে প্রথমেই ধন্যবাদ তাদেরই কষ্টের কারনে আমরা ব্লগ লিখতে পারছি, পড়তে পারছি এবং মতামত শেয়ার করতে পারছি। সামহোয়ার কর্তৃপক্ষ কে একটি কথা বলতে পারি তা হল জাতিয় ঐক্যের জন্য তারা কাজ করতে পারে। আর এটা ছাড়া আমরা মাথা তুলে কোন দিন দাড়াঁতে পারব না। আমরা কিছু বিষয় ঠিক করি যা আমাদের উন্নয়ন কে তৱান্বিত করবে। অন্যথায় আমরা স্বাধীনতা হারাবো। স্বাধীনতা হারাবো এর অর্থ কেউ আমাদের দেশ দখল করবে না। তারা আমাদের কে তাদের প্রয়োজনে ব্যবহার করবে। আমরা ধ্বংশ হতে থাকব কিন্ত প্রতিবাদ করতে পারব না।

৪৪১. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১:৩৯

প্রকৌশলী মোঃ আরিফ হোসেন রিসাদ বলেছেন: স্টিকি করার জন্য ব্যর্থ অনুরোধ করলাম।

৪৪২. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০১১ বিকাল ৪:২১

জাহাঙ্গীর সিএসইবিডি বলেছেন: এই ভাবেই আশুগঞ্জ থেকে আখাউরা পর্যন্ত রাস্তার নির্মিত সেতু ও কালভার্টের নীচ দিয়ে বয়ে যাওয়া তিতাস নদী ও তার খালগুলোর উপর দিয়ে বাইপাস রাস্তা তৈরী করে আগ্রাসী প্রতিবেশী ভারতকে ট্রানজিট দিয়েছে বাংলাদেশ। - হ্যা, লেখকের কথা এগুলো।

অনেকদিন আর এদিকে আসা হয়না (ব্লগে)। কারণ, আমি স্বনামে লিখি, কোনো নিক নাই! সত্য কথা বলতে ভয় পাই!!

দেশের জন্য কোনটা ভালো - আমার তো মনে হয় সকলেই সেটা বোঝে ( পাগলেও নাকি নিজের ভালো বোঝে), কিন্তু সেটা মুখ ফুটে বলতে গেলেই যত্তো ঝামেলা।

অনেক দেশপ্রেমিক ব্লগার আছেন, যারা ব্লগে বড় বড় কথা বলেন, আবার কোনো একটা মহলের পক্ষ নিয়ে দালালি করেণ।

ব্লগার, তথা দেশের মানুষের কাছে প্রশ্ন, দেখাই যাচ্ছে তিতাসের বুক চিরে বাধ, তাইলে সরকার কি করেছে? জনগণের কথা যদি সরকার না বোঝে, তাহলে সেখানে গণতন্ত্র কি থাকে?

সরকার সমর্থিত ব্লগারদের কাছে প্রশ্ন, আপনারা কোন পক্ষে?
- বাধ দেওয়ায় ভালো হয়েছে? / বাধ দিয়ে সরকার ভূল করেছে?

৪৪৩. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০১১ বিকাল ৫:২৮

ইমরান খান সবুজ বলেছেন: জটিল হয়েছে
অনেক ভাল হয়েছে।

৪৪৪. ১০ ই জানুয়ারি, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:০৬

দিনমজুর বলেছেন: ভেঙে ফেলা হচ্ছে তিতাস নদীর ডাইভারশন সড়ক
আখাউড়ার তিতাস নদীর ডাইভারশন সড়ক ভেঙে ফেলা হচ্ছে -সকালের খবরআখাউড়া সংবাদদাতা:
Click This Link

ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিশ্বরোড-আখাউড়া স্থলবন্দর পর্যন্ত সব ডাইভারশন সড়ক উঠিয়ে নেওয়া হচ্ছে। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে তিতাস নদীসহ সব খাল-বিলকে ডাইভারশন সড়কের বাঁধ থেকে মুক্ত করতে গতকাল থেকে পুরোদমে কাজ শুরু হয়েছে। ওডিসির মালামাল পরিবহন শেষ হওয়ায় চুক্তি অনুযায়ী ডাইভারশন সড়ক বিলুপ্ত করা হচ্ছে বলে ভারতীয় এবিসি কোম্পানির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।
কর্তৃপক্ষ জানায়, ডাইভারশন সড়ক ব্যবহার করে ওডিসি পণ্য নিয়ে গত বছর মার্চ থেকে ১০৭টি ট্রেইলর চলাচল করে। গত ৪ জানুয়ারি সর্বশেষ ট্রেইলরটি ত্রিপুরায় প্রবেশের মধ্য দিয়ে ওডিসিরি মালামাল পরিবহন সমাপ্ত হয়। ট্রেইলর চলাচল শেষ হওয়ায় ভারতীয় এবিসি কোম্পানি গতকাল চুক্তি অনুযায়ী সব ডাইভারশন সড়ক বিলুপ্ত করছে। সকাল ১০টায় আলোচিত তিতাস নদীর ডাইভারশন সড়ক উঠানোর কাজ দিয়ে শুরু হয়েছে তাদের এই কার্যক্রম।

ট্রান্সশিপমেন্টের মাধ্যমে ভারতীয় ওডিসির মালামাল পরিবহনে ট্রেইলর চলাচল উপযোগী করতে ২০১০ সালের প্রথম দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল বিশ্বরোড থেকে সুলতানপুর হয়ে আখাউড়া স্থলবন্দর পর্যন্ত ৩৭ কিলোমিটার সড়কে তিতাস নদীসহ সব ব্রিজ-কালভার্টের নিচে ডাইভারশন সড়ক নির্মাণ শুরু হয়। ১৬টি ডাইভারশন সড়ক নির্মাণ শেষে গত বছর মার্চের শেষ দিকে ওডিসির মালামাল নিয়ে ১৩০ চাকার ট্রেইলর চলাচল শুরু হয়।

সরেজমিন খোঁজ নেওয়ার সময় ডাইভারশন বিলুপ্তের ঠিকাদার মজনু ভূঁইয়া ও এবিসি কোম্পানির সুপারভাইজর নিমিত সাহা জানান, সকাল ১০টা থেকে তিতাস নদীর ডাইভারশন বিলুপ্তের কাজ শুরু হলেও বারবার বৃষ্টি বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে। প্রচণ্ড শীত ও বৃষ্টি উপেক্ষা করে শ্রমিকরা কাজ করছে। তিন দিনের ভেতর তিতাস নদীর ডাইভারশন সড়ক বিলুপ্তের কাজ শেষ হবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।

ভারতীয় এবিসি কোম্পানির প্রকৌশলী জিল হাফিজ জানান, আগামী তিন দিনের মধ্যে তিতাস নদীর ডাইভারশন সড়ক বিলুপ্ত করা হচ্ছে এবং চুক্তি অনুযায়ী এক সপ্তাহের মধ্যে সব ডাইভারশন উঠিয়ে নেওয়া হবে। এ ব্যাপারে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সড়ক ও জনপথ বিভাগের প্রকৌশলী জাহাঙ্গীর আলম জানান, চুক্তি অনুযায়ী সব ডাইভারশন উঠিয়ে নিয়ে যেতে ভারতীয় এবিসি কোম্পানিকে বলা হয়েছে এবং তারা গতকাল সকাল থেকে কাজ শুরু করেছে।

৪৪৫. ১০ ই জানুয়ারি, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:০৭

দিনমজুর বলেছেন: ভারতীয় মালামাল পরিবহনের কাজ আপাতত শেষ হয়ে যাওয়ায় এবং সেই সাথে নদীর উপর দিয়ে রাস্তা নিয়ে দেশজুড়েই জনগণের ক্ষুব্ধতা- এই দুই কারণে রাস্তা এখন কেটে ফেলা হচ্ছে(গত বর্ষা মৌসুমেও রাস্তা কাটা হয়েছিল)। এই রাস্তা কেটে ফেলার মধ্যে দিয়ে তিতাস সাময়িক ভাবে মুক্ত হলেও প্রায় বছর খানেক ধরে নদীতে এইভাবে বাধ দিয়ে রাখার ক্ষতি কতদুর গড়িছে তার কোন নিরীক্ষা হয় নি এবং ভবিষ্যতে আবারও তিতাস কিংবা অন্য কোন ক্ষেত্রে ট্রানজিটের জন্য একই ধরণের আয়োজন করা যে হবে না তার কোন নিশ্চয়তা নেই কারণ এই রাস্তা নির্মাণের কোন জবাবদিহিতা জনগণের কাছে শাসক গোষ্ঠী এখনও করে নি, এ বিষয়ে কোন ব্যাখ্যা দেয়ারও প্রয়োজন মনে করেনি।

আমরা পুরো বিষয়টার ব্যাখ্যা দাবী করছি।

তাছাড়া তিতাস আপাতত মুক্ত হলেও সামগ্রিক ভাবে বাংলাদেশের মানুষ নদী, পরিবেশ, বন্দর, রাস্তা-ঘাট ইত্যাদি আগের মতোই ভারতীয় সাম্রাজ্যবাদের আগ্রাসনের হুমকীর মধ্যেই আছে। ভারতের স্বার্থ রক্ষার জন্য শাসক শ্রেণী কতটা মরিয়া হতে পারে তিতাসের বুকের উপর দিয়ে বাধ নির্মাণ তার একটা দৃষ্টান্ত। ট্রানজিটের ফলাফল কি হতে পারে, কি প্রকৃয়ায় ট্রানজিট বাস্তবায়ন করা হবে এবং বাংলাদেশের মানুষ ও পরিবেশের স্বার্থে বিবেচনা সেখানে কতটুকু কাজ করবে তা বুঝবার জন্য তিতাসের বুকে এই বাধ নির্মাণের ঘটনাই যথেষ্ট। সময় থাকতেই ভবিষ্যত বিপর্যয় এড়ানোর জন্য তিতাসের বুকের উপর দিয়ে রাস্তা নিয়ে যেমন সোচ্চার হয়েছি আমরা, গোটা ট্রানজিট প্রকৃয়া নিয়েই একই ভাবে গণনজরদারি ও গণসচেতনতা বাড়ানোর দিকে জোর দেয়া দরকার।

 

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল‍্যাটফমর্। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...

 

© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি | বিজ্ঞাপন