আমার প্রিয় পোস্ট
- জগজিত সিং এর অমর কীর্তি - ৭৬ টি এ্যালবাম একসাথে (আমার আপলোড করা) - কবির চৌধুরী
- বাংলায় পর্তুগীজ জাতি - ইমন জুবায়ের
- মা - দীপান্বিতা
- ব্লগার দীপান্বিতার - কথাচ্ছলে মহাভারত- সমগ্র - যাযাবরমন
- যদিদং হৃদয়ং তব, তদিদং হৃদয়ং মম ..... - দীপান্বিতা
- বব মার্লের জীবনের শেষ কিছু সময় - (সাথে সবকটি গান ডাউনলোড লিংক) - কবির চৌধুরী
- ভবঘুরে থেকে করপোরেট সম্রাট - মোঃ সিরাজুল হক
- এক অসাধারণ জীবনকথা ..স্টিভ জবস– অ্যাপেল কম্পিউটারের প্রতিষ্ঠাতা - হিমূ
- স্টিভেন পল জবস্ : বিশ্ব প্রযুক্তির এ মহানায়কের প্রতি সামহোয়্যার পরিবারের শ্রদ্ধার্ঘ : বিদায় বন্ধু... যেখানেই থাকো, ভালো থেকো... - আমিই রাকিব
- আট বছর ধরে পৃথিবী ঘুরে বেড়িয়ে যে উনত্রিশটি শিক্ষা আমি পেয়েছি - ২ - বিলাশ বিডি
- শুভ জন্মদিন, প্রিয় কবি নির্মলেন্দু গুন (প্রিয় কবিতা সংকলন) - আশরাফুল ইসলাম দূর্জয়
- চর্বি কমাতে পারে বৈশাখের এমন ১৩টি খাবার - সোহরাব সুমন
- মানুষ ভ্যান গগ - ইমন জুবায়ের
- মাতৃভাষা আন্দোলনের সেই সব সূর্যসন্তানেরা...... - রেজোওয়ানা
- গল্পঃ সুখ - শেখ আমিনুল ইসলাম
- ঠাকুরের বেটার ছিন্নপত্র ও ইন্দিরা দেবীঃ একটি ছবি ব্লগ - সেলিম তাহের
- এনিগমার The Child In Us ... ব্যাখ্যা -বিশ্লেষন ... - ইমন জুবায়ের
- একটি আপেল গাছের গল্প - সিস্টেম
- ফেরদৌসির শাহনামা: ইসলামপূর্ব পারস্যের লোককথা এবং ইতিহাস-১মপর্ব - নির্ঝর নৈঃশব্দ্য-২
- ~ দার্জিলিং ~ - তারার হাসি
- আমার বিড়ালের কথা............. - সোহরাব সুমন
- কোন রকমে টিকে থাকা শেষ, বেঁচে থাকার শুরু.... - একলোটন
- নেহেরু, শ্যামাপ্রসাদ, গান্ধী, এলিজাবেথ, বুলগানিন, ক্রুশ্চেভ ... - ছায়া দে
- অজানা আমাজন অরন্য... - জর্জিস
- ভয়ঙ্কর এক সংখ্যার জন্ম, নিষ্ঠুর এক খুনের গল্প (২) - ম্যাভেরিক
- Hachiko-A dogs true story. - জামিল আনসার
- গাহি সাম্যের গান - আকাশ অম্বর
- জন হেনরীর হাতুড়ি: "আমি মেশিনের হবো প্রতিদ্বন্দ্বী" - নাস্তিকের ধর্মকথা
- জ্ঞান-বিজ্ঞানের রাজ্যে মুসলমানঃ উত্থান ও পতন পর্ব-৩ - তায়েফ আহমাদ
- বোধ - জীবনের নতুন মানে - বিলাশ বিডি
- এক কিশোরের চোখে মুক্তিযুদ্ধের অমলিন স্মৃতি < ২১ > সেই রাতে যেন কেয়ামত নেমে এসেছিল - মনজুরুল হক
- স্যার জগদীশচন্দ্র বসুর জন্মতীথিতেঃ ছাত্রসমাজের প্রতি জগদীশচন্দ্র বসু - ভিন্ন চিন্তা
- শিল্পী এস এম সুলতান ও ভিনসেন্ট ভ্যান গঘঃ জীবন কারিগর - নাস্তিকের ধর্মকথা
- পছন্দের কিছু গজল - জগজিৎ সিং - মে ঘ দূ ত
- বঙ্গে শ্রীরাধার ক্রমবিকাশ প্রসংগে কিছু তথ্য - কুঙ্গ থাঙ
- বব ডিলানের একটি গান: দি টাইমস দে আর আ-চেঞ্জিং - ইমন জুবায়ের
- Raju Uncle 2d Animation - বাপ্পা dipson
- দান্তে'র প্রার্থনা (দিদিকে) - আকাশ অম্বর
- অন সান সু কিঃ বিবেকের বন্দী দুত - সুফিয়ান ডট কম
- সত্যজিৎ রায় - ২ - মে ঘ দূ ত
- পুরুষতান্ত্রিকতার ধ্বজভঙ্গ সমাজতত্ত্বঃ “নারীর ইজ্জতই তার প্রধান সম্বল” - মনির হাসান
- কাঞ্চনজংঘা ----- (অঞ্জন দত্ত) - বিষাক্ত মানুষ
- আমার পাপা - দীপান্বিতা
- মা দিবস শুরুর ইতিহাস ও মা-হারাদের জন্য একটি গান। - বিপ্লব কান্তি
ছোটদের রাশিয়ান গল্পঃ খাঁটি সব আষাঢ়ে গপ্প -নিকোলাই নোসোভ
১৫ ই মে, ২০১০ বিকাল ৪:৪৮
বাগানের মধ্যে বেঞ্চিতে বসে ছিল মিশুৎকা আর স্তাসিক। গল্প করছিল।
তবে সে গল্প ঠিক অন্য ছেলেদের মতো নয়। খাঁটি সব আষাঢ়ে গল্প; কে হারে কে জেতে।
মিশুৎকা বললে, ‘বয়স কত রে তোর ছোঁড়া?’
‘পঁচানব্বুই। তোর?’
‘আমার একশ চল্লিশ। আগে আমি ছিলাম মস্ত বড়ো, বরিস কাকুর মতো। তারপর ছোটো হয়ে গেলাম।’
স্তাসিক বললে, ‘আর আমি ছিলাম এইটুকুন। তারপর বড়ো হয়ে গিয়ে ফের ছোট্ট হয়ে গিয়েছি। শিগগিরই আবার দেখবি বড়ো হয়ে যাবো।’
‘আর আমি যখন বড়ো ছিলাম, তখন গোটা নদীটা সাঁতরে চলে যেতাম।’
‘ফুঃ! আমি সাগর পেরতে পারতাম।’
‘ভারি তো সাগর! আমি মহাসমুদ্র সাঁতরে পেরিয়ে গেছি!’
‘মহাসমুদ্র সাঁতার ওতো সোজা!’
‘সত্যি! দুটো হাঙর পাশ দিয়ে যাচ্ছিল। একটা আমার পা দুটো খেয়ে নিল!’
‘তাহলে ও দুটো তোর কাছে আবার এলো কি ভাবে?’
‘গজাল আবার।’
‘তোফা ছাড়লি বটে,’ হিংসে হচ্ছিল স্তাসিকের। ইচ্ছে হল মিশুৎকার চেয়েও খাসা কিছু একটা বলে।
বললে, ‘তবে এ আর কী! আমি একবার না – গিয়েছিলাম আফ্রিকা। কুমীরে খেয়ে ফেলে আমায়।’
‘মিথ্যুক কোথাকার!’ মিশুৎকা হেসে উঠল।
‘মাইরি, সত্যি!’
‘তবে বেঁচে রইলি কী করে?’
‘পরে আমায় উগরে দিল যে!’
মিশুৎকা ভাবল একটু। ইচ্ছে ছিল স্তাসিককে ছাড়িয়ে যাবে। ভেবে ভেবে শেষ পর্যন্ত বললেঃ
‘একদিন জানিস, রাস্তা দিয়ে যাচ্ছি, চারি দিকে ট্রাম বাস লরি...’
স্তাসিক চেঁচিয়ে উঠল, ‘জানি, জানি। বলবি তো যে ট্রাম তোকে চাপা দিয়ে গেল। ও গপ্প তুই আগেই বলেছিস।’
‘মোটেই না, সে গপ্প নয়।’
‘বেশ, বল তা হলে কী হল।’
‘আমি তো চলেছি। গা বাঁচিইয়ে। হঠাৎ একটা বাস। লক্ষ্যই করি নি। পা দিয়ে মাড়াতেই – ব্যস, একেবারে চিঁড়েচ্যাপটা।’
‘হা, হা, হা, মিথ্যুক কাঁহিকার।’
‘মোটেই নয়।’
‘বাস তুই পা দিয়ে চেপেছিস! তাই কখনও হয়?’
‘বাসটা যে একেবারে এই টুকুনি, খেলনা বাস! দড়ি দিয়ে টেনে নিয়ে যাচ্ছিল একটা ছেলে।’
![]()
এই সময় এল পড়শীদের ছেলে ইগোর; বেঞ্চিতেই বসলো ওদের সঙ্গে।
মিশুৎকা আর স্তাসিকের গপ্প শুনেটুনে বললেঃ
‘গুল মারছিস, লজ্জাও করে না!’
স্তাসিক বললে, ‘আমরা তো কাউকে ধাপ্পা দিচ্ছি না, বানিয়ে বানিয়ে বলছি শুধু, গপ্প বলার মতো।’
‘গপ্প!’ মুখ বাঁকাল ইগোর, ‘ভারি কাজ জুটিয়েছিস বটে!’
‘তুই কি ভাবিস বানিয়ে বানিয়ে বলা খুব সহজ বুঝি?’
‘নয়ত কী!’
‘বেশ, বানিয়ে বল দেখি একটা।’
ইগোর বললে, ‘বেশ তো... দাঁড়া...’
মিশুৎকা আর স্তাসিক নড়ে চড়ে বসল শুনতে।
‘দাঁড়া... এ্যাঁ-এ্যাঁ... হুঁ... হুম... এ্যাঁ-এ্যাঁ...’
‘কী বল! এ্যাঁ-এ্যাঁ করছিস কেন।’
‘দাঁড়া, একটু ভেবে নিই।’
‘বেশ ভেবে নে।’
‘এ্যাঁ-এ্যাঁ-এ্যাঁ,’ ফের শুরু করল ইগোর, আকাশের দিকে তাকাল, ‘দাঁড়া – এ্যাঁ-এ্যাঁ...’
‘বললি খুব সোজা, তো অতো ভাবছিস কী?’
‘দাঁড়া না... হ্যাঁ শোন! একদিন না আমি একটা কুকুরের পেছনে লেগেছিলাম। কুকুরটা খপ করে আমার পা কামড়ে দিলে। এই দেখ এখনো দাগটা আছে।’
‘তা এর মধ্যে বানালি কী তুই?’ জিজ্ঞেস করল স্তাসিক।
‘কিছুই না। যা হয়েছিল তাই বললাম।’
‘তবে যে বড়ো বললি বানিয়ে বলার ওস্তাদ তুই।’
‘ওস্তাদ তো বটেই! তবে তোদের মত নয়। তোরা কেবল বাজে সময় নষ্ট করিস। আমি কাল যা বানিয়ে বানিয়ে বলেছি তার একেবারে হাতেনাতে ফল।’
‘কী রকম ফল?’
‘তবে শোন। কাল সন্ধ্যেবেলা না, মা-বাবা সব বেরিয়ে গিয়েছিল, ঘরে কেবল আমি আর ইরা। ইরা ঘুমিয়ে পড়ল। আমি আলমারি খুলে আধ বয়াম জ্যাম মেরে দিলাম। পরে ভাবলাম যদি ধরা পড়ি! করলাম কী, ইরাটার ঠোঁটে খানিকটা জ্যাম মাখিয়ে দিলাম। মা এসে বললে, “কে জ্যাম খেয়েছে?” আমি বললাম, “ইরা।” মা দেখল সত্যি ওর ঠোঁটে জ্যাম লেগে আছে। আজ সকালে মা-র কাছ থেকে বকুনি খেল ইরা আর আমায় আরো জ্যাম দিলো। দেখলি তো কেমন ফল!’
‘তার মানে তোর জন্য অন্য কেউ বকুনি খেল, আর তুই দাঁত ক্যালাচ্ছিস!’ মিশুৎকা বলে।
‘তাতে তোর কী?’
‘কিছুই না, তবে তুই হলি একটা... সেই যে কী বলে? ... একটা মিথ্যেবাদী! বুঝলি?’
‘তোরাই মিথ্যেবাদী!’
‘যা ভাগ এখান থেকে! তোর সাথে এক বেঞ্চিতে বসব না আমরা।’
‘তোদের সাথে বসতে আমার নিজেরই ভারি বয়ে গেছে!’
ইগোর উঠে চলে গেল। মিশুৎকা আর স্তাসিক ও বাড়ির পথ ধরল।
রাস্তায় দেখল আইসক্রীম বিক্রি হচ্ছে। পকেট হাতড়ে দেখতে লাগল ক’টা পয়সা আছে। দেখা গেল দু’জনের যা আছে তা মিলিয়ে কেবল একটি আইসক্রীমই কেনা যায়।
স্তাসিক বলল, ‘একটাই কিনি, আধাআধি করে খাব।’
দোকানী মেয়েটা একটা আইসক্রীম ওদের দিল।
মিশুৎকা বলল, ‘চল বাড়ি যাই, ছুরি দিয়ে কেটে ভাগ করব। একেবারে সমান সমান হবে।’
‘তাই চল।’
সিঁড়ির গোড়ায় দেখা গেল ইরা দাঁড়িয়ে আছে। কেঁদে কেঁদে চোখ ফোলা।
‘কাঁদছিস যে?’ জিজ্ঞেস করল মিশুৎকা।
‘মা আমায় রাস্থায় যেতে মানা করেছে।’
‘কেন?’
‘জ্যামের জন্যে। আমি কিন্তু খাই নি। ইগোর আমার নামে লাগিয়েছে। ওই খেয়েছে বোধ হয়, দোষ দিয়েছে আমার।’
মিশুৎকা বলল, ‘ইগোরই তো খেয়েছে। ও নিজেই বলেছে। কাঁদিস না ইরা, চল তোকে আমার ভাগের আইসক্রীম দেব, আয়।’
‘আর আমি তোকে দেব আমার ভাগ। একবার এই একটূখানি চেখেই দিয়ে দেব,’ কথা দিল স্তাসিক।
‘কেন, তোরা নিজেরা খাবি না?’
‘উঁহুঃ, মুখ মরে গেছে। মিশুৎকার সঙ্গে আজ আমি গোটা দশেক আইসক্রীম খেয়েছি, কিনা!’
ইরা বলে, ‘তার চেয়ে এক কাজ করি, তিনভাগ করা যাক আইসক্রীমকে।’
‘ঠিক বলেছিস!’ স্তাসিক বলল, ‘তুই যদি একাই সবটা খেয়ে নিস, তবে গলায় ঠান্ডা লেগে যেতে পারে, বুঝেছিস...’
ঘরে ফিরে তিন ভাগ করা হল আইসক্রীমটাকে।
মিশুৎকা বলল, ‘ভারি মিষ্টিরে! আইসক্রীম পেলে আর আমি কিছু চাই না। জানিস, একবার আমি পুরো এক বালতি আইসক্রীম খেয়েছিলাম।’
‘যতো বাজে কথা,’ হেসে উঠল ইরা, ‘এক বালতি আইসক্রীম খেয়েছ বললেই অমনি সবাই বিশ্বাস করবে আর কি!’
‘বারে, বালতিটা যে এইটুকুনি, কাগজের বালতি, যাতে করে আইসক্রীম বিক্রি হয়!’
সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই মে, ২০১০ বিকাল ৫:৩৮ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
দীপান্বিতা বলেছেন:
মন্তব্য আসছে না কেন! লেখক বলেছেন: ![]()
![]()
![]()
![]()
বারে! আপনারা বলুন! ওদিকে ছোটদের সামহোয়্যার ইন...এ গেলে ৫ /৬ টা মন্তব্য দেখছি! এখানে কেন আসছে না!![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
গ্রুপের মন্তব্য শূল পোষ্টে আসে না, আবার মূল পোষ্টের মন্তব্য গ্রুপ পোষ্টে দেখায় না। এটা পূরান সমস্যা।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
......তখন খুব সুন্দর সব বইও আসত! এখন যদিও বাচ্চাদের আরো নতুন ধরনের সব বই আসছে!
গ্রুপের এটা কিন্তু অদ্ভূত সমস্যা! ![]()
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, সুপ্তি!
.... রাশিয়ান ছোটদের গল্পগুলো থেকে কিন্তু সুন্দর কিছু শিক্ষা হয়! যদিও সব শিশু সাহিত্যের ক্ষেত্রেই এ কথা খাটে!
হাসান মাহবুব বলেছেন:
গল্প ছবি মিলিয়ে খুব দারুন!
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ...ধন্যবাদ!....... কি খবর! কেমন আছেন!! ![]()
মেঘ বলেছে যাবো যাবো বলেছেন:
খুব ভালো লাগলো দেবী! ছোটবেলায় রাশিয়ান রূপকথা/ উপকথা যত পড়েছি তত আর অন্য কিছু পড়িনি। লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, মেঘ! আমায় শুধু দীপা বললে খুব ভাল লাগবে... ![]()
ছোটবেলার বইগুলো পড়তে এখনও কি মজা লাগে, তাই না! ![]()
আকাশ অম্বর বলেছেন:
দারুণ! খুব দারুণ! অদ্ভুত ব্যাপার মনে হচ্ছে সবাই মন্তব্য না দিয়েই প্লাস দিয়ে কেটে পড়ছে! লেখক বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ...আপনার পোস্টটা দেখেই এটা দেওয়া! ![]()
সেই তো দেখছি! + টা যেমন দু’জায়গাতেই আসছে তেমনি মন্তব্যটা হলেও বেশ হত!
মে ঘ দূ ত বলেছেন:
শেষের দিকে বেশী মিষ্টি হয়ে গিয়েছে। বাচ্চারা ভেঁও ভেঁও কান্নার পর ফিঁক ফিঁক করে হাসলে যেরকম আভা ছড়ায় এই গল্পটাও সেরকম জ্যোতি ছড়াছে। আর গ্রুপে পোষ্ট করা পোষ্টগুলোর মন্তব্য এদিক ওদিক হয়ে যায়। এইটা সাইনের একটা বাগ। ওখানে মন্তব্য দিলে এখানে শো করে না। এখানে দিলে ওখানে শো করে না। আজব সমস্যা।
দারুণ হয়েছে দীপা দেবী। আপনার স্টকে এও আছে জানা ছিল না
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ...ধন্যবাদ! ![]()
আমার কিন্তু আগে মহাভারতটা দেওয়ার ইচ্ছে ছিল! ... তবে এটা আমার ছোটবেলার খুব প্রিয় একটা গল্প ![]()
তাজা কলম বলেছেন:
বেশ মজাদার তো! আপনার অনুবাদ?
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ...ধন্যবাদ! না, খালি টাইপ করেছি আর মাঝে বানিয়ে লিখেছি... ![]()
ভাঙ্গন বলেছেন:
দারুন লাগল দিদি।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ, ভাঙ্গন! ![]()
সিউল রায়হান বলেছেন:
ধূর....... শেষ হয়ে গেল কেন গল্পটা ??? চমৎকার লাগছিলো এই দেবদূতগুলির কথোপকথন চমৎকার গল্প দিদি...... দারুন জিনিস শেয়ার করেছেন..... কেমন আছেন ?? দিনকাল কেমন কাটছে ??
লেখক বলেছেন: যাক্! তোমার দেখা পাওয়া গেল! ![]()
অফিস চলছে কেমন! ওদিকে বৃষ্টি হচ্ছে! আমাদের এখানে তো ভ্যাপসা গরম! মাঝে একদিন একটু বৃষ্টি হয়ে গরমটা আরও সাঙ্ঘাতিক করেছে!
লেখক বলেছেন: আরে! না, সায়ন মুন! ওটা আছে...ওটা গ্রুপে চলে গেছে...ছোটদের সামহোয়্যার ইন...এ ![]()
মে ঘ দূ ত বলেছেন:
আপনার জন্য দুইটা অডিও আপলোড করছি। রবিঠাকুরকে নিয়ে একটা হয়েছে অন্যটা হচ্ছে। আশা করছি ভালো লাগবে।
লেখক বলেছেন: বাঃ! এক্ষুনী দেখতে যাচ্ছি... ![]()
লেখক বলেছেন: সায়েম মুন, সরি...সরি! আমি আমার মত করে টাইপ করে ফেলেছি!
সায়েম মুন, এবার ঠিক আছে তো! মন খারাপ নয়! ![]()
লেখক বলেছেন: শুনছি...... রেডিও অনুষ্ঠান! অন্য আমেজ!... অনেক ধন্যবাদ! পরেরটার লিঙ্কটাও দেবেন, কিন্তু! ![]()
নিমা বলেছেন:
চমৎকার
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ![]()
ফিনিক্সম্যান বলেছেন:
+
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ...ধন্যবাদ ![]()
লেখক বলেছেন: হাঃ...হাঃ! আমার সৌভাগ্য!
![]()
মে ঘ দূ ত বলেছেন:
এই নিন দ্বিতীয়টা। বছর চারেক আগে রবীন্দ্রজন্মজয়ন্তীতে Boishakh.com এর বানানো PodCast। মৃণালিনী দেবী, রবিঠাকুর আর কাদম্বরী দেবীকে নিয়ে। অদ্ভুত সুন্দর। যদিও প্রায় ঘন্টাখানেকের মতোন। তাও অনুতপ্ত হবেননা নিশ্চিন্ত থাকতে পারেনঃClick This Link Mrinalini for RobindroJoyonti.mp3
শুনে কেমন লাগলো জানালে ভালো লাগবে
শুনতে সমস্যা হলে জানাবেন।
লেখক বলেছেন: সতীনাথ মুখোপাধ্যায়ের "অনুভবে রবীন্দ্রনাথ" দারুন লাগল! ওনার মামার মত মানুষ এখনও আছে, কি বলেন!
লেখক বলেছেন: ডাউনলোডে দিচ্ছি...
লেখক বলেছেন: যাঃ! শেষ হয়ে গেল!...কি যে ভাল লাগছিলো!.....এটাও তো ১০মিনিট মত!......আপনি এগুলো পোস্ট দেবেন তো! আরো লিঙ্ক পেলে দেবেন, প্লিজ! ![]()
লেখক বলেছেন: অবশ্যই ...অবশ্যই! খুব ভাল লাগবে! .......আপনার আন্তজাল থেকেই নেওয়া! ![]()
আকাশ অম্বর বলেছেন:
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ...ধন্যবাদ! না, খালি টাইপ করেছি আর মাঝে বানিয়ে লিখেছি... - হুম। গ্রুপে ঝামেলা মনে হচ্ছে। এ্যারনের লেখাটা দু'বার পোষ্ট হয়ে গিয়েছিলো। ব্লগ আর গ্রুপ। আমি অবশ্য জানতাম না এই ঝামেলার ব্যাপারে। দুটো পোষ্ট চলে আসায় পরে গ্রুপেরটা মুছে দিয়েছি, কিন্তু ওটা গ্রুপে এখনও দেখাচ্ছে। কমেন্টের ঝামেলা তাই হয়নি মনে হচ্ছে।
লেখক বলেছেন: আপনার নতুন পোস্টটা পড়ছি...আর বোঝার চেষ্টা করছি অদ্ভূত ওই মানুষটাকে...
ধুর্! সবার কি আর কল্পনার জগৎ প্রকাশের ক্ষমতা থাকে! আমার পড়তে, জানতেই বেশি ভাল লাগে। নিজস্বতা খুবই কম! ![]()
জাতি জানতে চায় বলেছেন:
মজা পাইছি
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ![]()
রি য়া দ বলেছেন:
‘বারে, বালতিটা যে এইটুকুন.... গল্পটা এইটুকুন কেন?? মজা করে পড়ছিলাম আর দুম করে শেষ হয়ে গেলো লেখক বলেছেন: সেই তো!
..... এক কাজ করলে হয় না! এরপর থেকে আপনি একটু বলুন না! তারপর আমরাও বেশ টুকর টুকর করে গল্পটাকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারি, তাই না! ![]()
লেখক বলেছেন: হ্যা, শুনলাম...খুব খুব ভাল লেগেছে... অনেক অনেক ধন্যবাদ ![]()
মে ঘ দূ ত বলেছেন:
১০মিনিট মত! বলেন কি! ওটাতো ঘন্টাখানেকের মতো ছিল। একি অডিওর আরেকটা লিঙ্ক দিচ্ছি। দেখুন এইবার পুরোটা শুনতে পারেন কিনা
Click This Link
লেখক বলেছেন: হ্যা তো! দুটোই ১০মিনিটের মত! ঠিক আছে এটা ডাউনলোড করছি...... আপনি এরকম লিঙ্ক খুজ়ে পেলে আমায় অবশ্যই দেবেন, খুব খুব ভাল লাগবে... ![]()
লেখক বলেছেন: অপূর্ব! এটা দেড় ঘন্টার ছিল... দারুন লাগল! কাদম্বরী দেবী আর মৃনালিনী দেবীকে যেন চাক্ষুস দেখলাম! ....অনেক অনেক ধন্যবাদ!
মে ঘ দূ ত বলেছেন:
নাহ পোষ্ট দিব না। আপনার কথা ভেবেই আপলোড করেছি। তাই এইখানেই প্রথমে দিলাম। আপনাকে দেওয়ার পর অবশ্য অন্য জায়গায়ও লিঙ্ক দিয়ে এসেছি
লেখক বলেছেন: শুনে কি যে ভাল লাগছে! ...সৌভাগ্যবান মনে হচ্ছে!
....আমি কিন্তু আরও এমন সুন্দর লিঙ্ক আশা করব ![]()
নীলান্জনার খোজে বলেছেন:
খুব মজা পেয়েছি....
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ...ধন্যবাদ ![]()
শূণ্য উপত্যকা বলেছেন:
খুব সুন্দর হল+++++++++++++++++++
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, ধন্যবাদ !... ![]()
সিনসিয়ার বলেছেন:
ওহ্
লেখক বলেছেন: ![]()
অমিত চক্রবর্তী বলেছেন:
+++
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ![]()
রেজোওয়ানা বলেছেন:
খুব সুন্দর পিক্টোরিয়াল গল্প হয়েছে আপু, দারুন........
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ...ধন্যবাদ, রেজোওয়ানা! পুঁচকিটি কেমন আছে! বড় হলে ও-ও পড়বে আশা রাখি! ![]()
সোমহেপি বলেছেন:
+প্রিয়তে
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, সোমহেপি! ![]()
লেখক বলেছেন: অদ্ভূত! ......পড়ার চেষ্টা করছি!
প্লিজ আরও লিখুন!
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, রাত্রি২০১০! ![]()
আমারও ছোটবেলা এটা পড়ে এমনই মনে হত! তবে এটাকে কিন্তু আপনিও এগিয়ে নিয়ে যেতে পারেন!...এরপর কি হতে পারে একটু লিখুন না! ![]()
দীপা খুব খুব ভাল লাগল। এত চমৎকার করে বলে যাচ্ছিলেন ...
মনে হচ্ছে আরো অনেক বড় হলে ভাল লাগত।
আমার মনে হয় রূপকথা লিখা কিংবা অনুবাদ দীপারই কাজ।
সুতরাং ..............................
লেখক বলেছেন: তারার হাসি, কি যে অনুপ্রেরণা পেলাম!
...যদিও এটা আমার লেখা নয়! ......তবে একটা অনুবাদ দেবার ইচ্ছে আছে...এটা মহাভারতকে পদ্য থেকে গদ্যে ভারসন্ মত, বেশ অনেকদিন আগে লিখেছিলাম, এখন টাইপ করছি আপনাদের সাথে শেয়ার করার খুব ইচ্ছে হচ্ছে বলে!![]()
নীল ভোমরা বলেছেন:
আমরা যখন ছোট ছিলাম.... তখন ছোটদের জন্য সোভিয়েত রাশিয়া থেকে মজার মজার সব বই আসতো। এই বই-টাও তেমনি একটি বই...... খুব মজার সব গুলগপ্প! এই বইটা-সহ একই ধরনের বেশ কিছু বই এখনও সযতনে আমার বাড়ীর শো-কেসে রক্ষিত রয়েছে। বাড়ী গেলে নেড়েচেড়ে দেখি আর হারিয়ে যাওয়া ছোটবেলার কথা ফিল করি।
লেখক বলেছেন: আপনিতো একদম আমার কথা বলছেন!
আমার কাছে কিছু তেমন বই এখনও আছে, আমিও নেড়েচেড়ে দেখি আর খুব খুশি হই! ![]()
অন্ধ আগন্তুক বলেছেন:
নিকোলাই নোসভের একটা বই আমার কাছেও আছে। অনেকদিন পড়া হয় না।
আসলেই এই গল্পগুলো অসাধারণ............আপনার দেয়া গল্পটার মতোই। +
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ![]()
নিকোলাই নোসভের কোন গল্পটা আছে! শেয়ার করুন না আমাদের সাথে! খুব ভাল লাগবে... ![]()
আপনার অনুবাদগুলো অনেক দারুন লাগে দিদি.......
ছোটবেলাকে অনেক অনেক মিস করি.............
আর কোনদিন ফিরে আসবেনা সেই ৎসব মজার দিনগুলো
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, সত্যবাদী মনোবট!
ছোটবেলার দিনগুলো সত্যি খুব সুন্দর ছিল, ......তবে এই বয়সে সেদিনটা ফিরে আসলে ঠিক তেমন মজা হয়ত আর লাগবে না...এই বেশ, পিছনের সুন্দর দিনগুলোর দিকে তাকিয়ে নিজেকে খুব ভাগ্যবান মনে হয়, তাই না!![]()
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...

















