
ট্রেনে করে ঈদে ঘরমুখো মানুষের চরম ভোগান্তির কথা স্বীকার করে যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেন সঙ্কট উত্তরণে জনগণকে বর্তমান সরকারের মেয়াদ শেষ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করার আহ্বান জানিয়েছেন।
বলেছেন, ‘বাংলাদেশের মানুষ যা দেখেনি, সরকারের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর আপনারা তা দেখবেন।’
শুক্রবার বাংলাদেশ রেলওয়ের বিশেষ রেল সার্ভিসসহ কমলাপুর রেল স্টেশন এবং বিআরটিসির বাস ডিপো পরিদর্শনকালে যোগাযোগমন্ত্রী সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।
তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন, নরসিংদীতে ট্রেনে আগুন ধরিয়ে দেওয়ায় এর নেতিবাচক প্রভাব ঈদে ঘরমুখো যাত্রীদের ওপর পড়বে।
আবুল হোসেন বলেন, নরসিংদির ঘটনা অনাকাঙ্খিত। আগুন ধরিয়ে দেওয়ার কারণে ট্রেনের ক্ষতি হয়েছে। এর ফলে ঘরমুখো যাত্রীদের ভোগান্তি হবে।
তবে তিনি বলেন, সরকার সব ধরনের চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। আশা করা হচ্ছে, আগামী দু-এক দিনের মধ্যেই এ অবস্থার উত্তরণ সম্ভব হবে।
তিনি জানান, ঈদে ঘুরমুখো মানুষের সুবিধার্থে বিআরটিসির ৩০০টি বিশেষ বাস এবং নয়টি বিশেষ ট্রেন সার্ভিস দেয়া হয়েছে। এতে বাস এবং ট্রেনের ওপরের চাপ কিছুটা হলেও কমে এসেছে।
মন্ত্রী বলেন, লঞ্চ, ট্রেন এবং বাস বিলম্বের অন্যতম কারণ, যাত্রীরা যাত্রকালীন সময় ছাড়াও উঠতে-নামতে অনেক সময় ব্যয় করছে।
ট্রেনের সিডিউল বিপর্যয় নিয়ে তিনি বলেন, অনেকক্ষেত্রে নির্ধারিত স্ট্যান্ড ছাড়াও মানুষেরা ব্যারিকেড দিয়ে ট্রেন থামিয়ে দিচ্ছে, এজন্য কিছুটা সময়ক্ষেপণ হচ্ছে।
সড়ক ব্যাবস্থার পাশাপাশি বাংলাদেশ রেলওয়ের নাজুক পরিস্থিতির জন্য বিগত চারদলীয় জোট সরকারকে দায়ী করেন আবুল হোসেন।
তিনি বলেন, রেলের প্রতি মানুষের ঝোঁক বেশি। বিগত সরকারের অবহেলার কারণে রেল পবিহনে কিছু সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে। তবে আশা করি, এ সরকারের মেয়াদের মধ্যেই তা সমাধান হবে।
কমলাপুর রেলস্টেশন পরিদর্শনের আগে কমলাপুর বাসডিপো ঘুরে দেখেন যোগাযোগমন্ত্রী।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।





