
কোরবানী পশুর হাটে গরু কিনতে আজকেই প্রথম গেলাম, এর আগে কোন না না কোন কারনে যাওয়া হয়ে ওঠেনি।
হাটের কাছাকাছি আসতে-ই গরু কিনে আসতে থাকা মানুষের কাছে গরু-র দাম নিয়ে একটা ধারনা নেয়া শুরু করলাম। যদিও ভেতরে ঢুকে গরুমালিকদের দাম শুনে মনে হতে লাগল বাইরে বোধহয় ভুল শুনেছি...
হাটে ঢুকে এ গরু সে গরু দেখতে দেখতে আর সেসব গরু-র লেজের বাড়ি খেতে খেতে আমার একটা জিনিষ ভেবে খুব আত্নতৃপ্তি হতে লাগল... (সেটা শেষে বলছি)।
গরু যেটা শেষমেষ কেনা হল ১ঘন্টা ধরে দামাদামি করে, সেটা কেনার আগ পর্যন্ত বেশ শান্ত মনে হলেও হাটের হাসিল এর টাকা দেবার সময় গরু বাবাজী-র মনে হয় নতুন মালিক পছন্দ হল না
আমরা পেছন পেছন দুই গরু কিনলেওয়ালা শুধু গরু-র দড়ি ধরে রাখার ব্যার্থ চেস্টা-ই চালিয়েছি
আবার যাওয়া শুরুর পর গরু-র মনে হল আর যাওয়া ঠিক হবে না, পাশ দিয়ে যাওয়া গরু গুলোর সাথে শুরু করল শয়তানি... যারা ঐসব গরু নিয়ে যাচ্ছিল তারা-ও মহা মুসিবতে পরল, সেই সাথে আমাদের গরু যারা টেনে নিয়ে যাচ্ছিল তারা-ও। আবার রাস্তায় এটা সেটা যেমন -- পলিথিন, ময়লা দেখলে গরু-র মেজাজ যায় বিগরিয়ে!!! যেই বিশাল লম্ফদেয়, আর শিং টা বাকিয়ে তেড়ে আসতে থাকে তাতে আমার শুধু একটা বোধের-ই উদয় ঘটল-----
ছোটবেলায় পড়াশোনা না করলে বাবা-মা- গ্রামে পাঠিয়ে দিয়ে রাখাল বানানোর কথা বলত... সত্যি সত্যি যদি রাখাল বানিয়ে দিত তবে এতদিনে বেচে থাকতাম কিনা সন্দেহ..গরু-র ঠাংগানি খেয়ে লুলা হয়ে পথে ভিক্ষা করতে হত
যাই হোক আজকে ব্যাপক মজা পেয়েছি
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১:১০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


