আমার প্রিয় পোস্ট
- জগজিত সিং এর অমর কীর্তি - ৭৬ টি এ্যালবাম একসাথে (আমার আপলোড করা) - কবির চৌধুরী
- বাংলায় পর্তুগীজ জাতি - ইমন জুবায়ের
- মা - দীপান্বিতা
- ব্লগার দীপান্বিতার - কথাচ্ছলে মহাভারত- সমগ্র - যাযাবরমন
- যদিদং হৃদয়ং তব, তদিদং হৃদয়ং মম ..... - দীপান্বিতা
- বব মার্লের জীবনের শেষ কিছু সময় - (সাথে সবকটি গান ডাউনলোড লিংক) - কবির চৌধুরী
- ভবঘুরে থেকে করপোরেট সম্রাট - মোঃ সিরাজুল হক
- এক অসাধারণ জীবনকথা ..স্টিভ জবস– অ্যাপেল কম্পিউটারের প্রতিষ্ঠাতা - হিমূ
- স্টিভেন পল জবস্ : বিশ্ব প্রযুক্তির এ মহানায়কের প্রতি সামহোয়্যার পরিবারের শ্রদ্ধার্ঘ : বিদায় বন্ধু... যেখানেই থাকো, ভালো থেকো... - আমিই রাকিব
- আট বছর ধরে পৃথিবী ঘুরে বেড়িয়ে যে উনত্রিশটি শিক্ষা আমি পেয়েছি - ২ - বিলাশ বিডি
- শুভ জন্মদিন, প্রিয় কবি নির্মলেন্দু গুন (প্রিয় কবিতা সংকলন) - আশরাফুল ইসলাম দূর্জয়
- চর্বি কমাতে পারে বৈশাখের এমন ১৩টি খাবার - সোহরাব সুমন
- মানুষ ভ্যান গগ - ইমন জুবায়ের
- মাতৃভাষা আন্দোলনের সেই সব সূর্যসন্তানেরা...... - রেজোওয়ানা
- গল্পঃ সুখ - শেখ আমিনুল ইসলাম
- ঠাকুরের বেটার ছিন্নপত্র ও ইন্দিরা দেবীঃ একটি ছবি ব্লগ - সেলিম তাহের
- এনিগমার The Child In Us ... ব্যাখ্যা -বিশ্লেষন ... - ইমন জুবায়ের
- একটি আপেল গাছের গল্প - সিস্টেম
- ফেরদৌসির শাহনামা: ইসলামপূর্ব পারস্যের লোককথা এবং ইতিহাস-১মপর্ব - নির্ঝর নৈঃশব্দ্য-২
- ~ দার্জিলিং ~ - তারার হাসি
- আমার বিড়ালের কথা............. - সোহরাব সুমন
- কোন রকমে টিকে থাকা শেষ, বেঁচে থাকার শুরু.... - একলোটন
- নেহেরু, শ্যামাপ্রসাদ, গান্ধী, এলিজাবেথ, বুলগানিন, ক্রুশ্চেভ ... - ছায়া দে
- অজানা আমাজন অরন্য... - জর্জিস
- ভয়ঙ্কর এক সংখ্যার জন্ম, নিষ্ঠুর এক খুনের গল্প (২) - ম্যাভেরিক
- Hachiko-A dogs true story. - জামিল আনসার
- গাহি সাম্যের গান - আকাশ অম্বর
- জন হেনরীর হাতুড়ি: "আমি মেশিনের হবো প্রতিদ্বন্দ্বী" - নাস্তিকের ধর্মকথা
- জ্ঞান-বিজ্ঞানের রাজ্যে মুসলমানঃ উত্থান ও পতন পর্ব-৩ - তায়েফ আহমাদ
- বোধ - জীবনের নতুন মানে - বিলাশ বিডি
- এক কিশোরের চোখে মুক্তিযুদ্ধের অমলিন স্মৃতি < ২১ > সেই রাতে যেন কেয়ামত নেমে এসেছিল - মনজুরুল হক
- স্যার জগদীশচন্দ্র বসুর জন্মতীথিতেঃ ছাত্রসমাজের প্রতি জগদীশচন্দ্র বসু - ভিন্ন চিন্তা
- শিল্পী এস এম সুলতান ও ভিনসেন্ট ভ্যান গঘঃ জীবন কারিগর - নাস্তিকের ধর্মকথা
- পছন্দের কিছু গজল - জগজিৎ সিং - মে ঘ দূ ত
- বঙ্গে শ্রীরাধার ক্রমবিকাশ প্রসংগে কিছু তথ্য - কুঙ্গ থাঙ
- বব ডিলানের একটি গান: দি টাইমস দে আর আ-চেঞ্জিং - ইমন জুবায়ের
- Raju Uncle 2d Animation - বাপ্পা dipson
- দান্তে'র প্রার্থনা (দিদিকে) - আকাশ অম্বর
- অন সান সু কিঃ বিবেকের বন্দী দুত - সুফিয়ান ডট কম
- সত্যজিৎ রায় - ২ - মে ঘ দূ ত
- পুরুষতান্ত্রিকতার ধ্বজভঙ্গ সমাজতত্ত্বঃ “নারীর ইজ্জতই তার প্রধান সম্বল” - মনির হাসান
- কাঞ্চনজংঘা ----- (অঞ্জন দত্ত) - বিষাক্ত মানুষ
- আমার পাপা - দীপান্বিতা
- মা দিবস শুরুর ইতিহাস ও মা-হারাদের জন্য একটি গান। - বিপ্লব কান্তি
দাদুর ডায়রী থেকে
২২ শে এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৫:৫০
![]()
"আমাদের প্রকৃত জমিদারী খানাকুল কৃষ্ণনগর, জেলা হুগলী।
জমিদারীর একভাগ যায় মিদনাপুর(মেদিনীপুর) আর আরেক ভাগ আমাদের খানাকুল।
আমাদের পূর্ব পুরুষ কলকাতায় কালীঘাটে এসে ওঠেন।
8, Hazra Rd. (Late Sarat ch. Sinha’s fore fathers) এবং 91 Beltolla Rd. (my ancestors) যেখানে আমার (সমরচন্দ্র সিংহ) জন্ম হয়।
আমার ঠাকুরদা ঁগিরীশচন্দ্র সিংহ, আমি যখন শিশু তখন বৃদ্ধ বয়সে মারা যান। তিনি খুবই স্বাস্থ্যবান, গৌরবর্ণ এবং সু-পুরুষ ছিলেন।
আমার ঠাকু’মা ঁনিমাইবালা দেবী খুব সুন্দরী এবং গৌরবর্ণা মহিয়সী মহিলা ছিলেন। খুব ছেলেবেলার স্মৃতিকথায় আমার তাঁকে মনে পরে, তিনি খুবই সাত্ত্বিক বৃদ্ধা ছিলেন। তাঁর ঠাকুর ঘর নানান হিন্দু দেব-দেবীর ছবিতে পূর্ণ ছিল। আমাদের পরিবারের কাছে সে ঘরটি অতি পবিত্র ছিল।
আমি স্মৃতিতে তাঁকে দেখতে পাই, তিনি লাল শাড়ি পরতেন। অনেক রুদ্রাক্ষের মালা এবং কঙ্কণ আর উপর বাহুতে অনন্ত পরতেন (সোনা-রূপার গহনা তিনি পরতেন না)। বিভিন্ন আকারের মন্ত্রপূত কবচ(ছোট থেকে বিশাল বড় ২” পর্যন্ত!) তাঁর গলায় এবং উপর বাহুতে ঝুলত। ঠাকু’মার চুল সাদা ছিল। তাঁর চওড়া সিঁথে লাল সিঁদুরে আবৃত থাকত এবং সেই সঙ্গে একটি বিশাল বড় গোল সিঁদুরের টিপ তাঁর প্রশস্ত কপালে উজ্জ্বল ভাবে অবস্থান করত, তান্ত্রিকদের মত।
আমার খুব আব্ছা মনে পরে বেলতলায় আমাদের এলাকার প্রতিবেশীরা অসুস্থ হলে ঠাকুমার কাছে মন্ত্রপূত কবচ এবং প্রসাদ নিতে আসতেন। তিনি এভাবে ওসুধ প্রয়োগে সফল এবং জনপ্রিয় ছিলেন। তিনি খুব সাত্ত্বিক আহার গ্রহণ করতেন। ঠাকুরদা বেঁচে থাকলেও তিনি সম্পূর্ণ নিরামিশ ভোজন করতেন।
আমি জানতাম অল্পবয়সে তিনি স্বাস্থ্যবতী ও দৃঢচিত্তের অধিকারিনীও ছিলেন। কৈশরে আমি আমার কাকির(ঁপ্রকাশচন্দ্রের স্ত্রী) কাছে শুনেছি এবং দেখেওছি আমার বাবাও যুবা বয়সে আসাধারণ শক্তিও স্বাস্থ্যের অধিকারী ছিলেন।
আমার ঠাকুরদা যদিও B.A. পাশ করা হাইকোর্টের অনুবাদক ছিলেন, তবু তিনি ব্যক্তিগত ব্যবসার জন্য প্রায়ই বিহার, উত্তরপ্রদেশ যেতেন। তাঁর ঘি ও মাখন সরবরাহের ব্যবসা ছিল। তাঁর ব্যবসায় ক্রমাগত লোকসান চলছিল। এ কারণে তাঁকে কিছুকাল বহুদিন কলকাতার বাসা ছেড়ে বিহারে অবস্থান করতে হয়।
আমার ঠাকুমাকে বরাবর দারিদ্রের ভিতর সংসার চালাতে হয়। তখন তিনি তিন পুত্র ও দুই কন্যার জননী। একসময় শোচনীয় দারিদ্র তাঁকে বেলতলার বাড়ি ছেড়ে পাঁচ পুত্র-কন্যাকে নিয়ে আমাদের পূর্বপুরুষের ভিটে খানাকুলে যাত্রা করতে হয়। সে যুগে এই যাত্রা ছিল অতি দুরুহ(আনুমানিক ১৯০০ খ্রীঃ)। ট্রেনও গরুর গাড়িতে করে আমতা পর্যন্ত গিয়ে তারপর নৌকায় যাত্রা করতে হয়। তারপর ৫-৭ মাইল(বেশিতো কম না!) হাঁটাপথ, যা দুর্গম কাঁচা রাস্তা।
আমার ঠাকুমা তখন খুবই স্বাস্থ্যবতী, কিছুটা স্থূলা। কিছু মাইল চলার পর প্রচন্ড গ্রীষ্মের তাপে(সময়টা বৈশাখ অথবা জ্যৈষ্ঠ) তিনি অসম্ভব মানসিক ও শারীরিক ক্লান্তিতে ভেঙ্গে পরেন। তার উপর এত পথ হাঁটায় তাঁর দুই উরু ঘর্ষণে যন্ত্রণাদায়ক হয়ে ওঠে। এই অবর্ণনীয় কষ্ট, অসম্ভব পথ পরিশ্রম তাঁকে ক্লান্তির শেষ সীমায় উপনিত করল। এর সাথে ছিল বহুক্ষণ অনাহার। মূর্ছা যাওয়ার মত তাঁর অবস্থা হল। তবু তিনি সব কিছু অগ্রাহ্য করে আবার চলতে শুরু করলেন। তাঁর সবচেয়ে ছোট শিশু পুত্র ও কন্যাটি ক্ষুধা ও কষ্টে সারাপথ কেঁদে চললো।
এইরূপ অবস্থায় আমার পিতা তাঁর সবচেয়ে ছোট ভাই এবং বোনকে দুই কাঁধে বসিয়ে নিলেন এবং আর একজনকে কোমড়ে বেঁধে নিলেন। তারপর মার কষ্ট দেখে তাঁকে কোলে তুলে নিলেন। সঙ্গে এক ভাই থেকে গেল। এভাবে আবার যাত্রা শুরু হল। ধিরে ধিরে তারা ক্রমশ গন্তব্যস্থলের দিকে অগ্রসর হতে থাকলেন। যখন নিজেরদের গ্রামে প্রবেশ করলেন তখন পুর অঞ্চলকে যেন এক কঠিন অন্ধকার গ্রাস করে নিয়েছে।
কিন্তু এত পরিশ্রম করে গভীর রাতে যখন তারা নিজের ভিটেতে পৌঁছতে সক্ষম হলেন তখন দুর্ভাগ্যবশত খাদ্য বা অর্থ – কোন রূপ সাহায্য না দিয়েই তাদের বিতাড়িত করা হল। আসলে তখন আমার ঠাকুরদার সঙ্গে এক কঠিন বৈষয়িক ঝামেলা চলছিল। গ্রামের আত্মীয়রা ভাবলেন ঠাকুরদা কৌশলে করুণার আশ্রয়ে সম্পত্তি হস্তগত করতে রাতারাতি স্ত্রী-পুত্রদের পাঠিয়ে দিয়েছেন। ফলে কেউ সাহায্যের হাত বাড়ালেন না।
আত্মমর্যাদা সম্পন্না, প্রগাঢ বুদ্ধিমতী মহিলা আমার ঠাকুমা অনুনয়, বিনয় বা করুণা প্রার্থণা করলেন না। সে রাতে তিনি সন্তানদের নিয়ে বাইরে একটি আটচালায় কাটালেন এবং মুড়ি, কিছু বাতাসা ও শীতল জল সন্তানদের আহার করালেন এবং নিজেও গ্রহণ করলেন।
তারপর দিন সকালেই তারা কলকাতায় প্রত্যাবর্তনের জন্য যাত্রা শুরু করলেন। ঠাকুমার শেষ সম্পদ –হাতের কঙ্কণ যা সোনার তারে জরান ছিল, সেটি গ্রামের হাটে বিক্রি করা হল। সেই অর্থে তারা খাদ্য সংগ্রহ করলেন এবং ফেরার জন্য গরুর গাড়ি, নৌকা ও ট্রেনে যাতায়াতের জন্য রাখলেন।
পরবর্তী কিছুকাল আমাদের কলকাতার বেলতলার বাড়িটি বন্ধক রাখতে হয় আমাদেরই আরেক পিতৃপুরুষের কাছে খুব সামান্য মূল্যে। পরবর্তীকালে কিছু সম্পত্তি ভাগ্যক্রমে রক্ষা পায় আমার পিতা ও কাকার কল্যাণে। আমাদের মিদ্নাপুর ও হুগলী খানাকুলের অংশের বিনিময়ে।
আমার পিতা ছিলেন পিতামাতার জ্যেষ্ঠ পুত্র। তারপরে আরো তিন ভাই ও তিন বোন ছিল। আমার পিতা ঁপ্রবোধচন্দ্র সিংহ - খুব অল্প বয়স থেকে সংসারের দুঃখ–কষ্ট দেখেন। তাই তিনি খুব অল্প বয়সেই বোস’স্ সার্কাসে (Bose’s Circus) চাকরী নেন। বোস’স্ সার্কাস তখনকার যুগে বিখ্যাত সার্কাস পার্টি ছিল।
আমার পিতা সেখানে উড়ন্ত ট্রাপিজ্ খেলা, খাঁচায় বন্ধ বাঘের সঙ্গে খেলা এবং বুকের উপর হাতি দাঁড়ানোর খেলা দেখাতেন। তিনি জাপান, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলি এবং দক্ষিণ আমেরিকায় সার্কাসদলের সাথে ভ্রমণ করেন। এভাবে তিনি পুর সংসারের ভরণপোষণ করতেন।
তিনি আমার দুই কাকাকে লেখাপড়া শেখান। আমার মেজ কাকা ঁপ্রকাশচন্দ্র সিংহ ভেটেনারী সার্জেন স্নাতক হয়েছিলেন।"
..........................................
এই পর্যন্ত দাদু লিখে গেছেন- শুনেছি দাদুর বাবা অল্প বয়সে ট্রাপিজের খেলা দেখাতে গিয়ে পায়ে লোহার পেরেক ফুটে শেখান থেকে সেপ্টিক হয়ে মারা যান, ছোট ছোট চার সন্তান রেখে।
সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই মে, ২০১০ রাত ৯:৫৩ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: প্রথম পড়ার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ ![]()
আমার দাদু মানে ঠাকুরদার ঠাকুরদা ছিলে-ঁগিরীশচন্দ্র সিংহ, আপনি যার কথা বললেন উনি সেন...
ঠিকই বলেছেন, অনেক কঠিন ছিল সেসব দিনগুলো!
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ...ধন্যবাদ! ইমনভাই, এটা কিন্তু আমি অনুবাদ করেছি!
কৌশিক বলেছেন:
আর কিছু লিখে নাই কেনো? আপনার দাদুকে মাইনাস।
লেখক বলেছেন: হাঃ...হাঃ...দাদু এরপর সব বংশের চার্ট তৈরি করেছেন......আরও লেখার ইচ্ছেও হয়ত ছিল! গল্প আমরা অল্প বিস্তর শুনেছি...
সোমহেপি বলেছেন:
++++++++++++
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ...ধন্যবাদ! ![]()
সুরঞ্জনা বলেছেন:
ইসস!!! এত্তো ভালো লাগছিলো পড়তে। কেনো যে হুট করে শেষ হয়ে গেলো!!! দেখো, আরো কিছু পাও কিনা।অনেক অনেক শুভেচ্ছা দীপা।
লেখক বলেছেন: সেই! আমারও খারাপ লাগছে! আসলে আমার হাতে একটাই খাতাই এসেছে......এতে লিখেছেন এতটাই......বাকি পূর্বপুরুষদের নাম, তালিকা আর ভাইবোনদের খবর এসব আছে......আমি দেখবো যদি আর পাই, অব্যশ্যই দেবো......খুব ভাল লাগছে কত্তোদিন আগের সাধারণ ঘটনাও আপনারা পড়ছেন... অনেক ধন্যবাদ ![]()
লেখক বলেছেন: হু! এতো সাধারণ ইতিহাস!...... তবে, পড়তে পড়তে বেশ নিমাইবালা দেবী আর প্রবোধচন্দ্র সিংহকে স্বচক্ষে দেখা যায়, তাই না!
আমার চলে যাচ্ছে......আপনার খবর কি!
লেখক বলেছেন: ![]()
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ..... ![]()
........................
কবিতাটা পড়তে পড়তে যেন প্রতিমা বন্দোপাধ্যায়ের কন্ঠে গানটা শুনতে পাচ্ছি...জানেন কাল ওনার একটা সাক্ষাৎকার দেখলাম......কি ভোলে-ভালা মানুষ ছিলেন! একদম শিশুর মত! আমি কপি করে রেখেছি!
.....................
সত্যজিৎ রায়কে গ্রেট স্যালুট ![]()
ইমন জুবায়ের বলেছেন:
বাংলাদেশ সম্বন্ধে জানতে হলে নিচের পোস্টে একবার ক্লিক করতেই হয় ... Click This Link
লেখক বলেছেন: অবশ্যই ...অবশ্যই! ![]()
লেখক বলেছেন: ইস্! সবগুলোই চাখ্তে ইচ্ছে করছে! ![]()
লেখক বলেছেন: দারুন...দারুন! ছবিগুলো অপূর্ব! ![]()
লেখক বলেছেন: দারুন লিঙ্ক তো! অনেক কিছু জানলাম...আর, সবচেয়ে ভাল লাগলো বালিয়াটি জমিদার বাড়ির ছবিটা...অনেক ধন্যবাদ, ইমনভাই! আপনার জন্য কত কিছু জানতে পারি! ![]()
আমি এবং আঁধার বলেছেন:
খুব ভালো লাগলো।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ![]()
লেখক বলেছেন: ![]()
লেখক বলেছেন: সুন্দর লাগলো... ![]()
লেখক বলেছেন: স্বপ্নের মত! ![]()
লেখক বলেছেন: এত সবুজ দেখলে মনটা উদাস হয়ে যায়! কতদিন এমন ভাবে দেখা হয় না!
সাধারণমানুষ বলেছেন:
আমার পরিবারের একটা ডায়েরী ছিল কিন্তু এখন কই আছে তা আমি জানি না লেখক বলেছেন: যা! সব ভুলে গেছেন!...... ![]()
মুকুট বিহীন সম্রাট বলেছেন:
খুব সুন্দর একটা লেখা।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, সম্রাট!
লেখক বলেছেন: তাই নাকি!! ![]()
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ......ভাল আছি...... আপনার কি খবর! সব ভাল তো! ![]()
আকাশ অম্বর বলেছেন:
পরম্পরা। সে যুগে এই যাত্রা ছিল অতি দুরুহ(আনুমানিক ১৯০০ খ্রীঃ)
দাদুর এই লেখাটা কবে লেখা?
ডায়রীর আরও পাতা আছে নিশ্চয়ই! ওগুলোও উঠে আসুক না হয়!
দাদুকে শ্রদ্ধা।
নাতনীকে প্লাস।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ......ধন্যবাদ! ![]()
কবে লেখা তা ঠিক জানি না তো!
মনে হয় শেষদিকে যখন খুব পুরানোদিনের গল্প করতেন তখন কলকাতায় লেখেন...আমরা তখন জলপাইগুড়িতে......কাছে থাকলে আমি সাহায্য করতে পারতাম!
না, অম্বর এরপর ঘটনা তো কিছু লেখা নেই! সব ভাইবোন, আত্মীয়দের বর্ণনা আর বংশ তালিকা......সেটা কি দেবো!
আকাশ অম্বর বলেছেন:
অনুবাদ তো তুমিই করছো। করে ফেলো না হয় সবটুকুন। সব ভাইবোন, আত্মীয়দের বর্ণনা? - বাহ্! মজার হবে তো মনে হচ্ছে। দাদু ওদের কিভাবে দেখতেন সেটা বোঝা যাবে বেশ! অবশ্যই দিতে পারো!
আনন্দবাজার পড়া বন্ধ করা হয়েছে এটাই পরম আনন্দদায়ক!
লেখক বলেছেন: সে করা আছে!......কিন্তু পরেরটা মনে হল একটু বোর লাগতে পারে...শুধু তো তথ্য! ঠিক আছে এখানে দিয়ে দেবো... ![]()
বারে! কি বলছেন!... জানেন কাল কি সুন্দর একটা খবর দেখলাম! পড়তে পড়তেই খালি হাঁক্-পাঁক্ করছি শেয়ার করার জন্য! আর আপনি অমন বলছেন!
আনন্দবাজার পড়ার সময় সব সময় আমার ব্লগের সবার কথা মনে হয়! আমি আর এত জানবো কোথা থেকে! তাই যা পড়ে মন ভাল হয়ে যায় তাই সবাইকে শোনাতে ইচ্ছে করে......আমি মোটেও নিজ়ে তেমন লিখতে পারি না!
আকাশ অম্বর বলেছেন:
হাঃ হাঃ! ইয়েস্! ক্ষেপে গেলে দেখছি! আরে আমি তো মজা করছিলাম! দেখলাম, কেমন ক্ষেপতে পারো!
------------
যেটা তোমার লাগে ভালো, সেটা কে কেড়ে নেবে? কেউ বললেই বা কি!
শুভেচ্ছা, হে দিদি! সবসময়!
লেখক বলেছেন: হুউ! আমার ভারি বয়ে গেছে ক্ষেপতে! ![]()
............
আপনি বরং দেখছি বেশ ভয় পেয়েছেন! হ্যাঃ...হ্যাঃ! ![]()
............
হুম্! দুটো পোস্ট দেবো ভাবছি!... একটা ওই আনন্দবাজারের
আর একটা কালকে প্রতিমা বন্দোপাধ্যায়ের সাক্ষাৎকারের
আপনিও আমার অনেক অনেক শুভেচ্ছা নেবেন ![]()
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ......ধন্যবাদ! ![]()
দাদুর লেখার বেশি তো আর নেই, ভাই! তবে বল্লে কাশীদাসি মহাভারত কবিতা থেকে গদ্যে কিছু অনুবাদ করি অনেকদিন আগে...... বল্লে দিতে পারি!
আমার চলে যাচ্ছে......তোমার খবর ভাল তো!
ইমন জুবায়ের বলেছেন:
দেখ যে মানিকগঞ্জের জমিদারবাড়ি নিয়ে আরও দুটি পোস্ট Click This Link
Click This Link
লেখক বলেছেন: দেখছি ![]()
লেখক বলেছেন: সব ক’টা খুব সুন্দর! ![]()
মে ঘ দূ ত বলেছেন:
"আমাদের পূর্ব পুরুষ কলকাতায় কালীঘাটে এসে ওঠেন" - লাইনটা পড়ে মনে হল যেন গঙ্গা থেকে উঠে এলেন "বাহুতে অনন্ত পরতেন" - অনন্ত জিনিসটা কি?
বোস সার্কাস কি জগদীশ চন্দ্র বসুদের? মনে হচ্ছে কোথায় যেন পড়েছি, জগদীশ চন্দ্র বসুদের জন্তু জানোয়ার পোষার সখ ছিল।
আপনার দাদুতো তাহলে অনেক সংগ্রাম করে বড় হয়েছেন। লেখাটা পড়তে পড়তে মনে হচ্ছিল যেন বায়োস্কোপ দেখছিলাম। মন্তব্য পড়ে জানলাম আপনার অনুবাদ করা। দারুণ হয়েছে!
আকাশ তো হেভী একটা কথা পেড়েছে। আনন্দবাজারের ভূত মাথা থেকে নামানো নিয়ে। নামিয়ে ফেলুন ঐটা।
তবে প্রতিমা বন্ধোপাধ্যায়ের সাক্ষাৎকারটা চাই চাই
লেখক বলেছেন: আপনার বলার ধরণ দেখে তো মনে হচ্ছে আমিই উঠে এলাম! ![]()
'অনন্ত' হচ্ছে কনুই-এর উপরে পরার গোল তাগার মত গহনা বিশেষ।
জগদীশ চন্দ্র বসু কি সার্কাস করেছিলেন! মনে হয় না! এটা অন্য কোন বোসের সার্কাস মনে হয়! হ্যা, উনি উদ্ভিদ ও প্রানীদের বিশেষ ভালবাসতেন। ![]()
হাঃ...হাঃ! ভূত নামে নি! আর একটা পোস্ট নেমেছে!
এত্তো পুরানো সাধারণ ঘটনা পড়েও যে এত জনের ভাল লাগছে যেনে যে কি ভাল লাগছে, কি বলবো! ...অনেক ধন্যবাদ ![]()
প্রতিমা বন্ধোপাধ্যায়ের সাক্ষাৎকারটা কিন্তু প্রথম থেকে রেকর্ড করতে পারি নি!...... যতটা করেছি দেবো......ভাল লাগবে আশাকরি!
মহাভারত অনুবাদটা একদম কাঁচা হাতের গদ্য অনুবাদ
… অনেক ভুলভালও থাকতে পারে! ...... তবু ইচ্ছে আছে দেওয়ার ![]()
ইমন জুবায়ের বলেছেন:
দেখ যে ছেঁড়াদ্বীপ Click This Link
মানচিত্রে ছেঁড়াদিয়া ...
আরও ছবির জন্য
Click This Link
লেখক বলেছেন: নামটা কিন্তু বেশ!
... দেখি দাঁড়ান!
লেখক বলেছেন: কি অপূর্ব! .....ছেড়াদ্বীপে আমিও যাব! ![]()
শ্রাবনসন্ধ্যা বলেছেন:
আমি আমার নিজের অনেক স্মৃতিই হারিয়ে ফেলেছি........পূর্বপুরুষদের স্মৃতি সে তো কোন দূরের ব্যপার।
লেখক বলেছেন: লিখে ফেলুন না! ডায়রী লেখার মত আনন্দ আর কিছুতে নেই, সন্ধ্যা! মন কি যে ভাল হয়ে যায়! ![]()
আকাশ অম্বর বলেছেন:
হ্যাঃ! তা যা বলেছো! ভয়ে কাঁপছি এখনও! লেখক বলেছেন: হুউ!
...দাঁড়ান! এবার কে কাঁদে দেখি! ![]()
আপনার কথা মত বাকিটাও লিখে ফেল্লাম...অনেক কিছু জানাও হল, তাই ধন্যবাদ! ![]()
নিচেই দিচ্ছি পড়তে পড়তে কেমন মাথা ব্যাথা হয় বলবেন...![]()
লেখক বলেছেন: আমার কাকা ও পিসিরাঃ
আমি সমরচন্দ্র সিংহ। আমার জন্ম ৯১ বেলতলা রোড, কালীঘাট, কলকাতা।
আমার ঠাকুরদা ঁগীরিশচন্দ্র সিংহ বৃদ্ধা বয়সে মারা যান।
•আমার পিতা প্রবোধচন্দ্র সিংহ মারা যান ১২ই কার্তিক, ১৩৩০বঙ্গাব্দ, ২৯শে অক্টোবর, ১৯২৩।
মা বিভাবতী দেবীরও তার কিছু পরই মৃত্যু হয়।
•আমার মেজকাকা প্রকাশচন্দ্র সিংহ ভেটেনারী সার্জেন্ট G.B.V.C.
তিনি মারা যান ১৯৬২ সালের ১৬ই অগস্ট, বৃহস্পতিবার।
তাঁর কাছেই আমি লেখাপড়া শিখি, তার কাছেই বড় হই।
মেজকাকার পুত্ররাঃ
সুধির কুমার সিংহ(২য় সন্তান): রিটায়র্ড করেছেন এসিসটেন্ট স্টোর কিপার কলকাতা পোর্ট কম্পানী থেকে। এখন পার্ক স্ট্রীটে স্ত্রী-পুত্রের সাথে থাকেন। দুই কন্যা বিবাহিত।
ঁশিশির কুমার সিংহ(৪র্থ সন্তান): জিওলজিকাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়ায় কাজ করতেন। তিনি লিবিয়ায় কর্মরত অবস্থায় মারা যান। তার বিধবা স্ত্রী পার্ক স্ট্রীটে থাকেন। তাদের দুই পুত্র।
মুক্তি সিংহঃ UK থেকে ইঞ্জিনীয়রীং পাশ করে Braithwaite & co. তে যোগ দেন। রিটায়র্ড করেন ১৯৭৫/৭৬।
তার এক পুত্র ও এক কন্যা।
তারা পার্ক সার্কাসে থাকেন।
খোকন সিংহঃ Braithwaiteএ ইলেকট্রিকাল বিভাগে কাজ করতেন।
রবি সিংহঃ বিবাহিত এবং বালিগঞ্জে বাড়ি।
মেজকাকার কন্যারাঃ
শ্রীমতী ছবিরানী ঘোষঃ স্বামী শ্রী জীতেন্দ্রনাথ ঘোষ, গিরিডি।
শ্রীমতী বিনতারানী মিত্র(খুকি): স্বামী ঁঅতুল্য মিত্র। গরচা রোডে বাড়ি।
শ্রীমতী ডলিরানী সরকারঃ স্বামী ঁসিদ্ধেশ্বর সরকার। সরকারবাড়ি লেন, বজবজ়ে বাড়ি।
শ্রীমতী ইলারানী ঘোষঃ স্বামী শ্রী অমল ঘোষ দস্তিদার। সেন্ট্রাল ব্যাঙ্ক পাটনার ম্যানেজার। গড়িয়ায় বাড়ি কিনেছেন।
এদের এক কন্যা ও এক পুত্র।
•সেজকাকা প্রভাতচন্দ্র সিংহ টাইপিস্ট ছিলেন shaw wallace co., কলকাতার।
তিনি ১৯৬৩ সালে তার বাসুলডাঙ্গা গ্রামের বাড়িতে ডায়মন্ড হারবার, ২৪পরগণায় মারা যান।
•ছোটকাকা প্রহ্লাদচন্দ্র সিংহ খুব অল্প বয়সে মারা যান।
•বড় পিসি সম্পর্কে বেশি যানা যায় না। খুলনায় তার বিয়ে হয়। কম বয়সে বিধবা হয়ে ভাইয়ের কাছে বেলতলা রোডে চলে আসেন।
তাঁর এক ছেলে ট্যাঁপাদা। তিনি ২২/২৩ বছর বয়সে সন্ন্যাসী হয়ে গৃহত্যাগ করেন। একবার কোন কারণে তিনি দেখা করতে আসেন মেজকাকার বৌবাজারের কোয়াটারে। ঠাকুমার অনেক অনুনয়-বিনয়েও নিজের অবস্থান সম্পর্কে কোন কিছু জানান না। শুধু জানা যায় দমদমের কোন প্রান্তে তিনি একটি আশ্রম স্থাপন করেছেন, সেখানে একটি কালী মন্দিরও প্রতিষ্ঠা করেন।
•মেজ পিসির বিয়ে হয় সিকরা কূলীনগ্রাম (B.B. Lt. Rly.) বসিরহাট, ২৪পরগণা।
তার দুই পুত্র ভোলানাথ ঘোষ ও সন্তোষকুমার ঘোষ। ভোলানাথ দমদমে নিজের বাড়ি করে চলে আসেন। সন্তোষকুমার বিয়ে করেন নি। তিনি বোনের সংসারে দেখাশোনা করতেন। তিনিও পরে দমদমে চলে আসেন।
•ছোট পিসির বিয়ে হয় ঁপ্রিয়নাথ ঘোষের সাথে। প্রিয়নাথ ঘোষ A.S.I ছিলেন ওড়িশার ময়ূরভঞ্জ জেলার।
পরে তিনি ফিরে আসেন ও স্কুলমাষ্টার হন। তারপর দারিদ্রের মধ্যে পরলে পুরী ফিরে যান পাইকপাড়া রাজবাড়ির এস্টেটের কাজ নিয়ে।
তার এক পুত্র সুধীর ঘোষ। তিনি পুরীতে পাইকপাড়া রাজবাড়ির এস্টেটের ভিতর একটি প্রাইভেট মেডিকেল স্টোর্স করেন।
ছোট পিসির দুই কন্যা। বড়জনের কটকে বিবাহ হয়। দ্বিতীয় জনের খবর সঠিক জানা নেই।
পিসি মৃত্যুর সময় অন্ধ হয়ে যান এবং দারিদ্রের মধ্যে পুরীতেই মারা যান।
লেখক বলেছেন: আমার মামার বাড়িঃ
আমার বড়মামা ঁঅনিল কৃষ্ণ ঘোষ, ২য় ভবানন্দ রোড, কালীঘাটে থাকতেন। চাকরী করতেন Babli Supervisor pvt.
তাঁর এক পুত্র ও তিন কন্যা।
মেজমামা সুনীল কৃষ্ণ ঘোষ, প্রথমে অডাম জুট মিলে কাজ করতেন, পরে অম্বিকা জুট মিলে যোগ দেন।
বালিতে তাঁর নিজের বাড়ি।
তার একপুত্র ও এক কন্যা।
ছোটমামা নিখিল কৃষ্ণ ঘোষ, ইলেকট্রিকাল ইঞ্জিনীয়র, রিটায়ার্ড অম্বিকা জুট মিল।
বিহারে ভাড়া বাড়িতে থাকেন।
লেখক বলেছেন: আমরা ভাই-বোন:
শ্রী অমরচন্দ্র সিংহ(দাদুর বড় ভাই): জন্ম ১৯১৫ সাল- মৃত্যু ১৯৩৬সাল, ২/৩ নভেম্বর, সকাল ৯টা, যাদবপুর হসপিটাল। লেখাপড়ায় অত্যন্ত মেধাবী ছাত্র ছিলেন।
শ্রী সমরচন্দ্র সিংহঃ জন্ম ১৯১৭ সাল, ২১শে জানুয়ারি, বাংলার ৮ই মাঘ, ১৩২৩ বঙ্গাব্দ।
(মৃত্যু ১৯৯৫ সাল, ২৯শে জানুয়ারী)
ধনুরাশী-কর্ক্কট লগ্ন।
পূর্বনিবাস-খানাকুল, হুগলী জেলা।
পূর্বতন চারপুরুষের ভিটে, ৯১, বেলতলা রোড, কালীঘাট, কলকাতা।
আর কোন ভাই নেই।
শ্রীমতী বুলারানী মিত্র (বড় বোন): বিবাহ হয় শ্রী শৈলেন্দ্রনাথ মিত্র, গ্রাম রামনগর, বারুইপুর, ২৪ পরগণা। পরে কলকাতায় নিজের বাড়ি করে পাশেই চলে আসেন। তাঁর পি তা ঁবিহারীলাল মিত্র।
এদের চারপুত্র ও দুই কন্যা।
শ্রীমতী ঁবিজলীরানী বোস (ছোট বোন): বিবাহ হয় শ্রী ক্ষিতিশচন্দ্র বোস, গ্রাম ডোঙ্গাঘাট, কেশবপুর, যশোর জেলা (বর্তমান বাংলাদেশ)। ১৯৪৩ সালে বোন যখন মারা যায় তখন আমি ওভারসিয়র ছিলাম মিলিটারী সার্ভিসে।
তাঁর দুই পুত্র- প্রশান্ত বোস, হাওড়া জুট মিলে কাজ করে ও সুশান্ত বোস, C.I.Bতে চাকরী করে।
কলকাতায় বিপীনপাল রোডে নিজেদের বাড়ি।
আমার তৃতীয় বোন খুব ছোট বয়সে মারা যায়, মার বৌবাজারের বাড়িতে। তখন তার বয়স ৩/৪ বছর।
লেখক বলেছেন: আমি সমরচন্দ্র সিংহ।
আমার স্ত্রী ভক্তি সিংহ, তার পিতা ঁনীরেন্দ্রনাথ মিত্র, নীলগোপাল মিত্র লেন, ভবানীপুর, কলকাতা।
আমার সন্তানরাঃ
আমার প্রথম পুত্র জন্মের ৬ঘন্টার মধ্যে মারা যায়। রামকৃষ্ণ মিশন হসপিটল, ১৯৪৫ সাল, জুন ... রাত ২টো।
দিলীপ সিংহ (তোতন, বাবি): জন্ম ১৭এ, নীলগোপাল মিত্র লেন, ভবানীপুর, কলকাতা। ৩১শে অক্টোবর, ১৯৪৬ সাল, ৬.২০মিনিট, সকাল। শ্রীমতী রায় চৌধুরীর তত্ত্বাবধানে।
কন্যা নবনিতা সেন (ময়না): জন্ম বিবেকানন্দ মেটারনিটি হোম ও হসপিটাল। ১৯৪৮সাল, ১৬ই অগস্ট, ৮.১৭ মিনিট, সকাল।
সাগর সিংহ(টুকু): জন্ম বিবেকানন্দ মেটারনিটি হোম ও হসপিটাল। ১৯৫০সাল, ২৯শে জুলাই, ১১.৫৪ মধ্যরাত।
যমজ পুত্র-একজন বাঁচে-চন্দন সিংহ(বুলু): জন্ম বিবেকানন্দ মেটারনিটি হোম ও হসপিটাল। ১৯৫৩ সাল, ৭ই জানুয়ারী, দুপুর ১২টায়। অন্যজন জন্মের পর তৃতীয়দিন মারা যায়।
লেখক বলেছেন:
কি দারুন, না! ![]()
রেজোওয়ানা বলেছেন:
খুব ভাল লাগলো আপু, ক'জনার এমন সৌভাগ্য হয় নিজের পূর্বপুরুষদের ইতিহাস জানার!!আপানাদের এই ব্যাপারটা আমার খুব ভাললাগে।
ছবিও তো দেখলাম খুব যত্নকরে সংরক্ষণ করেছেন.....
লেখক বলেছেন: আপনি বলছেন তাই!
...আপনাকে চুপিচুপি বলে রাখি আমার ভাই-বোনরা কিন্তু আমায় একটু ক্ষেপী গোছের ভাবে!
...এত্ত পুরনো জিনিষপত্র নিয়ে ঘাঁটি!
ধন্যবাদ, রেজোওয়ানা!
লেখক বলেছেন: একটু অদ্ভূত লাগলো ![]()
ইমন জুবায়ের বলেছেন:
এই যে দেখ কুমিল্লার রসমালাইয়ের ছবি। যে কুমিল্লার রসমালাই খায়নি তার জীবনই বৃথা Click This Link
লাল অংশটুকুই কুমিল্লা ...
লেখক বলেছেন: বাপ্রে! ছবি দেখেই তো জিভে জল! আমার তো জীবনটাই বৃথা হয়ে গেল! ![]()
শ্রাবনসন্ধ্যা বলেছেন:
আর কুমিল্লার মানুষ খুব খারাপ। কারণ কু দিয়ে শুরু তো!!!!!!!!আর চাঁদপুর এবং কুমিল্লা কিন্তু একই বুঝেছ!!!!!!
লেখক বলেছেন: ![]()
লেখক বলেছেন: কুমিল্লা যামু... রসমালাই খামু! ![]()
লেখক বলেছেন:
ইমন জুবায়ের বলেছেন:
@দীপান্বিতা ...তুমি শ্রাবণসন্ধ্যার কথা শুনো না,শুনো না। একটা জায়গা কেমন তা বিচার করতে হয় সেখানকার খাবার/দাবার কেমন, বিশেষ করে মিষ্টি কেমন বানায় তার ওপর। কুমিল্লার রসমালাইয়ের কথা অন্যদের জিগ্যেস করেই দেখ একবার, তুমি তো এ ব্লগের অনেককেই চেনো। লেখক বলেছেন: একটা কথা ঠিক যে পেট দিয়ে হৃদয়ে প্রবেশ করা যায়...তাই কোন স্থানে গিয়ে সেখানের খাবার যদি দারুন হয়, তা’লে সে স্থানের প্রেমে পরবেই মানুষ আর বারবার ছুটে যাবে... ![]()
শ্রাবনসন্ধ্যা বলেছেন:
একটা জায়গা কেমন তা বিচার করতে হয় সেখানকার খাবার/দাবার কেমন, বিশেষ করে মিষ্টি কেমন বানায় তার ওপর। উহ হাসতে হাসতে শেষ!
এইজন্যই তো মিষ্টি নিষেধ
লেখক বলেছেন: হুম! ইমন ভাইয়ের কি মিষ্টি একদম বারন নাকি! ![]()
ইমন জুবায়ের বলেছেন:
@শ্রাবণসন্ধ্যা ...তারপরেও সমানে খাই দীপান্বিতার জন্য টীকা: সমানে= বেশি বেশি করে
লেখক বলেছেন: বেশি মিষ্টি না খাওয়াই ভাল! তা’লে তো পরে একদমই খেতে পারবেন না!
লেখক বলেছেন: হ্যা, কাল টিভিতে দেখলাম......দারুন খবর! ![]()
বোহেমিয়ান কথকতা বলেছেন:
হ্যা আমার বেশ ভালো, ক্লাস বন্ধ ঘোড়াঘুড়ির উপ্রে আছি! ( শুধু সর্দিটা জ্বালিয়ে মারছে! )
লেখক বলেছেন: গরমে সাবধান!... বৃষ্টি পরছে ওদিকে!
লেখক বলেছেন: খুব ভাল লাগল....
লেখক বলেছেন: শাবাস নাসিমা! ![]()
লেখক বলেছেন: বিচিত্র আমাদের দেশ!
মিনি পৃথিবী তো তাই এত্তো ভাষা! কিন্তু বাংলার অনুপাতটা সত্যি চিন্তার!
শ্রাবনসন্ধ্যা বলেছেন:
@ ইমন ভাই, এবং এরপরও সমানে খাওয়ার কারণে জাফনার মা আপনাকে তীব্র তীরস্কার করলো।এটা ঠিক না, নিজের প্রতি যত্নশীল হোন । স্বাস্থ্যসম্মত জীবন যাপন করুণ, এবং নিজের স্বাস্থ্যকে (শরীর এবং মন) বিপন্ন করবেন না।
লেখক বলেছেন: 'নিজের প্রতি যত্নশীল হোন । স্বাস্থ্যসম্মত জীবন যাপন করুণ, এবং নিজের স্বাস্থ্যকে (শরীর এবং মন) বিপন্ন করবেন না।' -একদম ঠিক কথা!
ইমন জুবায়ের বলেছেন:
@ শ্রাবণসন্ধ্যা ...তিন দিন কনট্রোল করি ...তারপর নিজের প্রতি যত্নশীল হোন । স্বাস্থ্যসম্মত জীবন যাপন করুণ, এবং নিজের স্বাস্থ্যকে (শরীর এবং মন) বিপন্ন করবেন না।
লাইনটা চেনা চেনা লাগে ...বাসের গায়ে লেখা বিজ্ঞাপনের মতন
লেখক বলেছেন: হাঃ...হাঃ! ... বাসের গায়ে লেখা থাকলেই বা! ভালর জন্যেই তো বলা!![]()
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ...ধন্যবাদ...খুব ভাল লাগল আপনার ভাল লেগেছে জেনে ![]()
শ্রাবনসন্ধ্যা বলেছেন:
@ইমন ভাই, আপনার সাথে তো দেখি পারা যায় না! হাসতে হাসতে আমি শেষ! তিন দিন.... তিন দিন ব্যপারটা তো ধনু রাশির সম্পত্তি, ঐটা তো আপনের হওয়ার কথা না। এত ভাল উপদেশ বাসের গায়ের বিজ্ঞাপন মনে হইল!!!
এইজন্য ত্যান্দোর ( দীপান্বিতা কি ত্যান্দোর মানে বোঝে
লেখক বলেছেন: খুব খারাপ!....খুব খারাপ!
(ত্যান্দোর-বান্দোর সব বুঝি!
)
মে ঘ দূ ত বলেছেন:
এদ্দিন বাদে দেখে তো বোধ হচ্ছে ঠিক ঠিক উঠে এলেন কোথাও থেকে। কই হাপিস হওয়া হয়েছিল?অনন্ত কি এখন বোধহয় আন্দাজ করতে পারছি। দেখেছি মনে হয়।
আর্রে না। জগদীশ বাবু সার্কাস করেছেন তো বলিনি। বলেছি তাঁদের জন্তু জানোয়ার পোষার সখ ছিল। এইবার মনে পড়েছে কোথায় পড়েছি। সুনীলের "প্রথম আলো"-তে।
ভূত যে নামে নি সেতো দেখতেই পাচ্ছি
আসলে ঘটনাগুলো যদি এখনকার হত তাইলে হয়তো এতজন এমনভাবে উৎসাহ দেখাতো না। পুরাতন বলেই তো তার মূল্য। Antiques এর মত
প্রতিমা বন্ধোপাধ্যায়ের সাক্ষাৎকারটায় আগে দিবেন তো। তা না কি সমস্ত ভূত নিয়ে পরে আছেন
আর মহাভারতের অনুবাদের বিচারের ভার আমাদের উপর ছেড়ে দিন। আপনি নিঃসংশয়ে লিখে ফেলুন।
লেখক বলেছেন: আগে মহাভারত দিয়ে শুরু করি......দেওয়ার জন্য হাত তুলেই বসে আছি! হাঃ! হাঃ! নিজের লেখা অন্যরা পড়ুক এটা খুব ভাল লাগে, নেশার মত, তাই না! তাও তো অনুবাদ! সব তো খাতায় লেখা! ধিরে ধিরে টাইপ করে ফেলবো!
প্রতিমা বন্ধোপাধ্যায়ের সাক্ষাৎকারটা আসলে প্রায় ১৫মিনিটের! অত্ত বড় তো ইউটিউবে নেবে না! বাপ্পার সময় হলে ওটা কেটেছেঁটে দেবে...ওর কাজের খুব চাপ! আজও অফিস গেছে! ...... এরপরে ওটাই দেবো, ভাবছি।
বারে!
আপনিও অম্বরের মত বলছেন! ঐ খবরগুলো বুঝি ভাল না! কত মন ভাল হয়ে যায় বলুন তো! তাই না শেয়ার করি!
ইমন জুবায়ের বলেছেন:
@শ্রাবণসন্ধ্যা ... দীপান্বিতা ত্যান্দোর এর মানে না জানলে বাঙালিই না। ২. মাঝেমাঝে মিষ্টি খাই এই কারণে যে যে অষুধ গুলি খাচ্ছি সেগুলি ভেজাল কিনা টেস্ট করার জন্য
তৃতীয়ত ...বড় বোনের সঙ্গে থাকি। ভদ্রমহিলারও ডায় ...আছে; বড়বোনের ডেট অভ বার্থ ৮ ডিসেম্বর ...এইবার বুঝেন ...
লেখক বলেছেন: মাঝেমাঝে মিষ্টি খাই এই কারণে যে যে অষুধ গুলি খাচ্ছি সেগুলি ভেজাল কিনা টেস্ট করার জন্য --হাঃ...হাঃ! এটা ভাল বলেছেন! ![]()
লেখক বলেছেন: শ্রাবনসন্ধ্যা, ব্যাপার কি! ইমনভাই কি খুব মিষ্টি খাচ্ছেন নাকি! উঁহু! ভাল না! বুড়ো হওয়ার লক্ষণ! ![]()
দাঁড়ান, উপর থেকে পুর কথোপকথন দেখে আসি!
ইমন জুবায়ের বলেছেন:
@দীপান্বিতা ...মিষ্টি খাওয়া বুঝি বুড়োর লক্ষণ? খুব করলার ঝোল খাচ্ছ বুঝি?
লেখক বলেছেন: হিঃ...হিঃ! রাগ করলেন নাকি ইমনভাই!
আসলে আমাদের বাড়িতেও সব বড়দের ডায়বেটিস আছে, আর তারা মিষ্টি খাবার তালে থাকে...আমরা ভাইবোনরা নেমতন্ন বাড়ি গেলেই তক্কেতক্কে থাকি কে কি মিষ্টি টপাটপ মুখে ফেলছে, তাই নিয়ে খুব মজা করাও হয়!![]()
আমি খুব টক আর ঝাল খাই! ![]()
শিরীষ বলেছেন:
চমৎকার লাগল। আকাশের সাথে কথোপকথনও অনেক informative, সাথে ইমন ভাই এর শেয়ারিং !!!
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, শিরীষ! ওই অংশটা পড়লেন! informative! আমিতো ওটাকে বাদ দিচ্ছিলাম! অনেক ধন্যবাদ!
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ![]()
হ্যা! আমারও তাই মনে হয়েছে!......উনি মিলিটারী মেজাজের লোক ছিলেন তো, ইংলিশেই লিখেছেন!
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, ........আপনি যে প্রফাইল পিক. দিয়েছেন! দেখলেই মন ভাল হয়ে যায়!![]()
শ্রাবনসন্ধ্যা বলেছেন:
দীপা, ইমন ভাই এর বেশ ভালভাবেই চিনি নিষেধ। ব্লগে এটা উনিই জানান দিয়েছিলেন, নিয়ম করে তাঁকে হাঁটতে এবং ওষুধ খেতে হয়........এহেন মানুষ যখন সমানে রসমালাই খান........শাস্তিটা কি হওয়া উচিৎ।
একটা গল্প বলিআমার এক স্যার আছেন, মিষ্টি নিষেধ উনার, এত মজার মানুষ.....ট্যুর এ গেলাম, পথের মধ্যে ছোট্ট দোকানে বসে টপাটপ কতগুলো মিষ্টি খেয়ে বললেন এই ছেলে চিনি ছাড়া চা দিস তো!
ইমন ভাই এর সেই দশা আরকি!
লেখক বলেছেন: সেই তো! শ্রাবনসন্ধ্যা ঠিকই বলছেন!....... ইমন ভাই, ডায়বেটিসে মনে হয় বেশি বেশি মিষ্টি খেতে মন চায়! এখন থেকেই সাবধান হোন! ...আমাদের বাড়িতেও সবার ডায়বেটিস আর প্রেসার!
শুভেচ্ছা।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, তারার হাসি! কেমন আছেন! অনেকদিন পরে দেখছি...
দাদুর বয়সকালের ভাল ছবি আমিও খুঁজছি, পেলেই দিয়ে দেবো...... দাদুর বাবার ছবি পাইনি, আসলে অনেক ছবিই নষ্ট হয়ে গেছে, আবার কিছু জনকে চিনছিও না! যারা চেনাতে পারতেন তারাও গত হয়েছেন! তবু খুঁজে দেখবো!
আপনিও শুভেচ্ছা নেবেন...
আকাশ অম্বর বলেছেন:
তোমার চৌদ্দগুষ্টি এখন আমার হাতের মুঠোয়.... মু হা হা হা
----------------
ট্যাঁপাদা নিয়ে আরও জানতে চাই।
----------------
অদ্ভুত লাগলো তো, দিদি!
শুভেচ্ছাং!
লেখক বলেছেন: মুঠো শক্ত করলেই সব ঝুর্ ঝুর্ করে খসে পরবে!
............
ট্যাঁপাদা পা টিপে টিপে কোথায় হারিয়ে গেছেন!...আর হদিস নেই!
...........
ধনে পাতা....ধনে পাতা!
...........
গ্রহিতং!
লেখক বলেছেন:
...
....
...............![]()
আকাশ অম্বর বলেছেন:
হেহে! ইমন ভাই আর শ্রাবনসন্ধ্যা আপু দুজনকেই তাঁদের গঠনমূলক আলোচনার জন্য রসমালাইয়ের মিষ্টিসমৃদ্ধ প্লাস! লেখক বলেছেন: আমিও ভাগ বসালাম!
পারভেজ বলেছেন:
অসাধারণ একটা দলিল। আর কোন লেখা কি খুঁজে পাওয়া যায়নি? তখনকার জীবনের একটা খন্ডচিত্র যেন।খুব আগ্রহ নিয়ে পড়লাম।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ..... ধন্যবাদ..
...কেমন আছেন!
না আর তো লেখা পাই নি!...... তবে একটা বংশ লতিকা পেয়েছি...হ্যা, এই সুযোগে আমিও আমাদের পুরানো কথা কিছু জানলাম...দেখলামই জেনো!
মনির হাসান বলেছেন:
অনবদ্য । আপনি অনেক ভাগ্যবতী ।আমিতো নিজের দাদার নামটাই মাঝে মাঝে ভুলে যাই। হা হা হা হা ...
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ!.......কিছু কিছু ব্যাপারে অনেকের মত আমিও সত্যিই ভাগ্যবতী ![]()
ইস্! সেটা কি ভাল কথা, নাকি!...তা, আপনার খবরটা কি! নতুন পোস্ট দেন না কেন?...আপনার মেনিটি কেমন আছে! ![]()
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ...ধন্যবাদ!![]()
লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্কু! .... আমি ভাবছি তার আগেই একবার ঢাকা ঘুরে আসি! ![]()
লেখক বলেছেন: আপনাকেও আবার ধন্যবাদ! [হাঃ...হাঃ!]
লেখক বলেছেন: ঠিক আছে ওটা মুছে দিলাম! ![]()
লেখক বলেছেন: প্রথম আলোয় আপনার লেখাটা পড়লাম...দারুন ব্যাপার তো! আমি তো দাদুর লেখা থেকে সব জানি, আপনি নিজে অনেক খোঁজ করেছেন, অনেক অভিনন্দন আপনাকে...এই ব্লগেও লেখাটা দিন না!
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...




















আর তখনকার সময়ের চলাচলের যে বর্ণনা পাওয়া গেল, ঐসময়ে মনে হয় এ বাংলার সবখানেই একই অবস্থা ছিল। দেবদাস বা আবদুল্লাহ্ উপন্যাসেও এরকম বর্ণনা দেখেছি। অনেক কঠিন ছিল সেসব দিনগুলো!