কৃষক-শ্রমিক-জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বলেছেন, আগামী নির্বাচনে জয়লাভ করতেই সংবিধানে বিসমিল্লাহ, রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বহাল রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে। নির্বাচনী ইশতেহারে না থাকলেও সংবিধানে বিসমিল্লাহ, রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম রাখার এ সিদ্ধান্ত নিয়ে আওয়ামী নেতৃত্বাধীন মহাজোট জনগণের সঙ্গে প্রতারণার আশ্রয় নিয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। আজ শুক্রবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে যুদ্ধাপরাধ ও সাম্প্রতিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট শীর্ষক এক আলোচনায় তিনি এ কথা বলেন।
কাদের সিদ্দিকী বলেন, রাষ্ট্রের যদি নির্যাতনের স্বভাব হয়ে যায় তবে তার হাত থেকে কেউ রক্ষা পাবে না। কলেজ ছাত্র লিমনও পায়নি। লিমনকে পঙ্গু করে কারাগারে পাঠিয়ে যেভাবে নির্যাতন করা হয়েছে তা অমানবিক।
তিনি বলেন, দেশের বিচার ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট ও জজ কোর্ট মিশে একাকার হয়ে গেছে। কাগজ-কলমে শুধু স্বাধীন বিচার বিভাগ থাকলে হবে না বাস্তবেও থাকতে হবে।
কাদের সিদ্দিকী বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানকে আমেরিকার ভাড়াটিয়া ও বাংলাদেশি কুচক্রীরা হত্যা করেছে। ওসামা বিন লাদেন ও বঙ্গবন্ধুর হত্যার মধ্যে কোন পার্থক্য নেই। আমেরিকার যুদ্ধাপরাধের বিচার নিয়ে কথা বলার কোন অধিকার নেই। নিরস্ত্র লাদেনকে হত্যা করে তারা এ অধিকার হারিয়েছে।
তিনি আরো বলেন, বঙ্গবন্ধু যুদ্ধাপরাধীদের ক্ষমা করেননি। তার সে অধিকার ছিল না। সে সময় ঘরবাড়ি পোড়ানো হয়েছে। মানুষ হত্যা করা হয়েছে। এসব অভিযোগে ভুক্তভোগীরা যে কোন সময় মামলা করতে পারে। এটা মানবতা বিরোধী অপরাধ। এ অপরাধ কেউ ক্ষমা করতে পারে না।
তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের সমর্থন নির্বাচনের সময়ের চেয়ে অনেক গুণ কমেছে। সরকার কোন একটি গ্রামের ২ জনকে চাকরি দিতে পারেনি। বর্তমানে দুর্নীতি বেড়েছে। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে মানুষ দিশেহারা। হাজারো প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় এলেও সরকার কিছুই পূরণ করছে না।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




