কয়েক দিন আগে ব্লগে দেখলাম বিপুল উৎসাহ নিয়ে রাজাকারপুত্র একটা পোস্ট দিয়েছে। পোস্টে ইটিভির একটা খবর মিথ্যা প্রমান করার চেষ্টা করলেও - ওর বাবার কৃতকর্মের বিষয়ে নিরব।
এটা রাজাকার নন্দন নিজেও ভাল জানেন। তাই মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নিয়ে এখানে বিতর্ক করাটা অর্থহীনই মনে করি। কারন রাজাকারের সাথে মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে বিতর্ক করা আর "খাসীকে ভায়েগ্রা খাওনো সমান" (লাল মিয়ার স্মরনীয় বাণী)।
সে পোস্টে বলছে - " মুক্তিযুদ্ধের নামে এই ব্লগেই কত মিথ্যাচার আর অনাচার হয়।"
এখানে সুধী ব্লগারদের দৃষ্টি আকর্ষন করতে চাই। একবাক্যে সকল মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের লেখকদের মিথ্যাবাদী বলে দিয়ে আক্রমনটা কে করলো?
এই বাক্যের বিপরিতে রাজাকার পুত্রকে বলবো - সুস্পষ্ট ভাবে কথা বলুন। ব্লগে কে মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে মিথ্যাচার করেছে। ব্লগারের নাম বলুন, লেখার সূত্র দিন। সাহস করে এগিয়ে আসুন।
আর কামরুজ্জামান কে,সেটা বাংলাদেশের সবাই জানে। শাক দিয়ে মাছ ঢাকার চেষ্টা না করে আসুন সরাসরি কথা বলি। ও মিথ্যা বাদী - ওরা ইতিহাস নিয়ে তামাশা করে এসব বলে কোনভাবেই পাপ ঢাকা দেওয়া সম্ভব হবে না।
বরঞ্চ আপনার বাবার সাথে কথা বলুন। মুক্তিযুদ্ধাদের সন্তানরা যেভাবে বাবার স্মৃতি নিয়ে বই লিখে,জীবনী লিখে, ডাইরী প্রকাশ করে। আপনিও সেই রকম করতে পারেন। আমরা ইতিহাস জানতে চাই। একজন রাজাকারপুত্রের বরাত দিয়ে তার বাবার ৭১এর ভূমিকা জানতে চাই। আপনি একটা ধারাবাহিক সিরিজ লিখুন - "আমার বাবার ৭১ এর ভূমিকা"। আমরা আপনাকে বিশ্বাস করবো। কারন আপনারা ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করেন - সুতরাং ধরে নেব আপনারা মিথ্যা বলবেন না।
বিশ্বাস করুন - আমি কামরুজ্জামানের ৭১ এর ভুমিকা জানার জন্যে জামাতের ওয়েব সাইটে ঢু মেরেছি। সেখানে ৬৯ এর থেকে ইতিহাস ৭২ এ চলে গিয়েছে। একাত্তর জামাতীদের বায়েডাটায় ব্লাকআআউট। সকল মিথ্যার উপর সত্য প্রতিষ্ঠিত হোউক।
সুতরাং অপেক্ষায় থাকলাম - একজন রাজাকারপুত্রের গবেষনালদ্ধ তার বাবার ৭১ এর ভুমিকা জানতে চাই। সত্য প্রতিষ্ঠিত হোক সকল মিথ্যার উপর। রাজাকারপুত্রের লিখিত তার পিতার ৭১ এর সু(!)কর্মগুলো জানতে চাই।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

