তারপর............
সিলেক্ট ইওর বোর্ড.........
রোল নম্বর.........
এন্টার.........
রেজাল্ট জি.পি.এ. ৫।
ছেলেটার মুখ আনন্দে ভরে গেল।তার প্রত্যেকটা স্নায়ুতে যেন বয়ে গেল উচ্ছাসের ফল্গুধারা।চোখে পানি এসে গেল ছেলেটার।আর সেই আনন্দে আমার যে কী ভাল লাগছিল তা লিখে বোঝানো যাবেনা।
না ছেলেটা নিজে জি.পি.এ. ৫ পায়নি।পেয়েছে তার ভাই।গরীব ঘরের সন্তান ওরা।নিজে টিউশানি করে ভাইকে পড়িয়েছে।হলে নিজের কাছে ভাইকে রেখেছে।রূমমেটদের সাথে এ নিয়ে বিবাদ, নিজের খাট ভাইকে দিয়ে নিজে ফ্লোরিং করা কী না করেছে!আজ ওর এমন সফলতার দিনে, ওর মুখে বিজয়ীর হাসি দেখে আমিও আত্মহারা হয়ে গিয়েছিলাম।
জীবনে অনেককে রেজাল্ট দিয়েছি নিজের কম্পিঊটারে ইন্টারনেট থাকার সুবাদে।কেউ হয়তো গার্লফ্রেন্ড এর রেজাল্ট, কেউ বা নিকটাত্মীয়ের রেজাল্ট নিয়েছে।অনেকে কাছের মানুষের রেজাল্ট ও নিয়েছে।কিন্তু আজ এই রেজাল্টটা দিয়ে আমি যে তৃপ্তি পেয়েছি তা আর জীবনে কখনো পাইনি।সত্যি পাইনি।
আপনারা সবাই ছেলেটার জন্য দোয়া করবেন।আমার কেঊ না ছেলেটা।তবুও চাইছি।কারন সংগ্রামী মানুষের জয় আমি খুব চাই।ভীষনভাবে চাই।
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:৪১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



