ব্লগস্পটের একটা ইস্যু নিয়ে একজন ব্লগারের একটা মন্তব্য -
"তথাকথিত "মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি" এই কাজটা করছে এতে কোনো সন্দেহ নাই। মুক্তিযুদ্ধরে পক্ষে নিয়া যে কোনো কিছু করতে পারেন তারা।"
প্রশ্ন হলো - এটা আপনি কিভাবে নিশ্চিত হলেন এটা যদি একটু ব্যাখ্যা করতেন - তা হলে হয়তো অভিযোগগুলো বিবেচনা করা যেত। শুধু মাত্র মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তিকে হেয় করার জন্যই কি আপনাদের এই প্রচেষ্টা?
অন্য একটি ব্লগের থেকে জানাগেল এই বিষয়ে আইনগত প্রক্রিয়া চলছে। আমরা সেটা দেখার জন্যে যখন অপেক্ষা করছি - হটাত করে এই ধরনের অনুমান নির্ভর পোস্ট দিয়ে "মুক্তিযুদ্ধ" শবদ্টাকে বিতর্কিত করার কারন কি?
একজন মানুষ যদি এই কাজটা করে থাকে - সেটা করেছে তার নিজের দায়িত্বে। সেই জন্যে ৩০ লক্ষ শহীদের রক্তের সমার্থক শব্ধ মুক্তিযুদ্ধ আসে কিভাবে? যে কেহ রাজনৈতিক বিদ্বেষে থেকে করতে পারে। বা ব্যক্তিগত ক্ষোভের থেকেও করতে পারে। এখানে "মুক্তিযুদ্ধ" কে নিয়ে আসার মাধ্যমে আলোচিত ব্লগার তার পিতার শত্রুদের প্রতি একহাত নিলো বলেই মনে হচ্ছে।
এখানে উল্লেখ্য যে - উক্তি করেছে ওয়ামি নামের এক ব্লগার যে নিজে জামাত সমর্থক এবং যার বাবার নাম কামরুজ্জামান - যে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে কুখ্যাত আল-বদর বাহিনীর নেতা ছিল।
----------
অভিযোগটাকে উনাদের মতো অনুমান নির্ভর করে বলতে পারি -
মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তিকে হেয় করার জন্যে আপনারই এই কাজটা করেছেন - যাতে এই ইস্যুতে মুক্তিযুদ্ধকে বিতর্কিত করা যায়। এটা একদল ব্লগারের সাম্প্রতিক হৈ চৈ দেখলেই মনে হয়।
------
পাকিস্থানের পক্ষে নিয়া যে কোনো কিছু করতে পারেন তারা। নোংরামি করতে পারেন, কারো চরিত্রহননে লিপ্ত হতে পারেন, বিকৃত রুচির প্রচার প্রদর্শণী করতে পারেন, মানুষের রগ কাটতে পারে - শিক্ষক খুন করতে পারে - শিক্ষকদের জিহ্বা কাটার হুমকী দিতে পারে (বলাবাহুল্য ওই মানুষগুলা আওয়ামীলীগ করতোনা), ২৮ অক্টোবরের জন্ম দিতে পারেন - যাতে সেটা নিয়া বানিজ্য করা যায়। রাজাকারদের পক্ষে রাইখা তাদের পক্ষে সব করা সম্ভব। কিন্তু এরচেয়েও বড় আশংকার বিষয় হইতেছে 'পাকিদের পক্ষের শক্তি'র এইসকল কার্যকলাপ সমর্থনকারীর সংখ্যা কম না। বিকৃত রুচি এবং মানসিকতার প্রতি এই শ্রেণীর লোকদের এত প্রবল আকর্ষণ কি এটাই প্রমান করেনা যে সামগ্রিকভাবে তারা প্রতিহিংসা পরায়ণ, আদর্শহীন, চরিত্রহীন, এবং লম্পট প্রকৃতির? 'রাজাকারদের পক্ষে'র মানুষদের এই অধপতন রোধের দাওয়াই কি?
====
কেমন মনে হচ্ছে - উনিও যেহেতু কোন প্রমান ছাড়া কথা গুলো বললেন - আমি শুধু কয়েকটা শব্দ বদলে দিয়ে দেখলাম কেমন লাগে। ভালই লাগছে।
---
শেষ কথা হলো কোরাআনে অনুমান নির্ভর কথা বলা সম্পর্কে একটা আয়াত আছে। যেহেতু ওরা ধর্ম নিয়ে রাজণীতি করেন - নিম্চয় সেটা ওদের জানা আছে।
সেই আয়াতের আলোকে কিন্তু কোরানের নির্দেশ অমান্য।
ব্যক্তিগত ইস্যুতে অনুমানের উপর ভিত্তি করে "মুক্তিযুদ্ধের" বিষয়ে বিষোদ্গার করাকে তীব্র ঘৃনার প্রত্যাখ্যান করছি।
----

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

