সবাই দেয় তাই আমি দিলে দোষ কি?
বাজার থেকে ভালো করে দেখে মুরগী/হাঁস (যে ডিম খেতে পছন্দ করেন) কিনে নিবেন।মুরগীর জন্য খাঁচা নিবেন। এনে পোষ মানাবেন। ২/৪ দিনের মধ্যে মুরগী বা হাঁস খাঁচার মধ্যে আন্ডা পাড়বে। মুরগী আন্ডা পাড়ার পরে কক কক করে ডেকে জানান দেয় উনি উনার দায়িত্ব পালন করেছে। হাঁস কি ডাকে? শুনিনি কারন উনারা অনেক ভোরে এই কাজটি সেরে রাখেন। আন্ডা খানা বের করে নিন। হাঁসের আন্ডা হলে ধুয়ে নিবেন কারন উহাতে ময়লা লেগে থাকে সাধারনত।
এই বার চুলার উপর কড়াই নিন, একটি ম্যাচের কাঠি দিয়ে চুলাটি জ্বালিয়ে নিন। কড়াইতে একটু তেল নিন(ভাবতে থাকুন কত তেলে একটা ডিম হবে)।তেল গরম হলেই ডিমটি শক্ত কিছুতে সামান্য আঘাত করুন যাতে খোসা ফেটে যায়।এর পর দুই বুড়ো আংগুল ঢুকিয়ে খোসা টাকে দুইদিকে টান মারুন। সাবধান এই কর্ম করার সময় ডিম যেন করাই থেকে সামান্য উপরেই থাকে না হলে গরম তেল ছিটকে সাধের সেনসেটিভ চামড়ায় দাগ পড়তে পারে। সে ক্ষেত্রে ফার্স্ট এইড বক্স কাছেই রাখুন।
যা হোক ডিমতেলে দেয়ার সাথে সাথে একচিমটি নুন ছড়িয়ে দিন কড়াইতে ডিমের উপর। ১ মিনিটেরও কম সময়ে ডিম ভাজা হয়ে গেলো। আপনি চাইলে খুন্তি দিয়ে ডিমটি কড়াইয়ের মধ্যে উল্টিয়ে নিয়ে একটু খানি ভেজে নিতে পারেন। হয়ে গেলো কম্প্লিট ডিম/আন্ডা ভাজি। এবার গরম গরম পরিবেশন করুন। ঠান্ডা ডিম খেতে ভালো লাগেনা।

এই কেনা মুরগীকে ভালো ভাবে লালন পালন করলে আপনাকে আন্ডার জন্য আর চিন্তা করতে হবেনা। বিরতি দিয়ে নিয়মিত আপনাকে সুস্বাদু আন্ডা দিতেই থাকবে। ভাবেনতো একটা মুরগী কত কষ্ট করে ডিম দিয়েই যাচ্ছে আর আমরা খেয়েই যাচ্ছি। ত্যাগের সে কি হৃদয় বিদারক উদাহরন।
অবশ্যএতো কিছু ভাবলে ডিম খাওয়াই মুশকিল। সো, নো ভাবাভাবি, রসনা বিলাস বলে কথা।
বাজার থেকে কেনা ডিম আসলেই মুরগী বা হাঁসের কিনা রহস্য জনক। কারন ডিমও কৃত্রিম ভাবে বানানো হয়।
দেখি কয়টা মাইনাস পাওয়া যায়

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




