আমার প্রিয় পোস্ট

সুরক্ষা - কল্পগল্প

২৩ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৫:২২

শেয়ারঃ
0 0 0

...............হিস্টোরি অব ওয়ার্ল্ড এর ৩২৯১০ নং অনুচ্ছেদ থেকে। ২৭০৩; ২রা জানুয়ারি।
বিজ্ঞানি শিয়াও জাং এর নাম এদিনই প্রথম পৃথিবীর মানুষের সামনে আসে। গত ৫০০ বছরের ইতিহাসের সবচেয়ে আলোচিত আবিষ্কারটি ছিল তার।
শিয়াও জাং ইনস্টিটিউট তার পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলন করে জানানো হয়, গবেষণাগারের বাইরে, এই প্রথম তারা সফল ভাবে মানব শিশুর জন্ম দিয়েছে। কোন ধরনের কৃত্রিম প্রক্রিয়া ছাড়াই দীর্ঘ ৯ মাসের ক্লান্তিকর ধাপ পেরিয়ে জন্ম নিয়েছে মেয়ে প্রজাতির মানব শিশু- যার কোড নেম রাখা হয়েছে 'ডলি'। শিয়াও জাং আরো দাবী করেন, এই শিশুর জন্য শুক্রাণু ও ডিম্বাণু নিশিক্ত করা হয়েছে সনাতন পদ্ধতিতে!
এই ঘোষণার সাথে সাথে হই চই শুরু হয়ে গেলে ব্রিফিং ৩০ মিনিট বন্ধ থাকে। পরে আরো বিস্তারিত বিবরণ পাওয়া যায়।
দ্বাবিংশ শতাব্দীর শেষভাগে যখন মানব প্রজাতিকে বিপন্ন প্রাণীর অন্তর্ভূক্ত করা হয়; তার পর থেকেই প্রজনন বিপর্যয় বন্ধের জন্য শারীরিক সম্পর্কের মাধ্যমে প্রজনন প্রক্রিয়া নিষিদ্ধ করে দেয়া হয়। রিবোলা, নানকিং, জুইনি ভাইরাসের সংক্রমণে পৃথিবীর জনসংখ্যা এক পর্যায়ে ৭০ মিলিয়নে এসে দাড়ায়। কেবলমাত্র শারীরবৃত্তিয় কার্যকলাপের মাধ্যমে এসব রোগ ছড়াতো বলে; শারীরিক সম্পর্কের মাধ্যমে, সে সময় সন্তান জন্মদান প্রায় বন্ধই হয়ে গিয়েছিল। অবশ্য এর আগেই ক্লোনিং, আইনানুগ ও ধর্মীয় স্বীকৃতি পেয়ে যাওয়ায়, সবাই বিকল্প খুঁজে পেয়েছিল। পরবর্তি ৫০০ বছরে বিজ্ঞান অনেকদূর এগিয়ে গেলে, মানুষ শারীরিক সম্পর্কেও অনভ্যস্ত হয়ে পড়ে। পুরুষ বা নারী বলে কোন ব্যবধানও তেমন একটা ছিলনা। বৃহনল্লা হিসাবে নিজেদের স্বীকৃতি দেয়াটা ফ্যাশনে পরিনত হয়।
তাই বিজ্ঞানি ডঃ শিয়াও জাং এর এই গবেষণা তীব্র বিতর্কের সৃষ্টি করে। সমালোচনার ঝড় বয়ে যায় চারদিকে।
মৌলবাদিরা তীব্র প্রতিবাদ করে; ধর্ম ধ্বংসের ধুয়া তুলে। তাদের মতে এটা মানুষকে বিংশ শতাব্দির অন্ধকার যুগে ফিরিয়ে নেবার ষড়যন্ত্র! ধর্মীয় কলোনি গুলোতে নিয়মিত মিটিং, মিছিল করে তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলার শপথ নেয়া হয়।
উদারমনারা আবার এটাকে রেনেসার সাথে তুলনা করতে চায়। তদের মতে এই মৃতপ্রায়, শোকেস বন্দী মানব সভ্যতাকে আবার স্বর্ণযুগে ফিরিয়ে নেবার এটাই শেষ সুযোগ।
দুপক্ষে দলাদলি ও কোন্দল জমে উঠতে সময় নেয়না। স্থানীয় প্রশাষনও নিরপেক্ষতা হারাতে থাকে।এই সুযোগে হিপ্পি টাইপ কিছু গোষ্ঠি গবেষণার কৌশল চুরি করে নিয়ে এই পদ্ধতিতে সন্তান জন্মদানের প্রক্রিয়াও শুরু করে! এরকম গোলযোগ চলতে থাকে প্রায় বছর জুড়ে। বিগত ৫০০ বছরে এমন অসহিষ্ণুতা আর কখনও দেখা যায়নি।
পরিস্থতি নিয়ন্ত্রণে সেন্ট্রাল কাউন্সিল শেষ পর্যন্ত বাধ্য হয় হস্তক্ষেপে।
২৭০৪ এর ১লা জানুয়ারী জারী করা হয়, ঐতিহাসিক "বিলুপ্তপ্রায় মানব জাতি রক্ষা আইন ২৭০৮"!
রোবট কাউন্সিলের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়-
"সাম্প্রতিক বিচ্ছিন্ন ঘটনা বলির কারণে 'সেন্ট্রাল রোবটিক কাউন্সিল ফর ওয়ার্ল্ড পিস' ( CRCWP)- এই মর্মে প্রজ্ঞাপন জারি করছে যে- মানবজাতিকে বিলুপ্তির হাত থেকে রক্ষা করতে, তারা এর সংখ্যা পুনরায় নিয়ন্ত্রণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। র‌্যানডম সিলেকশন মেথডে আগামী ২৪ ঘন্টার ভেতরে বর্তমান জনসংখ্যা ১০০ মিলিয়ন থেকে কমিয়ে ৫০ মিলিয়নে নিয়ে আসা হবে। এ মর্মে আরো জানানো যাচ্ছে যে- এখন থেকে যেকোন গবেষণা কার্যক্রম সীমিত আকারে চালাতে হবে এবং তা একমাত্র CRCWP পূর্ব অনুমতিক্রমেই পরিচালিত হবে। এই প্রজ্ঞাপনের কারণে ক্ষতিগ্রস্থদের প্রতি CRCWP সমবেদনা জ্ঞাপন করছে।"

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): কল্পগল্পকল্পগল্প ;
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৯:১২ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২৩ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৫:৩৭
এসএনিট বলেছেন: চিন্তার সুপারসনিক রকেটটি ভালই চালিয়েছেন। নাথিং আনলইক। এখনকার সময়েই ভালবাসাহীন জীবনযাপনে অভ্যস্ত হচ্ছে মানুষ। ২৭০৩ সালে গিয়ে ভালবাসা কি ও কেমন, হয়তো ইতিহাসের পাতা ঘেটে বের করতে হবে। সেখানে ভালবেসে স্বাভাবিক উপায়ে পরের প্রজন্ম --হয়তো অলীক স্বপ্ন ও হতে পারে।
২৩ শে এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪৩

লেখক বলেছেন: ভালবাসা হয়তো বরাবরই থাকবে; তার প্রকাশটা বদলে যাবে যান্ত্রিকতার কারণে। এখন যেমন মোবাইল ভালোবাসা চলছে :)

২. ২৩ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৫:৫৯
শান্তির দেবদূত বলেছেন: চমৎকার ... কিন্তু এত ছোট ! আর একটু টানলে মনে হয় ভালো লাগতো :) ..
কবে যে রোবটরা মানুষের ক্ষমতা কেড়ে নিবে :| !

আমি একট জিনিস বুঝি না, আপনারা কিছু লেখলেই কেমন সুন্দর সাবলীল লেখা হয়ে যায় ... আর আমি মাসে ৩/৪ টার বেশি গল্প/পোষ্ট দেই না .. তারপরও মনে হয় বাচ্চা মানুষের লেখা :( .... এই জীবনে মনে হয় আর ম্যাচুরেটি আইলো না :( ..
২৩ শে এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪৭

লেখক বলেছেন: আমিতো হুট হাট যা মনে হলো লিখে ফেলি। এটাকে গল্প বলাটা অতিরন্জিত হয়ে যাবে। তোমার গল্পগুলির পেছনের ভাবনাগুলি অনেক পোক্ত :)
তাই, এভাবেই লিখে যাও। :)

২৩ শে এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকেও।

৪. ২৩ শে এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩৪
ফেরারী পাখি বলেছেন: ওরে জোশ হইছে রে!
কিয়া কল্পনা হ্যায়---- দারণ কল্পনার সাথে ছবিটা হয়েছে আরও দারুণ।

দারুণ একটা ধন্যবাদ দিলাম।
২৩ শে এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪৮

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য মৌসুমী পাখিকে অনেক ধন্যবাদ :)

৫. ২৩ শে এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫৯
শান্তির দেবদূত বলেছেন: আমি আসলে লেখার সাবলিলতার কথা বুঝাতে চেয়েছিলাম ... আপনার গল্পের প্লট যেমনই হোক বর্ননা অনেক সাবলিল .... আর আমি যখন একটা গল্প পোষ্ট করার পর যখন নিজে একবার পড়ি তখন মনে হয় কি যেন নেই আর মনে হয় লেখার ভাষাটা অপরিপক্ক :( ..... মনে হয় লেখার এই সাবলিলতা আসে অভ্যাস থেকে .... আরও অনেক অনেক লিখতে হবে :| .....

আপনি মনে হয় রম্য গল্প পছন্দ করেন না ! তাই কি ? আমার সুরুজ আলীর সিরিজে আপানর কোন সমালোচনা পেলাম না :) ... সেই জন্যে জিজ্ঞেস করা আর কি :)
২৩ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৮:০৪

লেখক বলেছেন: আসলে এক এক জনের বলার ভঙ্গিটা এক এক ভাবে গড়ে উঠে। এটা একটা ব্যাপারহতে পারে।
ব্যস্ততায় অনেক ভালো লেখা ( বিশেষ করে ২০০৭/২০০৮ এর প্রথম দিককার) পড়া হয়ে উঠেনি। রম্য আমার অনেক প্রিয়। সময় করে অবশ্যই পড়ছি :)
ধন্যবাদ জানানোর জন্য।

৬. ২৩ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৮:৫৪
সহেলী বলেছেন: এত কঠিন লেখা দেন কেন ? আমাদের মত অল্প শিক্ষিত জনগনের কথা মনে রাখলে খুশী হব ।
২৩ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৯:০৬

লেখক বলেছেন: অনেকদিন দেখছি না!
এই লেখার সুবাদে পেলাম, সেটাই বা মন্দ কি :)

৭. ২৩ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৯:০৯
নুশেরা বলেছেন: পারভেজভাই, প্লট তো জবর, এত কম্প‌্যাক্ট লেখা, কিন্তু ভয় লাগল তো পড়ে। আসলেই। :|
২৩ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৯:১৩

লেখক বলেছেন: একটা সংবাদের মতো করে লিখতে চেয়েছিলাম।
আর ঘটনাটা কি ঘটেনি? ১৯৪৫ এর ৬ই অগাস্ট হিরোশিমায় আর ৯ই অগাস্ট নাগাসাকিতে!
শান্তির জয় হোক!!

৮. ২৩ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১০:০২
সবুজ বলেছেন:
হুম হাম করে ভাল লেখকদের লেখার নিচে দুমকরে একটা কমেন্ট করে দিয়ে বিপদে পড়তে চাই না!!! তাই পড়ে একটু সময় নিলাম।

তারপরও ভাবছি কি বলা যায়?
আমারও মঝে মাঝে একটা সায়েন্সফিকসন লেখার স্বাদ যে যাগে না তা না।
কিন্তু অনেক চেষ্টা চরিত্র করেও কোন কিছু বার হয় না। দেয়ালে মথা ঠুকে দেখা দরকার। আপনি কি মাঝে মাঝে ঠুকেন?:) না হলে এত ভাল লেখা আসে কি ভাবে?
কোন গোপন টিপস থাকলে দেন না বস!

আজকে দিনে অনেক গুলা সুন্দর লেখা পড়লাম। বেশ কয়েকটা সুন্দর সাই-ফাইও পেলাম। কিন্তু এত ছোট কিন্তু এমন পরিপক্ক সাবলীল আর নাই। সাই ফাই আমার বেশি ভাল লাগে নাম আর কাহিনীতে নতুনত্ব থাকলে। আর লেখার মৌলিক ভাব আনতে পারা মনে হয় সবচেয়ে বেশি কষ্টকর। প্রায়ই মনে হয় সাই-ফাই গুলার মঝে অন্যকারো ছায়া পড়ে। কাহিনীটা জানা জানা লাগে।

আপনার হাতের পাকা লেখায় পেলাম জীবন্ত ভাব! মনে হল কল্পনা না, আসল কোন ঘটনা।

--------------------------------

যাউকগা, বেশি প্যাচাল না পাইরা পুরান লেখাগুলায় একটা চক্কর মাইরা আহি!!!
:) :) :) :) :) :) :) :)
২৩ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১১:১২

লেখক বলেছেন: অনেক ভালো লাগলো তোমার মন্তব্য পড়ে
একটা টিপস দিতে পারি, সেটা হলো তুমি ভ্রমণ কাহিনী বা আফগানিস্থানের অভিজ্ঞতা গুলি কে যেভাবে লিখো, সেটাকেই কিছু শতাব্দী এগিয়ে নিয়ে ভাবনা গাঁথার চেষ্টা করতে পারো, আমার মনে হয় মৌলিক কিছু পাওয়া সম্ভব।
ধন্যবাদ পড়ার জন্য।

৯. ২৩ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১১:০৮
সব্যসাচী প্রসূন বলেছেন: ভীত স্বন্ত্রস্ত :| .... অমরত্বের প্রত্যাশা নেই :(
২৩ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১১:১১

লেখক বলেছেন: অমরত্ব পাবো কই?!!
চারদিকে শান্তির জন্য যুদ্ধ আর রক্ষার জন্য বোমা :|

১০. ২৪ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১২:২২
অদৃশ্য বলেছেন: পারভেজ ভাই...........................লেখাটি দুপুরে পড়েছিলাম। এখানে সবকিছুই মোটামুটি ভালো লাগছে কিন্তু শুধু বিলুপ্তির সময়কাল নিয়ে একটু দ্বিধা তৈরী হলো..............আরও কিছু পরে..........

ঐ সমকালটিকে আমি রবোটিক চিন্তা করতে পারছিনা.......আমার মনে হয় মানব জাতীর বিলুপ্তির সময় অতিমানবদের রাজত্য থাকতে পারে যারা কিনা..............অতিক্ষমতা সম্পন্ন হবে......নিজেদেরকে স্রষ্ঠা বা তার কাছাকাছি ভাববে.............

এটা কিন্তু শুধুই আমার ভাবনার প্রকাশ.............

আর আপনার সাইফাই কিন্তু আমার সবসময় ভালো লাগে।

সবসময় ভালো থাকুন।
২৪ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৯:০২

লেখক বলেছেন: লেখাটা আসলে একটা প্রকাশিত সংবাদের প্রেক্ষাপট হিসাবে দেখাতে চেয়েছিলাম। আজকাল যেমন তিমি রক্ষা কমিটি হয়, কিম্বা বন্য প্রাণী সংরক্ষণের জন্য, তেমন হয়তো মানুষরাই একদিন বিপন্ন প্রাণীর অন্তর্ভূক্ত হয়ে যাবে। আর তার রক্ষা কর্তা হবে তারই সৃষ্ট কোন সিস্টেম। যে কোন ধরনের মানবিকতা ছাড়াই সিদ্ধান্ত নিতে পারে। হিরোশিমায় বোমা মেরেছিল সাধারন মানুষ, সে কিন্তু রোবট না হয়েও সর্বোচ্চ নিষ্ঠুরতা দেখাতে পেরেছিল শান্তির অযুহাতে, এই অযুহাত কি এখনও ব্যবহৃত হচ্ছেনা? মানব বিলুপ্তি মানবের সৃষ্ট সিস্টেমের দ্বারাই সম্ভব। শুভকামনা।

১১. ২৪ শে এপ্রিল, ২০০৯ ভোর ৫:১১
কঁাকন বলেছেন: দারুন গল্প
কিন্তু এত তারাতারি শেছ হয়ে গেল কেন :(
২৪ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৯:০৩

লেখক বলেছেন: এটা তো ভবিষ্যত পৃথিবীর নিউজ কাটিং ;)
সাংবাদিকরা সবসময় কিছু ঘোলাটে রেখে দেয় :D

২৪ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১০:১২

লেখক বলেছেন: :) I am fine Ariyana.
Waiting to read ur new post. Take Care.

১৩. ২৪ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৯:৪১
মুহম্মদ জায়েদুল আলম বলেছেন: অসাধারন।যথরীতি ইউনিক আইডিয়া।
২৪ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১০:১৪

লেখক বলেছেন: :) বড়ই আনন্দিত হলাম।
কিন্তু ঠিক মনের মতো লিখতে পারছি না।
কবিতা লেখা একদম বন্ধ :|

১৪. ২৪ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১১:৫২
মেহবুবা বলেছেন: ভাল লাগল , আপনার ভাষার উপর দখল চমৎকার ।
২৪ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১১:৫৬

লেখক বলেছেন: ভালো থাকবেন।
পিচ্চিদের স্কুল বন্ধের দিন কাছিয়ে আসলো, তাই না?
শুভকামনা।

১৫. ২৫ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১২:১৯
আবু সালেহ বলেছেন:
আমরা অনেক বেশী যান্ত্রীক হয়ে যাচ্ছি...

আপনার ভাষার ভান্ডার বেশ....
২৫ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১২:২২

লেখক বলেছেন: যান্ত্রিকতা মানুষের ভেতরে প্রকট হয়ে উঠছে।
ভাল থাকবেন।

১৬. ২৫ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ২:১৯
শত রুপা বলেছেন: ভাল লাগলো লেখা।
২৬ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৫:১৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ শতরুপা।
শুভেচ্ছা।

২৬ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৫:২৮

লেখক বলেছেন: :) ধন্যবাদ আপনাকেও।

১৮. ২৬ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৫:৪২
জুল ভার্ন বলেছেন: চমতকার লেখা!
অসাধারন লেখা!!
প্রিয়তে রাখলাম!!!
২৬ শে এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩৭

লেখক বলেছেন: কৃতজ্ঞতা।
অনেক শুভকামনা।
ধন্যবাদ।

৩০ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৯:০৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।
চলার চেষ্টায় থাকলাম :)

২০. ০২ রা মে, ২০০৯ দুপুর ১:৩৩
তারার হাসি বলেছেন:
এই গ্রহের পরিবেশের দুরাবস্থা দেখে মনে হয়, এমন একটা সময় আসার অনেক আগেই হয়তো পৃথিবী ধ্বংস হবে।
এমন মনে হলেও তেমন সময় ঠিক এসে যাবে। তখন আর কল্পগল্প বলতে কিছুই থাকবে না।
০২ রা মে, ২০০৯ দুপুর ২:৫৭

লেখক বলেছেন: মানুষ যতদিন বেঁচে থাকবে; ততোদিন ভবিষ্যতের স্বপ্ন আর দুস্বপ্নের শেষ হবে না। এক হতাশার পর আরেক হতাশা জন্ম নেয়; একটা শুভসময়, আরো শুভসময়ের কথা বলে যায়।
তাই ভবিষ্যতের গল্প ফুরোবার নয় :)

২১. ০৪ ঠা মে, ২০০৯ রাত ৯:৫৬
তারার হাসি বলেছেন: তখন কল্প গল্প হবে অতীতের, আমরা এবং আমাদের পূর্বপুরুষেরা যে জীবনা যাপন করে যাব তারা সেই জীবনের স্বপ্ন দেখবে যা আপনার গল্পেই আছে।
"কোন ধরনের কৃত্রিম প্রক্রিয়া ছাড়াই দীর্ঘ ৯ মাসের ক্লান্তিকর ধাপ পেরিয়ে জন্ম নিয়েছে মেয়ে প্রজাতির মানব শিশু- যার কোড নেম রাখা হয়েছে 'ডলি'। "
০৪ ঠা মে, ২০০৯ রাত ১০:০৮

লেখক বলেছেন: সেটা হলে দুর্ভাগ্য :(

২২. ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ৯:৪৪
যাযাবরমন বলেছেন: অরধেক করবে? তাহলে শূধু একটা জেনডার অপসারন করাই বেটার .
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০১১ সকাল ৯:১৬

লেখক বলেছেন: বিপদজনক পরামর্শ :|
:) ধন্যবাদ

 

মোট সময় লেগেছে ১.৩৬১৬ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
লেখালেখির অনেক ইচ্ছে হয়! হয়তো পড়তে ভালো লাগতো বলেই! তাই এই সব টুকটাক কথা নিয়ে শব্দ নিয়ে নাড়াচাড়া! ব্লগে...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ