somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

দুনিয়ার বান্দর এক হও! কিন্তু আমার আমগাছে না, আমগাছে পাকা আম!

০২ রা আগস্ট, ২০০৭ রাত ৯:০৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

পিচ্চিরা এত বান্দর হয় কেন?- জিজ্ঞেস করেছিলাম এক পিতাকে। আন ফরচুনেটলি উনি আমার হেডমাষ্টার ছিলেন আর সারা ক্লাসে আমার উপরই ক্ষ্যাপা থাকতেন। আর চাইলাম উত্তর পাইলাম দাবড়। দুই একটা বেতের ছোয়া যে পিঠে লাগে নাই এইটা অস্বীকার করতে একটু লজ্জা লাগে!
তবে আপনারাই বলেন কেন আমি জিজ্ঞেস করুম না। আমার চাচতো ভাই, পয়দাই হইছে পাকনা হইয়া। প্রশ্নবিদের টাইটেল কুটিকালেই ফ্রিতে পাইয়া গেছে। যাই হোক একদিন আন্টি তার পিচ্চিকে নিয়া বাসায় আসলেন। সবাই হাসাহাসি করছিলো হঠাত কেউ জিজ্ঞেস করলো, "কয়টা বাজে?" চাচী বললো," আড়াইটা বাজে।"
পিচ্চি হঠাত কইরা বইলা উঠলো, " মিথ্যা কথা।আড়াইটা এক বাজে।"
-মানে?
-কিছুক্ষণ আগেই তো কইলা আড়াইটা বাজে। এহন এতক্ষন পর এক মিনিট তো পার হইছে। তাই আড়াইটা এক!

বাহ জ্ঞানে গুনে মহারাজা।

আরেকটা ঘটনা, একবার টিকা দিতে নিয়ে যাওয়া হলো জেলা স্বাস্হ্য কেন্দ্রে। কিছুদূরে বসেছিলো একজন প্রেগন্যান্ট মহিলা।
তা পিচ্চির চোখ এড়াতে না পেরে বাবাকে প্রশ্নের বাণ শুরু করলো," এই মহিলা এত ভুটকি কেন?"
পিচ্চির বাপ পিঠে ঘাম দিয়া বসলো। কি বলবে, কি বলবে, হঠাত বইলা বসলো, " একটু বেশী খাওয়া দাওয়া করে ফেলাইছে।"
আশেপাশে অনেকে আড় চোখে তাকাচ্ছে।
নেক্সট কোয়েশ্চেন: " এত খায়, তাহলে এখানে কেন?"
-পেট খারাপ হইছে, তাই ডাক্তার দেখাইতে আসছে।
-তো ডাক্তারের পেট খারাপ হয় না?
-হয়।
-তখন সে যায় কোথায়?
-আরেক ডাক্তারের কাছে।
-যদি তারও অসুখ হয়?
-(একটু বুদ্ধি কইরা বললেন) তখন তারা একে অপরের কাছে যায়
-যদি রাতের বেলা হয়?
-রাতের বেলাও যায়
আশেপাশে লোক জমে গেছে। অনেকে মোবাইলে রেকর্ড শুরু করছে।এমন সময় ডাক্তার আসলেন, তখন সে পিচকিকে নিয়া গেল। শুরু হলো দ্বিতীয় রাউন্ড:
-আপু উনার পেট খারাপ হইছে কেন?
-কে বললো, তোমার তো একটা ভাই হবে?
-কোথা দিয়ে হবে?
ডাক্তারের কান লাল হইয়া গেছে। এদিকে বাবা জান কয় চুপ থাকবি না মুখ সিলি করুম!
পিচ্চি চিতকার দিয়া কইলো," সবসময় তুমি এক কথা বলো, তুমাগো বিয়ার ছবিতে আমি কই আছিলাম হেই প্রশ্নের উত্তর তো দাও নাই। খালি সিলাইয়ের কথা কও। আমি কি কিছু ভুল বলছি?"

যাই হোক, যাগো বাচ্চা কাচ্চা থাকে তাদের এরকম জ্ঞানীগুনি আন্ডা বাচ্চা থাকাটা রিস্কি!
এইবার একটু এডাল্ট গল্প করি। এডাল্ট বলতে সেই এডাল্ট না, মানে একটু বুড়া কালের গল্প করি!

ভুত বিশ্বাস করবো না, ভুত দেখলেও বিশ্বাস করবো না: মনে করুম ভূত মইরা টুত হইয়া গেছে আর যারে দেখতাছি হেইডা টুত। পরে বড় হইয়া জানলাম টুত মানে দাত। কপাল আমার: বড় হইয়া সেই টুতই দেখতে হইলো।
সোজা ঘটনায় আসি, গিয়াছিলাম ডাব চুরি করতে। হলে বইসা থাকতে থাকতে খাটে উকুন ধইরা গেছে, পশ্চাতদেশ আসার বসায়া রাখার সার্ভিস দিতে পারতাছে না। অন্য রুমে গিয়া দেখি সবাই মুখে প্রকাশ না করলেও আকারে বিকারে সেটাই প্রকাশ করতাছে। পরীক্ষা শেষ বন্ধ কম বইলা কেউ বাসায়ও যায় নাই। সবাই মিলা ঠিক করলাম ডাব চুরি করবো তাও স্যারদের বাসার ডাব গুলিকেই সার্ভিস করবো। হলের গুলা হাতে থাকুক। বের হলাম রাত ১২টার পর গেলাম সোজা ডিন স্যারের বাসায়। উঠাইলাম আমাদের চিরকালের মদন ভুতুম ওরফে শরীফরে উঠাইলাম গাছে। পরের গল্পতো হাসপাতালে গিয়া শেষ। ওর ধারাভাষ্য মতে, ও গামছা পায়ে বাইন্ধা ডাব গাছে উঠলো, উইঠা দেখে কালা মতো আরেক জন ওর দিকে চাইয়া আছে খালি দাত গুলান দেখা যাইতাছে। ও দেইখা ভুতের কথা মনে পড়ছে। আতকা চিতকার কইরা নীচে ঠাস, আমরা দেখলাম উঠলো একজন (ভুতুম), পড়লো দুইজন। প্রথমে আমরা ভাবছিলাম ভুতুম দুইটুকরা হইয়া গেছে পরে সব চেক কইরা দেহি ভুতুমের সাথে ফ্রি একটা নীচে পড়ছে।

একজন ততক্ষনাত কমেন্ট, "কিরে উপরে গিয়া কি বিয়া করলি কখন?"
কমেন্ট খান শুইনা ওরে উঠামু না হাসমু এই ডিসিশন নিতে একটু সময় লাগছিলো!


*জীবন-যৌবন থিকা সংগৃহিত
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ১০:০৬
১৭টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

Claude Fable 5: Journey from ANI 2 AGI -প্রযুক্তির ইতিহাসে নতুন এক সন্ধিক্ষণ

লিখেছেন বোকা মানুষ বলতে চায়, ১২ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:২৭



প্রযুক্তির ইতিহাসে এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যা পরবর্তী কয়েক দশকের গতিপথ নির্ধারণ করে দেয়। ইন্টারনেটের আবির্ভাব, স্মার্টফোন বিপ্লব কিংবা Generative AI-এর উত্থান ছিল তেমনই কিছু ঘটনা। সম্প্রতি Anthropic-এর নতুন Frontier... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:০৭


আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?



আজ শুক্রবার, ১২/০৬/২০২৬ ইং তারিখ
................................................................
গিয়েছিলাম পাড়ার মসজিদে জুম্মার নামাজ পড়তে ।
সব সময়ই যাই, একটু বয়ান শুনি তারপর খুৎবা শুরু হয়,নামাজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

যে যায় লঙ্কায় সে হয় রাবণ

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:৩২


ব্যাংকের সিএসআর বা কর্পোরেট সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটি (Corporate Social Responsibility) তহবিল জিনিসটা খাতায় কলমে বড়ই পুণ্যের কাজ। ব্যাংক ব্যবসা করে লাভ করবে, সেই লাভের একটা অংশ সমাজের জন্য আলাদা রাখবে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাকি রইলো; কাঁচা কলা

লিখেছেন সামছুল আলম কচি, ১৩ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:৪৭


স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম.....!!
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অভাবনীয় উন্নতির এ সময়ে; উড়ে এসে জুড়ে বসা, মাথা নষ্ট এ চীজ গুলো আমাদের শিশুদের ব্রেইন ব্লক করে দেয়ার কোনও এক সুদূর প্রসারী প্লানের... ...বাকিটুকু পড়ুন

স্মৃতির নৌকা

লিখেছেন সেজুতি_শিপু, ১৩ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:১১


কোন কোনদিন আলোর শৈশবে চোখ মেলে
মাধবীলতার হাসিমুখ সম্ভাষণের ওপাশে স্বচ্ছ আকাশে
এক ঝাঁক কবুতরের ওড়াউড়ি দেখতে দেখতে-
নিজেকে বড় ভাগ্যবান বলে মনে হয়,
চকিতে অপার্থিব আলো যেন ঢুকে পড়ে আত্মায়।

কোন কোন সন্ধ‍্যেয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

×