(আমার এম.এড কোর্সের একটি বিষয় ছিল Philosophy for Education. এই বিষয়টির প্রতি আলাদা একটা আগ্রহ ছিল। কিন্তু সেভাবে পড়ার বা জানার সুযোগ হয় নি আগে। এই কোর্সটি করতে গিয়ে কিছুটা দর্শনও শেখা হল। আমাদের স্যার পড়িয়েছেন অনেক যত্ন করে। কঠিন বিষয়গুলো সহজ শুন্দর করে ব্যাখ্যা করে দিয়েছে। কোর্স শেষে বিরক্তিকর কাজটি হল এসাইনমেন্ট লেখা। আমাদের এসাইনমেন্ট লেখা টপিক ছিল ''আপনার শিক্ষাদর্শন''। প্রথম ক্লাসেই এসাইনমেন্টের টপইক জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল। কোর্সটি পড়তে পড়তে, বিভিন্ন দার্শনিকের শিক্ষা সংক্রান্ত ভাবনাগুলোর সাথে পরিচিত হতে হতে, আমিও ভাবতাম, এই লিখব, সেই লিখব। মাঝে মাঝে অবাক হয়ে যেতাম বিভিন্ন দার্শনিকের সাথে আমার ভাবনার সাথে মিল দেখতে পেলে! কিন্তু এসাইনমেন্ট লেখার সময় যা হয়, এবারও তার ব্যতিক্রম হল না। একদিন একটু বসে, কোন রকম গবেষণা না করেই যা মন চাইল তাই লিখে দিলাম। আরে বাবা, এটা আমার শিক্ষাদর্শন! আরেক দার্শনিকের কথা কেন বলতে যাব? সুতরাং রেফারেন্স দেবার ঝামেলাও রইল না। এখানে এসাইনমেন্টটা কপি করে তুলে দিলাম, বন্ধুদের উদ্দেশ্যে
আমার শিক্ষাদর্শন
ভূমিকা
শিক্ষার মূল ভিত্তি হল দর্শন। শিক্ষা সম্পর্কিত কোন বিশেষ দৃষ্টিভঙ্গি, ভাবনা, ভাবনার প্রয়োগ ঘটানোই শিক্ষাদর্শনের অন্তর্ভূক্ত। শিক্ষাদর্শনের উপর ভিত্তি করে সামগ্রিকভাবে শিক্ষা ব্যবস্থাকে গড়ে তোলা হয়। একজন শিক্ষার্থীর জীবন কাঠামো নির্মাণ করে দেয় শিক্ষা ব্যবস্থা।
আমার শিক্ষা দর্শন
জীবন সম্পর্কে প্রতিটি ব্যক্তিরই রয়েছে নিজস্ব একটি দর্শন। তেমনি শিক্ষা নিয়েও ব্যক্তির নিজস্ব ভাবনা থাকতে পারে। আমিও তার ব্যতিক্রম নই। একজন শিক্ষক হিসেবে শিক্ষাব্যবস্থা, শিক্ষার্থী, অভিভাবক, শিক্ষক, শিক্ষাক্রম ইত্যাদি নিয়ে আমারও রয়েছে নিজস্ব একটি শিক্ষাদর্শন। নিম্নে বিস্তারিত ভাবে তা তুলে ধরার চেষ্টা করা হলোঃ
আমার শিক্ষা দর্শনের লক্ষ্যঃ প্রচলিত শিক্ষাদর্শনগুলোর যে শিক্ষার লক্ষ্য আমরা দেখতে পাই, আমার শিক্ষা দর্শনের লক্ষ্যেও সেগুলো থেকে খুব বেশি পার্থক্য নেই। আমার শিক্ষা দর্শনের লক্ষ্যগুলো নিম্নরূপঃ
সুনাগরিক হিসেবে শিক্ষার্থীদের গড়ে তোলা
শিক্ষার্থীদের চরিত্র গঠন
ব্যক্তির স্বতন্ত্র ভাবনাকে বিকশিত করা
কুসংস্কারমুক্ত ও বিজ্ঞানমনোষ্ক করে শিক্ষার্থীদের গড়ে তোলা
আত্ন-উপলব্ধি থেকে শিক্ষার্থীরা জ্ঞান আহোরণ করবে
শিক্ষার্থী তার বাস্তব অভিজ্ঞতা ও প্রকৃতি থেকে শিক্ষালাভ করবে
হাতে কলমে কাজ করে দক্ষতা অর্জন করা
নিয়ম শৃংখলা মেনে চলবে
শিক্ষার্থীর ধরনঃ
প্রতিটি শিশুর শিক্ষার অধিকার রয়েছে। আমাদের দেশে বিত্তের ভিত্তিতে সামাজিক স্তরগুলো বিন্যস্ত। শিশু যে শ্রেণীরই হোক না কেন, শিক্ষার অধিকার থেকে যেন সে বঞ্চিত না হয়। এজন্য রাষ্ট্রের সরকারের দায়িত্ব হবে প্রতিটি শিশু শিক্ষার অধিকার নিশ্চিত করা। আমার শিক্ষাদর্শনটি বিশেষ করে সাধারণ মধ্যবিত্ত শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের নিয়ে। ব্যক্তিগত ভাবে, আমি এ ধরনের শিক্ষার্থীদের সাথে কাজ করে পরিচিত। নিম্নবিত্ত বা উচ্চবিত্ত শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের ব্যাপারে আমার অভিজ্ঞতা খুব বেশি নেই। তাই হয়ত, আমার শিক্ষাদর্শনটি মধ্যবিত্ত শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের দ্বারা প্রভাবিত।
শিক্ষার্থীরা কী ও কীভাবে শিখবেঃ
জন্মলাভের পর থেকে শিশু শিখতে শুরু করে। প্রতিনিয়ত একজন মানুষ শিখছে। নিজের অভিজ্ঞতা থেকে, অন্যকে দেখে, প্রকৃতি থেকে, চারপাশের পরিবেশ থেকে, অন্যের পরামর্শ শুনে, বারবার অনুশীলন করে, বিভিন্ন পদ্ধতিতে। অনানুষ্ঠানিক শিক্ষাকে কম গুরুত্ব দেবার কিছু নেই। তাই শিক্ষাক্রম তৈরির সময় শিক্ষার্থীদের অভিজ্ঞতার প্রতি খেয়াল রাখতে হবে। শুধু তাই নয়, শিক্ষার্থী যা শিখবে, তা যেন বাস্তবে কাজে লাগাতে পারে। হাতে কলমে কাজ করার সুযোগ থাকতে হবে। বিজ্ঞান শিক্ষার উপরে গুরুত্ব প্রদান করতে হবে। শিক্ষার্থীদের জানার প্রতি কৌতুহলী করে তুলতে হবে। প্রকৃতি থেকেও যেন শিক্ষার্থী শিখতে পারে, তাই তাকে প্রকৃতির সান্নিধ্যে নিতে হবে। দলগত কাজ, সৃজনশীল কাজগুলোকে গুরুত্ব দিতে হবে। শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত ইচ্ছা, আগ্রহ, চাহিদাকেও গুরুত্ব দিতে হবে।
নৈতিকতা, নিয়ম শৃংখলা, আদর্শ শিক্ষা শিক্ষার্থীদের দিতে হবে। এছাড়া মানসিক ও শারিরীক বিকাশের জন্য খেলাধূলা করারও পর্যাপ্ত সুযোগ রাখতে হবে। শিক্ষার্থীদের শিক্ষক্রমে সাহিত্য, ইতিহাস, বিজ্ঞান, ধর্ম, সংগীত, চিত্রকলা, গণিত, সামাজিক বিজ্ঞান ইত্যাদি বিষয় থাকা উচিত। শিক্ষাক্রম প্রণয়নের সময় শিক্ষার্থীদের বয়স, চাহিদা, ধারণ ক্ষমতা ইত্যাদির দিকে লক্ষ্য রাখা উচিত। সহজ বিষয়বস্তু থেকে ধীরে ধীরে কঠিন বিষয় উপস্থাপন করতে হবে। শিক্ষাব্যবস্থা হওয়া উচিত শিক্ষার্থী কেন্দ্রিক। শিক্ষক শিক্ষার পরিবেশ তৈরি করার মাধ্যমে শুধুমাত্রএকজন ফ্যাসিলেটেটরের ভূমিকা পালন করবেন।
শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন পাজল বা শিক্ষা উপকরণ ব্যবহার করে শিক্ষা লাভ করবে। শিক্ষা উপকরণগুলো শিক্ষার্থীরা নিজে তৈরি করবে। এ ব্যাপারে শিক্ষক তাদের সাহায্য করবেন।
ছেলে ও মেয়ে উভয় ধরনের শিক্ষার্থীদের জন্যই গার্হস্থ্য শিক্ষা অন্তর্ভূক্ত করতে হবে। মেয়েদের পাশাপাশি ছেলেদেরও রন্ধন, সূচিকর্ম, শিশু লালন পালন, খাদ্য ও পুষ্টি ইত্যাদির উপর শিক্ষাদান করা প্রয়োজন।
নারী-পুরুষের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধাশীল, সহযোগিতাপূর্ণ, মানবিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করার জন্য জেন্ডার ও যৌন শিক্ষা শিক্ষাক্রমে অন্তর্ভুক্ত করা আজ সময়ের চাহিদা। জেন্ডার ও যৌন শিক্ষার মধ্যে জেন্ডার ও সেক্সের ধারণা, বয়ঃসন্ধিকালীন পরিবর্তন, সমস্যা, প্রতিকার, বিভিন্ন যৌন রোগ সম্পর্কে সাধারণ ধারণা, মাদকাসক্তির কুফল, শিশু নিগ্রহ ও নির্যাতন সম্পর্কে সচেতনতা, পরিবার ও পারিবারিক মূল্যবোধ ইত্যাদি বিষয়বস্তু অন্তর্ভুক্ত করা উচিত।
বর্তমান বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে চলার জন্য তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়টিও শিক্ষাক্রমে অন্তভূক্ত করা উচিত।
মূল্যায়নঃ
শিক্ষার্থীদের মূল্যায়নে ব্লুম’স টেক্সোনোমিতে যে ছয়টি স্তরের কথা বলা হয়েছে, তা অনুসরণ করতে হবে। বর্তমানে প্রচলিত সৃজনশীল পদ্ধতিটিও শিক্ষার্থী মূল্যায়নে ব্যবহার করা যায়। শিক্ষার্থীরা যেন মুখস্ত করার প্রবনতা থেকে বেরিয়ে আসে, যেভাবেই মূল্যায়ন করতে হবে। এছাড়াও এস.বি.এ পদ্ধতিটিও রাখতে হবে। মূল্যায়নে শিক্ষককে হতে সৎ।
শিক্ষার স্থান ও পরিবেশঃ
শিক্ষার জন্য পরিবেশ একটি গুরত্বপূর্ণ উপাদান। শিক্ষার্থী যে কোন পরিবেশ থেকে প্রতিনিয়ত শিখছে। বিদ্যালয়ের স্থান বা পরিবেশ শিক্ষার জন্য তৈরি করে নিতে হবে। শ্রেণীকক্ষগুলোতে পর্যাপ্ত আলো বাতাস চলাচলের সুবিধা থাকতে হবে। শিক্ষার্থীদের বসার ব্যবস্থা ইংরেজী ‘’U’’ অক্ষরের মত হলে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে তথ্য আদান প্রদানে সুবিধা হয়। শিক্ষার পরিবেশ আনুষ্ঠানিকতার পাশাপাশি অনানুষ্ঠানিকও রাখতে হবে। একটি শ্রেণীকক্ষে ৪০ জনের বেশি শিক্ষার্থী থাকলে, শিক্ষকের পক্ষে সুষ্ঠুভাবে পাঠদান করা সম্ভব হয় না। বিদ্যালয়ে একীভূত শিক্ষার পরিবেশ বজায় রাখতে হবে।
শ্রেণীকক্ষের পাশাপাশি, শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞান, সংগীত, চিত্রকলা ইত্যাদি বিষয়ের জন্য বিদ্যালয়ে আলাদা কক্ষ থাকতে হবে। এসব কক্ষে বিষয় সংশ্লিষ্ঠ ছবি, উপকরণ থাকবে, যেন শিক্ষার্থীরা এসব দেখেও শিখতে পারে এবং আরো জানার প্রতি আগ্রহী হয়ে উঠে। শিক্ষার্থীদের শিক্ষক্রমে বনভোজন, শিক্ষাভ্রমন ইত্যাদি বাধ্যতামূলক করা উচিত। তাহলে তারা বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান, চিড়িয়াখানা, বোটানিক্যাল গার্ডেন, জাদুঘর, ঐতিহাসিক স্থান, বনাঞ্চল ইত্যাদি স্থান ভ্রমন করে নিজেদের কৌতুহল যেমন মেটাতে পারবে, তেমনি প্রকৃতি, পরিবেশ, ইতিহাস ইত্যাদি সম্পর্কেও আগ্রহী হয়ে উঠবে।
যিনি শিক্ষাদান করবেন-শিক্ষকঃ
শিক্ষক হয়ে কেউ এই পৃথিবীতে জন্ম গ্রহণ করে না। একজন ব্যক্তি ধীরে ধীরে শিক্ষকের গুণাবলী অর্জন করে শিক্ষক হয়ে উঠেন। শিক্ষকদের শিক্ষক হয়ে উঠার জন্য সুযোগ, সুবিধা দিতে হবে। আমাদের দেশে শিক্ষক হবার জন্য শিক্ষকতাকে পেশা হিসেবে নেন খুবই কম ব্যক্তি। দেখা যায়, ব্যক্তি অন্য কোন লক্ষ্য অর্জনে বিফল হলে বিকল্প হিসেবে শিক্ষকতাকে পেশা হিসেবে নিচ্ছেন। ফলে শিক্ষার্থীরা প্রকৃত শিক্ষকের সান্নিধ্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। তাই এ পেশায় যেন পেশার প্রতি ভালবাসা ও দায়িত্ববোধ সম্পন্ন, মেধাবী ব্যক্তিরাই আসতে পারে তার জন্য যথাযথ সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে।
শিক্ষকদের বেতন কাঠামো, সুযোগ-সুবিধা পর্যাপ্ত হতে হবে, যেন তাঁরা প্রাইভেট পড়ানোর প্রতি আগ্রহী না হয়ে উঠে। পর্যাপ্ত সুযোগ পাবার পরেও একজন শিক্ষক প্রাইভেট পড়াতে পারবেন, কিন্তু এজন্য সরকারকে কর প্রদান করতে হবে। মেধাবী শিক্ষার্থীদের এ পেশায় আসার ব্যাপারে প্রেষণা দান করতে হবে। শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা থাকতে হবে। প্রতিবছর অন্তত ১৫ দিনের প্রশিক্ষণ তাঁকে নিতে হবে এবং সরকারেরও সে ব্যবস্থা করতে হবে। দেশের যে কোন প্রান্তের যে কোন শিক্ষকের একই রকম সুযোগ সুবিধা দিতে হবে। তাহলে, প্রত্যন্ত অঞ্চলে শিক্ষকতা করার প্রতি নেতিবাচক ঝোঁক এড়ানো যাবে।
শিক্ষকের গুনাবলীঃ
বিষয়সংশ্লিষ্ঠ জ্ঞান থাকতে হবে
পেশাগত দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কে যথাযথ ধারণা থাকা
আচার ব্যবহার ও পোশাক পরিচ্ছদে মার্জিত
উপস্থিত বুদ্ধি সম্পন্ন
কুসংস্কারমুক্ত ও বিজ্ঞানমনোষ্ক
সূক্ষ্ণ রসবোধ সম্পন্ন
শিক্ষার্থীদের প্রতি ভালবাসা থাকা
নিয়মানুবর্তিতা
পাঠদানের পূর্বে প্রস্তুতি নেওয়া
সকল শিক্ষার্থীকে সমান ভাবে মূল্যায়ন করা
আবেগ নিয়ন্ত্রণে রাখার ক্ষমতা থাকা ইত্যাদি
অভিভাবকঃ
‘’জন্মদাতা হওয়া সহজ, কিন্তু পিতা হওয়া কঠিন।‘’ সন্তান জন্ম দেবার মাধ্যমে একজন ব্যক্তি বাবা বা মা হয়ে থাকেন। কিন্তু বাবা ও মা হয়ে উঠা একটি প্রক্রিয়ার ব্যাপার। সন্তান জন্ম দিলেই আদর্শ বাবা বা মা হওয়া সম্ভব নয়। সন্তানের মানসিক ও শারিরীক সুষ্ঠু বিকাশ, বয়স অনুযায়ী লালন পালন পদ্ধতি, নিয়ম শৃংখলা শেখানো, সামাজিকতা শেখানো, সন্তানের সামনে কেমন আচরণ করা উচিত, খেলনা নির্বাচন থেকে প্রতিটি বিষয় সম্পর্কে বাবা-মায়ের পূর্ব জ্ঞান থাকা প্রয়োজন। একটি শিশুর প্রথম শিক্ষক হলো তার বাবা-মা। তাই সন্তান জন্ম দেবার পূর্ব থেকেই বাবা-মায়েদের উচিত সন্তানের সঠিকভাবে লালন পালনের ব্যাপারে জানা। শিশুদের মনোজগত সম্পর্কে তাদের রীতিমত পড়ালেখা করা উচিত। অনেক বাবা-মা অল্পতেই ধৈর্যহারা হয়ে শিশুদের বকা ঝকা ও মারধোর করেন। প্রশংসা না করে শিশুদের নেতিবাচক দিকগুলোকে বেশি তুলে ধরেন। এতে পরবর্তী প্রজন্ম নানাভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তাই প্রাপ্ত বয়ষ্কদের জন্য বাবা-মা হবার প্রস্তুতি থেকে শুরু করে বাবা-মায়ের দায়িত্ব, শিশু লালন-পালন, শিশুদের মনোজগত সম্পর্কে উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা দানের ও গ্রহণের ব্যবস্থা থাকা উচিত।
এছাড়াও বিদ্যালয়ের অভিভাবক সমাবেশে প্রশিক্ষিত শিক্ষক বা মনোবিজ্ঞানী বাবা-মায়েদের নিয়মিত পরামর্শ দান করবেন। শুধু বাবা-মা নয়, শিক্ষার্থীদের পরামর্শদানের জন্যও প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কাউন্সেলর নিয়োগ প্রদান করা উচিত।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




