আমার প্রিয় পোস্ট
- একাত্তরে মীর কাশেম আলী : উতসর্গ আমি সাগর - অমি রহমান পিয়াল
- আল বদর কমান্ডার মীর কাসেম আলী চট্টগ্রামে গণহত্যা লুটপাটের নায়ক - এস্কিমো
- উচ্চ শিক্ষার জন্য কানাডা - রনি রাজশাহী
- সেক্টর কমান্ডারস কর্তৃক ৫০ যুদ্ধাপরাধীদের প্রাথমিক তালিকা প্রকাশ - মো. আবুল হোসেন, শিবচর, মাদারিপুর
- টেকনিক্যাল কেতা পোস্ট- মোবাইলে বাংলা ফন্ট (নোকিয়া-সিম্বিয়ান)
- চোরকাঁটা
- ডাবল স্ট্যান্ডার্ড ছাগুরাম (পাঠ আবশ্যক) - তোমাদের-ই-লোক
- মুহম্মদ জাফর ইকবালকে কেন আমি এত সম্মান করি - জ্বিনের বাদশা
- কিছু দেশের গান (রিঃপোষ্ট) - একলা একজন
- কেন কিনবেন বই যখন ফ্রী পাচ্ছেন? - তামিম
- আমারব্লগে আরিফের উপরে অন্যায় ব্যাক্তি আক্রমণ বন্ধ হোক - প্রশ্নোত্তর
- অর্ন্তজালের বাংলা ওয়েব সাইটগুলোর একটা তালিকা তৈরী করলাম। - একজন ব্লগার
- জব ডান; ছবি দেখতে গেলাম {রাত জেগে মুভি দেখব... কয়েকটা নাম দিন প্লিঝ (সাময়িক)} - বাফড়া
- আরিফুল হোসেন তুহিনের অসামান্য উদ্যোগে সামান্য ভূমিকা রাখতে চাচ্ছি - রিয়াজ শাহেদ
- দৃষ্টি আকর্ষন:৭১ এর সকল অনলাইন দলিল একত্রীকরনের প্রচেষ্টা - আরিফুল হোসেন তুহিন
- বাংলা ব্যবহার (উৎসর্গ প্রিয় ব্লগার এস্কিমো ) - মুহিব
- খুনী এ কে এম মহিউদ্দিনের বিষয়ে সিবিসির সত্যানুসন্ধান - এস্কিমো
- ব্লগে বিরাজমান অস্থিরতা বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ !! - নোটিশবোর্ড
- ফিরে দেখুন আমাদের ইতিহাস - ৬ - নামহীন মানব
- সকল জামাত বিরোধী, রাজাকার বিরোধী পোস্টের সংকলন। - হ্যারি সেলডন
- জামায়াতের নির্বাহী কমিটির ১১ জনই রাজাকার - সবাক
- টরন্টো তসবির - ফরিদ
- স্রস্টার অনস্তিত্তের পক্ষে সাদামাটা কিছু যুক্তিঃ নাস্তিকতা নিয়া ব্লগে যারা লম্ফঝম্ফ শুরু করেছেন তাদেরকে যুক্তিখণ্ডনের আহ্বান... - দস্যু বনহুর
- মুক্তিযুদ্ধের সময়কার কিছু পত্রিকা - তানভীর চৌধুরী
- ইতিহাসের পাতা থেকে - বোলারস ব্যাকড্রাইভ
- আস্তিকরা সবাই বেক্কল কেন? - হ্যারি সেলডন
- শোনো ও বকুল ----- (রবীন্দ্র জৈন) - বিষাক্ত মানুষ
- ছোটগল্প: মুরগীচোর - তীরন্দাজ
- আমার শিবির অভিজ্ঞতা - ব্লুজ
- ওরিয়ানা ফালাচিকে আমাদের স্বাধীনতা পুরস্কার দেয়া উচিত - মুক্তি
- অশ্লীল! - অহনা
- আগুণের পরশমনিতে ফাহমিদুল হক ও তার সাহিত্যের সুবাস - কৌশিক
- আমার প্রিয় লেখাগুলি নিয়ে ই-বুক - নাজিল আযামী
- এসো ৭১ এর গল্প শোনাই সবাই মিলে - জ্বিনের বাদশা
- পোস্ট ব্রাত্য রাইসুর, মরীয়া বিতর্ক মানস চৌধুরীর এবং আমাদের ব্লগারকূল - ফাহমিদুল হক
- খুনী আল-বদরের উত্তরসূরী ছাত্র শিবির : উত্থানের ভয়াবহ দলিলপত্র - অমি রহমান পিয়াল
- আগুনের পরশমনিতে ডঃ আইজুদ্দিনের পিঠ চুলকা-চুলকি সভা - কৌশিক
- জামাতি বুদ্ধিজীবির ছাঁচে গড়া সুশীল কারিগর - সংস্থাপক
- ডিজিটাল চলচ্চিত্র নির্মাণের প্রাসঙ্গিকতা: পরিপ্রেক্ষিত বাংলাদেশ (শেষ অংশ) - ফাহমিদুল হক
- বেড়ালের দেশে ইঁদুর হয়ে (শেষ পর্ব) - ফাহমিদুল হক
- মুক্তিযুদ্ধের কিছু প্রামান্য বইয়ের তালিকা - ফারহান দাউদ
- সবাস শাহাদাত !! সাবাস বাংগালী আরেকটু ধরে রাখ !! (ক্রিকেট) - রাতুল"
- আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন এর পোস্ট এর কমেন্ট - মহিলা ছাগল
- এবারের একুশে বইমেলায় জনপ্রিয় লেখকদের বই ( ২য় পর্ব) - একরামুল হক শামীম
- অভিনন্দন এস্কিমো পরিবার! - মনিটর
- জামায়াত নিয়ে নতুন বছরের সেরা মুঠোবার্তা - শওকত হোসেন মাসুম
- আমার গোলাম আযমের আত্মজীবনী পাঠ: আসুন নাগরিকত্ব মামলায় পক্ষে রায় দেওয়া সেই বিচারকের পরিচয় জানি - শওকত হোসেন মাসুম
- ত্রিভুজের ফাঁদে কি ধরা পড়ল?
- ত্রিভুজ
- সারা দেশে জামাতের শিক্ষা বাণিজ্য নেটওয়ার্ক এবং দেশদ্রোহীতার একটি সাম্প্রতিক দলীল - আদৃতা আবৃত্তি
- বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, কলামিস্ট ফরহাদ মজহারের মন্তব্য, ও 'বাংলাদেশী এস্কিমো' ভাইয়ের পোস্ট - আওরঙ্গজেব
- অভিনন্দন বাংলাদেশ,নিউজিল্যান্ডকে হারাবার জন্য - ফারহান দাউদ
- বাধ ভাঙার এই আওয়াজ বোধহয় কারো কাম্য ছিল না (উৎসর্গ :বিদায়ী ধূসরছায়া বৃন্দ) - আরিফ জেবতিক
- জামাতী পেইড ব্লগার চেনার উপায় কি? - সু-শান্ত
- প্রপোগান্ডা, স্টপ জেনোসাইড ও জহির রায়হান - অমি রহমান পিয়াল
- শিক্ষকদের শাস্তি দেয়া হলো - ফাহমিদুল হক
- উতসর্গ: এস্কিমো-সত লুকের রাজনীতিতে যুগ দেওনের তরীকা - লাল সালু
- একটি মৃত্যু আর আমার যত আক্ষেপ - ডাক্তার আইজউদ্দিন
- এই রায়টি মোটিভেটেড - ফাহমিদুল হক
- আওরঙজেব, আমার প্রশ্নের জবাব দিলেন না? - এস্কিমো
- ছবি ব্লগ : গর্বের এবং বীরত্বের মুক্তিযুদ্ধ - মিরাজ
- সিডর'র তান্ডবঃ - প্রবাসীরা এখনই যা করতে পারি। (একটি প্রস্তাব) - এস্কিমো
- সাইক্লোন সিডর - অলৌকিক হাসান
- মোবাইলের একটা কল মানে........... - দিনমজুর
- মুক্তিযোদ্ধা শিবির! - লাল দরজা
- প্রসঙ্গঃ বাচ্চু রাজাকার ও জনকন্ঠ - আওরঙ্গজেব
- মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের উইকিয়াতে সবাইকে নিমন্ত্রণ - রাগিব
- বোমাবাজী ও নিজামী - আওরঙ্গজেব
- এস্কিমোর জামায়াত বিরোধিতার আড়ালে ইসলামকে নিয়ে ব্যঙ্গ-বিদ্রুপ--- মুসলিম ভাই-বোনেদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি - মিজু
- যে বইগুলো পড়া দরকার ......সংশোধিত ও পরিবর্ধিত - সপ্নীল
- হিন্দুরা কেন গো-মাংস ভক্ষণ করে না? - আশরাফ রহমান
- মগবাজারে ৮ তলা বাড়িতে থাকে গোলাম আযম: একদল সত লোকের জীবন যাপনের নমুনা - আমি সাগর
- সতেরোটি সত লোক আর যতসব মিথ্যা আর দুর্নীতি-১ - কিন্তু কি
- যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ও প্রাসঙ্গিক ভাবনা - মিরাজ
- একুশে টিভিতে মুজাহিদরে দেইখ্যা আমি হাসতেই আছি: যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করতে রাষ্ট্রীয় কমিশন চাই - আমি সাগর
- আশরাফ রহমান - বাংলাদেশের সাফল্য আপনি নীরব কেন? - এস্কিমো
- বুদ্ধিজীবি হত্যার বিচার কি অসম্ভব? - অমি রহমান পিয়াল
- মাহমুদ রহমান - একটা প্রশ্ন ছিল... - এস্কিমো
- কিভাবে পোস্টে ইউটিউব ভিডিও যোগ করবেন? - হাসিন
- স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শ্লোগান - অমি রহমান পিয়াল
- শিবিরের চোখে স্বাধীনতার ইতিহাস - আড্ডাবাজ
- আরিল,এই সিদ্ধান্তটা আপনাকে নিতেই হবে,এখুনি.. - আরিফ জেবতিক
- মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে আর্কাইভ সাইট করতে যাচ্ছি...(খসড়া পোষ্ট) - ত্রিভুজ
- ওদের জ্ঞান দাও প্রভু,ওদের ক্ষমা করো! - ফারহান দাউদ
- সাদিক মোহাম্মদ আলম এর 'ফাকা আবেগ' তত্ব ও কলবের আয়না - হাসান মোরশেদ
- ত্রিভুজের "ছাগু" হয়ে উঠা!!! - এস্কিমো
রাজাকার সাঈদীনামা। (ভোরের কাগজের সৌজন্যে)
০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৭ সকাল ৮:২৯
হত্যা ধর্ষণ লুটপাটে অভিযুক্ত দেলোয়ার হোসেন সাঈদী
আশীষ কুমার দে : জামাতে ইসলামীর প্রথম সারির নেতা মওলানা দেলোয়ার হোসেন সাঈদী মুক্তিযুদ্ধকালে হানাদার পাকিস্তানী বাহিনীর সহযোগী হিসেবে কুখ্যাত। জনপ্রিয় ঔপন্যাসিক হুমায়ূন আহমেদ ও শিশুসাহিত্যিক ড. জাফর ইকবালের পিতা তৎকালীন পুলিশ কর্মকর্তা ফয়জুর রহমানসহ অসংখ্য মুক্তিযোদ্ধা হত্যা, নির্যাতন, নারী ধর্ষণ ও লুটপাটে অভিযুক্ত ধর্মের লেবাসধারী এই নেতা স্বাধীন বাংলাদেশেও দীর্ঘ সাড়ে ৩ দশক ধরে নানা অপকর্মের সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে। মওলানা সাঈদী পবিত্র ইসলাম ধর্মকে পুঁজি হিসেবে
ষ প্রথম পাতার পর ব্যবহার করে ব্যক্তিস্বার্থ হাসিলসহ তার দল জামাতের হীন রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিল করে চলেছেন।
দেলোয়ার হোসেন সাঈদী ২০০১ সালে অনুষ্ঠিত অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পিরোজপুর-১ (সদর ও নাজিরপুর উপজেলা) আসনে বিএনপি-জামাত জোটের প্রার্থী হিসেবে সাংসদ নির্বাচিত হন। বিগত সপ্তম সংসদ নির্বাচনেও একই আসন থেকে নগণ্য ব্যবধানে জয়ী হলেও সাঈদীর এই জয়ের পেছনে ছিল সা¤প্রদায়িক অপপ্রচার, সংখ্যালঘু হিন্দু স¤প্রদায়ের ওপর নির্মম নির্যাতন, ভোট চুরিসহ নানা গুর"তর অভিযোগ।
১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধকালে তিনি ধর্মের দোহাই দিয়ে নিজ জেলা পিরোজপুরে হিন্দু স¤প্রদায়ের ঘরবাড়ি, সম্পদ লুট করেছেন। পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীকে গণহত্যা ও নির্যাতনে প্রত্যক্ষভাবে সহায়তা করেছেন সাঈদী। পিরোজপুরে মুক্তিযুদ্ধের সময় গণহত্যা, নির্যাতন, লুটতরাজসহ নানা যুদ্ধাপরাধের অন্যতম হোতা দেলোয়ার হোসেন সাঈদী। তার এসব অপকর্মের বহু নজির ও সাক্ষী আজো পাওয়া যাবে তার হাতে নির্যাতিত ও ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে বেঁচে থাকা পিরোজপুরের স্বজনহারা মানুষের ঘরে ঘরে।
একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের সময় স্বাধীনতাবিরোধী ও ঘাতক সাঈদীর দুষ্কর্মের কিছু বিবরণ প্রকাশিত হয়েছে ‘একাত্তরের ঘাতক দালাল ও যুদ্ধাপরাধীদের সম্পর্কে গঠিত জাতীয় গণতদন্ত কমিশনের রিপোর্ট’-এ। ওই রিপোর্টে বলা হয় :
১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় এই জামাত নেতা পাকিস্তান হানাদার বাহিনীকে সহযোগিতা করার জন্য তার নিজ এলাকায় আল বদর, আল শামস এবং রাজাকার বাহিনী গঠন করেন এবং তাদের সরাসরি সহযোগিতা করেন। ১৯৭১ সালে তিনি সরাসরি কোনো রাজনৈতিক দলের নেতা ছিলেন না, তবে তথাকথিত মওলানা হিসেবে তিনি তার স্বাধীনতাবিরোধী তৎপরতা পরিচালনা করেছেন। তার এলাকায় হানাদারদের সহযোগী বাহিনী গঠন করে প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে লুটতরাজ, নির্যাতন, অগ্নিসংযোগ, হত্যা ইত্যাদি তৎপরতা পরিচালনা করেছেন বলে তার বির"দ্ধে অভিযোগ রয়েছে। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি তার এলাকায় অপর চারজন সহযোগী নিয়ে ‘পাঁচ তহবিল’ নামে একটি সংগঠন গড়ে তোলেন, যাদের প্রধান কাজ ছিল মুক্তিযোদ্ধা, মুক্তিযুদ্ধে বিশ্বাসী বাঙালি হিন্দুদের বাড়িঘর জোরপূর্বক দখল করা এবং তাদের সম্পত্তি লুণ্ঠন করা। লুণ্ঠনকৃত এ সমস্ত সম্পদকে দেলোয়ার হোসেন সাঈদী ‘গনিমতের মাল’ আখ্যায়িত করে নিজে ভোগ করতেন এবং পাড়েরহাট বন্দরে এসব বিক্রি করে ব্যবসা পরিচালনা করতেন।
মুক্তিযোদ্ধা সংসদের পাড়েরহাট ইউনিয়নের সাবেক কমান্ডার মিজান তালুকদার একাত্তরে সাঈদীর তৎপরতার কথা উল্লেখ করে জানিয়েছেন, দেলোয়ার হোসেন সাঈদী স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় পাক হানাদার বাহিনীর প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় লিপ্ত ছিলেন। তিনি ধর্মের দোহাই দিয়ে পাড়েরহাট বন্দরের হিন্দু স¤প্রদায়ের ঘরবাড়ি লুট করেছেন ও নিজে মাথায় বহন করেছেন এবং মদন নামে এক হিন্দু ব্যবসায়ীর বাজারের দোকানঘর ভেঙে তার নিজ বাড়ি নিয়ে গেছেন। দেলোয়ার হোসেন সাঈদী সাহেববাজারের বিভিন্ন মনোহারি ও মুদি দোকান লুট করে লঞ্চঘাটে দোকান দিয়েছিলেন। দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর অপকর্ম ও দেশদ্রোহিতার কথা এলাকায় হাজার হাজার হিন্দু-মুসলিম আজো ভুলতে পারেনি। (মাসিক নিপুণ, আগস্ট ১৯৮৭)।
মিজান তালুকদার আরো বলেন, একাত্তর সালের জুলাই মাসের শেষ সপ্তাহে দেলোয়ার হোসেন সাঈদী তার বড়ো ভাই আব্দুল মান্নান তালুকদারকে ধরে পাড়েরহাটে শান্তি কমিটির অফিসে নিয়ে যায়। সেখানে আব্দুল মান্নান তালুকদারের ওপর সাঈদী অকথ্য নির্যাতন চালায় এবং তার ভাই মুক্তিযোদ্ধা মিজান তালুকদার কোথায় আছে জানতে চায় ও তার সন্ধান দিতে বলে।
গণতন্ত্রী পার্টির কেন্দ্রীয় নেতা (বর্তমানে রাজনীতিতে নিষ্ক্রিয়) পিরোজপুরের এডভোকেট আলী হায়দার খানও সাঈদীর বির"দ্ধে অনুরূপ অভিযোগ এনেছেন। তিনি জানিয়েছেন, সাঈদীর সহযোগিতায় তাদের এলাকার হিমাংশু বাবুর ভাই ও আত্মীয়স্বজনকে হত্যা করা হয়েছে। পিরোজপুরের মেধাবী ছাত্র গণপতি হালদারকেও সাঈদী ধরে নিয়ে গিয়ে হত্যা করেছেন বলে তিনি জানিয়েছেন। তৎকালীন মহকুমা পুলিশ প্রশাসক (এসডিপিও) ফয়জুর রহমান আহমেদ ( ঔপন্যাসিক হূমায়ূন আহমেদের পিতা), ভারপ্রাপ্ত মহকুমা প্রশাসক (এসডিও) আবদুর রাজ্জাক এবং সাবেক ছাত্রলীগ নেতা মিজানুর রহমান, স্কুল হেডমাস্টার আব্দুল গাফফার মিয়া, সমাজসেবী শামসুল হক ফরাজী, অতুল কর্মকার প্রমুখ সরকারি কর্মকর্তা ও বুদ্ধিজীবীদের সাঈদীর প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় হত্যা করা হয় বলে তিনি জানিয়েছেন। মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে তথ্য সরবরাহকারী ভগীরথীকে তার নির্দেশেই মোটরসাইকেলের পিছনে বেঁধে পাঁচ মাইল পথ টেনে নিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।
পাড়েরহাট ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ আলাউদ্দিন খান জানিয়েছেন, সাঈদীর পরামর্শ, পরিকল্পনা এবং প্রণীত তালিকা অনুযায়ী এলাকার বুদ্ধিজীবী ও ছাত্রদের পাইকারি হারে নিধন করা হয়। পাড়েরহাটের আনোয়ার হোসেন, আবু মিয়া, নূর"ল ইসলাম খান, বেনীমাধব সাহা, বিপদ সাহা, মদন সাহা প্রমুখের বসতবাড়ি, গদিঘর, সম্পত্তি এই দেলোয়ার হোসেন সাঈদী লুট করে নেন বলে তিনি গণতদন্ত কমিশনকে জানিয়েছেন।
পাড়ের হাট বন্দরের মুক্তিযোদ্ধা র"হুল আমীন নবীন জানিয়েছেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় সাঈদী এবং তার সহযোগীরা পিরোজপুরের নিখিল পালের বাড়ি তুলে এনে পাড়ের হাট জামে মসজিদের গনিমতের মাল হিসেবে ব্যবহার করে। মদন বাবুর বাড়ি উঠিয়ে নিয়ে সাঈদী তার শ্বশুরবাড়িতে স্থাপন করেন। র"হুল আমীন জানান, ১৯৭১ সালের জুন মাসের শেষের দিকে তিনি মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য রেশন সংগ্রহ করতে পাড়েরহাটে গেলে দেখেন স্থানীয় শান্তি কমিটি ও রাজাকারদের নেতৃত্বে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর ৬০/৭০ জনের একটি দল পাড়ের হাট বন্দরে লুটপাট করছিল। পিরোজপুরের শান্তি কমিটি ও রাজাকার নেতাদের মধ্যে সেদিন পাকিস্তানি সেনা দলটির নেতৃত্ব দিয়েছিলেন দেলোয়ার হোসেন সাঈদী, সেকান্দার শিকদার, মওলানা মোসলেহ উদ্দিন, দানেশ মোল্লা প্রমুখ। এ ছাড়াও সাঈদীকে একটি ঘরের আসবাবপত্র লুট করে নিয়ে যেতে দেখেছিলেন র"হুল আমীন।
র"হুল আমীন নবীন আরো জানান, সাঈদী এবং তার সহযোগীরা তদানীন্তন ইপিআর সুবেদার আব্দুল আজিজ, পাড়েরহাট বন্দরের কৃষ্ণকান্ত সাহা, বাণীকান্ত সিকদার, তর"ণীকান্ত সিকদার এবং আরো অনেককে ধরে নিয়ে গিয়ে হত্যা করেছেন। সাঈদী হরি সাধু ও বিপদ সাহার মেয়েদের ওপর পাশবিক নির্যাতন চালিয়েছেন। বিখ্যাত তালুকদার বাড়িতে লুটতরাজ করেছেন। ওই বাড়ি থেকে ২০/২৫ জন মহিলাকে ধরে এনে পাকসেনাদের ক্যাম্পে পাঠিয়েছেন।
ঔপন্যাসিক হুমায়ূন আহমেদের পিতা ফয়জুর রহমান আহমেদের হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে দেলোয়ার হোসেন সাঈদী জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। শহীদের অপর পুত্র কথাশিল্পী মুহম্মদ জাফর ইকবাল জানিয়েছেন, দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর সহযোগিতায় ফয়জুর রহমান আহমেদকে পাকিস্তানি সৈন্যরা হত্যা করে এবং হত্যার পরদিন সাঈদীর বাহিনী পিরোজপুরের ফয়জুর রহমান আহমেদের বাড়ি সম্পূর্ণ লুট করে নিয়ে যায়।
(তথ্যসূত্র : মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি সংরক্ষণ কেন্দ্র)
প্রকাশ করা হয়েছে: আমার দিনকাল বিভাগে ।
এস্কিমো বলেছেন:
পরামর্শের জন্যে ধন্যবাদ@চে
পজিটিভ বলেছেন:
ভাল ও গুরুত্বপূর্ণ পোস্ট।আপনে যখন অন্যদের পোস্টে গিয়ে রাজাকার রাজাকার করে চি্ল্লান মারাত্মক বিরক্ত লাগে।
আপনে কি জানেন, আপনার এই রকম একটা তথ্যসমৃদ্ধ পোস্ট কিরকম মূল্যবান আপনার ঐ হাজার চিতকার আর হযবরল পোস্ট থেকে ?
আমি যতদিন ব্লগে থাকবো আপনার এই পোস্টটা আমার ফ্যাভারিটস-এ থাকবে সবসময়।
এখন আমি আপনার পুরানো সব পোস্ট পড়বো।
৫৫৫ x ৫৫৫।
নাভদ বলেছেন:
৫
মদনবাবু বলেছেন:
৫



















একটু আগে দেখলাম আপনি জনৈক আতেল ব্লগারের ব্লগে নির্বোধ আর নির্বোধ প্যাচালের পার্থক্য বোঝাতে পন্ডশ্রম করছিলেন।
আরে ভাই, মুক্তিযুদ্ধ যুদ্ধপরাধী নিয়ে পোস্ট দিলেই যে সবাই অন্তরে তা ধারন করে এমন মনে করার কোন কারন নেই।
খেয়াল করেন, তার প্রিয় পোস্ট এ সে নিজে ছাড়া আর কেউ নেই।
এরকম হ্যান্ডম দের ব্লগে সময় কাটানোর চেয়ে আপনি আপনার রাজাকারদের মুখোশ উম্মোচনকারী লেখা বিরামহীন চালিয়ে যান।