তার মৃত্যুর দুই দিন পর সরকারী ভাবে জানানো হয় যে, কাজেমী জিজ্ঞাসাবাদের সময় হৃদ রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে মারা গেছেন। কিন্তু ১৬ই জুলাই ২০০৩ এ ইরানী ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ আলী আবতাহি স্বীকার করেন যে, কাজেমীর মৃত্যুর কারন হলো প্রহার।
পরে ইরানের সরকার নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের জারাহ কাজেমীর মৃত্যুর জন্যে দোষী সাব্যস্থ করে মামলা করে। কিন্তু কোর্টে বলা হয় যে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে মাথার পিছনে তা ছিল একটা “দূর্ঘটনা” । সুতরাং তাদের সবাইকে মুক্তি দেয় কোর্ট।
এর পর ২০০৫ সালের ৩১শে মার্চ ইরানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রনালয়ের সাবেক স্টাফ ফিজিশিয়ান শাহরাম আজম প্রকৃত ঘটনা প্রকাশ করেন। উনি কাজেমী যখন নির্যাতিত হয়ে হাসপাতালে ছিল - তখন তাকে পরীক্ষা করেছিলেন -
আজমের ভাষ্য মতে কাজেমীর শরীরে অত্যাচারের চিহ্ন ছিল সুষ্পষ্ঠ -
১) কাজেমীর শরীরে ছিল ধর্ষনের সুস্পষ্ঠ চিহ্ন।
২) খুলি ভাঙ্গা, দুই আঙ্গুল ভাঙ্গা, আংগুলের নখ হারানো, পায়ের আংগুল থেতলানো, নাক ভাংগা ছিল।
৩) ঘাড়ে ক্ষতচিহ্ন, তলপেটে আঘাত, মাথা ফুলে যাওয়া।
৪) গলায় গভীর ক্ষত, পায়ে আঘাতের চিহ্ন।
উল্লেখ্য যে, আজম ২০০৪ সালের আগস্টে চিকিতসার নাম করে দেশ ত্যাগ করে ফিনল্যান্ড গেলে সেখানে কাজেমীর ছেলে স্টিফেন হাসেমীর সাথে দেখা হয় এবং পরে আজম ক্যানাডায় রাজনৈতিক আশ্রয় লাভ করেন।
ক্যানাডা প্রবাসী হাসেমী তার মায়ের দেহ ক্যানাডাতে আনার লক্ষ্যে একক প্রচেষ্টায় আন্দোলন গড়ে তুলেছে। এ ছাড়া একটা আন্তর্জাতিক তদন্তেরও দাবী তার।
বিভিন্ন মহল থেকে ইরানী সরকারে উপর চাপ বাড়ায় তারা মামলাটি পুনরায় কোর্টে পাঠানোর সিন্ধান্ত নিয়েছে বলে আপীল কোর্ট থেকে জানানো হয়েছে গত ১৫ই নভেম্বর ২০০৫। ইতোমধ্যে কানাডা ইরানের সাথে তাদের কুটনৈতিক সম্পর্ক সর্বনিম্ন পর্যায়ে নামিয়ে এনেছে।
বিস্তারিত জানার জন্য :
[wjsK= Click This Link

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

