আমার প্রিয় পোস্ট

যুদ্ধাপরাধীর বিচার ও জামায়াতের রাজনীতি নিষিদ্ধ করার দাবী করছি

গোলাম আজমের ভাষা সৈনিকগিরি আর তেলাপোকার জীবন বৃত্তান্ত

২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৫৮

শেয়ারঃ
0 14 0

তেলাপোকা সম্পর্ক যতটুকু জানা যায় - ৩৫০ মিলিয়ন বছরের পুরানো ফসিল পাওয়া গেছে তেলাপোকার - যা বিবর্তনকে এড়িয়ে নিজেদের অবিকৃত রেখেছে। পরিবেশের সাথে নিজেদের খাপ খাইয়ে নিতে তেলাপোকার যে দক্ষতা - বাংলাদেশে জামাত শিবির তাদের টিকে থাকার দক্ষতা প্রায় সমপর্যায়ে নিয়ে গেছে বলে এরাও টিকে আছে।

যেমন একটা ঘটনা দেখা যেতে পারে। ভাষা আন্দোলনে ঘটনাচক্রে গোলাম আজম নামক কুখ্যাত যুদ্ধাপরাধী ঘোষনাপত্র পাঠ করেছিলো। সেই কারনে ওর আক্ষেপের শেষ ছিলো না। বারবার বাংলা ভাষার পক্ষে একবারের একটু সময়ের অবস্থানের জন্যে দুঃখিত হয়েছে এই মৌদুদীবাদী।

কিন্তু আজকাল যেহেতু বাংলাভাষা প্রতিষ্ঠিত - বাংলাদেশ একটা বাস্তবতা। তাই গোলামের চামচারা নেমে পড়েছে নিজেদের গ্রহযোগ্যতা বাড়ানোর সর্বেশেষ খড়কুটা ধরে বেঁচে থাকার চেষ্টায়।

৩০ লক্ষ মানুষের হত্যার সহযোগী আর ২ লক্ষ মায়ের সন্মান হারানোর সহায়তা কারী জামাতি গোলাম আজমকে ভাষা সৈনিক হিসাবে প্রচার করা চেষ্টা আমাদের ভাষা আন্দোলনের প্রতি অপমানজনক।

২০০৮ সালে ভাষা সৈনিক আব্দুল মতিন সুস্পষ্ঠ ভাষায় ভাষা আন্দোলনে গোলাম আযমের অসম্পৃত্ততার কথা জানিয়েছেন।

এ ছাড়াও ভাষা হিসাবে বাংলাকে সমর্থনের বিষয়ে গোলাম আজমের নিজের অবস্থাটাও এখানে গুরুত্বপূর্ন। যে কিনা বাঙ্গালী জাতি হিসাবে আমাদের জাতিকে মানতে নারাজ - সে ভাষার জন্যে সংগ্রাম করেছে, বিষযটা কেমন যেন পরষ্পর বিরোধী হয়ে গেল না?

আসলেই তাই। সেইদিন যখন স্বারকলিপি পাঠ করা ছাড়া আর কি কোন পথ খোলা ছিলো গোলামের জন্যে। যদি সে স্বারকলিপি পাঠ করতে অস্বীকার করতো তা হলে সাধারন ছাত্রদের হাতে কি পরিমান নাজেহাল হতো সেইটা উপলদ্ধি করেই সে মঞ্চে উঠেছিলে। মুসলিম লীগের সমর্থক আর উর্দুকে রাষ্ট্র ভাষা হিসাবে মনে প্রানে বিশ্বাস করতো গোলাম আজম। তাইতো সেইদিন স্বারকলিপি পাঠের পর তাকে পুরো ভাষা আন্দোলনে দেখা যায়নি।

তাই তাকে ভাষা আন্দোলনের দলত্যাগী বেঈমান হিসাবে দেখা গেছে পরবর্তীতে।

বটতলায় বাংলা ভাষার দাবীতে স্বারকলিপি পাঠ করার জন্যে যে কষ্ট পেয়েছে গোলাম আজম - তা পরবর্তীতে তার বহু বত্তৃতা বিবৃতি থেকে জানা যায়।


দৈনিক পাকিস্থানের ১৯শে জুন প্রকাশিত সংখ্যায় জানা দেখা যায় - (তখনো মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়নি)

"পশ্চিম পাকিস্তানের শুক্কুরে ১৮ই জুন (১৯৭০) এক সংবর্ধনা সভায় জামায়াত নেতা গোলাম আযম বলেন, উর্দু পাক ভারত উপমহাদেশের মুসলমানদের সাধারন ভাষা। তিনি বলেন, ৫২ সালে ভাষা আন্দোলনের সময় তিনিও তাতে অংশ নিয়েছিলেন। কিন্তু তা ভুল হয়েছিল।"

তখনকার পাকিস্তানে (বাংলাদেশ) বাংলা ভাষাকে সংগ্রাম আর রক্তের বিনিময়ে রাষ্ট্র ভাষা হিসাবে স্বীকৃতি আদায়ের পরও যে লোক উর্দুকে তার ভাষা মনে করে - তাকে ভাষা সৈনিক হিসাবে প্রচার সত্যই কৌতুকের জন্ম দেয়।

যারা ধর্ম নিয়ে ভন্ডামী করে সেই জামাতিদের পক্ষে সবাই সম্ভব - কারন জামায়ত একটা ভন্ড দল।

(সূত্র - বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস - ড. মোহাম্মদ হাননান পৃষ্ঠা ৩৯৯)

 

প্রকাশ করা হয়েছে: বাজাই  বিভাগে । বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:০৪
বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলেছেন: +। প্রচন্ড ইগোই গো. আযম কে কলংকিত করল। যা একবার মুখ দিয়ে বলে তা ভুল ও অপরাধ হলেও এই ব্যাক্তি মানতে নারাজ।
২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:১০

লেখক বলেছেন: আপসোস :)

২. ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:১১
বীরবাহাদুর বলেছেন: গোলাম আজম ভাষা সৈনিক ছিলেন এটাই বিরোধীদের জন্য অর্ন্তজালা
২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৪৩

লেখক বলেছেন: হু, গোলাম আজম আর কি কি ছিলেন হে?

৩. ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:১১
সামী মিয়াদাদ বলেছেন: ঝাঝা...কঠিনতম ঝাঝা...এখন দেখি কি কয় এইখানকার গোআর পা'চাটাগুলা
৪. ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:১৪
সামী মিয়াদাদ বলেছেন: বীরবাহাদুর....তোমার গোআ কি কইছেন উপরে একটু চোখ বুলাইয়া দেখ....তারপর হেস্কি তোল...যাও তার পা চাটো গিয়া তেলতেলা জিহ্বা দিয়া।


এস্কিমোদা আমার কাছে যে বইটা আছে তাতে কথাটা আছে ৪৩৩ পৃষ্টায়। এইটা কি সংস্করন সমস্যা নাকি? বুঝলাম না?
২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৪৪

লেখক বলেছেন: আমারটা মনে হয় পুরানো সংস্করন। আপনারটা কত সংস্কারন।

৫. ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:১৫
~স্বপ্নজয়~ বলেছেন: জটিল জিনিস দিছেন ভাই ;) প্রমাণ হইয়া গেলো গো আ'র ভাষা সৈনিক হওনের কিচ্ছা :D
২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৪১

লেখক বলেছেন: :)

৭. ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:১৯
মুকুল বলেছেন: বেশ্যাও একসময় সতী থাকে। কথাটা গোআ সম্পর্কে বলছিলেন শওকত ওসমান। ;)
২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৪২

লেখক বলেছেন: মুকুল কি এখনও জেনারেল?

৮. ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:২২
হাসান বায়েজীদ বলেছেন: ভাষার আন্দোলনের শুরুর দিকে (১৯৪৭ এ) ছিলেন ডাকসুর তৎকালীন জেনারেল সেক্রেটারী। তার দায়িত্ত্ব-কর্তব্যের মধ্যে পড়তো ভাষা আন্দোলনকে এগিয়ে নেয়া। আমার এক আংকেলের (উনি সমসাময়িক কালে ঢাবির ছাত্র ছিলেন) কাছে শুনেছি , কিছুদিন পাকিস্তানের অন্যতম ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেয়ার পক্ষে বলেছেনও। কিন্তু বাস্তবে, এটা স্বায়ত্ত্বশাসনের দিকে যেতে পারে টের পেয়ে সটকে পড়েন আযম সাহেব। সে আসলে আগাগোড়াই দোটানার মধ্যে ছিলো, কারন তৎকালীন পূর্ব বাংলায় জাতীয়তাবাদের উত্থান বছর হিসেবে ১৯৪৮কেই ধরা হয়। ভাষা আন্দোলনে আদৌ শরীক ছিলো সে এমন কোনো দলিল বোধয় নেই। সবচে বড় কথা, এখনো পর্যন্ত রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে ভাষা দিবস পালনের কোনো আনুষ্ঠানিকতায় যোগ দেয়নি এই রাজাকার-প্রধান। তার ভাষা আন্দোলন পুরোটাই একটা বিভ্রান্তি বা ভাওতা ছাড়া কিছু নয়।
৯. ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:২৩
বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলেছেন: জিয়া ভাই আফসোসের কথা উঠল কেন?
২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৪৫

লেখক বলেছেন: একটা আপাদমস্তক শয়তানকে আপনি বলছেন ইগোর কারনে সমস্যা। তাই আফসোস।

১০. ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:২৩
ক্যামেরাম্যান বলেছেন: ডাকসুর ভিপি (নাকি জিএস) হিসেবে তাকে সেদিন বাধ্য করা হয়েছিল সেটা পাঠ করতে। আর এখন সেটা নিয়েই তাদের গর্বের (?) অন্ত নাই। জামাতে ইসলামী ধর্মে মিথ্যা বলা জায়েজ মনে হয়।
১১. ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:২৭
ফালতু মিয়া বলেছেন: বেশ্যাও একসময় সতী থাকে। কথাটা গোআ সম্পর্কে বলছিলেন শওকত ওসমান। হাই, নাস্তিকের আবার ধর্ম কি? ধর্ম .........
১২. ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:২৮
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: প্রিয়তে, এইটা বান্ধাইয়া সংগ্রাম আর নয়া দিগন্তে মেইল করা যায়?
২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৪৬

লেখক বলেছেন: এই ব্লগে নয়া দিগন্তের লোকজন আছে শুনছি।

১৩. ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:২৮
সামী মিয়াদাদ বলেছেন: ক্যামেরাম্যান ভাইয়া....গোআ জি.এস আছিলো...নিজেই সে সেইটা তার আত্মজীবনীতে বলছে। তার লেখা পড়লেই বুঝা যায় যে সে সেদিন কত অসহায় ছিলো। কারন ঐ সময়ের ভিপি হিন্দু ছিলেন। পরিস্হিতির শিকার হয়ে গোআ ঐটা পাঠ করেছিলো। সেই স্বীকৃতিটুকু সে হয়তো পাইতো কিন্তু পরে খবরের কাগজে তার এহেন বানীতে আগের সব কামই নাকচ হইয়া যায়।

যা গোআ, তুই তোর ভুলের লগে সন্গম কর গিয়া যা

আশা করি গোআ'র পা'চাটা গুলা সেইগুলা বুঝতে পারবো।
১৪. ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৩৪
বৃত্তবন্দী বলেছেন: জামাতীগো মুখে ফাটাফাটি একটা থুথু মারছেন...
১৫. ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৩৭
একরামুল হক শামীম বলেছেন: দারুন তথ্যপ্রমাণ।

প্রাসঙ্গিক কিছু বিষয় যোগ করি-

১৯৪৮ সালের নভেম্বর মাসে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী লিয়াকত আলী খান পূর্ব পাকিস্তান সফরে আসেন। ২৭ নভেম্বর তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের এক সমাবেশে ভাষণ দেন। সেখানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ইউনিয়নের পক্ষ থেকে তাকে একটি মানপত্র দিয়ে তাতে বাংলা ভাষাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করার দাবি জানানো হয়। এ মানপত্রটি পাঠ করেন ইউনিয়নের তৎকালীন সেক্রেটারি গোলাম আযম। আসলে এটি পাঠ করার কথা ছিল ইউনিয়নের ভাইস প্রেসিডেন্ট অরবিন্দ বোসের। কিন্তু লিয়াকত আলীকে ভাষা আন্দোলনের দাবি সংবলিত মানপত্র পাঠ একজন হিন্দু ছাত্রকে দিয়ে করালে তার মনে বিরূপ প্রতিক্রিয়া হবে এবং মুসলিম লীগ সরকার এ নিয়ে নানা প্রকার বিরূপ প্রচার শুরু করবে-এ আশংকা থেকেই একজন মুসলমান ছাত্র হিসেবে সেক্রেটারি গোলাম আযমকে সেটা পাঠ করতে দেয়া হয়েছিল। এই হল ভাষা আন্দোলনে গোলাম আযমের ‘বিরাট’ ভূমিকা।

পাকিস্তানি আমলে ১৯৭০ সালের জুন মাসে, পশ্চিম পাকিস্তানের শুক্কুর শহরে এক বক্তৃতা প্রসঙ্গে এই জামায়াত নেতা ‘খোদার সেরা দান’ বাংলা ভাষা ও ভাষা আন্দোলনের বিরোধিতা করতে গিয়ে বলেন, ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন এক মারাÍক রাজনৈতিক ভুল এবং তিনি নিজে এই আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত থাকার জন্য দুঃখিত। গোলাম আযম ভাষা আন্দোলনের বিরুদ্ধে বিষোদগার করতে গিয়ে বলেন, উর্দু হচ্ছে এমন একটা ভাষা যার মাধ্যমে ইসলামী শিার উপযুক্ত প্রচার ও প্রসার সম্ভব। কারণ ‘উর্দু পাক-ভারতীয় উপমহাদেশের মুসলমানদের সাধারণ ভাষা এবং এতে তাদের সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় সম্পদ সংরতি রয়েছে।’ নিজের ভ্রান্ত ভূমিকা সম্পর্কে খেদোক্তি করতে গিয়ে গোলাম আযম আরও বলেন, বাংলা ভাষা আন্দোলন পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার দৃষ্টিকোণ থেকে মোটেই সঠিক কাজ হয়নি। (দৈনিক আজাদ, ২০ জুন, ১৯৭০)

সূত্র : ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে জামায়াতে ইসলামীর ভেলকিবাজি - ব দ রু দ্দী ন উ ম র
২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৪০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১৬. ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৪১
আমি রোদের ছেলে বলেছেন:
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: প্রিয়তে, এইটা বান্ধাইয়া সংগ্রাম আর নয়া দিগন্তে মেইল করা যায়?
১৭. ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৪৮
সামী মিয়াদাদ বলেছেন: ওহ...আমারটা কলকাতা সংস্করন...প্রথমে খেয়াল করিনাই।
১৮. ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৫৩
বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলেছেন: শ্রদ্ধেয় জিয়া ভাই, আজাযিল ছিল ইবলিশের পূর্ব নাম। সে বিশ্ব ব্রামান্ডের এমন কোন জায়গা বাদ নাই যেখান থেকে সে আল্লাহ কে সেজদা করেনি। কিন্তু আদম (আঃ) কে সৃষ্টি করলে সে তাকে সে তাকে সেজদা না করে আল্লাহর নির্দেশ অমান্য করে। আজাযিল বলেছিল আমি আগুনের সৃষ্টি আপনার (আল্লাহর) আদম মৃত্তিকার সৃষ্টি কে সেজদা করার পাত্র আমি নই। বস্তুত এই অহংকার বা ইগোর কারণেই সে আল্লাহর কাছে অভিশপ্ত শয়তানে পরিণত হয়। বুঝাতে পেরেছি কি?
১৯. ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৫৩
আবু আব্দুল্লাহ মামুন বলেছেন: অনেকে তো ৭১ পরে জন্ম হয়েও আলীগ করার কারণে মুক্তিযোদ্ধা হন। তাহলে ওনি নিজে স্মারক লিপি পাঠ করে ভাষা সিনিক হবেন না কেন..? সত্যকে মেনে স্বীকার করা। উচিত। আর আমি শুনেঠি ওনি ১৯৫৫ সালে জামাতে ইসলামীতে যোগ দিয়েছেন। এর পূর্বে ওনি তাবলীগ জামাত করতেন।
২০. ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:০৯
প্রচ্ছদ বলেছেন: যারা ধর্ম নিয়ে ভন্ডামী করে সেই জামাতিদের পক্ষে সবাই সম্ভব - কারন জামায়ত একটা ভন্ড দল।+++
২১. ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:১২
প্রচ্ছদ বলেছেন: "পশ্চিম পাকিস্তানের শুক্কুরে ১৮ই জুন (১৯৭০) এক সংবর্ধনা সভায় জামায়াত নেতা গোলাম আযম বলেন, উর্দু পাক ভারত উপমহাদেশের মুসলমানদের সাধারন ভাষা। তিনি বলেন, ৫২ সালে ভাষা আন্দোলনের সময় তিনিও তাতে অংশ নিয়েছিলেন। কিন্তু তা ভুল হয়েছিল।"

এ ব্যপারে আপনার মতামত কী?@আবু আব্দুল্লাহ মামুন ছাহেব
২২. ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:২৪
সিউল রায়হান বলেছেন: রংপুরে ভাষা আন্দোলনের নেতা ছিলেন যিনি তার নামটাও সম্ভবত গোলাম আযম.........

পোস্টের টাইটেলটা দেখে মনে হল, একই নামের ২জন মানুষ.......

একজন স্মরণীয় আরেকজন সারমেয় .......

বিচিত্র এই দেশ.....
২৩. ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:২৮
সিউল রায়হান বলেছেন: + দিতে ভুলে গিয়েছিলাম........ এখন দিলাম.........

জামাত-শিবিরের বেতনভুক্ত ব্লগাররা এখন এই অকাট্য প্রমাণের পোস্টে মাইনাস দেয়নি দেখে অবাক লাগলো......

শেয়ার করার জন্যে ধন্যবাদ....... ফেভারিট করলাম

২৪. ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:২৮
সিউল রায়হান বলেছেন: + দিতে ভুলে গিয়েছিলাম........ এখন দিলাম.........

জামাত-শিবিরের বেতনভুক্ত ব্লগাররা এখন এই অকাট্য প্রমাণের পোস্টে মাইনাস দেয়নি দেখে অবাক লাগলো......

শেয়ার করার জন্যে ধন্যবাদ....... ফেভারিট করলাম

২৫. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:২০
পুরানপাগল বলেছেন: গোআ আর ওগো পা চাটা কুকুর ছানাদের মুখে জুতার বারি আর পাছায় গদাম লাত্থি।
২৬. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৩৭
নরাধম বলেছেন: প্রিয়তে। অনেক ধন্যবাদ এস্কিমোভাই।
২৭. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৪৫
নরাধম বলেছেন:



গোআ ঢাবি'র বির্বাচিত জিএসও ছিলনা। নিচে দেখুন।

Click This Link



২৮. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৪৮
বিবর্তনবাদী বলেছেন: তথ্য সমৃদ্ধ পোস্ট। আজকের দিনের জন্য সবচাইতে দরকারি।

++++++++++++++++++++++++
২৯. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৫৬
নাজনীন খলিল বলেছেন:
সরাসরি প্রিয়তে।
২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:৫৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৩০. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৪:৫৫
অচেনা সৈকত বলেছেন: প্রিয়তে রাখলাম।
৩২. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৬:৩৬
ৃনৃটৃসড বলেছেন: গো আ যদি আজানকে বেশ্যার ডাক বলতো আমার মনে হয় তার নামেও একুশে পদক হতো
৩৩. ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:০০
সুবিদ্ বলেছেন: দারুণ একটা ব্যাপার জানলাম.......
৩৪. ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ৮:৪৩
কালিদাস কবিয়াল বলেছেন:
''যারা ধর্ম নিয়ে ভন্ডামী করে সেই জামাতিদের পক্ষে সবাই সম্ভব - কারন জামায়ত একটা ভন্ড দল।''

পোস্ট লাল স্যলুট।
৩৬. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:০৪
হাসান শহীদ ফেরদৌস বলেছেন: @আবু আব্দুল্লাহ মামুন বলেছেন: জ্বি, উনি "ভাষা সিনিক"

 

মোট সময় লেগেছে ১.০২৫৪ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
I think free speech is free speech no matter what, even if it does promote hatred. We also have the...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ