পিচ্চিরা এত বান্দর হয় কেন?- জিজ্ঞেস করেছিলাম এক পিতাকে। আন ফরচুনেটলি উনি আমার হেডমাষ্টার ছিলেন আর সারা ক্লাসে আমার উপরই ক্ষ্যাপা থাকতেন। আর চাইলাম উত্তর পাইলাম দাবড়। দুই একটা বেতের ছোয়া যে পিঠে লাগে নাই এইটা অস্বীকার করতে একটু লজ্জা লাগে!
তবে আপনারাই বলেন কেন আমি জিজ্ঞেস করুম না। আমার চাচতো ভাই, পয়দাই হইছে পাকনা হইয়া। প্রশ্নবিদের টাইটেল কুটিকালেই ফ্রিতে পাইয়া গেছে। যাই হোক একদিন আন্টি তার পিচ্চিকে নিয়া বাসায় আসলেন। সবাই হাসাহাসি করছিলো হঠাত কেউ জিজ্ঞেস করলো, "কয়টা বাজে?" চাচী বললো," আড়াইটা বাজে।"
পিচ্চি হঠাত কইরা বইলা উঠলো, " মিথ্যা কথা।আড়াইটা এক বাজে।"
-মানে?
-কিছুক্ষণ আগেই তো কইলা আড়াইটা বাজে। এহন এতক্ষন পর এক মিনিট তো পার হইছে। তাই আড়াইটা এক!
বাহ জ্ঞানে গুনে মহারাজা।
আরেকটা ঘটনা, একবার টিকা দিতে নিয়ে যাওয়া হলো জেলা স্বাস্হ্য কেন্দ্রে। কিছুদূরে বসেছিলো একজন প্রেগন্যান্ট মহিলা।
তা পিচ্চির চোখ এড়াতে না পেরে বাবাকে প্রশ্নের বাণ শুরু করলো," এই মহিলা এত ভুটকি কেন?"
পিচ্চির বাপ পিঠে ঘাম দিয়া বসলো। কি বলবে, কি বলবে, হঠাত বইলা বসলো, " একটু বেশী খাওয়া দাওয়া করে ফেলাইছে।"
আশেপাশে অনেকে আড় চোখে তাকাচ্ছে।
নেক্সট কোয়েশ্চেন: " এত খায়, তাহলে এখানে কেন?"
-পেট খারাপ হইছে, তাই ডাক্তার দেখাইতে আসছে।
-তো ডাক্তারের পেট খারাপ হয় না?
-হয়।
-তখন সে যায় কোথায়?
-আরেক ডাক্তারের কাছে।
-যদি তারও অসুখ হয়?
-(একটু বুদ্ধি কইরা বললেন) তখন তারা একে অপরের কাছে যায়
-যদি রাতের বেলা হয়?
-রাতের বেলাও যায়
আশেপাশে লোক জমে গেছে। অনেকে মোবাইলে রেকর্ড শুরু করছে।এমন সময় ডাক্তার আসলেন, তখন সে পিচকিকে নিয়া গেল। শুরু হলো দ্বিতীয় রাউন্ড:
-আপু উনার পেট খারাপ হইছে কেন?
-কে বললো, তোমার তো একটা ভাই হবে?
-কোথা দিয়ে হবে?
ডাক্তারের কান লাল হইয়া গেছে। এদিকে বাবা জান কয় চুপ থাকবি না মুখ সিলি করুম!
পিচ্চি চিতকার দিয়া কইলো," সবসময় তুমি এক কথা বলো, তুমাগো বিয়ার ছবিতে আমি কই আছিলাম হেই প্রশ্নের উত্তর তো দাও নাই। খালি সিলাইয়ের কথা কও। আমি কি কিছু ভুল বলছি?"
যাই হোক, যাগো বাচ্চা কাচ্চা থাকে তাদের এরকম জ্ঞানীগুনি আন্ডা বাচ্চা থাকাটা রিস্কি!
এইবার একটু এডাল্ট গল্প করি। এডাল্ট বলতে সেই এডাল্ট না, মানে একটু বুড়া কালের গল্প করি!
ভুত বিশ্বাস করবো না, ভুত দেখলেও বিশ্বাস করবো না: মনে করুম ভূত মইরা টুত হইয়া গেছে আর যারে দেখতাছি হেইডা টুত। পরে বড় হইয়া জানলাম টুত মানে দাত। কপাল আমার: বড় হইয়া সেই টুতই দেখতে হইলো।
সোজা ঘটনায় আসি, গিয়াছিলাম ডাব চুরি করতে। হলে বইসা থাকতে থাকতে খাটে উকুন ধইরা গেছে, পশ্চাতদেশ আসার বসায়া রাখার সার্ভিস দিতে পারতাছে না। অন্য রুমে গিয়া দেখি সবাই মুখে প্রকাশ না করলেও আকারে বিকারে সেটাই প্রকাশ করতাছে। পরীক্ষা শেষ বন্ধ কম বইলা কেউ বাসায়ও যায় নাই। সবাই মিলা ঠিক করলাম ডাব চুরি করবো তাও স্যারদের বাসার ডাব গুলিকেই সার্ভিস করবো। হলের গুলা হাতে থাকুক। বের হলাম রাত ১২টার পর গেলাম সোজা ডিন স্যারের বাসায়। উঠাইলাম আমাদের চিরকালের মদন ভুতুম ওরফে শরীফরে উঠাইলাম গাছে। পরের গল্পতো হাসপাতালে গিয়া শেষ। ওর ধারাভাষ্য মতে, ও গামছা পায়ে বাইন্ধা ডাব গাছে উঠলো, উইঠা দেখে কালা মতো আরেক জন ওর দিকে চাইয়া আছে খালি দাত গুলান দেখা যাইতাছে। ও দেইখা ভুতের কথা মনে পড়ছে। আতকা চিতকার কইরা নীচে ঠাস, আমরা দেখলাম উঠলো একজন (ভুতুম), পড়লো দুইজন। প্রথমে আমরা ভাবছিলাম ভুতুম দুইটুকরা হইয়া গেছে পরে সব চেক কইরা দেহি ভুতুমের সাথে ফ্রি একটা নীচে পড়ছে।
একজন ততক্ষনাত কমেন্ট, "কিরে উপরে গিয়া কি বিয়া করলি কখন?"
কমেন্ট খান শুইনা ওরে উঠামু না হাসমু এই ডিসিশন নিতে একটু সময় লাগছিলো!
*জীবন-যৌবন থিকা সংগৃহিত
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ১০:০৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



