somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আমার চোখে ছেলেরা (স্মৃতি থেকে)

১৯ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:৫৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আজ আবার একটু গল্প করতে ইচ্ছে করছে। আজ শুরু করি আমার ভাই বাপ্পা আর তার খরগোসের গল্প দিয়ে।

বুলবুলি থাকতেই বাপ্পা দুটো খরগোস আনে। সারাদিন তাদের নিয়ে কাটে।

বাপ্পার কথা একটু এখানে বলে নিই। ছোটবেলা পড়ার জন্য দাদুর কাছে খুব মার খেত। চান করতে চাইত না, চ্যাং দোলা করে নিয়ে চৌবাচ্চায় চোবান হত। কান টেনে টেনে বুদ্ধদেবের মত হয়ে গেছিল।
হাঃ...হাঃ...এসবই আমার খুব ছোটবেলার স্মৃতিতে বাপ্পা। আর খুব বোকা ছিল। আমি কিছু অন্যায় করলে ওর ঘাড়ে চাপাতাম। আত্মীয়দের মুখে শুনি বাপ্পাটা ছোটবেলায় খুব দুষ্টু আর গুন্ডা টাইপের ছিল। ও আসবে শুনলে নাকি সব সৌখিন জিনিষ উঁচুতে তুলে রাখত। হোস্টেলে মাঝে মাঝে বাপ্পা যেত। গোল টাইপের ছিল, তাই দিদিরা আদর করত।
তারপর আমি যখন জলপাইগুড়ি গেলাম, তখন আমরা একবছর একসাথে থাকি, সারাদিন মারামারি করতাম। ওর সাথে পারতাম না। কামড়ে দিতাম, পাপাকে দিয়ে খুব মার খাওয়াতাম। একটু ভেবলা গোছের ছিল। মনে আছে ও জেলা স্কুলে পড়ত। একটা লাইন ও পড়ছে এখনও কানে বাজে “বেগুনগাছে জল দিচ্ছে!...(প্রায় পাঁচ মিনিট পস্‌, তারপর).........কেষ্ট!!” ...হাঃ...হাঃ, এখনও ক্ষেপাই ওর সেই পড়ার বহর শুনিয়ে।

ওকে পাপা সিউড়ি রামকৃষ্ণ মিশনে দিয়ে দিল। প্রথম প্রথম খুব কমই বাড়ি আসত। ছুটিতে কলকাতায় চলে আসত। সে সময় আমরা ওকে হোস্টেলে দেখতে গেলাম। আমাদের দেখে লুকিয়েই পড়ল! তারপর ওর ঘরে গিয়ে দেখলাম আপন মনে ছবি আঁকছে। বাপ্পা হোস্টেলে আমার চেয়ে অনেক বেশিদিন ছিল। ওখানে গিয়েই ঢেঙা হয়। না হলে ছোটবেলা আমার চেয়ে বেঁটে ছিল, খুব থাব্‌ড়ে-থুবড়ে রাখতাম।

হি...হি, ছেলেবেলা বাপ্পাকে কত সাজাতাম! এই লেখাটা ও পড়বেনা এই বাঁচোয়া! ওকে দু’দিকে ঝুঁটি বেঁধে, শাড়ি পড়িয়ে ঠোঁটে লিপস্টিক দিয়েও খেলেছি। আমি, টিয়া আমার খুড়তুতো বোন আর বাপ্পা পিঠোপিঠি ছিলাম। বাড়ির বাইরে কারো সাথে মেলেমেশা দাদু পছন্দ করত না। আমি তাই ওদের হেড হয়ে ওদের উপর খুব তড়পাতাম। ওদের দু’জনের আবার খুব ভাব, বরাবর।

বাপ্পাটা এত বছর হোস্টেলে ছিল, কিন্তু আমার মত কোন আবেগই নেই! আশ্চর্য! কারণ হয়ত ছেলেরা বেশি প্রকাশ করতে পারে না, মেয়েদের মত। কেননা, জিজ্ঞেস করলে দু’একটা ছারাছারা হোস্টেলের কথাও বলে।

আমার হায়ারসেকেন্ডারী পরীক্ষার পর বাপ্পা একদম জলপাইগুড়িতে ফিরে এলো। এতে আমার খুব ভাল হল। তার আগে আমি বড্ড একা একা থাকতাম। বাপ্পা আসল, কত কিছুতে ভর্তি হল, সঙ্গে আমিও। তারপর থেকে আমরা খুব টাউনে যেতাম। প্রথম প্রথম দু’জনেই রিক্সায় যেতেম, পরে বাপ্পা সাইকেল কিনল। পাপা পাপার লুনায় আমায় প্যাডেলিং সেখানোর অনেক চেষ্টা চালায় হোলি চাইল্ড স্কুলের বড় গলিতে। রেগে গেলে পাপা খুব চ্যাঁচাতো, আর আমার মেরিট সব জায়গাতেই ভিষণ লো! ফলে আর সাইকেল শেখা হল না। তবে সোমার সাইকেলের পেছনে বসে ওর সাথে কলেজে ওঠার পর খুব টো-টো করে ঘুরেছি।
হোস্টেল থেকে ফিরে এলো এক অন্য বাপ্পা। ছোটবেলা যেমন দুরন্ত ছিল, এখন তেমনি শান্ত। বাড়ি আছে কি নেই বোঝার যো নেই! বাপ্পা তখন সারাদিন টিভি দেখছে, নয় বড় বড় ছবি আঁকছে। আমিও বরাবর ছবি আঁকি, তবে খাতায়। ও বড় বড় চার্টপেপারে ছবি আঁকছে, দেখে পাপা খুব খুশি হত। পাপাই বড় ক্যানভাস, কত্তো রঙ কিনে আনল। পাপা বাপ্পার ভেতর একজন শিল্পীকে দেখত।

আমাদের বাড়ি আর আত্মীয়দের মধ্যেও জীবজন্তু পোষার একটা চল আছে। বরাবর দেখছি বাড়িতে কুকুর। দামি কিছু না! এমনি, দেশী। জলপাইগুড়িতে আমাদের ভুলো ছিলেন! বাপ্পা এসে দুটো খরগোস আনল। তবে বেশিক্ষণ কোন কিছু নিয়ে থাকত না। বুলবুলি যাবার ক’দিন পর ওর খুব আদরের ধপ ধপে সাদা মেয়ে খরগোসটা চারটে ছানা দিল। কিন্তু বাচ্চাদের খাওয়ায় না। বাপ্পা পশু হাসপাতাল থেকে কি ভাবে মার দুধ বাচ্চাদের খাওয়াতে হবে দেখে এসে তাদের দায়িত্ব আমার উপর ছেরে দিল। মা খরগোসটা বেশ দুর্বল ছিল। বাপ্পা কেবল তাকেই দেখত।
একদিন সামনের বাগানে তাকে ঘাস খাওয়াচ্ছে, একটু অসতর্ক ছিল আর বাইরে আমাদের কালু –যার কথা আলাদা ভাবে না বললেই নয়- সে বড় গেটের ফাঁক দিয়ে মা খরগোসটাকে খপ্‌ করে ধরেই দে ছুট!


আমি যেহেতু ছোটবেলা একা একা বেশ কিছুটা সময় কাটাই, তাই আমার চারপাশে যারা থাকত তাদেরও মানুষের মতই মনে হত। যেমন কালুটা ভিষণ চ্যাংড়া গোছের ছিল। আমাদের খুব ভালবাসত। মাঠে গরু কি ছাগল চরছে! কালু গিয়ে তার ঠ্যাং কামড়ে ধরল, তার তখন খেলতে ইচ্ছে করছে। আমি উপরে ছাদ থেকে দেখতাম। কিন্তু যার পোষ্য, সে তো তা বুঝবে না! সে কালুকে মারতে দৌড়ল, কালু তাতেও মজা পেল। ধরা-ধরি শুরু হল। এবার কালুকে ধরে যেই পিটতে যাবে আমি তখন উপর থেকে বারণ করতাম, বা নিচে নেমে গিয়ে কথা বলতাম। বোঝাতাম ও কামড়েছে কিন্তু দেখ দাঁত বসাই নি, কারণ ও ওদের সাথে খেলতে চায়। কেউ কেউ শুনত, কেউ বা হুমকি মেরে যেত। আমদের ভুলো বেশ লাটসাহেব ছিল। খুব ফেলে ছরিয়ে খেত। আমি এক রকম ওর পিছন পিছন ঘুরতাম খাবার নিয়ে, দয়া করে একটু খেলেন! যা পরে থাকত তা গেটের নিচ দিয়ে বাইরে সাপ্লাই করতাম, কালু চেটে পুটে খেত। বাড়িতে রুটি হচ্ছে! দু-চারটে কালুকে দিয়ে আসতাম। বাপ্পাও দিত। বাপ্পা-পাপাকে রাস্তায় পেলে ও পায়ে লুটিয়ে পরত। বাপ্পাও কালুকে ভালবাসত। ভুলোটা একটু গম্ভীর ছিল, কালুটা খুব জলি ছিল।

তো, মা খরগোসটাকে কালু বল –টল ভেবেই তুলে নেয় বলে আমার ধারনা। কিন্তু সেটা যেহেতু খুব দুর্বল ছিল, তাই হয়ত সঙ্গে সঙ্গেই সে মারা যায়। এদিকে বাপ্পা বুঝতে পেরেই কালু-কালু করে ওর পেছনে দৌড়েছে! কালুও মাঠে দে-দৌড়! আমি-ভুলো বাপ্পার আর্তনাদ শুনে দৌড়ে বাইরে এসেছি। খানিক্ষণ পরে বাপ্পা মা খরগোসটাকে নিয়ে বাড়ি ফিরল। কি বলব! সেই প্রথম এত বড় একটা ছেলেকে বাচ্চাদের মত ফুঁপিইয়ে ফুঁপিইয়ে কাঁদতে দেখলাম। কিছুতেই তাকে শান্ত করা যায় না। দেখে আমি প্রচন্ড হক্‌চকিয়ে যাই। বাপ্পা তখন বোধকরি ক্লাস নাইনে পড়া একটু রাগী টাইপের ছেলে। তারপর কোনদিনও বাপ্পা কালুকে ক্ষমা করতে পারিনি। কালুকে দেখলেই মারত। তবু কালু ওর পায়ে শুয়ে গড়াত। আমি বলে বলে মারাটা বন্ধ করি, কিন্তু আর কালুকে বাপ্পা আদর করত না। সরিয়ে চলে যেত। এক বার মজা করে সেই প্রসঙ্গ তুলেছিলাম। কিন্তু এখনও বাপ্পা সেই শোক ভুলতে পারেনা। মুখ উদাস হয়ে যায়। আর তুলি না সে কথা।

বাপ্পার এই আশ্চর্য কোমল দিকটা আমার আরো কিছু স্মৃতিকে জাগ্রত করে। তখন হোস্টেলে থাকি। ছুটিতে জলপাইগুড়ি এসে-ছুটি শেষে ফিরছি। পাপার সাথে দার্জিলিং মেলে ফিরতাম। রাতটা ট্রেনে খুব ভাল লাগত, চাঁদটা প্রায়ই সঙ্গে সঙ্গে থাকত। ট্রেনে ওঠার আগে একবার চাচা চৌধুরী কমিকস কিনেছি। ট্রেনে আবার বই ফেরি করছে, তো পাপা ভাল গল্পের বই কিনে দিল। তখনও গল্পের বইয়ের নেশা হয়নি, বরং বই মানে আতঙ্ক, এটাই জানতাম। তাই মুখ ব্যাজার করে ফাউ হিসাবে আরেকটা চাচা চৌধুরীর দাবি জানালাম। এবার পাপা আর দিল না। আমার রাগ হল খুব। কিন্তু কেউ যেহেতু আমার রাগের ধার ধারত না, তাই আমি রাগ হলে দেখাতাম না, গুম মেরে থাকতাম। পাপা আবার মা-মা গোছের। ট্রেনে জল খাও, খাবার খাও করেই চলেছে! আমিও সুযোগের সদ-ব্যাবহার করলাম। গোজ হয়ে বসেই আছি! পাপা পরল ফাঁপরে! শেষে পাশের প্যাসেনজাররাই দায়িত্বটা নিল।

সেবার আমরা দু-একজনরা ছাড়া পুর বগিটাই ছিল জলপাইগুড়ি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের পাশ করা ছাত্রে ভর্তি। তাদেরই একজন দাদা আমায় তাদের ওদিকে নিয়ে গেল। তারপর তাদের সাথে সাথেই কেটে গেল পুর পথ। সেই দাদাটা কত গল্প বলেছিল। একটা এখনও মনে আছে ‘মধুসূদন-দাদা’র গল্প। এত বিশ্বাস হয়েছিল যে পরীক্ষায় কিছুই চিনতে না পেরে খুব তার নাম আউরে ছিলাম, মনে আছে। আর একজন ছিল-গিটার নিয়ে টং-য়ে বসে মাথা নেড়ে নেড়ে গান করছিল সারাক্ষণ। সবাই আমায় এত্তো চকলেট দেয় ওই লোকটা ছাড়া। মনে আছে বড় বড় চুল, রোগা, লম্বা-রাগী রাগী দেখতে। পরেরদিন কলকাতার কাছাকাছি আসতেই দাদাগুলোর মুখ করুন হতে লাগল। শেষে এক এক করে নেমে যাচ্ছে, সবাই জড়িয়ে ধরছে। সেই প্রথম ছেলেদের কাঁদতে দেখি। ছোটবেলা থেকেই আমাদের একটা ধারণা ছেলেরা কাঁদে না। ফলে এত্ত বড় বড় ছেলেদের কাঁদতে দেখে খুব মজা পেয়ে জিজ্ঞেস করি- এমা! তোমরা কাঁদছ কেন! ছেলেরা আবার কাঁদে নাকি? তখন কেউ একজন বলেছিল তুমিও যখন হোস্টেল ছেরে, বন্ধুদের ছেরে চলে যাবে তখন দেখবে সবাই তোমার জন্য কাঁদবে, তুমিও বন্ধুদের জন্য দুঃখ করবে! মনে আছে সেই রাগী ক্ষেপাটে দাদাটাই সবচেয়ে বেশি দুঃখ পেয়েছিল। এর থেকে মনে হয় ছেলেরা বাইরে যতই চোটপাট করুক আসলে অনেকক্ষেত্রে মেয়েদের চেয়েও কোমল মনের হয়।

সেবার আমি এত্তো ক্যাডবেরি পাই যে কলকাতার বাড়ি-পিসির বাড়িতে সবাইকে দিয়েও হোস্টেলে অনেককে চকলেট-মুখ করাই।

আবারও বক্‌বক্‌ করতে করতে লেখাটা বড় হয়ে গেল......এতটা পড়ার জন্য আপনাকেও .......


সর্বশেষ এডিট : ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ২:০৪
৮৬টি মন্তব্য ৯১টি উত্তর পূর্বের ৫০টি মন্তব্য দেখুন

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আমাদের গ্রামের গল্প!

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৩



আমাগো গ্রাম আপনারা সবাই চিনেন।
মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। শ্রীনগর থানা। খুবই প্রাচীন অঞ্চল। অবশ্য এখন গ্রাম বদলে গেছে! ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল হয়েছে, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমল, ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

পণ্ডশ্রম

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ১২:৩৪



এই নিয়েছে ঐ নিল যাঃ! কান নিয়েছে চিলে,

চিলের পিছে মরছি ঘুরে আমরা সবাই মিলে।

কানের খোঁজে ছুটছি মাঠে, কাটছি সাঁতার বিলে,

আকাশ থেকে চিলটাকে আজ ফেলব পেড়ে ঢিলে।

দিন-দুপুরে জ্যান্ত আহা, কানটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

লিখেছেন নাহল তরকারি, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:২৮

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

ধরুন, মাসুদ একদিন বাজার করতে বের হয়েছেন। তার মানিব্যাগে একটি Contactless Visa Card ছিল। বাজারের ভিড়ের মধ্যে একজন চোর একটি বিশেষ স্ক্যানিং ডিভাইস নিয়ে ঘুরছিল।... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফিরে যাওয়া বলে কিছু নেই

লিখেছেন রানার ব্লগ, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:৫৫

আমি যে নদীর কথা ভাবি,
সে নদী জল নয় সময় বয়ে নিয়ে চলে।
এক পাড়ে মানুষের কোলাহল,
হাটের গুঞ্জন, ভাতের গন্ধ, সন্ধ্যার আহবান,
অন্য পাড়ে কেবল শূন্যতা,
যেন কেউ কোনোদিন সেখানে ছিলইনা।

তবু দু পাড়ই... ...বাকিটুকু পড়ুন

১০০০-তম পোস্টঃ কন্যা আপন সাজন সাজে রে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:২৪

আমাকে ও রাহমিনকে এনিমেট করলে কেমন দেখাবে? এই আইডিয়া থেকেই গানটা রিমিক্স করে এনিমেটেড ভিডিও সং বানিয়ে ইউটিউবে ছেড়েছি। ছোটবেলায় মেঝ খালার বিয়েতে এই গানটা শুনেছিলাম। সবাইকে গানটি দেখা ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

×