আমার প্রিয় পোস্ট

আমার চোখে ছেলেরা (স্মৃতি থেকে)

১৯ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:৫৪

শেয়ারঃ
0 0 0

আজ আবার একটু গল্প করতে ইচ্ছে করছে। আজ শুরু করি আমার ভাই বাপ্পা আর তার খরগোসের গল্প দিয়ে।

বুলবুলি থাকতেই বাপ্পা দুটো খরগোস আনে। সারাদিন তাদের নিয়ে কাটে।

বাপ্পার কথা একটু এখানে বলে নিই। ছোটবেলা পড়ার জন্য দাদুর কাছে খুব মার খেত। চান করতে চাইত না, চ্যাং দোলা করে নিয়ে চৌবাচ্চায় চোবান হত। কান টেনে টেনে বুদ্ধদেবের মত হয়ে গেছিল।
হাঃ...হাঃ...এসবই আমার খুব ছোটবেলার স্মৃতিতে বাপ্পা। আর খুব বোকা ছিল। আমি কিছু অন্যায় করলে ওর ঘাড়ে চাপাতাম। আত্মীয়দের মুখে শুনি বাপ্পাটা ছোটবেলায় খুব দুষ্টু আর গুন্ডা টাইপের ছিল। ও আসবে শুনলে নাকি সব সৌখিন জিনিষ উঁচুতে তুলে রাখত। হোস্টেলে মাঝে মাঝে বাপ্পা যেত। গোল টাইপের ছিল, তাই দিদিরা আদর করত।
তারপর আমি যখন জলপাইগুড়ি গেলাম, তখন আমরা একবছর একসাথে থাকি, সারাদিন মারামারি করতাম। ওর সাথে পারতাম না। কামড়ে দিতাম, পাপাকে দিয়ে খুব মার খাওয়াতাম। একটু ভেবলা গোছের ছিল। মনে আছে ও জেলা স্কুলে পড়ত। একটা লাইন ও পড়ছে এখনও কানে বাজে “বেগুনগাছে জল দিচ্ছে!...(প্রায় পাঁচ মিনিট পস্‌, তারপর).........কেষ্ট!!” ...হাঃ...হাঃ, এখনও ক্ষেপাই ওর সেই পড়ার বহর শুনিয়ে।

ওকে পাপা সিউড়ি রামকৃষ্ণ মিশনে দিয়ে দিল। প্রথম প্রথম খুব কমই বাড়ি আসত। ছুটিতে কলকাতায় চলে আসত। সে সময় আমরা ওকে হোস্টেলে দেখতে গেলাম। আমাদের দেখে লুকিয়েই পড়ল! তারপর ওর ঘরে গিয়ে দেখলাম আপন মনে ছবি আঁকছে। বাপ্পা হোস্টেলে আমার চেয়ে অনেক বেশিদিন ছিল। ওখানে গিয়েই ঢেঙা হয়। না হলে ছোটবেলা আমার চেয়ে বেঁটে ছিল, খুব থাব্‌ড়ে-থুবড়ে রাখতাম।

হি...হি, ছেলেবেলা বাপ্পাকে কত সাজাতাম! এই লেখাটা ও পড়বেনা এই বাঁচোয়া! ওকে দু’দিকে ঝুঁটি বেঁধে, শাড়ি পড়িয়ে ঠোঁটে লিপস্টিক দিয়েও খেলেছি। আমি, টিয়া আমার খুড়তুতো বোন আর বাপ্পা পিঠোপিঠি ছিলাম। বাড়ির বাইরে কারো সাথে মেলেমেশা দাদু পছন্দ করত না। আমি তাই ওদের হেড হয়ে ওদের উপর খুব তড়পাতাম। ওদের দু’জনের আবার খুব ভাব, বরাবর।

বাপ্পাটা এত বছর হোস্টেলে ছিল, কিন্তু আমার মত কোন আবেগই নেই! আশ্চর্য! কারণ হয়ত ছেলেরা বেশি প্রকাশ করতে পারে না, মেয়েদের মত। কেননা, জিজ্ঞেস করলে দু’একটা ছারাছারা হোস্টেলের কথাও বলে।

আমার হায়ারসেকেন্ডারী পরীক্ষার পর বাপ্পা একদম জলপাইগুড়িতে ফিরে এলো। এতে আমার খুব ভাল হল। তার আগে আমি বড্ড একা একা থাকতাম। বাপ্পা আসল, কত কিছুতে ভর্তি হল, সঙ্গে আমিও। তারপর থেকে আমরা খুব টাউনে যেতাম। প্রথম প্রথম দু’জনেই রিক্সায় যেতেম, পরে বাপ্পা সাইকেল কিনল। পাপা পাপার লুনায় আমায় প্যাডেলিং সেখানোর অনেক চেষ্টা চালায় হোলি চাইল্ড স্কুলের বড় গলিতে। রেগে গেলে পাপা খুব চ্যাঁচাতো, আর আমার মেরিট সব জায়গাতেই ভিষণ লো! ফলে আর সাইকেল শেখা হল না। তবে সোমার সাইকেলের পেছনে বসে ওর সাথে কলেজে ওঠার পর খুব টো-টো করে ঘুরেছি।
হোস্টেল থেকে ফিরে এলো এক অন্য বাপ্পা। ছোটবেলা যেমন দুরন্ত ছিল, এখন তেমনি শান্ত। বাড়ি আছে কি নেই বোঝার যো নেই! বাপ্পা তখন সারাদিন টিভি দেখছে, নয় বড় বড় ছবি আঁকছে। আমিও বরাবর ছবি আঁকি, তবে খাতায়। ও বড় বড় চার্টপেপারে ছবি আঁকছে, দেখে পাপা খুব খুশি হত। পাপাই বড় ক্যানভাস, কত্তো রঙ কিনে আনল। পাপা বাপ্পার ভেতর একজন শিল্পীকে দেখত।

আমাদের বাড়ি আর আত্মীয়দের মধ্যেও জীবজন্তু পোষার একটা চল আছে। বরাবর দেখছি বাড়িতে কুকুর। দামি কিছু না! এমনি, দেশী। জলপাইগুড়িতে আমাদের ভুলো ছিলেন! বাপ্পা এসে দুটো খরগোস আনল। তবে বেশিক্ষণ কোন কিছু নিয়ে থাকত না। বুলবুলি যাবার ক’দিন পর ওর খুব আদরের ধপ ধপে সাদা মেয়ে খরগোসটা চারটে ছানা দিল। কিন্তু বাচ্চাদের খাওয়ায় না। বাপ্পা পশু হাসপাতাল থেকে কি ভাবে মার দুধ বাচ্চাদের খাওয়াতে হবে দেখে এসে তাদের দায়িত্ব আমার উপর ছেরে দিল। মা খরগোসটা বেশ দুর্বল ছিল। বাপ্পা কেবল তাকেই দেখত।
একদিন সামনের বাগানে তাকে ঘাস খাওয়াচ্ছে, একটু অসতর্ক ছিল আর বাইরে আমাদের কালু –যার কথা আলাদা ভাবে না বললেই নয়- সে বড় গেটের ফাঁক দিয়ে মা খরগোসটাকে খপ্‌ করে ধরেই দে ছুট!


আমি যেহেতু ছোটবেলা একা একা বেশ কিছুটা সময় কাটাই, তাই আমার চারপাশে যারা থাকত তাদেরও মানুষের মতই মনে হত। যেমন কালুটা ভিষণ চ্যাংড়া গোছের ছিল। আমাদের খুব ভালবাসত। মাঠে গরু কি ছাগল চরছে! কালু গিয়ে তার ঠ্যাং কামড়ে ধরল, তার তখন খেলতে ইচ্ছে করছে। আমি উপরে ছাদ থেকে দেখতাম। কিন্তু যার পোষ্য, সে তো তা বুঝবে না! সে কালুকে মারতে দৌড়ল, কালু তাতেও মজা পেল। ধরা-ধরি শুরু হল। এবার কালুকে ধরে যেই পিটতে যাবে আমি তখন উপর থেকে বারণ করতাম, বা নিচে নেমে গিয়ে কথা বলতাম। বোঝাতাম ও কামড়েছে কিন্তু দেখ দাঁত বসাই নি, কারণ ও ওদের সাথে খেলতে চায়। কেউ কেউ শুনত, কেউ বা হুমকি মেরে যেত। আমদের ভুলো বেশ লাটসাহেব ছিল। খুব ফেলে ছরিয়ে খেত। আমি এক রকম ওর পিছন পিছন ঘুরতাম খাবার নিয়ে, দয়া করে একটু খেলেন! যা পরে থাকত তা গেটের নিচ দিয়ে বাইরে সাপ্লাই করতাম, কালু চেটে পুটে খেত। বাড়িতে রুটি হচ্ছে! দু-চারটে কালুকে দিয়ে আসতাম। বাপ্পাও দিত। বাপ্পা-পাপাকে রাস্তায় পেলে ও পায়ে লুটিয়ে পরত। বাপ্পাও কালুকে ভালবাসত। ভুলোটা একটু গম্ভীর ছিল, কালুটা খুব জলি ছিল।

তো, মা খরগোসটাকে কালু বল –টল ভেবেই তুলে নেয় বলে আমার ধারনা। কিন্তু সেটা যেহেতু খুব দুর্বল ছিল, তাই হয়ত সঙ্গে সঙ্গেই সে মারা যায়। এদিকে বাপ্পা বুঝতে পেরেই কালু-কালু করে ওর পেছনে দৌড়েছে! কালুও মাঠে দে-দৌড়! আমি-ভুলো বাপ্পার আর্তনাদ শুনে দৌড়ে বাইরে এসেছি। খানিক্ষণ পরে বাপ্পা মা খরগোসটাকে নিয়ে বাড়ি ফিরল। কি বলব! সেই প্রথম এত বড় একটা ছেলেকে বাচ্চাদের মত ফুঁপিইয়ে ফুঁপিইয়ে কাঁদতে দেখলাম। কিছুতেই তাকে শান্ত করা যায় না। দেখে আমি প্রচন্ড হক্‌চকিয়ে যাই। বাপ্পা তখন বোধকরি ক্লাস নাইনে পড়া একটু রাগী টাইপের ছেলে। তারপর কোনদিনও বাপ্পা কালুকে ক্ষমা করতে পারিনি। কালুকে দেখলেই মারত। তবু কালু ওর পায়ে শুয়ে গড়াত। আমি বলে বলে মারাটা বন্ধ করি, কিন্তু আর কালুকে বাপ্পা আদর করত না। সরিয়ে চলে যেত। এক বার মজা করে সেই প্রসঙ্গ তুলেছিলাম। কিন্তু এখনও বাপ্পা সেই শোক ভুলতে পারেনা। মুখ উদাস হয়ে যায়। আর তুলি না সে কথা।

বাপ্পার এই আশ্চর্য কোমল দিকটা আমার আরো কিছু স্মৃতিকে জাগ্রত করে। তখন হোস্টেলে থাকি। ছুটিতে জলপাইগুড়ি এসে-ছুটি শেষে ফিরছি। পাপার সাথে দার্জিলিং মেলে ফিরতাম। রাতটা ট্রেনে খুব ভাল লাগত, চাঁদটা প্রায়ই সঙ্গে সঙ্গে থাকত। ট্রেনে ওঠার আগে একবার চাচা চৌধুরী কমিকস কিনেছি। ট্রেনে আবার বই ফেরি করছে, তো পাপা ভাল গল্পের বই কিনে দিল। তখনও গল্পের বইয়ের নেশা হয়নি, বরং বই মানে আতঙ্ক, এটাই জানতাম। তাই মুখ ব্যাজার করে ফাউ হিসাবে আরেকটা চাচা চৌধুরীর দাবি জানালাম। এবার পাপা আর দিল না। আমার রাগ হল খুব। কিন্তু কেউ যেহেতু আমার রাগের ধার ধারত না, তাই আমি রাগ হলে দেখাতাম না, গুম মেরে থাকতাম। পাপা আবার মা-মা গোছের। ট্রেনে জল খাও, খাবার খাও করেই চলেছে! আমিও সুযোগের সদ-ব্যাবহার করলাম। গোজ হয়ে বসেই আছি! পাপা পরল ফাঁপরে! শেষে পাশের প্যাসেনজাররাই দায়িত্বটা নিল।

সেবার আমরা দু-একজনরা ছাড়া পুর বগিটাই ছিল জলপাইগুড়ি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের পাশ করা ছাত্রে ভর্তি। তাদেরই একজন দাদা আমায় তাদের ওদিকে নিয়ে গেল। তারপর তাদের সাথে সাথেই কেটে গেল পুর পথ। সেই দাদাটা কত গল্প বলেছিল। একটা এখনও মনে আছে ‘মধুসূদন-দাদা’র গল্প। এত বিশ্বাস হয়েছিল যে পরীক্ষায় কিছুই চিনতে না পেরে খুব তার নাম আউরে ছিলাম, মনে আছে। আর একজন ছিল-গিটার নিয়ে টং-য়ে বসে মাথা নেড়ে নেড়ে গান করছিল সারাক্ষণ। সবাই আমায় এত্তো চকলেট দেয় ওই লোকটা ছাড়া। মনে আছে বড় বড় চুল, রোগা, লম্বা-রাগী রাগী দেখতে। পরেরদিন কলকাতার কাছাকাছি আসতেই দাদাগুলোর মুখ করুন হতে লাগল। শেষে এক এক করে নেমে যাচ্ছে, সবাই জড়িয়ে ধরছে। সেই প্রথম ছেলেদের কাঁদতে দেখি। ছোটবেলা থেকেই আমাদের একটা ধারণা ছেলেরা কাঁদে না। ফলে এত্ত বড় বড় ছেলেদের কাঁদতে দেখে খুব মজা পেয়ে জিজ্ঞেস করি- এমা! তোমরা কাঁদছ কেন! ছেলেরা আবার কাঁদে নাকি? তখন কেউ একজন বলেছিল তুমিও যখন হোস্টেল ছেরে, বন্ধুদের ছেরে চলে যাবে তখন দেখবে সবাই তোমার জন্য কাঁদবে, তুমিও বন্ধুদের জন্য দুঃখ করবে! মনে আছে সেই রাগী ক্ষেপাটে দাদাটাই সবচেয়ে বেশি দুঃখ পেয়েছিল। এর থেকে মনে হয় ছেলেরা বাইরে যতই চোটপাট করুক আসলে অনেকক্ষেত্রে মেয়েদের চেয়েও কোমল মনের হয়।

সেবার আমি এত্তো ক্যাডবেরি পাই যে কলকাতার বাড়ি-পিসির বাড়িতে সবাইকে দিয়েও হোস্টেলে অনেককে চকলেট-মুখ করাই।

আবারও বক্‌বক্‌ করতে করতে লেখাটা বড় হয়ে গেল......এতটা পড়ার জন্য আপনাকেও .......


 

সর্বশেষ এডিট : ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ২:০৪ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:১০
বড় বিলাই বলেছেন: লেখাটা বড় ছিল নাকি, পড়তে পড়তে তো খেয়ালই করিনি। আরও বড় হলেও অসুবিধা হত না। আরও লিখবেন এমন লেখা। খুব ভালো লেগেছে।
২০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:১৯

লেখক বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ ....আসলে কিছু বলতে বসলে যা হয়!......:D

আমি তো ভাবলাম আগের মত আবার বড় লেখার জন্য _ খাব...;)

২. ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:১২
সিউল রায়হান বলেছেন: বাপ্‌রে......... সেইরকম বর্ণনা....... একটানে পড়লাম...... :)


এখন উত্তর দিন:

-- বাপ্পাদা এখন কি করছেন ??

-- প্রাণীদের মাঝে এত ঘটনা কিভাবে খুঁজে পান ???


ভাল থাকবেন.......... :)
২০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ২:২৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

বাপ্পা এ্যানিমেশনের কাজ করে।

হাঃ, হাঃ...তাও তো আমার কালু-ভুলোর গল্পইতো শোন নি! ;)

একটা কাজ করতে হবে......টুপ্‌ করে তো ডুব মারলে!...এলে বোলো....

৩. ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:১৪
মে ঘ দূ ত বলেছেন: বেশ হৃষ্টপুষ্ট লেখা।

শিরোনামটা দেখে কৌতুহল জাগছিল। ঝগড়া একটা করার জন্যও প্রস্তুতও হচ্ছিলাম কিন্তু এ যে পুরোটা নিরামিষ লেখা :)। বাপ্পার ঠিকানাটা জানা থাকলে তাকে নিয়ে এই শাড়ি পরানো লেখার লিঙ্কটা দিয়ে আসতাম :P

ভালো লাগলো স্মৃতিকথা। আপনার ট্রেন ভ্রমণের আরো কিছু স্মৃতি তুলে ধরুন না?
২০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:২৬

লেখক বলেছেন: 'শিরোনামটা দেখে কৌতুহল জাগছিল। ঝগড়া একটা করার জন্যও প্রস্তুতও হচ্ছিলাম ' ....কেন!

এ যে পুরোটা নিরামিষ - হু! :-/ ....নিরামিশই ভাল......শরীর বিগড়োবে না......খুব আমিশ হচ্ছে, দেখছি! X(

হাঃ...হাঃ......বাপ্পাটা যদি দেখে না! কিলিয়ে দেবে! :D

দাড়ান!......লেখা এখনও ভালমত সড়গড়ই হল না!......অতিরিক্তও লিখছি মনে হয়.........নামকরণটাও ঠিক হয়নি বোধ হয়!

৪. ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:৩৫
চাচামিঞা বলেছেন: বিষাল লিখাটা পড়তে পড়তে শেষ হয়ে গেলো........
২০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:৪৫

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ ....:)

কিন্তু ছবিটা যেমন চাইলাম কিছুতেই হচ্ছে না! :(

৫. ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:৩৭
মে ঘ দূ ত বলেছেন: ঐটা মজা করে লিখেছি। শিরোনাম পরে ভাবছিলাম কি না কি লিখেছেন ছেলেদের নিয়ে :P। আপনার এই স্মৃতিকথার অধিকাংশ জুড়েই বাপ্পা এবং আপনার পাপা। আর কিছুটা ট্রেনের দাদাদের নিয়ে। সে অর্থে শিরোনামটা হয়তো যতাযত হয়নি।

নিরামিষ বলতে আমি বুঝাতে চেয়েছি - ঝগড়া বাধানোর মতো কিছু পাই নি :)। মুখটা লাল করার কিছু নেই এতে। হেঃ হেঃ

কিলিয়া দেয়ার জন্যই তো জানাতে চাইছি :P। ভাই-বোনের ঝগড়ার মতো মধুর কিছু নেই :D। আমার ছোটো বোন আর আমি পিঠোপিঠি। কত যে মারামারি করেছি ছোটোবেলায় দুজনে। বড় হয়েও বোনকে অনেকবার আফসুস করতে শুনেছি ভাইয়ার সাথে আগের মতো ঝগড়া করতে পারে না বলে।



২০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:৪৩

লেখক বলেছেন: হুম! নামকরণটাও ঠিক হয়নি ....কি দেওয়া যায় বলুন তো!

আমি এখনও সারাদিন বকে যাই তো!......মারামারিটা বাড়াবাড়ি হয়ে যাবে......হাত তো নয়, ‘হাথোরা!’!!! ...তুল্লেই অক্কা!......তাই দূর থেকেই তরপাই......খুব ভয়ও পায়, কিন্তু!......হুম! :)

৬. ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:৪৭
মে ঘ দূ ত বলেছেন: "দীপান্বিতার স্মৃতিকথা" দিতে পারেন। আর কারো শিরোনামের সাথে মিলে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকবেনা। :)

সামনে এই স্মৃতি থেকে আরো কিছু লেখার সম্ভাবনা থাকলে "দীপান্বিতার স্মৃতিকথা - ১" দিয়েও শুরু করতে পারেন।

২০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:৫৪

লেখক বলেছেন: বুলবুলিরটাও তো তাই......সব কেবল স্মৃতি থেকেই তো লিখছি!.....:)

কিন্তু আগে ছবির সমস্যাটা সমাধান করে দিন.........কেমন যেন লাগছে, দেখতে!......শুধু নিচেই চাই ছবিটা......

৭. ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:০২
মে ঘ দূ ত বলেছেন: আমার পোষ্টে উত্তরটা দিয়েছি। দেখুন কাজ হয় কিনা।
২০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:১৬

লেখক বলেছেন: ক্রস দেখাচ্ছে!:(( :(( :((

৮. ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:১৪
লেখাজোকা শামীম বলেছেন: চমৎকার লেখা। মনেই হল না এত বড় একটা লেখা পড়লাম। খুব ভালো লাগল। আপনি কি গল্প লেখেন ?
২০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:২০

লেখক বলেছেন: না, এই সাইডেই প্রথম বাংলায় লেখার চেষ্টা চলছে......

ধন্যবাদ ......

বলছেন!......আমি কিন্তু বহুত বক্‌বক্‌ করে যাব, এরপর থেকে! :D

২০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:২২

লেখক বলেছেন: এই লিংকটা পেস্ট করি!

১০. ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:২৫
মে ঘ দূ ত বলেছেন: না। ওভাবে হবে না

[ img | http: // imagecache5.art.com/p/LRG/20/2001/31L6D00Z/chocolate-ice-cream . jpg ]

এইবার না হলে অন্য উপায় ভাবতে হবে। উপরে আটটা স্পেস আছে। সব স্পেস হটিয়ে দেখুন হয় কিনা।

২০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:২৮

লেখক বলেছেন: দিয়েছি...দেখছি..:)

১১. ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:৩১
মে ঘ দূ ত বলেছেন: imagecache5 এর আগে একটা স্পেস এখনো রয়ে গেছে।
২০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:৩৪

লেখক বলেছেন: বাপ্‌রে! আপনি বুঝলেন কি করে!

২০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:৩৬

লেখক বলেছেন: হাঃ...হাঃ...হাঃ.....এসেছে......এসেছে! .....অনেক অনেক tnks…..মেঘদূত!!!...:)

১২. ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:৪০
মে ঘ দূ ত বলেছেন: এই তো হয়েছে :)। কিভাবে বুঝেছি তাতো ফাঁস করা যাবে না। ;)

আচ্ছা কানে কানে বলি - এই পেজের সোর্স কোডে যেয়ে লিঙ্কটাতে HTML এর স্পেসের এর কোডটা দেখেই বুঝেছি যে স্পেসটা কোথায়। বুঝাতে পেরেছি আশা করি। :)



২০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:৫১

লেখক বলেছেন: হাঃ...হাঃ! ....বুঝিনি.:|..বেশি বুঝে কাজও নেই!B:-)(বুঝিয়েও লাভ নেই, কিছুতেই ঢুকবেনা :(()......আবার সমস্যায় পরলেই, চলে যাব সাহায্য চাইতে :D

১৩. ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:৪৪
মনজুরুল হক বলেছেন:

"আমি কিন্তু বহুত বক্‌বক্‌ করে যাব, এরপর থেকে!"

বেশ। এর সূত্র ধরেই তাহলে দু'কথা বলে যাই......."সিউরী রামকৃষ্ণ মিশনে"!! যদ্দুর মনে পড়ে জায়গাটার নাম "সিঁউড়ি"। ঠিক বল্লাম কি ? আর হোলি চাইল্ড স্কুলের বড় গলিতে লুনার প্যাডেলিং!! বাপস্! ওটা তো এঁবড়ো-থেবড়ো গলি! খোঁয়া উঠে চন্দ্রপিষ্ঠ হয়ে আছে! ওখানে মপেড শেখা যায় ?

জলপাইগুড়ি, ট্রেন, ছেলেদের ভ্যাঁ ভ্যাঁ করে কান্না...সব মিলিয়ে সাবলীল বর্ণনা। আপনার লেখায় একধরণের শিশুতোষ সারল্য আছে। কাছে টানে। চলতে থাকুক। গল্পগুলোর ভেতর মাঝে মধ্যে একটুখানি টেন্স আর উমোশন পাঞ্চ করবেন, দেখবেন আপনার গল্প অনিরুদ্ধ হয়ে উঠেছে।
২০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:৫৯

লেখক বলেছেন: আরে! আপনি যে আমার দেশের লোক দেখি! :D

ওহো! সিঁউড়ি বানান ঠিক করছি…:)

'হোলি চাইল্ড স্কুলের বড় গলিতে লুনার প্যাডেলিং!! বাপস্! ওটা তো এঁবড়ো-থেবড়ো গলি! খোঁয়া উঠে চন্দ্রপিষ্ঠ হয়ে আছে!' - বুঝুন কষ্টটা! তাও আমি পারতাম না বলে পাপা খুব বক্‌তো! /:)

অনেক ধন্যবাদ....আসলে আমি মনে মনে বলে চলি আর টাইপ করি......টাইপে দেরি হয় বলে কি-বোর্ডটাকেও থাব্‌ড়ে থাব্‌ড়ে বারটা বাজাচ্ছি!......এটাও আবার বাপ্পার... ;)

খুব চেষ্টা করবো আপনার সাজেসন ফলো করার......কিন্তু কতটা সফল হবো সেটাই ভাবনার! :D

১৪. ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:৪৮
মনজুরুল হক বলেছেন: টাইপো > উমোশন > ইমোশন**
২০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ২:০১

লেখক বলেছেন: এটা কি!!!

১৫. ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ২:০৭
ড়ৎশড় বলেছেন: দিদি আপনার ভাইয়ের আর আমার নামটা কিন্তু এক।খুব আনকমন নাম আমাদের।তাই না?
২০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ২:১০

লেখক বলেছেন: হাঃ...হাঃ! তা আর বলতে!......আপনিও ‘বাপ্পা’!!!......ভাই হলেন কিন্তু!:)

১৬. ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ২:১০
মনির হাসান বলেছেন: পড়লাম ... আপনার লেখার হাত অসাধারণ ।
২০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ২:১৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ...ধন্যবাদ ...:)

১৭. ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ২:১৯
ড়ৎশড় বলেছেন: অবশ্যি দিদি।ভাই বললে আমার সৌভাগ্য মানবো।ভালো থাকবেন।
২০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ২:২৮

লেখক বলেছেন: হাঃ...হাঃ...হাঃ....! আমার সৌভাগ্য.:)..তোমাকেও বাপ্পার মতই খাটাব...ফাউ পাবে বকুনি...:D

১৮. ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ২:২১
রুবেল শাহ বলেছেন:

অসাধারন লেখনি........


====

আপনার বাড়ি কি কোলকাতায় ........

২০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ২:৩১

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ....কেমন আছেন?...আপনি তো সুন্দর আঁকেন....:)

হ্যা, এখানে থাকি...

১৯. ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ২:৫৩
আলাউদ্দিন আলো বলেছেন: চমৎকার লেখা খুবই ভাল লাগল। এই রকম লেখা আরো বড় হলেও সমস্যা নেই। চালিয়ে যান ... এই রকম আরো লেখা আশা করছি।
২০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ২:৫৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ...ধন্যবাদ .....:)

কি যে উৎসাহ পাচ্ছি!......এখন শুতে যাচ্ছি, কিন্তু খালি ভাববো এরপর কার ভান্ডা ফারবো ....হাঃ...হাঃ...হাঃ..:P

২০. ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ২:৫৮
ভেবে ভেবে বলি বলেছেন: শুধু ঐ লিপস্টিক আর শাড়ির কথা বাদ দিলে, এই লেখাটা পড়লে বাপ্পা কতই না খুশি হতো, তাই না? :)
২০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ৩:০৩

লেখক বলেছেন: হাঃ...হাঃ...হাঃ...নাম উল্লেখ দেখলেই ক্ষেপে যাবে......কিন্তু তুমি সাক্ষী, তেমন কিছু বলিনি!......সব ছোট ছেলেদেরই ছেলেবেলা মেয়ের সাজে সাজান হয়, থোড়ি তারা বোঝে! ছেলেদের কি বেশি সাজান যায়! :D

২১. ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ৩:৪৩
সোহানা মাহবুব বলেছেন: তুমি টো দেখি ছেলেবেলায় গুন্ডি ছিলে!!! ;)

লেখা ভাল লেগেছে।

শুভকামনা।
২০ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৪:২১

লেখক বলেছেন: হাঃ...হাঃ.. ...যখনের কথা লিখলাম, তখন মিচ্‌কেপোড়া ছিলাম!...;)...পরে হোস্টেলে একটু একটু গুন্ডি হই .....:P

অনেক ধন্যবাদ ....

তোমাকেও শুভকামনা ....:)

২২. ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৫:০৬
অনন্ত দিগন্ত বলেছেন: ধুর, এমন সুন্দর লেখা এত ছোট করে কেউ লেখে নাকি ? পড়া শুরু করার আগেই শেষ হয়ে গেল :(
২০ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৪:২৫

লেখক বলেছেন: হাঃ...হাঃ! এরপর এইসা বড় লেখা দেব, যা পড়তে পড়তে ঘুমিয়েই পড়বে! ;)

পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ :)

২৩. ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৭:২৭
ইমন জুবায়ের বলেছেন: এমন আরও শুনব। থামলে চলবে না।
২০ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৪:২৭

লেখক বলেছেন: আমার এলেবেলে কথা আপনিও শুনতে চান!

ধন্যবাদ ....ধন্যবাদ....মনে একটা জোস আসছে ...:)

২৪. ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৭:৩৮
ইমন জুবায়ের বলেছেন: আমাদের দেশের অনেক অনেক অনেক বড় একজন সংগীতশিল্পীর নাম কিন্তু বাপ্প মজুমদার। শুনবে নাকি ওঁর গান?

Click This Link
২০ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৪:৩০

লেখক বলেছেন: তাই নাকি! .....দেখছি......:)

২৫. ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৭:৩৯
ইমন জুবায়ের বলেছেন: সরি। বাপ্পা মজুমদার হবে।
২০ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৪

লেখক বলেছেন: ঠিক আছে!......বাপ্পাকেও শোনাতে হবে!

২০ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৫:০৫

লেখক বলেছেন: বাপ্পা মজুমদার তো খুব সুন্দর গান করেন!......খুব ভাল লাগল ....

২৬. ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৯:৫৭
সেতূ বলেছেন: চমৎকার লেখা।

ভাল লেগেছে।

শুভকামনা।
২০ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৬

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ...:)

আপনিও শুভেচ্ছা নেবেন ...:)

২৭. ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১০:১৮
জেরী বলেছেন: আগ্রহ নিয়ে পড়লাম বলে বড় মনে হয়নি:)
২০ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৪:৪০

লেখক বলেছেন: আগ্রহ নিয়ে পড়ার জন্য অনেক অনেক অনেক ধন্যবাদ .....:)

কিন্তু আমি এখনও আপনার সেই লেখাটা পড়ার অপেক্ষায় আছি...হলে বলবেন ...:)

২৮. ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১০:৩৯
বৃত্তবন্দী বলেছেন: এইটুকু লেখা? পড়তে পড়তেই শেষ হয়ে গেলো যে :(
২০ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৪:৪২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ....ধন্যবাদ....হাঃ...হাঃ...হাঃ..এর পরেরটা বিশাল হবে......:)

২০ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৪:৫০

লেখক বলেছেন: বাঃ...এটা খুব ভাল সাইট দিলেন তো......ধন্যবাদ ...:)

৩০. ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১০:৫৫
কাব্য বলেছেন:
এতো বড় লেখা :((
এইডারে রেকর্ড কইরা নেটে আপলোডাইয়েন।ডাউনলোড কইরা ফরমুনে ;)
২০ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৪:৫৪

লেখক বলেছেন: হুই! খুব যে আনন্দ দেখি!..:-*

...পড়া হয়েছে তো!....:)

বাঃ! চেহারাটাও বেশ লাগছে ....;)

৩১. ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১০:৫৯
ওসমানজি২ বলেছেন: বাহ, পড়তে পড়তে ছোটবেলায় চলে গিয়েছিলাম। ধন্যবাদ আপনাকে টাইম মেশিনে চড়িয়ে ছোটবেলায় নিয়ে যাওয়ার জন্যে।
২০ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৪:৫৭

লেখক বলেছেন: আপনাকেও অসংখ্য ধন্যবাদ ......

সত্যি! ছেলেবেলাটা কি দুর্দান্ত সময় ছিল, তাই না!

৩২. ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১১:০৯
কাব্য বলেছেন:
এতো বড় লেখা :((
এইডারে রেকর্ড কইরা নেটে আপলোডাইয়েন।ডাউনলোড কইরা শুনমুনে ;)
২০ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৫:০০

লেখক বলেছেন: হুম্‌! আপনারে হোম ওয়ার্ক দিলাম......এইডারে রেকর্ড কইরা নেটে আপলোডাইয়েন।ডাউনলোড কইরা 'আমি' শুনমুনে...:P

৩৩. ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১১:৩০
ভাঙ্গন বলেছেন: আপনাদের পরিবারের এত পশুপাখি প্রেম!
বাপ্রের্হ!
২০ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৫:০২

লেখক বলেছেন: আপনার ছবি দেখে তো আমার আপনাকেও তাই লাগে ...:)

৩৪. ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৪
তাজা কলম বলেছেন: খুবই ভাল লাগলো। এমন সুন্দর উপস্থাপনায় স্মৃতির ঝোলা থেকে কাহিনীগুলো সাজিয়েছেন যে ভাল ণা লেগে কি উপায় আছে। '"আমার চোখে ছেলেরা" শিরোনামটিও বেশ হয়েছে। ++
২০ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৫:০৪

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ .....:)

সত্যি! শিরোনাম ঠিক আছে তো! একটু চিন্তায় ছিলাম......এটাই রাখছি তা’লে!

৩৫. ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১:০১
শাওন৩৫০৪ বলেছেন: ওয়াও, আপনে যে রীতিমত গল্পকার...অদ্ভুত টোনের লেখা..ঐপাড়ের গন্ধটা পুরাপুরি পাইলাম...
প্রিয়তে রাখতে হইলো পোষ্ট টা...
২০ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৫:১৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ...ধন্যবাদ...অসংখ্য ধন্যবাদ.....

সবার ভাল লাগছে শুনে কি যে ভাল লাগছে, কি বলবো....:)

৩৬. ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ২:৩৭
সিউল রায়হান বলেছেন: ছবি দিতে পেরেছেন তো :) কনগ্রাটস

আরো একটা সহজ উপায় আছে........ আপনি ছবি দেয়ার পরে যখন পোস্টে ইনসার্ট করুন এ ক্লিক করবেন তখন দেখবেন নিচের লাইনটার মত একটা লাইন আপনার ব্লগে সংযুক্ত হয়ে গেছে....... ( thumbs এর পরের অংশটুকুন আলাদা হবে আপনার পোস্টে )




এখানে images/ এর পর thumbs লিখাটা মুছে দিবেন তাহলে নিচেও ছোট করে যে ছবিটা আসে সেটা আর আসবে না.... ফলে মুছে দেয়ার পর লিংকটা এমন হবে :



লাল অংশটায় দেখুন thumbs শব্দটা মুছে দিয়েছি.......

মনে রাখবেন এর পরে thumbs শব্দটার পরের / চিহ্নটা কিন্তু মুছবেন না...... শুধু শব্দটা মুছে দিবেন....... আশা করি আর সমস্যা হবে না :D

২০ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৫:৩৫

লেখক বলেছেন: হ্যা, এটা বহুত মারামারি করে হল!.:D.....কিন্তু সেই প্রফাইলের হেডিং, না কি বলেছিলে! সেটা কি করে ক’রে!

৩৭. ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৪:২৯
রুবেল শাহ বলেছেন:

আমি সুন্দর আঁকি এই কথাটা এদম আজাইরা.......


২০ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৫:৪০

লেখক বলেছেন: আজাইরা মানে কি?......সত্যি আপনার কার্টুন-ইমোসনগুলো খুব ভাল লেগেছিল!

৩৮. ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৪:৫৩
পুরাতন বলেছেন: কাব্য বলেছেন: এতো বড় লেখা :((
এইডারে রেকর্ড কইরা নেটে আপলোডাইয়েন।ডাউনলোড কইরা শুনমুনে ;)
২০ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৫:৪২

লেখক বলেছেন: ;)....:)

৩৯. ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৫:০৫
আহমেদ রাকিব বলেছেন: জেরী বলেছেন: আগ্রহ নিয়ে পড়লাম বলে বড় মনে হয়নি

শাওন৩৫০৪ বলেছেন: ওয়াও, আপনে যে রীতিমত গল্পকার...অদ্ভুত টোনের লেখা..ঐপাড়ের গন্ধটা পুরাপুরি পাইলাম...
প্রিয়তে রাখতে হইলো পোষ্ট টা...
--------------------------------------------------------------------
ভাল্লাগছে। :)
২০ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৫:৪৩

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ...:)

৪০. ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৫:০৫
জেরী বলেছেন: লিখবো........কিন্তু আলসেমি লাগে যে:(
২০ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৫:৪৪

লেখক বলেছেন: না...না! আলসেমি ঝেরে লিখে ফেলুন..:)

২০ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৫:৪৫

লেখক বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ

২০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ৮:০৩

লেখক বলেছেন: ইস্‌! দেখেই আমার পাহাড়ে খুব ঘুরতে যেতে ইচ্ছে করছে!!!

৪৩. ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ৮:৩০
স্রাফা বলেছেন: আর ইউ সেইম দিপান্বীতা হু লিভস ইন ব্যাঙ্গালোর??
দীপান্বীতা রায়??

য়েকচুয়ালি আইয়েম পাজলড উইথ ইউ টু..:(:(
প্লিজ মেইক ইট ক্লিয়ার।
২০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ৮:৩৯

লেখক বলেছেন: না...না...আমি সে নই তো!...আমি কলকাতায় থাকি.....:)

৪৪. ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ৮:৩১
স্রাফা বলেছেন: অপস সরি নট দিপান্বীতা রায় "সরকার"।
২০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ৮:৪০

লেখক বলেছেন: ঠিক আছে...আপনি ব্যাঙ্গালোরে থাকেন?

২০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১০:২০

লেখক বলেছেন: অনেকটা আমাদের কালীঘাটের গঙ্গার মত লাগল.....

ধন্যবাদ ...:)

৪৬. ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ৮:৪৯
পাথুরে বলেছেন: হল লাইফ টা আমার জীবনের অন্যতম স্মৃতি। রাতজাগা পার্টি ছিলাম আমরা কজন। আড্ডা দিয়েই রাত কাবার।
মন খারাপ হয়ে গেল....
২০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১০:১৬

লেখক বলেছেন: সেই তো!.....ক’জন পারে আপনার মত সুন্দরভাবে জীবনকে উপভোগ করতে!......মন খারাপ করবেন না একদম!....:)

২০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:৫০

লেখক বলেছেন: হাঃ...হাঃ...আপনি ঠিক জেনেছেন!...এটার কথা খুব শুনছি!!......আরেকটা উপকার করুন না!......সেই আরেক দীপান্বিতার লেখা কি করে বার করব!

৪৮. ২১ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:১৩
তারার হাসি বলেছেন:
বকবক করতে গিয়ে বড় হয়ে গেলেও একটুও বড় মনে হয়নি, এমন বকবক আরো করতে থাকুন দিপা।
২১ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:২০

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ, তারার হাসি! ....আপনার নামটা বারবার উচ্চারণ করতে খুব ভাল লাগে ...:)

৪৯. ২১ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:৫২
সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন:
খুব ভালো লাগলো দীপা.....সাতকাহনের জলপাইগুড়ির দীপাবলী একসময় মাথায় ঘুরপাক খেতো............
তুমিও দেখি তেমনি ভাবাচ্ছা...........

খুব ভালো লাগছে তোমার লেখা.......
চলুক।
আর স্মৃতিতে ঘুরপাক খাই।

শুভেচ্ছা রইলো।
২১ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:১৪

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ, সাজি!

আমার পড়াশোনা খুবই কম!......একটু হেল্প করবেন! ..... সাতকাহনের লিংক পারলে দেবেন!......

আপনার জন্যেও অনেক শুভকামনা...

২১ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:১৬

লেখক বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ....:)

আপনিতো বড় লেখা পড়তেই চান না!

৫১. ২১ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:০৪
আকাশ অম্বর বলেছেন:

এইরকম 'বক্‌বক্‌' পড়ার সুযোগ আরো চাই !!

'কারণ হয়ত ছেলেরা বেশি প্রকাশ করতে পারে না, মেয়েদের মত।' - হুম! বিশেষজ্ঞ মনে হচ্ছে! :P
২১ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:০৯

লেখক বলেছেন: হাঃ...হাঃ...হাঃ....:D

হতেও তো পারি! বাঃ, চারপাশটা দেখছি না, বুঝি!......

তারপর, নতুন ছবিওয়ালা পোস্ট নেই কেন!

২১ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:৩২

লেখক বলেছেন: হুম মানেটা কি! :D......কেমন লাগল!

৫৩. ২১ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:৪৪
বিপ্লব কান্তি বলেছেন: স্মৃতিকথা ভালোই লাগল,

আমার ছোটবেলা কেটেছিলো এক পরিত্যক্ত বিশাল বড় জঙ্গলে পূর্ন জমিদার বাড়িতে, ১৯৫০ সালের জমিদারি ভেঙ্গে যাওয়ার পরে আমাদের গোষ্টির সবাই হিন্দুস্হান (ভারত) চলে যান, আমার দাদা দেশ ছেড়ে যাবেন না, তাই একাই থাকেন,

ছোটবেলা আমার কেটেছে জমিদার পত্নি আমার ঠাকুমার খবরদারিতে। পড়াশুনা আর বাড়ির বাগান থেকে পূজার ফুল তুলা পর্যন্ত ছিলো আমার কাজ, স্কুলে কারো সাথে লাগালাগি বা মারামারি এসব কল্পনা বাইরে ছিল আমার জন্য, কারন জমিদার বাড়ির মানুষ হিসেবে সবাই প্রান ভরে আমাদের সাথে মিশত না। ভয় পেত। ছোটবেলায় বাড়ির বাইরে বা স্কুলে খেলাধুলা ও তেমন করিনি, সাবেক প্রজাদের পায়ের সাথে পা লাগার ভয় ছিল, তবে একটু বড় হয়ে এমন খেলাধুলা করেছি যে সব পুষিয়ে গেছে :)
২১ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ২:১৯

লেখক বলেছেন: হ্যা, আগেও একবার আপনার ঠাকুমার গল্প অল্প বলেছিলেন.....সময় করে লিখুন না, আপনার ছেলেবেলার কথা, আমরা সবাই পড়ব!:)

৫৪. ২১ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৭:০৮
ইমন জুবায়ের বলেছেন: সমরেশ মজুমদার এর উত্তরাধিকার উপন্যাসের লিঙ্ক (২ পর্বে): এতে জলপাইগুঁড়ির কথা রয়েছে ...

Click This Link
২১ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ২:১৪

লেখক বলেছেন: দু’টোই ডাউনলোডে বসিয়েছি.....:) .....অনেক অনেক ধন্যবাদ....

২১ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ২:১০

লেখক বলেছেন: TNKS ...TNKS ...:)

২১ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১০:৩৭

লেখক বলেছেন: ইমনভাই আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ...... ‘সাতকাহন’ পড়ছি, (যদিও খুব লোডসেডং চলছে) আর স্মৃতির পর্দা যেন উঠে যাচ্ছে......কত কিছু মনে পরছে!...সবচেয়ে বেশি কতবন্ধুরা!...কত সুন্দর সুন্দর মূহুর্ত......জলপাইগুড়ি বলতে খালি আমার বাড়ি আর তার চারপাশের প্রকৃতি মনে আসে, আজ কত্ত মানুষজন উঁকি মারছে!......খুব ভাল লাগছে...

সুলতানা শিরীন সাজিকেও ধন্যবাদ.....

৫৬. ২১ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ২:২৪
জটিল বলেছেন: চমৎকার সাবলীল লেখা রে , অনেক ভাললাগা রইল
২১ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৩:৩১

লেখক বলেছেন: পড়লেন তা’লে! .....ধন্যবাদ ....ধন্যবাদ ......:)

লোডসেডিং যা চলছে!!!.....

৫৭. ২১ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ২:৩১
সামছা আকিদা জাহান বলেছেন: এক টানে পড়ে গেলাম। ভালো লাগল খুব।
২১ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৩

লেখক বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ...:)

৫৮. ২১ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৫:৩৬
গোয়েবলস বলেছেন: ছেলেরা আবার কাঁদে নাকি?/:)
কাদে কাদে ;) ;)
২১ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৫:৪৭

লেখক বলেছেন: হাঃ...হাঃ...হাঃ....;)


না:!......কাঁদে নিশ্চয়ই!......তবে প্রকাশ করে না......

২২ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৩:৪৭

লেখক বলেছেন: Okay! .....

কি খবর, কবি-ছন্দা!......কেমন আছ?

৬০. ২২ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ২:২০
সিউল রায়হান বলেছেন: টাইটেল দিয়েছেন তো, চমৎকার হয়েছে :)
২২ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৩:৪৮

লেখক বলেছেন: এত সোজা!...আগে লক্ষ্যই করি নি! :)

২২ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৩:৫২

লেখক বলেছেন: ডাউনলোড করছি ....

২২ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৪:০৬

লেখক বলেছেন: খুব খুব ভাল লাগল ....:)

৬২. ২২ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৩:৫০
সবাক বলেছেন:
আমি কিন্তুক ভুই পাইছি :(
২২ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৪:০৮

লেখক বলেছেন: কেন!...কি হল!......মন খারাপ করে দিলাম নাকি! :((

২২ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৫:৪১

লেখক বলেছেন: ডাউনলোডে দিয়েছি ....

২২ শে আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০১

লেখক বলেছেন: মাঝরাতে চাঁদ ডুবে গেলে, ঘুমের ঘোরে,
তোমার আলোটুকুর দিকে চেয়ে হাঁটছি।

.....খুব ভাল লাগল কথাটা....

জনের গলাটা এখানে আগের চেয়ে বেশ স্পষ্ট শোনা গেল ও বোঝা গেল.........

দু’জনকেই অনেক ধন্যবাদ জানাই ....:)

৬৪. ২২ শে আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০৪
পারভেজ বলেছেন: বকবকানি ভালো লাগলো :)
২২ শে আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০৭

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ....:)

২৩ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১০:১১

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ......পোস্টটা দেখলাম...অনেক তথ্য পেলাম ব্ল্যাক সম্পর্কে, ভাল লাগল..:).................অনেক সমালোচনাও হচ্ছে......এটা ভাল লক্ষণ......যত আলোচনা হবে, ত্রুটিগুলো ঠিক করে নিতে ততোই সুবিধে!

৬৬. ২৩ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১০:২১
মুক্ত বয়ান বলেছেন: চকলেট না ভেনিলা আইসক্রিম দেন।
২৩ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১০:২৫

লেখক বলেছেন: হাঃ...হাঃ...হাঃ.....ওটা তো এবার আমার পাওনা!...আপনি পাঠান...;)

৬৭. ২৩ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১০:৩০
মুক্ত বয়ান বলেছেন: কিল্লিগা!!!
আপনের লেখা পর্লাম। ভাইয়ার খরগোশের জন্য সমব্যথি হইলাম!!! এরপর আপনের জন্য আইসক্রিমও পাঠাইতে হইব!!!
খাইয়া-দাইয়া কাম নাই!!! /:)
২৩ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১০:৪১

লেখক বলেছেন: বাঃ! নয় কেন!......অত্ত কষ্ট করলেন তাই চকলেট আইসক্রীমটা তো দিলাম.........দেখলাম খেলেন!..:D ........আর আরাম পেলেন তাই...! .....ঠিক আছে, আপনাকে দিতে হবে না...আমি দু’টো কিনে খেয়ে নিলাম! :)

৬৮. ২৩ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১০:৫৭
মুক্ত বয়ান বলেছেন: পুরাই ফাউল!!! খাইলেন তো খাইলেন!!! তাও দুইটা!! তার উপ্রে আবার বললেন ও!!!
মাইনাস!!! /:)
২৩ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:০৮

লেখক বলেছেন: বাঃ! একটা তো বেশি আপনার জন্য খেতে বাধ্য হলাম! :((........(:P)

৬৯. ২৩ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:০৩
অমিত০৯৭ বলেছেন: খুব ভালো লাগলো। আরও লিখুন।
২৩ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:১১

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ......ভাবছি, কি লিখি!

৭০. ২৪ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১:২৫
তাজা কলম বলেছেন: নতুন লেখার খোজেঁ এসেছিলাম, দু:খ নিয়ে ফিরে গেলাম।
২৪ শে আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০১

লেখক বলেছেন: দুঃখ করবেন না, প্লিস্‌! বরং আইডিয়া দিন ...............আমি তো তেমন লিখি না!...৫০ নম্বর পোস্ট হবে দেখছি! ...দেখি! লেখার চেষ্টায় আছি......

২৪ শে আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫০

লেখক বলেছেন: খুব লোডসেডিং চলছে এখানে :(( ......অপ্‌সরা দুর্দান্ত করেছে.....:)

২৪ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ৮:১১

লেখক বলেছেন: খুব উপকার করলেন.....অনেক ধন্যবাদ ....:) .....(আপনাদের রমজান শুরু হয়ে গেছে!)

৭৩. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২০
মে ঘ দূ ত বলেছেন: কি খবর দীপ (সোহানা মাহবুব একাই এই নাম ডাকার অধিকার পাবে তাতো হবে না)?। নতুন কোনো পোষ্ট নেই যে?

২৫ শে আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩১

লেখক বলেছেন: আরে! শুনুন! কাল একটা ফিল্ম দেখলাম আর আপনার কথাই মনে হল। দেখেছেন এটা!


আরে হ্যা...হ্যা, ডাকুন না! দীপ এর চেয়ে দিপা ভাল .....;)


নতুন পোস্টের কথা আর বলবেন না! পেল্লাস সাইজের হচ্ছে...পড়তে পড়তে লাফিয়ে এসে গুম গুম করে মাথাটা ঠুকে দিতেও ইচ্ছে হতে পারে :((:((:((

৭৪. ২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:০৭
মে ঘ দূ ত বলেছেন: কোন দেশী মুভি এটা? দেখেছি বলেতো মনে পরে না।

ঠিক আছে। দিপায় সয়। আপনাকে বাসায় এই নামেই ডাকে নাকি? নামটা পড়ে হঠাৎ "দীপ জ্বেলে যায়" মুভিটার কথা মনে পরে গেল। :)

পেল্লায় হলেতো ভালো। আপনার এই পোষ্ট পরেতো অনেককে অনুযোগ করতে দেখলাম তাড়াতাড়ি শেষ হয়ে গেছে বলে। নতুন পোষ্টটা আশা করি তাদের সে অনুযোগ মেটাবে।
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:৩৭

লেখক বলেছেন: এটা থাই ফিল্ম...টিভিতে দিল...নাম ‘my girl-thai’... একটি বাচ্চাছেলের ছেলেবেলার কিছু স্মৃতি......খুব সুন্দর!


না, এটা আমার ডাক নাম নয়। কিন্তু বলবো না। আপনারা কেউ নিজের নাম দেন না। এতদিনে বুঝেছি। :(

যতটা বলবো ভেবেছিলাম তাতে দেখছি মহাভারত হয়ে যাবে! তাই পার্টওয়াইস নামাবো ভাবচ্ছি!..;)....(কি একেবারে লিখছি তার ঠিক নেই! :D)

২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:৪৪

লেখক বলেছেন: হুই!....:)....এত্তোদিন কোথায় যাওয়া হয়ে ছিল!...কি কি নতুন গান শোনা হল!

২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:৫৫

লেখক বলেছেন: বাঃ!

২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১:২৯

লেখক বলেছেন: TT...:)

৭৮. ২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১:৩১
ভাঙ্গন বলেছেন: ওইই...ডিডি মানে দিদি!
কিন্তুক টিটি মানে কি? টিকেট কালেক্টর?
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১:৩৭

লেখক বলেছেন: হাঃ...হাঃ....! স্লিপ করে টাইপ হল......মানেটা তাই নাকি!!!

২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১:৫১

লেখক বলেছেন: হাঃ...হাঃ...হাঃ.....:)

৮০. ২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৮:৩৬
ফেরারী পাখি বলেছেন: দীপু অনেক দেরীতে হলেও আপনার সুন্দর লেখাটা পড়লাম। সত্যিই খুব ভালো লাগলো। কত স্মৃতি আপনার! সাজি আপুর কথাই ঠিক-- আপনার জীবন-যাপনে অনেকটা সাত কাহন স্টাইল।

লিখতে তাকুন। শুভ কামনা রইল।
২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১২:৩৮

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ...

হ্যা! আমার এখন লিখতে বসে দেখছি খুব মজার মজার স্মৃতি আছে......কেউ যে সে সব কোনদিন শুনবে তাই-ই ভাবিনি! আপনারা পড়ছেন, আমার যে কি ভাল লাগছে! ...:)

আপনিও আমার অনেক শুভ কামনা নেবেন ....

৮১. ২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১২:৪২
নির্ঝরিনী বলেছেন: বাহ!! আপনি তো দারুন লেখেন...
এক নিঃশ্বাসে পড়ে ফেললাম...ভালো লাগা জানবেন...
+++
২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ...ধন্যবাদ...:``>>

আপনি যা দারুন সন্দেশ শেখালেন! আমার রান্নাবান্নায় খুব আলিস্যি লাগে......খেতে আবার খুব ভালবাসি .....:)

৮২. ৩০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:২৫
সৌরভ সাখাওয়াত বলেছেন: আপনি তো খুব সুন্দর লেখেন !
আজই আপনার ব্লগে এলাম। খুব ভালো লাগলো।
৩০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:৩৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ...ধন্যবাদ...........স্বাগতম্‌....:)

৩১ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:০৩

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ...

৮৪. ০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১:০৬
বাবুনি সুপ্তি বলেছেন: ইশ !!! ছোট্ট গুলি কত্ত তাড়া তাড়ি বড় হয়ে যায়!!!! আমার পিচ্চি ভাই টাও দেখতে দেখতে ৬ এ উঠে গেছে। আর কিছু দিন পর হয়ত আমার থেকেও লম্বা হয়ে যাবে!!!! কত পিচ্চি পিচ্চি পা ছিল ওর!!! মনে পরে গেল। ছেলেদের আমিও কাদতে দেখিনি। কিন্তু আমার ভাইয়ের কথা আলাদা। ওকে তো প্রতি দিন দেখি কাদতে :P এখনও কান্নার ব্যপারে পিচ্চিই রয়ে গেল। !!!! ice cream এর জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ। :)
০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:০২

লেখক বলেছেন: আরে! আপনার ভাই এত ছোট্ট! তার মানে আপনিও খুব বেশি বড় নন!!!!

তাই আরেকটা আপনার


আর আপনার পিচ্চি ভাই-এর জন্য

০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:০২

লেখক বলেছেন: It’s my pleasure! :)

৮৬. ২৩ শে জুন, ২০১০ রাত ১:২২
সুরঞ্জনা বলেছেন: ছোটবেলায় আমি ছিলাম খুব ডাকাবুকো টাইপের। ভাইয়া আমার দুবছরের বড় হলেও খুব লাজুক আর শান্ত ছিলো। সবাই মনে করতো আমিই বড়। তোমার লেখা খুব ভাল লাগল দীপা।
২৩ শে জুন, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:২৪

লেখক বলেছেন: আমিও ছোটতে একটু একটু সাহসী ছিলাম...আমার ভাই আবার উল্টো! ...এখন আবার আমায় ওর বোন ভাবে সবাই! :D

 

মোট সময় লেগেছে ১.০১৯৪ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই