আমার প্রিয় পোস্ট

শুভ শক্তির ঐক্য প্রয়োজন

১০ ই অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ২:১১

শেয়ার করুন:                   Facebook

গত কালকের(৯ অক্টোবর)একটি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত হয়েছে যে, জাতীয় বুদ্ধিজীবি কবরস্থানের প্রায় আড়াই বিঘা জায়গা সরকার আঞ্জুমানে মফিদুল ইসলামকে দিয়ে দিচ্ছে । আঞ্জুমানে মুফিদুল ইসলাম একটি সেবাদানকারি প্রতিষ্ঠান । যারা বেওয়ারিশ লাশের দাফন কাজ একচ্ছত্রভাবে করে বেড়ায় । নগরীতে কারা বেওয়ারিশ হয় সে ব্যাপারে আশাকরি সবারই একটা ধারনা আছে ।এ ব্যাপারে নতুন কিছু বলার নেই ।শুধু বলার আছে জাতীয় বুদ্ধিজীবি কবরস্থান নিয়ে । আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দেশবরেন্য লেখক বুদ্ধিজীবি আহমদ ছফা লোকান্তরিত হলেন ।সঙ্গত কারনেই আহমদ ছফার মরদেহ বুদ্ধিজীবি কবরস্থানে সমাহিত করার জন্য নেয়া হলো ।কিন্তু মুক্তিযুদ্ধের লিজ নেয়া একমাত্র রাজনৈতিক দলের দুজন নেতা.. .এরমধ্যে একজন মুক্তিযোদ্ধা সংসদের মুক্তিযোদ্ধাকরনের সোল এজেন্ট.. তারা বললেন,ছফা নামে কাউকেতো চিনিনা।সে আবার মুক্তিযুদ্ধ করেছে নাকি ?অথচ তার ক'দিন আগে প্রয়াত নীলিমা ইব্রাহিম মুক্তিযুদ্ধে আহমদ ছফার অবদান নিয়ে একটি কলাম লিখেছিলেন ।আমাদের দেশের অধিকাংশ রাজনীতিকরা যে পত্রিকা পড়েন না ওই ঘটনার মধ্য দিয়ে সেটা আরও দৃঢ়ভাবে প্রতীয়মান হয়েছিলো । যাক সেসব এত পবিত্র একটি স্থানে এখন বেওয়ারিশ রাজাকারও হতে পারবে। এটা হলে আঞ্জুমানে মুফিদুলইসলামের হাত ধরে নিজামী,মুজাহিদদের মতো বুদ্ধিজীবিদের ঘাতক হিসাবে পরিচিতরা এ পবিত্র জায়গায় সহজেই স্থান পাবে যেমন পাবে ছিচকে সন্ত্রাসী, নেশাখোররা।সত্যি যদি এ কাজটা হয় তাহলে মুক্তিযুদ্ধের মূল্যবোধের প্রতি মারাত্মক রকমের অবহেলা প্রদর্শণ করা হবে । তাই শুরু থেকেই এর প্রতিবাদ করা দরকার ।সোচ্চার হওয়া দরকার সব শুভ শক্তির একসাথে-একপ্রানে।

 

 

  • ১১ টি মন্তব্য
  • ১৬৪ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ৩ জনের ভাল লেগেছে, ৯ জনের ভাল লাগেনি
১. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ২:৫৬
comment by: নাজনীন খলিল বলেছেন: লেখকের সাথে সহমত পোষণ করছি। এটা কিছুতেই হতে দেওয়া যায়না।সহমতপোষণকারী বন্ধুরা এর তীব্র প্রতিবাদ করবেন বলে আশা করি।
লেখককে অনেক ধন্যবাদ যথাসময়ে এই ব্যাপারটি আমাদের গোচরে আনার জন্য।
২. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ২:৫৯
comment by: রাগিব বলেছেন: আপনার কথার সাথে একেবারেই একমত হতে পারছি না। বেওয়ারিশ লাশ হয় কেবল ছিচকে নেশাখোরেরা - একথা বলে আপনি প্রচন্ড বাজে মানসিকতার পরিচয় দিলেন। প্রতিদিন প্রচুর মানুষ ঢাকা সহ সারা দেশে মারা যাচ্ছে, নাম পরিচয়বিহীন অনেকেরই পরিবার পরিজনেরা খবরও পাচ্ছে না। আঞ্জুমানে মফিদুল ইসলামের মতো একটি সম্পূর্ণ সেবামূলক প্রতিষ্ঠান আছে বলেই এসব মানুষদের কবরের ব্যবস্থা হচ্ছে।

আর এর সাথে মুক্তিযুদ্ধকে জড়িয়ে ফেলাটাও আপত্তিকর।
৩. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৩:০১
comment by: সানশাইনশুভ বলেছেন: "যারা বেওয়ারিশ লাশের দাফন কাজ একচ্ছত্রভাবে করে বেড়ায় " -যথেষ্ট সুনামের সাথেই তারা এ কাজ করছে।
Click This Link

"নগরীতে কারা বেওয়ারিশ হয় সে ব্যাপারে আশাকরি সবারই একটা ধারনা আছে "-কারা হয়?
কিছুদিন আগে একটি চানেল এ বিষয়ে একটি প্রতিবেদন
http://www.rongila.com/content/view/777/86/

লেখার পরবতি (রেফ হবে) অংশের সাথে সহমত।
৪. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৩:১০
comment by: রাগিব বলেছেন: Click This Link

Click This Link

এই খবরদুটি দেখুন। লঞ্চডুবিতে মারা যাওয়া ব্যক্তিদের কবরের স্থান দিতে সমস্যা আছে কোনো??
৫. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৩:১৪
comment by: নকীবুল বারী বলেছেন: বেওয়ারিশ লাশের প্রতি মারাত্মক অবমাননা...সর্বোপরি মানুষের প্রতি অবমাননার পরিচয় দিয়েছেন লেখক এই পোষ্ট..............নেশাখোর, ছিচকে সন্ত্রাসী এ ধরনের জনগোষ্ঠী কারা তৈরী করে.....তাদের মৌলিক অধিকার রয়েছে নিজস্ব ধর্মানুযায়ী শেষকৃত্য করার....বুদ্ধিজিবীরা কি বাল ছিড়ে......পেটের দায়ে চামচামি করতেই ওদের দিন যায়.....বড় বড় কলাম লেইখাই মনে করে ওগো দায়িত্ব শেষ............
৬. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৩:২০
comment by: রহস্য বলেছেন: ছাগলামী পোস্টে কষে মাইনাস।পাচাটা বুদ্ধিজীবিদের চেয়ে বেওয়ারিশ দরিদ্ররা অনেক ভালো।

কয়েকটা মাইনাস দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।ভাই আমার পক্ষ থেকে কেউ দিলে খুশি হব।
৭. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৩:৩১
comment by: সদানন্দ বলেছেন: আপনার দৃষ্টিভংগীতে একমত হতে পারছিনা। একজন মানুষ মারা যাওয়ার পর- সে পুরুষ বা নারী, হিন্দু বা মুসলমান, ধনী বা গরীব যাই হোক না কেনো- তাকে জাগতিক সব কিছুর ঊর্ধ্বে রাখাই মানবতার সুন্দর পরিচয়। মৃত মানুষের ফেলে রেখে যাওয়া কর্ম, অবদান তার আচার-ব্যবহারকেই আমাদের মনে রাখা উচিত। তার নশ্বর দেহটাকে সর্বোত্তম সম্মান দেওয়া বোধকরি তার চেয়েও বড় দায়িত্বের।
৮. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৪:৫৯
comment by: ধীবর বলেছেন: ওই মিয়া, হুদা কামের পেজগি লাগান ক্যা? অনেক পাবলিক মনে করে, বগলে লাল বই, শরিরে খদ্দর আর কান্দে চটের ব্যাগ নিয়া ঘুরলেই মনে হয় আব্দুল্লাহ হইইয়া গেছে। এই সব তথাকথিত বুদ্ধিজীবিরা হইলো সমাজের চাপাবাজ আবর্জনা। সরকারের ইচ্ছা হইসে সে গোরস্থানের জমি আঞ্জুমানে মফিদুলরে দিসে। যাগো ব্যাপারটা ভালো লাগে না, ওরা নিজের সম্পত্তি যারে খুশি তারে দিয়া দেউক। এই নিয়া এও কেচ্যাল করার কি দরকার?

সহমত@সদানন্দ

রহস্যভাইজানের অনুরোধে আমিও এই বস্তাপচা ক্যাচালরে মাইনাস দিলাম। আসেন ভাই, মুক্তহস্তে মাইনাস দান করেন।
৯. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৫:১১
comment by: ভিন্ন বলেছেন: ছাগল
১০. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৮:২১
comment by: রাসেল ( ........) বলেছেন: ভাইটু, ইরাম ছাগলামি দেখানোর কুনো মানে আছে?
প্রতিক্রিয়া দেখানোর জায়গাটাতি দেখাতি পারলি একখান কতা আছিলো।

আঞ্জুমান মফিদুল বুদ্ধিজীবি গোরোস্তানে জায়গা পাইছে এইটা দেখে আমি আনন্দিত, অন্তত বাংলাদেশের তথাকথিত বুদ্ধিজীবি নামের প্রাণীদের জন্য আলাদা ভাগার রাখবার মতো বাড়তি জমি বাংলাদেশে নাই।

বরং আঞ্জুমাল মফিদুলের দাফন করা লাশগুলো দাফন করার জায়গা পাওয়া অতীব প্রয়োজনীয়।

আমার নিজস্ব অভিমত, বাংলাদেশের অধিকাংশ বুদ্ধিজীবিই গর্ভস্রাব। অনেক মহিলারই উচিত ছিলো সঠিক সময়ে এবরশনের সিদ্ধান্ত নেওয়া। তবে তাদের একটা ভুল সিদ্ধান্তে সমস্ত দেশের মানুষ ভুগতাছে দেখে খারাপ লাগে। সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করি।

বাই দ্যা বাই আপানারও কি কোনো সম্ভবনা আছে বুদ্ধিজীবি গোরোস্থানে সমাহিত হওয়ার, তাইলে কইয়ে দিয়েন একটু কোনায় নিয়া পুঁততে, নেশাখোরগো হাড্ডি গাওত লাগলি পরে কব্বরে নেশা হই যাইতে পারে।
১১. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৮:৩৬
comment by: হোসেইন বলেছেন: একটা ব্লগার গোরস্তানের জন্য সরকারের কাছে দাবি জানাই ।



পোস্টে মাইনাস । কারনটা কি , কমু না । উপরের কমেন্টেই কওয়া আছে ।

 



 


সাংবাদিক,সাহিত্যিক
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই

সর্বমোট হিট

 ৩২৫৮