আমার প্রিয় পোস্ট

যুদ্ধাপরাধীর বিচার ও জামায়াতের রাজনীতি নিষিদ্ধ করার দাবী করছি

গোলাম আজম ভাষা সৈনিক হিসাবে প্রচার - জামাতিদের ভন্ডামীর একটা নমুনা মাত্র।

০৭ ই জুন, ২০০৮ রাত ১২:০৩

শেয়ারঃ
0 0 0

৯০ এর আন্দোলনের পরপরই ঢাকার কিছু দেওয়ালে চিকা দেখা গেল - ভাষা সৈনিক অধ্যাপক গোলাম আজম..

ঘটনাটা কি?

যে কিনা বাঙ্গালী জাতি হিসাবে আমাদের জাতিকে মানতে নারাজ - সে ভাষার জন্যে সংগ্রাম করেছে, বিষযটা কেমন যেন পরষ্পর বিরোধী হয়ে গেল না?

আসলেই তাই। সেইদিন যখন স্বারকলিপি পাঠ করা ছাড়া আর কি কোন পথ খোলা ছিলো গোলামের জন্যে। যদি সে স্বারকলিপি পাঠ করতে অস্বীকার করতো তা হলে সাধারন ছাত্রদের হাতে কি পরিমান নাজেহাল হতো সেইটা উপলদ্ধি করেই সে মঞ্চে উঠেছিলে। মুসলিম লীগের সমর্থক আর উর্দুকে রাষ্ট্র ভাষা হিসাবে মনে প্রানে বিশ্বাস করতো গোলাম আজম। তাইতো সেইদিন স্বারকলিপি পাঠের পর তাকে পুরো ভাষা আন্দোলনে দেখা যায়নি।

তাই তাকে ভাষা আন্দোলনের দলত্যাগী বেঈমান হিসাবে দেখা গেছে পরবর্তীতে।

বটতলায় বাংলা ভাষার দাবীতে স্বারকলিপি পাঠ করার জন্যে যে কষ্ট পেয়েছে গোলাম আজম - তা পরবর্তীতে তার বহু বত্তৃতা বিবৃতি থেকে জানা যায়।

দৈনিক পাকিস্থানের ১৯শে জুন প্রকাশিত সংখ্যায় জানা দেখা যায় - (তখনো মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়নি)

"পশ্চিম পাকিস্তানের শুক্কুরে ১৮ই জুন (১৯৭০) এক সংবর্ধনা সভায় জামায়াত নেতা গোলাম আযম বলেন, উর্দু পাক ভারত উপমহাদেশের মুসলমানদের সাধারন ভাষা। তিনি বলেন, ৫২ সালে ভাষা আন্দোলনের সময় তিনিও তাতে অংশ নিয়েছিলেন। কিন্তু তা ভুল হয়েছিল।"

তখনকার পাকিস্তানে (বাংলাদেশ) বাংলা ভাষাকে সংগ্রাম আর রক্তের বিনিময়ে রাষ্ট্র ভাষা হিসাবে স্বীকৃতি আদায়ের পরও যে লোক উর্দুকে তার ভাষা মনে করে - তাকে ভাষা সৈনিক হিসাবে প্রচার সত্যই কৌতুকের জন্ম দেয়।

যারা ধর্ম নিয়ে ভন্ডামী করে সেই জামাতিদের পক্ষে সবাই সম্ভব - কারন জামায়ত একটা ভন্ড দল।

(সূত্র - বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস - ড. মোহাম্মদ হাননান পৃষ্ঠা ৩৯৯)

 

সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই জুন, ২০০৮ সকাল ১১:১৩ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০৭ ই জুন, ২০০৮ রাত ১২:০৫
রাতমজুর বলেছেন:
জামাত-শিবির-রাজাকার
এই মুহূর্তে বাঙলা ছাড়....
০৭ ই জুন, ২০০৮ রাত ১২:১৮

লেখক বলেছেন: বাংলা অভিধানে কি এর চেয়ে কঠিন শব্দ আছে? জানি না।

৩. ০৭ ই জুন, ২০০৮ রাত ১২:১০
হ্যারি সেলডন বলেছেন: এস্কিমোভাই, এভাবেই মুখোশ খুলতে থাকুন তাদের। অনেক ধন্যবাদ।
০৭ ই জুন, ২০০৮ রাত ১২:১৬

লেখক বলেছেন: হ্যারি

আপনার পোস্টটা দেখেছি :) গ্রেট জব!

৪. ০৭ ই জুন, ২০০৮ রাত ১২:১০
বুমবুম বলেছেন: গোআর এই অবদানের জন্য সারাদিনের মলমুত্র গোআর মুখমন্ডল বরাবর পেশ করা হইল।
৬. ০৭ ই জুন, ২০০৮ রাত ১২:১১
আহমাদ মোস্তফা কামাল বলেছেন: গোলাম আজমের নাগরিকত্ব মামলা নিয়ে কোনো লেখার লিংক দিতে পারেন?
০৭ ই জুন, ২০০৮ রাত ১২:১৯

লেখক বলেছেন: আপাতত এই লিংকটা দেখুন।

পরে একসময় বিস্তারিত জানাবো।

৭. ০৭ ই জুন, ২০০৮ রাত ১২:১৭
রিয়াজ শাহেদ বলেছেন: হ্যারি সেলডন বলেছেন: এস্কিমোভাই, এভাবেই মুখোশ খুলতে থাকুন তাদের। অনেক ধন্যবাদ।

ড. মোহাম্মদ হাননানের "হাজার বছরের বাংলাদেশ:ইতিহাসের অ্যালবাম" বইটা কি পড়েছেন জিয়া ভাই? প্রত্যেক ব্লগারকে বইটা পড়ার এবং পারলে সংগ্রহে রাখার অনুরোধ জানাই।

জিয়া ভাই, আপনার কি একটু সময় হবে আমার এই দুটি পোস্টে একটুখানি চোখ বুলাতে? Click This Link আর Click This Link
০৭ ই জুন, ২০০৮ রাত ১২:১৯

লেখক বলেছেন: বইটা কোথায় পাওয়া যায়? বিস্তারিত জানতে চাই।

অবশ্যই পড়বো। ধন্যবাদ।

৮. ০৭ ই জুন, ২০০৮ রাত ১২:১৮
মো. তারিক মাহমুদ বলেছেন: হালা.......... রাজাকারের বাচ্চা...
@এস্কিমো +
৯. ০৭ ই জুন, ২০০৮ রাত ১২:২০
জেনারেল বলেছেন: হাটে হাড়ি ভেংগে দেওয়ায় তেরবো প্রতিবাদ
০৭ ই জুন, ২০০৮ রাত ১২:২১

লেখক বলেছেন: এইটা হাড়ি না - হাড়ির ঢাকনা মাত্র :)

১০. ০৭ ই জুন, ২০০৮ রাত ১২:২০
মানুষ বলেছেন: গুলমে আজমের কোন পেয়ারা গেলমান মাইনাস দিল?
০৭ ই জুন, ২০০৮ রাত ১২:২৩

লেখক বলেছেন: একটা পাইছি

বাপের শালা মামু!

১১. ০৭ ই জুন, ২০০৮ রাত ১২:২০
এস্কিমো বলেছেন: হায়রে আমার কপাল ...পোস্ট দেওয়া মাত্রই দুইটা মাইনাস :)
০৭ ই জুন, ২০০৮ রাত ১২:২৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১৩. ০৭ ই জুন, ২০০৮ রাত ১২:২৭
আরিফ থেকে আনা বলেছেন: ভাল লাগল । এভাবেই মুখোশ খুলতে থাকুন তাদের।
১৪. ০৭ ই জুন, ২০০৮ রাত ১২:২৯
মাইনুল বলেছেন: এই ডকুমেন্টের কোন অথেন্টিসিটি নাই। তাই এটা নিয়ে এতলাফালাফি করে লাভ নাই। সাংবাদিক দের যে চরিত্র তারা মানুষের কথাকে চেইঞ্জ করে দিন কে রাত করে দিতে পারে। কিন্তু ইতিহাস তো কেউ বদলাতে পারবেনা। এটা ইতিহাসের পাতায় লেখা হয়ে গেছে যে ঢাকা ইউনিভার্সিটির জি এস হিসাবে গোলাম আজম জিন্নাহ কে স্নারক লিপি দিয়ে ভাষা আন্দোলনে অংশ গ্রহন করেন। এবং তিনি ৫২ সালে রংপুরে ভাষা আন্দোলনে জড়িত থাকার কারনে জেলে যান।

আর উনার মেইন পরিচয়, ভাষা সৈনিক নয়। উনার বড় পরিচয় উনি বিশ্ব ইসলামী আন্দোলনের নেতা।
০৭ ই জুন, ২০০৮ রাত ১২:৩১

লেখক বলেছেন: আপনার কান্না রেকর্ড করা হলো। :)

০৭ ই জুন, ২০০৮ রাত ১২:৩১

লেখক বলেছেন: তবে শেষে লাইনটা পড়ে হাসি এসে গেলে, স্যারি।

১৫. ০৭ ই জুন, ২০০৮ রাত ১২:৩৬
সবাক বলেছেন: যে ব্যক্তি কথায় কথায় "আপ" ক্যায়সে" জিন্দেগী" এধরণের শব্দের সমাহার ঘটান, তাকে যদি ভাষা সৈনিক বলি তবেতো মৃত্যুর পর তার কবর পাকিস্তানেই হওয়া উচিৎ। কারন যেলোক নিজ স্ত্রীকেও "আমি তোমাকে ভালোবাসি" কথাটা বলতে পারেনা, সে কি করে বাংলা প্রেমী হবে?

যারা গো:আযমকে ভাষা সৈনিক বলে তারা যেন "মা"-কে ডাকার সময় "ম"-এর উর্দু সংস্করণে ডাকে।
১৮. ০৭ ই জুন, ২০০৮ রাত ২:৩৮
সক্রেটিস বলেছেন: হেয় ভাষা সৈনিক হইতারে না, কারন হইল যে লুক ৭১ সহ সবসময় পাকিগো পক্ষে ছিল, সেই লুক ক্যমনে ৫২ তে পাকিদের বিপক্ষে আন্দোলন করে?
১৯. ০৭ ই জুন, ২০০৮ রাত ২:৪২
উন্মনা রহমান বলেছেন:
ভন্ডামির গোমর ফাক।
দরকার মত রং পাল্টিয়ে মানুষের সাথে মিশে যাওয়ার চেষ্টা করে জামাত।
অনেক দিন পার হলে তারা একটা একটা গল্প ছাড়ে আর এই আশা করে যে মানুষের পুরনো কথা কিছু মনে নাই, তথ্য প্রমাণও অবশিষ্ট নাই।
এই ফর্মূলাতেই তারা বলে ফেলছিল জামাতে যুদ্ধাপরাধী নাই। কিন্তু পরে বুঝছে, ভুল হৈছে, এই গল্প ছাড়ার টাইম এখনো হয় নাই। আরো ২০-৩০ বছর পরে বললে চ্যালেন্জ করার কেউ থাকবে না।
২১. ০৭ ই জুন, ২০০৮ ভোর ৫:০৮
আশরাফ মাহমুদ বলেছেন: আপনার লেখাগুলো ভালোই লেগে যায়...মন স্পর্শে সহজে বলে কি?
২২. ০৭ ই জুন, ২০০৮ ভোর ৫:৫০
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:

এই বিষয়ে আমাদের মাইনুল ওরফে ছাগনুল কি বলে ?

এস্কিমোদা, পোস্টে ৫২-এর জায়গায় ৬২ পড়ছে, একটু দেখেন ।
০৭ ই জুন, ২০০৮ সকাল ১১:০৪

লেখক বলেছেন: :)

২৩. ০৭ ই জুন, ২০০৮ ভোর ৬:১৩
শরীফ ফখরুজ্ জামান বলেছেন: গোলাম আযম নিজের ব্যক্তি জীবনেই ইসলাম প্রতিষ্ঠা করতে পারে নাই। এ লোক নাকি ইসলাম নিয়ে রাজনীতি করে। আর বাংলাদেশের মানুষ ও জামাতীদের ভোট দেয়। কাকে দোষ দেই। কিছু কুকুর যারা মুখটা মুখোষের আড়ালে রেখে ইসলাম নিয়ে ভন্ডামি করে। আর কিছু মূর্খের দল এদের পিছে পিছে দৌড়ায়।

(*) জামাত ই ইসলামী বর্জন করুন ---- (**) দূ্র্ণীতিবাজদের ভোট দানে বিরত থাকুন।
০৭ ই জুন, ২০০৮ সকাল ১১:০৩

লেখক বলেছেন: ঠিক।

২৪. ০৭ ই জুন, ২০০৮ সকাল ১১:৪৬
রবিউলকরিম বলেছেন: আমি একবার ভাষা সৈনিক গাজিউল হককে প্রশ্ন করেছিলাম, গোলাম আযম সত্যি সত্যি ভাষা সৈনিক ছিল কিনা? উনি প্রশ্নটি বেশ কবার এড়িয়ে যান। একদিন একান্ত আপনে আবার প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু আমাদের জেলখানা থেকে নির্দেশ পঠিয়েছিলেন যে ভাষা আন্দোলনকে বেগবান করার জন্য। েতা আমরা কয়েকটা দলে উপদলে বিভিক্ত হয়ে কেউ চিকা, কেউ পোস্টার মারতে যাই রাতের আঁধারে। উনি বর্তমানে যেখানে সিটি কর্পোরেশন সেখানে দেয়ালে পোস্টার মারতে গিয়ে গ্রেফতার হন। তার কার্যকালাপ শুধু ভাষা আন্দোলন নিয়ে এটুকুই। পরে আর তিনি এসবে জড়ান নি।
সত্যাসত্য কতটুকু কে জানে। আরো ভাষা সৈনিকদের কাছ থেকে হয়ত জানা যাবে যদি তারা সত্যিই মুখ খোলে।
২৫. ০৭ ই জুন, ২০০৮ দুপুর ১:০৮
রিয়াজ শাহেদ বলেছেন: রবিউল করিম ভাইয়ের মন্তব্যটা ভাবাচ্ছে।

ড. মোহাম্মদ হাননানের "হাজার বছরের বাংলাদেশ:ইতিহাসের অ্যালবাম" বইটা প্রকাশ করেছে সাহিত্যপ্রকাশ, কানাডায় পাওয়া যাবে কিনা তা তো জানিনা, তবে বাংলাদেশে অ্যাভেইলেবল। বইটা আসলে একটা ফটো অ্যালবাম, সেই মহেঞ্জোদারো-হরপ্পা থেকে শুরু করে ১৯৯৬ পর্যন্ত প্রতিটা উল্লেখযোগ্য ঘটনার সচিত্র বিবরণ পাবেন আপনি বইটায়। প্রচুর দুর্লভ ছবি রয়েছে, যেগুলো হয়তো আমরা কখনো দেখিনি, কিন্তু দেখা দরকার।

 

মোট সময় লেগেছে ২.১২৬৯ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
I think free speech is free speech no matter what, even if it does promote hatred. We also have the...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ