একটা বাটারফ্লাই এফেক্ট!
একটা বিশাল শূন্যতা আজ মনের মাঝে, মারুফ খুজে পাচ্ছে না এই শূন্যতা পূরণ করার কোনো উপায়।
কিছুক্ষন পর জানতে পারলো কোম্পানী ওদেরকে থার্ড পার্টির কাছে হ্যান্ড ওভার করছে। গত বছর থেকে বোনাস পাচ্ছে না, এ বছর ওটি বন্ধ, আজকে ম্যানেজমেন্ট কমিটি ডিসিশন নেবে কিভাবে থার্ড পার্টির কাছে হ্যান্ড ওভার করবে। মারুফ খুব অস্বস্তিতে পড়েছে, চৈতীর সাথে বিয়ের কথা চলছে। এ মাসের ২৫ তারিখে ওর জন্মদিন, ঐদিনেই এ্যাঙ্গেজম্যান্ট।
বলতে পারছে না থার্ড পার্টিতে গেলে ওর বর্তমান স্যালারী থাকবে কিনা, এমনকি চাকরিটাও শিওর না। অনেক দিন ধরে বলবে বলবে করে বলতে পারছে না, কারন চৈতী হারানোর মত আঘাত ও সইতে পারবে না! ওর কলিগেরা সবাই দরজার সামনে বসে আছে। শুধু ও যাচ্ছে না, কারন চৈতী ফোন করেছে। ধরবে কি ধরবে না, সেটার ডিসিশন নিতে পারছে না!
: হ্যালো, কি খবর?
: হ্যালো, এতো দেরী কেনো ফোন ধরতে? তুমি কোথায়?
: আর কোথায়? অফিসে? একটু কাজ করছিলাম।
: আমি তোমার অফিসের সামনে। ভীড়ে যেতে পারছি না। একটু বের হতে পারবে!
বুকে একটু ধ্বক করে উঠলো, কারন চৈতী এখানে বেশ কয়েকবার এসেছে, ওর বেশ কয়েকজন কলিগকে খুব ভালো করেই চেনে। কি করবে মারুফ বুঝতে পারছে না, শুধু হাত কামড়াতে ইচ্ছা করছে। দরজা দিয়ে বের হতে গেলে আন্দোলনে ওদের সাথে দিতে হবে, অথবা পাশ কাটিয়ে চলে যেতে হবে চৈতীর কাছে।
মাঝে মাঝে ও ভাবে ওর জীবনে চাকরী বড় না চৈতী? মারুফের পরিবারের সাথে ওর মানিয়ে নেয়াটা একটু কস্টের হবে বোধ হয়। অর্থনৈতিক স্বচ্ছলতার দিক থেকে একটা বেশ ফারাক। তাছাড়া ওই হচ্ছে ওর পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যাক্তি।
তাহলে কি আজ বলে দেবে চৈতীকে? আবারও ফোন বাজছে, না চৈতী নয়, নীচে আন্দোলনরত এক কলিগ!
মাথাটা ঘুরছে!
**রিসেশনের করাল থাবা শুরু হচ্ছে বড় বড় কোম্পানীতে!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

