কোন এক অলস দুপুরে একটা ছেলে কেদেছিলো বিষন্ন রাস্তার ধারে।
এ এক আজব শহর যেখানে উড়ে বেড়ায় আজব অনুভূতি। আকাশে বাতাসে খেলা করে লাল নীল স্বপ্ন, কত না ক্লান্তি হারিয়ে যায় জারজ সন্তানের মতো। হাতে থাকা নীল পদ্মগুলো তখনও হেসে বেড়ায় ভরা পূর্নিমার রাতে। জোসনার প্লাবনে ভেসে যায় আমাদের প্রিয় নগর সভ্যতা!
এখন আর অশ্রুগুলো ফুটপাতে দেখা যায় না, সময় গড়িয়েছে বহু আগে। ছেলেটা সবসময় অভিযোগ করতো দুনিয়া এগিয়ে গেছে তাকে পিছনে ফেলে। এটা যেনো তার প্রতি অবিচার, কিন্তু এ বিচার করবার কেউ নেই। এখনও সে হেটে ফেরে তার অনুভূতির নাম জানতে ৫২ হাজার গলির ৫৩ হাজার রাস্তায়। প্রতিটি রাস্তার অলিতে গলিতে লেখা আছে তার বিষন্নতার ইতিহাস।হয়তো একদিন সে চলে যাবে সময় আর স্হান ফেলে, হয়তো এক সময় সিটি কর্পোরেশন রাস্তাগুলো খুড়ে ফেলবে, বানাবে নতুন রাস্তা। তখন গলিগুলো কি ভুলে যাবে তার বিষন্ন শোকগাথা?
একসময় মনে করেছিলো কাউকে দেখে, সে জীবনটাকে পেয়েছে হাতের নাগালে। নগরীর সকল উদাসীনতা ভর করে তার মাঝে।কেন যেনো চেনা শহরটা ভালো লাগতে লাগলো, কথা হলো পাতার সাথে, আকাশকে শোনালো তার ১০১টা উদাসী পদ্য, বাতাসকে জানায় তার ঈর্ষাগুলো।
আজও আছে সেই শহর, সেই গল্পজানা আকাশ, ঈর্ষা জড়ানো হিমেল বাতাস। কিন্তু সে অচেনা, আসলেই অচেনা নিজের কাছে, চোখ দুটো খুজে ফেরে উদ্ভ্রান্তের মতো। খুজে ফেরে শুধু একটা নাম এই অজানা শহরের জন্য। খুজে পাবে কি না জানে না!
অপেক্ষা করে চলে যাবার সময় আর স্হানকে পিছনে ফেলে!
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ১০:৪৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


