আমার প্রিয় পোস্ট
- কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ, নিরাপদ ব্লগ লেখার নিশ্চয়তা দিলাম এবং কর্তৃপক্ষও আমাকে নিরাপত্তা দিবেন - বাংলাদেশ জিন্দাবাদ
- এস্কিমো ওরফে জিয়া ভাই যার কারণে সামু ব্লগে আসা তিনিই নিরুদ্দেশ এবং তার সামু ব্লগে না আসার সত্য উদঘাটন। - বাংলাদেশ জিন্দাবাদ
- হতাশ হতেও ভয় পাই যখন দেখি একটা জনপদ দ্রুত অন্ধকারে ঢেকে যাচ্ছে - বৃক্ষ
- টিপাইমুখ বাধ প্রসংগে: চাই সংগ্রামের আন্ত:সংযোগ - দিনমজুর
- হাসিনা আপার সৌদি যাবার কারন কি? - বুড়া শাহরীয়ার
- ভাড়া কত হওয়া উচিৎ??? ( মাথা ঘুরালে পড়বেন না
) - অরণ্য আনাম
- প্লাস খাওনের টাইম নাই ।। মাইনাসেতো গোস্বা নাই ই ই (পর্ব-১) - সবাক
- জীবন-গণিত - ১ (সুখ)। - নরাধম
- সব শালা নাস্তিক; একটা অনুনাসিক অথবা উন্নাসিক আত্মকথা! - ক-খ-গ
- সিয়েরালিওনের বিশেষ আদালত- রাজাকারদের বিচারেরর দিক নির্দেশনা - মেঘ
- পথগুলো বন্ধ করে দেবার আগে - লাবীব নানকার
- গনপ্রজান্ত্রিক বাংলাদেশের প্রেক্ষিতে যুদ্ধাপরাধ কি এবং যুদ্ধাপরাধী কারা? - এস্কিমো
- বাঁশি রবীন্দ্রনাথের একটি আধুনিক কবিতা! - হমপগ্র
- ভালো লাগার দুটি কবিতা!!! - মুকুট
- যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই: গণস্বাক্ষর সংগ্রহে বিভিন্ন দেশে ও শহরে সমন্বয়কারী প্রয়োজন - শওকত হোসেন মাসুম
- জামায়াতে ইসলামী এর ইতিহাস ফিরে দেখি - ইরতেজা
- যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই - অমি রহমান পিয়াল
- বাংলাদেশে একাত্তরের যুদ্ধপরাধীদের বিচার না হওয়ার অন্যতম কারণ: ওয়াহাবী কানেকশন। - ইমন জুবায়ের
- অনুসরন করুন আপনার পছন্দের ব্লগারদের - আছহাবুল ইয়ামিন
- নিহত যোদ্ধাদের কাছে দিনে দিনে বেড়েই চলেছে ঋণ !! - মনজুরুল হক
- একাত্তরে মীর কাশেম আলী : উতসর্গ আমি সাগর - অমি রহমান পিয়াল
- আল বদর কমান্ডার মীর কাসেম আলী চট্টগ্রামে গণহত্যা লুটপাটের নায়ক - এস্কিমো
- সেক্টর কমান্ডারস কর্তৃক ৫০ যুদ্ধাপরাধীদের প্রাথমিক তালিকা প্রকাশ - মো. আবুল হোসেন, শিবচর, মাদারিপুর
- টেকনিক্যাল ক্যাতা পোস্ট- মোবাইলে বাংলা ফন্ট (নোকিয়া-সিম্বিয়ান)
- চোরকাঁটা
- ডাবল স্ট্যান্ডার্ড ছাগুরাম (পাঠ আবশ্যক) - তোমাদের-ই-লোক
- মুহম্মদ জাফর ইকবালকে কেন আমি এত সম্মান করি - জ্বিনের বাদশা
- কিছু দেশের গান (রিঃপোষ্ট) - একলা একজন
- কেন কিনবেন বই যখন ফ্রী পাচ্ছেন? - তামিম
- আমারব্লগে আরিফের উপরে অন্যায় ব্যাক্তি আক্রমণ বন্ধ হোক - প্রশ্নোত্তর
- অর্ন্তজালের বাংলা ওয়েব সাইটগুলোর একটা তালিকা তৈরী করলাম। - একজন ব্লগার
- আরিফুল হোসেন তুহিনের অসামান্য উদ্যোগে সামান্য ভূমিকা রাখতে চাচ্ছি - রিয়াজ শাহেদ
- দৃষ্টি আকর্ষন:৭১ এর সকল অনলাইন দলিল একত্রীকরনের প্রচেষ্টা - আরিফুল হোসেন তুহিন
- বাংলা ব্যবহার (উৎসর্গ প্রিয় ব্লগার এস্কিমো ) - মুহিব
- সাইদী সমগ্র - নাভদ
- খুনী এ কে এম মহিউদ্দিনের বিষয়ে সিবিসির সত্যানুসন্ধান - এস্কিমো
- ব্লগে বিরাজমান অস্থিরতা বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ !! - নোটিশবোর্ড
- ফিরে দেখুন আমাদের ইতিহাস - ৬ - নামহীন মানব
- সকল জামাত বিরোধী, রাজাকার বিরোধী পোস্টের সংকলন। - হ্যারি সেলডন
- টরন্টো তসবির - ফরিদ
- স্রস্টার অনস্তিত্তের পক্ষে সাদামাটা কিছু যুক্তি... - দস্যু বনহুর
- মুক্তিযুদ্ধের সময়কার কিছু পত্রিকা - তানভীর চৌধুরী
- ইতিহাসের পাতা থেকে - বোলারস ব্যাকড্রাইভ
- আস্তিকরা সবাই বেক্কল কেন? - হ্যারি সেলডন
- শোনো ও বকুল ----- (রবীন্দ্র জৈন) - বিষাক্ত মানুষ
- ছোটগল্প: মুরগীচোর - তীরন্দাজ
- আমার শিবির অভিজ্ঞতা - ব্লুজ
- ওরিয়ানা ফালাচিকে আমাদের স্বাধীনতা পুরস্কার দেয়া উচিত - মুক্তি
- অশ্লীল! - অহনা
- আগুণের পরশমনিতে ফাহমিদুল হক ও তার সাহিত্যের সুবাস - কৌশিক
- আমার প্রিয় লেখাগুলি নিয়ে ই-বুক - নাজিল আযামী
- এসো ৭১ এর গল্প শোনাই সবাই মিলে - জ্বিনের বাদশা
- পোস্ট ব্রাত্য রাইসুর, মরীয়া বিতর্ক মানস চৌধুরীর এবং আমাদের ব্লগারকূল - ফাহমিদুল হক
- খুনী আল-বদরের উত্তরসূরী ছাত্র শিবির : উত্থানের ভয়াবহ দলিলপত্র - অমি রহমান পিয়াল
- আগুনের পরশমনিতে ডঃ আইজুদ্দিনের পিঠ চুলকা-চুলকি সভা - কৌশিক
- জামাতি বুদ্ধিজীবির ছাঁচে গড়া সুশীল কারিগর - সংস্থাপক
- ডিজিটাল চলচ্চিত্র নির্মাণের প্রাসঙ্গিকতা: পরিপ্রেক্ষিত বাংলাদেশ (শেষ অংশ) - ফাহমিদুল হক
- বেড়ালের দেশে ইঁদুর হয়ে (শেষ পর্ব) - ফাহমিদুল হক
- মুক্তিযুদ্ধের কিছু প্রামান্য বইয়ের তালিকা - ফারহান দাউদ
- সবাস শাহাদাত !! সাবাস বাংগালী আরেকটু ধরে রাখ !! (ক্রিকেট) - রাতুল"
- আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন এর পোস্ট এর কমেন্ট - মহিলা ছাগল
- এবারের একুশে বইমেলায় জনপ্রিয় লেখকদের বই ( ২য় পর্ব) - একরামুল হক শামীম
- জামায়াত নিয়ে নতুন বছরের সেরা মুঠোবার্তা - শওকত হোসেন মাসুম
- আমার গোলাম আযমের আত্মজীবনী পাঠ: আসুন নাগরিকত্ব মামলায় পক্ষে রায় দেওয়া সেই বিচারকের পরিচয় জানি - শওকত হোসেন মাসুম
- সারা দেশে জামাতের শিক্ষা বাণিজ্য নেটওয়ার্ক এবং দেশদ্রোহীতার একটি সাম্প্রতিক দলীল - আদৃতা আবৃত্তি
- বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, কলামিস্ট ফরহাদ মজহারের মন্তব্য, ও 'বাংলাদেশী এস্কিমো' ভাইয়ের পোস্ট - আওরঙ্গজেব
- অভিনন্দন বাংলাদেশ,নিউজিল্যান্ডকে হারাবার জন্য - ফারহান দাউদ
- প্রপোগান্ডা, স্টপ জেনোসাইড ও জহির রায়হান - অমি রহমান পিয়াল
- শিক্ষকদের শাস্তি দেয়া হলো - ফাহমিদুল হক
- উতসর্গ: এস্কিমো-সত লুকের রাজনীতিতে যুগ দেওনের তরীকা - লাল সালু
- একটি মৃত্যু আর আমার যত আক্ষেপ - ডাক্তার আইজউদ্দিন
- এই রায়টি মোটিভেটেড - ফাহমিদুল হক
- আওরঙজেব, আমার প্রশ্নের জবাব দিলেন না? - এস্কিমো
- ছবি ব্লগ : গর্বের এবং বীরত্বের মুক্তিযুদ্ধ - মিরাজ
- সিডর'র তান্ডবঃ - প্রবাসীরা এখনই যা করতে পারি। (একটি প্রস্তাব) - এস্কিমো
- সাইক্লোন সিডর - অলৌকিক হাসান
- মোবাইলের একটা কল মানে........... - দিনমজুর
- মুক্তিযোদ্ধা শিবির! - লাল দরজা
- প্রসঙ্গঃ বাচ্চু রাজাকার ও জনকন্ঠ - আওরঙ্গজেব
- মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের উইকিয়াতে সবাইকে নিমন্ত্রণ - রাগিব
- বোমাবাজী ও নিজামী - আওরঙ্গজেব
- এস্কিমোর জামায়াত বিরোধিতার আড়ালে ইসলামকে নিয়ে ব্যঙ্গ-বিদ্রুপ--- মুসলিম ভাই-বোনেদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি - মিজু
- যে বইগুলো পড়া দরকার ......সংশোধিত ও পরিবর্ধিত - সপ্নীল
- হিন্দুরা কেন গো-মাংস ভক্ষণ করে না? - আশরাফ রহমান
- মগবাজারে ৮ তলা বাড়িতে থাকে গোলাম আযম: একদল সত লোকের জীবন যাপনের নমুনা - আমি সাগর
- সতেরোটি সত লোক আর যতসব মিথ্যা আর দুর্নীতি-১ - কিন্তু কি
- যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ও প্রাসঙ্গিক ভাবনা - মিরাজ
- একুশে টিভিতে মুজাহিদরে দেইখ্যা আমি হাসতেই আছি: যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করতে রাষ্ট্রীয় কমিশন চাই - আমি সাগর
- আশরাফ রহমান - বাংলাদেশের সাফল্য আপনি নীরব কেন? - এস্কিমো
- বুদ্ধিজীবি হত্যার বিচার কি অসম্ভব? - অমি রহমান পিয়াল
- মাহমুদ রহমান - একটা প্রশ্ন ছিল... - এস্কিমো
- কিভাবে পোস্টে ইউটিউব ভিডিও যোগ করবেন? - হাসিন
- স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শ্লোগান - অমি রহমান পিয়াল
- শিবিরের চোখে স্বাধীনতার ইতিহাস - আড্ডাবাজ
- মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে আর্কাইভ সাইট করতে যাচ্ছি...(খসড়া পোষ্ট) - ত্রিভুজ
- সাদিক মোহাম্মদ আলম এর 'ফাকা আবেগ' তত্ব ও কলবের আয়না - হাসান মোরশেদ
- ত্রিভুজের "ছাগু" হয়ে উঠা!!! - এস্কিমো
মুক্তিযুদ্ধের ফসল বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধের বিরোধীতাকারী রাজনৈতিক দল জামাতের রাজনীতি করার অধিকার নেই!
২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:৪৬
স্বাধীনতার পর থেকেই রাজনৈতিক অঙ্গনে অস্তিরতা, প্রলম্বিত সামরিক শাসন আর রাজনীতিবিদদের সীমাহীন ক্ষমতার লিপ্সা স্বাধীনতা বিরোধী জামাত ধীরে ধীরে এগিয়ে গেছে। এরা কৌশলে এগিয়ে ক্ষমতার স্বাদও গ্রহন করেছে। রাজনীতিতে সবচেয়ে বেশী নীতিহীনতার নিদর্শন হিসাবে একবার এই নেত্রী - পরের বার আরেক নেত্রীর আশ্রয়ে গিয়েছে - সামরিক শাসকদের সাথে আতাত করেছে। আজ যুদ্ধাপরাধী জামাত নেতা স্বাধীনতার স্থপতি শেখ মুজিবুর রহমানের ইতিহাসে অবস্থান নির্ধারন করে বক্তব্য দেওয়ার মতো ধৃষ্টতা দেখাতে দেখা যাচ্ছে।
দেশ স্বাধীন হয়েছে প্রায় চার দশক - কিন্তু জামাত তাদের অবস্থা থেকে এক চুলও নড়েনি। তারা তাদের সামস্টিক বাংলাদেশ বিরোধী অবস্থানের জন্যে কোন দু:খ প্রকাশ করেনি। এই অবস্থায় বিভিন্ন অবস্থান থেকে জামাতের রাজনৈতিক অধিকারে বৈধতা না দেবার জন্যে নির্বাচন কমিশনকে অনুরোধ করেছে। কাদের সিদ্দিকী থেকে শুরু হয়ে এখন আওয়ামীলীগও একই দাবী করছে।
বিষযটা একটু গভীর ভাবে বিবেচনার দাবী রাখে।
এখানে একটা বিষয় পরিষ্কার হওয়া দরকার।
যুদ্ধাপরাধীর বিচার আর জামাতের রাজনৈতিক অধিকার এক করে দেখা যৌক্তিক হবে না। যুদ্ধাপরাধী যে শুধু জামাতের মধ্যে আছে তা না - যুদ্ধাপরাধীরা ব্যক্তিগত ভাবে আইনের কাছে দায়বদ্ধ হবে। যখন বিচার হবে - তখন এরা ব্যক্তিগত ভাবে জবাবদীহি করবে।
কিন্তু জামাত হলো একটা সংগঠন - যে প্রকাশ্যে ঘোষনা দিয়ে যুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করেছে। তাদের কর্মকান্ড পুরোপুরি বাংলাদেশ বিরোধী ছিল। এরা শুধু যে নীতিগত ভাবে বাংলাদেশের জন্মের বিরোধীতা করেছে তা নয় - সাংগঠনিক ভাবে সিস্ধান্ত নিয়ে বাংলাদেশ বিরোধী কর্মকান্ড চালিয়েছে।
তারপর পদ্মা-মেঘনা দিয়ে অনেক পানি গড়িয়েছে - কিন্তু জামাত তার বাংলাদেশ বিরোধী অবস্থান থেকে সরে আসেনি। এদের কৌশলগত কর্মকান্ডের অংশ হিসাবে প্রচলিত রাজনীতিতে অংশ গ্রহন করলেও দেশের সংবিধান বা শাসনতন্ত্রকে এরা মানে না। ১৯৭১ এর অপকর্মের জন্যে এরা মোটেও লজ্জিত না - বরঞ্চ ক্ষমতাশীনদের দেউলিয়াত্বের সুযোগে তাদের বিরোধিতাকারীদের উপরে নেমে এসেছে জেল-নির্যাতন।
মূলত এরা প্রকাশ্যে এবং গোপন কর্মকান্ডের মূল লক্ষ্য হলো রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক ভাবে শক্তি আর্জন করে বাংলাদেশকে ১৯৭১ এর পূর্বাবস্থানে নিয়ে যাওয়া। এরা গনতান্ত্রিক অধিকার ব্যবহার করে দেশকে একটা স্বৈরতান্ত্রিক রাষ্ট্রে পরিনত করার লক্ষ্যে এগুচ্ছে। যার উদাহরন দেখেছি তালেবান আফগানিস্থানে। এবং ফলাফল দেখছি এখনও।
সুতরাং দেখা যাচ্ছে - জামাত আসলে গনতন্ত্রের মুখোশ নিয়ে বাংলাদেশ বিরোধী একটা দল হিসাবে তাদের কর্মকান্ড চালাচ্ছে। জামাতের কৌশলগত খেলার অংশ হিসাবে তাদের নীতিগত দ্বিচারিতার প্রচুর উদাহরন দেখা যাবে। তার কিছু নমুনা দেখুন -
১) নারী নেতৃত্ব ইসলামে হারার বিশ্বাসে জামাতের নেতৃত্বে কোন নারীকে দেখা যাবে না - কিস্তু ক্ষমতায় যাওয়া বা আন্দোলন আন্দোলন খেলার ক্ষেত্রে নারী নেতৃত্বে যেতে আপত্তি নেই।
২) ব্যাংক সুদ হারাম - কিন্তু তাদের আর্থিক প্রতিষ্টানগুলি নাম পরিবর্তন করে সুদের ব্যবসা করা ঠিক আছে।
৩) আমেরিকা ইসলামের শত্রু - ক্ষমতায় থাকলে ইরাকে আমেরিকান হামলা এবং দখলদারী কোন সমস্যা নয়।
৪) ভারত বাংলাদেশের শত্রু রাষ্ট্র - কিন্তু ক্ষমতায় গিয়ে ভারতের সাথে রাষ্ট্রের স্বার্থবিরোধী চুক্তি করা ঠিক আছে।
৫) নেশা দ্রব্য হারাম - কিন্তু খাদ্য রপ্তানীর নামে হেরোইন চোরাকারবারী ঠিক আছে।
৬) ইসলামের প্রাথমিক যুগের কথা বলা আর নেতারা কোন কাজ না করে পাজেরো, ভলবো গাড়ী আর রাষ্ট্রীয় জমিতে গোপনে বাড়ী বানায় আর কর্মিদের বেহেস্তের লোভ দেখিয়ে রাষ্তায় নামিয়ে মার খাওয়ায়। আবার সেটা রাজনৈতিক ভাবে ব্যবহার করে।
৭) সতলোকের শাসনের কথা বলে দূর্নীতিবাজদের সহায়তায় ক্ষমতায় গিয়ে নিজেদের অধিকাংশ এমপি দূর্নীতির দায়ে অভিযুক্ত।
......
এবার দেখা যাক - জামাতকে নিবন্ধ না করা দাবীর প্রেক্ষিতে নির্বাচন কমিশন কি বলেন - তা দেখি :
“তাদের এ দাবির প্রেক্ষিতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) ড. এ টি এম শামসুল হুদা যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হওয়া উচিত ছিল মন্তব্য করে বলেন, স্বাধীনতার এক বছর পর বঙ্গবন্ধু রাজাকারদের সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করেন। আবার পঁচাত্তর পরবর্তী সময়ে আপনারাই যুদ্ধাপরাধী শাহ আজিজকে প্রধানমন্ত্রী বানিয়েছেন। বিগত সরকার তাদেরকে মন্ত্রী করে। আমাদের পূর্বসূরি নির্বাচন কমিশন স্বাধীনতাবিরোধীদের রেজিস্ট্রেশন দিয়েছিল। এখন আপনারাই বলুন এ বিষয়ে আমরা কিভাবে এগুবো"।
আলোচনায় সিইসি বলেন, স্বাধীনতা পরবর্তী সরকার ঘোষণা দিয়েছিল যাদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ নেই সেইসব যুদ্ধাপরাধী সাধারণ ক্ষমার আওতায় আসবে। আমার মনে হয়, তদানিন্তন সরকার এখানে একটি ফাঁক রেখেছিল। আসলে তখনই ঐ লোকগুলোর বিচার হওয়া উচিত ছিল”। (সূত্র - দৈনিক ইত্তেফাক)
আমাদেরও কথা একই - আগের সরকারে ভুলগুলো শুদ্ধ করার জন্যেই যখন দেশে সংষ্কারের তোড়জোড় চলছে - তখন অতীতের ভুলের পুনরাবৃত্তি করে নির্বাচন কমিশনের উচিত সঠিক কাজটি করা। জামাতের মতো একটা বাংলাদেশ বিরোধী দলকে নিবন্ধ না করা। জেএমবির মাতৃসংগঠন এই জামাতকে রাজনীতি করতে দিয়ে দেশে জঙ্গীবাদকে নির্মূলের লক্ষ্যে কোটি কোটি টাকা নষ্ট না করে - জামাতকে রাজনৈতিক ভাবে নিষ্ক্রিয় করার মাধ্যমে দেশে একটা সুষ্ঠ রাজনৈতিক পরিবেশ তৈরীর পদক্ষেপ নিয়ে নির্বাচন কমিশন অতীতের ভুল থেকে বেড়িয়ে আসবে - এটা আমাদের আশা - আমাদের দাবী।
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:৫২
বহুরুপি বলেছেন:
একমত এস্কিমোর সঙ্গে
বীর বলেছেন:
ভাই কি আওয়ামী লীগ বা বি.এন.পি-র পক্ষ থেকেআবেদন জানাইলেন?
খালি মাঠে গোল দিলে নির্বাচনের কি দরকার!
মানুষে দেশের ভালো মন্দ কি কম বুঝে?
এর আগে আমাদের কোন নেতা নেত্রী তো এই
রকম আবেদন করে নাই! এখন কেন?
ভ্রুক্ষেপিত জ্ঞান বলেছেন:
সহমত আপনার সাথে।
জামাতে পিছলামি বলেছেন:
জামাত শিবির নিপাত যাকজামাতে পিছলামি জিন্দাবাদ ।
লেখাটা বড় ।তবে একটানে পড়ার মত । মুখে যা বলে তা না করলে তাকে মুনাফেক বলে ।জামাত মুনাফেকদের দল । পবিএ ইসলামের নামে অশিক্ষিত ও ধমভীরু মুসলমানদের সাথে মুনাফেকি করছে । তাদের জন্য থু থু । নিবন্ধন না করাই উচিত । রাজনীতিও নিষিদ্ধ করা উচিত ।আপনাকে ৫
এস্কিমো বলেছেন:
বীর - আমি কোন দলের পক্ষে কথা বলিনি। এটা একজন বাংলাদেশী হিসাবে সবার দাবী হওয়া উচিত বলে মনে করি।
জামাতে পিছলামি বলেছেন:
আগে অনেক কিছুই হতোনা এখন হয় । যেমনঃ দূনিতীর বিচার ।চাঁন্দাবাজির বিচার ।নেতা নেএীদের গ্রেফতার । সুতরার এস্কিমোর দাবী ও যুক্তি সঙ্গত । সহমত বীর@
পাশা বলেছেন:
মনে হয় হতে পারে@ ঘোড়ার ডিম । কারণ তারা তওবা করেছে।(কিন্তু পরে তারা তওবার কথা ভুলে গেছে....)শুধু তওবা পড়লেই হবে। তওবা পড়বেন তাতেই সব অপরাধ মাপ।
ধ্রূপদী বলেছেন:
উটের হিশি খাইলে ভালো জিনিষরে বিকৃতি লাগতেই পারে।
জেনারেল বলেছেন:
৫
এস্কিমো বলেছেন:
ফজল,আপনি ভিন্ন নিকে এখানে এসে আমাকে বাজে কথা বলছেন। রমজান মাসের মুল কথা সংযম। সেটা আপনার মানেন না - তার প্রমান গতকাল পেয়েছি। আপনার পোস্টে আমাকে অপমান করেছেন।
আপনার কোন যুক্তি থাকলে সেটা দিতে পারতেন - না করে আমাকে ব্যক্তিগত আক্রমন করেছেন।
ব্যক্তিগত আক্রমনের কারনে আপনাকে ব্লক লিস্টে পাঠানো হলো।
শওকত হোসেন মাসুম বলেছেন:
জামাত নিষিদ্ধ হোক। এটা কিছু সারমেয় বাচ্চা ছাড়া সবার দাবি
বীর বলেছেন:
ভাই আপনারা অনেক কিছু জানেন!তবে আমার প্রশ্নের উত্তর কিন্তু দিলেন না!
আবার বলছি> ১.এখন কেন? প্রতিটি কাজের বর্তমান উদ্দেশ্য থাকে সেই উদ্দেশ্য টা?
এর আগে আমাদের কোন নেতা নেত্রী কেন এই
রকম আবেদন করে নাই?
অন্ধকার বলেছেন:
জামাত শিবির নিপাত যাক।
আলী বলেছেন:
ধর্মব্যবসায়িরা নিপাত যাক
এস্কিমো বলেছেন:
বীর,আমি উঠে গিয়েছিলাম -
১) কার কি উদ্দেশ্য সেটা বলা আমার পক্ষে কি সম্ভব? তবে দাবীর সাথে আমি একমত এবং তার যৌক্তিকতা তুলে ধরা চেষ্টা করেছি।
২) আগেও এই দাবী এসেছে - অনেকবার -কিন্তু এবারই আলোচিত হচ্ছে।
তবে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হওয়া দরকার আর ধর্মভিত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধ করতে হবে।
শ্রীমতি বলেছেন:
আমিও একমত
একে ৪৭ বলেছেন:
বাই এনি চান্স, জামাত যদি ক্ষমতায় যায় তাহলে তারা কি বাংলাদেশ কে আবার পাকিস্তান বানাবে?বাংলাদেশের নাম কি চেঞ্জ হয়ে যাবে?
"বাংলাদেশকে ১৯৭১ এর পূর্বাবস্থানে নিয়ে যাওয়া"
কথা টা আমি বুজলাম না এর মানে কি? যায় হোক জামাতের বিরুদ্ধে লিখার জন্য ধন্যবাদ
ফখরুদ্দীন বলেছেন:
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার আর ধর্মভিত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধ করতে হবে।
এস্কিমো বলেছেন:
দয়া করে পোস্টটা একটু দেখুন - ধর্ম ভিত্তিক রাজনীতির কথা এখানে আসছে না। জামাত তার বাংলাদেশ বিরোধী অব্স্থান থেকে রাজনীতি করছে। যদি এরা ক্ষমা চায় তা হলে সেটা অন্য বিষয়। বাংলাদেশ পাকিস্থান হবে এমন কথা কোথাও বলা হয়নি। বলা হয়েছে ৭১ এর আগের সাম্প্রদায়িক ধারনা ভিত্তি রাষ্ট্র ব্যবস্থার চিন্তা করা হচ্ছে।
ফজলের মন্তব্যের জবাব -
কার্টুনটা বক্তব্য আর জামাতের অবস্থানের একটা সুন্দর্ উপস্থাপন হলো এটা।
প্রথমত - বাংলা ভাইএর হাতে খড়ি জামাতের অংগ সংগঠন শিবিবের মাধ্যমে।
দ্বিতীয়ত - বাংলা ভাই যখন খবরের টপে তখন তার কর্মকান্ড আড়াল করার জন্যে জামাতে শীর্ষ নেতার "বাংলা ভাই মিডিয়া সৃষ্টি" বলে বাংলা ভাইকে রক্ষার চেস্টা।
এই দুই এর সুন্দর সমন্বয় এই কার্টুনে থাকায় এটাকে পোস্টে দেওয়া হয়েছে।
রাগ ইমন বলেছেন:
এস্কিমো,অত্যন্ত সময়োপযোগী লেখা । সংস্কারের নামে আসলে একটা ক্ষেত্র তৈরী করা হচ্ছে । আমার ভয়টা হলো , জামাতের পথটা সুগম করে দেওয়ার জন্য অন্যান্য দলগুলোর কোমর ভেঙে দেওয়া হচ্ছে কি না ।সেই রকমই সন্দেহ হয় যখন দেখি জামাত শিবিরের রুই কাতলা গুলো , যারা গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গলের অস্ত্র এবং মাদক ব্যবসার সরাসরি লাভের গুড় খেয়ে অভ্যস্ত , সেই সবের কোন খবর নাই । বি এন পি , আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি বা যে কোন রাজনৈতিক দলের "দেশ লুটেরাদের" থাপপড় খাওয়াটা অবশ্যই দরকার ।কিন্তু , খুব সুকৌশলে জামাত - শিবির যেন পার না পেয়ে যায়, সেই চেষ্টা আমাদের সামগ্রিক এবং একতাবদ্ধ ভাবেই করা উচিত।
দেশে একটা আজব অবস্থা চলছে।গোলে মালে যদি "কোটি মানুষের প্রাণের দাবী" এবং লাখো শহীদের আত্মার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে " জামাত শিবির " নামের কলংকটাকে বাংলাদেশের রাজনীতি থেকে চিরতরে নিষিদ্ধ করিয়ে নেওয়া যায়,এইটুকুই আমাদের লাভ। অন্তত প্রথম সোপান টুকু তো পার হওয়া যাবে । তবে, এস্কিমো , মনে রাখবেন, জামাত শিবির কিন্তু ঝোপ কাকা এবং সুন্দরী খালার আদরের দল। সামরিক সরকার কি এতটা করার সাহস করবে?
করতে পারে , যদি রীতিমত দেশব্যাপী তুমুল দাবী ওঠে । ফোরামে ফোরামে , রাস্তায় , ঘরে ঘরে এই দাবী উঠুক।
রাজনীতি করা মানুষের জন্মগত অধিকার।
এ অধিকারে হস্তক্ষেপ মানবাধিকার লংঘনের শামিল।
ধর্মহীন রাজনীতি অন্ধ আর রাজনীতিহীন ধর্ম পঙ্গু।।
সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর কমরেডদের আমাদের দেশের বিকৃতিমনাদের মত অস্পৃশ্য করা হয় নি।
জামায়াতকে আপন গতিতে রাজনীতি করতে দেওয়া উচিত। কারণ পৃথিবীতে রাত না থাকলে যেমন দিনের আনন্দ পেতাম না, তেমনি সবকিছু সাদা হলে কালোর মর্মও বুঝতে পারতাম না।
রাগ ইমন বলেছেন:
বীর, জামাত শিবিরের রাজনীতি চিরতরে নিষিদ্ধ করার দাবী আজকে হুট করে হয় নাই । এইটা যখন থেকে জামাত শিবির কিছু ক্ষমতালোভী , নরকের কীটের কারনে বাংলাদেশের রাজনীতিতে পূনরায় অবস্থান নেওয়া শুরু করেছে , তখন থেকেই বাংলাদেশের মানুষের দাবী । আমাদের দুর্ভাগ্য আমরা এই দাবীটাকে এখনো আদায় করতে পারি নাই । তবে আদায় না হওয়া পর্যন্ত দাবী করা চলবেই । সাধারন মানুষ অনেক বছর ধরে দাবী করলেও " ক্ষমতায় বসে থাকা কোন সরকারেরই " সাহস হয় নাই কাজটা করার । জামাত - শিবির ভীষন ভাবে বিদেশী সাহায্যপুষ্ট দল । ভারত - পাকিস্তান- বাংলাদেশ - চায়না- মিয়ান্মার , এই সব কয়টা দেশ নিয়ে আন্তর্জাতিক রাজনীতির কূট কৌশলের কারনেই জামাত "পরাশক্তি " ও তার বন্ধু প্রতিম রাষ্ট্র গুলোর ঘুটি । সাদ্দামকে আমেরিকা ফাঁসি দিলো ।কিন্তু এই সাদ্দাম কার প্রেমের ফসল? আমেরিকা । ততক্ষন কোলে ছিলো যতক্ষন ইরানের সাথে যুদ্ধ করেছে আর সমানে আমেরিকার অস্ত্র কিনেছে । যেইদিন থেকে যুদ্ধ বিরতি ঘোষনা হলো , সেইদিন থেকে সাদ্দাম আমেরিকার শত্রু । এইটা এখন ওপেন সিক্রেট যে বিভিন্ন দেশ তাদের অর্থনৈতিক এবং রাজনৈতিক ফায়দা লাভ ও ধরে রাখার জন্য অন্য দেশের রাজনৈতিক দলগুলোকে টাকা দেয় । বাংলাদেশে সেই কারবার বেশ ভালো ভাবেই চলছে। মানবতা, ধর্ম , গণতন্ত্র - সব বাখোয়াজ । আসল কথা হলো , বিদেশী রাষ্ট্র গুলো সেই দলকেই ক্ষমতায় বসাবে , যারা তাবেদারি করবে সবচেয়ে অনুগত ভাবে । তবে, সামান্য মুখরক্ষার ও ব্যাপার আছে বলে অল্প স্বল্প জন সমর্থন থাকলে ভালো হয় আর কি । জামাতের যেটা নেই। তবে , তৈরী করার চেষ্টা চলে আসছে।
ভ্রুক্ষেপিত জ্ঞান বলেছেন:
@রাগ ইমন,"আসল কথা হলো , বিদেশী রাষ্ট্র গুলো সেই দলকেই ক্ষমতায় বসাবে , যারা তাবেদারি করবে সবচেয়ে অনুগত ভাবে । তবে, সামান্য মুখরক্ষার ও ব্যাপার আছে বলে অল্প স্বল্প জন সমর্থন থাকলে ভালো হয় আর কি । জামাতের যেটা নেই। তবে , তৈরী করার চেষ্টা চলে আসছে। "
জামাত সেটা করার চেষ্টা করছে মানে অন্যদের অনুসরন করছে।বিএনপি,আওয়ামীলীগ ও ধর্মহীন দল গুলো ও সাধু কি?আমেরিকা দ্বারা বিএন পি।ভারত দ্বারা আওয়ামীলীগ।রাশিয়া দ্বারা আপনারা ।তাই আল্লাহর উপর ভরসা না থাকায় জামাত ও সেই চেষ্টা করছে।
কোমল রেখাব বলেছেন:
ধর্মহীন রাজনীতি নিষিদ্ধ করা হোক। সব রাজনীতির মইদ্যে ধর্ম ঢুকান হোক।
বিষাক্ত মানুষ বলেছেন:
জামাত শিবির নিপাত যাক । অত্যন্ত সংগত কারনে শকুনদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়া হইল।
পোস্টের সাথে সম্পুর্ন সহমত ।
@ "২) ব্যাংক সুদ হারাম - কিন্তু তাদের আর্থিক প্রতিষ্টানগুলি নাম পরিবর্তন করে সুদের ব্যবসা করা ঠিক আছে।"
আচ্ছা, ইসলামি ব্যাংক যখন কেন্দ্রিয় ব্যাংক অথবা অন্যান্য কোন ব্যাংকের সাথে লেনদেন করে তখন কি তারা সুদের হার প্রদান করে?
অথবা অন্যান্য ব্যাংকের থেকে সুদের হার গ্রহন করে না?
ব্যাপারটা কি কেউ জানেন ?
আপনি তো আমার পোস্টে গিয়ে খামাখা বিতলামী করেন। আমি এখানে কোন প্রকারের বিতলামী করলে আপনি খুশি হবেন তাই ভাবতাছি।
রাগ ইমন বলেছেন:
ভ্রুক্ষেপিত জ্ঞান , আমি কোন জায়গায় কোন দলকে সাধু বলেছি কি ? তবে আপনি ঠিক বলেছেন । আল্লাহকে অনুসরন জামাত শিবিরের মাথারা জীবনেও করে নাই । আল্লাহকে অনুসরন করে জামাতের নিচের দিকের কর্মীরা , সরল বিশ্বাসে । দীনের পথে ব্যয় হচ্ছে , বেহেস্ত পাওয়া যাবে মনে করে দলে নিয়মিত চাঁদা দেয় । সৎ পথে উপার্জিত সামান্য আয় গুলো এই শকুনের দলে ঢালে । আপনি " নিচের দিকের " সাথী টাথীদের সাথে কথা বলে দেখেন , তাদের জীবন যাচাই করে দেখেন - এরা সহজ সরল ধর্মানুরাগী । আসলেই ভালো মানুষ ।কিন্তু বোকা । আর ব্রেইন ওয়াশড । ফলে এদের যেমন ইচ্ছে তেমন করে ব্যবহার করা যায় । দলের মাথায় যারা বসে আছে , তারা কি করে না করে , এরা কোন দিন জানতে পারে না । "বেয়াদপির " ভয়ে জিজ্ঞেস ও করে না ।
আচ্ছা , " রাশিয়া দ্বারা আপনারা" - এর মানে কি? আমারে কোন দলের কোন্দলে ফেলে দিলেন না জেনে ?
হাসিব বলেছেন:
সারওয়ার সাহেব কৈ গেলেন ?
বন্ধনহীন বলেছেন:
প্রিয় এস্কিমো, অসংখ্য ধন্যবাদ এই দাবীটার সপক্ষে ব্লগমত তৈরী করার জন্য। ৫।রাগ ইমনের মন্তব্যে ৫।
আওয়ামীলীগ, বিএনপি দূর্বল হলে লাভ কার? সবচেয়ে বড় কথা মধ্য ডানপন্থী বিএনপির ভাঙ্গনে সবচেয়ে লাভবান হবে কারা? আমার ভয় এখানেই। রাগ ইমনকে ধন্যবাদ বিষয়টিকে নজরে আনার জন্য।
আশিক হাসান বলেছেন:
রাগ ইমনের ১ম মন্তব্যে বেশ কিছু সমস্যা উনি সুন্দর ভাবে Highlight করেছেন যা আসলেই গুরুত্বপূর্ন । পোস্টের জন্য ৫
ইকারুস বলেছেন:
ধন্যবাদ এস্কিমো, সুন্দর পোস্টটির জন্য।বড় পোস্ট হলেও মনোযোগ দিয়ে পড়লাম।
আপনার কথাগুলো যুক্তি সংগতই মনে হল।
তবে .........
১. আপনার দাবী প্রশাসনের মানা কতটা যুক্তি সংগত?
কোন কোন কমেন্ট তো বলছেই , বর্তমান সরকার জামাত কে patronize করছে,
তাহলে তো আপনার সহ অন্যদের দাবী অযথাই......
২. যদি ধরে নেই (বর্তমান সরকার জামাত কে patronize করছে)
কথা টি ভুল, তাহলেও তো দাবী আদায় সম্ভব না....
কারণ জামাতের কম হলেও একটা সমর্থক গোষ্ঠী আছে । তাদের দাবী কে democratically আপনি কি হিসেবে দেখেন?
৩. আরও গুরূত্ব পূর্ণ হলো, যেহেতু জংগীদের সাথে জামাতের সম্পর্কের অভিযোগ আছে.......
তাদের সরাসরী নিষিদ্ধ করা কি জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি নয়?
ইকারুস বলেছেন:
বিষাক্ত মানুষ বলেছেন "ইসলামি ব্যাংক যখন কেন্দ্রিয় ব্যাংক অথবা অন্যান্য কোন ব্যাংকের সাথে লেনদেন করে তখন কি তারা সুদের হার প্রদান করে? অথবা অন্যান্য ব্যাংকের থেকে সুদের হার গ্রহন করে না?
ব্যাপারটা কি কেউ জানেন ?"
ইসলামী ব্যংকগুলো কিন্তু জামাতের প্রতিষ্ঠান না....
ই. ব্য. বাংলাদেশে যদিও এদের প্রচন্ড প্রভাব অন্য ইসলামী ধারার ব্যংক গুলো কিন্তু তেমনটা না........
আর লেনদেনের কথা আমি যদ্দুর জানি , central bank এর সাথে ইসলামী ব্যংকগুলোর আলাদা নিয়মে লেনদেন হয় যা সুদমুক্ত.......এটুকুই জানি।
ধন্যবাদ
বিষাক্ত মানুষ বলেছেন:
"ইসলামী ব্যংকগুলো কিন্তু জামাতের প্রতিষ্ঠান না"প্রথম শুনলাম। আমরা আসলে কতো কম জানি তাই না!
রাশেদ বলেছেন:
একমত।
আহমাদ মুজতবা বলেছেন:
শিরোনাম দেইখাই ৫ দাগাইলাম। এইবার পড়ব।
দ্বিতীয়নাম বলেছেন:
একমত....৫
নাভদ বলেছেন:
আবার আরেকটি ক্লাসিক পোস্ট এস্কিমো ভাই এর কাছ থেকে....ধন্যবাদ সহ ৫...
এস্কিমো বলেছেন:
নাজিম উদদীন বলেছেন :২০০৭-০৯-২২ ২৩:১৭:৫৭
স্বাধীন দেশে সবার রাজনীতির অধিকার আছে।
তবে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হওয়া দরকার আর ধর্মভিত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধ করতে হবে।
- এখানে একটা বিষয় পরিষ্কার, কেহ ধর্ম বিত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধ করার কথা বলছে না। কারন - যখন গনতান্ত্রিক পরিবেশ নিশ্চিত হবে, মানুষ রাজনীতির আলোচনা থেকে জানবে কে কি চায় - সেখানেই নির্ধারিত হবে - কার রাজনীতি চলবে আর কার চলবে না।
জামাতের বিষয়টা সুস্পস্ট হওয়া দরকার। এরা মাতৃগর্ভে একটা শিশুকে হত্যা করতে চেষ্টা করেছে - এখন সেই শিশুটিকে দখল নিতে চায়। যার জন্মের বিরোধীতা তাদের রাজনৈতিক দর্শন ছিল - সেই দর্শন পরিবর্তন না করে কোন ভাবেই সেই দেশে রাজনীতি বা কোন সাংগঠনিক কর্মকান্ড চালানোর অধিকার নেই। পিরিয়ড।
এস্কিমো বলেছেন:
@সকালে উঠিয়া তিনি মনে মনে -আমার মনে হয় মানবাধিকার বা অধিকার তাদের জন্যে প্রযোজ্য যারা একটা সাধারন নিয়মনীতির মধ্যে পড়ে। জার্মানীতে বা কানাডায় নাজীবাদের পক্ষে বা আল কায়দার পক্ষে কথা বলাটা কিন্তু মানবাধিকার হিসাবে বিবেচিত হয় না।
এস্কিমো বলেছেন:
ইকারুস - দাবী করার ক্ষেত্রে কস্ট/বেনিফিট রেসিও হিসাব করলে পৃথিবীতে অনেক সত্যই মানুষ জানতো না। এই দাবী মানা হলে বাংলাদেশ নামক একটা ভুখন্ডের মানুষের জন্যে একটা ভাল ভবিষ্যত হবে আর না মানলে আরো কিছুদিন রাজনীতিতে অস্তিরতা থাকবে। তবে আজ হোক বা কাল হোক যুদ্ধাপরাধীদের নেতৃত্বে পরিচালিত এন্টি-বাংলাদেশ দলের রাজনীতিই শুধু নিষিদ্ধ হবে না - এরা হবে সবচেয়ে ঘৃনিত নাম।
এস্কিমো বলেছেন:
বন্ধনহীন/রাগ ইমন -আপনাদের বিশ্লেষনে যে পয়েন্ট ধরা পড়েছে - মুলত জামাত গত সরকারে থেকে এই প্লটই তৈরী করেছে। সকল লুটপাটকে সমর্থন দিয়ে বিএনপিকে দেউলিয়া করে দিয়েছে।
এখন ডানপন্থী/এন্টি আওয়ামীলীগ/এন্টি ইন্ডিনিয়ান সমর্থন গুলো জামাত একক ভাবে দখলের চিন্তা করছে। কিন্তু এখানে সমস্যা হলো - জামাত বিপজ্জনক একটা কাজ করে - তা হলো ধর্মকে ব্যবহার করে জনসমর্থন পেতে চায় - সেখানে স্টেইক হোল্ডার অনেক....সুতরাং দিল্লী অনেক দুর।
ধন্যভাদ সবাইকে .......যারা মন্তব্য করেছেন আর সমর্থন দিয়েছেন।
আরশাদ রহমান বলেছেন:
পোস্টের সাথে একমত এস্কিমো ভাই। ধন্যবাদ।
এখন আপনার পোস্ট পড়লাম।
মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতাকারীদের রাজনীতি করার অধিকার নাই মানলাম। কিন্তু আমাদের বঙ্গবন্ধু তাদের মাফ করে দেয়াতে বিষয়টা অন্যরকম হয়ে গেলো না?
রাগ ইমন ও ভ্রুক্ষেপিত জ্ঞানের মন্তব্য ভালো।
বেশ কিছু প্রসঙ্গ তুলে ধরেছেন তাই ৫
যদিও আপনি আমি জানি আপনি ভুলেও আমার পোস্টে রেটিং করেন না।
হ।স।ন বলেছেন:
কয়দিন আগে বললেন জামাত সমস্যা না, সমস্যা এর রেজাকার নেতারা। এখন বলতেছেন জামাত দেশ বিরোধী, নিবাচনে নিবন্ধ না করাইতে। এত ষড়যন্ত্র কি জামাত আপনার এই দুই মতামতের মাঝে করলো!
আপনাদের এই সকল খাউজানির মলম একটাই ইসলামরে দমন করা। ওইটার জন্য আন্দোলন শুরু করেন, কয়টা পাতা বাঁচবে।
বি.দ্র.: আপনার মুছলমানীত্ব কত লম্বা তা নিয়া ওয়াজ বাদ দেন।
রাগ ইমন বলেছেন:
সারোয়ার চৌধুরী , কিন্তু আমাদের বঙ্গবন্ধু তাদের মাফ করে দেয়াতে বিষয়টা অন্যরকম হয়ে গেলো না? - আসলেই কাদের মাফ করেছিলেন শেখ মুজিব ? আর কোন পরিস্থিতিতে?
ঘুরে ফিরে শেখ মুজিবের এই ক্ষমা ঘোষনা নিয়ে কম রাজনীতি , কম প্রোপাগান্ডা হয় নাই । আশ্চর্য হই না মোটেও । যে এক রাকাত নামায পড়ে না, যাকাত দেয় না , রোযা রাখে না - সে পুরুষও লাফিয়ে উঠে জেহাদী জোশে "চার বিয়ে হালাল" বলে বৃহৎ সমর্থন দিয়ে থাকে । এই রকমই দেখে আসছি । কারন এই নিয়ম মানলে বহুত ফায়দা , বাকি গুলা বেকায়দা । শেখ মুজিবের এই কাজটাকে সমর্থন করলে , মুজিবের বাকি কাজ গুলাকে কেন অনুসরন করার কথা হয় না? কেন তার মত করে ত্যাগ স্বীকারের , দেশকে ভালোবাসার, বিদেশী রাষ্ট্র গুলাকে মাথা নিচু করে হুজুর হুজুর না করে চোখে চোখ রেখে সেয়ানে সেয়ানে কথা বলা, দেশের স্বার্থ রক্ষা করে বাণিজ্যিক চুক্তি করার, নিজে ব্যক্তিগত ভাবে সৎ থাকার --- কাজ গুলা অনুসরন করার কথা হয় না ?
খালি , এই ক্ষমাটাকে মানতে হবে ? বাকি সব গায়ে ভাড় মে? ভালো প্রহসন বটে ।
শেখ মুজিব কাদের ক্ষমা করেছিলেন ?
শুধুমাত্র তাদের যারা যুদ্ধাবস্থায় লুটপাট,ধর্ষন , খুন খারাবি , দেশের সাথে গাদ্দারি করে নাই ।কিন্তু প্রাণের ভয়ে পাকিস্তানি আর্মি বা তাদের বাংলাদেশীয় নিমকহারাম দোসর রাজাকার, আল বদর, আল শামস ,জামায়াত ইসলামী , ইসলামী ছাত্র শিবিরদের সাথে থাকতে বাধ্য হয়েছিলো । এখানে লক্ষ্যনীয় , " জান বাঁচাতে" এবং " খুন , ধর্ষন, লুটতরাজ বা মুক্তিবাহিনীর বিরুদ্ধে কোন কাজ করে নাই।" কে কি কারনে কোন কাজটা করেছিলো , সেটা ঐ ব্যক্তির আশে পাশের লোক তখন জানতো । সুতরাং কে জান বাঁচাতে আর কে লাভের লোভে - এইটা মোটামুটি মানুষ জানে ।কোর্টে প্রমানের ব্যাপারটা অনেক বেশি কঠিন।
কোন পরিস্থিতিতে ক্ষমা করেছিলেন?
কারন দুইটা । মানবতা আর আন্তর্জাতিক রাজনীতি ।
আপনার বক্তব্যের সাথে আমার দ্বিমত নাই। আমি সাধারণ ক্ষমার কথাটি বলছিলাম।
আরেকটি কথা দেখুন, আমাদের দেশ শুধু না, তৃতীয় বিশ্বের প্রতিটি দেশের রাজনীতি নিয়ন্ত্রণ করছে দাতাদেশগুলো। তারা কার কি আদর্শ তা বিবেচনায় রাখে না। তাদের মতলব কার দ্বারা বাস্তবায়ন হবে সেটাই তাদের কাছে বড়।
আমি তো চাই স্বাধীনতার বিরেধিদের আগে বিচার হোক।
আর ৭১ এ আমেরিকার ভূমিকা কি ছিলো জানেন নিশ্চয়?
রাগ ইমন বলেছেন:
কোন পরিস্থিতিতে ক্ষমা করেছিলেন? কারন দুইটা ।
১। মানবতা আর
২। আন্তর্জাতিক রাজনীতি
মানবতা ঃ
এইটা নিয়ে মনে হয় না বিস্তারিত আলোচনার দরকার আছে । দলিলে স্পষ্ট উল্লেখ করা ছিলো যাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের "প্রমাণ" নেই তাদের সাধারন ক্ষমা করা হলো । এখন কোর্টে প্রমান করা যাক আর না যাক , এইটা তো বোঝাই যাচ্ছে , বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে যারা ছিলো এবং খুন, ধর্ষন, লুটের সাথে জড়িত ছিলো ( এই কাজ গুলা যারাই করুক না কেন ) তাদের ক্ষমা করার প্রশ্নই উঠে না ।
এখন সবাই জানে , জামায়াতে ইসলামী সাংগঠনিক ভাবে সম্মিলিত সিদ্ধান্ত নিয়েছিলো পাকিস্তানের পক্ষে আর বাংলাদেশের বিপক্ষে । "জামাতের ভিতরে দেশ প্রেমিক ছিলো বা আছে " বলে যারা গলায় ফেনা তুলে - তাদের ভন্ডামিটা এই জন্যই স্পষ্ট কারন- " দেশ প্রেমিক যারা ছিলেন তারা ৭১ এই জামায়াত-শিবির ত্যাগ করেছিলেন" । এবং এঁরা জীবনে আর কোন দিন জামায়াতে ফেরত যান নাই । সুতরাং ৭১ থেকে ২০০৭ পর্যন্ত কোন দেশপ্রেমিক ( পাকিস্তান নয় , বাংলাদেশ প্রেমিক) আর জামায়াতের ভিতরে অবস্থান করে না । সেটা সম্ভব ও না । জামায়াত দলীয় সিদ্ধান্তের বিরোধী কাউকে দলে থাকতে দেয় না ।কখনোই না। দলীয় আদর্শ এবং সিদ্ধান্তের সাথে ১০০% অনুগত না হলে দলে ঢুকতেই দেয় না , ভিতরে থাকা তো অসম্ভব! দলীয় ভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধী এবং বাংলাদেশের নাগরিকদের হত্যা, নারীদের গণিমতের মাল ( ভোগের বস্তু) বলে ঘোষনা ইত্যাদি নারকীয় অপরাধের কারনে "জামাত শিবির, রাজাকার, আল বদর, আল শামস" যুদ্ধাপরাধী ।
এখানে লক্ষ্যনীয় , উল্লেখিত চার গ্রুপের বাইরে কোন ব্যক্তি একক ভাবে অপরাধ করে থাকলে সেইটা ব্যক্তিগত ভাবে বিচার্য । কিন্তু , এই চার গ্রুপের লোক জন "দলীয় সিদ্ধান্তে সমর্থনকারী এবং অপরাধের সহযোগী" হিসেবে দলীয় ভাবেই বিচার্য। এরা সকলেই যুদ্ধাপরাধী এবং বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতির জন্য ক্ষতিকারক।
আন্তর্জাতিক রাজনীতি ঃ
সাধারন ক্ষমা ঘোষনা করার জন্য আন্তর্জাতিক চাপ ছিলো । এইটা বিদেশী কূট কৌশল । পাকিস্তান এর সপক্ষে থাকা বিদেশী রাষ্ট্র গুলো স্বাধীনতা ঠেকাতে পারে নাই ।কিন্তু তাদের চাপের মুখে এবং যুদ্ধ বিধ্বস্ত বাংলাদেশের জন্য আন্তর্জাতিক সমর্থন আদায়ের জন্য মুজিবকে সাধারণ ক্ষমা ঘোষনা করতে হয়। তারপর ও আমার মনে হয় , মুজিব যদি টের পেতেন , এর ফল কি হবে , উনি হয়ত অল্টারনেটিভ খুঁজতেন । সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত একটা দেশ । খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান , চিকিৎসা -- কিচ্ছু ঠিক নেই । সব কিছু তছনছ । এই অবস্থায় আন্তর্জাতিক সাহায্য বাংলাদেশের জন্য একমাত্র উপায় ছিলো । যারা সাহায্য দিয়েছিলো , তারা তো সুবিধা নিতে ছাড়েনি । আর অনেক দেশই সাহায্যের শর্ত হিসেবে তাদের স্পাই গুলাকে বাঁচিয়ে নিয়েছে । মাঝে মাঝে উপায় থাকে না । ৭ কোটি মানুষকে বাঁচাতে তাকে সাধারণ ক্ষমা ঘোষনা করতেই হয়েছিলো ।
কিন্তু আজকে তো বাংলাদেশ না খেয়ে মারা যাচ্ছে না । তাহলে আমরা কেন বিচার করা , নিষিদ্ধ করার কাজ গুলা করতে ভয় পাব?
জেনারেল বলেছেন:
রাগ ইমনের কমেন্টে ৫
রাশেদ বলেছেন:
@ রাগ ইমন...আপনি এইটা আলাদা একটা পোস্ট দিলে মনে হয় আরো ভালো হবে। ধন্যবাদ।
রাগ ইমন বলেছেন:
( সারোয়ার , আপনার মন্তব্যের উত্তর দিচ্ছি একটু পরে) তৃতীয় পয়েন্ট হলো , তর্কের খাতিরে ধরে নিলাম যে শেখ মুজিব ক্ষমা করে দিয়েছিলেন । ফাইন । দিয়েছিলেন। মেজর জিয়া পূনরায় জামায়াত শিবিরকে ফিরিয়ে এনেছিলেন । এরশাদ রাজনীতিতে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। শেখ হাসিনা রামছাগলের মত তাদের সমর্থন নিয়ে সরকার গড়েছিলেন। ( শুধু এই একটা কারনেই এই ছাগলটার জেলে বসে পচা উচিত ) । খালেদা জিয়া জামাই আদরে রেখেছিলেন ।
তাতে কি? বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতির সাথে জড়িত সব কয়টা নেতা নেত্রী যদি রাম ছাগল অথবা শুয়োর হয়ে থাকে ( বলছি না যে সবাই তাই , স্রেফ তর্কের খাতিরে ধরে নেওয়া ) , তাহলেও কি বাংলাদেশের সচেতন নাগরিক হিসেবে আমাদের এই সব জন্তু জানোয়ারদের সিদ্ধান্ত মানতে হবে?
অবশ্যই না ।
নিজের বিচার বিবেচনা ব্যবহার করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা এবং অধিকার বাংলাদেশের প্রতিটা নাগরিকের আছে । এবং বাংলাদেশের ভবিষ্যত নির্ধারনের অধিকার প্রতিটা প্রাপ্তমনস্ক , সুস্থ দেশপ্রেমিক নাগরিকের আছে । এস্কিমো এবং এস্কিমোর সাথে সহমত হয়ে দাবীটা এই নাগরিকদের ।
নেতা , ফ্যতা , তেনা -রা কে কি করলো - গোল্লায় যাক। বাংলাদেশের মঙ্গল হয় এই রকম যে কোন দাবী আমরা - দেশের নাগরিকরা তুলতেই পারি ।
বাংলাদেশের নাগরিকদের প্রাণের দাবী - "জামায়াত শিবির জাতীয় রাজিনীতিতে নিষিদ্ধ হোক, এবং সেটা চিরতরে"।
এখনো আন্তর্জাতিক লবিং, বিশ্বায়নের হুজুগ ইত্যাদি চলছে।
আর আমার কাছে জামায়াতের যে জিনিষটা বেশি অপছন্দের, সেটা ওরাই একমাত্র দ্বীনদার তা আকারে ইংগিতে বুঝাতে চায়।
বন্ধনহীন বলেছেন:
"এখন ডানপন্থী/এন্টি আওয়ামীলীগ/এন্টি ইন্ডিনিয়ান সমর্থন গুলো জামাত একক ভাবে দখলের চিন্তা করছে। কিন্তু এখানে সমস্যা হলো - জামাত বিপজ্জনক একটা কাজ করে - তা হলো ধর্মকে ব্যবহার করে জনসমর্থন পেতে চায় - সেখানে স্টেইক হোল্ডার অনেক....সুতরাং দিল্লী অনেক দুর। " - এস্কিমোএকমাত্র জামাতই সংগঠিত ও আন্তর্যাতিক শক্তিগুলোর কাছে একটা কৌশলগত সুবিধাজনক অবস্থানে আছে। এজন্যই আমি চাই না, বিএনপি দ্বিভাগ হোক বা দূর্বল হোক। বর্তমানে বাংলাদেশের বাস্তবতা হচ্ছে "আওয়ামীলীগ-বিএনপি", হাসিনা-খালেদা বা বঙ্গবন্ধু-জিয়া নয়।
রাগ ইমন বলেছেন:
সারোয়ার ,"আরেকটি কথা দেখুন, আমাদের দেশ শুধু না, তৃতীয় বিশ্বের প্রতিটি দেশের রাজনীতি নিয়ন্ত্রণ করছে দাতাদেশগুলো। তারা কার কি আদর্শ তা বিবেচনায় রাখে না। তাদের মতলব কার দ্বারা বাস্তবায়ন হবে সেটাই তাদের কাছে বড়।" - বুঝেন যখন, তখন ৭১ এ আমেরিকার ভূমিকার কথা মনে করে কি লাভ? ২০০৭ সালে এইটার কোন পরিবর্তন আশা করেন নাকি? দুনিয়ার কোন দেশ বাংলাদেশের স্বার্থ দেখবে না , নিজের স্বার্থ দেখবে । বাংলাদেশকে "স্ট্র্যাটেজিক বন্ধু বানিয়ে সমর্থন দেবে" একমাত্র যখন সমর্থন দিলে নিজের স্বার্থ রক্ষা হবে , কিছু লাভ হবে। এইটাই আন্তর্জাতিক রাজনীতি । এখন প্রশ্ন হলো , আমরা বাংলাদেশের স্বার্থ দেখবো নাকি অন্য কোন দেশের পা চাটবো ( ভয়ে অথবা লোভে) ?
"আমি তো চাই স্বাধীনতার বিরেধিদের আগে বিচার হোক। " - এই কথাটা বলার জন্য ধন্যবাদ।তাহলে আমাদের সাথে আপনিও আওয়াজ তুলুন ," জামায়াত শিবির নিষিদ্ধ হোক " । অস্ট্রেলিয়া , কানাডা সহ বিভিন্ন দেশে ৭১ এর গণহত্যার বিচারের আন্দোলনে নিজের সমর্থন ব্যক্ত করুন। বাংলাদেশের জাতীয় কল্যানের জন্যই এই দুটো দাবী আদায়ের প্রয়োজন আছে ।
"আর আমার কাছে জামায়াতের যে জিনিষটা বেশি অপছন্দের, সেটা ওরাই একমাত্র দ্বীনদার তা আকারে ইংগিতে বুঝাতে চায়।" - আকারে ইঙ্গিতে না। সরাসরি দাবী করে । এইটা যে ডাঁহা মিথ্যা কথা , এইটা মানেন তো ?
মনিটর বলেছেন:
@সরওয়ারচুদরী: বঙ্গবন্ধু মাফ করছে , কারে কারে করছে ? সবাই স্বিকার করে ঐটা বংগবন্ধুর ভুল ছিল । এরপরও কি বিচারের সুযোগ নেই ? নাকি আগ্রহ নেই ?ওহ! কারে কি কই ? আপনে তো ছদ্মাবেশী জামাতি । এই কথাটা কইছিলাম আরো আগে যখন আপনি প্রফাইলে নিজের ছবি দিয়ে পোস্ট করতেন ।
এটা রাজাকার-শিবির ছাড়া আর সবার দাবি।
একটা বিষয় বুঝতে হবে সবাইকে:
স্বাধীনতার এত বছর পরেও, দেশে এখনও এত অস্থিরতার মূল কারণ রাজাকার এবং তাদের আদর্শ বাস্তবায়নে পরিকল্পিত ভাবে ইন্ধন জোগানো জামাতীদের দ্বারা।
তীরন্দাজ বলেছেন:
আমি নিজে কাউকে নিষিদ্ধ ঘোষনার পক্ষপাতি নই, বরং সু-রাজনীতির হাতিয়ারে জামাত-শিবিরকে নির্মুল করা কে সঠিক পথ হিসেবে ভাবি।তবে এই সু-রাজনীতির পথ কতদুর কে জানে!
তবে মূল বক্তব্যের প্রতি সহমত ও সেকারনেই ৫!
আমি কে বলেছেন:
৫
ফরিদ বলেছেন:
১। সহমত২। একেবারে সহমত না, সূদ আর মুনাফার সূক্ষ দেয়াল অনেক সময়েই এদিক ওদিক হয়ে যায়। যেকোন প্রথিষ্ঠান চলতে গেলে লাভজনক হতেই হবে।
৩। ঠিকাসে
৪। ঠিকাসে
৫। ঠুনকো যুক্তি, একজনের অপকর্ম দলের দিকে আঙ্গুল তোলা অযৌক্তিক
৬। ঠিকাসে
৭। শিওর না, তয় মুটামুটি ঠিকাসে। পুকুরে ডুব দিলে না ভিজ্যা উপায় কি।
৫ থাকল।
গতকাল অনেক রাত হওয়াতে অফ রাখতে হয়েছিলো।
সমস্যা হলো, ব্লগের এই ভার্চুয়াল আসরে মোহমুক্ত আলোচনার হতে দেয় না 'মনিটর' জাতীয় কিছু নিক। এখানে যে কোন বিষয়ের আলোচনা একটা গন্তব্যে পৌঁছার আগেই কিছু নিক এলোপাতাড়ি মন্তব্য করে এবং কে কার পক্ষে কথা বলছেন তা নিয়ে শুরু হয় নোংরা মন্তব্যের বন্যার মাধ্যমে ব্যক্তি আক্রমণ।
পক্ষপাতদুষ্ট পরিবেশে মানুষ ক্ষিপ্ত হয়। সেখানে লজিক্যাল আলোচনা অসম্ভব।
আমি আপনার সাথে আলোচনা করছি, সম্পুর্ণ নিরপেক্ষ অবস্থান থেকে। কোন হালাল আদম সন্তান প্রমান করতে পারবে না আমি ছদ্মবেশি হয়ে কারো এজেন্ডা বাস্তবায়নে ব্লগিং করছি। বাস্তব জীবনেও আমি 'আপনার তালে নেচে যাই আমি মুক্ত জীবনানন্দ।'
যাক্, এবার মুল প্রসঙ্গে আসি।
আপনি লিখেছেন, 'এখন প্রশ্ন হলো , আমরা বাংলাদেশের স্বার্থ দেখবো নাকি অন্য কোন দেশের পা চাটবো ( ভয়ে অথবা লোভে) ? '
আমরা আমাদের স্বার্থটাকে প্রাধান্য দেয়ার পথটাই রুদ্ধ করে দিচ্ছে আন্তর্জাতিক রাজনীতি। কীভাবে? বহুজাতিক কোম্পানীর মাথাঅলারা আমাদের সাথে কোন কন্ট্রাক্টে আসার আগেই বিশ্ব ব্যাংক আইএমএফের মাধ্যমে আভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে হস্তক্ষেপ করে আসছে। পরামর্শের নামে দিক নির্দেশনা দিচ্ছে। এই সুযোগে যাদের মাধ্যমে আপনি সুবিচার আশা করলেন, তারাই দেখা গেলো নিজেদের আখের গোছাতে ব্যস্ত। (আওয়ামীলীগ ও বিএনপির শাসনামল) আর আন্তর্জাতিক ব্যবসায়িক হস্তক্ষেপের কারণেই তৃতীয় বিশ্বের আভ্যন্তরীণ রাজনীতি আসলেই কোন সম্মানজনক অবস্থানে নেই।
দেখুন, মধ্যপ্রাচ্যের তেল সমৃদ্ধ দেশগুলার তুলনায় আমরা কি গরীব দেশ না? অবশ্যই। ওই তেল সমৃদ্ধ দেশগুলোর সার্বভৌমত্ব বলতে কিছু নেই। তা তাদের শেখতন্ত্রের কারণে শুধু নয়, গ্লোবেলাইজেশনের অর্থনৈতিক মাস্তানীর কারণে। দু'বছর আগে সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী জন মেজর আবুধাবীতে এক সেমিনারে একেবারে স্পষ্ট করে বলেছেন। প্রমানসহ দেখিয়েছেন ক্ষুদ্র বৃহত জাতি-রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব বর্তমান বিশ্বে আক্রান্ত অনেক দিক থেকে। সবচেয়ে বড় কারণ অর্থনীতি।
হ্যাঁ আমরা মালয়েশিয়ার মতো হতে পারি, যদি আমরা সে রকম লিডারশিপ পাই। নতুবা নৈবঃ নৈবঃ চ।
যাই হোক, আমি চাই এই পোস্ট সমর্থনের হাজার মন্তব্যে ভরে উঠুক হাইয়েস্ট রেটিং এভার হোক। আর এই হয়ে যাওয়টা মহাকিছু না।
বাট উই মাস্ট টক এবাউট দি রিয়েলিটি অব দি ওয়ার্ল্ড এন্ড আওয়ার মাদারল্যান্ড।
আমি আমার দেশকে ভালবাসি। আমি আমার দেশের শত্রুকে ঘৃণা করি।
তবে আমার সন্দেহ হয় 'মনিটর' জাতীয় কিছু নিক সম্ভবত দেশের শত্রুদের দালাল। কেননা তারা কোন সুস্থ আলোচনা করতে দেয় না।
ধর্মভিত্তিক রাজনীতির ব্যবসা চিরতরে বিলুপ্ত হোক আমীন।।
রাগ ইমন বলেছেন:
মনিটরের সম্বোধনটা তার নিজের ছাড়া আর কারো পরিচয় বহন করে না । তবে ত্রিভুজের ব্লগে সারোয়ার চৌধুরির অকুন্ঠ সমর্থন থাকলে এই সন্দেহ কেউ করতেই পারে । আমি সে তর্কে যেতে চাই না। বাহাসটা মনিটর এবং সারোয়ারের ভিতরেই সীমাবদ্ধ থাকুক ।বহির্বিশ্বের রাজনীতি আর অর্থনৈতিক ভাবে দুর্বল দেশগুলোর বাস্তবতা আপনি সঠিক ভাবেই তুলে ধরেছেন । যেটা আমার নিজের মন্তব্যেও আছে । কিন্তু , এর সাথে জামাত শিবিরকে নিষিদ্ধ ঘোষনা করার সম্পর্কটা কোথায় জানেন তো ? অন্য যে কোন দল যতটা ক্ষতি করেছে বাংলাদেশের , তার চেয়েও অনেক অনেক বেশি ক্ষতি করেছে এবং করে যাবে জামাত শিবির । জামাত তো বাংলাদেশই মানে না ! তাদের পাকিপ্রেম বড়ই জাগরুক ।
আমাদের সবচেয়ে বড় দুর্ভাগ্য হলো , মাহাথিরের মত যিনি বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে পারতেন, সেই মুজিবকে মাত্র সাড়ে তিন বছরেই হারাতে হলো । এর পর মুজিবের মত জনসমর্থন পাওয়া নেতা বা নেত্রী তো আমরা এখনো পাই নাই । কোটি কোটি মানুষের তীব্র সমর্থন ছাড়া বাংলাদেশের ভাগ্য বদলানো কারো পক্ষেই সম্ভব না । কারন আপনি বাইরের রাষ্ট্রের সাথে টাকায় , অস্ত্রে পারছেন না । একমাত্র উপায় হলো মানুষ । কোটি কোটি মানুষ। এরাই একমাত্র পাওয়ার বেজ যাকে সবাই ভয় পায় । কিন্তু , একটা দলও এই মানুষ গুলোর জন্য কাজ করছে না । গণবিরোধী , ক্ষমতার পা চাটাদের পক্ষে কাজ করে গেলো । একটু সৎ থেকে , সামান্য ত্যাগ স্বীকার করে বাংলাদেশের সাধারন মানুষ গুলোর জন্য কয়টা উপার্জনের ব্যবস্থা করে দিলেই নেতাগুলারে মাথায় করে রাখতো । মানুষের সমর্থন থাকলে সুপার পাওয়ারদেরও এত ভয় করতে হতো না। জামাতের বিচার করার সাহস ও থাক্তো । আফসোস !
ইরানে আমেরিকান বন্দীদের উদ্ধার এর মিশন বন্ধ হয়ে গিয়েছিলো কি ভাবে মনে আছে তো ? কোটি খানেক লোক মনে হয় ( সংখ্যাটা ভুল হতে পারে) রাস্তায় নেমে এসে এক সাথে আল্লাহু আকবর বলে উঠেছিলো । পারমানবিক শক্তির অহংকারী আমেরিকা কিছুই করতে পারে নাই , পিপল পাওয়ারের কাছে ।
বাংলাদেশে ঐ একতাটা দরকার । ঐ পিপল পাওয়ার ।
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন:
জামাত আস্তে আস্তে দেশের সবচেয়ে ভালো ভালো প্রতিস্ঠানে ঢুকে যাচ্ছে। শুনছি সেনা বাহিনীর বড় বড় পোস্টেও নাকি ঢুকছে। আসলে কিছু কিছু ব্যাপারে মানবতা মানা উচিত না। জামাত শিবির ধারী সবাইরে ধইরা প্রথম এক সেশন জুতানোর পর মুরগীর মতো জবাই কইরা তার উপর সহী পন্হায় দাফন করা। এইটা এ জন্য করা যে ৭১' এ যাদেরকে কোনো জানাজা ছাড়াই মেরে বধ্যভূমিতে ফেলে রাখা হয়েছিলো তার চেয়ে আমরা এতটুকু উদার সেটা দেখিয়ে দেয়া!আসেন বলি জামাত শিবির জুতাইতে কোনো যুক্তি লাগে না!
প্রভা বলেছেন:
জামায়াতের প্রতি ঘৃণা ততদিন থাকবে, যতদিন এই দেশ থাকবে।
'তবে ত্রিভুজের ব্লগে সারোয়ার চৌধুরির অকুন্ঠ সমর্থন থাকলে এই সন্দেহ কেউ করতেই পারে ।'
এইখানে আপনার বিচারে একটু ভুল আছে। সেটা এই, আপনি আমার সব কথার সাথে একমত হতে পারবেন না। আমিও আপনার সব কথার সাথে একমত হতে পারবো না। এটা এক বাস্তবতা। তাই বলে পাইকারীভাবে আমি আপনার সব কিছুর বিরোধিতা করবো তা সঠিক মনে করি না।
বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে ভাবে গদগদ না-হয়ে বাস্তবতার নিরীখে সমস্যাগুলো আইডেন্টিফাই করে সমাধানের পথ বের করা জরুরী নয় কি? জাতির পিতা প্রসঙ্গে আমাদের জাতীয় ঐকমত্যে পৌছা দরকার? বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষ ধর্মপ্রাণ। এখানে কোন জাতীয় সমস্যার ধর্মীয় ফয়সালা বের করাটাও একটা ফ্যাক্টর। আমার বিশ্বাস জাতির পিতা বিতর্কের অবসান হবে একদিন সেই আলোচনার আলোকে যা আমি 'ইসলামী দৃষ্টিভঙ্গিঃ জাতির পিতা প্রসঙ্গ' শীর্ষক পোস্টে করেছি। বঙ্গবন্ধুকে আমি অনেক বড় মাপের নেতা মনে করি।
তবে যেহেতু আমি প্রথাবদ্ধতার বাইরে বের হওয়ার সাহস রাখি, সেহেতু গতানুগতিকতার বাইরের কিছু দেখলে আমি সমর্থন করি। সেটা শুধু ওই বিষয় নির্ভর। ত্রিভূজের কোন একটা কথাকে আপনি সমর্থন করার মানে কি আপনি সম্পুর্ণ ত্রিভূজায়িত? একটা বিষয়ে দ্বিমতকে কেন্দ্র করে কাউকে ঢালাওভাবে দোষারোপ করা হলো কূপমন্ডুকতা।
আর ইরানের ওই ব্যাপারটা একটু অন্যরকম। ওটা ঠিক পিপল পাওয়ারের কারণে হয় নি। এখানে কৌশলগত কারণে আমেরিকা একটু বেকায়দায়। সমগ্র গালফ জুড়ে আমেরিকার স্বার্থ। ওদিকে ইরানের কাছে কিছু লং রেঞ্জের ক্ষেপনাস্ত্র আছে। তাই আমেরিকাকে 'ধীরে বন্ধু' পলিসি এপ্লাই করতে হচ্ছে এখানে। আর আমি এই এক যুগের প্রবাস জীবনে অনেক ইরানীকে দেখেছি যারা ভয়ংকর ধর্মান্ধ। আমার মনে ওতোটা ভয়ংকর ধর্মান্ধ বাংলাদেশী নেই।
ইরানের শিয়ারা ক্ষমতায় এসেছে হাজারো সুন্নী আলেমকে হত্যা করে।
এস্কিমো বলেছেন:
সারওয়ারচৌধুরী বলেছেন :২০০৭-০৯-২৪ ০১:৪৭:২৫
এস্কিমো
এখন আপনার পোস্ট পড়লাম।
মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতাকারীদের রাজনীতি করার অধিকার নাই মানলাম। কিন্তু আমাদের বঙ্গবন্ধু তাদের মাফ করে দেয়াতে বিষয়টা অন্যরকম হয়ে গেলো না? @ সা.চৌ
- এটা হলো একটা বিভ্রান্তির কথা, যা দালালদের রক্ষা করার জন্যে দূর্নীতিবাজ রাজনীতিক এবং সামরিক শাসকরা ব্যবহার করেছে।
বঙ্গবন্ধু এমন কোন ব্লান্ক চেক দিয়ে যায়নি যা ভাঙ্গিয়ে একটা দেশদ্রোহী দল অবাধে বিচরন করে যাবে। দয়া করে বিভ্রান্তি ছড়ানোর আগে দালালদের ক্ষমা বিষয়ক ঘোষনাটা আরেকবার পড়ে নিন।
একে ৪৭ বলেছেন:
আমি একটা জিনিস বুঝি না, জামাত কিভাবে দিন দিন উন্নতি করছে। দেশের লোক জন যখন তাদের এতোই ঘৃনা করে তাহলে দিন দিন ফুলে ফেপে উঠছে কিভাবে? আমি কলেজে পড়ার সময় অন্যান্য দলের হয়ে কাজ করে যা ইনকাম করছি শিবির বা জামাত কখনই আমাকে টাকা পইসা অফার করেনি।সন্ত্রাসী কাজ কামের জন্য ছাত্র লীগ এবং বিএনপি সবচেয়ে বেশি টাকা দিত।
আইরিন সুলতানা বলেছেন:
আমার একটা প্রশ্ন করতে ইচ্ছা করছে খুব সবাইকে । কেউ কি জামাতকে সাপোর্ট করেন, রাজনৈতিক দল হিসেবে ? বিকল্প দল হিসেবে কাউকে ভোট দিতে গিয়ে কি আপনাদের জামাতের কথা মনে হয় ? নিশ্চয়ই না । তাহলে জামাতের বিপক্ষে এত লম্বা লম্বা পোস্ট দেয়া দরকার নাই । তাতে আমার কাছে মনে হয়, জামাতকে নির্মূল করতে না পারার নিজেদের ব্যর্থতাকে ঢাকার চেষ্টা করছি এইসব জামাত বিরোধী অনেক যুক্তি-তর্কের আড়ালে...সবাই জানে জামাত কি ছিল, বলার দরকার নাই নতুন করে। কথাতে শুধু কথাই বাড়ে । অনেক তো শুনি , এটা -সেটা..দরকার শুধু এ্যাকশন..সেটারই দেখার অপেক্ষা এখনও...
এস্কিমো
আরে ভাই পোস্ট দিছেন মুক্ত আলোচনার জন্য তো? মুক্ত আলোচনা এক জিনিষ আর রাজনৈতিক নেতার ভাষায় কথা বলা বা আশংকা প্রকাশ করা আরেক জিনিষ।
এতো ভয়ের কোন কারণ নাই। আমার কথায় বা আপনার কথায় দেশ দুনিয়ার বিভ্রান্ত হবে না। প্রত্যেক মানুষের মধ্যে ইগো আছে। নিজের মতো করে বুঝতে চায় বলেই মানুষ ইতিহাস থেকেও শিক্ষা নেয় না।
মুক্ত আলোচনায় রাজনৈতিক নেতাদের ভাষা আনা ঠিক না।
আপনার এই পোস্টে সমৃদ্ধ আলোচনা করেছি আমি আর রাগ ইমন এবং ভ্রুক্ষেপিত জ্ঞান। যথেষ্ট।
@মনিটর,
আপনি যেহেতু আমার নাম লিখেছেন 'সরওয়ারচুদরী'
অতএব আপনার ন্যায্য পাওনা হলো আপনার নাম 'চুদিটর'। আশা করি খুশি হয়েছেন।
ঝড়ো হাওয়া বলেছেন:
জামাত বাংলাদেশের প্রকাশ্য শত্রু এটা নিয়ে দ্বিমত নাই। তবে দীর্ঘ দিন ধরে দেশে যা দেখছি প্রধান দল আওয়ামীলীগ / বি.এন.পি কে ও দেশের বন্ধু মনে হয় না। প্রথমত ঘৃনা জামাতের প্রতি এবং দ্বিতীয়ত দেশের বর্তমান সকল অসৎ রাজনীতিবিদদের প্রতি।
এবং, সকল যুদ্ধাপরাধীকে বিচার না হওয়া পর্যন্ত রাজনীতিতে ব্যান করা উচিত ... কারণ, উহারা চামেচিকনে অন্যান্য প্ল্যাটফর্মে ভিড়িবে ... ইহাই উহাদের মজ্জাগত অভ্যাস
এইটা নিয়া জোরেশোরে একটা প্রচারণা শুরু করা যেতে পারে ... পোস্ট বিপ্লবায়িত করা হলো
অরুনাভ বলেছেন:
একমত এস্কিমোর পোষ্টের সাথে....
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:
একে ৪৭ বলেছেন :২০০৭-০৯-২৪ ২২:৪৭:১৬
আমি একটা জিনিস বুঝি না, জামাত কিভাবে দিন দিন উন্নতি করছে। দেশের লোক জন যখন তাদের এতোই ঘৃনা করে তাহলে দিন দিন ফুলে ফেপে উঠছে কিভাবে? আমি কলেজে পড়ার সময় অন্যান্য দলের হয়ে কাজ করে যা ইনকাম করছি শিবির বা জামাত কখনই আমাকে টাকা পইসা অফার করেনি।
সন্ত্রাসী কাজ কামের জন্য ছাত্র লীগ এবং বিএনপি সবচেয়ে বেশি টাকা দিত।
****************
একে ৪৭ ( এই জিনিসটা বাংলাদেশে সর্বপ্রথম জামাতের এক ক্যাডার আনছিল বইলা শুনা যায় । এ বিষয়ে যদি একটু বলতেন !) > জনাব,জামাত (আপনার ভাষায়) উন্নতি করছে, কারণ এ-দেশের ধর্মপ্রাণ মানুষের সামনে তারা ধর্মের মুলা জুলাইছে । এ-দেশের সাধারণ মানুষরে তারা এমন বুঝাইছে তারাই একমাত্র 'ইসলাম্ ।'
অর্থাত্ত জামাত = ইসলাম !
এখন কথা হইলো,নবী রাসুলের পূণ্যভুমি মক্কা-মদীনায় যেহেতু জামাত নামের কোন দল নাই, সেইখানে ইসলাম আছে কিনা । নাকি পুরা ইসলাম বঙ্গদেশের যুদ্ধাপরাধী জামাতীরাই কিইন্যা লইছে ? এই ব্যাপারা আপনার মতামত কি, জনাব ?
বটমনোট :- বঙ্গদেশে যেই প্রজন্ম উইঠ্যা আসতেছে তাগো কাছে আপনের তথাকথিত উন্নতি করা জামাতের নিশানা থাকবোনা বইলা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি !
বাংলাদেশ বিরোধী বলে জামাতকে রাজনিতি থেকে তো টেকনিকালি বের করা যাবে না, কারন আশির দশকেই তারা দলিয় চার্টার বদলিয়ে ফেলেছে। এখন তো তারা বাংলাদেশ ভিত্তিক রাজনিতিই করছে। যদিও আমি বা আপনি বা আমরা অনেকে এখানে যারা লিখছি তারা জানি আসল ব্যপারটা কি, কিন্তু যেই সরকার এর প্রত্যক্ষ বা পরক্ষো সমর্থনে জামাত এবং হিজবুত তাহরির মত দল গুলো দেশে গলাবাজি করার সুযোগ পাচ্ছে, তারা তো সেই কথা কোন ক্রমেই মানবে না। শুধু এই সরকার হলেও আশা ছিল, আগের সরকার গুলোওতো এই সব ইসলামি দলগুলোকে কোন না কোন ভাবে পুনরবাসিত করেছে। তাই বলছিলাম, স্বাধিনতা-বিরোধী বলার চাইতে ধর্ম-ভিত্তিক রাজনিতি বন্ধ করার দাবিই বেশি সময়োপযোগি এবং টু-দা-পয়েন্ট, বিশেষ করে জামাতের রাজনিতির ক্ষেত্রে।
মৈথুনানন্দ বলেছেন:
গত কয়েক দিনের প্রচন্ড দ্বিধার পরে এই মাত্র ঠিক করলাম কমেন্ট করব। সংশয়টা ছিল এক বিদেশীর মত প্রকাশের অধিকার নিয়ে। যাই হোক, প্রতিবেশী রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্বকে সম্মান জানিয়ে, এবং তার আভ্যন্তরীণ আর্থ-রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় বিন্দুমাত্র অনভিপ্রেত প্রবেশ না করে স্বস্থানে থেকে পূর্ণ সমর্থন ব্যক্ত করছি। এদের নাম আলাদা দেশভেদে, কোথাও বিজেপি-শিবসেনা, কোথাও বা অন্য কিছু - কিন্তু উদ্দেশ্য একটাই। সেই ঘৃণ্য উদ্দেশ্য ও তার পালনকারীদের প্রতি তীব্র বিদ্বেষ রইল। আশা করি আপনারা সফল হবেন। আর অনধিকার চর্চা মনে হলে স্বচ্ছন্দে মুছে দিতে পারেন।
"বাংলাদেশ ভিত্তিক রাজনীতি" করার অর্থই রাজনীতি করার বৈধতা পাওয়া নয়। যুদ্ধে স্বজাতঘাতী অবস্থান নেওয়ার দেনা তাদের চুকাতে বলা খুব স্বাভাবিক। দেশের জন্য সঠিক কাজ হল সেটা মিটমাট করা। আর ধর্মভিত্তিক রাজনীতি নিয়ে পরে বলছি।
প্রশ্নোত্তর বলেছেন:
তাই দেখলাম, পুরনো ইছামতিতে নতুন নতুন পানি (এই বার নোনা পানি)।
শামীম আহেমদ বলেছেন:
এস্কিমো আপনার পোষ্টগুলি বড় মাত্রায় একঘেয়ে। একই বিষয়ে আপনি অনেক বেশী পোষ্ট করেছেন কিন্তু বেশীরভাগ আবেগ নির্ভর যাতে আপনার সমর্থকদের (যারা শিরোনাম/নাম দেখেই রেটিং/কমেন্ট দেয়) জন্য মজার খোরাক হতে পারে কিন্তু আপনার দাবী বাস্তবায়নে কোন উপকারে আসবেকিনা জানিনা।আপনি জামাতের রাজনিতি নিষিদ্ধের দাবি জানাচ্ছেন কারন তারা বাংলাদেশ বিরোধি - কিন্তু এর সপক্ষে আপনি কোন প্রমান দিতে পারেন নি এবং সম্ভবত পারবেন না। তাই আপনি কোন দিন আইনের কাছে এই দাবি নিয়ে দাড়াতে পারবেন না।
"এদের কৌশলগত কর্মকান্ডের অংশ হিসাবে প্রচলিত রাজনীতিতে অংশ গ্রহন করলেও দেশের সংবিধান বা শাসনতন্ত্রকে এরা মানে না"- এটিও আপনি প্রমান করতে পারবেন না।
আপনি শুধুই আপনার বিশ্বাসের স্বপক্ষে সাফাই গাইছেন। এবং জোর করে অন্যের উপরে চাপাতে চাচ্ছেন। আপনার আগেউ আরো বহুজন এরকম দাবি করেছে, 'স্বাধীনতার স্বপক্ষেরর শক্তি'-উ ক্ষমতায় ছিলো। কেউ কিছুই করতে পারেনি কারন ওই একটিই - প্রমানের অভাব। নিজের বিশ্বাসকে জোর করে চাপানোতে কোন বাহাদুরি নেই, বাহাদুরি আছে বিশ্বাসকে যুক্তি দিয়ে প্রতিষ্টা করতে পারলে।
আপনি পয়েন্ট আকারে যে সব বিষয় উল্লেখ করেছেন তাতে রাজনৈতিক দল হিসাবে জামাতের ভন্ডামি বুঝা গেলেউ এগুলি কিন্তু আপনার দাবীর সাথে সঙ্গতি সম্পন্ন নয় (জামাতকে নিষিদ্ধ করা) কারন ভন্ডামীর প্রতিযোগিতায় কেউ পিছিয়ে নেই।
যুদ্ধাপরাধীর বিচার হবে তা সে যে দলেই থাকুক না কেন। আওয়ামি লীগ করলেই কোন যুদ্ধাপরাধী মুক্তিযোদ্ধা হয়ে যায় না আবার জামাতের সবাই যুদ্ধাপরাধী নয়। তাই যুদ্ধাপরাধীর বিচারের দাবীর সাথে জামাতের রাজনিতি বন্ধের কোন সম্পর্ক নেই।
জামাতকে রাজনৈতিক ভাবে মোকাবেলা করুন। রাজনৈতিক ভাবে মোকাবেলা করতে ব্যার্থ হয়ে তাকে বন্ধ করার দাবী দুর্বলতার পরিচায়ক এবং একাবিংশ শতাব্দিতে এই অন্যায় দাবী গ্রহনযোগ্য নয়।
এস্কিমো বলেছেন:
শামীম আহেমদ,ভাই কিভাবে দুই ঘেয়ে পোস্ট লিখতে হয় তা জানি না, তাই বোধ হয় একঘেয়ে পোস্ট হয়।
আপনি কিভাবে জানলেন যে, পোস্ট না পড়েই পাঠকরা রেটিং করে? এটা যদি বিস্তারিত বলতেন তবে বাকী কথার জবাব দেওয়া যেত?
আর আপনি আমাকে উপদেশ না দিয়ে যদি বলতেন - আপনি সমর্থন করেন না বিরোধিতা করেন...সেটা হলে ভাল হতো না?
আর আপনার জানার মধ্যে বিরাট একটা গলদ আছে- প্রমানের অভাবে যুদ্ধাপরাধীর বিচার বন্ধ হয়নি। সেটা বন্ধ করার জন্যে একজন রাষ্ট্রপতিকে হত্যা করে সামরিক শাসককে দিয়ে একটা অর্ডার ইস্যু করা হয়েছিল। না জেনে কথা না বলাই ভাল, কি বলেন?
দাবীর প্রতি বিপ্লব।
আমি এ সংক্রান্ত একটি বিষয়ের প্রতি আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। জামায়াতে ইসলামী ৭১ এ স্বজাতিবিরোধী অবস্থান নিয়েছিল। তার কর্মকাণ্ড আজও প্রশ্নবিদ্ধ। প্রশ্ন হচ্ছে আমরা কোনটার পেছনে ছুটব? সেদিনের অবস্থান? নাকি আজকের কর্মকাণ্ড?
বিশ্বাসঘাতককে আমরা বিশ্বাস করি না। তাদের যে নিষিদ্ধ করার যে দাবী, তার জন্য ৭১ এ তাদের অবস্থানই যথেষ্ট। তাদের এখনকার রাজনীতি নিয়ে প্রশ্ন তোলা মানে প্রকারান্তে তাদেরকে আওয়ামী লীগ বিএনপির কাতারে নিয়ে এসে তাদের রাজনীতির বৈধতা দেওয়া।
তারা যদি সত্যি সত্যি ভালো হয়ে যেত, তবে কি আমরা এ দাবী আর করতাম না?
অর্থাৎ এখন ভাল করছে কি মন্দ করছে, সেটা আমাদের দেখার বিষয় নয়। আমাদের একটাই দাবী, "মুক্তিযুদ্ধের ফসল বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধের বিরোধীতাকারী রাজনৈতিক দল জামাতের রাজনীতি করার অধিকার নেই!" এই দাবী জোরালো করার জন্য তাদের এখনকার কর্মকাণ্ড বিচারের আমাদের প্রয়োজন নেই। আর ওতে লুকোচুরির সুযোগও বাড়বে। ভালো সাজার সুযোগ করে দেয়া হবে। যার নিষিদ্ধ হবার কথা, তার আবার বর্তমান রাজনীতির মূল্যায়ন কেন?
এপ্রসঙ্গে আমার শেষ পোস্টের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। এই অবস্থান প্রসঙ্গে মন্তব্য জানাবেন।
এস্কিমো বলেছেন:
@ ধারাভাষ্য বিষয়টা আমিও লক্ষ্য করেছি। জামাতের রাজনীতি করার অধিকার নাই...সেটা ৭১ এর ভুমিকার জন্যেই যথেষ্ঠ।
আর বর্তমান টেনে আনার কারন - এরা আজও বাংলাদেশের জন্যে রাজনীতি করে না।
শামীম আহেমদ বলেছেন:
"আপনি কিভাবে জানলেন যে, পোস্ট না পড়েই পাঠকরা রেটিং করে? এটা যদি বিস্তারিত বলতেন তবে বাকী কথার জবাব দেওয়া যেত?"আহমাদ মুজতবার কমেন্টি দয়া করে পরবেন কি? (শিরোনাম দেইখাই ৫ দাগাইলাম। এইবার পড়ব।)
শামীম আহেমদ বলেছেন:
@ ধারাভাষ্য অতিতের কোন কৃত কর্ম বর্তমানের কোন কাজের সাফাই হতে পারেনা। ব্যাপারটি অযৌক্তিক। কোন ভদ্রলোক ছোটবেলায় খুবই ভালো ও পরোপকারি ছিলেন কিন্তু বর্তমানে তিনি টপ টেরর। এখন তার অতিতের কৃতকর্মের জন্য আইন কি তাকে ক্ষমা করে দিবে ?
@এস্কিমো
"আর আপনি আমাকে উপদেশ না দিয়ে যদি বলতেন - আপনি সমর্থন করেন না বিরোধিতা করেন...সেটা হলে ভাল হতো না?" আমি যুদ্ধোপরাধীর বিচার চাই তা সে যে কোন ছাতির নিচে থাকুক না কেন। আর জামাতকে রাজনৈতিকভাবে মোকাবেলা পক্ষপাতি । এভাবে জামাতকে বন্ধ করার দাবী বরংচ জামাতকে রাজনৈতিক ভাবে লাভবান এবং প্রতিপক্ষকে দুর্বল হিসাবে প্রমান করে। জামাতের টিকে থাকার কারন তাকে নিয়ে সৃষ্ট বিতর্ক। যতদিন বিতর্ক থাকবে ততদিন জামাত থাকবে। আপনি বরংচ জামাতির চুলায় লাকড়ি ঢালছেন। বামপন্থীদের দেখুন, তাদের নিয়ে কেউ আলোচনাউ করেনা, বিতর্কউ করেনা তারা যেন ধীরে ধীরে কোথায় হারিয়ে যাচ্ছে।
"প্রমানের অভাবে যুদ্ধাপরাধীর বিচার বন্ধ হয়নি। সেটা বন্ধ করার জন্যে একজন রাষ্ট্রপতিকে হত্যা করে সামরিক শাসককে দিয়ে একটা অর্ডার ইস্যু করা হয়েছিল" আপনি কি বঙ্গবন্ধুর হত্যাকান্ড আর যুদ্ধোপরাধের বিষয়টি গুলিয়ে ফেলছেন ?
"যে জানেনা - যে ভুল জানে - না জেনেও জানার ভান করে - যে জানতে চায়না ----এরা সবাই সমান"- কথাটি বোধহয় ঠিক নয়। যে জানেনা ও যে ভুল জানে তাদের সংশোধন করা যায় কিন্তু- না জেনেও জানার ভান করে ও যে জানতে চায়না তাদের সংশোধন করা যায় না। এই প্রসঙ্গে আপনি সাধু অনুকুলের চন্দ্রের বানি স্মরন করতে পারেন। অশিক্ষিত আর জ্ঞান পাপি কখোনো এক হতে পারেনা। আমি অশিক্ষিত এতে আমার লজ্জা নেই, আমার লজ্জা না শিখতে চাওয়াতে।
"না জেনে কথা না বলাই ভাল, কি বলেন?" - কথা না বললে যে শিখতে পারবোনা ভাই। আপনি যা যানেন আমাকে শিখান। এতে আমার আপনার আমার কারো কোন অসম্মান নেই।
আপনার যুক্তি উলটা হল। টপ টেরর অতীতে হন আর বর্তমানে হন। শাস্তি পেতেই হবে।
অতীতের টপ টেরর এখন খুবই ভালো হয়ে গেলে ক্ষমা পাবে? এটা যৌক্তিক কিনা বলেন?
আমি কিন্তু বলি নি অতীত আর বর্তমানের মধ্যে কোনটা গুরুত্বপূর্ণ। আমি বলেছি যুদ্ধজয়ী বাঙালিজাতির জন্য এটা একটা বলিষ্ঠ পদক্ষেপ। যুদ্ধের পরাস্ত প্রতিপক্ষের আদর্শ বিলোপ করার পর বিজয় সুপ্রতিষ্ঠিত হয়।
শামীম আহেমদ বলেছেন:
@ ধারাভাষ্য "অতীতের টপ টেরর এখন খুবই ভালো হয়ে গেলে ক্ষমা পাবে? এটা যৌক্তিক কিনা বলেন? "
কিছুটাতো যৌক্তিক- সদাচরনের জন্য শাস্তি যে লঘু হয় তাতো আপনি জানেন।
আপনি আপনার আরেকটি লেখাতে বলেছেন যুদ্ধ জয় মানে আদর্শের জয় নয়। কিন্তু জোর করে কি কোন আদর্শের বিলোপ করা যায় বা গেলেউ তা কি নৈতিক ভাবে সমর্থনযোগ্য।
""মুক্তিযুদ্ধের ফসল বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধের বিরোধীতাকারী রাজনৈতিক দল জামাতের রাজনীতি করার অধিকার নেই!" এই দাবী জোরালো করার জন্য তাদের এখনকার কর্মকাণ্ড বিচারের আমাদের প্রয়োজন নেই।" - ব্যাপারটি একটু জোর যার মুল্লুক তার নীতি হয়ে গেলোনা।
আসলে মুক্তবুদ্ধির চর্চায় 'টিট ফর ট্যাট' বলে কোন কথা নেই। জামাত খারাপ তাই বলে আমাদেরতো খারাপ হতে হবে তারতো কোন মানে নেই। আমরা সরাসরি রাজনিতির সাথে জড়িত নই। এটাই আমাদের এডভান্টেজ। আমাদেরতো আর রাজনৈতিক দলের ভাষায় কথা বললে চলবেনা। কারন তারা ডিভাইড এন্ড রুলের রাজনিতি করে। এক পক্ষকে রাজাকার আর আরেক পক্ষকে বানায় মুক্তিযোদ্ধা। এটা তাদের কায়েমি স্বার্থের কারনে। আমাদের সাধারন মানুষকে এটি বুঝতে হবে। আমাদের উচিৎ এইসব রাজনৈতিক দলকে মোকাবেলা করা। জোর করে অন্যের মুখবন্ধ কেবল মৌলবাদিদেরই মানায়। এসব অন্যায় দাবির কারনে যুদ্ধপোরাধীদের বিচার সহ অনেক যৌক্তিক দাবি জনপ্রিয়তা পাচ্ছেনা।
"যুদ্ধ জয় মানে আদর্শের জয় নয়।" এখানে বোঝাতে চেয়েছি যুদ্ধ ন্যায়বিচারের মাপকাঠি নয়। এবং যুদ্ধ প্রশ্নে ন্যায়বিচার বিচার্য নয়। যুদ্ধরত দুইটি পক্ষ পরস্পর প্রতিপক্ষ। একটি আরেকটির অস্তিত্বের বিপক্ষে কাজ করবে। কালের বিচারে যেটির বিকাশ বেশি হবে, সেটি জয়ী হবে। জামায়াত আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধে বিরুদ্ধ অবস্থান গ্রহণকারী। তাদের আরও বিকাশের অর্থ আমাদের অস্তিত্বকে দুর্বল করা। দেশের বিরোধী ধারা একটি দেশ বিকাশ করতে দেয় না। এটাই স্বাভাবিক।
প্রতিটি বিচক্ষণ জাতি সর্বদা নিজের অস্তিত্বকে সকল উপায়ে দৃঢ় করে। এটা অবশ্য করণীয়। কল্পনা করুন যুক্তরাষ্ট্র বা যুক্তরাজ্যে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার শেষে নব্য নাৎসী দলের রাজনীতির সুযোগ করে দিয়ে জনগণের রায়ের উপর ছেড়ে দেয়া হল দেখতে কি হয়। বা, প্রস্তাব করে দেখতে পারেন তাদের। যে উত্তর পাবেন, তাতে আশা করি উপলব্ধি করবেন উন্নত জাতিগুলো নিজ অস্তিত্ব কি উপায়ে সংহত করে।
সমাজ তার অস্তিত্বকে দীর্ঘ করার জন্য ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করে। সেই সমাজের অস্তিত্ব বিপন্নকারী পদক্ষেপে সাধারণ ন্যায়বিচারের মাপকাঠি তাই সমাজ খাটাবে না। বা অস্তিত্ব দৃঢ় করার পদক্ষেপ তখন ন্যায়বিচার।
শামীম আহেমদ বলেছেন:
@ ধারাভাষ্য আপনার উন্নত জাতির সঙ্গা আমার কাছে স্পষ্ট নয়। যে জাতি জোর জবরদস্তি করে টিকে যায় তারাই কি উন্নত জাতি ? সেই হিসাবে ইসরায়েল হলো সবচেয়ে উন্নত জাতি। যে জাতি তার ভবিষ্যত সম্পর্কে তার নিজের জনগনের রায় মানতে ভয় পায় সেই জাতি কিভাবে উন্নত জাতি হয় তা আমার বোধগম্য নয় এবং সেটি আমার কাছে কোন উন্নত জাতির প্রমান হতে পারেনা।
যে সব জাতি দস্যুবৃত্তি করে সম্পদের মালিক। যে সব জাতি গায়ের জোরে জাতিসঙ্ঘকে পকেটে ভরে রেখেছে তাদের আপনি উন্নত জাতির সার্টিফিকেট দিচ্ছেন ?
রাষ্ট্র অবশ্যই নিজের অস্তিত্বের স্বার্থে লড়বে। কিন্তু এই লড়াই যদি অন্যায়ভাবে নিজেকে বাচিয়ে রাখার জন্য হয় তবে সেই রাষ্ট্র নিপাত যাওয়া বিশ্ব-শান্তির জন্য সহায়ক। এ প্রসঙ্গে আবার ইসরাঈলের উদাহরন স্মরন করুন।
আমাদের মুক্তিযুদ্ধের ভয়াবহতাকে পশ্চিমপাকিস্থানে গোপন করা হয়েছে কিংবা ভারতের একটি ষড়যন্ত্র হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছে। সত্যি যদি প্রকাশ হয়ে পড়লে হয়তো আমাদের ইতিহাস অন্যভাবে লেখা হতো। এভাবে জনগনের কাছথেকে সত্য লুকিয়ে সামরিক জান্তা কিন্তু পাকিস্থানের অখন্ডতাই রক্ষা করতে চেয়েছে। তাই রাষ্ট্র তার অস্তিত্ব রক্ষায় যা খুশি করতে পারেনা। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার তার স্বীকৃতি দেয় না।
গনভোটের মাধ্যমে দেশ আলাদা হবার অনেক নজির আছে এটি সম্ভব হয়েছে রাষ্ট্র তার সার্বভৌমত্বের দাবীর চেয়ে জনগনের মতামতকে বেশী মুল্য দিয়েছে। যেখানে দেয়নি আপনি জানেন সেখানে কি হচ্ছে যেমনটি হয়েছে সাবেক যুগোশ্লোভিয়ায় কিংবা এখন কাশ্মিরে।
পশ্চিমাদের অন্ধ অনুসরন নয় আসুন আমরা আমাদের যুক্তি ও বিবেককে ব্যাবহার করি ।
৭১ এর যুদ্ধাপোরাধের বিচার হউক, কিন্তু তাতে কি জামাত তার রাজনিতি করার অধিকার হারাবে? মোতেই না। শা.আ. ঠিকই বলেছেন - এতে জামাত আরও শক্তিশালী হবে - আর কিছুই না।
প্রকারান্তরে, যদি দাবি হয় ধর্ম-ভিত্তিক রাজনিতি বন্ধ করতে হবে, তাহলে শুধু জামাত নয়, অন্য অনেক দলই তাতে পড়বে।
আন্দলন তো হওয়া উচিত সেকুলারইজম ফিরিয়ে আনার... জামাত তাতে আপনেই বাদ পড়ে যাবে।
আর্টিসম্যান বলেছেন:
"দয়া করে পোস্টটা একটু দেখুন - ধর্ম ভিত্তিক রাজনীতির কথা এখানে আসছে না। জামাত তার বাংলাদেশ বিরোধী অব্স্থান থেকে রাজনীতি করছে। যদি এরা ক্ষমা চায় তা হলে সেটা অন্য বিষয়।"অন্য বিষয়টা কী? একদল যুদ্ধাপরাধী ক্ষমা চাইল... আর সব ঠিক হয়ে গেল। ওদের ক্ষমা চাওয়া না চাওয়ায় কী আসে যায়? শুধুমাত্র যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাওয়াটাইতো দাবী হওয়া উচিত। ক্ষমা চাওয়াটা কিন্তু বড় কোনো ছল হতে পারে... ক্ষমা চেয়ে নিজেদেরকে হালাল করে নেয়ার সুযোগ ওরা ছাড়বে কেন। তখন আর এই রকম পোষ্টের গুরুত্বের জায়গা থাকবেনা। ধন্যবাদ এস্কিমো... রিমাইন্ডার দেয়ার জন্য।
"বিশ্ব-শান্তি" "আন্তর্জাতিক মানবাধিকার"। এই ধারণাগুলোও ১০০ভাগ পশ্চিমা। একতরফা এগুলো গ্রহণ করতে বলার ফলাফল অনগ্রসর জাতিগুলোকে আরো দুর্বল করা। আপনি ওদের নিজেদের দেশের জন্য নেয়া নীতি পরিহার করে ওদের আমাদের জন্য গেলানো নীতির কথা বলছেন। আমি বলছি, নিলে চোখ বন্ধ করে না নিয়ে ব্যবহারিক বিচারে নিন। আমার কাছে উন্নত জাতির মাপকাঠি "সার্ভাইভাল ফিটনেস"। এবং মানবেন পশ্চিমারা বিনা দ্বিধায় আমার মাপকাঠিতে উন্নত জাতি।
@আইকোনাস ক্লাস্টাস
শামীম আহমেদ নৈতিক প্রেক্ষাপটে বলছেন, আমি সম্পূর্ণ ভিন্ন ও অনালোচিত একটি প্রেক্ষাপটে এখানে আলোচনা করছি। সেটা ইতিহাস ও রাজনীতিবিজ্ঞানগত। আমাদের দেশ পশ্চিমের উদারনীতির অন্যতম গ্রহীতা। কিন্তু নিজস্ব জাতীয় সংহতির চরিত্র আমাদের দেশ দেখায় নি। একটি গঠনশীল ও অগ্রসরমান জাতি হিসেবে আত্মপ্রকাশে দুইটিরই ভারসাম্য প্রয়োজন। শামীম আহমেদ আর আমার প্রেক্ষাপটকে বিরোধী মনে না করে মিলিয়ে দেখুন। পশ্চিমা বিশ্বও এরকম ধারণাগুলোর সংমিশ্রণ গ্রহণ করে। তাদের নিজস্ব সচেতনতা ব্যাপক। কিন্তু উগ্র জাতীয়তাবোধ ও বর্ণবাদ রোধে তার উদারনীতির প্রসারের মাধ্যমে ভারসাম্য করে। বিশেষত জার্মানীর ভাগ্য দেখার পর তারা এটা অতি জরুরি মনে করে। তথা, ৪০এর দশকের পূর্বে আমেরিকাতেও বর্ণবাদের ব্যাপক বিকাশ ছিল।
এই পণ্য দুটির মধ্যে তারা কেবল উদারনীতিটি অনগ্রসর জাতিতে বিক্রি করে। অতএব, নিজস্ব সচেতনতাটা আমাদের নিজেদের বুঝে নিতে হবে। উদারনীতি কোথায় প্রযোজ্য, সেটাও আমাদের নিজেদের সনাক্ত ও গ্রহণ করতে হবে। তারা এখন নিজেদের কিছু চর দল ঢুকিয়ে দিয়ে তাদের প্রতি উদার মনোভাব দেখানোর কথা বলছে। রাজনৈতিক সুযোগ দেয়ার কথা বলছে। নিজেদের দেশে সমতুল্য আদর্শকে নিষিদ্ধ করে রেখেছে। এ প্রেক্ষিতে কি করণীয়, সিদ্ধান্তটা আমাদের নিতে হবে। সে প্রেক্ষিতে আমি মনে করি, দেশের বিরোধী অবস্থান গ্রহণকারী আদর্শকে বিকাশের সুযোগ দেয়া উদারনীতির ভুল ব্যবহার। এটাকেও বিচক্ষণভাবে কাজে লাগাতে হবে। আপনারা কি মনে করেন বলুন।
"ধর্ম-ভিত্তিক রাজনিতি নিষিদ্ধ" "সেকুলারইজম", এগুলোকেও আমি ব্যবহারিকভাবে দেখবো। "সেকুলারইজম" কে ভিন্ন দুটিভাবে দেখা হয়। একটি হচ্ছে, অধার্মিকদের রাষ্ট্র ও সমাজ নীতি।
আরেকটি হচ্ছে ধর্ম নির্বিশেষে একটি মিশ্রধর্মজাতির শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের একটি সমাধান। প্রথমটি আদর্শিক, পরেরটি ব্যবহারিক। পরেরটিই সবচেয়ে বেশি গ্রহণীয় দৃষ্টিকোণ। আর সেকুলারিজমের প্রতি অনুভূতিপ্রবণ হয়ে এর পক্ষ নেয়াটা হচ্ছে আদর্শিক। ধর্ম-ভিত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবী আবার দুইটি থেকেই আসে। এইটুকু পর্যন্ত এসেছি। আপনার দৃষ্টিভঙ্গি এই দুইটির কোনটি জানাবেন। আর, সেটি শুধু বাংলাদেশ বা কয়েকটি দেশে নাকি পৃথিবীর সকল দেশের জন্য জরুরি। কেন জরুরি। দৃষ্টিকোণ ব্যবহারিক হলে একটি মিশ্রধর্মজাতির শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের আর অন্য কোন সমাধান আছে কি। এগুলো আমার মুক্ত প্রশ্ন। এর উপর বহু বছর ধরে কাজ করছি। বিশেষত বাংলাদেশে ভিন্ন ভিন্ন ধর্মজাতিসমূহের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের বর্তমান পরিস্থিতি ও সম্ভাবনার উপর।
In fact, I would like to go a step further and question the phrasing of secularism only as "practical" tool or something, since I find it to be providing the very theoretical basis of a tolerant and inclusive modern society, whereas the demand, when taken to be the central argument as Eskimo has put it, misses this point altogether.
ভিন্নমত আর বিরোধী মত তো থাকবেই এবং থাকাই উচিত, কিন্তু তার সাথে নিশ্চিত করতে পারতে হবে সকল মত প্রকাশের অধিকার। secularism সেটাই করবে। ধর্ম-ভিত্তিক রাজনিতি বৈধ হলে সেই অধিকার আর থাকবে কেমন করে?
"বাংলাভাষী" বলেছেন:
জামাত নিপাত যাকরাজাকার আলবদর আলশামসদের ক্ষমা নাই
যুদ্ধাপরাধীদের ক্ষমা নাই।
পোস্টের জন্য ধন্যবাদ এস্কিমো।
"বাংলাভাষী" বলেছেন:
জামাত নিপাত যাকরাজাকার আলবদর আলশামসদের ক্ষমা নাই
যুদ্ধাপরাধীদের ক্ষমা নাই।
পোস্টের জন্য ধন্যবাদ এস্কিমো।





















