আমার প্রিয় পোস্ট

ছোটদের রাশিয়ান গল্পঃ খাঁটি সব আষাঢ়ে গপ্প -নিকোলাই নোসোভ

১৫ ই মে, ২০১০ বিকাল ৪:৪৮

শেয়ারঃ
0 5 0



বাগানের মধ্যে বেঞ্চিতে বসে ছিল মিশুৎকা আর স্তাসিক। গল্প করছিল।

তবে সে গল্প ঠিক অন্য ছেলেদের মতো নয়। খাঁটি সব আষাঢ়ে গল্প; কে হারে কে জেতে।

মিশুৎকা বললে, ‘বয়স কত রে তোর ছোঁড়া?’

‘পঁচানব্বুই। তোর?’



‘আমার একশ চল্লিশ। আগে আমি ছিলাম মস্ত বড়ো, বরিস কাকুর মতো। তারপর ছোটো হয়ে গেলাম।’



স্তাসিক বললে, ‘আর আমি ছিলাম এইটুকুন। তারপর বড়ো হয়ে গিয়ে ফের ছোট্ট হয়ে গিয়েছি। শিগগিরই আবার দেখবি বড়ো হয়ে যাবো।’

‘আর আমি যখন বড়ো ছিলাম, তখন গোটা নদীটা সাঁতরে চলে যেতাম।’

‘ফুঃ! আমি সাগর পেরতে পারতাম।’

‘ভারি তো সাগর! আমি মহাসমুদ্র সাঁতরে পেরিয়ে গেছি!’



‘মহাসমুদ্র সাঁতার ওতো সোজা!’

‘সত্যি! দুটো হাঙর পাশ দিয়ে যাচ্ছিল। একটা আমার পা দুটো খেয়ে নিল!’

‘তাহলে ও দুটো তোর কাছে আবার এলো কি ভাবে?’

‘গজাল আবার।’

‘তোফা ছাড়লি বটে,’ হিংসে হচ্ছিল স্তাসিকের। ইচ্ছে হল মিশুৎকার চেয়েও খাসা কিছু একটা বলে।



বললে, ‘তবে এ আর কী! আমি একবার না – গিয়েছিলাম আফ্রিকা। কুমীরে খেয়ে ফেলে আমায়।’

‘মিথ্যুক কোথাকার!’ মিশুৎকা হেসে উঠল।

‘মাইরি, সত্যি!’

‘তবে বেঁচে রইলি কী করে?’

‘পরে আমায় উগরে দিল যে!’

মিশুৎকা ভাবল একটু। ইচ্ছে ছিল স্তাসিককে ছাড়িয়ে যাবে। ভেবে ভেবে শেষ পর্যন্ত বললেঃ


‘একদিন জানিস, রাস্তা দিয়ে যাচ্ছি, চারি দিকে ট্রাম বাস লরি...’

স্তাসিক চেঁচিয়ে উঠল, ‘জানি, জানি। বলবি তো যে ট্রাম তোকে চাপা দিয়ে গেল। ও গপ্প তুই আগেই বলেছিস।’

‘মোটেই না, সে গপ্প নয়।’

‘বেশ, বল তা হলে কী হল।’



‘আমি তো চলেছি। গা বাঁচিইয়ে। হঠাৎ একটা বাস। লক্ষ্যই করি নি। পা দিয়ে মাড়াতেই – ব্যস, একেবারে চিঁড়েচ্যাপটা।’

‘হা, হা, হা, মিথ্যুক কাঁহিকার।’

‘মোটেই নয়।’

‘বাস তুই পা দিয়ে চেপেছিস! তাই কখনও হয়?’

‘বাসটা যে একেবারে এই টুকুনি, খেলনা বাস! দড়ি দিয়ে টেনে নিয়ে যাচ্ছিল একটা ছেলে।’



এই সময় এল পড়শীদের ছেলে ইগোর; বেঞ্চিতেই বসলো ওদের সঙ্গে।

মিশুৎকা আর স্তাসিকের গপ্প শুনেটুনে বললেঃ
‘গুল মারছিস, লজ্জাও করে না!’

স্তাসিক বললে, ‘আমরা তো কাউকে ধাপ্পা দিচ্ছি না, বানিয়ে বানিয়ে বলছি শুধু, গপ্প বলার মতো।’

‘গপ্প!’ মুখ বাঁকাল ইগোর, ‘ভারি কাজ জুটিয়েছিস বটে!’

‘তুই কি ভাবিস বানিয়ে বানিয়ে বলা খুব সহজ বুঝি?’

‘নয়ত কী!’

‘বেশ, বানিয়ে বল দেখি একটা।’

ইগোর বললে, ‘বেশ তো... দাঁড়া...’

মিশুৎকা আর স্তাসিক নড়ে চড়ে বসল শুনতে।

‘দাঁড়া... এ্যাঁ-এ্যাঁ... হুঁ... হুম... এ্যাঁ-এ্যাঁ...’

‘কী বল! এ্যাঁ-এ্যাঁ করছিস কেন।’

‘দাঁড়া, একটু ভেবে নিই।’

‘বেশ ভেবে নে।’

‘এ্যাঁ-এ্যাঁ-এ্যাঁ,’ ফের শুরু করল ইগোর, আকাশের দিকে তাকাল, ‘দাঁড়া – এ্যাঁ-এ্যাঁ...’

‘বললি খুব সোজা, তো অতো ভাবছিস কী?’



‘দাঁড়া না... হ্যাঁ শোন! একদিন না আমি একটা কুকুরের পেছনে লেগেছিলাম। কুকুরটা খপ করে আমার পা কামড়ে দিলে। এই দেখ এখনো দাগটা আছে।’

‘তা এর মধ্যে বানালি কী তুই?’ জিজ্ঞেস করল স্তাসিক।

‘কিছুই না। যা হয়েছিল তাই বললাম।’

‘তবে যে বড়ো বললি বানিয়ে বলার ওস্তাদ তুই।’

‘ওস্তাদ তো বটেই! তবে তোদের মত নয়। তোরা কেবল বাজে সময় নষ্ট করিস। আমি কাল যা বানিয়ে বানিয়ে বলেছি তার একেবারে হাতেনাতে ফল।’

‘কী রকম ফল?’



‘তবে শোন। কাল সন্ধ্যেবেলা না, মা-বাবা সব বেরিয়ে গিয়েছিল, ঘরে কেবল আমি আর ইরা। ইরা ঘুমিয়ে পড়ল। আমি আলমারি খুলে আধ বয়াম জ্যাম মেরে দিলাম। পরে ভাবলাম যদি ধরা পড়ি! করলাম কী, ইরাটার ঠোঁটে খানিকটা জ্যাম মাখিয়ে দিলাম। মা এসে বললে, “কে জ্যাম খেয়েছে?” আমি বললাম, “ইরা।” মা দেখল সত্যি ওর ঠোঁটে জ্যাম লেগে আছে। আজ সকালে মা-র কাছ থেকে বকুনি খেল ইরা আর আমায় আরো জ্যাম দিলো। দেখলি তো কেমন ফল!’

‘তার মানে তোর জন্য অন্য কেউ বকুনি খেল, আর তুই দাঁত ক্যালাচ্ছিস!’ মিশুৎকা বলে।

‘তাতে তোর কী?’

‘কিছুই না, তবে তুই হলি একটা... সেই যে কী বলে? ... একটা মিথ্যেবাদী! বুঝলি?’

‘তোরাই মিথ্যেবাদী!’



‘যা ভাগ এখান থেকে! তোর সাথে এক বেঞ্চিতে বসব না আমরা।’

‘তোদের সাথে বসতে আমার নিজেরই ভারি বয়ে গেছে!’

ইগোর উঠে চলে গেল। মিশুৎকা আর স্তাসিক ও বাড়ির পথ ধরল।

রাস্তায় দেখল আইসক্রীম বিক্রি হচ্ছে। পকেট হাতড়ে দেখতে লাগল ক’টা পয়সা আছে। দেখা গেল দু’জনের যা আছে তা মিলিয়ে কেবল একটি আইসক্রীমই কেনা যায়।

স্তাসিক বলল, ‘একটাই কিনি, আধাআধি করে খাব।’

দোকানী মেয়েটা একটা আইসক্রীম ওদের দিল।

মিশুৎকা বলল, ‘চল বাড়ি যাই, ছুরি দিয়ে কেটে ভাগ করব। একেবারে সমান সমান হবে।’

‘তাই চল।’



সিঁড়ির গোড়ায় দেখা গেল ইরা দাঁড়িয়ে আছে। কেঁদে কেঁদে চোখ ফোলা।

‘কাঁদছিস যে?’ জিজ্ঞেস করল মিশুৎকা।

‘মা আমায় রাস্থায় যেতে মানা করেছে।’

‘কেন?’

‘জ্যামের জন্যে। আমি কিন্তু খাই নি। ইগোর আমার নামে লাগিয়েছে। ওই খেয়েছে বোধ হয়, দোষ দিয়েছে আমার।’

মিশুৎকা বলল, ‘ইগোরই তো খেয়েছে। ও নিজেই বলেছে। কাঁদিস না ইরা, চল তোকে আমার ভাগের আইসক্রীম দেব, আয়।’

‘আর আমি তোকে দেব আমার ভাগ। একবার এই একটূখানি চেখেই দিয়ে দেব,’ কথা দিল স্তাসিক।

‘কেন, তোরা নিজেরা খাবি না?’

‘উঁহুঃ, মুখ মরে গেছে। মিশুৎকার সঙ্গে আজ আমি গোটা দশেক আইসক্রীম খেয়েছি, কিনা!’



ইরা বলে, ‘তার চেয়ে এক কাজ করি, তিনভাগ করা যাক আইসক্রীমকে।’

‘ঠিক বলেছিস!’ স্তাসিক বলল, ‘তুই যদি একাই সবটা খেয়ে নিস, তবে গলায় ঠান্ডা লেগে যেতে পারে, বুঝেছিস...’

ঘরে ফিরে তিন ভাগ করা হল আইসক্রীমটাকে।

মিশুৎকা বলল, ‘ভারি মিষ্টিরে! আইসক্রীম পেলে আর আমি কিছু চাই না। জানিস, একবার আমি পুরো এক বালতি আইসক্রীম খেয়েছিলাম।’

‘যতো বাজে কথা,’ হেসে উঠল ইরা, ‘এক বালতি আইসক্রীম খেয়েছ বললেই অমনি সবাই বিশ্বাস করবে আর কি!’

‘বারে, বালতিটা যে এইটুকুনি, কাগজের বালতি, যাতে করে আইসক্রীম বিক্রি হয়!’

 

সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই মে, ২০১০ বিকাল ৫:৩৮ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

২. ১৫ ই মে, ২০১০ বিকাল ৫:২৭
ফয়সল নোই বলেছেন:
এখন কি অবস্থা দেখি । মন্তব্য কোথায় যায়!
১৫ ই মে, ২০১০ বিকাল ৫:৩১

লেখক বলেছেন: :((:((:((:((:((বারে! আপনারা বলুন! ওদিকে ছোটদের সামহোয়্যার ইন...এ গেলে ৫ /৬ টা মন্তব্য দেখছি! এখানে কেন আসছে না!:((:((:((:((:((

৩. ১৫ ই মে, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৫০
ক্যামেরাম্যান বলেছেন: ছোটবেলায় এইনব রাশান গল্পের বই খূব সূলভ ছিল। এখন দাম বেশ চড়া।

গ্রুপের মন্তব্য শূল পোষ্টে আসে না, আবার মূল পোষ্টের মন্তব্য গ্রুপ পোষ্টে দেখায় না। এটা পূরান সমস্যা।
১৬ ই মে, ২০১০ বিকাল ৫:৫৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ :) ......তখন খুব সুন্দর সব বইও আসত! এখন যদিও বাচ্চাদের আরো নতুন ধরনের সব বই আসছে!

গ্রুপের এটা কিন্তু অদ্ভূত সমস্যা! :(

৪. ১৫ ই মে, ২০১০ রাত ৯:০০
বাবুনি সুপ্তি বলেছেন: আমি এই গল্প টা পড়েছিলাম অনেক আগে। পিচ্চি বেলায়। আবার পড়লাম। দারুন লাগল :) থ্যাঙ্কু আপু বার মনে করিয়ে দেয়ার জন্য। কিউট একটা গল্প। :)
১৬ ই মে, ২০১০ বিকাল ৫:৫৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, সুপ্তি! :) .... রাশিয়ান ছোটদের গল্পগুলো থেকে কিন্তু সুন্দর কিছু শিক্ষা হয়! যদিও সব শিশু সাহিত্যের ক্ষেত্রেই এ কথা খাটে!

১৬ ই মে, ২০১০ বিকাল ৫:৪৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ...ধন্যবাদ!....... কি খবর! কেমন আছেন!! :)

৬. ১৫ ই মে, ২০১০ রাত ১১:২৭
মেঘ বলেছে যাবো যাবো বলেছেন: খুব ভালো লাগলো দেবী! ছোটবেলায় রাশিয়ান রূপকথা/ উপকথা যত পড়েছি তত আর অন্য কিছু পড়িনি। :)
১৬ ই মে, ২০১০ বিকাল ৫:৪৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, মেঘ! আমায় শুধু দীপা বললে খুব ভাল লাগবে... :)

ছোটবেলার বইগুলো পড়তে এখনও কি মজা লাগে, তাই না! :D

৭. ১৬ ই মে, ২০১০ রাত ৩:৩১
আকাশ অম্বর বলেছেন: দারুণ! খুব দারুণ! অদ্ভুত ব্যাপার মনে হচ্ছে সবাই মন্তব্য না দিয়েই প্লাস দিয়ে কেটে পড়ছে! B-) সব মন্তব্য গ্রুপে জমা হচ্ছে বুঝি! #:-S


১৬ ই মে, ২০১০ বিকাল ৫:৪৩

লেখক বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ...আপনার পোস্টটা দেখেই এটা দেওয়া! :)

সেই তো দেখছি! + টা যেমন দু’জায়গাতেই আসছে তেমনি মন্তব্যটা হলেও বেশ হত!

৮. ১৬ ই মে, ২০১০ রাত ৩:৫১
মে ঘ দূ ত বলেছেন: শেষের দিকে বেশী মিষ্টি হয়ে গিয়েছে। বাচ্চারা ভেঁও ভেঁও কান্নার পর ফিঁক ফিঁক করে হাসলে যেরকম আভা ছড়ায় এই গল্পটাও সেরকম জ্যোতি ছড়াছে।

আর গ্রুপে পোষ্ট করা পোষ্টগুলোর মন্তব্য এদিক ওদিক হয়ে যায়। এইটা সাইনের একটা বাগ। ওখানে মন্তব্য দিলে এখানে শো করে না। এখানে দিলে ওখানে শো করে না। আজব সমস্যা।

দারুণ হয়েছে দীপা দেবী। আপনার স্টকে এও আছে জানা ছিল না :)। আরো পাবো আশা করি।
১৬ ই মে, ২০১০ বিকাল ৫:৪১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ...ধন্যবাদ! :D

আমার কিন্তু আগে মহাভারতটা দেওয়ার ইচ্ছে ছিল! ... তবে এটা আমার ছোটবেলার খুব প্রিয় একটা গল্প :)

৯. ১৬ ই মে, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:১৩
তাজা কলম বলেছেন: বেশ মজাদার তো! আপনার অনুবাদ?
১৬ ই মে, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৩০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ...ধন্যবাদ! না, খালি টাইপ করেছি আর মাঝে বানিয়ে লিখেছি... :)

১৬ ই মে, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৪৪

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ, ভাঙ্গন! :)

১১. ১৬ ই মে, ২০১০ রাত ৮:৪৮
সিউল রায়হান বলেছেন: ধূর....... শেষ হয়ে গেল কেন গল্পটা ??? চমৎকার লাগছিলো এই দেবদূতগুলির কথোপকথন B-) B-)

চমৎকার গল্প দিদি...... দারুন জিনিস শেয়ার করেছেন..... কেমন আছেন ?? দিনকাল কেমন কাটছে ?? :)
১৬ ই মে, ২০১০ রাত ৮:৫৫

লেখক বলেছেন: যাক্‌! তোমার দেখা পাওয়া গেল! :)
অফিস চলছে কেমন! ওদিকে বৃষ্টি হচ্ছে! আমাদের এখানে তো ভ্যাপসা গরম! মাঝে একদিন একটু বৃষ্টি হয়ে গরমটা আরও সাঙ্ঘাতিক করেছে!

১২. ১৬ ই মে, ২০১০ রাত ৯:২২
সায়েম মুন বলেছেন:
এই পোষ্টেতো একটা কমেন্ট করছিলাম কালকে। ডিলিট হইলো ক্যামতে। জবাব চাই দিতাভে:(
১৬ ই মে, ২০১০ রাত ৯:৩৩

লেখক বলেছেন: আরে! না, সায়ন মুন! ওটা আছে...ওটা গ্রুপে চলে গেছে...ছোটদের সামহোয়্যার ইন...এ :)

১৩. ১৬ ই মে, ২০১০ রাত ৯:৪৪
মে ঘ দূ ত বলেছেন: আপনার জন্য দুইটা অডিও আপলোড করছি। রবিঠাকুরকে নিয়ে :)

একটা হয়েছে অন্যটা হচ্ছে। আশা করছি ভালো লাগবে।
১৬ ই মে, ২০১০ রাত ৯:৪৮

লেখক বলেছেন: বাঃ! এক্ষুনী দেখতে যাচ্ছি... :)

১৪. ১৬ ই মে, ২০১০ রাত ৯:৫৪
সায়েম মুন বলেছেন:
দীপান্বিতা দি আমার নামটা ভুল করলেন। মন খারাপ হয়ে গেল।
১৬ ই মে, ২০১০ রাত ১০:১০

লেখক বলেছেন: সায়েম মুন, সরি...সরি! আমি আমার মত করে টাইপ করে ফেলেছি!:P

সায়েম মুন, এবার ঠিক আছে তো! মন খারাপ নয়! :)

১৫. ১৬ ই মে, ২০১০ রাত ১০:০১
মে ঘ দূ ত বলেছেন: প্রথমটা শুনুনঃ

সতীনাথ মুখোপাধ্যায়ের "অনুভবে রবীন্দ্রনাথ"

Click This Link
১৬ ই মে, ২০১০ রাত ১০:২২

লেখক বলেছেন: শুনছি...... রেডিও অনুষ্ঠান! অন্য আমেজ!... অনেক ধন্যবাদ! পরেরটার লিঙ্কটাও দেবেন, কিন্তু! :)

১৬ ই মে, ২০১০ রাত ১০:২৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ :)

১৬ ই মে, ২০১০ রাত ১০:২৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ...ধন্যবাদ :)

১৮. ১৬ ই মে, ২০১০ রাত ১০:২৪
সায়েম মুন বলেছেন:
ওক্কে ঠিকাছে!
পিচ্চি পাচ্চারা নামের বানান ভুল একদম সইয্য করতে পারে না B-)
১৬ ই মে, ২০১০ রাত ১০:৩২

লেখক বলেছেন: হাঃ...হাঃ! আমার সৌভাগ্য! ;)

১৯. ১৬ ই মে, ২০১০ রাত ১০:৩৩
মে ঘ দূ ত বলেছেন: এই নিন দ্বিতীয়টা। বছর চারেক আগে রবীন্দ্রজন্মজয়ন্তীতে Boishakh.com এর বানানো PodCast। মৃণালিনী দেবী, রবিঠাকুর আর কাদম্বরী দেবীকে নিয়ে। অদ্ভুত সুন্দর। যদিও প্রায় ঘন্টাখানেকের মতোন। তাও অনুতপ্ত হবেননা নিশ্চিন্ত থাকতে পারেনঃ

Click This Link Mrinalini for RobindroJoyonti.mp3

শুনে কেমন লাগলো জানালে ভালো লাগবে :)

শুনতে সমস্যা হলে জানাবেন।
১৬ ই মে, ২০১০ রাত ১০:৩৮

লেখক বলেছেন: সতীনাথ মুখোপাধ্যায়ের "অনুভবে রবীন্দ্রনাথ" দারুন লাগল! ওনার মামার মত মানুষ এখনও আছে, কি বলেন!

১৬ ই মে, ২০১০ রাত ১০:৪০

লেখক বলেছেন: ডাউনলোডে দিচ্ছি...

১৬ ই মে, ২০১০ রাত ১০:৫৮

লেখক বলেছেন: যাঃ! শেষ হয়ে গেল!...কি যে ভাল লাগছিলো!.....এটাও তো ১০মিনিট মত!......আপনি এগুলো পোস্ট দেবেন তো! আরো লিঙ্ক পেলে দেবেন, প্লিজ! :)

২১. ১৬ ই মে, ২০১০ রাত ১০:৪৩
সায়েম মুন বলেছেন:
আহা ছবিটা পছন্দ হয়েছে দি। নিয়ে নিলাম কিন্তু। পরবর্তী কোন এক পোষ্টে দিয়ে দিবো:)
১৬ ই মে, ২০১০ রাত ১০:৫৩

লেখক বলেছেন: অবশ্যই ...অবশ্যই! খুব ভাল লাগবে! .......আপনার আন্তজাল থেকেই নেওয়া! :P

২২. ১৬ ই মে, ২০১০ রাত ১১:০৯
আকাশ অম্বর বলেছেন: লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ...ধন্যবাদ! না, খালি টাইপ করেছি আর মাঝে বানিয়ে লিখেছি... - :) এবার একটা রূপকথা পুরোটা বানিয়ে লিখে ফেলো দিদি। অদ্ভুত হবে বোঝাই যায়। অনুবাদ কোরে ফেলো যেকোন একটা তোমার ইচ্ছেমতন। দারুণ হবে।

হুম। গ্রুপে ঝামেলা মনে হচ্ছে। এ্যারনের লেখাটা দু'বার পোষ্ট হয়ে গিয়েছিলো। ব্লগ আর গ্রুপ। আমি অবশ্য জানতাম না এই ঝামেলার ব্যাপারে। দুটো পোষ্ট চলে আসায় পরে গ্রুপেরটা মুছে দিয়েছি, কিন্তু ওটা গ্রুপে এখনও দেখাচ্ছে। কমেন্টের ঝামেলা তাই হয়নি মনে হচ্ছে।
১৬ ই মে, ২০১০ রাত ১১:২১

লেখক বলেছেন: আপনার নতুন পোস্টটা পড়ছি...আর বোঝার চেষ্টা করছি অদ্ভূত ওই মানুষটাকে...

ধুর্‌! সবার কি আর কল্পনার জগৎ প্রকাশের ক্ষমতা থাকে! আমার পড়তে, জানতেই বেশি ভাল লাগে। নিজস্বতা খুবই কম! :(

১৭ ই মে, ২০১০ বিকাল ৪:১৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ:)

২৪. ১৭ ই মে, ২০১০ রাত ১২:০৭
রি য়া দ বলেছেন: ‘বারে, বালতিটা যে এইটুকুন.... গল্পটা এইটুকুন কেন?? মজা করে পড়ছিলাম আর দুম করে শেষ হয়ে গেলো :( X(
১৭ ই মে, ২০১০ বিকাল ৪:১৯

লেখক বলেছেন: সেই তো! :( ..... এক কাজ করলে হয় না! এরপর থেকে আপনি একটু বলুন না! তারপর আমরাও বেশ টুকর টুকর করে গল্পটাকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারি, তাই না! :)

১৭ ই মে, ২০১০ বিকাল ৪:২০

লেখক বলেছেন: হ্যা, শুনলাম...খুব খুব ভাল লেগেছে... অনেক অনেক ধন্যবাদ :)

২৬. ১৭ ই মে, ২০১০ সকাল ৮:৩১
মে ঘ দূ ত বলেছেন: ১০মিনিট মত! বলেন কি! ওটাতো ঘন্টাখানেকের মতো ছিল।

একি অডিওর আরেকটা লিঙ্ক দিচ্ছি। দেখুন এইবার পুরোটা শুনতে পারেন কিনা

Click This Link
১৭ ই মে, ২০১০ বিকাল ৪:২২

লেখক বলেছেন: হ্যা তো! দুটোই ১০মিনিটের মত! ঠিক আছে এটা ডাউনলোড করছি...... আপনি এরকম লিঙ্ক খুজ়ে পেলে আমায় অবশ্যই দেবেন, খুব খুব ভাল লাগবে... :)

১৭ ই মে, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:১৮

লেখক বলেছেন: অপূর্ব! এটা দেড় ঘন্টার ছিল... দারুন লাগল! কাদম্বরী দেবী আর মৃনালিনী দেবীকে যেন চাক্ষুস দেখলাম! ....অনেক অনেক ধন্যবাদ!

২৭. ১৭ ই মে, ২০১০ সকাল ৮:৩৩
মে ঘ দূ ত বলেছেন: নাহ পোষ্ট দিব না। আপনার কথা ভেবেই আপলোড করেছি। তাই এইখানেই প্রথমে দিলাম।

আপনাকে দেওয়ার পর অবশ্য অন্য জায়গায়ও লিঙ্ক দিয়ে এসেছি :)। আপনার কারণে অন্যরাও শুনতে পাবে।
১৭ ই মে, ২০১০ বিকাল ৪:২৬

লেখক বলেছেন: শুনে কি যে ভাল লাগছে! ...সৌভাগ্যবান মনে হচ্ছে!8-| ....আমি কিন্তু আরও এমন সুন্দর লিঙ্ক আশা করব :)

১৭ ই মে, ২০১০ বিকাল ৫:৫১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ...ধন্যবাদ :)

১৯ শে মে, ২০১০ দুপুর ১২:২৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, ধন্যবাদ !... :)

১৯ শে মে, ২০১০ দুপুর ১২:২৮

লেখক বলেছেন: :)

১৯ শে মে, ২০১০ দুপুর ১২:২৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ :)

৩২. ১৯ শে মে, ২০১০ দুপুর ১২:৪৬
রেজোওয়ানা বলেছেন: খুব সুন্দর পিক্টোরিয়াল গল্প হয়েছে আপু, দারুন........
১৯ শে মে, ২০১০ দুপুর ১২:৫৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ...ধন্যবাদ, রেজোওয়ানা! পুঁচকিটি কেমন আছে! বড় হলে ও-ও পড়বে আশা রাখি! :)

২০ শে মে, ২০১০ দুপুর ১২:১৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, সোমহেপি! :D

৩৪. ২৩ শে মে, ২০১০ ভোর ৪:৩২
ডলুপূত্র বলেছেন: আমারটা কিন্তু প্রাপ্ত বয়স্কদের...

Click This Link
২৪ শে মে, ২০১০ বিকাল ৩:৫৮

লেখক বলেছেন: অদ্ভূত! ......পড়ার চেষ্টা করছি!

৩৫. ২৩ শে মে, ২০১০ সকাল ১১:২০
রাত্রি২০১০ বলেছেন: চমৎকার। পড়তে পড়তে ছেলেবেলায় চলে গেলাম প্রায়-এমন সময় গল্প শেষ--আমিও বর্তমানে আটকে রইলুম! :(
প্লিজ আরও লিখুন! :)
২৪ শে মে, ২০১০ বিকাল ৩:৫৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, রাত্রি২০১০! :)

আমারও ছোটবেলা এটা পড়ে এমনই মনে হত! তবে এটাকে কিন্তু আপনিও এগিয়ে নিয়ে যেতে পারেন!...এরপর কি হতে পারে একটু লিখুন না! :)

৩৬. ২৩ শে মে, ২০১০ বিকাল ৫:১৭
তারার হাসি বলেছেন:
দীপা খুব খুব ভাল লাগল। এত চমৎকার করে বলে যাচ্ছিলেন ...
মনে হচ্ছে আরো অনেক বড় হলে ভাল লাগত।
আমার মনে হয় রূপকথা লিখা কিংবা অনুবাদ দীপারই কাজ।
সুতরাং ..............................
২৪ শে মে, ২০১০ বিকাল ৩:৪৩

লেখক বলেছেন: তারার হাসি, কি যে অনুপ্রেরণা পেলাম! :) ...যদিও এটা আমার লেখা নয়! ......তবে একটা অনুবাদ দেবার ইচ্ছে আছে...এটা মহাভারতকে পদ্য থেকে গদ্যে ভারসন্‌ মত, বেশ অনেকদিন আগে লিখেছিলাম, এখন টাইপ করছি আপনাদের সাথে শেয়ার করার খুব ইচ্ছে হচ্ছে বলে!:``>>

৩৭. ২৪ শে মে, ২০১০ বিকাল ৪:০৬
নীল ভোমরা বলেছেন: আমরা যখন ছোট ছিলাম.... তখন ছোটদের জন্য সোভিয়েত রাশিয়া থেকে মজার মজার সব বই আসতো। এই বই-টাও তেমনি একটি বই...... খুব মজার সব গুলগপ্প! এই বইটা-সহ একই ধরনের বেশ কিছু বই এখনও সযতনে আমার বাড়ীর শো-কেসে রক্ষিত রয়েছে। বাড়ী গেলে নেড়েচেড়ে দেখি আর হারিয়ে যাওয়া ছোটবেলার কথা ফিল করি।
২৪ শে মে, ২০১০ বিকাল ৪:১৭

লেখক বলেছেন: আপনিতো একদম আমার কথা বলছেন! :D
আমার কাছে কিছু তেমন বই এখনও আছে, আমিও নেড়েচেড়ে দেখি আর খুব খুশি হই! :)

৩৮. ১৩ ই জুন, ২০১০ বিকাল ৩:১৪
অন্ধ আগন্তুক বলেছেন:
নিকোলাই নোসভের একটা বই আমার কাছেও আছে। অনেকদিন পড়া হয় না।
আসলেই এই গল্পগুলো অসাধারণ............আপনার দেয়া গল্পটার মতোই। +
১৩ ই জুন, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:০৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ :)

নিকোলাই নোসভের কোন গল্পটা আছে! শেয়ার করুন না আমাদের সাথে! খুব ভাল লাগবে... :)

৩৯. ২১ শে জুন, ২০১১ রাত ১১:০৭
সত্যবাদী মনোবট বলেছেন:
আপনার অনুবাদগুলো অনেক দারুন লাগে দিদি....... :)

ছোটবেলাকে অনেক অনেক মিস করি............. :(

আর কোনদিন ফিরে আসবেনা সেই ৎসব মজার দিনগুলো


২৬ শে জুন, ২০১১ রাত ৯:৫১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, সত্যবাদী মনোবট!:)

ছোটবেলার দিনগুলো সত্যি খুব সুন্দর ছিল, ......তবে এই বয়সে সেদিনটা ফিরে আসলে ঠিক তেমন মজা হয়ত আর লাগবে না...এই বেশ, পিছনের সুন্দর দিনগুলোর দিকে তাকিয়ে নিজেকে খুব ভাগ্যবান মনে হয়, তাই না!:)

 

মোট সময় লেগেছে ১.১১৯৪ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই