বাংলাদেশে মেধা’র কোনো মূল্য রাজনীতিবিদেরা দিতে শেখে নাই। তাদের প্রতিটি কাজে মিশে আছে নোংরামি। বাংলাদেশে সরকারী চাকুরীর নিয়োগ গুলোতে কোটা সিস্টেম এতো বেশী হয়ে গেছে যে মেধা কোটায় খুব অল্প পরিমাণ বেকারের বেকারত্ব মোচনের সু্যোগ হয়। এই সরকার ক্ষমতায় আসার পর মুক্তিযোদ্ধা নাতি নাত্নীদের জন্য মুক্তিযোদ্ধা কোটা নিয়ে আসে।মেধা কোটার হতভাগারা আরো কয়েক যুগের জন্য পিছিয়ে গেল।আর কতকাল বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধাদের বোঝা বইবে।
মুক্তিযোদ্ধারা বোঝা নয় সম্পদ। এটা আমিও মানি। মনে প্রাণে বিশ্বাসও করি। কিন্তু যখন দেখি ব্যাক্তিস্বার্থ মুক্তিযোদ্ধারা সঠিক ইতিহাস বাদ দিয়ে রাজনৈতিক ইতিহাসের চর্চা করছে তখন শ্রদ্ধাবোধ এম্নিতেই কমে আসে। বাংলাদেশের রাজনিতিবিদেরা স্বাধারণঃ পাবলিককে বোকা ভাবে তাই উলটা পালটা সত্য মিথ্যা ইতিহাসের ভূগোল পড়িয়ে যায়। ফলাফল সাথে সাথে না পেলেও পরবতী নিরবাচনে পেয়ে যায়। কিন্তু এই একই ভূল যখন মুক্তিযোদ্ধারা করে তখন? তখন তো তাদের বোঝা বলা ছাড়া উপায় থাকে না। সব দেশ এগিয়ে চলেছে আর আমরা অতীতকে নিয়ে কাদা খোঁচাখুঁচি করেই চলেছি।
এখনো কি সময় হয় নাই এই বিষয়ে কথা বলার! মুক্তিযোদ্ধারা যুদ্ধ করেছিল স্বাধীন বাংলাদেশের জন্য। কিন্তু সেখানে তো তাদের ব্যাক্তিস্বার্থ অনুপস্থিত ছিলনা। তাহলে কেন বাংলাদেশ ঋন পরিশোধের চেষ্টা করে। সে ঋন কখোনো কি শোধ হবার! বাংলাদেশে আরো একটি নোংরা কালচার শুরু হয়েছে। আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে কোন মন্তব্য করলে তাকে বলা হয় স্বাধীনতার বিরোধী শক্তি। কেন। কেন বলা হবে এটা? শেষ কথা আপনি কি সরকারী চাকুরী তে মুক্তিযোদ্ধা নাতি নাতনী কোটা সাপোর্ট করেন। ভেবে চিন্তে বলবেন।
সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে এপ্রিল, ২০১১ সকাল ১১:৪১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



