somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ব্রাজিলের সেরা ১০

২৮ শে মে, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:২৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ব্রাজিলের সেরা ১০
সর্বোচ্চ পাঁচটি বিশ্বকাপ শিরোপা ব্রাজিলের। এবারের বিশ্বকাপেও যাচ্ছে র‌্যাংকিংয়ে শীর্ষে থেকে। হুলিও সিজার, মাইকনের মতো চ্যাম্পিয়নস লিগজয়ী খেলোয়াড়দের মধ্যে আছেন কাকা-রবিনহোর মতো তারকারা। পেলে থেকে জিকো, রোমারিও থেকে রোনালদো_কিংবদন্তিদের কোনো কমতি কখনোই ছিল না ব্রাজিলের। বিশ্বকাপ সাফল্যও ঈর্ষণীয় সবার। তাই এসে যাচ্ছে প্রশ্নটা, বিশ্বকাপে খেলা সর্বকালের সেরা ১০ ব্রাজিলিয়ান কারা? তা নিয়েই দুই পর্বের এই আয়োজন। আজ ছাপা হলো প্রথম পর্ব_

১০. কাকা : ফুটবলের পাশাপাশি খেলতেন টেনিসও। ১৫ বছর বয়সে সাও পাওলো চুক্তি করায় পাকাপাকিভাবে ফুটবলই বেছে নেন কাকা। ভাগ্যিস পিট সাম্প্রাস, আন্দ্রে আগাসিদের মতো হতে চাননি, নইলে সৃষ্টিশীল এই প্লে-মেকারকে হারাত ফুটবলবিশ্ব! ২৮ বছর বয়সী এই তারকা জিতেছেন ফিফা বর্ষসেরা আর ব্যালন ডি-অরের পুরস্কার। ব্রাজিলের হয়ে জিতেছেন ২০০২ বিশ্বকাপ আর কনফেডারেশনস কাপের দুটি শিরোপা। ৭৩ ম্যাচে আছে ২৬ গোলও। এসি মিলানের হয়ে ১৯৩ ম্যাচে ৭০ গোল করা কাকাকে ট্রান্সফার ফি-র দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বিশ্বরেকর্ড ৬৮.৫ মিলিয়ন পাউন্ডে গত মৌসুমে কিনেছে রিয়াল মাদ্রিদ। চোট আর অফফর্মের কারণে রিয়ালে প্রথম মৌসুমটা ভালো কাটেনি তেমন। তার পরও এবারের বিশ্বকাপে তারকাহীন ব্রাজিলের সবচেয়ে বড় তারকা তিনিই। চাপটা কাটিয়ে আলো ছড়াতে পারবেন তো কাকা?
৯. ফ্যালকাও : ১৯৫৮ থেকে ১৯৭০_ব্রাজিলের 'স্বর্ণযুগ' বলা হয় এই ১২ বছরকে। পাওলো রবার্তো ফ্যালকাওয়ের দুর্ভাগ্য তিনি খেলেছিলেন ১৯৮২ আর ১৯৮৬ বিশ্বকাপে। যে কারণে ব্রাজিলের বাইরে খুব বেশি মানুষ সেভাবে চেনেন না এই মিডফিল্ডারকে। যারা জানেন তারা সর্বকালের অন্যতম সেরা মিডফিল্ডার হিসেবেও মানেন ছয় ফুট উচ্চতার ফ্যালকাওকে। বিখ্যাত ছিলেন 'চোরা গতির' দৌড়ের জন্য। হঠাৎ স্প্রিন্টারদের মতো গতি তুলে তছনছ করে দিতেন বিপক্ষের ডিফেন্স। ইতালিয়ান ক্লাব রোমার সমর্থকরা তো আর এমনি এমনিই 'রোমের অষ্টম সম্রাট' বলে ডাকে না ফ্যালকাওকে। ব্রাজিলের হয়ে ৩৪ ম্যাচ খেলা ফ্যালকাও ১৯৮০ থেকে ১৯৮৫ সাল পর্যন্ত খেলেছেন ইতালিয়ান ক্লাব এএস রোমায়।
৮. জিজিনহো : ১৯৫০ বিশ্বকাপে ব্রাজিলকে শিরোপা জয়ের শেষ ধাপে নিয়ে যাওয়ার নায়ক জিজিনহো সম্পর্কে পেলে বলেছেন, 'তিনি একজন সম্পূর্ণ ফুটবলার। তিনি খেলতেন মিডফিল্ডে, ফরোয়ার্ড পজিশনে, উইঙ্গে। হেড করতে পারতেন, ক্রস ফেলতেন, এমনকি সুযোগ পেলে করতেন গোলও।' ৫৩ ম্যাচে ৩০ গোল করা বহুমুখী এই ফুটবলারকে ১৯৫৪ ও ১৯৫৮ বিশ্বকাপ খেলতে আমন্ত্রণ জানিয়েছিল ব্রাজিলিয়ান ফুটবল ফেডারেশন। সেই আমন্ত্রণ দুবারই প্রত্যাখ্যান করে জিজিনহো বলেছিলেন, 'দরকারই যদি হবে তাহলে শুরু থেকে না ডেকে শেষ মুহূর্তে আমাকে ডাকা কেন? অন্য কোনো ফুটবলারের স্বপ্ন ভেঙে বিশ্বকাপ খেলতে পারি না আমি।' তবে একটি মাত্র বিশ্বকাপ খেললেও বিংশ শতাব্দীর 'চতুর্থ ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তির' স্বীকৃতি খোদ ব্রাজিলিয়ান ফুটবল ফেডারেশনই দিয়েছে জিজিনহোকে।
৭. রিভালদো : উজবেকিস্তানের ক্লাব ফুটবলে খেলা একজন ফুটবলার ব্রাজিলের সেরা দশে আসে কিভাবে? হ্যাঁ আসে, অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার হয়ে আক্রমণ গড়ার পাশাপাশি লক্ষ্যভেদ ক্ষমতাটাও অসাধারণ ছিল রিভালদোর। এমনি এমনি তো আর ১৯৯৯ সালে ফিফা ও উয়েফার বর্ষসেরা নির্বাচিত হননি ব্রাজিলের হয়ে ৭৪ ম্যাচে ৩৪ গোল করা রিভালদো। ২০০২ বিশ্বকাপে ৫ গোল করে শিরোপা জিতিয়েছিলেন ব্রাজিলকে। জিতেছেন কোপা আমেরিকা ও কনফেডারেশনস কাপের শিরোপাও। আর ১৯৯৭ থেকে ২০০২ পর্যন্ত বার্সেলোনার হয়ে ১৫৭ ম্যাচে ৮৬ গোল করার অসাধারণ কীর্তিটা তো আছেই।
৬. রিভেলিনো : ফুটবলের বিখ্যাত একটা মুভের নাম 'ফ্লিপ ফ্লপ'। ম্যারাডোনার পর রোনালদিনহো, ইব্রাহিমোভিচ ও ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোদের প্রায় দেখা যায় এই মুভ করতে। যার আবিষ্কারক রবার্তো রিভেলিনো। বিখ্যাত ছিল তাঁর লং পাস, দূরপাল্লার ফ্রি-কিক আর বল নিয়ন্ত্রণের দক্ষতাও। ১৯৭০ বিশ্বকাপে ৩ গোল করা এই প্লেমেকারের চেকোস্লোভাকিয়ার বিপক্ষে ফ্রি-কিক থেকে গোলটার স্বীকৃতি 'বিশ্বকাপ ইতিহাসের সবচেয়ে দ্রুতগতির' গোলের। রিভেলিনোর শটে এত জোর ছিল যে, চেকোস্লোভাকিয়ার গোলরক্ষক হাঁটু থেকে হাত সরনোর আগেই বল পেঁৗছে গিয়েছিল জালে। ৯২ ম্যাচে রিভেলিনোর গোল ২৬টা

৪টি মন্তব্য ৪টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

লিখেছেন মুনতাসির, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮




আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিলিয়নিয়ার রবিন খুদা ও আমাদের জাতীয় অগ্রাধিকার

লিখেছেন জুয়েল তাজিম, ০৯ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৩:৩০

বাংলাদেশে এখন সবচেয়ে জরুরি বিষয় কী?

কর্মসংস্থান? না।

বিনিয়োগ? না।

ডলার সংকট? না।

গার্মেন্টস খাতে ছাঁটাই? না।

ব্যাংকিং খাতের আস্থা সংকট? না।

সবচেয়ে জরুরি বিষয় হলো— কোনো অনুষ্ঠানে জুলাই চেতনা কত মিলিলিটার ঢুকেছে, কে কতবার উচ্চারণ... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের গ্রামের গল্প!

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৩



আমাগো গ্রাম আপনারা সবাই চিনেন।
মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। শ্রীনগর থানা। খুবই প্রাচীন অঞ্চল। অবশ্য এখন গ্রাম বদলে গেছে! ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল হয়েছে, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমল, ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

পণ্ডশ্রম

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ১২:৩৪



এই নিয়েছে ঐ নিল যাঃ! কান নিয়েছে চিলে,

চিলের পিছে মরছি ঘুরে আমরা সবাই মিলে।

কানের খোঁজে ছুটছি মাঠে, কাটছি সাঁতার বিলে,

আকাশ থেকে চিলটাকে আজ ফেলব পেড়ে ঢিলে।

দিন-দুপুরে জ্যান্ত আহা, কানটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×