somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ইতিহাস নিয়ে যারা লাফালাফি করেন তাদের জন্য দুর্লভ কিছু ছবি

০৩ রা জুন, ২০১১ রাত ১০:১৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

অনেক জটিল আমাদের দেশের ইতিহাস নিয়ে বিতর্কের কোন অন্ত নেই। এসবের মাঝে অতি উৎসাহী কেউ কেউ এত বেশি বাড়াবাড়ি করেন যে আসল ইতিহাস নিয়ে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। মাঝে মাঝে আফসোস হয়, যদি আমাদের সঠিক ইতিহাসটি কেউ সত্যিকারে উপস্থাপন করে দিত কোন প্রকার বিতর্কের বাইরে রেখে। কিন্তু কে করবে ? তাহলে যে থলের বিড়াল বেড়িয়ে যাবে। তাই যা হবার তাই হচ্ছে, স্বাধীনতার ৪০ বছর পরও ইতিহাস নিয়ে কাটাছেড়া হচ্ছে।
যাই হোক, এইখানে ইতিহাসের কিছু দুর্লভ ছবি তুলে ধরলাম, যেগুলো এক একটি এক একটি ইতিহাস :

1. পূর্ব পাকিস্থানের অধিকার আদায়ে আয়োজিত সভা সমাবেশে উপস্থিত থেকেছেন অধ্যাপক গোলাম আযম। এমনি একটি গুরুত্বপূর্ণ রাউন্ড টেবিল কনফারেন্সে বাম হতে ২য় অবস্থানে তাকে দেখা যাচ্ছে

2. প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খান (সর্ববামে) বিভিন্ন দাবী দাওয়ার প্রেক্ষিতে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্থানের জাতীয় নেতৃবৃন্দের সাথে মিলিত হন। ডান থেকে অধ্যাপক গোলাম আযম, পীর মোহসেন উদ্দীন দুদু মিয়া (ইংরেজ বিরোধী বিপ্লবী হাজী শরীয়াতউল্লাহর ছেলে), মোহাম্মদ আলী, খন্দকার মোশতাক আহমেদ (আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় নেতা ও পরবর্তীতে অস্থায়ী সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী), মাওলানা মুফতি মাহমুদ, চৌধুরী মোঃ আলী (পাকিস্থানের প্রধানমন্ত্রী)

3. আইয়ুববিরোধী আন্দোলনে সকল দলকে নিয়ে সম্মিলিত আন্দোলনে তৎকালীন জামায়াতের আমীর অধাপক গোলাম আযমের ভূমিকাও ছিল অগ্রগণ্য। প্রায় প্রতিটি জোট বদ্ধ আন্দোলনে তিনি ছিলেন অগ্রগামী, আওয়ামী লীগ এটি ভালোভাবেই বুঝত। শেখ মুজিবুর রহমানের সাথে আন্তরিক পরিবেশে সভা করছেন অধ্যাপক গোলাম আযম (ডান থেকে ৩য়)

4. স্বৈরাচারী প্রেসিডেন্ট আইয়ুব বিরোধী আন্দোলনের এক পর্যায়ে সকল বিরোধী দলের সমন্বয়ে গঠিত হয় ডাক জোট। কিন্তু দুঃখজনক ভাবে আওয়ামী লীগ এতে সবার উপরে ছড়ি ঘোরানোর সম্ভাবনা না থাকায় যোগ দেয়নি। পরে অন্যতম পুরোধা ছিলেন অধ্যাপক গোলাম আযম। সর্বদলীয় সভায় অন্যতম মধ্যমনি হিসাবে দেখা যাচ্ছে তাকে

5. জাতীয় নির্বাচনের দাবীতে সকল বিরোধী দল ছিল একাট্টা। প্রতিটি দলের দাবী ছিল এক এবং সম্মুখে থেকে জামায়াতে পক্ষে ভূমিকা রেখেছেন তৎকালীন আমীর অধ্যাপক গোলাম আযম। সর্বদলীয় সভায় আওয়ামী লীগ নেতাদের সাথে

6. প্রতিটি দাবী দাওয়ার সাথে জামায়াত আঞ্চলিক ও কেন্দ্রীয় ভাবে একাত্মতা ঘোষনা করেছে। শুধু অধ্যাপক গোলাম আযম নয় বরং তৎকালীন জামায়াতের সর্বোচ্চ নেতা মাওলানা মওদূদীও ছিলেন স্বৈরাচার বিরোধী ন্যায় সঙ্গত অধিকার আদায়ের আন্দোলনে শেখ মুজিবুর রহমানের সহযোগী।

8. শেখ মুজিবর রহমানের সাথে জাতীয় নেতৃবৃন্দের অন্তরঙ্গ আলাপচারিতার এবটি বিশেষ মুহূর্তে অধ্যাপক গোলাম আযমকে দেখা যাচ্ছে। দেশের স্বাধীনতার আড়াগোড়া বিপক্ষে তথাকথিতঅবস্থানকারীর সাথে স্বাধীনতার স্থপতির আন্তরিকতার এ ছবিটি সত্য নাকি স্বাধীনতার পর হতে বাকী অপপ্রচার সত্য

16. ১৮ মার্চ, ১৯৯১ : তৎকালীন জামায়াত সেক্রেটারী জেনারেল মতিউর রহমান নিজামী ও রাশেদ খান মেনন.

17. Prof. Ghulam Azam, Ex Ameer, Bangladesh Jamaat e Islami with ex Minister A S M Abdur Rab

পূর্ব পাকিস্থানের অধিকার আদায়ে দাবী দাওয়া তৈরীতে প্রায়শই একত্রিত হয়েছেন তৎকালীন জাতীয় নেতারা। এমনি একটি সভায় ডান থেকে অধ্যাপক গোলাম আযম, পীর মোহসেন উদ্দীন দুদু মিয়া (ইংরেজ বিরোধী বিপ্লবী হাজী শরীয়াতউল্লাহর ছেলে), মোহাম্মদ আলী, খন্দকার মোশতাক আহমেদ (আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় নেতা ও পরবর্তীতে অস্থায়ী সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী)।
৩৫টি মন্তব্য ২৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

শিক্ষা খাতে শুরু হয়েছে তারেক রহমান ম্যাজিক

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১১:২৯


রাজনীতির মাঠে ক্ষমতার হাতবদল যেমনই হোক না কেন, সাধারণ মানুষের আসল নজর থাকে জীবনের মৌলিক জায়গাগুলোতে। আর একটি দেশের ভবিষ্যৎ বদলে দেওয়ার সবচেয়ে বড় হাতিয়ার হলো শিক্ষা ব্যবস্থা।... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা এমন কেন?

লিখেছেন তাই-ফি, ০৯ ই জুন, ২০২৬ রাত ৩:৪৪

একটা গল্প দিয়ে শুরু করা যাক।

শেষ বিচারের পর নরকে শাস্তি ভোগ করছে পাপীরা। বিশাল বিশাল তেলের ড্রামে তাদের একবার ডুবিয়ে আবার ভাসিয়ে তোলা হচ্ছে। প্রতিটি ড্রামের সামনে একজন করে পাহারাদার... ...বাকিটুকু পড়ুন

পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

লিখেছেন মুনতাসির, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮




আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের গ্রামের গল্প!

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৩



আমাগো গ্রাম আপনারা সবাই চিনেন।
মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। শ্রীনগর থানা। খুবই প্রাচীন অঞ্চল। অবশ্য এখন গ্রাম বদলে গেছে! ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল হয়েছে, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমল, ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×