পোস্ট আর্কাইভ
- জানুয়ারী,২০১৩(২)
- নভেম্বর,২০১২(১)
- অক্টোবর,২০১২(১)
- সেপ্টেম্বর,২০১২(২)
- মে,২০১২(২)
- ফেব্রুয়ারী,২০১২(১)
- ডিসেম্বর,২০১১(৩)
- নভেম্বর,২০১১(২)
- অক্টোবর,২০১১(১)
- সেপ্টেম্বর,২০১১(২)
- আগস্ট,২০১১(১)
- এপ্রিল,২০১১(১)
- মার্চ,২০১১(৩)
- জানুয়ারী,২০১১(৩)
- ডিসেম্বর,২০১০(৩)
- নভেম্বর,২০১০(২)
- সেপ্টেম্বর,২০১০(১)
- আগস্ট,২০১০(৪)
- জুলাই,২০১০(২)
- মে,২০১০(৪)
- এপ্রিল,২০১০(৩)
- মার্চ,২০১০(৩)
- জানুয়ারী,২০১০(২)
- ডিসেম্বর,২০০৯(৩)
- নভেম্বর,২০০৯(৪)
- অক্টোবর,২০০৯(২)
- মে,২০০৯(১)
আমার লিঙ্কস
আমার বিভাগ
কোন বিভাগ নেই
আমার প্রিয় পোস্ট
- যে কোন পিসির মাডারবোর্ড ড্রাইভার সমস্যার সমাধান - মোহাম্মদ মাহবুব
- আপনাদের কাছে কি চাবুক আছে? - হাসান মাহবুব
- স্নার্ল - হাসান মাহবুব
- বিষণ্নতার বিষবাষ্প (ছোটগল্প ) - ফ্রাস্ট্রেটেড
- সামুর বেশকিছু টেকি , টিপস এন্ড ট্রিকস এবং দরকারি পোস্টের সংকলন

- রবিন মিলফোর্ড
- এমন 'ভৃত্যসুলভ' বন্ধুত্ব নয়,শক্ত প্রতিকার ও প্রতিবাদ চাই! - দূর্যোধন
- মুক্তিযুদ্ধ ১৯৭১; মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক ৩০০টির অধিক পোস্ট লিঙ্ক নিয়ে তৈরী হল সামহোয়্যার ইন ব্লগ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক আর্কাইভ - ফারজুল আরেফিন
- Metal গানের প্রেমীদের জন্য ২০টি Genre এর ৫০০গান নিয়ে মেগা পোষ্ট \m/ - নাফিজ মুনতাসির
- আমার প্রিয় লেখাগুলি নিয়ে ই-বুক - নাজিল আযামী
- বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলা শহর নামকরনের গল্প - সাজিদ এহসান
- বাংলা সাহিত্যের প্রিয় কবিদের প্রিয় কবিতা নিয়ে পোষ্ট গুলোর সংকলন - এক্সট্রাটেরেস্ট্রিয়াল স্বর্ণা
- হুমায়ূন আহমেদের শ্রেষ্ঠ উৎসর্গ পত্র সমগ্র...... কিছু ছবি এবং পরিশেষে একটি প্রস্তাব - অনিমেষ হৃদয়
- সাম হয়্যার ইন ব্লগ-এর বিনোদন সমগ্র! (এক পোস্ট হতে সবগুলো বিখ্যাত লেখার লিংক সংগ্রহ করুন) - শর্বরী-শর্মী
- (নাটিকা) ত্রিঘাত সমীকরণের অভিশাপ - ম্যাভেরিক
- imdb.com থেকে মুভি ডাউনলোড করবো কেমনে? - নীল দূত
- সামুর ইমোটিকন এখন ফেসবুকে, ধন্যবাদ টিটির টিউনার সাইফুল ইসলামকে - উণ্মাদ তন্ময়
- শিল্পের দ্বায়বদ্ধতা, শিল্পীর দ্বায়বদ্ধতা।উৎসর্গ: হাসান মাহবুব। - স্তব্ধতা'
- পণ্যময় সমাজব্যাবস্থার প্রতিফলন : হাসান মাহবুবের একটি গল্প - হানিফ রাশেদীন
- কাব্যচিন্তন : হাসান মাহবুব -এর একটি কবিতা - ফকির ইলিয়াস
- " সামু সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন ২০১১!"
[সাসিক-২০১১, অংশগ্রহনে- সামুর হেভিওয়েট ব্লগাররা] - জাহাজী পোলা
অদ্ভুত জুটিদের নিয়ে কিছু সিনেমা
২০ শে নভেম্বর, ২০১১ বিকাল ৫:৪৯ |
সিনেমায় বিখ্যাত কাপল বলতে আমাদের চোখের সামনে ভেসে ওঠে মহানায়ক উত্তম-আর তুলনাহীনা সুচিত্রার "এই পথ যদি আর শেষ না হত তবে কেমন হত তুমি বলত...না না তুমি...না তুমি..না তুমি..." এইরকম কিছু রোমান্টিক দৃশ্যপট। হলিউডের ক্ষেত্রে অড্রে হেপবার্নের রাজকন্যা থেকে একদিন পথে নেমে এসে গ্রেগরি পেকের সাথে অসম এবং অসম্ভব প্রেমের "রোমান হলিডে", অথবা টাইটানিকের ক্যাপ্রিও-উইন্সলেট এর সেই হৃদয় বিদারক শেষ দৃশ্য! মোটকথায় সিনেমাতে প্রেমিক-প্রেমিকা মানেই ভালোবাসায় টইটম্বুর পুকুর, দর্শকের চোখের জল নাকের জল একাকার করে ছেড়ে দিয়ে টিস্যুপেপার ব্যাবসায়ীদের পসরা বাড়ানো!
এইবেলা আসুন কিছু অন্যরকম জুটির কথা শুনি, যাদের কেউ (অথবা দুজনাই) সাইকো, অথবা ব্যাঙ্কডাকাত, অথবা গ্যাংস্টার কিন্তু তাদের ভালোবাসা চিরায়ত রোমান্টিক জুটিদের চেয়ে কোন অংশে কম না!
True Romance
ক্ল্যারেন্স এবং এ্যালাবামার প্রথম পরিচয় হয় একটি পানশালায়। প্রথম দর্শনেই প্রেম, যা পরে বোঝা যায়। এরপরে একটা ফাঁকা সিনেমাহলে কাকতালীয়(!)ভাবে আবারও দুজনের দেখা। তারা একসাথে বসে পপকর্ন খেলো, সিনেমা দেখলো এবং প্রেম হয়ে গেলো! প্রেমটা একটু জোরালো হবার পর ক্ল্যারেন্স জানতে পারে যে এ্যালাবামা একজন দেহপোজিবী! এটা শুনে স্বাভাবিকভাবেই ক্ল্যারেন্স একটু থতমত খেলো। এইখানের ডায়ালগগুলো মজার!
Clarence: You're a whore?
Alabama: I'm not a whore. I'm a call-girl. There's a difference, you know? (অত্যন্ত উত্তেজিত ভঙ্গিতে)
যাই হোক সেই ডিফারেন্সটা নিয়ে ক্ল্যারেন্স আর মাথা ঘামায় নি। চলতে থাকলো তাদের উদ্দাম প্রেম।এক পর্যায়ে তারা সিদ্ধান্ত নিলো যে বিয়ে করবে। কিন্তু বিয়ে করতে তো অনেক টাকা দরকার। কী করা যায়? এ্যালাবামা জানালো যে ওর দালালের কাছে এক ব্রিফকেস ভরা কোকেইন আছে, সেটা নিয়ে আসতে পারলে আর কিছু লাগে না। তারপর ক্ল্যারেন্স সেই আস্তানায় আক্রমণ চালিয়ে বীরদর্পে ব্রিফকেস হস্তগত করে নিয়ে আসলো এবং এ্যালাবামাকে উদ্বেলিত চিত্তে সুসংবাদটি জানালো। কিন্তু এ্যালাবামা শুনে খুশী হবে কী, কাঁদা শুরু করল! কারণ কী?
"It was so romantic!"
এরপর থেকে শুরু হয় তাদের অভিযান, কোকেইন বিক্রী করে টাকা তোলার পথে নানারকম বাধাবিপত্তি এবং জীবননাশের হূমকি। ইতালিয়ান মাফিয়ারা খুঁজে বেড়াচ্ছে, পুলিসও খোঁজ পেয়ে গেছে, বন্ধু হিসেবে পাশে একমাত্র ডিক রিচি ,যে স্বপ্ন দেখে হলিউডের বিগশট হবার কিন্তু আদতে একজন তৃতীয়শ্রেণীর অভিনেতা।
বন্ধুর পথে অনেক প্রতিকূলতার সম্মুখীন হতে হয়েছে এই ক্রেইজি কাপলকে, কিন্তু তারা ছিলো ড্যাম কেয়ার! ইতালিয়ান এক মাফিয়া যখন এ্যালাবামাকে ব্রিফকেসটার খোঁজে মারতে মারতে অর্ধমৃত করে ফেলে তখনও সে হিহিহি করে হাসতে হাসতে মধ্যাঙ্গুলি প্রদর্শন করে, কিন্তু ক্ল্যারেন্সের হদীশ বলে না। একেবারে খাঁটি ক্রেইজি ভালোবাসা!
এই মুভিটার আরেকটা বৈশিষ্ট্য হল, হলিউডের মেগাস্টাররা এখানে খুব ছোটখাটো পার্ট করেছেন। স্যামুয়েল এল জ্যাকসন, ভ্যাল কিলমার, ব্র্যাড পিটদের রোলগুলি ছিলো ক্যামিও।
যারা ডার্ক কমেডি পছন্দ করেন তাদের জন্যে মাস্ট সি। ওহ বলতে ভুলে গিয়েছি, এটার স্ক্রিন রাইটার টারান্টিনো!
Natural Born Killers
এটার স্ক্রিন রাইটারও টারান্টিনো। পরিচালক অস্কারবিজয়ী অলিভার স্টোন। এই ছবিটা আগেরটার মত পপকর্ন চিবুতে চিবুতে বসে দেখার মত না। অনেক নৃশংস, ভাবনা উদ্রেককারী, এবং জটিল।
এই ছবিতে মিকি এবং ম্যালোরি একে অপরকে ভালোবাসে। ভালোবাসার শুরুটা বিচ্ছিরি এক পরিবেশে। ম্যালোরি বড়ই অশান্তিতে ছিলো তাদের পরিবারে। তার পারভার্ট বাপ সুযোগ পেলেই তার শরীর হাতাতো। আর সারাক্ষন মদ্যপান চিৎকার চেচামেচি। মা দেখেও না দেখার ভান করত। ছোট ভাইটা চুপচাপ সবকিছুর সাক্ষী। তো এরকম এক ঝঞ্ঝাবিক্ষুব্ধ পারিবারিক পরিবেশে মিকি এলো পিজা ডেলিভারি দিতে। ঠান্ডা চোখে দেখলো বিকৃত অভিভাবকের নষ্টামি, চিৎকার চেচামেচি, দেখলো কুঁকড়ে যাওয়া ম্যালোরিকে। তারপর খুন করে ফেললো অভিভাবকদ্বয়কে। মিকির এই খুন করা দেখেই ম্যালোরির অন্তর্গত ভায়োলেন্স জেগে উঠলো ভালোবাসার রূপে। তারা ছোটভাইটাকে মুক্ত করে দিয়ে বেড়িয়ে পড়ল এক সাইকোডেলিক হত্যা অভিযানে। তারা যেখানে যেতো সেখানকার সব মানুষকে খুন করে একজনকে রেখে দিয়ে বলত "যাও, সবাইকে বলে দাও মিকি আর ম্যালোরি এসব করেছে"।
একসময় তারা মিডিয়ার বদৌলতে সুপারস্টার হয়ে উঠলো। পরিচালক এখানে চমৎকারভাবে আমেরিকান মিডিয়ার ক্রাইম গ্লোরিফিকেশন তুলে ধরেছেন। মুভির মূল বক্তব্য এটাই। অলিভার স্টোনের পরিচালনা অসাধারণ! বিশেষ করে ড্রাগস নেয়ার পর যে সাইকোডেলিক অনুভূতি, তার চিত্রায়ন অসম্ভব ভালো হয়েছে।
তবে দুঃখের কথা, স্ক্রিপ্ট রাইটার টারান্টিনো পছন্দ করেন নি তার ডিরেকশন। এ নিয়ে নাকি ভালো ঝামেলা হয়েছিলো।
আমার ব্যক্তিগত অভিমত, এটা একটা অসাধারণ মুভি। অলিভার স্টোনের অস্কার পাওয়া ছবি 'প্লাটুন' এর চেয়েও ভালো।
Bonnie and Clyde
এবার একটু পেছনের দিকে যাওয়া যাক! ১৯৬৭ সালের ছবি। বনি এবং ক্লাইড। ইনারা হচ্ছেন ব্যাংক ডাকাত। বেশ কিছু ব্যাংক ডাকাতি করে খবরের শিরোনামে আসেন। ইনারা নিয়ম ভেঙে এবং অপরাধ করে নির্মল আনন্দ পেতেন। আরো মজা পেতেন পুলিস তাদের নাগালে না পেলে। ছবিটায় ভায়োলেন্সের সাথে কমেডির সমাহার হয়েছে চমৎকারভাবে। এই ধরনের মুভির ক্ষেত্রে পথিকৃৎ বলা যেতে পারে। উপরিল্লিখিত ছবিগুলোর মধ্যে এটিই সবচেয়ে সমালোচক প্রশংসিত। আইএমডিবি রেটং ও অনেক- ৮। ছবিটি দুটো অস্কার জিতে নেয়, বেস্ট এ্যাকট্রেস ইন আ লিডিং রোল এবং বেস্ট সিনেমাটোগ্রাফি বিভাগে।
Sid and Nancy
এটি সত্যি কাহিনী অবলম্বনে রচিত। সত্তরের দশকে বৃটেনের পাঙ্ক রক মুভমেন্টে ঝড় তোলে সেক্স পিস্তলস নামের একটা ব্যান্ড। ইংল্যান্ডের জাতীয় সঙ্গীতকে ব্যঙ্গ করে যারা গান গেয়েছিলো, এনার্কিজমের সূচনা করার সদম্ভ ঘোষণা দিয়েছিলো, টিভি শো তে উপস্থাপককে যা তা বলে খবরের শিরোনাম হয়েছিলো। সেই ব্যান্ডের বেজিস্ট সিড ভিশিয়াস, আর চিয়ারলিডার ন্যান্সি স্পাঞ্জেনের প্রণয়াপাখ্যান নিয়ে তৈরী এই ছবিটি। সিড ছিলো একজন অমেধাবী বেজিস্ট। অনেকসময় কনসার্টে তার গিটারে 'এ্যাম্প' দেয়া হত না। কারণ তার গিটারওয়ার্ক ছাড়াই দিব্যি জমে যেত কনসার্ট। তবুও সিড ছিলো একজন পাঙ্ক আইকন। তার রিয়াল পাঙ্ক গেটআপ, ড্যাম কেয়ার মনোভাব এবং ফ্যাশনের কারণে। একসময় ন্যান্সির সাথে সিড আলাদাভাবে বসবাস শুরু করে। সত্যিকারের জাঙ্ক লাইফ! ঘোরের ঘরে বন্দী জীবন! মাঝেমধ্যে ক্ষেপ মেরে এসে সেই টাকায় মাদকসেবন, এর বেশি তারা কিছু চাইতো না। কিন্তু এই দুই নিস্পাপ বা নির্বোধ বালক-বালিকা একসময় জীবনের কঠিন ছুরিতে বিদ্ধ হয়।
ছবিটার শেষে হয়তো বা আপনার মন খারাপ হবে, হয়তোবা না। পাঙ্ক-জাঙ্ক-ড্রাঙ্ক বলে হয়তো বা অবজ্ঞা করবেন! তবে তাদের ভালোবাসা ছিলো সুতীব্র। পাঙ্ক রকের মতই।
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে নভেম্বর, ২০১১ বিকাল ৫:৫৮ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
অণুজীব বলেছেন:
ভালো লাগলো।
দূর্যোধন বলেছেন:
টারান্টিনোর ছবির মেকিং লা জওয়াব , কিন্তু ভায়োলেন্সটা আবার মাত্রাতিরিক্ত
ব্যর্থ সৈনিক বলেছেন:
++
মেঘ বলেছে যাবো যাবো বলেছেন:
এই জুটিটার কথা মনে পড়লো। একজন ছিলো নর্তকী, নিজের বুড়োভাম প্রত্নতাত্ত্বিক স্বামীকে কাঁচকলা দেখিয়ে ঘর ছেড়েছিলো... আর অপরজন ছিলো গাইড, ঘুরে ঘুরে দর্শনীয় জায়গা দেখিয়ে বেড়াতো টুরিস্টদের। শুরু হলো তাদের দিগ্বিজয়ের কাহিনী, কিন্তু আঘাতটা এত অপ্রত্যাশিতভাবে এলো যে কারোই বোধহয় কিছু করার ছিলো না।
দারাশিকো বলেছেন:
বনি এন্ড ক্লাইড দেখছি বাকীগুলা দেখি নাই, ট্রু রোমান্স আর ন্যাচারল বর্ণ কিলারস দেখার আগ্রহ হচ্ছে।হামা ভাই, আপনার এই নিকের মহাত্ম্য কি? আগে হয়তো কোথাও বলসেন, আমি জানি না
ঠোঁটকাটা নির্লজ্জ বলেছেন:
ভালো লাগলো। True Romance & Natural Born Killer দেখার আগ্রহ হচ্ছে। পরে নামিয়ে নেব।
প্লিওসিন অথবা গ্লসিয়ার বলেছেন:
Natural Born Killer--চুম্মামামামামামমামামামাম !
রাজসোহান বলেছেন:
ক্যা কু
ইশতিয়াক আহমেদ চয়ন বলেছেন:
চমৎকার পোষ্ট !! ++++
সুদীপ্ত কর বলেছেন:
সিড এন্ড ন্যান্সি দেখতে হপে। ডাউনলোড দিলাম।বাকীগুলা দেখসি। তবে আপনার বর্ণনা পড়ে আবার দেখতে ইচ্ছা হলো।
প্রিয়তে নিলাম। আরো কিছু রিভিউ দেন।
শুভকামনা
কামরুল হাসান শািহ বলেছেন:
ভালো লাগলো
ধ্রুব তারা বলেছেন:
ক্ল্যারেন্স এবং এ্যালাবামার প্রথম পরিচয় হয় একটি পানশালায়। তথ্যটা বোধহয় ভুল। বারের মেয়েটা অন্য এ্যাকজন ছিল। ওদের পরিচয় সিনেমা হলেই হয়।
দিপ বলেছেন:
চরম পোষ্ট হামা ভাই। জোশ
বাদ দেন বলেছেন:
ক্রেইজি লাভ বড়ই ক্রেইজি ++++++++++++++++++++++
আপনারে কি ফ্রেব্রুয়ারীর কনভকেশনে আসবেন? না আপনাদের আগেই হয়ে গেছে?
সায়েম মুন বলেছেন:
সিড এন্ড ন্যান্সি নিয়ে আগেই গপ ল্যাখছেন। আজ জানলাম বাকী কয়টা কাহিনী। আমারও সেই লুতুপুতু প্রেম ভালুবাসা কাহিনী ভালা লাগে না। আপনার পোষ্ট পইড়া আরো লাগবেনা বুধয়
সায়েম মুন বলেছেন:
সাইকো টাইপ কিছু ল্যাখতে গিয়া ধরা খাইতে চাইনা। আপনার রাজত্বে অনুপ্রবেশ করে রাম দাবরানী খাবো---এ হতেই পারেনা।
নেক্সাস বলেছেন:
ঐ আমি তো পুরা টাসকি খাইলাম। প্রথমে ভাবলাম এটা হাসান মাহবুব। পরে দেখি লিটল হামা.... যাক পড়ে ঘটনা বুঝবার পারছি।
বরবারের মত পোষ্ট মামা ওয়েফার। মানে জটিল।
+++
সমুদ্র কন্যা বলেছেন:
মুভিগুলো একটাও দেখি নাই, তবে আশা করতেছি খুব শিগগিরই দেখা হয়ে যাবে। প্রত্যেকটাই। মুভি বা গল্পে এমন অদ্ভুত জুটির কথা না জানলেও সত্যি সত্যি একটা ভীষণ অদ্ভুত জুটিকে দেখার সৌভাগ্য হইসে আমার!
ইকারুসের ডানা বলেছেন:
" কাশেম মালার প্রেম " ছবিটাও বেশ অদ্ভূত ! কিংবা "গরীবের রাণী" ! গরীবের রাণী মানে দরিদ্রদের নারী দলনেত্রী না , নায়কের নাম গরীবুল্লাহ ( ওমর সানি ) এবং অত্যাচারী জমিদার কন্যা রাণীর মধ্যকার অসম প্রেমই এই চলচ্চিত্রের মূল উপজীব্য বিষয় ।
ইকারুসের ডানা বলেছেন:
না কাশেম থাকে জমিদার পুত্র আর মালা থাকে দরিদ্র কাঠুরিয়া কন্যা । দুষ্ট উজিরের ষড়যন্ত্রে তাদের মিলন ঘটে না ! এই রে , আরেকটা মনে পড়লো - মধুর মিলন । নায়িকার নাম মধু , নায়িকার নাম মিলন । এও অসম অদ্ভূত জুটি !
ইকারুসের ডানা বলেছেন:
আরো দুইটা অদ্ভুত জুটির কথা মনে পড়লো । এরা ভায়োলেন্ট বা সাইকেডেলিক বিহেভিয়ার দেখাইছে এমন না , কিন্তু শরীরি প্রেম নিয়ে এরা অবসেসড বলা যায় - এক , নাইন সংস এর ম্যাট আর লিসা । রক কনসার্টে পরিচয় , এরপরে সংক্ষিপ্ত কিন্তু উন্মাতাল শরীরি সম্পর্ক । এইটা খুব একটা আহামরি কোন ছবি । সফটকোর পর্ণ ও না । কিন্তু মারাত্মক ধরণের কিছু এক্সপ্লিসিট দৃশ্য আছে ! মুভিটা ট্র্যাশ কিন্ত জুটিটা অদ্ভুত লাগসিলো ।
দুই , লাই উইথ মি , কানাডিয়ান মুভি ফ্রেঞ্চ ভাষায় । ডেভিড আর লেয়লা , এরা এদের শরীরি প্রেম ছাড়িয়ে মানসিক ব্যাপারটায় জড়িয়ে যায় । এই নিয়ে টানাপোড়েন ! মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দের ব্যাপারটা টেনেছিলো , মুভিটাও পছন্দ আমার ।
মিরাজ is বলেছেন:
লাস্টেরটা ৫০% পর্যন্ত নামানো হয়ে গেছে এর পরে কোনটা সাজেস্ট করেন?
মেঘ বলেছে যাবো যাবো বলেছেন:
মুভিটা হলো এইটা। অনেক পুরনো ছবি, বেশ কিছু পুরষ্কারও পেয়েছিলো। আমার কাছে ছবিটা খুবই এভারগ্রিন মনে হয়!
মিরাজ is বলেছেন:
ইটার্নাল সানশাইন দেখছেন??? খুন খারাবি রোমান্স মনে হয় বেসিক ইনিস্টিঙ্কট দেখছি। অন্য কোনোটা দেখছি কিনা মনে পড়ছেনা।
মিরাজ is বলেছেন:
জিম ক্যারি আর কেট উইন্সলেট অভিনিত ইটার্নাল সানশাইনে খুন খারাবি নাই। তয় গল্পটা চমৎকার। রাগারাগির কারনে সম্পর্ক ভেঙ্গে গেলে ওরা ওদের মস্তিষ্ক থেকে স্মৃতি মুছে ফেলতে যাই। মুছে ফেলার সময়ে জিম ক্যারি বুঝতে পারে সে ভুল করছে তাই অবচেতন মনে চেষ্টা করে কিছু স্মৃতি বাঁচিয়ে রাখতে। এ নিয়ে ব্লগে পোষ্ট থাকতে পারে। দেইখেইন মনস্তত্বের ব্যাপার স্যাপার আছে পছন্দ হবে। Eternal Sunshine বেসিক ইনিস্টিঙ্কট মুভিতে একজন লেখিকা খুনের বর্ণনা দিয়ে যেভাবে গল্প প্রকাশ করে সেইভাবেই খুন হয় একটার পর একটা। পুলিশ রহস্য উদঘাটন করতে যেয়ে আরো কমপ্লেক্স করে ফেলে। মাইকেল ডগলাস আর শ্যারন স্টোন অভিনিত সিনেমা। খুন করার স্টাইলটা আমার পছন্দ হইছিলো। basic instinct
মেঘ বলেছে যাবো যাবো বলেছেন:
ইকারুসের কমেন্ট পড়ে আরেকটা মুভির নাম মনে পড়লো। ওয়াইল্ড অর্কিড। মিকি রুর্ক আর ক্যারি ওটিস। ঐ ছবিটাও খুবই ইরোটিক, কিন্তু নায়ক আর নায়িকার মধ্যে যে কেমিস্ট্রিটা দেখানো হৈসে... আজব! নায়ক নায়িকাকে সেক্সুয়ালি বিবিধ প্রকারে চরমভাবে প্রলুব্ধ করতে থাকে কিন্তু কিছুতেই নিজে ধরা দেয় না। নায়িকাও বহু ঘাটের পানি খায় ঠিকই কিন্তু পাগল হয়ে থাকে ঐ ব্যাটা নায়কের জন্যই। অবশেষে এক্কেবারে ফিল্মের শেষপ্রান্তে গিয়ে তারা ... চিড়িয়াখানা ছবিটা কি আপনি দেখেছেন? সেটাও এক অপরাধী স্বামী-স্ত্রীর কাহিনী।
ডেজা-ভু বলেছেন:
বাহ্ বাহ্!!বনি এন্ড ক্লাইড বাদে বাকিগুলা দেখছি।
লাভ মি ইফ ইউ ডেয়ার দেখছেন?! ভায়োলেন্স নাই, তবে গতানুগতিক প্রেম কাহিনী ও না!! মজা আছে!
সুপান্থ সুরাহী বলেছেন:
আমি মনে হয় আর সিনেমা দেখতে পার্মুনা...
এইবার বাবায় সবার সামনে দিয়া দিসে... কয় আইজ থিকা তোমার দিন... আমার অবসর...
এখন আমার সব ইতরামী ছাড়তে হইব...
নস্টালজিক বলেছেন:
সুন্দর লিখসো!কিছু দেখা, বাকিগুলো দেখতে ইচ্ছে করতেসে।
তোমার কাছে থাকলে দিয়ো আমাকে!
নাআমি বলেছেন:
গত পর্শু রাতে রিলিস হলো, The Twilight Saga: Breaking Dawn - Part 1 , ১ম রাতের টিকিট কেটে রেখেছিলাম অনেক আগেই, vampires এর অদ্ভুত ভালবাসা দেখিয়েছে এখানে, যদিও vampires মুভি আমি পছন্দ করিনা কিন্তু আগের পর্ব গুলি দেখেছিলাম সেই আকর্ষনে গেলাম, অন্যরকম রোমান্টিক মুভি, বহু প্রতিক্ষিত Bella and Edward এর বিয়ে হলো এই পর্বে, সবচেয়ে মজার ব্যাপার, টিকিটের সাথে আমাদেরকে ওদের বিয়ে invitation card ও দিল..... ভালই লাগল দেখতে, পরের আর শেষ পর্বের অপেক্ষায় এখন !
আর আপনার পছন্দের মুভি গুলির পাশাপাশি গ্যাংস্টার, রবারী মুভি এগুলিও খুব ভাল লাগসে আমার , A History of Violence (2005), Bandits (2001) , Butch Cassidy and the Sundance Kid (1969)
গ্যাংস্টার মুভি যেগুলার নাম কৈলেন একটাও দেখিনাই। তবে ফরজ মুভি গুলা দেখসি। যেমন, গডফাদার ট্রিলজি, গুডফেলাস, কার্লিটোস ওয়ে,স্কারফেস, ডনি ব্রাস্কো ইত্যাদি!
কাউসার রুশো বলেছেন:
ফাটাফাটি পোস্ট++++
আরেকটা দেখতে পারেন
Butch Cassidy and the Sundance Kid
এটা ওয়েস্টার্ন
সালমাহ্যাপী বলেছেন:
আরে এই লিটল হামা কি হাসান মাহবুব ভাইয়ের যমজ ভাই ??? আমি এখানের একটা মুভিও দেখিনাই।দেখতে হবে।যে দৌড়ের উপর থাকি সারাদিন
দৌড় দেয়া স্বাস্থ্যের জন্যে ভালা। বেশি কৈরা দৌড়াইবেন।
দিপ বলেছেন:
হামা ভাই আপনি সতজিত রায়ের উত্তম কুমার অভিনিত চিড়িয়াখানা মুভির নাম শোনেন নি বা দেখেন নি ? আমি সুপার মাত্রার হতাশ।দেইক্ষা হালান।
না দেইক্ষা পানি পর্যন্ত ছুইবেন না।
মিরাজ is বলেছেন:
ট্রু রোমান্সটাও দেখলাম ভালোই বলা যায়। অদ্ভুত ভালো লাগা লাগে নাই
হাসান মাহবুব বলেছেন:
ট্রু রোমান্সের কাহিনীটা তো তেমন কিছু না। এটা একটা ডার্ক কমেডি। এই ধরণের মুভি আগে থেকে দেখার অভ্যাস না থাকলে ভালো লাগবে না। আমার যেমন প্রথমবার পাল্প ফিকশন দেখে একটুও ভালো লাগে নাই। পরে হেব্বি মজা পাইছিলাম।
হাসান মাহবুব বলেছেন:
ট্রু রোমান্স আমার পার্সোনাল ফেভারিট এই লিস্টের।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফমর্। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...


















আপনার মন্তব্য লিখতে লগইন করুন ।