somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

যুদ্ধ এবং ভালোবাসা............(গল্প) - শেষাংশ

২৭ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:০০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

প্রথম পর্ব
ও চাইতো, আমি যেন কখনো ভেঙ্গে না পড়ি। যুদ্ধের ক্লেদাক্ততা থেকে জন্ম নেয়া হতাশাগুলি থেকে-ও আমাকে বের করে আনতে চাইতো। আমার ভালো লাগতো ওর স্নিগ্ধতা মাখা কন্ঠস্বর, আলোকোজ্জল মুখ আর ওর স্বপ্নগুলো।......... টের পেয়েছিলাম, আমি ওকে ভালোবাসি। যদিও জানি, আমার উচিত হয়নি মোটেও। কারণ, যুদ্ধে দরকার হয় বিচ্ছিন্নতার। যাতে করে কোন কিছু হারানোর ভয় না করেই আক্রমণ করা যায় কিংবা ঠেকানো যায়। কিন্তু এই ক্ষেত্রে আমার করার কিছুই ছিলনা!
ও মারা গেল- আরেকটা এয়ার রেইডে।
আমার ষোলতম জন্মদিনে।
আমি শপথ নিলাম প্রতিশোধের।
সেই দিনের পর থেকে যখনই একটু বিশ্রামের সময় পেতাম; ওর চেহারাটা মনে করার চেষ্টা করতাম। ওর সেই মৃদু গলায় কথা বলে যাওয়া, স্বপ্নের সেই নাদেখা পৃথিবী নিয়ে; যেখানে মানুষগুলি ছিল সুখী, যেখানে যুদ্ধ আর অনাহারে কেউ মারা পরতো না!
যে কারণেই হোক, ওর চেহারা কিছুতেই মনে করতে পারতাম না। কোন ঝাপসা চেহারাও না। শুধু দেখতে পাই- আমার কোলের উপরে মাথা রেখে , সাদাটে, ফ্যাকাশে মৃত্যুর ছাঁপ পড়া। রক্তশূন্য- তার ঠোঁট দুটি; আমাকে যেন কি বলতে চাইছিলো। বুকের ভেতর থেকে কষ্টের সাগরের ঢেউএর তোলপাড়- যেন আমার কানে কিছুই শুনতে পাচ্ছিলাম না। আমি শপথ করে বলতে পারি- মৃত্যুর ছায়ামাখা তার চোখের ভেতর আমি সেই স্বপ্ন নগরের উজ্জল ছবি দেখতে পেয়েছিলাম।
আমি হত্যা করলাম তাদের, যতজনকে সম্ভব ছিল। তাদের চারটা ক্যাম্প ধ্বংস করলাম। তবুও যুদ্ধ চলতেই থাকলো।
ওহ, শব্দের প্রসঙ্গটা ভুলে গিয়েছিলাম। এখন মনে পড়লো! শব্দটা আসলে মেসিন গানের! একটা পরিত্যক্ত ঘরে ইঁদুরের মতো কোনঠাসা করে ফেলে -বাইরে থেকে মুহূর্মুহূ আক্রমণ করার প্রচেষ্টা।
হ্যাঁ, এ ধরণের পরিস্থিতিতে আমি আগেও পড়েছি। তাদের সবগুলিই মোকাবেলা করতে পেরেছি সফলভাবে। কিন্তু 'বার বার শেষ বার'- বলে একটা কথা আছেনা?!
আমি কি বেঁচে ফিরতে পারবো? বলা কঠিন!
যাইহোক; আমার আর তেমন কিছু বলার নেই। হয়তো আপনি একটা আর্তচিৎকার শুনতে পাবেন! হয়তো না ও শুনতে পারেন! এমন ও হতে পারে অবশেষে আমি আমার প্রিয়তমার সাথে মিলিত হতে যাচ্ছি কিংবা হয়তো না।
হোক যেটা হবার..........................।
(সমাপ্ত)

(এনামুল আজিম রানার গল্প থেকে অনুদিত)

She tried to keep my moral strong; she tried to get me out of the morbid ness that grew out of life in a war. What I liked was her soothing tone, her flushed face, her dreams. I knew I had felt in love with her. I knew I shouldn’t! For war you need detachment. So that, you could fight or resist without the fear of losing anything. But none the less I couldn’t help myself about that.
She died, in another air raid. That was my sixtieth birthday. I swear I would avenge her. After that day, whenever I found a place for a momentary rest, I tried to recall her face, her soothing talking about a dreamlike land, where, people lives happily, when men do not die in hunger and war.
But somehow, I could not remember her face, it would blur, rather I would see the deathly pale face of her on my lap, her bloodless lip, trying to tell me something. I could not hear the deep roaring of sea on my heart. I could swear I had seen a bright city on her dyeing eyes.
I killed, many, as much as I could. I destroyed their four camps. Yet the war was on.
Oh, I forgot the strange sound. Now I could remember it. It was the sound of machinegun when you were mouse in a derelict house and your enemy was trying to shoot you down from outside. Yes, I had been in this situation before. I lived all of them through. But there’s always a last time.
Would I survive? Hard to tell! Anyway, I have nothing more to tell. Maybe you would hear a scream, maybe you won’t. Maybe I am going to meet my beloved and maybe not. Whatever happens…………..
সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১:০০
১৩টি মন্তব্য ১৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আমাদের গ্রামের গল্প!

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৩



আমাগো গ্রাম আপনারা সবাই চিনেন।
মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। শ্রীনগর থানা। খুবই প্রাচীন অঞ্চল। অবশ্য এখন গ্রাম বদলে গেছে! ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল হয়েছে, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমল, ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

পণ্ডশ্রম

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ১২:৩৪



এই নিয়েছে ঐ নিল যাঃ! কান নিয়েছে চিলে,

চিলের পিছে মরছি ঘুরে আমরা সবাই মিলে।

কানের খোঁজে ছুটছি মাঠে, কাটছি সাঁতার বিলে,

আকাশ থেকে চিলটাকে আজ ফেলব পেড়ে ঢিলে।

দিন-দুপুরে জ্যান্ত আহা, কানটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

লিখেছেন নাহল তরকারি, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:২৮

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

ধরুন, মাসুদ একদিন বাজার করতে বের হয়েছেন। তার মানিব্যাগে একটি Contactless Visa Card ছিল। বাজারের ভিড়ের মধ্যে একজন চোর একটি বিশেষ স্ক্যানিং ডিভাইস নিয়ে ঘুরছিল।... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফিরে যাওয়া বলে কিছু নেই

লিখেছেন রানার ব্লগ, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:৫৫

আমি যে নদীর কথা ভাবি,
সে নদী জল নয় সময় বয়ে নিয়ে চলে।
এক পাড়ে মানুষের কোলাহল,
হাটের গুঞ্জন, ভাতের গন্ধ, সন্ধ্যার আহবান,
অন্য পাড়ে কেবল শূন্যতা,
যেন কেউ কোনোদিন সেখানে ছিলইনা।

তবু দু পাড়ই... ...বাকিটুকু পড়ুন

১০০০-তম পোস্টঃ কন্যা আপন সাজন সাজে রে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:২৪

আমাকে ও রাহমিনকে এনিমেট করলে কেমন দেখাবে? এই আইডিয়া থেকেই গানটা রিমিক্স করে এনিমেটেড ভিডিও সং বানিয়ে ইউটিউবে ছেড়েছি। ছোটবেলায় মেঝ খালার বিয়েতে এই গানটা শুনেছিলাম। সবাইকে গানটি দেখা ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

×