আমার প্রিয় পোস্ট
- একাত্তরে মীর কাশেম আলী : উতসর্গ আমি সাগর - অমি রহমান পিয়াল
- আল বদর কমান্ডার মীর কাসেম আলী চট্টগ্রামে গণহত্যা লুটপাটের নায়ক - এস্কিমো
- উচ্চ শিক্ষার জন্য কানাডা - রনি রাজশাহী
- সেক্টর কমান্ডারস কর্তৃক ৫০ যুদ্ধাপরাধীদের প্রাথমিক তালিকা প্রকাশ - মো. আবুল হোসেন, শিবচর, মাদারিপুর
- টেকনিক্যাল কেতা পোস্ট- মোবাইলে বাংলা ফন্ট (নোকিয়া-সিম্বিয়ান)
- চোরকাঁটা
- ডাবল স্ট্যান্ডার্ড ছাগুরাম (পাঠ আবশ্যক) - তোমাদের-ই-লোক
- মুহম্মদ জাফর ইকবালকে কেন আমি এত সম্মান করি - জ্বিনের বাদশা
- কিছু দেশের গান (রিঃপোষ্ট) - একলা একজন
- কেন কিনবেন বই যখন ফ্রী পাচ্ছেন? - তামিম
- আমারব্লগে আরিফের উপরে অন্যায় ব্যাক্তি আক্রমণ বন্ধ হোক - প্রশ্নোত্তর
- অর্ন্তজালের বাংলা ওয়েব সাইটগুলোর একটা তালিকা তৈরী করলাম। - একজন ব্লগার
- জব ডান; ছবি দেখতে গেলাম {রাত জেগে মুভি দেখব... কয়েকটা নাম দিন প্লিঝ (সাময়িক)} - বাফড়া
- আরিফুল হোসেন তুহিনের অসামান্য উদ্যোগে সামান্য ভূমিকা রাখতে চাচ্ছি - রিয়াজ শাহেদ
- দৃষ্টি আকর্ষন:৭১ এর সকল অনলাইন দলিল একত্রীকরনের প্রচেষ্টা - আরিফুল হোসেন তুহিন
- বাংলা ব্যবহার (উৎসর্গ প্রিয় ব্লগার এস্কিমো ) - মুহিব
- খুনী এ কে এম মহিউদ্দিনের বিষয়ে সিবিসির সত্যানুসন্ধান - এস্কিমো
- ব্লগে বিরাজমান অস্থিরতা বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ !! - নোটিশবোর্ড
- ফিরে দেখুন আমাদের ইতিহাস - ৬ - নামহীন মানব
- সকল জামাত বিরোধী, রাজাকার বিরোধী পোস্টের সংকলন। - হ্যারি সেলডন
- জামায়াতের নির্বাহী কমিটির ১১ জনই রাজাকার - সবাক
- টরন্টো তসবির - ফরিদ
- স্রস্টার অনস্তিত্তের পক্ষে সাদামাটা কিছু যুক্তিঃ নাস্তিকতা নিয়া ব্লগে যারা লম্ফঝম্ফ শুরু করেছেন তাদেরকে যুক্তিখণ্ডনের আহ্বান... - দস্যু বনহুর
- মুক্তিযুদ্ধের সময়কার কিছু পত্রিকা - তানভীর চৌধুরী
- ইতিহাসের পাতা থেকে - বোলারস ব্যাকড্রাইভ
- আস্তিকরা সবাই বেক্কল কেন? - হ্যারি সেলডন
- শোনো ও বকুল ----- (রবীন্দ্র জৈন) - বিষাক্ত মানুষ
- ছোটগল্প: মুরগীচোর - তীরন্দাজ
- আমার শিবির অভিজ্ঞতা - ব্লুজ
- ওরিয়ানা ফালাচিকে আমাদের স্বাধীনতা পুরস্কার দেয়া উচিত - মুক্তি
- অশ্লীল! - অহনা
- আগুণের পরশমনিতে ফাহমিদুল হক ও তার সাহিত্যের সুবাস - কৌশিক
- আমার প্রিয় লেখাগুলি নিয়ে ই-বুক - নাজিল আযামী
- এসো ৭১ এর গল্প শোনাই সবাই মিলে - জ্বিনের বাদশা
- পোস্ট ব্রাত্য রাইসুর, মরীয়া বিতর্ক মানস চৌধুরীর এবং আমাদের ব্লগারকূল - ফাহমিদুল হক
- খুনী আল-বদরের উত্তরসূরী ছাত্র শিবির : উত্থানের ভয়াবহ দলিলপত্র - অমি রহমান পিয়াল
- আগুনের পরশমনিতে ডঃ আইজুদ্দিনের পিঠ চুলকা-চুলকি সভা - কৌশিক
- জামাতি বুদ্ধিজীবির ছাঁচে গড়া সুশীল কারিগর - সংস্থাপক
- ডিজিটাল চলচ্চিত্র নির্মাণের প্রাসঙ্গিকতা: পরিপ্রেক্ষিত বাংলাদেশ (শেষ অংশ) - ফাহমিদুল হক
- বেড়ালের দেশে ইঁদুর হয়ে (শেষ পর্ব) - ফাহমিদুল হক
- মুক্তিযুদ্ধের কিছু প্রামান্য বইয়ের তালিকা - ফারহান দাউদ
- সবাস শাহাদাত !! সাবাস বাংগালী আরেকটু ধরে রাখ !! (ক্রিকেট) - রাতুল"
- আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন এর পোস্ট এর কমেন্ট - মহিলা ছাগল
- এবারের একুশে বইমেলায় জনপ্রিয় লেখকদের বই ( ২য় পর্ব) - একরামুল হক শামীম
- অভিনন্দন এস্কিমো পরিবার! - মনিটর
- জামায়াত নিয়ে নতুন বছরের সেরা মুঠোবার্তা - শওকত হোসেন মাসুম
- আমার গোলাম আযমের আত্মজীবনী পাঠ: আসুন নাগরিকত্ব মামলায় পক্ষে রায় দেওয়া সেই বিচারকের পরিচয় জানি - শওকত হোসেন মাসুম
- ত্রিভুজের ফাঁদে কি ধরা পড়ল?
- ত্রিভুজ
- সারা দেশে জামাতের শিক্ষা বাণিজ্য নেটওয়ার্ক এবং দেশদ্রোহীতার একটি সাম্প্রতিক দলীল - আদৃতা আবৃত্তি
- বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, কলামিস্ট ফরহাদ মজহারের মন্তব্য, ও 'বাংলাদেশী এস্কিমো' ভাইয়ের পোস্ট - আওরঙ্গজেব
- অভিনন্দন বাংলাদেশ,নিউজিল্যান্ডকে হারাবার জন্য - ফারহান দাউদ
- বাধ ভাঙার এই আওয়াজ বোধহয় কারো কাম্য ছিল না (উৎসর্গ :বিদায়ী ধূসরছায়া বৃন্দ) - আরিফ জেবতিক
- জামাতী পেইড ব্লগার চেনার উপায় কি? - সু-শান্ত
- প্রপোগান্ডা, স্টপ জেনোসাইড ও জহির রায়হান - অমি রহমান পিয়াল
- শিক্ষকদের শাস্তি দেয়া হলো - ফাহমিদুল হক
- উতসর্গ: এস্কিমো-সত লুকের রাজনীতিতে যুগ দেওনের তরীকা - লাল সালু
- একটি মৃত্যু আর আমার যত আক্ষেপ - ডাক্তার আইজউদ্দিন
- এই রায়টি মোটিভেটেড - ফাহমিদুল হক
- আওরঙজেব, আমার প্রশ্নের জবাব দিলেন না? - এস্কিমো
- ছবি ব্লগ : গর্বের এবং বীরত্বের মুক্তিযুদ্ধ - মিরাজ
- সিডর'র তান্ডবঃ - প্রবাসীরা এখনই যা করতে পারি। (একটি প্রস্তাব) - এস্কিমো
- সাইক্লোন সিডর - অলৌকিক হাসান
- মোবাইলের একটা কল মানে........... - দিনমজুর
- মুক্তিযোদ্ধা শিবির! - লাল দরজা
- প্রসঙ্গঃ বাচ্চু রাজাকার ও জনকন্ঠ - আওরঙ্গজেব
- মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের উইকিয়াতে সবাইকে নিমন্ত্রণ - রাগিব
- বোমাবাজী ও নিজামী - আওরঙ্গজেব
- এস্কিমোর জামায়াত বিরোধিতার আড়ালে ইসলামকে নিয়ে ব্যঙ্গ-বিদ্রুপ--- মুসলিম ভাই-বোনেদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি - মিজু
- যে বইগুলো পড়া দরকার ......সংশোধিত ও পরিবর্ধিত - সপ্নীল
- হিন্দুরা কেন গো-মাংস ভক্ষণ করে না? - আশরাফ রহমান
- মগবাজারে ৮ তলা বাড়িতে থাকে গোলাম আযম: একদল সত লোকের জীবন যাপনের নমুনা - আমি সাগর
- সতেরোটি সত লোক আর যতসব মিথ্যা আর দুর্নীতি-১ - কিন্তু কি
- যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ও প্রাসঙ্গিক ভাবনা - মিরাজ
- একুশে টিভিতে মুজাহিদরে দেইখ্যা আমি হাসতেই আছি: যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করতে রাষ্ট্রীয় কমিশন চাই - আমি সাগর
- আশরাফ রহমান - বাংলাদেশের সাফল্য আপনি নীরব কেন? - এস্কিমো
- বুদ্ধিজীবি হত্যার বিচার কি অসম্ভব? - অমি রহমান পিয়াল
- মাহমুদ রহমান - একটা প্রশ্ন ছিল... - এস্কিমো
- কিভাবে পোস্টে ইউটিউব ভিডিও যোগ করবেন? - হাসিন
- স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শ্লোগান - অমি রহমান পিয়াল
- শিবিরের চোখে স্বাধীনতার ইতিহাস - আড্ডাবাজ
- আরিল,এই সিদ্ধান্তটা আপনাকে নিতেই হবে,এখুনি.. - আরিফ জেবতিক
- মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে আর্কাইভ সাইট করতে যাচ্ছি...(খসড়া পোষ্ট) - ত্রিভুজ
- ওদের জ্ঞান দাও প্রভু,ওদের ক্ষমা করো! - ফারহান দাউদ
- সাদিক মোহাম্মদ আলম এর 'ফাকা আবেগ' তত্ব ও কলবের আয়না - হাসান মোরশেদ
- ত্রিভুজের "ছাগু" হয়ে উঠা!!! - এস্কিমো
প্রিয় ব্যক্তিত্বঃ - শহীদ মুনীর চৌধুরী
১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১:৪৯
আবু নয়ীম মোহাম্মদ মুনীর চৌধুরী (২৭শে নভেম্বর, ১৯২৫ - ১৪ই ডিসেম্বর, ১৯৭১) একজন বাংলাদেশী শিক্ষাবিদ, নাট্যকার, সাহিত্য সমালোচক, ভাষাবিজ্ঞানী এবং শহীদ বুদ্ধিজীবী। তিনি তৎকালীন ঢাকা জেলার মানিকগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ছিলেন ইংরেজ আমলের সরকারী কর্মচারী খান বাহাদুর আবদুল হালিম চৌধুরীর চৌদ্দ সন্তানের মধ্যে দ্বিতীয়। কবীর চৌধুরী তাঁর অগ্রজ, ফেরদৌসী মজুমদার তাঁর অনুজা।
মুনীর চৌধুরী ১৯৪১ সালে ঢাকা কলেজিয়েট স্কুল (বর্তমান ঢাকা কলেজ) থেকে প্রথম বিভাগে ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষায় পাস করেন এবং ১৯৪৩ সালে আলীগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দ্বিতীয় বিভাগে আইএসসি পাস করেন। এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজীতে অনার্স (১৯৪৬) এবং মাস্টার্স (১৯৪৭) পাস করেন, উভয় ক্ষেত্রেই দ্বিতীয় শ্রেণীতে। তিনি ছিলেন সলিমুল্লাহ হলের আবাসিক ছাত্র। বক্তৃতানৈপুণ্যের সুবাদে বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রজীবনের প্রথম বছরেই, ১৯৪৩ সালে, হলের সেরা বক্তা হিসেবে প্রোভোস্ট্স কাপ জেতেন। ১৯৪৬ সালে নিখিল বঙ্গ সাহিত্য প্রতিযোগিতায় সর্বাধিক সংখ্যক পুরষ্কার জেতেন। ছাত্রাবস্থাতেই এক অঙ্কের নাটক রাজার জন্মদিনে লিখেছিলেন, যা ছাত্র সংসদ মঞ্চস্থ করেছিল। বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢুকেই মুনীর চৌধুরী বামপন্থী রাজনীতির সাথে জড়িয়ে পড়েন, ফলে তাঁর পরীক্ষার ফলাফল এতে ব্যহত হয়। বামপন্থী রাজনীতিতে অতিমাত্রায় সম্পৃক্ততার কারণে তাঁকে সলিমুল্লাহ হল থেকে বহিস্কার করা হয়। একই কারণে পিতার আর্থিক সাহায্য থেকেও তিনি বঞ্চিত হন। এসময় তিনি ঢাকা বেতার কেন্দ্রের জন্য নাটক লিখে আয় করতেন। বাংলা ভাষাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে ১৯৪৭ সালের ৬ই ডিসেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে যে প্রথম ছাত্রসভা হয়, তাতে তিনি বক্তৃতা করেন।
শিক্ষকতা পর্ব
১৯৪৯ সালে মুনীর চৌধুরী খুলনার ব্রজলাল কলেজে ইংরেজির অধ্যাপক হিসেবে যোগ দেন। সেখানে তিনি কিছুদিন বাংলাও পড়িয়েছিলেন। ঐ বছর মার্চে তিনি ঢাকায় এসে রাজনৈতিক তৎপরতার কারণে গ্রেপ্তার হন, তবে রাজনীতি না করার প্রতিশ্রুতিতে ছাড়া পান। একই বছর তিনি লিলি মীর্জাকে বিয়ে করেন। ১৯৫০ সালে তিনি ঢাকার জগন্নাথ কলেজে যোগ দেন এবং সে বছরই আগস্ট মাসে ইংরেজির অস্থায়ী প্রভাষক হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নিযুক্তিলাভ করেন। কিন্তু রাজনীতি থেকে বেশি দূরে থাকতে পারেন নি। ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারিতে বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশ করতে গিয়ে পুলিশের ধাক্কা খেয়ে পড়ে যান। ২৬শে ফেব্রুয়ারি শিক্ষকদের প্রতিবাদ সভা আহ্বান করতে গিয়ে গ্রেফতার হন ও তাঁকে চাকরিচ্যুত করা হয়। এসময় প্রায় দুই বছর তিনি দিনাজপুর ও ঢাকা জেলে বন্দী জীবনযাপন করেন। বন্দী অবস্থায় ১৯৫৩ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি কারাবন্দীদের অভিনয়ের জন্য লেখেন কবর নামের একাঙ্কিকা। ১৯৫৩ সালে বামপন্থী রণেশ দাশগুপ্ত জেলখানাতে ২১ ফেব্রুয়ারি উৎযাপনের লক্ষে মুনীর চৌধুরীকে একটি নাটক লেখার অনুরোধ জানান। এই অনুরোধের ভিত্তিতে তিনি নাটকটি রচনা করেন। এ নাটকটি তাঁর শ্রেষ্ঠ নাটক হিসেবে খ্যাত এবং এর প্রথম মঞ্চায়ন হয় জেলখানার ভেতরে, যাতে কারাবন্দীরাই বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন।
সঙ্গী কারাবন্দী অধ্যাপক অজিত গুহের কাছ থেকে তিনি প্রাচীন ও মধ্য যুগের বাংলা সাহিত্যের পাঠ গ্রহণ করেন, কারাগারে থেকেই ১৯৫৩ সালে বাংলায় প্রাথমিক এম এ পরীক্ষা দেন ও প্রথম শ্রেণীতে প্রথম স্থান অধিকার করেন।
১৯৫৪ সালে পূর্ব পাকিস্তানে যুক্তফ্রন্ট সরকার ক্ষমতায় আসলে তিনি কারাগার থেকে মুক্তি পান। ১৯৫৪ সালে নিরাপত্তা বন্দী থাকা অবস্থায় এম এ শেষ পর্ব পরীক্ষা দিয়ে তিনি কৃতিত্বের সাথে বাংলায় মাস্টার্স ডিগ্রী পাস করেন।
১৯৫৪ সালের ১৫ই নভেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজির অস্থায়ী প্রভাষক হিসেবে যোগ দেন। ১৯৫৫ সালের জানুয়ারিতে মুহম্মদ আবদুল হাইয়ের প্রচেষ্টায় বাংলা বিভাগে খণ্ডকালীন শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন এবং আগস্ট মাসে বাংলা বিভাগে সার্বক্ষণিক চাকুরি লাভ করেন। ১৯৫৬ সালের এপ্রিল মাসে তিনি বাংলার প্রভাষক হিসেবে চাকুরি স্থায়ী করেন। ১৯৫৬ সালের শেষ দিকে রকাফেলার বৃত্তি নিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে যান এবং ১৯৫৮ সালে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ভাষাতত্ত্বে আরও একটি মাস্টার্স ডিগ্রী অর্জন করেন। সে বছর সেপ্টেম্বরে দেশে ফিরে আসেন। ১৯৬২ সালে অস্থায়ী রীডার পদে নিযুক্ত হন।
মুনীর চৌধুরী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের প্রধান হন। ১৯৭০ সালের ফেব্রুয়ারিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত একটি ভাষাতাত্ত্বিক সম্মেলনে যোগ দিতে যান
বাংলা টাইপরাইটার ও মুনীর অপ্টিমা
মুনীর চৌধুরী ১৯৬৫ সালে কেন্দ্রীয় বাঙলা উন্নয়ন বোর্ডের উদ্যোগে বাংলা টাইপরাইটারের জন্য উন্নতমানের কী-বোর্ড উদ্ভাবন করেন, যার নাম মুনীর অপ্টিমা। An Illustrated Brochure on Bengali Typewriter (1965) শীর্ষক পুস্তিকায় তিনি তাঁর পরিকল্পনা ব্যাখ্যা করেন এবং এই নতুন টাইপরাইটার নির্মাণের লক্ষ্যে বেশ কয়েকবার পূর্ব জার্মানিতে যান।
১৯৭১ সালের মার্চে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে মুনীর চৌধুরী ফিরে আসার কিছুকাল পরেই বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ শুরু হয়ে যায়। তাঁর কিশোর ছেলে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিতে চলে যায়। এসময় তিনি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের আদেশে মে-জুন মাসে ইংরেজি বিভাগের প্রধান হিসেবে এবং জুলাই মাস থেকে কলা অনুষদের ডীন হিসেবে কাজ করেন। ১৯৭১ সালের ১৪ই ডিসেম্বর মুনীর চৌধুরীকে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীদের সহযোগী আল-বদর বাহিনী তাঁর বাবার বাড়ি থেকে অপহরণ করে ও সম্ভবত ঐদিনই তাঁকে হত্যা করে।
উল্লেখযোগ্য রচনাবলি
নাটক
রক্তাক্ত প্রান্তর (১৯৬২)
চিঠি (১৯৬৬)
কবর (১৯৬৬)
দণ্ডকারণ্য (১৯৬৬)
পলাশী ব্যারাক ও অন্যান্য (১৯৬৯)
অনুবাদ নাটক
কেউ কিছু বলতে পারে না (১৯৬৯); জর্জ বার্নার্ড শ-র You never can tell-এর বাংলা অনুবাদ।
রূপার কৌটা (১৯৬৯); জন গলজ্ওয়র্দি-র The Silver Box-এর বাংলা অনুবাদ।
মুখরা রমণী বশীকরণ (১৯৭০); উইলিয়াম শেক্স্পিয়ারের Taming of the Shrew-এর বাংলা অনুবাদ।
প্রবন্ধ গ্রন্থ
ড্রাইডেন ও ডি.এল. রায় (১৯৬৩, পরে তুলনামূলক সমালোচনা গ্রন্থে অন্তর্ভুক্ত)
মীর মানস (১৯৬৫)
রণাঙ্গন (১৯৬৬); সৈয়দ শামসুল হক ও রফিকুল ইসলামের সাথে একত্রে।
তুলনামূলক সমালোচনা (১৯৬৯)
বাংলা গদ্যরীতি (১৯৭০)
আজকের শোকাবহ এই দিনে স্মরন করছি এই মনিষীকে।
যারা এই মহান ব্যক্তিকে হত্যা করে আমাদের ভাষারও সাহিত্যের অপুরনীয় ক্ষতি করেছে - তাদের বিচার চাই।
নির্মূল হোক সকল ঘাতক আর অন্ধকারে জীবগুলো।
(কৃতজ্ঞতা: উইকিপিডিয়া)
নিহন বলেছেন:
,,তাদের বিচার চাই .৫
নরাধম বলেছেন:
পুতুল বলেছেন :২০০৭-১২-১৪ ০২:০০:৪৯
আজকের শোকাবহ এই দিনে স্মরন করছি এই মনিষীকে।
যারা এই মহান ব্যক্তিকে হত্যা করে আমাদের ভাষারও সাহিত্যের অপুরনীয় ক্ষতি করেছে - তাদের বিচার চাই।
নির্মূল হোক সকল ঘাতক আর অন্ধকারে জীবগুলো। ৫
বিহংগ বলেছেন:
আজকের শোকাবহ এই দিনে স্মরন করছি এই মনিষীকে। যারা এই মহান ব্যক্তিকে হত্যা করে আমাদের ভাষারও সাহিত্যের অপুরনীয় ক্ষতি করেছে - তাদের বিচার চাই।৫
জেনারেল বলেছেন:
৫



















যারা এই মহান ব্যক্তিকে হত্যা করে আমাদের ভাষারও সাহিত্যের অপুরনীয় ক্ষতি করেছে - তাদের বিচার চাই।
নির্মূল হোক সকল ঘাতক আর অন্ধকারে জীবগুলো। ৫