আমার প্রিয় পোস্ট

যুদ্ধাপরাধীর বিচার ও জামায়াতের রাজনীতি নিষিদ্ধ করার দাবী করছি

একজন ধর্মব্যবসায়ী ও যুদ্ধাপরাধীর নাম - দেলোয়ার হেসেন সাইদী

০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৫:৫৩

শেয়ারঃ
0 0 0



দেলোয়ার হোসেন সাঈদী 2001-এর অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পিরোজপুর-1 (সদর ও নাজিরপুর এলাকা) আসনে চারদলীয় জোটের প্রাথর্ী হিসেবে সাংসদ নির্বাচিত হন জামাতে ইসলামীর নেতা মওলানা দেলোয়ার হোসেন সাঈদী। বিগত সপ্তম সংসদ নির্বাচনেও একই আসন থেকে নগন্য ব্যবধানে জয়ী হলেও সাঈদীর এই জয়ের পিছনে ছিল সামপ্রদায়িক অপপ্রচার, হিন্দুদের ওপর নির্যাতন, ভোট চুরিসহ নানা গুরুতর অভিযোগ। পবিত্র ধর্মের দোহাই দিয়ে একজন 'মওলানা' হিসেবে নিজেকে পরিচয় দিয়ে সাঈদীর অপকর্মের নজির শুধু বিগত নির্বাচনেই নয়, 1971 সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ও রয়েছে। সে সময় তিনি ধর্মের দোহাই দিয়ে নিজ জেলা পিরোজপুরে হিন্দু সমপ্রদায়ের ঘরবাড়ি, সম্পদ লুট করেছেন। পাকিসত্দানি হানাদার বাহিনীকে গণহত্যা ও নির্যাতনে প্রত্যক্ষভাবে সহায়তা করেছেন সাঈদী। পিরোজপুরে মুক্তিযুদ্ধের সময় গণহত্যা, নির্যাতন, লুটতরাজসহ নানা যুদ্ধাপরাধের অন্যতম হোতা দেলোয়ার হোসেন সাঈদী। তার এসব অপকর্মের বহু নজির ও সাক্ষী আজো পাওয়া যাবে তার হাতে নির্যাতিত ও তিগ্রসত্দ হয়ে বেঁচে থাকা পিরোজপুরের স্বজনহারা মানুষের ঘরে। কিন্তু স্বাধীনতার 34 বছর পর সাঈদী তার ঘাতক, যুদ্ধাপরাধীর চেহারা গোপন করে ধর্মের নাম ভাঙিয়ে প্রধানত তরুণ প্রজন্মের অজ্ঞতার সুযোগে তাদের কাছ থেকে ভোট পাওয়ার অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। পিরোজপুর ও নাজিরপুরের নতুন ভোটার যারা, যাদের বয়স 30-35 বছরের নিচে তারা সাঈদীর আসল চেহারা চেনেন না বলেই তার মতো ঘাতক পার হয়ে যান নির্বাচনী বৈতরণী। একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের সময় স্বাধীনতাবিরোধী ও ঘাতক সাঈদীর দুষ্কর্মের কিছুবিবরণ প্রকাশিত হয়েছে 'একাত্তরের ঘাতক দালাল ও যুদ্ধাপরাধীদের সম্পর্কে জাতীয় গণতদনত্দ কমিশনের রিপোর্ট'-এ। ওই রিপোর্টে বলা হয়- 1971 সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় এই জামাত নেতা পাকিসত্দান হানাদার বাহিনীকে সহযোগিতা করার জন্য তার নিজ এলাকায় আলবদর, আলশামস এবং রাজাকার বাহিনী গঠন করেন এবং তাদের সরাসরি সহযোগিতা করেন। 1971 সালে তিনি সরাসরি কোনো রাজনৈতিক দলের নেতা ছিলেন না, তবে তথাকথিত মওলানা হিসেবে তিনি তার স্বাধীনতাবিরোধী তৎপরতা পরিচালনা করেছেন। তার এলাকায় হানাদারদের সহযোগী বাহিনী গঠন করে প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে লুটতরাজ, নির্য াতন, অগি্নসংযোগ, হত্যা ইত্যাদি তৎপরতা পরিচালনা করেছেন বলে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে।

মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি তার এলাকায় অপর চারজন সহযোগী নিয়ে 'পাঁচ তহবিল' নামে একটি সংগঠন গড়ে তোলেন, যাদের প্রধান কাজ ছিল মুক্তিযোদ্ধা, মুক্তিযুদ্ধে বিশ্বাসী বাঙালি হিন্দুদের বাড়িঘর জোরপূর্বক দখল করা এবং তাদের সম্পত্তি লুণ্ঠন করা। লুণ্ঠনকৃত এ সমস্ত সম্পদকে দেলোয়ার হোসেন সাঈদী 'গনিমতের মাল' আখ্যায়িত করে নিজে ভোগ করতেন এবং পাড়ের হাট বন্দরে এসব বিক্রি করে ব্যবসা পরিচালনা করতেন।

পাড়ের হাট ইউনিয়নের মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ইউনিয়ন কমান্ডের মিজান তালুকদার একাত্তরে সাঈদীর তৎপরতার কথা উলেখ করে জানিয়েছেন- দেলোয়ার হোসেন সাঈদী স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় পাক হানাদার বাহিনীর প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় লিপ্ত ছিলেন। তিনি ধর্মের দোহাই দিয়ে পাড়ের হাট বন্দরের হিন্দু সমপ্রদায়ের ঘরবাড়ি লুট করেছেন ও নিজে মাথায় বহন করেছেন এবং মদন নামে এক হিন্দু ব্যবসায়ীর বাজারের দোকানঘর ভেঙে তার নিজ বাড়ি নিয়ে গেছেন। দেলোয়ার হোসেন সাঈদী সাহেব বাজারের বিভিন্ন মনোহারি ও মুদি দোকান লুট করে লঞ্চঘাটে দোকান দিয়েছিলেন।

দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর অপকর্ম ও দেশদ্রোহিতার কথা এলাকায় হাজার হাজার হিন্দু-মুসলিম আজো ভুলতে পারেনি। (মাসিক নিপুণ, আগস্ট 1987)। এছাড়াও মিজান তালুকদার বলেন, একাত্তর সালের জুলাই মাসের শেষ সপ্তাহে দেলোয়ার হোসেন সাঈদী তার বড়ো ভাই আব্দুল মানড়বান তালুকদারকে ধরে পাড়ের হাটে পিস কমিটির অফিসে নিয়ে যায়। সেখানে আব্দুল মানড়বান তালুকদারের ওপর সাঈদী পাশবিক নির্যাতন করে এবং তার ভাই মুক্তিযোদ্ধা মিজান তালুকদার কোথায় আছে জানতে চায় ও তার সন্ধান দিতে বলে।

গণতন্ত্রী পার্টির কেন্দ্রীয় নেতা পিরোজপুরের এডভোকেট আলী হায়দার খানও সাঈদীর বির"দ্ধে অনুরূপ অভিযোগ এনেছেন। তিনি জানিয়েছেন, সাঈদীর সহযোগিতায় তাদের এলাকার হিমাংশু বাবুর ভাই ও আত্মীয়স্বজনকে হত্যা করা হয়েছে। পিরোজপুরের মেধাবী ছাত্র গণপতি হালদারকেও সাঈদী ধরে নিয়ে গিয়ে হত্যা করেছেন বলে তিনি জানিয়েছেন। তৎকালীন মহকুমা এসডিপিও ফয়জুর রহমান আহমেদ, ভারপ্রাপ্ত এসডিও আবদুর রাজ্জাক এবং সাবেক ছাত্রলীগ নেতা মিজানুর রহমান, স্কুল হেডমাস্টার আব্দুল গাফফার মিয়া, সমাজসেবী শামসুল হক ফরাজী, অতুল কর্মকার প্রমুখ সরকারি কর্মকর্তা ও বুদ্ধিজীবীদের সাঈদীর প্রত্য সহযোগিতায় হত্যা করা হয় বলে তিনি জানিয়েছেন।

মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে তথ্য সরবরাহকারী ভগীরথীকে তার নির্দেশেই মোটরসাইকেলের পিছনে বেঁধে পাঁচ মাইল পথ টেনে নিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। পাড়ের হাট ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ আলাউদ্দিন খান জানিয়েছেন, সাঈদীর পরামর্শ পরিকল্পনা এবং প্রণীত তালিকা অুনযায়ী এলাকার বুদ্ধিজীবী ও ছাত্রদের পাইকারি হারে নিধন করা হয়। পাড়ের হাটের আনোয়ার হোসেন, আবু মিয়া, নূর"ল ইসলাম খান, বেনীমাধব সাহা, বিপদ সাহা, মদন সাহা প্রমুখের বসতবাড়ি, গদিঘর, সম্পত্তি এই দেলোয়ার হোসেন সাঈদী লুট করে নেন বলে তিনি গণতদন্ত কমিশনকে জানিয়েছেন। পাড়ের হাট বন্দরের মুক্তিযোদ্ধা রুহুল আমীন নবীন জানিয়েছেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় সাঈদী এবং তার সহযোগীরা পিরোজপুরের নিখিল পালের বাড়ি তুলে এনে পাড়ের হাট জামে মসজিদের গনিমতের মাল হিসেবে ব্যবহার করে। মদন বাবুর বাড়ি উঠিয়ে নিয়ে সাঈদী তার শ্বশুর বাড়িতে স্থাপন করেন। রুহুল আমীন জানান, 1971 সালের জুন মাসের শেষের দিকে তিনি মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য রেশন সংগ্রহ করতে পাড়ের হাটে গেলে দেখেন স্থানীয় শান্তিকমিটি ও রাজাকারদের নেতৃত্বে পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর 60-70 জনের একটি দল পাড়ের হাট বন্দরে লুটপাট করছিল। পিরোজপুরের শান্তি কমিটি ও রাজাকার নেতাদের মধ্যে সেদিন পাকিস্তানি সেনা দলটির নেতৃত্বদিয়েছিলেন দেলোয়ার হোসেন সাঈদী, সেকান্দার শিকদার, মওলানা মোসলেহ উদ্দিন, দানেশ মোলা প্রমুখ। এ ছাড়াও সাঈদীকে একটি ঘরের আসবাবপত্র লুট করে নিয়ে যেতে দেখেছিলেন রুহুল আমীন।

রুহুল আমীন নবীন আরো জানান, সাইদী এবং তার সহযোগীরা তদানীন্তন ইপিআর সুবেদার আব্দুল আজিজ, পাড়ের হাট বন্দরের কৃষ্ণকান্ত সাহা, বাণীকান্ত সিকদার, তরুণীকান্ত সিকদার এবং আরো অনেককে ধরে নিয়ে গিয়ে হত্যা করেছেন। হরি সাধু এবং বিপদ সাহার মেয়ের ওপর নির্যাতন চালিয়েছেন। বিখ্যাত তালুকদার বাড়িতে লুটতরাজ করেছেন। ওই বাড়ি থেকে 20-25 জন মহিলাকে ধরে এনে পাকসেনাদের ক্যাম্পে পাঠিয়ে দিয়েছেন।

জনপ্রিয় ঔপন্যাসিক নাট্যকার হুমায়ূন আহমেদের পিতা ফয়জুর রহমান আহমেদের হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে দেলোয়ার হোসেন সাঈদী জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। শহীদের পুত্র কথাশিল্পী মুহম্মদ জাফর ইকবাল জানিয়েছেন, দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর সহযোগিতায় ফয়জুর রহমান আহমেদকে পাকিস্তানি সৈন্যরা হত্যা করে এবং হত্যার পরদিন সাঈদীর বাহিনী পিরোজপুরের ফয়জুর রহমান আহমেদের বাড়ি সম্পূর্ণ লুট করে নিয়ে যায়। (তথ্যসূত্র : মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি সংরক্ষণ কেন্দ্র)"



(কৃতজ্ঞতাঃ আড্ডাবাজ)

 

সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৫:৫৩ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৬:০২
সন্ধ্যাপ্রদীপ বলেছেন: আমার উপরেরটারে কিছু কাঠাল পাতা দেওয়া আবশ্যক । ++
৩. ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৬:১৭
এস্কিমো বলেছেন: এস্কিমো বলেছেন: ডিয়ার বলেছেন: লম্বা মনে হইলে মুইছা দিয়েন

Maulana Delawar Hossain Sayedee

Maulana Delawar Hossain Sayedee is a devoted soul whose only struggle is to disseminate the light of the Quran all over the world.....


সারা বিশ্বের সাইদী কোরানের আলো বিতরন করছে.............

দাদারে আদা পড়া খাওয়ানোর মতো আর কি?

শিবিরের পোলাপানগুলা কি সত্য্ই বিশ্বাস করে সাইদী একজন বড় আলেম।

লন্ডনে জামাতীদের দাওয়াত খাওয়া আ চাঁদা উঠানো ছাড়া তার আর কোথাও যাওয়ার যায়গা আছে কি?

নিউইয়র্কে ওর ছেলে জামাতের কর্মীর বউ নিয়ে ভেগেছে - সেখানে ভাত নেই।

কানাডায় এমপি হিসাবে এসে ওয়াজ করার চেষ্টা করলে পাবলিকে জুতা বর্ষনে সেই পুলিশের পাহারায় মাহফিল জামাতীদের কর্মী সভায় রূপ নেয়।

টরন্টোতে এসেছিলো - সেখানে মসজিদের বাইরে ছিলো ১০গুন লোক - ভিতরে জামাতীরা মুখ ঢেকে ঢুকছিলো. সেই ছবি এখনও জমা আছে।

আন্তর্জাতিক ওয়াজী..........হা হা হা।
৪. ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৬:২২
হরিসূধন বলেছেন:
একজন ভন্ড শয়তানের না এস্কিমো।
০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৬:৫১

লেখক বলেছেন: বাংলা ভাষাটাকি এতোই দূর্বল......

৫. ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৬:২৬
এস্কিমো বলেছেন: হ, মমতাজের গানের ক্যাসেটও পাওয়া যায়। তাই বলে মমতাজও আন্তর্জাতিক গায়িকা? :)
৬. ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৬:২৬
জেনারেল বলেছেন: এর এখনও ব্লক করেন নাই কেন?
০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৬:২৭

লেখক বলেছেন: না, একটা ছাগলের নাচ দেখি...:)

৭. ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৬:২৮
এস্কিমো বলেছেন: এস্কিমো বলেছেন: এইটা ঠিক। আপনার কাছে সাইদী একজন আন্তর্জাতিক (জামাতি) জ্ঞানী মানুষ।

আমি যে খোজ খবরটা দিলাম - টরন্টো, মন্ট্রিয়ল আর নিউইয়র্কের সেগুলো কি না জেনেই বললাম।

টাউটা যদি আবার কানাডায় একজন ওয়াজি হিসাবে আসতে পারে - তখন গিয়া ওয়াজ শুনে আসবো। সে এসেছিলো এমপি হিসাবে বাংলাদেশের সংসদীয় ব্যবস্থা উন্নয়নের একটা প্রজেক্টের আওতায়। সেই দলে স্পীকারসহ ১১জন ছিলো ( সব দলের)। টাউট এসে ওয়াজের চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়।

যদি কোনদিন একজন ওয়াজি হিসাবে কানাডার ভিসা পায় - তবে তাকে আমিও একজন আন্তর্জাতিক ইসলামী চিন্তাবিদ।

কুয়ার ব্যাঙের জ্ঞান দেখে মরে যাই। ইউটিউবের সার্টিফিকেট দিয়ে প্রমান করছে .....হা হা হা।
৮. ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৬:৩১
নরাধম বলেছেন: সাইদী'র চট্টগ্রামে সম্মেলনে কিভাবে হিন্দুদেরকে মুসলমান বানানো হয় সে ব্যাপারে আমার কাজিনের কাছ থেকে ফার্স্টহ্যান্ড এক্সপেরিয়েন্স পেয়েছিলাম। শুনলে অবাক হতে হয় দিনদুপুরে কিভাবে চিট করতেছে সেটা শুনে।
০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৬:৩২

লেখক বলেছেন: টাউটের দল..........

৯. ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৬:৩৬
নরাধম বলেছেন: ডিয়ার মিয়া ব্লগ একটু ঠান্ডা হলে সাইদী কিভাবে মুসলমান বানায় সেটা নিয়ে একটা পোস্ট দিব। ইসলামের খেদমত বের হয়ে যাবে। ভন্ডামী কাকে বলে সেটা সাইদীকে দেখলেই বুঝা যায়।
১০. ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৭:১৮
অনামিকা বলেছেন: একজন ধর্মব্যবসায়ী ও যুদ্ধাপরাধীর নাম - দেলোয়ার হেসেন সাইদী। এটাই মহা সত্য। কেউ চোখ বেধে নিজের শরীরের কোথায় হাত দিল ব্যাপার না। ভালো থাকুন।
১১. ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৭:২১
এস্কিমো বলেছেন: দুইটা পরিষ্কার প্রশ্ন ছিল:

১) মুফাসেরে কোরান মানে কি?
২) সাইদী কোরআনের ব্যাখ্যা দেবার যোগ্যতা পেল কিভাবে?

এই প্রশ্নের উত্তর জামাতিদের জানা নেই!

কুয়ার ব্যাঙ সব। আন্তর্জাতিক ইসলামী চিন্তাবিদ না বলে জামাতের তহবিলের আন্তর্জাতিক চাদাবাজ বললে ঠিক হতো।

রাজাকারের দল।
১২. ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৭:৩৫
জ্বিনের বাদশা বলেছেন: সাঈদিরে "তিনি", "করেছেন" বইলা এত সম্মান দেওয়ার দরকার নাই ... +++++
০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:২৪

লেখক বলেছেন: মনে ছিলো না :)

১৩. ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৭:৪৮
মদনবাবু বলেছেন:
যারা লন্ডনে বসে তিব্বত স্নো খুঁজে ...সাইদি হলো তাদের মাওলানা।


হা হা হা । এস্কিমো ভাই আপনে পারেনও । হা হা হা ।
১৪. ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৮:১৭
জামাতে পিছলামি বলেছেন: ভাইজান এতো খ্যাপলেন ক্যান ?

হুজুরে আগে তাবলীগ করতো ধর্মব্যাবসা ভালো করতো বলে ভালো পদ পদবি দিয়া জামাতে নিয়া আইছি ....।

অহনতো মাশাল্লা.....।
১৫. ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১০:০৬
আলম সাহেব বলেছেন: আইজকা রেগুলার জামাতি নিকের অনেকগুলা নিখুজ৷ উদিকে ডিয়ার, বালো এরা আচে৷ মিলায়া লন কে কুনটাঃ
- বুইড়া শাহরিয়ার
- সন্দাবতি
- উয়ামি
- ছাওন
১৬. ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১:০২
মিসকল মফিজ বলেছেন: শুয়োরের বাচ্চা, বেজন্মা সাঈদী আর তার দোসর জামাতী শিবির-রাজাকারগুলানের চামড়া ছিইল্যা লবন লাগাইয়া দেওন উচিত।

হারামজাদাগুলান অহনও জ্বালাইয়া খাইতাছে।
১৭. ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১:০৯
রাইফেল বলেছেন: আজ ডিয়ারের পিছনে গুড়া কৃমি মিছিল করতাছে। কিছু লাগবো মনে হয়।
১৮. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ২:০২
সিহাব চৌধুরী বলেছেন:
এদের মুখোশ এভাবেই খুলতে হবে ।
প্রিয়পোস্টে ।
১৯. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ২:২০
পুতুল বলেছেন: এমন একজন আল্লার খাস বান্দার দোষ-ত্রুটি ব্লগে হাজার হাজার পাঠকের সামনে তুলে ধরায়, অচিরেই আপনার উপর আল্লাহর গজব নাজিল হবে!
সুবাহানাল্লাহ। অস্তাগফিরুল্লাহ।
১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৯:৫৮

লেখক বলেছেন: ঠিক।

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৯২৬ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
I think free speech is free speech no matter what, even if it does promote hatred. We also have the...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ