একটা বিষয় লক্ষ্য করার মতো...
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গত দুই দিনের ঘটনায় অনেকে অনেক কথা বললেও জামাতী ব্লগারা নিরব ছিল। এটা অবাক হবার মতো কিছু না। কারন - এরা হাই কমান্ডের নির্দেশ ছাড়া কোন নিজস্ব মতামত রাখে না বা প্রকাশ করে না।
আজ সরকার তাদের অবস্থান পরিষ্কার করেছে - এখন জামাত যথেষ্ঠ নিরাপদ বোধ করছে। স্বাভাবিক ভাবেই।
এখন দেখছি নানান কিসিমের তত্ত্ব নিয়ে জামাতী ব্লগাররা হাজির।
একজন দেখলাম বলছেন - টাকা দিয়ে ছাত্রদের উপর ট্রাক তোলা হয়েছে। রাজাকাররা জানতাম পাকিদের দালালি করে - এরা যে এরশাদেও দালাল ছিল এটা প্রথম দেখলাম।
যা হোক ..জামাতী প্রপাগান্ডা থেকে সাবধান। কারন তাদের উদ্দেশ্য আর আশা হলো বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলো নি:শেষ হয়ে যাক ..মাঠে থাকবে শুধু জামাত। ভোটের সময় জামাত ছাড়া আর কোন বিকল্প থাকবে না।
একটু লক্ষ্য করলেই দেখা যাবে - পাকিস্থানে দূর্নীতির দায়ে নির্বাসিত নেতা বেনজিরকে হাতে পায়ে ধরে ফিরাতে চেষ্টা করছে মুশাররফ। দুর্নীতি নির্মূলের নামে দেশে মৌলবাদের রাজত্ব প্রতিষ্ঠিত হয়েছে - এখন লাল মসজিদের ঘটনা সেখানে স্বাভাবিক। এটা হতে দেওয়া ঠিক হবে না।
সুতরাং জামাতী প্রপাগান্ডার বিষয়ে সবাই সতর্ক থাকুন। পরিস্থিতি একসময় ঠিক হবে। কখন এবং কিভাবে হবে তা নির্ভর করছে সরকারের দূরর্দর্শীতা আর ধৈর্য্যর উপর। সরকার যদি এরশাদকে অনুসরন করে - তা হলে পরিনতি হবে এরশাদের মতোই..সন্দেহ নেই।
এই রকম অবস্থায় পারষ্পারিক বিশ্বাস আর যোগাযোগ খুবই জরুরী। সেটা কথা বলা বন্ধ করে বা কার্ফু জারি করে হয় না। প্রচুর সংলাপের প্রয়োজন। আপাতত মনে হয় সেটার সম্ভাবনা কম।
তবে আশাবাদী - দ্রুতই একটা সমাধানের পথ পাওয়া যাবে। যেহেতু স্টিয়ারিংটা সরকার তথা সেনাবাহিনীর হাতে - পদক্ষেপটা তাদেরই নিতে হবে।
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে আগস্ট, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



