উগান্ডার জমি বাংলাদেশকে ইজারা দেওয়া নিয়ে উগান্ডা সরকার বিস্ময় প্রকাশ করেছে। তারা বলেছে, আমরা বাংলাদেশকে জমি ইজারা দিইনি। বাংলাদেশে এ বিষয়ে যে খবর বেরিয়েছে তা সঠিক নয়। দুটি বাংলাদেশী কোম্পানিকে কয়েক হাজার হেক্টর জমি ইজারা দেয়ার প্রশ্নই আসে না। উগান্ডার কৃষি মন্ত্রণালয়ের শস্য কমিশনার ওকাসি অপোলোট গতকাল এ কথা বলেন। গত ১৭ই মে বিবিসি খবর দিয়েছিল, ভবিষ্যৎ খাদ্য ঘাটতি এড়াতে বাংলাদেশী দুটি কোম্পানি উগান্ডায় অতিরিক্ত শস্য উৎপাদন করবে। বাংলাদেশী বিনিয়োগকারীরা উগান্ডা, তাঞ্জানিয়া ও গাম্বিয়ায় অনাবাদি জমি ইজারা গ্রহণ সংক্রান্ত সমঝোতা চুক্তিও সই করেছে। এর বিনিময়ে বাংলাদেশ আফ্রিকার কৃষকদের সেচ, বীজ সংরক্ষণ ও বৃষ্টির পানি ব্যবহার করে কি করে ধান ফলাতে হয় সেসব শেখাবে।
ওকাসি অবশ্য স্বীকার করেন যে, জমি ইজারা নিতে বাংলাদেশের একটি প্রতিনিধি দল সম্প্রতি এই অঞ্চলে এসেছিল। তারা আমাদের কাছে দশ হাজার হেক্টর জমি চেয়েছিল। আমারা তাদের বলেছি, আমাদের জমি নেই। তারা এ বিষয়ে একটি সমঝোতা স্মারক সই করতে প্রস্তাব করেছিল। কিন্তু আমরা তা করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছি। আমরা কেবল তাদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠকের কার্যবিবরণীতে সই করেছি। তিনি অবশ্য বলেন, এমন হতে পারে তারা হয়তো বেসরকারি খাতকে অনুরোধ করেছে। কিন্তু আমরা নিশ্চিত, তাদের কেউ রাজি হলে আমরা তা জানতাম ।
উগান্ডা বর্তমানে ৬০ হাজারের বেশি মেট্রিক টন চাল উৎপাদন করে, দেশটির জন্য তা পর্যাপ্ত।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

