বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ: একটি জাতির জন্ম
২৭ শে মে, ২০০৭ বিকাল ৩:২৯
পুরুষ ও স্ত্রী প্রজাতির দুজন সদস্যের মিলনের অন্তর্নিহিত প্রকৃয়ায় একটি শুক্রানুর সহিত একটি ডিম্বানুর নিষেকে যে কোষের সৃষ্টি হয় তাহাকে “জাইগোট” বলে। জাইগোট শুক্রানু ও ডিম্বানু উভয়ের জীনগত বৈশিষ্ট্যসমুহ ধারণ করে। জাইগোটের ডিএনএ’তে শতকরা ৫০ ভাগ জেনেটিক মেক আপ পিতা-মাতা থেকে আসে। উদ্ভিদ, প্রানী এবং মুক্তভাবে বিচরণক্ষম কিছু অর্গানিজমের জাইগোট তখন মাইটোসিস প্রকৃয়ায় বিভাজিত হতে শুরু করে।
প্রাণীকুলের ক্ষেত্রে জাইগোট থেকে ভ্রুনে পরিনত হবার ব্যাপারটুকু ব্লাষ্টুলা, গ্যাষ্টুলা এবং অর্গানোজেনেসিস নামক কয়েকটি ধাপে সংগঠিত হয়।
মনুষ্য ভ্রুন সৃষ্টির প্রথম চার সপ্তাহের মধ্যে মেরুদন্ড তৈরি হয়। পঞ্চম ও ষষ্ঠ সপ্তাহে এসে গর্ভধারিণীর রজঃনিবৃত্তি ঘটে। এসময় মানব ভ্রুন অর্গানোজেনেসিস প্রকৃয়ার ভেতর দিয়ে যেতে থাকে। হাত-পা সৃষ্টির উপসর্গ তৈরি হয়।
সপ্তম থেকে অষ্টম সপ্তাহে এসে মায়োজেনেসিস এবং নিউরোজেনেসিস প্রকৃয়া এমন এক ধাপে উন্নীত হয়, তখন মানবভ্রুন নড়াচড়া করতে শুরু করে। দেহে চোখ সৃষ্টি হতে শুরু করে।
এভাবে আরও কিছু প্রকৃয়ার ভেতর দিয়ে দেহের গঠন বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হয় এবং ভুমিষ্টকালীন সময় নিকটবর্তি হতে থাকে। অবশেষে ৭ থেকে ১০ মাসের ভেতর একটি পূর্ণাঙ্গ মানব শিশু ভুমিষ্ট হয়।
××××××××
উপরোল্লিখিত বিজ্ঞানটুকু ব্যবহার করে একটি জাতির জন্মপ্রকৃয়া বিশ্লেষণ করা যাক।
শেখ মুজিবুর রহমানকে বাঙালী তথা বাংলাদেশী জাতির জনক হিসাবে ডাকা হয়। বর্তমানে যদিও অনেকেই শেখ মুজিবুর রহমান কে জাতির জনক হিসাবে মেনে নিতে অস্বীকৃতি জানাচ্ছেন, কিন্তু তাদেরকে শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিস্থাপক হিসাবে নতুন কারো নাম প্রস্তাব করতে বলা হলে পিছিয়ে যান। সুতারাং তত্ত্ব বিশ্লেষণের জন্য জনক হিসাবে একমাত্র উপযুক্ত প্রতিনিধি হিসাবে শেখ মুজিবুর রহমানকে ধরা হল। (বাঙালী/বাংলাদেশী নিয়ে ক্যাচাল লাগাইলে ধরিয়া পোন্দাইয়া দিব!)
আমরা জানি, ১৯৭১ সালে পাকিস্তানীদের বিরুদ্ধে নয়মাস যুদ্ধ করে বাংলাদেশের জন্ম হয়। উপরোল্লিখিত বৈজ্ঞানিক তত্ত্বের বিশ্লেষণের জন্য পিতৃ অংশ হিসাবে শেখ মুজিবুর রহমান এবং মাতৃ অংশের জন্য পাকিস্তানকে ধরে নিলে তত্ত্বটুকু বুঝতে সুবিধা হবে।
দেখা যাচ্ছে, শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানের উপর উপুর্যপুরি উপগত হয়ে বাঙালী জাতির জন্ম দিয়েছে। একটি মানবভ্রুন সাধারণত ৭ মাসের পর ভুমিষ্ট হবার উপযোগী হয়ে যায়। বাংলাদেশ নামক ভ্রুনটি নয়মাস সময় ধরে ভুমিষ্ট হবার প্রকৃয়া ধাপে ধাপে সম্পন্ন করেছে।
১৯৭১ সালের শুরুর দিকে শেখ মুজিবুর রহমান কতৃক পাকিস্তানের জঠরে বাংলাদেশ নামক ভ্রুনটির নিষেকে জাইগোটের সৃষ্টি হয়।
সমাজ বিজ্ঞানীদের অনেকেই বলে থাকেন, পাকিস্তান সামাজিক জীবনের পবিত্রতা রক্ষায় অক্ষম ছিল। পাকিস্তানের বহুগামিতার কথা সমাজ বিজ্ঞানের অধ্যায়ে অধ্যায়ে বর্ণীত রয়েছে। সমাজবিজ্ঞানীদের মতে, পাকিস্তানের বহুগামিতার সুযোগ নিয়ে গোলাম আযম, খাজা খয়ের উদ্দিন, মতিউর রহমান নিযামী, আলী আহসান মুহাম্মদ মুজাহিদ, মোহাম্মদ কামরুজ্জামান প্রমুখ ব্যক্তিবর্গ পাকিস্তানের পূর্ব অংশে উপগত হয়েছিল।
ফলশ্রুতিতে একটি জটিল প্রকৃয়ায় দুটি ভিন্ন বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন শুক্রানু কতৃক একটি ডিম্বানু নিষিক্ত হয়ে পড়ে।
ডারউইনের বিখ্যাত তত্ত্ব “প্রাকৃতিক নির্বাচনবাদ: যোগ্যতমের জয়” অনুসারে জাইগোটটি মাইটোসিস প্রকৃয়ায় বিভাজিত হবার বদলেএকটি সবল এবং বড় অংশ আরেকটি দুর্বল ও ক্ষুদ্র অংশে বিভক্ত হয়ে পড়ে। সবল অংশটিতে শেখ মুজিবুর রহমানের শুক্রানুর বৈশিষ্ট্য পরিলক্ষিত হতে থাকে। ক্রমান্ময়ে বড় অংশটি অমরার দখল নিয়ে নিতে থাকে, এবং দুর্বল অংশটিকে কোনঠাসা করে পায়ুপথের দিকে ঠেলে দিতে থাকে।
ধীরে ধীরে দুটি অংশই মাতৃজঠরে বেড়ে উঠতে থাকে। অবশেষে ১৯৭১ সালের ১৬ ই ডিসেম্বরে সবল অংশটি স্বাভাবিক প্রকৃয়ায় ভুমিষ্ট হয়-দুর্বল অংশটি জায়গা না পেয়ে পায়ুপথে পৃথিবীর আলো দেখে।
সবল অংশটির নাম দেয়া হয় বাঙালী তথা বাংলাদেশী আর দুর্বল অংশটিকে রাজাকার প্রসুত জামায়াত-শিবির নামে অভিহিত করা হয়।
অঃরঃপিঃ বলেছেন:
বিবর্তনবাদ দ্রোহী স্টাইল
কৌশিক বলেছেন:
এটা চোর না হয়ে যায় না!
তারেক রহিম বলেছেন:
দ্রোহী ভাই, বাঁশখানা কঠিন হইয়াছে।
বন্ধনহীন বলেছেন:
জব্বর কথা!! পায়ুপথে রাজাকার (লক্ষ্য করুন, মানুষ নয়) নির্গমন। তাই তাদের গায়ে এত গন্ধ। আজ সকালে সে কারনে সামহোয়্যার একটু গন্ধ, গন্ধ লাগছিলো।
অলৌকিক হাসান বলেছেন:
একদম ...
দ্রোহী বলেছেন:
কৌশিকদা ঠিকই বলিয়াছেন, আমিই চোর্দা!!!
অনুভূতি শূন্য কেউ একজন বলেছেন:
রাজাকারের বাচ্চারা আয়নায় নিজের চেহারা দেখেনা - এখনো গায়ে বৃষ্ঠার গন্ধ লেগে থাকে - সেইটা দেখায় দিলেও দোষ হয় ।কুত্তাগুলান এখনো ওদের বাপের পশ্চাৎদেশ লেহন করে - আর এখানে এসে অশ্লীলতা - গালাগালি নিয়া জ্ঞান দেয় ।
--------
আজকে এক ঘন্টা নষ্ট করলাম এক শালা রাজাকারের বাচ্চার পেছনে - মেজাজ খারাপ হয়ে গেছে ।
দ্রোহী বলেছেন:
অনুভুতি শূন্য কেউ একজন: ব্যাপার না। বাকী সময়টুকু বেশ উপভোগ্য ছিল...
সুমন চৌধুরী বলেছেন:
সাব্বাস!
দ্রোহী বলেছেন:
ধন্যবাদ বদ্দা। গালি দেয়া বন্ধ করে দিয়েছি। এভাবেই বাঁশ দেব এখন থেকে।
ধুসর গোধূলি বলেছেন:
আমিও ভালো হওয়ার রাহে নামছি। কোন হালারেই গাইল দিমু না।
দ্রোহী বলেছেন:
আমি এখন আর গাইল দেই না। কিন্তু গল্পে গাইলের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য পরিমানে বৃদ্ধি পাইয়াছে। --
সাম্যাবস্থা বলা যেতে পারে।
শমশেরআলম বলেছেন:
দোস্ত এইটা মিস হয়া গেছিল। মারছো এগ্দম জায়গামতো। ৫/৫।
দ্রোহী বলেছেন:
আবার কয়!!! দোস্ত, রাজাকারগুলান ইদানিং পারফর্ম করতে পারতাছে না। ---
অরা যেমনে খেলে, আরাম পাই না। মনে লয় পুলাপাইনের লগে খেলতাছি।
শমশেরআলম বলেছেন:
হ অগো মান নাইমা গ্যাছে, এক্সট্রা প্লেয়ার দিয়া খেলাইতাছে মনে কয়
দ্রোহী বলেছেন:
দুইটা নতুন আইডি আইছে..........ইবনে গোয়া আর সারওয়ার কামাল, মনে লয় ধোনছিড়ি!!!বদর কাকুর আইডি লইয়া কেডা আইছে বলে মনে হয়??
হযবরল বলেছেন:
চার্লস দ্রোহীন।
দ্রোহী বলেছেন:
হযু কাকা, তাও ভালো যে প্রিন্স চার্লস কও নাই।-----------
দ্রোহী পুরাণ মিস কইরো না কাকা।
কৌশিক বলেছেন:
জামায়ত কিন্তু ওয়ালী আইডি। ওয়ালীর লেখায় একটা বিশেষ প
দ্রোহী বলেছেন:
কৌশিক, ইদানিং খেলে আরাম পাচ্ছি না। শমসের বললো না, এক্সট্রা প্লেয়ার নামাইছে.......এক্সট্রা প্লেয়ারের সাথে কিয়ের কি? আসল গুলা নামুক আগে....
শমশেরআলম বলেছেন:
আসল গুলাও নামবো, রেস্টে আছে হয়তো। তিরভুজরে কেউ মনে হয় ভিতর তন নক আউট করছে। ক্যাঠায় করলো বুজতাছি না।
দ্রোহী বলেছেন:
হ........পুটকি রেষ্টে আছে। থাকুক কয়দিন.....
মৈথুনানন্দ বলেছেন:
কি দ্রোহী - ঘুমাইলা?
লারেলাপ্পা বলেছেন:
আপনি একটা জব্বর মাল ভাই। ভাবিরে সামলান ক্যামেন?
কাজী ইফতেখার আলম বলেছেন:
ফালতু পোষ্ট। শেখ মুজিব স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় নিজে যুদ্ধ পর্যন্ত করেন নি। তাকে কেন জাতির জনক বলতে হবে?
এস্কিমো বলেছেন:
@কাজী ইফতেখার আলম - ভাল আছেন? কবিতা দেখি না ইদানিং? আর বাক স্বাধীনতা নিয়ে একদুইটা পোস্ট আশা করেছিলাম, কই?এদিকে রাজাকারদের সবাই ঠেংগাইতাছে আর আপনি নেই বলে কেহ বাকস্বাধীনতার কথা বলছে না।
কেমিকেল আলী বলেছেন:
বস কেমন আছেন? অনেকদিন পরে আইলাম @ দ্রোহী
দ্রোহী বলেছেন:
ধুর মিয়া, আপনেরা নাই। --আমি আর শমশের আর কত সামলাই? অনুভুতি শূণ্য ভালো ডিউটি দিসে।
--আপনার কনভোকেশন কেমন গেল?
--অনেকগুলো পোষ্ট হয়ে গেছে এই ফাঁকে, পইড়া লন- দ্রোহী পুরাণ।
কেমিকেল আলী বলেছেন:
এই আর কি গেল সব মিলে ভালই। আগামিকাল গুয়েল্পে ফিরব, তারপর থেকে তো সাথে থাকছিই আগের মত।সামনের উইকেন্ডে সব পইরা ছাপ করতে হবে।
দৃশা বলেছেন:
এমব্রাওলোজি বিশারদ......বহুদিন পর আপনার একটা কঠিন লেখা পড়লাম...জটিল গুরু।।
হিমু বলেছেন:
বহু পুরাতন হাগা, নব আবিষ্কার!
জনাব হিটৈশি বলেছেন:
fatafhati
সলিল বলেছেন:
ভালো লিখছেন ভাই...শুধু ভালো না, দুর্দান্ত।চালিয়ে যান...রাজাকারদের কোনোরকম ব্রেক নেওয়ার চান্স দিয়েন না...
কেমিকেল আলী বলেছেন:
বস কোথায় আপনি? আওয়াজ দেন না ক্যান?
শমশের আলম বলেছেন:
একটু দুরে গেছে, সপ্তাহখানেক পরে আইতারে
কেমিকেল আলী বলেছেন:
মেইল এ্যাড. আছে নাকি শমসের?


















