বিষয়টি নিক ফ্লাডিং।
আমি যতোদুর বুঝি, একজনের বহু নিকে রেজিষ্ট্রেশন এবং তা থেকে ব্লগিং। এটা নিয়ে অনেক আলোচনা-সমালোচনা ইতিপূর্বে হয়েছে। সচেতন ব্লগারদের স্পেয়ার নিক তাকবে না এটা হতেই পারেনা। অনেক পোষ্টেই দেখা যায়,মতামত নিয়ে পাল্টাপাল্টি বা মুখোমুখি দুই পক্ষ একে অন্যকে দুয়ো ধ্বনি দেয়। নিকের অপব্যবহারের অভিযোগ তুলে। এর কিছু উদাহরন:
সাহস থাকলে আসল নিকে আসো
নিজের নিকে আসতে কি ভয় লাগে?
কবর থিক্যা নিক উইঠ্যা আইতাছে
ইত্যাদি।
কথা হলো বহু নিকের অধিকারী হওয়ার সুবিধা অসুবিধা দুই-ই আছে। একে তো কাওকে গালিগালাজ করতে হলে এসব নিক হাতিয়ার জহসেবে ব্যবহার্য। ইচ্ছেমতো গালিগালাজ করা যায়, চাই কি ব্যান খাওয়ার চান্স থাকলেও সমস্যা নেই। কারন আরো নিক তো আছেই। হয়তো সুশীল কোনো ব্লগার, যিনি গালিগালাযের বিপক্ষে, কোনো বিষয়ে তারও গালি দিতে ইচ্ছে হলো, তিনি এধরেনর স্পেয়ার নিকের আশ্রয় নিতে পারেন। যেকোন সময় ব্যান, কিংবা ষ্ট্যাটাস ডিগ্রেডেশন যেমন: ওয়াচ, জিনাঢ়েল ইত্যাদি ক্ষেত্রেও স্পেয়ার নিকগুলো কবর থেকে উঠে আসার মতো কাজের।
যাই হোক, ত্রিভূজ নামের জনৈক ব্লগার নাকি একহাজার নিক খোলারও হুমকি দিয়েছিলেন একদা। তার এই হুমকি থেকে প্রমানিত হয়, নিজের হিট বাড়ানোর জন্যে এতোগুলো নিক কাজে লাগানোর কৌশল হিসেবে চলতে পারে আবার কারো সাথে লাগতে এলে নিজস্ব গ্যাঙ্গ না থাকার দরুন নিজস্ব নিক গুলো থেকে পাল্টা আক্রমন চালানো যেতে পারে।
প্রশ্ন হলো: যে যেই কারনেই এতো নিক খুলেন না কেন, তাদের দুটি গুরুত্ত্বপূর্ন পূর্বশর্ত পূরন করতেই হয়। যার একটি হলো অবশ্যই মোবাইল নাম্বার এবং ইমেইল এড্রেস। যিনি যতগুলো নিক খুলতে চান, তার ততোগুলো ইমেইল আইডি থাকা চাই। এগুলো মেইন্টেন করাও তো এক ঝক্কির ব্যাপার। এতোগুলো নিক এবং ইমেইলের ইউজার ও পাসওয়ার্ড মনে রাখা তো শক্ত। সবার তো আর ত্রিভূজের মতো মাথা নেই। আর ত্রিভূজের ক্ষেত্রেও বিষয়টা অবশ্যই জটিলস্ব। সেই বিবেচনা মাথায় রেখে সমস্যার সুরাহা কল্পে কিছু একটা করা দরকার। তেমন কোনো উপায় যেহেতু নেই---তাই দুয়েকটা উপায় উপস্থাপন করার আর্জি পেশ করছি।
নিম্নোক্ত উপায়ে একজন ব্লগার স্পেয়ার নিকের ইউজার ও ইমেইলে ইউজার পাসওয়ার্ড সংক্রান্ত তথ্য মনে রাখতে পারেন।
# গজনী ষ্টাইল:
সাড়া জাগানো বলিউড ছবি গজনী যারা দেখেছেন, তাদের অবশ্য পুরোটা বাৎলে না দিলেও চলে। বুকে, হাতে, শরীরের সবখানে উউজার পাসওয়ার্ড সংক্রান্ত তথ্য লিখে রাখতে পারেন। এছাড়াও একটি জ্যাকেট থাকবে, যার ভেতরের চারপাচটে পকেটে ডায়েরী, কাগজে লেখা থাকবে নিক ও ইমি্ইল তথ্যাদি। প্রয়োজনে হাৎরালেই কাছে পাওয়া যাবে তা।
# কম্পিউটারের পাশে লিষ্ট আকারে ঝুলিয়ে রাখা যেতে পারে।
# ছড়া বা কোবতে রচনা করে মুখস্থ করা যেতে পারে। (যেমন বরিশ্যাইল্যা ঝারু বর, গোনাতে পটু পিড়িতে ভোলা: এই ছড়ায় বিরশাল বিভাগের সবগুলো জেলার নাম আছে)
আরো কোনে উপায় কারো মাথায় আসলে প্লিজ এখানে জানান।
পরামর্শ-১/(ভাঙ্গা পেন্সিল বলেছেন
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৩৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



