ইকোনমিক্যাল রিসেশন-আসুন আমরা একটা অনাগত এবং অপ্রচলিত একটা দুর্ভিক্ষের প্রস্তুতি নেই!
যাই হোউক, বৃদ্ধ কালের মানসিক বৈকল্য নিয়া আলাপ করার ইচ্ছা কারও নাই, তবে ভ্যালেন্টাইন আর পয়েলা ফাল্গুনে ঘুমাইয়া কাটানোর মতো মজা দুনিয়াতে নাই। আমার বোনকে দেখলাম সাজুগুজু করে বান্ধবীদের নিয়ে অনুষ্ঠানে যায়, সেটার ছবি আর ক্লিপস আবার ওর নোকিয়া ৫৮০০ তে ভিডিও করে আমাকে যখন দেখায় তখন একটা কথাই বলি," তোদের মতো ফকিরনির মতো দল সাজলে এত সুন্দর দেখায় কেন?"
তখন তার একটাই উত্তর," কারন আমার আছে এক ক্ষেত ভাই, যার কপালে কিছু নাই!"
ভালোই ডেলিভারী দেয় সবাই তাই আমি সারাদিন ঘুমিয়েই কাটাই , আফসোস নাই কারন আমাদের সামনে একটা খুব খারাপ সময় আসছে। কতটা খারাপ সময় আসছে তা চিন্তাও করতে পারবেন না!
তার আলামত কিছু দেখাই। আমার বেশ কিছু বন্ধু বান্ধব এরিকশন, মোটোতে হাইলি পেইড স্যালারিতে জব করছে বোথ ম্যানেজম্যান্ট এ্যান্ড টেকনিক্যাল এন্ডে। মোটোতে যারা আছে তাদের সাথে কথা বলে জানলাম যেকোনো সময় নোটিশ আসতে পারে চলে যাবার।মোবাইলের আউট গোয়িং নাকি বন্ধ থাকে মাঝে মাঝে! এরিকশন তার টেকনিক্যাল টিমের অধিকাংশদের থার্ড পার্টির হাতে তুলে দিয়েছে। সেই থার্ড পার্টি মানে এসএফও আবার ফিল্ড লেভেলের ল্যাপটপ ফিরিয়ে নিচ্ছে, পারলে কিছু দিন পর স্যাক লেটারও ধরিয়ে দেবে। আর আইএলসি, এ্যালান ডিক, ওরাস ইনভেস্টের মতো টেলিকম কোম্পানিগুলো প্রচন্ড কস্ট কাটিংএর নামে তাদের বেশীরভাগ এম্প্লয়ী স্যালারী দিয়ে বলে দিয়েছে সামনের মাস বা পরের কোনো মাস থেকে আর আসার দরকার নেই। জিপি, পাগলালিংকের মতো কোম্পানীর কোনো সার্কুলার বাটি চালান দিলেও পাওয়া সম্ভব না। সবাই হয়তো জানবেন জিপি তে কিছু দিন আগে চরম ছাটাই চলেছে (যদিও এসব ছাটাইকৃতদের পুনঃ নিয়োগ নিয়ে কথাও চলছে), আর পাগলা লিংক কখন কি করে, এবং তলে তলে কি করছে কেউ জানে না। তার মানে টেলিকম ইন্ডাস্ট্রিতে স্যাচুরেশন চলে এসেছে। এমনও শোনা যায় জিপি তাদের টেনিক্যাল টিম থার্ড পার্টির হাতে তুলে দেবে ২০১১ বা ২০১২ এর দিকে। ওয়ারিদ, চিটিংসেলের বিজনেস তো দেখা যায় টার্মিনাল বসিয়ে ভিওআইপি করেও খুব একটা লাভ হচ্ছে না তবে এটা ঠিক ওয়ারিদ এরিকশনের কিছু বাজারবাচিয়ে রেখেছে। হোয়া ওয়েকে বলা যায় স্ট্যাবিলিটি এনজয় করছে, কিন্তু ইনক্রিমেন্ট বন্ধ!
এতো গেলো টেলিকমের হাইলি পেইড সম্ভাব্য বেকারের কথা বার্তা, এখন আসি গার্মেন্টস সেক্টরে!
যতদূর জানি গত নভেম্বর থেকে কোনো এলসি খোলা হয়নি এক্সপোর্টের ব্যাপার। এখন যা চলছে জার্মানী আর ইউরোপের কিছু বায়ারের এ্যাডভান্স কাজগুলো নিয়ে। এটা সবচেয়ে বেশী বোঝা যাবে যারা মার্চেন্ডাইজিংএ কাজ করছে তাদের ইদানিংকার চেহারা দেখে। বায়িং হাউসের লোকজন এখন সব ছুটছে ফ্রান্স, চীন সহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশ যেখানে চীন, আফ্রিকা, ক্যারিবীয়ানরা সবচেয়ে বড় কম্পিটীটর। তবু ভালো ডিফিট দিচ্ছে তাদের আমাদের লোকাল (হা-মীম ইত্যাদি) আর ফরেন ইনভেস্ট (ইয়ংওন ইত্যাদি) কোম্পানির মতো। তবে এটা ঠিক আমাদের এই শিল্পটা এখনও চুপচাপ আছে তবে আর ৭-৮ মাস পর মিডিয়াম আর ছোট কোম্পানীগুলো কি হাহাকারের গুণগান গাইবে তখন সেটাই উপভোগের বিষয়। আমি উপভোগ বলবো এ জন্য তখন আমার শুধু এক এ্যাসহোলের ডায়লগ শুনবার ইচ্ছা সেটা আমাদের নতুন অর্থমন্ত্রী আব্দুল মাল মুহিত যে বাংলার ইতিহাসে আরেক বড় হাবা!
এখনও রেমিট্যান্স আসছে, এটা সুখের সংবাদ আর এটাও একটা সংবাদ মধ্যপ্রাচ্য থেকে অনেকেই চাকরি হারিয়ে ফিরছে শুধু এই সান্ত্বনা নিয়েই কোম্পানী চালু হলে আবার ডাকা হবে। অধিকাংশ দেশে (কোরিয়া বাদে) শ্রমিক আর নিচ্ছে না! আমাদের ফরেন এক্সপোর্টের উপর খুব বেশী হলে ২% নির্ভরশীলতা আছে বলে আমরা বেশ ঠান্ডা মাথায় বসে আছি কিন্তু আমরা এটা কি জানি আমাদের দেশের সবচেয়ে বড় ট্যাক্সপেয়ী কোম্পানী গুলো সবই বিদেশী, সবচেয়ে বেশী চাকরীদাতাদের বেশীর ভাগই বিদেশী!
এবার আসি আইটি সেক্টরে। এটা সত্য যে তাদের সামনে খুব ভালো একটা সম্ভাবনা বিরাজ করছে, কারন যখন অর্থনৈতিক রিসেশন শুরু হয়েছে, ইন্ডিয়া তাদের রেট কমাতে শুরু করেছে, আর বাংলাদেশের রেট আগে থেকেই কম কিন্তু কাজ ভালো। তবে ওবামা একটা বিল পাশ করছেন সেটাতে আছে যারা আউটসোর্সিং হায়ার করবে তাদের ওপর একটু বেশি ট্যাক্স আরোপ করা হবে যাতে করে তারা এক্ষেত্রে লোকাল ভেন্ডর আর ছেলেপেলেদের চাকরী দেবার দিকে একটু বেশী করে ঝুকে। জানি না পাশ হয়েছে কি না, তবে তখন এর প্রভাব কি ঘটবে ঠিক বুঝা যাচ্ছে না। এখনও জার্মান বা ইউরোপের দেশগুলোর ভরসা করা যায় কারন তারা এরকম সিদ্ধান্ত নিচ্ছে না তবে ডলার ইউরো পাউন্ডের দাম পতনের কারনে যারা এক্সপোর্টার তাদের আসলেই বেশ কস্ট কাটিং এর দিকে যেতে হচ্ছে। ফলে নীচু লেভেলের ইন্জ্ঞিনিয়ার থেকে শুরু করে ম্যানেজার পর্যন্ত লোকজনের ঘাম ছুটে যায় যখন জাস্টিফিকেশনের মিটিং ফেস করতে হয়।
আমাদের দেশ একটা আজব দেশ। যখন বিদেশে সয়াবিন বা পাম অয়েলের দাম ব্যারেলে এক ডলার বা দুই ডলার বাড়ে তখন দেখা যায় ১ সপ্তাহের মধ্যে হু হু করে ১০ থেকে ২০ টাকা প্রতি লিটারে বাড়ে আবার যখন এই তেলের দাম ১০ থেকে ২০ ডলার ব্যারেল প্রতি কমে যায় তখন আমাদের এখানে কমে ৫-৬ টাকা তাই আবার মাস দুয়েক পর। এভাবে শুরু হয় লোকাল ব্যাবসায়িদের হঠকারিতার ছোবল আর লোকাল গভর্নমেন্টের দুর্বল ম্যানেজমেন্ট। কেউ দেখার নেই কারন যারা দেখে তাদের সাঙ্গ পাঙ্গদের পেট চলে এভাবে।
তবে একটা দিক খুব ভালো লাগে ইদানিং কৃষকরা হিট। যাদের জমি আছে তারা বেশ ভালো টাকা পাচ্ছে। এটা এর আগে কখনো দেখা যায়নি। আগে যদি ৬০% দরিদ্রসীমা থাকতো তাহলে এখন ৪০-৪২%। এটা অবশ্য আমি জেনেছি ঢাকা ইউনিতে সাইকোলজীতে কাউন্সেলিং করানোর সময় একটা মেয়ে আমাকে বললো। মেয়েটার মতে "কিছুতো উন্নতি হয়েছে তবে জীবন যাত্রার মান আসলে অতটা উপরে ওঠেনি!সবাই এখন এক দুই লাখ টাকা জমিয়ে বিদেশ পাড়ি জমাচ্ছে।" আমি সেটা নিয়ে খুব একটা ভাবি না, কারন আমাদের রিসেশন টা একটু অন্য রকম হবে!
আমাদের সামনের দুর্ভিক্ষ
জয়নুল আবেদিনের দুর্ভিক্ষের ছবি ছোটকাল থেকে দেখে আমাদের একটা ধারনা হয়ে গেছে যে দুর্ভিক্ষ হলে রাস্তায় ছোটলোকদের লাশ পড়ে থাকবে, গ্রামে মৃত মানুষের টোল গণনার মহোৎসব চালু হবে। না এবারের দুর্ভিক্ষ হবে আসলেই অন্যরকম। প্রথম টের টা পাবে যারা হাইলি পেইড কোম্পানীতে আছেন তারা। গত বছর ১৬০০০ এর মতো প্রাইভেট কার সেল হয়েছে যেটা ছিলো এদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশী কারন কার লোন নামের একটা সুবিধার অপ্রচলিত সহজীকরন। এরকম অনেকেই ধুমায়া লোন করেছেন।যখন এদের চাকরী যাবে তখন এদের কি হবে? যারা ক্রেডিট কার্ডের মজা পেয়ে গেছেন তাদের যখন চাকরী যাচ্ছে তখন তাদের লোন শোধ করতে কি করবে?
এখানে একটা কথা যারা হাইটেক এ স্পেশালিস্ট তখন তারা অন্য জব খুজে নিতে পারবে কিন্তু তার অবস্হাও তেমন সুখকর হবে না কারন একটাই যখন তারা ফরেন থেকে লোকালে কাজ করবে সেলারী হবে অর্ধেক। অথবা কপাল যদি নর্মাল ভাবে থাকে তাহলে চাকরি পাবে কি না সন্দেহ কারন সাটার ডাউন অলরেডী শুরু হয়ে গেছে সবখানেই নীরবে!
এখন আসি দ্বিতীয় ফেজে যারা ব্যাবসা করছেন বিভিন্ন কোম্পানীতে সাপ্লাইয়ার হিসেবে। আমাদের দেশে বেশ কিছু ইপিজেড যাদের বেশীর ভাগ কাজই হলো এক্সপোর্ট নির্ভর। ২% এর সান্তনা কারী হিসেবও সেটার উপর। কিন্তু এটা কি কেউ হিসেব করেছেন এই ইপিজেড গুলোর উপর ডিপেন্ড করে আছে কয় হাজার ছোট ছোট ব্যাবসায়ী?
কেউ হিসেব করেননি, কারন আমাদের বেশীর ভাগ অর্থনীতিবিদ আর বুদ্ধিজীবি একটু মাথামোটা!
আসছে, আমাদের জন্য দারুন একটা সময় আসছে, এবং আমার এজন্যই ভয় লাগছে যখন আমাদের অর্থমন্ত্রী কান্ডজ্ঞানহীনের মতো বলেন টাকার দাম জোর করে কমাতে! যদিও এক্সপোর্টারদের পোয়াবরো হতো তাহলে কিন্তু তাতে যেটা হতো আমরা যেই অপ্রচলিত দুর্ভিক্ষ ৬-৭ মাস পরে দেখার বদলে সেটা কাল থেকেই শুরু হয়ে যেতো গ্রামেগন্জ্ঞে। যাই হোউক এবারের দুর্ভিক্ষ শুরু হবে শহর এবং মেট্রো এলাকা থেকে! চলবে ২০১২ পর্যন্ত। ২০১২ এর মাঝখান দিয়ে এটা আবার ভালো পজিশনে ফিরে আসবে এবং তখন হয়তো দেখবো এই অর্থনৈতিক মেরুকরনে নতুন কোনো নাম। ভালোই লাগবে ব্যাপারটা কারন তখন দেখা যাবে মানুষ ইউরোপ আমেরিকা রেখে ঐসব দেশে বেশী যাবে! আর নতুন কোনো পটপরিবর্তন বা প্রযুক্তির আবিস্কার এটাকে আরো পিছিয়ে আনতে পারে। অবশ্য আমি এজন্য আমি এলএইচসি বা ফিজিক্সের দিকে চেয়ে থাকবো!
তবে এটা কি কেউ খেয়াল করেছেন আমাদের শেয়ার বাজারের কি অবস্হা! বেড়া ছেড়া এক কথায়!
দুর্ভিক্ষ হলে কি বাড়বে?
বিয়ার সংখ্যা বাড়বে, পলিগ্যামীও বাড়তে পারে। যারা ইমিগ্রান্ট তারা দেখা যাবে দেশের সকল সুন্দরী মেয়েদের বিয়া করে ফুটছে।
হাই ক্লাশ প্রোস্টিটিউশন বাড়বে!
উপরের পয়েন্ট দুটো আমার না, এটা হলো আমার বিদায়ী বন্ধু রাসেলের ডায়লগ। ওর কালকে ইংল্যান্ডে ফ্লাইট।
তবে আমার মতে যেটা হবে আমাদের সমাজে একটা নৈতিক অবক্ষয় দেখা হবে এবং এটা শুরু হবে আমাদের মানী মধ্যবিত্তদের মাঝেই। যাদের কিছুই নাই, শুধু আছে মান আর ইজ্জত।
আর যেটা হবে ভোগের ব্যাবসা গুলোর মান কমবে, পন্য হতে কেউ দ্বীধা করবে না, ভার্সিটি থেকে পাশ করা ছাত্রদের হতাশা গুলো চরমে উঠবে!একটা সল্যুশন হয়তো আছে যদিও এটা পরীক্ষিত না, তবে আমার এক বন্ধু বললো এটার কাজ হবেই যদি না ধৈর্য্যটা সঠিক জায়গায় কাজ না করে। আর এই সল্যুশনটা অবশ্য আমাদের মতো যুবক বা ভার্সিটি থেকে সদ্য পাশ করে বের হয়েছে তাদের জন্য খাটবে। ব্যাবসায়ীদের জন্য কি আছে সেটা আমাদের দেখার বিষয় না!
অবশ্য আমি এতে তেমন কিছু অসুবিধার দেখি না। কারন বাঙ্গালীরা বেশ ভালোই পারে।
একটা কথা বলি যুদ্ধাপরাধীদের বিচার আসলেই দরকার, কতটা দরকার সেটাও হয়তো বলে বোঝানো যাবে না, তবে যেটা বোঝানো যাবে সেটা এভাবে এখনও আমরা লজ্জাহীন জাতী কিন্তু যখন বিচার করতে পারবো তখন হয়তো একটু মানসম্মান নিয়ে বাচতে পারবো, এই বেশরম নগ্নতা থেকে কিছুটা মুক্তি পাবো!
তবে তার পরেই এই কথাটা আসে: যখন দেখি রাস্তা ঘাটে ছিনতাই রাহাজানী, আর এলাকার কিছু পুরোনো সন্ত্রাসী আবার ফিরে এসে কাধে হাত দিয়ে বলে," রনি ভাই, নতুন ব্যাবসা চালু করুম, ৫০০০০ টাকা দরকার, বলেনতো কি করা যায়? আপনার নোকিয়ার হ্যান্ড সেট টার দাম কত? কয়দিনের জন্য ধারন দেনতো?"
আর সেইখানে আমরা ফিলিস্তিনের জন্য মানব বন্ধন করি! আসলেই আমরা বেশ উচ্চাভিলাসী নাইলে বড় মানের বলদ জাতী!
আসেন ভাই পেটে ভাত নাই তো কি হইছে যুদ্ধাপরাধীর মতো কিছু হারামজাদার বিচার চাই, আমাদের জন্মের একটা কলন্ক তো মিটাই!
“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন
আমাদের গ্রামের গল্প!

আমাগো গ্রাম আপনারা সবাই চিনেন।
মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। শ্রীনগর থানা। খুবই প্রাচীন অঞ্চল। অবশ্য এখন গ্রাম বদলে গেছে! ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল হয়েছে, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমল, ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন
আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?
আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?
ধরুন, মাসুদ একদিন বাজার করতে বের হয়েছেন। তার মানিব্যাগে একটি Contactless Visa Card ছিল। বাজারের ভিড়ের মধ্যে একজন চোর একটি বিশেষ স্ক্যানিং ডিভাইস নিয়ে ঘুরছিল।... ...বাকিটুকু পড়ুন
ফিরে যাওয়া বলে কিছু নেই
আমি যে নদীর কথা ভাবি,
সে নদী জল নয় সময় বয়ে নিয়ে চলে।
এক পাড়ে মানুষের কোলাহল,
হাটের গুঞ্জন, ভাতের গন্ধ, সন্ধ্যার আহবান,
অন্য পাড়ে কেবল শূন্যতা,
যেন কেউ কোনোদিন সেখানে ছিলইনা।
তবু দু পাড়ই... ...বাকিটুকু পড়ুন
১০০০-তম পোস্টঃ কন্যা আপন সাজন সাজে রে
আমাকে ও রাহমিনকে এনিমেট করলে কেমন দেখাবে? এই আইডিয়া থেকেই গানটা রিমিক্স করে এনিমেটেড ভিডিও সং বানিয়ে ইউটিউবে ছেড়েছি। ছোটবেলায় মেঝ খালার বিয়েতে এই গানটা শুনেছিলাম। সবাইকে গানটি দেখা ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।