প্রেম করে বিয়ে না করায় প্রেমিকার হাতে লাঞ্ছিত হয়েছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষক। গতকাল শনিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে এ ঘটনা ঘটেছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ওই শিক্ষকের বাড়ি পাবনার চাটমোহর উপজেলায়। ২০১০ সালে প্রভাষক হিসেবে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগ দেন। এর আগে তিনি একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন। মেয়েটির বাড়ি একই জেলার ঈশ্বরদী উপজেলায়। তিনি পাবনা এডওয়ার্ড কলেজের (সম্মান) শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী। প্রায় ছয় বছর ধরে তাঁরা প্রেম করেন। শুরু থেকেই মেয়েটিকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে আসছিলেন ওই শিক্ষক। কিন্তু তিনি আকস্মিক গত ১৩ মে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষকের মেয়েকে বিয়ে করেন।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিষয়টি জানার পর মেয়েটি ক্ষুব্ধ হয়ে একাধিকবার ওই শিক্ষকের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেন। কিন্তু শিক্ষক কৌশলে তাঁকে এড়িয়ে যান। অনন্যোপায় হয়ে গতকাল সকাল থেকে মেয়েটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে অবস্থান নেন। তিনি মুঠোফোনে ওই শিক্ষককে ডেকে আনেন। দুপুর ১২টার দিকে ওই শিক্ষক প্রধান ফটকের কাছে এলে মেয়েটি জাপটে ধরেন এবং শিক্ষককে তাঁকে বিয়ে করতে বলেন। এতে রাজি না হলে মেয়েটি ওই শিক্ষককে মারধর শুরু করেন। এ সময় ফটকে কর্তব্যরত পুলিশ ও প্রহরীরা ছুটে গিয়ে মেয়েটিকে শান্ত করেন এবং তাঁদের বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর দপ্তরে নিয়ে যান।
জানতে চাইলে ওই শিক্ষক বলেন, ‘এক বন্ধুর মাধ্যমে মেয়েটির সঙ্গে তাঁর প্রথম পরিচয় ঘটে। মাঝেমধ্যে তাঁর সঙ্গে মুঠোফানে কথা হতো। এর বাইরে তাঁর সঙ্গে আমার অন্য কোনো সম্পর্ক নেই।’
অপরদিকে মেয়েটি বলেন, ‘বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ছয় বছর ধরে ওই শিক্ষক তাঁর সঙ্গে প্রেম করেছেন। কিন্তু এখন অন্য একটি মেয়েকে বিয়ে করেছেন। এর বিচার দাবি করছি।’
যোগাযোগ করা হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর চৌধুরী মোহাম্মদ জাকারিয়া জানান, ওই শিক্ষক ও মেয়েটির অভিভাবকদের সঙ্গে আলোচনা করে এবং তদন্ত শেষে এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
দেশে সকল বিশ্ব বিদ্যালয়ে ছাত্রী পৃতি ভয়াবহ আকারে বদ্ধি পাচ্ছে এর থেকে বাচার উপায় কি........বলতে পারেন????

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

