যখন বাংলাদেশের মানুষ জঙ্গীদের হামলায় আতংকে দিন কাটাচ্ছে - তখন সরকারের একটা অংশ মানুষকে বিভ্রান্ত করে জঙ্গীদের রক্ষার জন্যে রাজনৈতিক প্রপাগান্ডা করেছে। জামাতে নেতা প্রকাশ্যে "বাংলাভাই মিডিয়ার সৃস্টি" বলে মিডিয়াকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেছে। এছাড়া জামাতের এমপিরা সংসদে বসে জঙ্গীদের সুরক্ষার জন্যে চেষ্টা করেছে।
এখনও দেখছি ব্লগে কেহ কেহ জঙ্গীদের গ্রেফতারে খবরকে ঠিক ভাবে হজম করতে পারছেন না। এখানে ইসলাম বিরোধীতার ধূঁয়া সৃস্টি করে সকলের দৃষ্টি অন্যত্র সরানোর প্রয়াস চালাচ্ছে। জামাতীদের এহেন কর্মকান্ডে বিভ্রান্ত না হয়ে বাংলাদেশে যে কোন জঙ্গীবাদের বিস্তারের বিরুদ্ধে সকলকে দৃঢ় ভাবে অবস্থান গ্রহনের আহ্বান জানাচ্ছি।
বাংলাদেশে জঙ্গীবাদের সাথে জামাতের সংশ্লিষ্টতার কিছু নমুনা দেওয়া হলো:
১) কুখ্যাত জেএমবি'র প্রধান বাংলাভাই এবং আব্দুর রহমানের হাতে খড়ি জামাতে ছাত্র উইং ছাত্র শিবির থেকে হয়েছে।
২) মে ১৪, ২০০৭, মনতেজুর রহমান নামের ১৭ আগস্টের দেশব্যাপী বোমা হামলার জন্যে যাবজ্জীবন কারাদন্ডের ফেরারী আসামী এক সাবেক জামাত নেতাকে ( পরে জেএমবি) জয়পুর হাটের নিশ্চিন্তপুর থেকে গ্রেফতার করেছে।
৩) ২০০৭ এপ্রিল ১৬, দিনাজপুর রেলওয়ে স্টেশন মার্কেট থেকে আব্দুল মজিদ নামের এক জামাত নেতাকে গ্রেফতার করেছে র্যাব।
৪) ফেব্রুয়ারী ৩, ২০০৭, বারজন জেএমবি সদস্যকে নাটোর থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে যারা তাদের সাথে জামাত এবঙ শিবিরের সাথে সংশ্লিষ্টতা স্বীকার করেছে।
পাঠক, আসা করি এবার বুঝতে পারছেন, কেন জঙ্গীদের সম্পর্কীত খবরে কারো কারো গাত্রদাহ হয়।
কান টানলে কি আসলেই চলে আসে মাথা,
আর জঙ্গী টানলেই জামাত?
সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৭ ভোর ৫:১৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



