আমার প্রিয় পোস্ট

কালজয়ী শহীদ জিয়া ও প্রগতি

৩০ শে মে, ২০০৯ রাত ২:০৬

শেয়ারঃ
0 0 0



৩০ মে ১৯৮১ সাল। সম্ভবত সময় তখন সকাল ১০টা। ডিফেন্স এন্ড স্টাফ কলেজ, মিরপুর, সেনানিবাসের অফিসের দ্বিতল ভবনের একটি কক্ষে বসে বিস্তৃত তুরাগ নদীর রূপালী স্রোতের অনুকূলে পাল টানা নৌকাগুলোকে চলতে দেখে মনে পড়ে গেল, ‘আর কত দূরে নিয়ে যাবে মোরে ওগো সুন্দরীঃ’ হঠাৎ কোত্থেকে কালো মেঘের একটি টুকরো কমান্ডো আক্রমণের কায়দায় সূর্যকে ঘিরে ফেললো আর সমস্ত পরিবেশটি তমসাচ্ছন্ন হয়ে গেলো। একটু একটু করে ঝড়ো হাওয়া বইতে শুরু করলো আর গাছের ডালগুলোকে আকড়ে বসে থাকা সবুজ পাতাগুলো বাতাসের হ্যাচকা টানে দুলতে লাগলো। মনে হচ্ছিল যেন মাতম করছিল সাথী পাতাগুলোকে হারানোর বেদনায়। অন্ধকার আচ্ছন্ন নদীটিকে আর দেখা গেল না বলে অফিসের সামনের উঠোনের দিকে তাকাতেই আর একটি অন্য রকমের দৃশ্য দেখে আতকে উঠলাম। মাঠের অদূরে কিছু জংলি (Combat পোশাক পরিহিত বিভিন্ন বয়সের সৈনিক একটি সামরিক জীপের পাশে দাঁড়িয়ে কি যেন কান পেতে শুনছিল আর চোখ মুছছিলো। দূরে বলে কোন আওয়াজ শুনতে পারছিলাম না। একটু পরেই আমার অফিস কক্ষের দরজায় ঠক ঠক আওয়াজ। দরজা খুলতেই এক সহযোগী আমার বুকে ঝাপিয়ে চিৎকার করে কাঁদতে লাগলো। ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে চিৎকার করে কান্নার কারণ জানতে চাইলে ও যা বললো তাতে আমার মাথায় আকাশ ভেঙ্গে পড়লো। সমস্ত শরীর থর থর করে কাঁপছিল। মনে হচ্ছিল এই বুঝি মেঝেতে পড়ে যাব। আকাশে আর মেঘ ডাকছে না, বিদ্যুৎ চমকাচ্ছে না। হঠাৎ একঝাক বৃষ্টি চারদিকে পড়তে শুরু করলো। মনে হলো যেন আকাশ কাঁদছে, বাতাস বইছে না, বিদ্যুৎ চমকাচ্ছে না। সবাই যেন মাতমে নিমজ্জিত। কেবল চারদিকে কান্নার রোল আর একটি প্রশ্ন কে জেনারেল জিয়াকে খুন করলো? সঙ্গে সঙ্গে রেডিও খুলতেই শুনতে পেলাম কয়েকজন বিপথগামী সেনা অফিসার প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে নির্মমভাবে হত্যা করে রাষ্ট্র ক্ষমতা দখলের ঘোষণা দিচ্ছে বার বার। আমি ভাষা হারিয়ে ফেললাম, বিধ্বস্ত অনুভব করলাম মানসিকভাবে মনে হচ্ছিল এখনই বুঝি সম্বিৎ হারিয়ে ফেলবো। কিছুক্ষণ পরে দেখলাম মিরপুরের সৈনিকগুলো মাথা নিচু করে চোখ মুছতে মুছতে ব্যারাকে ফিরে যাচ্ছে। কেউ কারো সঙ্গে কথা বলছে না। অফিসগুলোর দরজা বন্ধের আওয়াজ শুনতে পেয়ে আস্তে আস্তে নিজ অফিস থেকে বেরিয়ে আর সবার মতো নিজ ঘরে ফিরতেই আমার স্ত্রী উম্মে চিৎকার করে কাঁদতে কাঁদতে প্রশ্ন করলো কেন ওরা জিয়াকে মারলো? মনে হচ্ছিল বাংলাদেশ বুঝি স্তব্ধ হয়ে গেছে এই কালজয়ী ব্যক্তির অন্তর্ধানের কথা শুনে। কিন্তু আকাশ তখনো কালো মেঘে ঢাকা দেখে মনে হচ্ছিল শ্রষ্টা বুঝিও আমাদের মত মর্মাহত। ভাবলাম হায়রে বিধাতা তুমি কেন এত নিষ্ঠুর? যে লোকের বীরোচিত ডাকে লক্ষ কোটি লোক ঘর ছেড়ে অস্ত্র ধরলো মুক্তির অন্বেষনে, স্বাধীনতার জন্য জীবন বলিদানে ইস্পাত কঠিন শপথ নিয়ে পাকিস্তানী বর্বর শক্তির বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামলো, তাকে কেন এভাবে প্রাণ দিতে হলো? এরই মধ্যেই চুপি চুপি বেশ ক্ষাণিকক্ষণ কাঁদলাম, কিন্তু কেউ দেখলো না। (I wept a little but no one saw it) আর মহান আল্লাহর কাছে ভিক্ষা চাইলাম তাঁর (জিয়ার) আনন্দময় পরকালের জন্য। এর পরের চারদিন পর্যন্ত বাংলাদেশের আকাশে একটি কালো পর্দার প্রলেপ ছিল। লক্ষ কোটি লোকগুলো যেন বোবা হয়ে গিয়েছিল। সবাই ভাবছিল এরপর কি ঘটতে যাচ্ছে। সবাই দোয়া করছিল জিয়ার হত্যাকারীদের যেন চরমতম শাস্তি হয়। তিনদিনের মাথায় তাদেরকেও জনগণের রোষানলে পরে জীবন হারাতে হলো। ’৭১-এর স্বাধীনতা যুদ্ধের ঘোষক জিয়াউর রহমানকে বাধ্য করেছিল দেশপ্রেমী সৈনিক জনতার বিপ্লবের নেতৃবৃন্দ ৭ নভেম্বর ’৭৫ সালে বাংলাদেশের কর্ণধারের দায়িত্ব নিতে। এই অকুতোভয় ব্যক্তি দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই জনগণের আন্তরিকতা ও স্বতঃস্ফূর্ত সহযোগিতা পেয়ে দেশটিকে পূণর্গঠনের জন্য আপোষহীন ও আমরণ সংগ্রামে অবতীর্ণ হলো। প্রথম বাংলাদেশ আমার শেষ বাংলাদেশ এই আহ্বানে তার সাথে বাংলাদেশের আপামর জনসাধারণ সাড়া দিল এবং দেশকে ধীরে ধীরে উন্নতির প্রথম সোপানে নিয়ে যাওয়ার জন্য অঙ্গীকার নিলো স্বাধীনতার বেদী তলে। সুবিচার, সুশাসনে, সুষমে উন্নয়নের মহামন্ত্রে জাতিকে উদ্বুদ্ধ করলেন তিনি। দেশবাসী নৈরাজ্য, নৈরাশ্যতা ও নেতৃত্ব শূন্যতা থেকে মুক্তি পেলো এবং বিশ্ববাসী এতে অভিভূত হয়ে সব ধরনের সাহায্যের আশ্বাস দিলো।

১৯৭১-এর মুক্তি আন্দোলনের সময় এবং এরপর যে কয়টি প্রতিশ্রুতি জনগণকে অনুপ্রাণিত করেছিল তা ছিলঃ

০ নিষ্কলুষ গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা

০ স্বাধীন পররাষ্ট্র নীতি

০ সামন্তবাদ, আধিপত্যবাদ ও ধর্মান্ধতা বিরোধী সংবিধান

০ সংস্কৃতিতে স্বকীয়তা আনয়ন ও সংরক্ষণ

০ স্বাধীনতা সংগ্রামের নির্ভুল, নিরপেক্ষ ও তথ্যসমৃদ্ধ ইতিহাস প্রণয়ন

০ যুগোপযোগী প্রযুক্তির প্রসার

০ গণমুখী সবুজ বিপ্লব

০ বাস্তবমুখী শিল্পায়ন

০ শোষণমুক্ত আর্থ-সামাজিক ব্যবস্থার সৃষ্টি

০ মুক্তিযোদ্ধাদের প্রকৃত মূল্যায়ন

০ সম্পদের আপেক্ষিক বিভাজন

০ সার্বজনীন নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ

০ সংবাদ মাধ্যমের স্বাধীনতা

০ সার্বভৌমত্ব রক্ষার তাগিদে সশস্ত্রবাহিনীকে এবং অন্যান্য বাহিনীকে যথোপযোগী আধুনিকায়ন

০ সার্বজনীন শিক্ষার প্রসার

উপরোক্ত প্রতিশ্রুতিগুলোকে প্রাপ্তিতে পরিণীত করার লক্ষ্যে ১৯৭১-এর ১৬ ডিসেম্বর থেকে সরকার অঙ্গীকার করে আসছিল। যুদ্ধবিধ্বস্ত আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে একসময় ভাটা পড়লো। বিক্ষুব্ধ জনগণ সরকার পতনের দাবি উঠালো। হঠাৎ একদিন একটি সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে একজন দেশপ্রেমী ও গগনচুম্বী ব্যক্তির যবনিকাপাত হলো। ১৯৭৫-এর ১৫ আগস্টে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার স্বপ্নদ্রষ্টা ও লালনকারীর অন্তর্ধানের পর থেকে দেশকে নৈরাজ্য ও বিভীষিকার আগ্রাসনের শিকার হতে হলো। ৭ নভেম্বর ১৯৭৫ এক সর্বগ্রাসী সৈনিক জনতার বিপ্লবের মাধ্যমে জিয়াকে ক্ষমতায় বসানো হলো। তিনি সততা ও আন্তরিকতাকে বাহন করে দেশকে ‘তলাবিহীন ঝুড়ি’ কথিত বাংলাদেশকে উন্নয়নমুখী দেশ হিসেবে পৃথিবীতে পরিচিত করলেন। তাঁর উন্নয়নের মূলমন্ত্র প্রণীত হয়েছিল ৭টি ‘প’ এর উপর ভিত্তি করে। সেগুলো হলো:

০ পরিকল্পনা

০ পুঁজির ব্যবস্থা

০ প্রতিষ্ঠানকে ক্ষমতায়ন

০প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা

০ প্রত্যয়

০ পরিশ্রম

০ পুরস্কার

জিয়া তার দৃষ্টান্তমূলক নেতৃত্বে দেশকে একটি শক্ত ভিত্তির উপর দাঁড় করাতে সক্ষম হয়েছিলেন। তিনি বেশ কয়েকটি নতুন দূরদৃষ্টিমূলক সৃষ্টির মধ্য দিয়ে দেশকে সমৃদ্ধ করেছিলেন। সেগুলো হলো:

০ শিশু ও মহিলা বিষয়ক মন্ত্রণালয়

০ যুব বিষয়ক মন্ত্রণালয়

০ গ্রাম সরকার

০ গ্রাম পুলিশ

০ গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী

০ শিশু একাডেমী

০ সরকারি প্রতিষ্ঠানের বিকেন্দ্রীকরণ

০মৃতপ্রায় সরকারি উদ্যোগগুলোকে দুই শিফটে চালানোর ব্যবস্থাকরণ

০ পর্যাপ্ত পরিমাণে (৪০০০০ কিউসেক) গঙ্গার পানি আনয়নের উদ্দেশ্যে ভারতের সঙ্গে চুক্তি সম্পাদন

০ সার্ক সৃষ্টি

তাঁর অবদান অক্ষয় হয়ে থাকবে। চিরভাস্বর হয়ে থাকবে তাঁর নেতৃত্ব যা কিনা যুগ যুগ ধরে অনুপ্রাণিত করবে দেশবাসীকে। তিনি আমাদের আশ্বাস দিয়েছিলেন দৃঢ়ভাবে যে যদি একটি জাতি নির্ভেজাল আন্তরিকতা ও সততার সঙ্গে দেশ উন্নয়নে আত্মপ্রত্যয়ী হয়ে অবতীর্ণ হয় তাহলে দেশ অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছাবেই। আজকে আমরা দেখতে পাচ্ছি সেই মাওলানা ভাসানীর স্বাধীনতার ডাক, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বাধীনতার চেতনায় বাঙালিকে উদ্বুদ্ধ করার মহান ভূমিকা এবং বিধ্বস্ত প্রায় তলাবিহীন ঝুড়ি নামে কলঙ্কিত বাংলাদেশকে উন্নয়নের অভীষ্ঠ লক্ষ্যে পৌঁছানোর রূপকার শহীদ জিয়াউর রহমানদের মতো বিশাল ব্যক্তিত্বদের অবদান জাতি প্রায় ভুলতে বসেছে। আজ সুশাসন ও সুবিচার পাওয়ার জন্য জনগণ হাহুতাশ করছে। অন্যায়, অবিচার, প্রবঞ্চনা ও দুর্নীতি আমাদের রাজনীতির শক্তির ভিত্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করছে। আমি দেশবাসীকে সবিনয় নিবেদন করবো আসুন আমরা ঐ সমস্ত ক্ষণজন্মা কালজয়ী ব্যক্তিত্বদের ইতিহাসের পাতায় বন্দি না রেখে তাদেরকে আমাদের চলার পথের সঙ্গী করে রাখি। তাঁদের নিয়ে রাজনীতি না করে তাদের রাখা উদাহরণকে পাথেয় করি। আমার বিশ্বাস আমাদের রাজনীতিতে ও আর্থ-সামাজিক ব্যবস্থায় তখনই উল্লেখযোগ্য উন্নতি হবে যখন আমরা দল ও মতের ঊর্ধ্বে উঠে দেশকে সঠিক নেতৃত্ব ও সার্বজনীন কল্যাণমূলক নির্দেশনা দেই। সংস্কার করি ঐ সমস্ত রীতিনীতির যা আমাদের গণতন্ত্র ও উন্নয়নের পথে বিঘœ ঘটায়। প্রজন্ম বাংলাদেশকে একটি উন্নয়ন, প্রগতি ও কল্যাণমুখী রাষ্ট্র হিসেবে পেতে চায় এবং আমাদের দায়িত্ব তা বাস্তবায়িত করা।


দৈনিক ইত্তেফাক, লেখকঃ মেজর জেনারেল জেড এ খান (অব.)

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): জিয়াপ্রেসিডেন্টকালজয়ীনেতা ;
প্রকাশ করা হয়েছে: আমার ডায়রী  বিভাগে । বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ৩০ শে মে, ২০০৯ রাত ২:১৬
শয়তান হন্তারক বলেছেন: এই মাথামোটা লোকটার বউও যে মাথামোটা হবে তা আমজনতার আগেই বোঝা উচিৎ ছিল।
২২ শে জুলাই, ২০০৯ সকাল ১০:৩৫

লেখক বলেছেন: আম জনতার মধ্যে আপনি পড়েন না নিশ্চয়ই

২. ৩০ শে মে, ২০০৯ রাত ২:২৮
আবদুর রহমান (রোমাস) বলেছেন:

১৯৭১-এর মুক্তি আন্দোলনের পর জেনারেল জিয়া যে কয়টি কাজ করেছিল তা ছিলঃ>>>>>>>>>উপরে দিয়েছেন..কিন্তু

এর মধ্যে একটি......হলো ১৯৭৫ পরবর্তীতে........১৯৭১এর ঘাতক নরপশু দালালদের সরকারীভাবে পূর্ণবাসন করা।। ঘাতক রাজাকারদেরকে দেশের প্রতিটি রন্ধে রন্ধে প্রবেশের সুযোগ করে দেওয়া। এর মাধ্যমে যে আগুন জেনারেল জিয়া জ্বালিয়ে গেছেন..... তার আগুনে এদেশের মানুষ এখোনো তিলে তিলে পুড়ে অঙ্গার হচ্ছে..। যার প্রতিচ্ছবি হলো..জামাত শিবিরের হাতে মুক্তিযোদ্ধারা লাঞ্ছিত। জামাত শিবিরের গাড়ীতে পতাকা লাগানোর ব্যবস্থা করে দিয়েছেন জেনারেল জিয়ার সহধর্মিনী। সে জিয়াকে কালজয়ী বলে ছোট করবেন না। তাকে আরো কিছু উপাদানে ভুষিত করুন।



@@ লেখক আশা করি কমেন্ট মুছবেন না। কিছু বলার থাকলে লিখে জবাব দিবেন।........আশা করি কমেন্ট মুছে নিজেকে কাপুরুষ বানাবেন না।
২২ শে জুলাই, ২০০৯ সকাল ১০:৩৬

লেখক বলেছেন: পরিচয় জানাবার জন্য ধন্যবাদ

৪. ৩০ শে মে, ২০০৯ রাত ৩:১৬
রাগিব বলেছেন: আমার বয়স তখন ৩। কেবল এটাই মনে আছে, খুব অবাক হয়ে বাসার বারান্দাতে এসে দেখছি, উলটো দিকে আগ্রাবাদের চট্টগ্রাম বেতার কেন্দ্রের স্টুডিওর ছাদে এক সৈন্য বন্দুক হাতে দাঁড়িয়ে আছে।
৫. ৩০ শে মে, ২০০৯ রাত ৩:৪২
রিফাত হোসেন বলেছেন: জিয়া অপরাধে বিনাপরাধে অনেক কে ফাসিঁতে ঝুলিয়েছে ঠিক । কিন্তু দেশের মঙ্গল কামনা করেছেলিন সবর্দা ।
৬. ৩০ শে মে, ২০০৯ ভোর ৪:০৩
নরাধম বলেছেন:

জিয়ার অর্জন আছে অনেক কিছুই যেমন এরশাদেরও অনেক অর্জন আছে! তবে জিয়া দেশকে যা গোয়া মেরে দিয়েছে সেখান থেকে উত্তরন ঘটতে আরো কত প্রজন্ম লাগে কে জানে।

Click This Link
৭. ৩০ শে মে, ২০০৯ ভোর ৪:১৯
রন্টি চৌধুরী বলেছেন: হাহ হা...নরাধম দেখি পুরা এন্টি জিয়া।
৮. ৩০ শে মে, ২০০৯ ভোর ৪:২৯
নরাধম বলেছেন: রন্টি চৌধুরী বলেছেন: হাহ হা...নরাধম দেখি পুরা এন্টি জিয়া।




নারে ভাই, এন্টি জিয়া না। তবে তাকে দরবেশ বানানোর ঘোর বিরোধী। তাকে আমি একজন সামরিক শাসক, যিনি তার রাজনীতিকে টিকিয়ে রাখার জন্য অনেক দেশের জন্য দীর্ঘমেয়াদে ক্ষতিকর এরকম ডিসিশান নিয়েছেন, সেরকম একজন শাসক হিসেবেই দেখি। আমি তাকে ঘৃণা করিনা, কিন্তু পছন্দও করিনা। নিরপেক্ষ দৃষ্টিতে দেখলে তাকে হিরো ভাবার কোন কারন নেই। তবে তার সন্তানদের থেকে নিশ্চয়ই হাজার গুনে ভাল ছিলেন। আর বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা এসব বলে লোক হাসানোর মানে হয়না, সামরিক শাসক কোনদিন গণতন্ত্র দিতে পারেনা। তার চ্যালারা দীর্ঘসময় ধরে তাকে স্বাধীনতার ঘোষক বলে মানুষকে বিভ্রান্ত করেছে সেজন্য আমি জিয়াকে দোষ দিইনা। মোটকথা জিয়া একজন সামরিক শাসক, এবং সেজন্যই অবৈধ। অবৈধ শাসকের ভালমন্দ খুঁজতে যাওয়ার কোন মানে হয়না।




জিয়ার সবচেয়ে বড় পাপ আমি মনে করি উপজাতীয়দেরকে তাদের অধিকার থেকে বন্ঞিত করা।
৯. ৩০ শে মে, ২০০৯ ভোর ৪:৩৯
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: জিয়ার কথা শুনেছি এমন সব লোকের কাছে যাদের নীতিবোধ দেখে আজীবন তাদেরকে ঈর্ষা করেছি , যাদের মত হতে পারাটা জীবনের বিরাট প্রাপ্তি মনে করব । তাদের মুখে শোনা কথাগুলোকে পাথেয় মনে করে বলেই জিয়াকে শ্রদ্ধা করি ।

বিনম্র শ্রদ্ধা এই রাষ্ট্রনায়ককে
১০. ৩০ শে মে, ২০০৯ ভোর ৪:৩৯
রন্টি চৌধুরী বলেছেন: যুক্তি গ্রহনযোগ্য ।

তবে, বঙ্গবন্ধু পরবর্তী বাংলাদেশের রাজনীতিতে আসলে দেশের জন্য ভাল নেতৃত্বস্থানীয় রাজনীতিবীদদের মধ্যে জিয়াই একটু মন্দের ভাল :(
১১. ৩০ শে মে, ২০০৯ ভোর ৪:৪২
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: রন্টি ভাইয়ের কথার সাথে একমত , তাকে দরবেশ মনে করি না । কিন্তু দেশের জন্য সত্যিকার অর্থে কিছু একটা করার ইচ্ছা তার ছিল , এটা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি ।

সামান্য এতটুকু ইচ্ছাই এখন বিরল মনে হয় ।
১২. ৩০ শে মে, ২০০৯ ভোর ৫:২৭
বো কা মা ন ব বলেছেন: আমার জন্ম এরশাদের শাসন আমলের শেষ ভাগে,
তাই মুজিব বা জিয়া কারো শাসন আমলই নিজ চোখে দেখার সৌভাগ্য হয় নাই। /:) /:) /:) /:) /:) /:) /:)

তবে মুরুব্বীদের কাছে যতটুকু শুনছি তাতে স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলাদেশে সর্বশ্রেষ্ট এবং দেশপ্রেমিক শাসক ছিলেন জিয়াউর রহমান। আল্লাহ তাকে বেহেশত দান করুন।

অনেকেই আছেন যারা, আমার আগে মন্তব্য করেছেন তার নানাবিধ সমালোচনা করেছেন। তাদের জ্ঞাতার্থে বলি, মানুষ ফেরেশতা নয়, সব মানুষেরই ভুল থাকবে, খারাপ দিক থাকবে, পাশাপাশি গুনও থাকবে। আপনারা যারা জিয়া সম্বন্ধে বিরূপ ধারণা পোষণ করেন তারা অনুগ্রহ করে কোন মুরুব্বীর কাছে শুনেন, যে জিয়া কেমন শাসক ছিল? তার মৃত্যুতে দেশের মানুষ কতখানি শোকাহত হয়েছিল?? অন্যকারো মৃত্যুতে জনগণের প্রতিক্রিয়া কেমন ছিল?
যারা রাজাকার রাজাকার করে ব্লগে পরিবেশ দূষণ করেন তাদের জ্ঞাতার্থে বলে রাখি, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ছিলেন একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। শুধু মুক্তিযোদ্ধাই নন, একজন সেক্টর কমান্ডারও। আপনারা একজন মুক্তিযোদ্ধারই সম্মান দিতে পারেন না। আবার রাজাকার রাজাকার আওয়াজ দিয়ে পরিবেশ দূষণ করেন। আপনাদের হীন মন্তব্যে এটাই প্রকাশিত হয় আপনাদের মুখ থেকে যে দেশপ্রেম আর মুক্তিযুদ্ধের বাণী শুনা যায় তা অন্তঃসার শুন্য।X(X(X(X(X(X(X(

স্বাধীন বাংলাদেশের সৃষ্টিতে যেমন অস্বীকার করার উপায় নেই ভাসানী বা মুজিবের অবদান, তেমনি দেশের ক্লান্তি লগ্নের পাঞ্জেরী, সাত সাগরের মাঝি জিয়াকেও ভোলার উপায় নেই। অস্বীকার করার উপায় নেই এরশাদ, খালেদা বা হাসিনার অবদানও, যারা সেবা করে চলেছেন আমার সোনার মাতৃভূমির।

"সেলাম তোমায় শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান,
বাংলাদেশীরা কখনো ভুলবে না তোমার অবদান।"
:):):):):):):)
আমি সাধারনত লগ ইন না করেই ব্লগ পড়ি।
এত্ত সুন্দর একটা পোষ্টের জন্যে প্লাস দিতেই লগইন করলাম।
প্রিয়তে রাখলাম।
:P:P:P:P:P:P:P
১৩. ৩০ শে মে, ২০০৯ ভোর ৫:৩৩
বো কা মা ন ব বলেছেন: আর একটা কথা বলতে ভুলে গেছিলাম। বাস্তব জগতে নিউটনের সুত্রও ১০০% ঠিক না। আর সেখানে গনতন্ত্র বা একজন শাসক।

অর্থাৎ বাস্তবে কোন কিছুই পরম না, সবই আপেক্ষিক। তাই আপেক্ষিকতার মাপকাঠিতে সব পরিমাপ করাই শ্রেয়।
১৪. ৩০ শে মে, ২০০৯ ভোর ৫:৪৮
নরাধম বলেছেন: রন্টি চৌধুরী বলেছেন: যুক্তি গ্রহনযোগ্য ।

তবে, বঙ্গবন্ধু পরবর্তী বাংলাদেশের রাজনীতিতে আসলে দেশের জন্য ভাল নেতৃত্বস্থানীয় রাজনীতিবীদদের মধ্যে জিয়াই একটু মন্দের ভাল ।



আমি বংগবন্ধুর শেষ ১ বছরকে চরম একনায়কতন্ত্রই মনে করি এবং এটা বংগবন্ধুর দূরদৃষ্টির অভাবকে আমাদের সামনে তুলে ধরে।

হুমমম......মন্দের ভাল বলা যায়, কিন্তু এরশাদের মত যদি আরো কিছুদিন বেঁচে থাকত তাহলে কি হত সেটা অবশ্য প্রশ্ন থেকে যায়। তবুও আমি বাংলাদেশের এ পর্যন্ত নেতাদের মধ্যে শেরে বাংলা, বংগবন্ধু এদেরকে প্রথম কাতারে রাখলে, পরবর্তী কাতারে জিয়ার কিছু ক্ষমা অযোগ্য অপরাধ স্বত্বেও তাকেই রাখতে একমত। অল ইন অল, এখনকার নেতৃত্বের সদিচ্ছা থেকে তাঁর সদিচ্ছাকে অবশ্যই অনেক এগিয়ে রাখব, কিন্তু অনেক বিএনপিঅলাদের জিয়াকে বংগবন্ধুর কাছাকাছি নিয়ে আসার চেষ্টা চরম পীড়াদায়ক। আসলে আমাদের কাছে জিয়া এমনকি বংগবন্ধুকে মূল্যায়ন করার জন্যও যেরকম গবেষণা হওয়া দরকার তার কানাকড়িই হয়নি। হয়ত আগামী ২০/৩০ বছরে আমরা ইতিহাসে যার যেখানে স্থান তাঁকে সেখানে দিতে পারব।
১৫. ৩০ শে মে, ২০০৯ ভোর ৬:০৪
আহছানউল্লাহ বলেছেন: প্রেসিডেন্ট জিয়া সম্পর্কে উপরের মন্তব্যগুলো মনোযোগ দিয়ে পড়ার চেষ্টা করেছি বিভিন্ন জন বিভিন্ন ভাবে মত জানিয়েছেন এটা প্রত্যকের অধিকার তাতে কোন দোষের কিছু না।কিন্তূ যার স্থান যেখানে তাকে সেই স্থানে বসানো,মর্যাদা দেওয়া,মানে আপনি আমি সত্যকে গ্রহন করা।দেখুন উনি স্বাধীনতা যুদ্ধে অন্যদের মত পালিয়ে বা একাত্নতা(পাকিস্থানীদের সাথে)পোষন করেন নি।বরং অগ্রে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন।স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে যুদ্ধপরাধী,ও রাজাকারদের ক্ষমা করেছেন কে?যদি ঐ সময় ক্ষমা না করে বিচারের আওতায় আনা যেত পর্যায়ক্রমে বর্তমান বাংলাদেশ রাজাকার ও যুদ্ধপরাধী মুক্ত দেশ হতো। আর কোন যুদ্ধপরাধীর গাড়ীতে বাংলাদেশের পতাকা উড়তো না।আর রাজাকার ও যুদ্ধপরাধী এই ইস্যু নিয়ে কেউ বা কোন গোষ্টী রাজনীতি করত পারতো না।একজন মুসলমান হিসেবে তার আত্নার মাগফেরাত কামনা করি।
১৬. ৩০ শে মে, ২০০৯ ভোর ৬:২৮
ভন্ডপির বলেছেন: জিয়া চাইছিল বাংলাদেশ বার্মা হউক। :D
১৭. ৩০ শে মে, ২০০৯ ভোর ৬:৩৪
স্রোতচিহ্ন বলেছেন:
জিয়া একজন খুনি বিনাবিচারে আমার মামাকে ফাঁসি দিয়াছে
ওর বৌ ছেলেরা মহাচোর।
১৮. ৩০ শে মে, ২০০৯ ভোর ৬:৪৬
বিডি আইডল বলেছেন: জিয়ার কাজের মূল্যায়ন করতে পারবে যারা বঙ্গবন্ধুর শাসন এবং জিয়ার শাসন দুটোই দেখেছে..যারা এখানে ফাল পাড়ানি মন্ত্যব্য করছেন...বয়সে আমার ছোট হবেন বেশির ভাগই....আমার বাবা (ঘোর আওয়ামী লীগ) এবং মা (ঘোর বিএনপি) এর কাছ থেকেই আমার সব কিছু শোনা....

জিয়ার মত দূরদর্শী এবং সাহসী নেতার অভাবেই বাংলাদেশ কখনও মালয়শিয়া হবে না..আমরাও জাতি হিসাবে বাচাল, কর্মবিমূখ আর কূপমুন্ডক থাকবো...এটাই আমাদের ভবিতব্য

১৯. ৩০ শে মে, ২০০৯ সকাল ৮:৪৬
স্কাউট বলেছেন: বাংলাদেশন্ত প্রান ছিল জিয়ার। দেশ, দেশের মানুষের ভালো ছারা কিছুই বুঝতেননা তিনি।
২০. ৩০ শে মে, ২০০৯ সকাল ১০:৫৮
বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত বলেছেন:
আবদুর রহমান (রোমাস) বলেছেন:

জামাত শিবিরের গাড়ীতে পতাকা লাগানোর ব্যবস্থা করে দিয়েছেন জেনারেল জিয়ার সহধর্মিনী। সে জিয়াকে কালজয়ী বলে ছোট করবেন না। তাকে আরো কিছু উপাদানে ভুষিত করুন।

========

ভাই রোমাস, আরো কিছু আছে:

১| হাসিনাকে দেশে আসার সুযোগ দিয়েছে জিয়া|

২| রাজাকার নিজামীকে কোলের পাশে বসিয়ে বিএনপি বিরোধী আন্দোলন করেছে হাসিনা ( লাগলে ছবি দিব, আওয়াজ দিয়েন)

৩| রাজাকারের ছেলের কাছে মেয়ে বিয়ে দিয়েছেন হাসিনা |

৪|বর্তমান মন্ত্রী সভায়ও হাসিনা একজন বিখ্যাত রাজাকারকে নিয়োগ দিয়েছেন এব; তার গাড়িতেও জাতীয় পতাকা আছে|

খোজ নেন, তার পরও যদি সাহায্য লাগে বলবেন, প্রমান দিব|

অবাক কান্ড হাসিনার সাথে নিজামি থাকলে জায়েজ, খালেদার সাথে গেলেই....
২১. ৩০ শে মে, ২০০৯ দুপুর ১২:১৮
জানপরী বলেছেন:
একমাত্র গোড়া আওয়ামী লীগ মতাদর্শী ছাড়া রাষ্ট্র নায়ক হিসাবে জিয়াকে খারাপ বলতে শুনিনি।
২২. ৩০ শে মে, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৭
বো কা মা ন ব বলেছেন: @বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত: ছিঃ ছিঃ, এইসব গোপন কথা ফাঁস করতে হয় নাকি?
@বিডি আইডলঃ আপনি ১০০% ঠিক বলেছেন।আপনাকে +
২৩. ৩০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১০:৫৮
প্রশান্ত শিমুল বলেছেন: জিয়াকে আমার সর্বকালের শ্রেষ্ঠ বাংলাদেশী শাস বলে মনে এমনকি মাথামোটা মুজিবের থেকেও ....

যার প্রমান আমি তার সময়কার বেশ কয়েকজন বিদেশী রাষ্ট নায়কের লেখায় পেয়েছি.....

ব্যক্তি জিয়াকে যারা পছন্দ করেনা তারা মাথামোটা মুজিব অথবা মজদুরদের অন্ধ ভক্ত....
২৪. ৩০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:০৯
টোনা বলেছেন: রাজাকার পূর্নবাসন ব্যাপারটা আনলেন না ??
২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:৩১

লেখক বলেছেন: রাজাকার পূর্নবাসনের বিষয়ে বিস্তারিত নিয়ে পোষ্ট দেন। রাজাকার গুরু গোআযম কিভাবে কোন আমলে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব পেল, সেটা ঠেকানোর দায়িত্ব কার ছিল সেসব সহ।

২৬. ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:০৬
ওয়াচডগ৫৭ বলেছেন: একজন প্রফেশনাল খুনীর পরিনাম কি হয়, জিয়া মরে গিয়ে তার প্রমান রেখে গেছেন। উর্দি পরা জেনারেলদের কাজ দেশ শাষন নয়!
২৭. ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:৫৯
নাজমুল হক রাসেল বলেছেন: :( :( :(

'দিনকাল তোমাকেই খুজসে' প্রতিজগিতায় নাম দিছেন তো। জিতে আসা ছাই কিন্তু।।


২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:০৪

লেখক বলেছেন: এই লেখাটি দৈনিক ইত্তেফাকে প্রকাশিত

২৮. ২৯ শে এপ্রিল, ২০১১ রাত ১:১০
কলম.বিডি বলেছেন: একটা বই পড়লাম।ব্যরিষ্টার মইনুল হোসেন, এস আর মির্জা আর একজনের নাম মনে নাই... এই তিনজনের কথোপকথন। ২০১০ এর বইমেলায় বের হয়ে আবার ব্যান এর পাল্লায় পড়ে আউট অফ প্রিন্ট।কিন্তু বাংলাবাজারে পেতে পারেন। যা হোক,ওখানেই পেলাম,১৯৭১ এর মার্চে তাজউদ্দীন শেখ মুজিব কে বারবার বলছিলেন অন্তত একটা লিখিত স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে যেতে।কারণ তিনি আত্নগোপনে রাজী হচ্ছিলেন না।একদিন তাজউদ্দীন রেগে শেখ মুজিবের অফিস থেকে বের হওয়ার পথে মইনুল হোসেন তাঁকে আটকান।-কি হয়েছে? -স্বাধীনতার ঘোষণা লিখিতভাবে দিতে শেখ মুজিব সরাসরি নিষেধ করেছেন।কারণ পাকিস্তান সরকার এজন্য তাঁকে রাষ্ট্রদ্রোহী সাব্যস্ত করতে পারে!!!!
আর এই পা-চাটা মানুষটা আমাদের নাকি পিতা? স্বাধীনতার ঘোষক??
আমার কথা বিশ্বাস না হয় বইটা যোগাড় করেন।অনেক তথ্য আছে, যেগুলা আমরা ঠিক বিপরীতটা জানি
২৯. ২০ শে জুলাই, ২০১১ রাত ৮:০৮
মেঘ রাজ বলেছেন: বিডি আইডল বলেছেন: জিয়ার কাজের মূল্যায়ন করতে পারবে যারা বঙ্গবন্ধুর শাসন এবং জিয়ার শাসন দুটোই দেখেছে..যারা এখানে ফাল পাড়ানি মন্ত্যব্য করছেন...বয়সে আমার ছোট হবেন বেশির ভাগই....আমার বাবা (ঘোর আওয়ামী লীগ) এবং মা (ঘোর বিএনপি) এর কাছ থেকেই আমার সব কিছু শোনা....

জিয়ার মত দূরদর্শী এবং সাহসী নেতার অভাবেই বাংলাদেশ কখনও মালয়শিয়া হবে না..আমরাও জাতি হিসাবে বাচাল, কর্মবিমূখ আর কূপমুন্ডক থাকবো...এটাই আমাদের ভবিতব্য

ভাল লাগলো....

 

মোট সময় লেগেছে ১.০১৮২ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
মডারেশনের সকল অস্বচ্ছ সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানাই
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ