আজকে সামুর বিশিষ্ট ছাগুবিরোধী যোদ্ধা, ছাগুসঙ্গীত রচয়িতা, রম্যলেখক এবং গবেষক! ( গবেষণাটা কিসের ওপর তা হয়তোবা সবাই জানেন, তারপরেও বলা হবে) আলিম আল রাজি'র জন্মদিন।
শিরোনামে তাকে বিশিষ্ট অভিধায় অভিহিত করা হলেও তার শিষ্টতা নিয়ে আমরা সন্তুষ্ট হওয়া স্বত্তেও মডারেটররা নন।
এখন আসা যাক নামকরণের ব্যাপারে। নাম তার রাজি। সব ব্যাপারেই রাজি হয়ে যাওয়াটা তার অভ্যেস কিনা আমরা জানিনা, তবে ধরে নিলাম সে ওরকমই! ভাগ্যিস মেয়ে হয়ে জন্মায়নাই!
তাহলে আর কি!
শুভ জন্মদিন রাজি!
(সংলাপ)
-কেক খাওয়াবানা
-ওকে রাজি!
-সঙ্গে কোকও থাকবে কিন্তু
-ঠিকাছে ভাইয়া রাজি!
-ঈদের দাওয়াত দিলানা?
-আসেন ভাইয়া, রাজি!
তবে তাকে জোর করে বিভিন্ন বিষয়ে রাজি করা গেলেও বিভিন্ন কারসাজি করেও সে এখনও একটা বিষয়ে কাউকে রাজি করাতে পারেনি। এখন আসবে তার সেই ঐতিহাসিক গবেষণার কথা! মেয়ে পটানোর সহজ উপায় নামক তার একটি গবেষণাপত্র ছিলো। উত্তম সব তরিকা বিলি করে তরুণ সমাজের বিশেষ উপকার করলেও রাজি এখনও ভালোবাসাহীনতার নাজী ক্যাম্পে বন্দী
তাই জন্মদিনের এই শুভক্ষণে (একই সাথে ঈদের দিন) রাজিকে বলি, ধরে ফেলো না একটা বাজী! ডাকো কাজি! শুভস্য শীঘ্রম! কালকের শুভদিনে তিনটা উৎসব হোক!
ঈদ উপলক্ষ্যে সমবেত জনসাধারণকে কেক না দিয়ে বিরিয়ানী দেয়া হল।
আর অনুষ্ঠান শেষে সবাইকে "বিড়ি আনি" সরবরাহ করার দায়িত্ব রাজি'র।
লেটজ পারটেএএএ

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


